দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০৬১ জন শিশু।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯১৮।এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৯ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।এর আগের দিন সোমবার (২৪ ঘণ্টায়) হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে পাঁচজন এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহে একজন করে মারা গেছে।
১ দিন আগে
হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৩১ জন।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯১৫ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৮১৬ জনের।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামের পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৫০ জন এবং হামের উপসর্গ রয়েছে ৯৮১ জনের শরীরে।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন। একই সময়ে মোট ১৭ হাজার ৯৩০ রোগীর শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।এছাড়া এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।প্রসঙ্গত, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত রুবিওলা ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এটি হাঁচি, কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়।সাধারণত উচ্চ জ্বর, সর্দি, কাশি, লাল চোখ এবং সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি বা র্যাশ এই রোগের মূল লক্ষণ। টিকা না নেওয়া শিশু এবং দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার মানুষের হাম হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
২ দিন আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে কেউ নজর দেয়নি। তাই আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে সাজাতে চাচ্ছি।আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে যে চারটি হাসপাতাল দেখেছি, সবগুলোই ভালো। তবে সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবই বেশি, কিন্তু ডাক্তার কম। গত ১৭ বছরে কেউ এদিকে নজর দেয়নি। তাই আমরা নতুনভাবে স্বাস্থ্যসেবাকে সাজাতে চাচ্ছি।’চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারের মারাত্মক সংকট। গত ১৭ বছর কোনো অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার নতুনভাবে সৃষ্টি হয়নি। পুরোনো ডাক্তার দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তবে নতুনভাবে অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে গতিশীল করতে দেশে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পরিদর্শন করে দ্রুত এটি চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।এর আগে মন্ত্রী মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত যেসব ব্যক্তি এখনো বেতন পাননি, তাঁদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার শয্যার ১০ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।
২ দিন আগে
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় বা একদিনে দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৮০৫ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০ জনে। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ২৩ হাজার ৯৭৮ জন।রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৩ দিন আগে