চলচ্চিত্র নির্মাণের পর পোস্ট-প্রডাকশন থেকে শুরু করে দর্শকের কাছে সিনেমা পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্মাতা, প্রযোজক ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের বাস্তবভিত্তিক ধারণা দিতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখি-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী ‘Beyond the Screen: ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালা।বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে আয়োজিত এ কর্মশালায় মেন্টর হিসেবে ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা তপু খান, শাকিব খান অভিনীত আমিই বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের পরিচালক। বাংলাদেশের মূলধারার চলচ্চিত্র শিল্পে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে চলচ্চিত্রের নির্মাণ-পরবর্তী যাত্রা, দর্শক সম্পৃক্ততা, চলচ্চিত্র বিপণন, ডিস্ট্রিবিউশন ও বাণিজ্যিক কৌশল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।কর্মশালায় চলচ্চিত্রের পোস্ট-প্রডাকশন পরবর্তী ধাপ, ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউটরের ভূমিকা, ডিস্ট্রিবিউশন স্ট্র্যাটেজি, হল নির্বাচন ও বুকিং, প্রযোজক-পরিবেশক-প্রদর্শকের সম্পর্ক, চলচ্চিত্রের বিপণন ও দর্শক তৈরি, রেভিনিউ শেয়ারিং এবং কমার্শিয়াল পজিশনিংসহ চলচ্চিত্র বিতরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।কর্মশালার একটি বিশেষ সেশনে ‘সিনেমা পরিবেশনা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখালিখির উদ্যোক্তা সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা। চলচ্চিত্রের নির্মাণ থেকে দর্শকের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক, পেশাদার যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।কর্মশালায় বিশেষ গুরুত্ব পায় সারা বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের বিস্তৃত ডিস্ট্রিবিউশনের প্রয়োজনীয়তা। আলোচনায় বলা হয়, চলচ্চিত্রের দর্শক শুধু ঢাকা বা বড় শহরকেন্দ্রিক নয়; দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলেও রয়েছে সম্ভাবনাময় দর্শক। তাই একটি চলচ্চিত্রের সাফল্য শুধু নির্মাণের মানের ওপর নির্ভর করে না—সঠিক ডিস্ট্রিবিউশন পরিকল্পনার মাধ্যমে কত বিস্তৃত দর্শকের কাছে চলচ্চিত্রটি পৌঁছাতে পারছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।আলোচনায় ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের নৈতিকতা বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। স্বচ্ছ রাজস্ব বণ্টন, সঠিক বক্স অফিস রিপোর্টিং, ন্যায্য স্ক্রিন বরাদ্দ, দর্শকের প্রতি দায়বদ্ধতা, কপিরাইট ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের সুরক্ষা এবং চলচ্চিত্রের অনুমোদিত সংস্করণ প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক জনাব ম. জাভেদ ইকবাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারহানা রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আলী সরকার।এছাড়া কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন টেকনোলজি (BUFT) এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে হলে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাণ নয়; পোস্ট-প্রডাকশন, বিপণন, ডিস্ট্রিবিউশন ও প্রদর্শন—পুরো চলচ্চিত্র ইকোসিস্টেমকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।‘Beyond the Screen: ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশনের কৌশল’ কর্মশালার মাধ্যমে নতুন ও সম্ভাবনাময় নির্মাতা, প্রযোজক এবং চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের চলচ্চিত্রের নির্মাণ-পরবর্তী যাত্রা, বাজার ও ডিস্ট্রিবিউশন সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান ও পেশাগত ধারণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
১ ঘন্টা আগে
চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য কুমিল্লায় বসছে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব। ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকের কাছে দেশীয় চলচ্চিত্রকে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব আয়োজন করেছে ‘১ম কুমিল্লা চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’। আগামী ২৮ ও ২৯ আগস্ট কুমিল্লা কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।দুই দিনের আয়োজনে থাকছে মোট ছয়টি চলচ্চিত্র। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তিনটি করে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সাধারণ দর্শকদের কথা বিবেচনায় রেখে প্রতিদিনের টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। একটি টিকিটেই ওই দিনের তিনটি চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ থাকছে। অনলাইন ও উৎসবের ভেন্যু—দুই জায়গা থেকেই টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।উৎসবের প্রথম দিন ২৮ আগস্ট বিকেল ৩টায় আকাশ হক পরিচালিত ‘ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে আয়োজন। এরপর সন্ধ্যা ৫-৩০ মিনিটে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জীবন শাহাদাৎ পরিচালিত ‘নেমপ্লেট’ এবং সন্ধ্যা ৬টায় এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘গলুই’ প্রদর্শিত হবে।দ্বিতীয় দিন ২৯ আগস্ট বিকেল ৩টায় পর্দায় উঠবে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘লাল শাড়ি’। বিকেল সাড়ে ৫-৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে সুপিন বর্মন পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এ লেটার অব পোস্টমাস্টার’। উৎসবের শেষ চলচ্চিত্র হিসেবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দেখানো হবে খন্দকার সুমন পরিচালিত ‘সাতাও’।আয়োজনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো চলচ্চিত্রের বৈচিত্র্য। বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র থাকায় দর্শক দুই দিনে ভিন্ন স্বাদের বেশ কিছু কাজ দেখার সুযোগ পাবেন। ফলে এটি শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, দেশীয় চলচ্চিত্রের নানা ধরনের নির্মাণ ও গল্প বলার ধরন সম্পর্কে দর্শকদের নতুন অভিজ্ঞতাও দিতে পারে।ঢাকা ফিল্ম ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বড়ুয়া মনোজিত ধীমন জানান, রাজধানীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর বাইরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পরিসর তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। সেই জায়গা থেকে কুমিল্লায় প্রথমবারের মতো এ উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব। স্থানীয় দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহমুখী করার পাশাপাশি চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।বিশেষ করে তরুণ দর্শকদের জন্য উৎসবটি হয়ে উঠতে পারে দেশীয় চলচ্চিত্রকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ। এক টিকিটে তিনটি চলচ্চিত্র দেখার সুবিধা এবং তুলনামূলক কম টিকিটমূল্য তরুণদের উৎসবে টানতে পারে। একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগঠক ও দর্শকদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরিরও একটি ক্ষেত্র তৈরি হবে।কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স নিবেদিত এ উৎসব আয়োজন করছে ঢাকা ফিল্ম ক্লাব। সহযোগী সংগঠন হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদ, কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি ও বেঙ্গল ফিল্ম সোসাইটি। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দুই দিনের এ আয়োজন কুমিল্লায় চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করবে।শুধু কুমিল্লায় সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের অন্যান্য শহরেও এ ধরনের আয়োজন ছড়িয়ে পড়লে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের বিকল্প পরিসর আরও সমৃদ্ধ হবে। প্রেক্ষাগৃহে নিয়মিত বাণিজ্যিক সিনেমা প্রদর্শনীর পাশাপাশি উৎসবভিত্তিক আয়োজন দর্শকদের ভিন্নধারার চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ তৈরি করে। সেই বিবেচনায় ‘১ম কুমিল্লা চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬’ দেশীয় চলচ্চিত্রের দর্শক তৈরির ধারায় একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
১১ ঘন্টা আগে
ঘুরতে বেশ ভালোবাসেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে কখনো পাহাড়, কখনো সমুদ্র কিংবা ঝরনার সৌন্দর্যে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। সেই মুহূর্তগুলো ভিডিও কিংবা ছবি- ক্যামেরাবন্দি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গেও ভাগ করে নেন এই নায়িকা।বর্তমানে সিনেমার শুটিংয়ের কাজে নেপালে রয়েছেন অপু বিশ্বাস। কাজের ফাঁকে সেখানকার পাহাড়ি প্রকৃতি ও ঝরনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা গেছে তাকে। তবে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালেই হঠাৎ সমুদ্রতটের আবহে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন তিনি।ছবিগুলোর পটভূমি কোথাকার, তা অবশ্য জানাননি অপু। বলে রাখা ভালো, নেপালে কোনো সমুদ্র সৈকতও নেই। তবে ছবিতে তার সাজপোশাকই যেন কেড়ে নিয়েছে সবার নজর। মাথায় ক্যাপ, চোখে রোদচশমা আর পরনে স্লিভলেস কালো ক্যাজুয়াল টপ—পুরো সাজেই ছিল ওয়েস্টার্ন ও স্টাইলিশ ছাপ।খোলামেলা চুল, মুখে হালকা হাসি আর কালো পোশাকে অপুর উপস্থিতি ছবিগুলোকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা। নান্দনিক পরিবেশে স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে তোলা এসব ছবিতে বেশ সাবলীলভাবেই ধরা দিয়েছেন তিনি।সকাল সকাল অপুর এমন স্টাইলিশ লুক প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভিড় করেছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। নানা প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রিয় নায়িকাকে।
১ দিন আগে
প্রখ্যাত আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুনকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ কলকাতার পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হবে। আগামী ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার নন্দনে অনুষ্ঠিতব্য এ উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত নয়টি প্রামাণ্যচিত্রের একটি। ব্রিটিশ-বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা মকবুল চৌধুরী ৬৬ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রটি ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়া—ইস্টার্ন রিজিয়ন আয়োজিত এ উৎসবে সেরা ও দ্বিতীয় সেরা প্রামাণ্যচিত্রের জন্য হরিসাধন দাশগুপ্ত গোল্ডেন ও সিলভার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। কলকাতায় প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ছবিটির ভারতীয় প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে।পরিচালক মকবুল চৌধুরী পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন। এ সময়ে তিনি ঢাকা, কলকাতা, প্যারিস ও নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরে নাসির আলী মামুনের শিল্পীজীবন ও সৃজনযাত্রা অনুসরণ করেছেন। তাঁর শিল্পকর্মের পাশাপাশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মামুনের সম্পর্ক ও যোগাযোগও উঠে এসেছে প্রামাণ্যচিত্রটিতে।ছবিতে কলকাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিশেষভাবে উপস্থিত হয়েছে। কলকাতাকে ঘিরে প্রামাণ্যচিত্রটিতে সাক্ষাৎকার রয়েছে প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষ, প্রয়াত চিত্রশিল্পী রবীন মণ্ডল, চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী এবং গণেশ হালই-এর।প্রামাণ্যচিত্রটিতে নাসির আলী মামুনের সৃজনযাত্রার একটি চিন্তাশীল ও শিল্পসম্মত দলিল তুলে ধরা হয়েছে। আলো ও ছায়ার অনন্য আন্তঃসম্পর্কে গড়ে ওঠা তাঁর শিল্পচর্চার মধ্য দিয়ে কীভাবে মানবমুখের ভেতর ইতিহাসের গভীর সত্যকে ধারণ করা যায়, চলচ্চিত্রটি সেই শিল্পভাষার অনুসন্ধান করেছে।‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ ২০২৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ২৮তম টাঙ্গস অন ফায়ার, ইউকে এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার লাভ করে।
২ দিন আগে