• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১৭ই মাঘ ১৪২৯ রাত ০৩:৫০:২২ (31-Jan-2023)
  • - ৩৩° সে:

ন্যাটোর সদস্য বাড়লে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে: মস্কোর হুঁশিয়ারি


বৃহঃস্পতিবার ১লা ডিসেম্বর ২০২২ দুপুর ১২:১৫



ন্যাটোর সদস্য বাড়লে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে: মস্কোর হুঁশিয়ারি

ছবি : সংগৃহীত

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই বুখারেস্টে বৈঠকে বসে ন্যাটোর সদস্যরা। সামরিক জোটটির সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, কিয়েভকে সহায়তার মতো বিষয়গুলো আলোচিত হলেও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় জোটের পরিধি বাড়ানো ইস্যুতে। সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে জোটে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া জোরদার করতে তাগিদ দেয়া হয় বৈঠকে। খবর রয়টার্স ও এপির।

কিন্তু, ন্যাটো জোট সদস্য সংখ্যা বাড়ালে আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে; এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। এদিকে, বৈঠকে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডকে জোটে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সমর্থনের ইঙ্গিত দেয় তুরস্ক। আর কুর্দি বিদ্রোহীদের সহায়তা বন্ধে আঙ্কারার শর্ত মানার বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দেয় স্টকহোম।

ওই সময় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেন সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের মন্ত্রীরা। স্টকহোম জানায়, দেশ দুইটির জোটে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে আঙ্কারা। অন্যদিকে, কুর্দি বিদ্রোহীদের অর্থ ও সামরিক সহায়তা বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে সুইডেন-ফিনল্যান্ড।

সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টবিয়াস বিলস্টর্ম বলেন, তুরস্ক, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যে বৈঠক হয়েছে তাতে আমরা খুবই আশাবাদী। ন্যাটোর সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে আঙ্কারার পক্ষ থেকে যে বাধা ছিল, তা শিগগিরই উঠে যাবে এই আশা করছি। তুরস্কের পক্ষ থেকে যে শর্ত দেয়া হয়েছিল সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভোসোগলু বলেন, তুরস্কের পক্ষ থেকে যেসব দাবি ও শর্ত রাখা হয়েছে তা বাস্তবায়নে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরা তাদের এই প্রচেষ্টাকে স্বীকার করে নিচ্ছি। যদিও এই পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে সে বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন এখনও চোখে পড়েনি। আমরা চাই কুর্দি বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহের প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি বন্ধ করুক ফিনল্যান্ড-সুইডেন।

এ অবস্থায় রাশিয়ার অভিযোগ, ন্যাটো তার পরিধি বাড়ালে তা আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক অস্থিতিশীলতাকে আরও উসকে দেবে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, রাশিয়া ছাড়া আঞ্চলিক সব দেশগুলোই ন্যাটো জোটে যোগ দেয়ার পরিকল্পনা করছে। এতে আর্কটিক অঞ্চলে বাড়বে সামরিক উত্তেজনা। যা বড় ধরনের সংঘাত ও যুদ্ধের পরিণত হতে পারে।

এদিকে, বৈঠকে বসনিয়া, জর্জিয়া মলডোভার মতো দেশগুলোকেও সহায়তার জন্য ন্যাটো সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান জোটটির মহাসচিব জেসন স্টলটেনবার্গ।

মন্তব্য করুনঃ


সর্বশেষ সংবাদ