মিডিয়া ও যোগাযোগ মাধ্যমের দ্রুত বিবর্তনের এই যুগে শর্ট ভিডিও তথ্যের অন্যতম প্রধান বাহন হয়ে উঠেছে। জটিল যেকোনো বিষয়কে এখন মোবাইল স্ক্রিনে কয়েক সেকেন্ডেই ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে। আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল, নিখুঁত সম্পাদনা ও সাবলীল উপস্থাপনা দর্শকের নজর কাড়লেও তা তথ্যের সত্যতার নিশ্চয়তা দেয় না। বরং চটকদার কনটেন্টের আড়ালে ভুল বা অর্ধসত্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এ বাস্তবতায় শর্ট ভিডিওর যুগে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সত্যতা যাচাইয়ের কলাকৌশল নিয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা।নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহযোগিতায় এই ‘টিকটক মাস্টারক্লাস অন জার্নালিজম অ্যান্ড ডিজিটাল স্টোরিটেলিং’-এর আয়োজন করে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক।কর্মশালায় শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, ডিজিটাল নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অংশ নেন। এতে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, একটি ছোট ভিডিও তৈরি করতে সাধারণ প্রতিবেদনের চেয়েও বেশি পরিকল্পনা ও সতর্কতার প্রয়োজন। সীমিত সময়ের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল কারণ তুলে ধরা যেমন জরুরি, তেমনি কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা প্রেক্ষাপট বাদ পড়া দর্শকের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। মোবাইল ভিডিওকে কেবল বিনোদনের উপকরণ হিসেবে না দেখে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা জোর দেন—একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন তৈরি করতে হলে শুরুতেই তথ্য যাচাই, নির্ভরযোগ্য উৎসের সন্ধান এবং সেই সূত্রটি দর্শকের কাছে উন্মুক্ত করা আবশ্যক।আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘হোয়াট ডাজ দ্য ফিউচার জার্নালিস্ট লুক লাইক?’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাংবাদিকতার পরিবর্তনশীল রূপরেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিড়ে সত্য তথ্যের গুরুত্ব নিয়ে মতামত দেন বিশেষজ্ঞরা।কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে যমুনা টেলিভিশনের গবেষক ও নর্দান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মো. জাহিদ হোসেন খান নিউজরুমের বাস্তবিক অভিজ্ঞতার সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। সংবাদ নির্বাচন, এথিকস ও জনপরিসরে তথ্যের প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, খবর প্রকাশের চেয়ে আগে তা যাচাই করা বেশি জরুরি।এছাড়া ডিজিটাল মাধ্যমে দর্শক তৈরি ও ব্র্যান্ড সহযোগিতার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাশিক মোহতাসিন (ম্যাজিক রাজিক) ও সাবা চৌধুরী। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মূলধারার সাংবাদিক ও স্বাধীন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাজের পরিধি দিনে দিনে কীভাবে এক বিন্দুতে এসে মিলছে।মাস্টারক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি ডিজিটাল স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নিজেদের ক্যাম্পাস ও আশেপাশের সামাজিক নানা ইস্যু নিয়ে বাস্তবধর্মী শর্ট ভিডিও তৈরি করেন শিক্ষার্থীরা। বিজয়ী দলগুলো পরবর্তীতে একটি জাতীয় টেলিভিশনের নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ পায়, যেখানে তারা একটি বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ তৈরির অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সরাসরি প্রত্যক্ষ করে।আয়োজনের মূল দর্শন তুলে ধরে টিকটকের এশিয়া-প্যাসিফিক এবং মেটাপিএসএই অঞ্চলের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি ও টেক কমিউনিকেশনস লিড ইমাদ জাফর বলেন, তরুণ সাংবাদিকদের শর্ট ভিডিওর ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল মূল লক্ষ্য। জবাবদিহিতা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা গেলে শর্ট ফরম্যাটও সাংবাদিকতার আস্থার জায়গা হতে পারে।মূলত একটি ভিডিওর দৈর্ঘ্য কয়েক সেকেন্ড বা এক মিনিট হতে পারে, কিন্তু সেই সংক্ষিপ্ত পরিসরে তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা অক্ষুণ্ণ রাখার পেশাদার দায়িত্ব কোনোভাবেই ছোট নয়।
১২ ঘন্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নুরুল হক নুর বলেন, ছয় মাসের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখেছেন একটা এলএনজি-র টার্মিনালে দুর্ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে গ্যাস সাপ্লাই কমে গিয়েছে। এবং বাংলাদেশের দীর্ঘদিন এই ফ্যাসিষ্ট সরকারের লুটপাট এবং ভুল নীতিগত পলিসির কারণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের অনুসন্ধান করা হয় নাই।সরকার নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে বরাদ্দ বাড়িয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান তো এক মাসেই গ্যাস উত্তোলন করতে পারবে না! গ্যাস যদি কূপ খুঁজে পায়, সেটি আহরণ করার জন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্টদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে এগোতেও সময় লাগে। ভারত থেকে পাইপলাইনে জ্বালানি এনে দ্রুত সময়ে এই সমস্যা চাইলে আমরা সমাধান করতে পারি, কিন্তু তাই বলে ভারতের কাছে তো আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে আমরা বিকিয়ে দিতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী সেটা করেন নাই।নরুল হক নুর বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রত্যেকটি জেলা থেকে শুরু করে বিভাগীয় শহর এবং অনেক উপজেলায় ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ভাষাসহ নানা ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।শিক্ষিত ও বেকার তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ভাষার কোর্স ও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি তরুণদের বিদেশে ভালো কর্মসংস্থান ও ব্যাংক সহায়তার সুযোগ সুগম করবে।কবি নজরুল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ বলেন, ছাত্র অধিকার পরিষদ যখন ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, তখন আমরা দেখেছি অনেকেই গুপ্ত ছিল, তাদের পরিচয় গোপন ছিল। কিন্তু ছাত্র অধিকার পরিষদ এই ফাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে কখনো গুপ্ত হওয়ার চিন্তাভাবনা করে নাই, কখনো পরিচয় গোপন করার চিন্তা করে নাই। বরং পরিচয় ওপেন করে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল।তিনি বলেন, আমরা গত দুই দিন আগে দেখেছি কুষ্টিয়াতে আমাদের গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দের উপর জামায়াত-শিবির কীভাবে হামলা করেছে। আমি অবাক হয়েছি, এই জামায়াত-শিবির হামলা করার পূর্বে নারায়ে তাকবির তাকবীর স্লোগান দিয়েছিল! আমার আশঙ্কা হয়, এই আওয়ামী লীগ যেমন একটি উগ্রবাদী সংগঠন, তেমনি জামায়াত-শিবিরও একটি উগ্রবাদী সংগঠন।তিনি আরও বলেন, আপনারা যখন মজলুম ছিলেন, তখন আমরা আপনাদের পক্ষে কথা বলছি। আপনারা গণঅভ্যুত্থানের পরে ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে আপনারা জালিমের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যারা পেশিশক্তি প্রদর্শন করে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা করতে চায়, ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, গুপ্তগিরি করে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি করতে চায় ছাত্র অধিকার পরিষদ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদেরকে লাল কার্ড প্রদর্শন করবে। জুলাই অভ্যুত্থান পূর্ববর্তী যে রাজনীতি ছিল ঘন ঘন গেস্টরুমে নির্যাতন, সেই রাজনীতি আর ক্যাম্পাসগুলোতে আমরা ফিরে আসতে দেব না।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক। আমজনতা দলের সাধারণ সম্পাদক তারেক রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা প্রমুখ ।
৫ দিন আগে
দেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালযের শিক্ষার্থীদের জন্য এক্সক্লুসিভ ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট ‘ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ (এক্সসিসি ২০২৬)’ আয়োজন করেছে ইনফিনিক্স বাংলাদেশ। আগামী ৮ আগস্ট প্রতিযোগিতার মূল পর্বে অংশ নেবে রাজধানীর ছয়টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা বিজয়ী দলগুলো।এবারের আসরে অংশ নিয়েছে উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি), নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি।এর আগে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথকভাবে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেই বাছাইপর্ব থেকে নির্বাচিত একটি করে দল নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করে মূল পর্বে অংশ নেবে।প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ আগস্ট রাজধানীর সেন্টারপয়েন্টে অবস্থিত দেশের প্রথম ইনফিনিক্স নেক্সট-লেভেল গেমিং ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে। সেখানে ছয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা দলগুলো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে দিনব্যাপী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।ইনফিনিক্স নেক্সট-লেভেল গেমিং ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে রয়েছে একটি ডেডিকেটেড গেমিং জোন, যেখানে গেমার ও গেমিং–অনুরাগীরা যে কোনো সময় গিয়ে একা বা দলগতভাবে গেম খেলতে পারবেন। ইনফিনিক্সের উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন গেমিং স্মার্টফোনে জনপ্রিয় গেমগুলো উপভোগ করার সুযোগ মিলবে সেখানে। দেশের মোবাইল গেমিং কালচারকে আরও এগিয়ে নিতে তরুণদের জন্য উন্মুক্ত এই কমিউনিটি স্পেস তৈরি করেছে ইনফিনিক্স।আয়োজকদের মতে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক গেমিং ও ই-স্পোর্টসের সংস্কৃতি আরও বিকশিত করা, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদন ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে উৎসাহিত করতেই ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে।ফাইনালে চ্যাম্পিয়নসহ অন্য দলগুলোর জন্য থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।
৩ সপ্তাহ আগে
ফ্রিল্যান্সার-চালিত বিজনেস সল্যুশন প্ল্যাটফর্ম বিজমেকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) সফলভাবে দুইদিনব্যাপী ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। আইইউবি প্রোগ্রামিং ক্লাবের (আইইউবিপিসি) সহযোগিতায় গত ২৬-২৭ জুলাই এ প্রোগ্রাম আয়োজিত হয়। তরুণদের দক্ষতা চিহ্নিত করা, তা বিকশিত করা ও প্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তব সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করার লক্ষ্যে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।বিজমেকার একটি অনন্য মডেলের ওপর প্রতিষ্ঠিত; যেখানে সবাই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেন এবং শেখা ও কর্মসংস্থানের মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান, বাজারোপযোগী দক্ষতা এবং নিজেদের আবেগ ও আগ্রহকে অর্থবহ, টেকসই ক্যারিয়ারে রূপান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিতে চায় প্ল্যাটফর্মটি।আয়োজনের দুইদিনই সকাল ১০টা থেকে শুরু করে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অ্যাক্টিভেশন বুথ উন্মুক্ত ছিল। এতে শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ উদ্যোক্তারা অংশ নেন। এসময় দর্শনার্থীদের দলের সদস্যদের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি, বিজমেকার প্ল্যাটফর্ম, ফ্রিল্যান্সিং ও স্মার্ট হায়ারিং সম্পর্কে জানার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রোগ্রামটি বাস্তব প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতাকে আয়ে রূপান্তরিত করার ব্যবহারিক সুযোগ তৈরি এবং একইসাথে, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে।এছাড়াও, ২৭ জুলাই ডিএমকে লেকচার গ্যালারিতে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘স্কিলস টু সাকসেস’ শীর্ষক একটি সেশনের আয়োজন করে বিজমেকার। সেশনে চারজন দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ বক্তা বক্তব্য দেন।এ সময়, বিজমেকারের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএসএম রাফিউল হক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পেছনের দৃষ্টিভঙ্গি ও এর সাথে সম্পর্কিত বৃহত্তর পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন। বিজমেকারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিএমও দিলারা জাহান বৃষ্টি ডিজিটাল দক্ষতা, ধারাবাহিকতা ও ক্রমাগত শেখার মাধ্যমে টেকসই ক্যারিয়ার গড়ার বিষয়ে আলোচনা করেন।সার্টিফাইড ফুল স্ট্যাক ডিজিটাল মার্কেটার, এআই এসইও স্পেশালিস্ট ও আপওয়ার্কের শীর্ষস্থানীয় ফ্রিল্যান্সার ইব্রাহিম নিলয় বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতা করে সাফল্য অর্জনের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা শেয়ার করেন। সিনেমাটিক স্টোরিটেলিং ও কমার্শিয়াল কনটেন্ট বিশেষজ্ঞ, ভিডিও এডিটর ও ক্রিয়েটিভ কনসালট্যান্ট সাইফ শাওন ক্রিয়েটিভ ফ্রিল্যান্স অর্থনীতিতে নিজের বিশেষ অবস্থান তৈরির বিষয়ে আলোচনা করেন।বিজমেকারের চলমান প্রচেষ্টার সর্বশেষ অধ্যায় এই আইইউবি অ্যাক্টিভেশন। এর আগে প্ল্যাটফর্মটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ন্যাশনাল ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল, গুলশান ক্লাবে ফ্লো ফেস্ট এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাস্ট ক্যাপের আয়োজন করে, যেখানে দক্ষতা উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের কর্মজগতে আগ্রহী শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাদার ও উদ্যোক্তাদের সাথে ব্যাপক সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। এ বিষয়ে বিজমেকারের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএসএম রাফিউল হক বলেন, “তরুণরা বছরের পর বছর ধরে শিখছে, কিন্তু তাদের অনেকেই সেই জ্ঞান প্রয়োগের সুযোগ খুঁজে পাচ্ছে না। আমাদের ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামগুলো শিক্ষার্থীদের ফ্রিল্যান্সিংকে কেবল বাড়তি আয়ের কোনো উৎস হিসেবে দেখতে উৎসাহিত করছে না; বরং, দেশের মেধাবী তরুণদের এটা বোঝাতে চাইছে যে, তাদের দক্ষতার বাস্তব বাজারমূল্য রয়েছে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রোগ্রামগুলোর মাধ্যমে আমরা তরুণদের একাডেমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যা তাদের জন্য বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করবে।”
৩ সপ্তাহ আগে