বিশ্বের বৃহত্তম মোটরসাইকেল ও স্কুটার নির্মাতা হিরো মোটোকর্প বাংলাদেশে এক্সপালস ২০০ ৪ভি এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো বাজারে এনেছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ১২ বছরের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যোগ হলো।নতুন দুই মডেল বাজারে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশে অন-রোড ও অফ-রোড অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল সেগমেন্টে নিজেদের পোর্টফোলিও সম্প্রসারণ করেছে হিরো মোটোকর্প। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক্সপালস প্ল্যাটফর্ম এখন বাংলাদেশের রাইডারদের জন্যও নিয়ে এলো প্রতিষ্ঠানটি।এ বিষয়ে হিরো মোটোকর্পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হর্ষবর্ধন চিতালে বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের কাছে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার নয়; এটি আমাদের বৈশ্বিক পরিচয় ও উৎপাদন কার্যক্রমেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গত ১২ বছর ধরে ‘হিরোর দেশ বাংলাদেশ’ দর্শনকে সামনে রেখে আমরা এ দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছি। নিলয় মোটরসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি, সম্প্রসারিত সার্ভিস নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে আমরা এখানে একটি শক্তিশালী স্থানীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছি।তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে শুধু পণ্য নিয়ে আসছি না; এ দেশেই উৎপাদন করছি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছি এবং দেশের সঙ্গে একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশের রাইডারদের আগ্রহ এখন দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি লাইফস্টাইল, নতুন জায়গা ঘুরে দেখা ও স্বাধীনভাবে রাইডিংয়ের দিকেও বাড়ছে। এক্সপালস ২০০ সিরিজ বাজারে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সড়কের উপযোগী বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে দেশে অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”‘মেক নিউ ট্র্যাকস’: এক্সপালস ২০০ ৪ভি ও এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রোতরুণ ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় রাইডারদের জন্য তৈরি এক্সপালস ২০০ সিরিজে দুর্গম পথে চলার সক্ষমতা, দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধা এবং আধুনিক রাইডিং প্রযুক্তির সমন্বয় রয়েছে। এটি তৈরিতে হিরো মোটোকর্পের ডাকার অ্যাডভেঞ্চার দর্শন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে।দুই মোটরসাইকেলেই রয়েছে ১৯৯.৬ সিসি, ৪-ভালভ, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, অয়েল-কুলড ইঞ্জিন, যা ৮,৫০০ আরপিএমে ১৮.৯ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএমে ১৭.৩৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। এর সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড ট্রান্সমিশন।উল্লেখযোগ্য ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি এবিএস মোড—রোড, অফ-রোড ও র্যালি; ডুয়াল-পারপাস টায়ার; অ্যাডজাস্টেবল মোনো সাসপেনশন; এলসিডি ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার; ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি; টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন; ক্লাস-ডি এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প ও এলইডি ডিআরএল; ব্যাশ প্লেট; হ্যান্ডগার্ড এবং বাঞ্জি হুকসহ লাগেজ প্লেট।দুই ধরনের অ্যাডভেঞ্চার রাইডিং অভিজ্ঞতাএক্সপালস ২০০ ৪ভি দৈনন্দিন যাতায়াত ও হালকা ট্রেইল রাইডিংয়ের জন্য তৈরি। এতে রয়েছে ৮২৫ মিমি সিট হাইট, ২২০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ১৯০ মিমি ফ্রন্ট সাসপেনশন ট্রাভেল। এটি মেটালিক নেক্সাস ব্লু হোয়াইট রঙে পাওয়া যাবে।এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো আরও বেশি অফ-রোড সক্ষমতা দেয়। এতে রয়েছে প্রো অ্যাডজাস্টেবল সাসপেনশন, সামনে ২৫০ মিমি ও পেছনে ২২০ মিমি সাসপেনশন ট্রাভেল, ২৭০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স, ৮৯১ মিমি সিট হাইট, হ্যান্ডেলবার রাইজার এবং এক্সটেন্ডেড গিয়ার লিভার। এটি পার্ল ফেডলেস হোয়াইট রঙে পাওয়া যাবে।দেশজুড়ে বিক্রয় ও সার্ভিস সুবিধাবাংলাদেশে নিলয় মোটরস লিমিটেডের মাধ্যমে হিরো মোটোকর্পের মোটরসাইকেল বাজারজাত করা হয়। বর্তমানে দেশজুড়ে ৫৩০টির বেশি অনুমোদিত সেলস ও সার্ভিস আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি নতুন মোটরসাইকেল কেনার সঙ্গে গ্রাহকেরা ৫ বছরের ওয়ারেন্টি ও ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাবেন। এই মোটরসাইকেলটিতে রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় মূল্য। এক্সপাল্স ২০০ ৪ভি র দাম রাখা হয়েছে- ৩৩৫,০০০ টাকা এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো-৩৬৫,০০০ টাকা।
২ দিন আগে
বাংলাদেশের তরুণদের স্মার্টফোনে তুলে ধরে প্রতিদিনের অসংখ্য মুহূর্ত এবার জায়গা করে নিয়েছে অপো ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়। এবারের ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে অপো এই সৃজনশীলতাকে উদযাপন করছে। ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছেছে; আর সারাদেশ থেকে এতে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এসেছে। অপোর কাছে ফটোগ্রাফি সবসময়ই উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রয়েছে। সেলফি প্রযুক্তিতে পথ দেখানো থেকে শুরু করে এআই-সক্ষম ইমেজিং, পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি, নাইট ফটোগ্রাফি সহ বিভিন্ন ইমেজিং সক্ষমতা উন্নত করা পর্যন্ত, অপো সবসময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে ফটোগ্রাফি আরও সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’, যা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে অংশীদারিত্বে আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় সারা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের স্মার্টফোনে তোলা ছবি পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে জমা দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- পোর্ট্রেট; নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ; স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার; লো লাইট; ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।এতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। প্রতিযোগিতায় ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন পড়েছে, যা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফটোগ্রাফির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সৃজনশীল প্রকাশের হাতিয়ার হিসেবে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাকে প্রতিফলিত করে।প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড উইনার পাবেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার পাবেন ৫০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার পাবেন ৩০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এবং প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পাবেন ২০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে, ফটোগ্রাফি তরুণদের জন্য নিজেদের পরিচয় ও বিশ্বকে দেখার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি। ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে আমাদের জন্য প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার একটি অসাধারণ সুযোগ। এটি কেবল ইমেজিং প্রযুক্তির প্রতি নয়; বরং, দেশজুড়ে আমরা যে সৃজনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই তার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও। ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আমাদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের গল্পগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; এটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। এই আবেগ ও সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত হতে সহায়তা করবে আমরা এমন প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগ তৈরি করতে চাই।”
৩ দিন আগে
দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ‘১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট’ ক্যাম্পেইন চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহকরা কীভাবে গ্রামীণফোনের নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজেদের ডিজিটাল জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করছেন, তা তুলে ধরাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।নেটওয়ার্ক সক্ষমতা ও মানোন্নয়নে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে শুরু হওয়া ‘১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট' ক্যাম্পেইনটি ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষকে ডিজিটাল বিশ্বের সুযোগ-সুবিধার সাথে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দ্রুতগতির মানসম্পন্ন ইন্টারনেট কীভাবে মানুষকে একসূত্রে যুক্ত করে শেখা, সৃষ্টি, যোগাযোগ, আয় এবং নিজের ভাবনা প্রকাশে সহায়তা করছে তা এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। তরুণ প্রজন্ম, কনটেন্ট নির্মাতা, উদ্যোক্তা এবং সমাজের নানাস্তরের মানুষের জীবনের গল্পের মধ্য দিয়ে দেখা যাবে, কীভাবে ইন্টারনেট সংযোগ দেশজুড়ে সুযোগ, সৃজনশীলতা, প্রবৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মত প্রকাশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে।গ্রামীণফোনের উন্নত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার পেছনে রয়েছে নেটওয়ার্ক সক্ষমতা, কভারেজ ও প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক বিনিয়োগ। গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার ঘণ্টা ভিডিও দেখা হয়, যা প্রায় ৪০ বছর ধরে একটানা ভিডিও দেখার সমান। এই পরিসংখ্যান গ্রাহকদের মধ্যে ভিডিও দেখার ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে তুলে ধরে। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে, প্রতিষ্ঠানটির লোকাল এজ ক্যাশিং প্রযুক্তি গ্রাহকদের জন্য জনপ্রিয় কনটেন্ট আরও দ্রুত লোড হতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, দেশজুড়ে ২৪ হাজারেরও বেশি টাওয়ারের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যাপক কভারেজ ও শক্তিশালী সংযোগ নিশ্চিত করে এই ইন্টারনেট অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী করছে।গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামান বলেন, “বাংলাদেশের কোটি মানুষের হাত ধরে এগিয়ে চলেছে ইন্টারনেটের নতুন গল্প। শিক্ষার্থী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর কিংবা তরুণ উদ্যোক্তা—প্রত্যেকেই ডিজিটাল সংযোগের এই শক্তিকে ব্যবহার করছেন নিজেদের মতো করে, যা দেশের অগ্রগতিতে এক অনন্য ভূমিকা রাখছে। সিলেটে যখন কেউ অনলাইনে ক্লাসে যোগ দেন, রাজশাহীর কোনো দোকানদার যখন লাইভে এসে পণ্য বিক্রি করেন, কিংবা ঢাকার কোনো তরুণ যখন তার প্রথম ভিডিওটি পোস্ট করেন—ঠিক তখনই সার্থকতা পায় গ্রামীণফোনের এই পথচলা। ‘১বাংলাদেশ ১ইন্টারনেট’-এর মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট করতে চাই, এদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রার গল্পটি সবার। আর এই গল্পে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই কাজ করে যাচ্ছে গ্রামীণফোন। কারণ, এই নেটওয়ার্ক আমাদের সবার; আর এই গল্পটি বাংলাদেশের। আজ আমাদের নেটওয়ার্কের ৫০ শতাংশের বেশি ডেটা ব্যবহৃত হচ্ছে ভিডিও স্ট্রিমিং-এ। আর এই প্রতিটি ভিডিও দেখার পেছনে লুকিয়ে আছে কারো শেখার গল্প, কারো আয়ের মাধ্যম কিংবা জীবনকে আরও পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করার প্রয়াস। এমনই এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।“
৩ দিন আগে
বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বার্ষিক তালিকা, যা বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট স্কেল ও ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। শাওমি ২০১৯ সালে সর্বপ্রথম ৪৬৮তম স্থানে এ তালিকায় নিজের জায়গা করে নেয়। ওইবছরে ফরচুনে সবচেয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায় শাওমি। পরবর্তীতে, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে ২৯৭তম স্থানে উঠে আসে শাওমি।প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করতে শাওমি ২০২৬ সালে এক্সরিং ০১ ৩-ন্যানোমিটার উন্মোচন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিজের তৈরি প্রথম ফ্ল্যাগশিপ এসওসি (সিস্টেম অন চিপ)। একইসাথে, ক্রস-ডিভাইস কানেক্টিভিটি আরও কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানটি এআই ও হাইপারওএস সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এছাড়াও শাওমি হোম অ্যাপ্লায়েন্স, এআইওটি ও ইভি সহ আরও বিভিন্ন খাতে নিজের পোর্টফলিও সমৃদ্ধ করেছে। চীনা গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শাওমি বর্তমানে ১ নম্বরে রয়েছে এবং ১০০ কোটিরও (১ বিলিয়ন) বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে বিশ্বজুড়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।শাওমি ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতে ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতা নিশ্চিত করেছে। শাওমি এসইউ৭, শাওমি ওয়াইইউ৭ ও শাওমি স্কাইনোম্যাড মডেলগুলো উন্নত ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন, লং রেঞ্জ পারফরম্যান্স ও ইন্টেলিজেন্ট ইন-কার প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা প্রতিফলিত করে। শাওমি এসইউ৭ ও শাওমি ওয়াইইউ৭ যেখানে চালকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া স্কাইনোম্যাড চালকের পাশাপাশি, অন্যান্য যাত্রীদের আরাম, সুবিধা ও উন্নত অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর কেবিনকে এমন একটি অ্যাডাপ্টেবল লিভিং স্পেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা সারাদিন ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের সাথে তালমিলিয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। গত ১২ বছরে রেডমি নোট সিরিজ ৫০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন বিক্রির মাইলফলক অতিক্রম করেছে। যা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি, সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করেছে। ক্রেতাদের এ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা শাওমির ধারাবাহিক ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছে, যা ২০১৯ সালে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় প্রথমবার ৪৬৮ নম্বর স্থান থেকে ২০২৬ সালে ২৩২ নম্বর স্থানে উঠে আসতে সহায়তা করেছে। বর্তমানে, বিশ্বজুড়ে ১০০-এরও বেশি বাজারে শাওমির ‘হিউম্যান × কার × হোম’ ইকোসিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “উদ্ভাবন, অনন্য প্রযুক্তি ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শাওমি এ বছর ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে এআই, স্মার্ট হোম, ইন্টেলিজেন্ট মোবিলিটি ও অন্যান্য খাতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করার পাশাপাশি, আমাদের ক্রেতাদের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে এমন একটি ইন্টারকানেক্টেড ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমরা সময়ের সঙ্গে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় শাওমির অবস্থান আরও শক্তিশালী ও উন্নত করতে চাই।”আগামীতেও শাওমি প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ, বৈশ্বিক ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণ ও বিশ্বের আরও বেশি মানুষ ও কমিউনিটির কাছে সহজলভ্য ও ইন্টেলিজেন্ট প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।আরও বিস্তারিত জানতে, https://www.mi.com/global/about/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
৫ দিন আগে