শিগগিরই জামায়াতে ইসলামীর নির্মম পতন হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।বিজ্ঞাপনশুক্রবার (১৯ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ ভবিষ্যদ্বাণী করেন তিনি।জামায়াতে ইসলামীকে ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধীদল আখ্যা দিয়ে রাশেদ খাঁন লিখেন, এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।পোস্টে নিজের মোবাইলে আসা একটি মেসেজের স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি লিখেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ভাষা দেখেন। ঠিক প্রতিদিন এমন অসংখ্য গালিগালাজ মেসেজ করে আমার আইডি ও পেজের ইনবক্সে পাঠায়। আমি কেন ওদের যৌক্তিক সমালোচনা করি, জাস্ট একটা নমুনা দিলাম।বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এ নেতা লিখেন, ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাবো। মূলত, আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু, এই গালিবাজরা বুঝতেছে না, সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে। আমরা ইতোপূর্বে শুধু সরকারি দলের পতন দেখেছি। কিন্তু, এবার ভিন্নতা ঘটবে।রাশেদ খাঁন এরপর আরও লিখেন, এরইমধ্যে পতনের ঘণ্টা বাজা শুরু হয়ে গেছে। তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান। তারা যত মুখ খুলবে, ততো তাদের ভুল ও অযোগ্যতা বের হয়ে আসবে। আর এভাবে খুব শিগগির ইতিহাসের সব থেকে ঘৃণ্য বিরোধীদল জামায়াতের নির্মম পতন হবে। আর এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।
৬ ঘন্টা আগে
২৪ হয়েছিল বলেই ২৬ সালের নির্বাচন হয়েছে। ২৪ না হলে ২৬ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না। তাদের রক্তের বিনিময়েই আমরা সরকারি ও বিরোধীদল হয়েছি। আমি অনুরোধ করবো এসব শহীদদের কেউ যেন খাটো করে না দেখেন।১৯ জুন শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সভায় অংশ নিয়েবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এ সব কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই ১৯৪৭, ৫২ ও ৭১সহ বিভিন্ন সময় যারা বুক চিতিয়ে সংগ্রাম করেছেন। ২০২৪ সালে যারা শহীদ হয়েছেন আমি সেসব শহীদ পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। জামায়াত আমির বলেন, নারায়ণগঞ্জ একসময় প্রাচ্যের ড্যান্ডি ছিল। নারায়ণগঞ্জ তার গৌরব হারিয়ে ফেলেছে। একসময় এটা সন্ত্রাসের নগরী হিসেবে পরিণত হয়েছিল। ত্বকী আপনাদের সন্তান, তার হত্যার বিচার কী পেয়েছেন? একজন নেতা ছিল, বলতো খেলা হবে। এখন কোথায় খেলছে? অহংকার ভালো নয়। নতুন কোনো গডফাদার এখানে তৈরি হোক আমরা চাই না।তিনি আরও বলেন, আমরা চাই না আমাদের প্রিয় নারায়ণগঞ্জ অশান্তি ও চাঁদাবাজদের কবলে পড়ে থাকুক। ড্রেনের পানি দিয়ে যেমন অজু হবে না তেমনি ভালো মানুষ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন হবে না। ভালো মানুষ ছাড়া কী এ নগর গড়া যাবে?তিনি বলেন, এমন মানুষ লাগবে যে আল্লাহকে ভয় করে। এমন মানুষ ছাড়া কী আমরা নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গড়তে পারবো? আমরা সৎ নেতৃত্ব কায়েম করবো জনগণকে তার অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে। আমাদের দাবি সব অনির্বাচিত প্রশাসক সরিয়ে দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হোক। নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে অনির্বাচিত প্রশাসক সরিয়ে দিয়ে অনতিবিলম্বে নির্বাচন দেওয়া হোক। আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এখানে প্রার্থী দেবে। আমি আপনাদের নেতা আব্দুল জব্বারকে এখানে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করছি। ২৭টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ওয়ার্ডে আমরা জনগণের সেবা করতে পারে এমন প্রার্থী আমরা উপহার দেব।
১০ ঘন্টা আগে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন,দেশে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা,কৃষ্টি,সংস্কৃতি এক ও অভিন্ন। রাষ্ট্রের বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিক সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে। আমরা সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বিভাজনে বিশ্বাসী নই। সকল ধর্মের মানুষের স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।তিনি বৃহস্পতিবার (১৮জুন) রাতে দাউদকান্দি উপজেলা সদরে সাহাপাড়ায় শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে ব্রহ্মা পূজামন্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বী পূজারী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ কেউ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেনি। তাদের দলীয় ক্যাডার বাহিনীর সোনার ছেলেরা সারাদেশে পবিত্র কুরআনের তাফসির মাহফিল এবং হিন্দুদের পূজামন্ডপসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে বাধাগ্রস্ত করেছে। তারা দেশকে সকল ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল করেছে। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করেছে।খন্দকার মারুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। তিনি মসজিদ,মন্দির,গীর্জার ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য মাসিক সন্মানি ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। এইসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ,সংস্কার ও উন্নয়নে সরকার প্রচুর অনুদান বরাদ্দ দিচ্ছেন। চলতি বাজেটে এই খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার দীর্ঘ ১৬ বছর দু:শাসন আর লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করেছে। ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে 'খাল খনন কর্মসূচি', ফ্যামিলি কার্ড,কৃষক কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণ কর্মসূচি চালু এবং কৃষিঋণ মওকুফসহ অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছেন।এতে তিনি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেখে সকল ধর্ম,বর্ণ ও শ্রেণিপেশার মানুষ আশাবাদী। তাঁর হাতেই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। তিনিই পারবেন আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ কাঙ্খিত উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ড.খন্দকার মারুফ আগামী দিনে নিরাপদ,উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শের পতাকাতলে সামিল হতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। জিউর আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি অশোক সাহার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম.এ বারী, পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী,বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কমিশনার ও মাহবুব হোসেন হিরণ, পৌর যুব দলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী,দাউদকান্দি উপজেলা যুব দলের সদস্য সচিব মো.রোমান খন্দকার ও জাসাস নেতা মধু সরকার প্রমুখ।
১ দিন আগে
বিজেপির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ জামায়াতের এক সংসদ সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে মাইক্রোওভেন দিতে চাওয়ার যে মন্তব্য করেছেন, তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘মাইক্রোওভেন উনার কাছে কে চেয়েছে?’বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ ‘জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তার এ নিয়ে বিতর্কে জড়ান। এ বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আর বাড়াবাড়ি তো কোনও দরকার নাই।’পার্থের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদে মো. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় সদস্য (পার্থ) পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে যে কথাগুলো বলেছেন, আপনি (স্পিকার) তো প্রথমেই নাকচ করেছেন যে, এটা পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয় না। দুই নম্বর, একজন সদস্য (জামায়াত নেতা মজিবুর রহমান) সবার জন্য একটা বিষয় (মাইক্রোওভেন) চেয়েছে। আপনি (স্পিকার) রাইটলি বলেছেন, হাউজে না বলে এটার জন্য কমিটি আছে, ওখানে বললেই হতো। কিন্তু তিনি (পার্থ) এটাকে সূত্র ধরে আবার গাড়ি-বাড়ি সব নিয়ে আসলেন। উনি তো আমি মনে করি একজন বিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান। আবার নিজের থেকে অফারও দিয়ে দিলেন যে আমি সব দিয়ে দেব। উনার কাছে চাইছে নাকি কেউ, যে উনি দেবেন? আমার মনে হয়, আমাদের মানসিকতাগুলো এমন হওয়া উচিত, যেটা এখানে দাঁড়িয়ে অন্তত কেউ কারও সম্মানে আমরা আঘাত করব না।’বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা আশা করব যে আমিসহ আমরা সবাই আগামীতে এগুলোর প্রতি আরও যত্নশীল হব। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।’এর আগে বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় বিরোধী দলের নেতা, এটা নিয়ে কোনও বিতর্ক হোক, এটা আমি চাই না। আপনি অন্য কোনও বিষয়ে বললে বলেন। এটা সম্পর্কে আর শুনতে চাই না।’এসময় তিনি আন্দালিব রহমান পার্থকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘যেভাবে আপনি একজন সদস্যকে অফার করেছেন, তাকে দেবেন—এটাও তার জন্য একটি ডিসরেসপেক্টফুল মনে হতে পারে। উনি নিজের জন্য চান নাই। সব সংসদ সদস্য, যারা সংসদের সরকারি বাড়িতে বসবাস করেন, তাদের জন্য বলেছেন।’তিনি আরও বলেন, ‘এটা নিয়ে আর বিতর্ক না হোক, এটা আমি চাই। মাননীয় নেতা, এর পরে আর বাড়াবাড়ি তো কোনও দরকার নাই। বিরোধী দলের নেতা, আপনি এই সম্পর্কেই বলবেন তো?’আন্দালিব রহমান পার্থের বক্তব্যের পর এবং বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য দেওয়ার আগে স্পিকার এ বিষয়ে রুলিং দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘একজন সদস্য তার সুবিধা-অসুবিধার কথা বলেছেন। আমি মনে করি, এটা সংসদে না বললেও ভালো হতো। কিন্তু এটা বলে তিনি এমন কোনও গর্হিত অপরাধও করেন নাই। আমাদের হাউস কমিটি আছে। সেখানে আমরা সংসদ সদস্যদের আসবাবপত্র ইত্যাদি দিয়ে থাকি। সেই হিসাবে তিনি যদি সব সদস্য—তিনি তার নিজের জন্য চান নাই; যারা সংসদের দেওয়া ভবনে বসবাস করেন, তাদের সবার জন্যই বলেছেন। সুতরাং এটা এমন কোনও গর্হিত অপরাধ হয়নি। তবে আমি মনে করি, না বললেই ভালো হতো। এতে জনমনে অন্য ধরনের ধারণা হতে পারে। তবে এটি তো তাদের প্রাপ্য হতে পারে। এটা এমন কিছু বড় জিনিস না। এই সামান্য জিনিস নিয়ে আর তর্ক-বিতর্ক করতে চাই না। কারণ এটি নিয়ে বিতর্ক করলে বাইরে খারাপ বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে বক্তব্য দেওয়ার সময় আমরা সবাই সতর্ক থাকব। যেসব বিষয় ব্যক্তিগতভাবে বলার, হাউস কমিটির চেয়ারম্যান আছেন, সদস্যরা তাকে জানালে তারাই এর সমাধান করতে পারবেন।’
১ দিন আগে