রকমারি দেশি ফলের সম্ভার ও দেশাত্ববোধক গানের আয়োজনে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ। শুক্রবার ৪২ ধরনের দেশি ফলের প্রদর্শনী ও রস আস্বাদনের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব থিম সং ‘প্রেস ক্লাব আমাদের সেকেন্ড হোম’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।দেশী ফলের সম্ভারের মধ্যে ছিল আম্রপালি, ফজলি, জাম্বুরা, কলা, কামরাঙ্গা, আমলকি, আমড়া, পেঁপে, কাঁঠাল, আনারস, ওরবরই, কামরাঙা, পেয়ারা, করমচা, লটকন, ড্রাগন, ডেউয়া, টিপাটিপি, জামরুল, তাল, আপেল, লেবু, বাতাবিলেবু ,লিচু, কাঠ লিচু, হাঁড়ি ভাঙ্গা, বিলাতি গাব, জাম, ফজলি আম, সফেদা, তরমুজ, বাঙ্গি ,সাম্মাম, আমলকি, আমড়া, মাখনা, তালের শাঁস,কাঠ বাদাম,দেশী খেজুর ইত্যাদি।গান পরিবেশন করেন তামান্না হক, শাহরিয়ার রাফাত, মিনি আলাউদ্দিন ও বাবু। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফল উৎসব ও সঙ্গিত উপভোগ করেন ক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরী । প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রানা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, একেএম মহসিন, মাসুমুর রহমান খলিলী, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন ও ক্লাবের সিনিয়র সদস্যরা সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘন্টা আগে
আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম। তবে দিনটিকে ঘিরে ডিএমপি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ২৩ জুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এটিকে কেন্দ্র করে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতের মতোই প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।সম্প্রতি মোহাম্মদপুরে ‘কাইল্লা ফারুক’ নামে এক ব্যক্তির জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় চাঁদাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামিনের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। আদালতই সিদ্ধান্ত নেয় কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে কি না।তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
১০ ঘন্টা আগে
সর্বসম্মতিক্রমে গণমাধ্যম কমিশনের পথনকশা তৈরি করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়ন কর্মশালার বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল রুমে এই কর্মশালার আয়োজন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আজ এখানে নোয়াব, সম্পাদক পরিষদ, এডিটরস গিল্ডসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেক্টরের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত আছেন। সর্বসম্মতিক্রমে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে আপনাদের মতামত প্রয়োজন।আমরা বিশ্বাস করব আপনারা কমিশনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানার উপস্থাপনায় ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। পরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রকাশক, সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিশেষজ্ঞবৃন্দ।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে যুক্ত সকলকে একটি মঞ্চে আনতে সক্ষম হয়েছি, যা একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাই আমরা আজ সর্বসম্মতভাবে একটি পথনকশা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করব। তিনি বলেন, সরকার মূলত সমন্বয়কের কাজটি করবে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা দরকার।ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যম আপনাদের এটিকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে ব্যাপারে আপনারাই সিদ্ধান্ত নিবেন। সরকারের ভুল ভ্রান্তি তুলে ধরা গণমাধ্যমের কাজ। আপনারা আমাদের পথ দেখাবেন, বলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নগুলো কীভাবে সমন্বিতভাবে তুলে ধরতে পারি সেখানে গণমাধ্যমের সহযোগিতা দরকার। এজন্যই একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যম কমিশন।আপনাদের বুদ্ধি ও পরামর্শ নিয়ে আমরা কমিশন গঠন করব, বলেন ইয়াসের খান।
১ দিন আগে
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২০৮৬ টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৯ টি বাস, ১ টি ট্রাক, ৬ টি কাভার্ডভ্যান, ১৩ টি সিএনজি ও ২৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯১ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ৩ টি কাভার্ডভ্যান, ১৪ টি সিএনজি ও ৭৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৫ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৩ টি বাস, ২৬ টি কাভার্ডভ্যান, ১০৬ টি সিএনজি ও ২৮৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫০৩ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৮ টি বাস, ১৯ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি সিএনজি ও ৬৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০১ টি মামলা হয়েছে।অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১১ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ১০ টি কাভার্ডভ্যান, ৩১ টি সিএনজি ও ৫৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫১ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ১২ টি কাভার্ডভ্যান, ৬২ টি সিএনজি, ২০৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৬৯ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৪ টি বাস, ১১ টি ট্রাক, ১৭ টি কাভার্ডভ্যান, ১০৩ টি সিএনজি ও ১৬৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৭ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৬ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৩১ টি সিএনজি ও ৮৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৯ টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৩৮৭ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪৪৫ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।বুধবার (১৭ জুন) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১ দিন আগে