আমাদের দায়বদ্ধতার অভাব ছিল বলেই যত্রতত্র কারখানা তৈরি ও পরিবেশ দূষিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।আজ বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মানুষ, হাতি ও যৌথ ভূদৃশ্য-বিষয়ক সংলাপ এবং টেকসই প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম’ বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।এ সময় তিনি পরিবেশ দূষণের বিভিন্ন উৎসের কথা উল্লেখ করে বলেন, এগুলো নিরসনে কাজ চলমান রয়েছে। দূষণ নিরসনে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ইটভাটা ও অন্যান্য কারখানায় সিটিপিসহ (কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার) অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে।ট্যানারি শিল্পসহ অন্যান্য শিল্পকারখানার সংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় একসঙ্গে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠছে না বলেও জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা যায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম তৈরিতে সচেষ্ট থাকার ওপরও জোর দেন তিনি।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সামছুল আলম ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক নজরুল ইসলামসহ অনেকে।
২২ ঘন্টা আগে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২১ আগস্ট। অনলাইনে এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার শেরাটন হোটেলে এক অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাদের বিভিন্ন দূর-দূরান্তে পোস্টিং রয়েছে, তাদের ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করছি। আজকালের মধ্যেই সেটা শুরু করতে যাচ্ছি। ট্রান্সফারের বিষয়টার পর আমরা নিউ রিক্রুটমেন্টের দিকে যাচ্ছি।এর আগে রোববার (১৬ আগস্ট) মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন নিষ্পত্তি এবং অনলাইনে বদলি নিয়ে সামগ্রিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে শিগগির বদলি আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।বদলি আবেদনপ্রক্রিয়ায় দায়িত্বরত মাউশির একজন কর্মকর্তা বলেছিলেন, আবেদনের সময় প্রাথমিকভাবে ১০ দিন রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এটি কমতে বা বাড়তে পারে। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আরও ৫ দিন সময় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর শিক্ষকদের বদলি করা হবে।শিক্ষকরা তিনটি এলাকার বাইরে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। নির্ধারিত এলাকার বাইরে আবেদন করতে গেলে ‘আবেদন যোগ্য নন’ বলে নোটিফিকেশন দেখাবে সফটওয়্যার।মাউশি সূত্র জানায়, শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা অনুযায়ী নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা এবং স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের বাইরে অন্য কোথাও বদলি আবেদন করা যাবে না। এলাকাগুলোর বাইরে আবেদন নেবে না সফটওয়্যার। সফটওয়্যার সেভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে।মাউশির কর্মকর্তারা জানান, নিজ জেলা, স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা এবং স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের বাইরে আবেদনের সুযোগ নেই। কেউ চাইলেও আবেদন করতে পারবেন না।
২ দিন আগে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমরা এ সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নত করেছি।’সোমবার (১৭ আগস্ট) কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘কিএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতোদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারলেন না? শেষ ২০ বছর আপনারা মুখ বন্ধ করে ছিলেন?’শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনেক গবেষক আছে, যারা অন্য দেশের বিনির্মাণে নিজের জ্ঞান ঢেলে দেয়। কিন্তু আমরা তাদের খুঁজে বের করতে পারি না। এটা আমাদের ব্যার্থতা। এদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি।’
২ দিন আগে
শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা বিতরণ শুরু হচ্ছে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ পাবেন। এর মধ্যে কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় ৪৪ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এবং অবসর সুবিধা বোর্ডের আওতায় ৭৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণের টাকা বিতরণের বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়। এর পরই পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়।জানা গেছে, কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের পাওনার পুরো অর্থই পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ডের আওতাভুক্তদের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তিদের ৫ লাখ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।এ বিষয়ে আগামীকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলন করবেন। সেখানে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার কথা রয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবসরের অপেক্ষায় থাকা ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৪ শিক্ষকের পাওনা পরিশোধে প্রায় ৯ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত অবসর সুবিধা বোর্ডে জমা হওয়া ৫৯ হাজার ৮২০টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা।অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টে গত মার্চ পর্যন্ত জমা হওয়া ৪৫ হাজার ৮২৪টি আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজন প্রায় ২ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের পাওনা পরিশোধে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শুরুতে অর্থ বিভাগ থেকে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হলেও পরে তা বাড়ানো হয়।এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার আগে শিক্ষকদের অবসর সুবিধার অর্থের ঘাটতি পূরণে অর্থ বিভাগে ডিও লেটার পাঠান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেখানে অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।বিশাল এই অর্থ বরাদ্দের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের একটি বড় অংশের পাওনা পরিশোধের পথ তৈরি হয়েছে। এখন শনিবারের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সেই অর্থ বিতরণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
৬ দিন আগে