বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বার্ষিক তালিকা, যা বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট স্কেল ও ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। শাওমি ২০১৯ সালে সর্বপ্রথম ৪৬৮তম স্থানে এ তালিকায় নিজের জায়গা করে নেয়। ওইবছরে ফরচুনে সবচেয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায় শাওমি। পরবর্তীতে, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে ২৯৭তম স্থানে উঠে আসে শাওমি।প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করতে শাওমি ২০২৬ সালে এক্সরিং ০১ ৩-ন্যানোমিটার উন্মোচন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিজের তৈরি প্রথম ফ্ল্যাগশিপ এসওসি (সিস্টেম অন চিপ)। একইসাথে, ক্রস-ডিভাইস কানেক্টিভিটি আরও কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানটি এআই ও হাইপারওএস সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এছাড়াও শাওমি হোম অ্যাপ্লায়েন্স, এআইওটি ও ইভি সহ আরও বিভিন্ন খাতে নিজের পোর্টফলিও সমৃদ্ধ করেছে। চীনা গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শাওমি বর্তমানে ১ নম্বরে রয়েছে এবং ১০০ কোটিরও (১ বিলিয়ন) বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে বিশ্বজুড়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।শাওমি ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতে ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতা নিশ্চিত করেছে। শাওমি এসইউ৭, শাওমি ওয়াইইউ৭ ও শাওমি স্কাইনোম্যাড মডেলগুলো উন্নত ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন, লং রেঞ্জ পারফরম্যান্স ও ইন্টেলিজেন্ট ইন-কার প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা প্রতিফলিত করে। শাওমি এসইউ৭ ও শাওমি ওয়াইইউ৭ যেখানে চালকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া স্কাইনোম্যাড চালকের পাশাপাশি, অন্যান্য যাত্রীদের আরাম, সুবিধা ও উন্নত অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর কেবিনকে এমন একটি অ্যাডাপ্টেবল লিভিং স্পেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা সারাদিন ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের সাথে তালমিলিয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। গত ১২ বছরে রেডমি নোট সিরিজ ৫০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন বিক্রির মাইলফলক অতিক্রম করেছে। যা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি, সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করেছে। ক্রেতাদের এ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা শাওমির ধারাবাহিক ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছে, যা ২০১৯ সালে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় প্রথমবার ৪৬৮ নম্বর স্থান থেকে ২০২৬ সালে ২৩২ নম্বর স্থানে উঠে আসতে সহায়তা করেছে। বর্তমানে, বিশ্বজুড়ে ১০০-এরও বেশি বাজারে শাওমির ‘হিউম্যান × কার × হোম’ ইকোসিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “উদ্ভাবন, অনন্য প্রযুক্তি ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শাওমি এ বছর ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে এআই, স্মার্ট হোম, ইন্টেলিজেন্ট মোবিলিটি ও অন্যান্য খাতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করার পাশাপাশি, আমাদের ক্রেতাদের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে এমন একটি ইন্টারকানেক্টেড ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমরা সময়ের সঙ্গে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় শাওমির অবস্থান আরও শক্তিশালী ও উন্নত করতে চাই।”আগামীতেও শাওমি প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ, বৈশ্বিক ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণ ও বিশ্বের আরও বেশি মানুষ ও কমিউনিটির কাছে সহজলভ্য ও ইন্টেলিজেন্ট প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।আরও বিস্তারিত জানতে, https://www.mi.com/global/about/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
১ দিন আগে
গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহজ কিস্তি বা অর্থায়ন সুবিধায় স্মার্টফোন সহজলভ্য করার একটি পাইলট প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ নির্দিষ্ট নীতি ও শর্তের অধীনে এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেড’-কে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, এককালীন অর্থ পরিশোধ করে স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য না থাকায় গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের অনেক মানুষ এখনো ডিজিটাল সেবা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। এ বাধা কমানোই পাইলট প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষকে ডিজিটাল লেনদেন, মোবাইল আর্থিক সেবা, অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নায়েম ফয়েজ বলেন, বর্তমানে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; আর্থিক সেবা, শিক্ষা, তথ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ যেন এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবু আল মোতালিব বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে হলে শহরের বাইরের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদেরও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নীতি ও শর্ত মেনে পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর কার্যক্রম পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।উদ্যোক্তারা আশা করছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দায়িত্বশীল স্মার্টফোন অর্থায়ন এবং ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
১ সপ্তাহ আগে
এআইচালিত গ্লোবাল প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো তাদের নতুন প্রজন্মের বেজেলবিহীন কনসেপ্ট ফোন উন্মোচন করে স্মার্টফোন ডিজাইনের ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরেছে, যেখানে কোম্পানির দাবি অনুযায়ী রয়েছে সত্যিকারের ০ মিমি ডিসপ্লে বেজেল।স্মার্টফোন নির্মাতারা অনেক বছর ধরে স্ক্রিনের বর্ডার পাতলা করার চেষ্টা করে আসছে, যাতে ফোনের আকার না বাড়িয়েই ব্যবহারকারীদের আরও বড় ও আকর্ষণীয় ডিসপ্লে দেওয়া যায়। টেকনোর সর্বশেষ কনসেপ্টটি এই ধারণাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে। এতে ডিসপ্লের চারপাশের দৃশ্যমান কালো বর্ডার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে স্ক্রিনটি আরও প্রিমিয়াম ও ইমার্সিভ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ০ মিমি বেজেল আনতে টেকনোকে স্মার্টফোনের ভেতরের প্রচলিত নকশায় নতুনভাবে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। ফোনের আকার ঠিক রেখে এজ-টু-এজ ডিসপ্লে দিতে টেকনো উন্নত কম্পোনেন্ট স্ট্যাকিং, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নতুন স্ক্রিন-প্যাকেজিং কৌশল ব্যবহার করেছে।এর ফলে ফোনে একটি সুন্দর অল-স্ক্রিন ডিজাইন তৈরি করাহয়েছে, যা ভিডিও দেখা, গেমিং, ছবি ব্রাউজ করা এবং কন্টেন্ট দেখার মতো কাজগুলোকে আরও বেশি ইমারসিভ করে তোলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ফুল স্ক্রিন অভিজ্ঞতা দিতে স্ক্রিনের সাইড বেশি কার্ভ করার বদলে, এই কনসেপ্টে সরাসরি স্ক্রিনের সীমানা কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এই ভবিষ্যৎমুখী ডিজাইনটি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে। ডিজিটাল ট্রেন্ডস কনসেপ্ট ফোনটির আকর্ষণীয় বেজেলবিহীন ডিজাইন তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, জিএসএমএরিনা টেকনোর সত্যিকারের ০ মিমি ডিসপ্লে বেজেল তৈরির দাবি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এইমডারেশন স্মার্টফোন শিল্পে আরও বেশি স্ক্রিন স্পেস ব্যবহার করে সত্যিকারের বর্ডারহীন ডিসপ্লে দেওয়ার চলমান প্রচেষ্টারই অংশ।এই সেপ্টেম্বরে বার্লিনে অনুষ্ঠিত আইএফএ ২০২৬-এ টেকনো কনসেপ্ট ফোনটি প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে ফোনটির প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। কনসেপ্ট ডিভাইসটি বর্তমানে বাজারে পাওয়া এমন কোনো মডেল নয়, বরং ভবিষ্যতের স্মার্টফোন নিয়ে টেকনোর ভাবনা ও পরিকল্পনার একটি ধারণা তুলে ধরে। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য, এই ধারণাটি ভবিষ্যতের স্মার্টফোনগুলো কীভাবে বিকশিত হতে পারে তার একটি প্রাথমিক আভাস দেয়, যা পরিচিত আকারের ডিভাইসের মধ্যেই আরও বড় ভিউয়িং এরিয়া, ক্লিন ডিজাইন এবং ক্রমবর্ধমান ইমারসিভ অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। নেক্সট-জেন বেজেলবিহীন কনসেপ্ট ফোনের মতো উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকনো স্মার্টফোনের ডিজাইন ও প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখছে। একই সঙ্গে, বিশ্বজুড়ে গ্রাহকদের জন্য নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে আসতেও কাজ করছে।
১ সপ্তাহ আগে
তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আজ (১০ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত সি-সিরিজ স্মার্টফোন, সি১০০এক্স উন্মোচন করেছে। ডিভাইসটিতে সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিং ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, স্মার্টফোনটিতে ৭ বছরের ব্যটারি হেলথ নিশ্চিত করা হয়েছে, যা এই প্রাইস সেগমেন্টের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে।রিয়েলমির ল্যাব টেস্ট অনুযায়ী, সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিত করতে তৈরি রিয়েলমি সি১০০এক্স একবার পূর্ণ চার্জে ৬০ ঘণ্টা পর্যন্ত কল, ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং, ২৭ ঘণ্টা পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার, ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত ফ্রি ফায়ার গেমপ্লে ও ৮০৯ ঘণ্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম নিশ্চিত করতে সক্ষম।সি-সিরিজের নতুন এই ডিভাইসটিতে ৬.৮ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লে উইথ ৭২০×১৫৭০ পিক্সেল রেজ্যুলুশন, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, ফ্লিকার-ফ্রি ডিসি ডিমিং ও ৯০.৪% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিনোদনের ক্ষেত্রে স্মুথ ও অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, ডিভাইসে ৩০০% আলট্রাবুম সাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে; যা গেমিং ও মাল্টিমিডিয়া অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি, পড়াশোনা, কাজ, ভ্রমণ, বিনোদন ও গেমিংয়ের জন্য স্মার্টফোনটিকে আদর্শ সঙ্গী হিসেবে গড়ে তুলবে। দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এতে আর্মরশেল প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে, যা পানির ঝাপটা ও ভারি বৃষ্টি থেকে ডিভাইসটিকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হবে। ফটোগ্রাফির জন্য রিয়েলমি সি১০০এক্সে একটি ৫০ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রতিটি শটে অসাধারণ ডিটেইল ক্যাপচার করতে পারবেন। এই ডিভাইসটিতে সর্বাধুনিক এআই ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, ডিভাইসে ফ্যান-ফেভারিট ৩.৫ মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক ব্যবহারের পাশাপাশি, এতে স্টাইলিশ ও ফ্ল্যাগশিপ ইন্সপায়ার্ড রাউন্ডেড কর্নার ব্যবহার করা হয়েছে।গোল্ডেন কোস্ট ও ডিপব্লু টাইডস, দুইটি অনন্য রঙে ও দুইটি আলাদা স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে রিয়েলমি সি১০০এক্স পাওয়া যাচ্ছে। ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ২১,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ২৩,৯৯৯ টাকা মাত্র। আরও স্মুথ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে, ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টে অতিরিক্ত ৮ জিবি ডায়নামিক র্যাম ও ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টে অতিরিক্ত ১২ জিবি ডায়নামিক র্যাম ব্যবহার করা হয়েছে।এছাড়াও, বর্তমানে দারাজে রিয়েলমির একটি আকর্ষণীয় স্টুডেন্ট ডিসকাউন্ট ক্যাম্পেইন চলছে। দেশজুড়ে স্বীকৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দারাজ থেকে রিয়েলমি সি১০০এক্স কেনার মাধ্যমে ২,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার পেতে, শিক্ষার্থীদের একটি বৈধ স্টুডেন্ট আইডি ও সেলফি আপলোড, একটি সচল বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর ও প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর্মটি পূরণ করতে হবে। প্রত্যেক উপযুক্ত শিক্ষার্থী এই ক্যাম্পেইনের আওতায় একটি ডিসকাউন্ট কুপন পাবেন। কুপনটি ১০-১৭ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
১ সপ্তাহ আগে