গ্রাহকদের কাছে আরও সুবিধাজনক ও উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কুমিল্লায় একটি নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান সম্প্রতি কুমিল্লা শহরের ঝাউতলায় নতুন হাইব্রিড সেন্টারটি উদ্বোধন করেন। এ সময় গ্রামীণফোনের হেড অব কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, হেড অব সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ খান, চট্টগ্রাম সার্কেল বিজনেস হেড ইমন কল্যাণ দত্ত এবং কুমিল্লা গ্রামীণফোন সেন্টারের পার্টনার সাইফুল মাহমুদ সুমন উপস্থিত ছিলেন।গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই নতুন সেন্টারটি চালু করেছে গ্রামীণফোন। কুমিল্লার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরতে সেন্টারের ভেতরের নকশায় টেরাকোটা দেয়াল ব্যবহার করা হয়েছে, যা কুমিল্লার ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানগুলোর আদলে তৈরি। ফলে সেবা গ্রহণের সময় স্থানীয় সংস্কৃতির আবহ খুঁজে পাবেন গ্রাহকরা। প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেবা প্রদানকারীদের দিয়ে পরিচালিত এই সেন্টারটি গ্রাহকদের নানা রকম চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমাধান প্রদান করবে।নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারে আসা গ্রাহকরা একই ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের সব ধরণের টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন, ডিভাইস এবং আধুনিক পণ্যগুলো পেয়ে যাবেন। প্রয়োজনীয় সেবা ও সল্যুশনলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে সেন্টারটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন গ্রাহকদের কাছে সবকিছু সহজলভ্য হয়।গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা আমাদের সেবাগুলোকে আরও সহজলভ্য, সুবিধাজনক এবং গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে আমাদের '১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট'র আওতায় দেশজুড়ে গ্রাহকদের ডিজিটাল জীবনকে আরো উপভোগ্য করার দিকে মনোযোগ দিয়েছি আমরা; পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টিতেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। কুমিল্লায় নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন- গ্রাহকদের জন্য একই ছাদের নিচে আমাদের সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন ও কাস্টমার সাপোর্ট নিয়ে এসেছি আমরা। আমাদের প্রত্যাশা এই সেন্টারটি একটি আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠবে যেখানে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সল্যুশন সহজেই পাবেন গ্রাহকরা। একটি নিরাপদ ও আরো স্মার্ট ভবিষ্যত গড়ে তোলায় অবদান রাখতে সংযোগ ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যাবে গ্রামীণফোন।”নতুন এই সেন্টারটি কুমিল্লায় গ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিস নেটওয়ার্ককে আরও সংহত করেছে। কোম্পানির নিত্যনতুন সংযোগ এবং ডিজিটাল সেবাসমূহের সাথে সহজে গ্রাহকদের পরিচয় করিয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে সেন্টারটি।
১৩ ঘন্টা আগে
২ হাজারের বেশি তরুণের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত হয়েছে স্ফূরণ ৬.০। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজনে ফটোগ্রাফি, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং ও বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণসহ বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিযোগিতায় অংশ নেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিইউপি ফটোগ্রাফি সোসাইটির আয়োজনে ও অপো বাংলাদেশের স্পনসরশিপে স্ফূরণের ষষ্ঠ আসরে সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের তরুণ ফটোগ্রাফার, সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের ডিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকসার খান। এই আয়োজন শিক্ষার্থী ও উদীয়মান সৃজনশীলদের ভাবনা বিনিময় এবং ভিজ্যুয়াল প্রকাশের বিভিন্ন ধারার সাথে পরিচিত হওয়ার এক অর্থবহ সুযোগ তৈরি করে দেয়।স্ফূরণ ৬.০-এ বেশ কয়েকটি সৃজনশীল বিভাগ ছিল, ক্যামেরা ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, মোবাইল ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট মেকিং কনটেস্ট এবং আর্ট ও কার্টুন প্রদর্শনী। ২,০০০-এরও বেশি অংশগ্রহণকারীর ২,০০০-এরও বেশি গল্প ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই আয়োজন তরুণ সৃজনশীলদের জন্য ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের বিভিন্ন রূপ খোঁজা ও তাদের সৃজনশীল কাজ আরও বড় পরিসরে উপস্থাপনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।দুইদিনের এই আয়োজন ফটোগ্রাফি ও মোবাইল প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা তুলে ধরেছে। কীভাবে তরুণেরা প্রতিদিনের অভিজ্ঞতাগুলো ধারণ করে এবং সেগুলোকে চমৎকার সব ভিজ্যুয়াল গল্পে রূপান্তরিত করে তা উঠে এসেছে। আয়োজনের অংশ হিসেবে অপোর ‘মেক ইওর মোমেন্ট’ ধারণাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ ভিডিও তৈরি করা হয়, যেখানে তরুণ সৃজনশীলরা কীভাবে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলো পর্যবেক্ষণ, ধারণ ও রূপান্তরিত করেন তা উঠে এসেছে।অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া বাছাইকৃত ছবিগুলো নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী অংশগ্রহণকারী ফটোগ্রাফারদের দর্শকদের সামনে তাদের কাজ উপস্থাপনের সুযোগ দেয়; একইসাথে, দর্শনার্থীরা তরুণ সৃজনশীলদের চোখে মানুষ, স্থান ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন আবেগ অনুভব করার সুযোগ পান।আয়োজনে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড ডিস্ট্রিবিউটরের মার্কেটিং ম্যানেজার মো. নাজিমউদ্দৌলা নিলয় ও ব্র্যান্ড প্রমোশন ম্যানেজার মো. নাজমুস সাকিব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অপো বিশেষ অফার ও আফটার-সেলস সার্ভিস ডিসকাউন্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীদের সাথে যুক্ত হয় এবং তরুণ সৃজনশীলদের সহযোগিতা করার প্রতি তাদের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। আয়োজনে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চারটি এআই টপ অ্যাটম একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর কাজ করা সম্ভব।সহজভাবে বললে, এআই টপ অ্যাটম একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে একক কম্পিউটারের তুলনায় বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখাতে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে-৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তারঁ মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।
৩ দিন আগে
তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে তাদের নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন উন্মোচন করতে চলেছে। অল-রাউন্ড ইউজেবিলিটি চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য, দীর্ঘমেয়াদী পাওয়ার, উন্নত ডিউরেবিলিটি ও প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে এই ডিভাইসটি নিয়ে আসা হচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী পাওয়ার নিশ্চিত করতে আসন্ন সি-সিরিজ স্মার্টফোনে সুবিশাল ব্যাটারি ও অনন্য ওয়াটার অ্যান্ড ড্রপ রেজিজট্যান্স টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এছাড়াও, ধারণা করা হচ্ছে ডিভাইসটিতে অনবদ্য ডিউরেবিলিটি নিয়ে আসা হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের পারফরম্যান্সে অল-রাউন্ড অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন এই ডিভাইসটি সারাদিন ব্যবহারের পরও একইরকম সচল থাকবে। ফলে পড়াশোনা, যোগাযোগ, বিনোদন, গেমিং ও প্রতিদিনের কাজের ক্ষেত্রে যথার্থ সঙ্গী হয়ে উঠবে এটি। ফোনে পানি পড়া, ফোন পানিতে পড়ে যাওয়া, কিংবা বাংলাদেশের বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ার কথা বিবেচনা করলে ফোন পানিরোধী হওয়া বেশ জরুরি। আর এই ডিভাইসটিতে আইপি৬৯-প্রো রেটিং থাকার কথা রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত উভয় প্রয়োজনে স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়। আসন্ন ডিভাইসটি তাদের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবনধারার সাথে তালমিলিয়ে চলতে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও, আসন্ন সি-সিরিজ স্মার্টফোনে ৭ বছরের ব্যাটারি হেলথ গ্যারান্টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ব্যবহারকারী পুরো হ্যারি পটার সিরিজ একটানা দেখার পরও দিনের বাকি কাজ চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট পাওয়ার পাবেন।দীর্ঘমেয়াদী ব্যাটারি লাইফ, টেকসই ডিউরেবিলিটি ও অনন্য ব্যাটারি হেলথের সমন্বয়ে আসন্ন সি-সিরিজ স্মার্টফোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হয়ে উঠবে। আসন্ন এই ডিভাইস সম্পর্কে খুব দ্রুত আরও বিস্তারিত জানা যাবে।
৪ দিন আগে