ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

টান টান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ২৯১ রানের টার্গেটে সফরকারীদের তারা থামিয়ে দেয় ২৭৯ রানে। জয় পায় ১১ রানে।এদিন শেষ দুই ওভার থেকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। আর বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল দুটি উইকেট।এই অবস্থায় ৪৯তম ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানকে দুটি ছক্কা হাঁকান বাঁ-হাতি পাক ব্যাটার শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে তিনি এক রান নিয়ে ননস্ট্রাইকে এলেই ঘুরে যায় খেলার মোড়। ওভারের শেষ বলে আফ্রিদির সঙ্গে থাকা হারিস রউফকে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে পাঠান মুস্তাফিজ।ইনিংসের শেষ ওভার করতে আসেন ডান-হাতি টাইগার স্পিনার রিশাদ হোসাইন। তিনি মাত্র দুই রান দিয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠা শাহিন মাহ আফ্রিদিকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে পাক শিবিরে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।এর মধ্যদিয়ে ১১ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেন মিরাজ-মুস্তাফিজরা।এই ইনিংসে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৬ রান করেন দলটির অধিনায়ক সালমান আলি আগা। ৯টি ছয় এবং চারটি ছক্কার মারে ৯৮ বল থেকে এই রান করেন তিনি। এছাড়া আব্দুল সামাদ ৩৪ এবং শাহিন মাহ আফ্রিদি ৩৭ রান করেন।বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ। তিন উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি এবং রিশাদ হোসাইন একটি উইকেট পান।এর আগে রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভার থেকে তানজিদ হাসানের অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা ২৯০ রানের পুঁজি পায়। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯১।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান করেন ১০৭ বল থেকে ১০৭ রান। যার মধ্যে ছয়টি চার এবং সাতটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ৩৬, নাজমুল হাসান শান্ত ২৭, লিটন দাশ ৪১ এবং তাওহিদ হৃদয় অপরাজিত ৪৮ রান করেন।এ ইনিংসে পাক বোলারদের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন শাহিন মাহ আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে সেরা খেলায়াড়ের খেতাব জিতে নেন টাইগার সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান।

৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

গাজীপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া ও নেত্রকোনা জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক ডিসি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. নুরুল করিম ভূঁইয়াকে গাজীপুর, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বদলির আদেশাধীন) আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসা. শুকরিয়া পারভীনকে পঞ্চগড় জেলার ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ তৌহিদ বিন হাসানকে কুষ্টিয়া এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মুশফিকুর রহমানকে নেত্রকোনা জেলার ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আজ ১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার, তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদসমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন: পঞ্চগড় — মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর — মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুর — মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম — মোঃ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধা — অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাট — মোঃ মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়া — এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ — মোঃ হারুনুর রশিদ, নওগাঁ — মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহী — মোঃ এরশাদ আলী, নাটোর — মোঃ রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুর — মোঃ জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়া — সোহরাব উদ্দিন,ঝিনাইদহ — মোঃ আবুল মজিদ, যশোর — দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরা — আলী আহমেদ, বাগেরহাট — শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, খুলনা — এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালী — স্নেহাংশু সরকার, ভোলা — গোলাম নবী আলমগীর, বরিশাল — আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠি — মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুর — আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইল - এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুর — এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহ — সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনা — মোঃ নূরুজ্জামান (এড.), কিশোরগঞ্জ — খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জ — এ.কে.এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জ — মোঃ মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ী — আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জ — শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুর — খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুর — সরদার এ.কে.এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জ — মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেট — আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজার — মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া — সিরাজুল ইসলাম , কুমিল্লা — মোঃ মোশতাক মিয়া, নোয়াখালী — মোঃ হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুর — সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।

  • ৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    ৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • সৌদি-আমিরাতে হামলা চালিয়েছে ইরান

    সৌদি-আমিরাতে হামলা চালিয়েছে ইরান

  • পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ প্রসিকিউটর

    ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ প্রসিকিউটর

  • সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

    সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

  • বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

    বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

  • মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

    মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

  • এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

    এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

  • আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

    আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

  • জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    জামালগঞ্জে আলোকসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

  • নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

  • রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

    রাজনগরে তুচ্ছ ঘটনায় সিএনজি চালককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

  • মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি

    মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি

  • টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সব খবর

  • আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

    আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

  • ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, হলে নেওয়া নিষিদ্ধ যেসব জিনিস

    ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, হলে নেওয়া নিষিদ্ধ যেসব জিনিস

  • ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

    ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

  • শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

    শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

  • অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ

    অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ

  • টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

  • কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

  • রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩

    রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩

  • টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

    টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

  • ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

    ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

  • তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার

    তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার

  • ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি

    ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি

সব খবর

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাকিব নামে এক যুবককে গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাকিব নিয়মিত শহীদ মিনার এলাকায় আড্ডা দিতেন। আজও আড্ডা দেওয়ার সময় মোটরসাইকেলে কয়েকজন এসে তার ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।আহত রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে বলে দাবি তাদের।

ঈদে থানায় রাখা যাবে স্বর্ণালঙ্কার, নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা ডিএমপির

ঈদে থানায় রাখা যাবে স্বর্ণালঙ্কার, নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা ডিএমপির

ঈদের সময় যাদের আত্মীয়-স্বজন নেই এবং বাসায় মূল্যবান জিনিস রেখে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তারা চাইলে থানায় স্বর্ণালঙ্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নিরাপদে রাখতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি, ভারপ্রাপ্ত) কমিশনার মো. সরওয়ার।এছাড়া ঈদে গ্রামে যাওয়ার আগে বাসাবাড়ির দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ করা, সিসি ক্যামেরা সচল রাখা এবং আশপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।‎রোববার (১৫ মার্চ) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মো. সরওয়ার।ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ডিএমপি। ঈদের সময় যাদের আত্মীয়-স্বজন নেই এবং বাসায় মূল্যবান জিনিস রেখে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, তারা চাইলে থানায় স্বর্ণালঙ্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী নিরাপদে থানায় রাখতে পারবেন।’পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মো. সরওয়ার বলেন, ‘‎ঈদের সময় রাজধানী অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায়। এই সুযোগে অপরাধীরা যাতে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারে সেজন্য টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হবে। আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা ও কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নজরদারি থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ডগ স্কোয়াড, সোয়াট টিম, বোম ডিসপোজাল ইউনিট এবং মাউন্টেড পুলিশ মোতায়ন থাকবে।’‎তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল, একটি লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও দায়িত্ব পালন করবে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টিকিট কালোবাজারি ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।’যাত্রাপথে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার গ্রহণ না করা এবং নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিজ হেফাজতে রাখার জন্য যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার। প্রয়োজনে জরুরি সহায়তার জন্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান।ঢাকার প্রবেশ ও বের হওয়ার প্রধান সড়কগুলোতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়ন করা হবে বলেও জানান ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার।

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যার অঙ্গীকার করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রোববার আইআরজিসির এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মাঝে রোববার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে লক্ষ্যবস্তু করার অঙ্গীকার করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। আইআরজিসির পরিচালিত সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘যদি এই শিশু হত্যাকারী অপরাধী বেঁচে থাকেন, তাহলে আমরা সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে তাড়া করে তাকে হত্যা করব।’’ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের মাঝে আইআরজিসি ওই বিবৃতি দিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে নেতানিয়াহুকে জনসমক্ষে দেখা যাচ্ছে না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানানো হচ্ছে।গত ১২ মার্চ নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে। ভিডিওতে তার হাতের আঙুলগুলো এমনভাবে দেখা গেছে যেন এক হাতে ছয়টি আঙুল রয়েছে। তবে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সম্পাদনা করা হয়েছে কি না; তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতের আঙুল পাঁচটিই রয়েছে। সেখানে ক্যামেরা ও লাইটের ফোকাসের কারণে হাতের আঙুল ছয়টি মনে হয়েছে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মাঝে বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর সেটি ছিল ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর প্রথম সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও। সেই ভিডিওতে তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যার পরোক্ষ হুমকি দিয়েছিলেন এবং ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন।হিব্রু ভাষায় দেওয়া সেই ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‌‌‌‌‘‘আমি আমাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ দেব না। আমরা ইরানি শাসনব্যবস্থাকে উৎখাতের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করছি। তবে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না, ইরানের জনগণই এই শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করবে কি না। কারণ একটি শাসনব্যবস্থা দেশের ভেতর থেকেই উৎখাত হয়।’’মার্কিন রক্ষণশীল রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্যান্ডেস ওয়েনসসহ অনেকেই প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘‘বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) কোথায়?’’ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘‘নেতানিয়াহুর অফিস তার ভুয়া এআই ভিডিও কেন প্রকাশ এবং ডিলিট করছে? আর কেন হোয়াইট হাউসে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে?’’নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবর নাকচএদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর তার মৃত্যুর খবর অস্বীকার করে বলেছে, তিনি নিরাপদ আছেন। ‘‘নেতানিয়াহুকে হত্যা করা হয়েছে’’, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন দাবির বিষয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে তার দপ্তর বলেছে, ‘‘এসব ভুয়া খবর। প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন।’’তবে নেতানিয়াহুর দপ্তর বা তার সহকারীরা এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে কোনও বিবৃতি দেয়নি। কিছু ব্যবহারকারী বলছেন, নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে না। এক্সে প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ফলোয়ার রয়েছে এবং ব্যাপক সক্রিয় ছিলেন তিনি। গত ৯ মার্চের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও পোস্ট করেননি তিনি।সূত্র: এএফপি।

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

সরকার ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নৈতিক শিক্ষার অবক্ষয়রোধে সারাদেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ নেওয়া হবে। শুধু ইসলাম শিক্ষা নয়, সব ধর্মের শিক্ষকই থাকবে।এহসানুল হক বলেন, ‘আমরা কেবল ইসলাম শিক্ষা নয়, বরং সব ধর্মের নৈতিক শিক্ষার প্রসারে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দেশের শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলী অর্জনে এই উদ্যোগ বড় ভূমিকা রাখবে।পাশাপাশি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতির আওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকার বিশেষ কমিটি গঠন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের করা এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এহসানুল হক বলেন, সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বর্তমান সরকার এগুলোর মানোন্নয়নের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।আরেক প্রশ্নের জবাবে এহসানুল হক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন আহ্বান করবে সরকার। পুরাতন আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।প্রথম অধিবেশনের শুরুতে দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হবে। রোববার থেকেই শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা।এর আগে গত ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। পরে রোববার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছিল।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন বসবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেলে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেলে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে

সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন বলে উল্লেখ করা হয়।রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।গত ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত।১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপ ঘটে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০১১ সালের সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন হলে নতুন করে আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত নেন সর্বোচ্চ আদালত। পরে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দেন সর্বোচ্চ আদালত। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর ৬ বিচারক হলেন– বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেলেন।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করেন। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপটের সাথে শিরোপা জিতে নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে শেষ আট থেকেই শোচনীয় বিদায় হয়েছিল ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। তার মতে, ভারতের রক্তে মিশে আছে ট্রফি জয়ের নেশা, আর পাকিস্তান যেন হারার জন্যই মাঠে নামে!আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এটি তাদের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা। ভারতের এই সাফল্যে মুগ্ধ লতিফ বলেন, “টসে হেরেও তারা ২৫০ রান তুলছে। এখন কাউকেই তাদের ধারেকাছে দেখা যাচ্ছে না। এটা রাতারাতি হয়নি; গত ১০ বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফসল এটি। তারা এখন বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা এবং শিরোপা জয়কে অভ্যাসে পরিণত করেছে।”অন্যদিকে, সুপার এইট থেকেই বিদায় নেওয়া পাকিস্তান দল নিয়ে লতিফের মন্তব্য বেশ তিক্ত। তিনি বলেন, “ভারতের ডিএনএতেই আছে ট্রফি জয়, আর আমাদের ডিএনএ হলো নকআউট পর্বের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া। তারা খেলছে ট্রফির জন্য, আর আমরা যেন স্রেফ হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি।” উল্লেখ্য, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পর ভারত এখন টানা তিনটি আইসিসি সাদা বলের শিরোপা ঘরো তুলেছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জিতে ভারত যেখানে উৎসবের জোয়ারে ভাসছে, সেখানে লতিফের এমন মন্তব্য পাকিস্তান ক্রিকেটের সংকটের গভীরতাকেই যেন আরও একবার সামনে নিয়ে এলো।

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

টেন্ডার ও ভুয়া বিলের অভিযোগে মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তর: দীর্ঘদিন একই স্থানে থেকে প্রভাব

মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তরে টেন্ডার দূর্ণীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, দীর্ঘ দিন একি স্থানে কর্মরত থেকে আধিপত্য বিস্তার করে চলছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের এই টেন্ডার ও বিল সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে সচেতন মহলে।অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মেরামত ও নির্মাণ কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে কমিশনের নিয়ে কাজ বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত কাজ সম্পন্ন না হলেও বিল উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে, যা সরকারি অর্থের অপচয়ের শামিল।স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর বাইরে অন্যদের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং প্রকৃত যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজবাড়ি এক ঠিকাদরী প্রতিষ্ট্রান ২ টি লাইসেন্সে ১৩টি, চট্রগ্রামের ৪ টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ট্রান ৪টি, বি.বাড়িয়ার ঠিকাদার পায় ৩ টি । স্থানীয় ঠিকাদারের কোটেশন রহস্য জনক ভাবে লটারীতে উঠেনা। গত ২৪ জুলাইর ৫ আগষ্টের পর উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহীর ভাগ্য খোলে যায়। নেছার আহমেদ এর মনুমুখ সাধুহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ঠিকাদারের কাজ বাতিল করে শিক্ষা অধিদপ্তর। পরে শিক্ষা অধিদপ্তর কৌশলে ঐ কাজটি তারা নিজ দায়ীত্বে করে। শুধু মালামাল সাপ্লাইয়ের জন্য মৌলভীবাজার মা এন্টারপ্রাইজ ঠিকদারী প্রতিষ্ট্রানের সাথে চুক্তি করা হয়। ওই প্রতিষ্ট্রান ৯৯ লাখ টাকার মালামাল সাপ্লাই করার পর ৫৬ লাখ টাকা পরিশোধের পর বাকী টাকা পরিশোধ করেনি শিক্ষা অধিদপ্তর। ২৫ সালে কুলাউড়া গিয়াসনগর মাদ্রাসা বালু ভরাট করে ঢালাই করার কথা। কিন্তু মাটি ছেড়ে ঢালাই করার নির্দেশ দেন নির্বাহী প্রকৌশলী।গত ২৩-২৪ সালে মৌলভীবাজার সদরের বঙ্গবন্ধু স্কুলের রিপিয়ারি কাজ অসমাপ্ত রেখে ঠিকাদার পালিয়ে যায়। উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী কৌশলে বিল উত্তলোন করেন। সব চেয়ে আতংন্কে বিষয় হলো নির্বাহী প্রকৌশলী রতীশ চন্দ্র সেন ও উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী অনেক টেন্ডার নোটিশ সময় মতো প্রকাশ না করে গোপনে পচ্ছন্দের ঠিকাদারকে আগেই কাজ দিয়ে দেন। পরে বেক ডেইটের কোন একটি পত্রিকায় টেন্ডার নোটিশ ছাপিয়ে দেন। এ ব্যাপারে উপ সহকারী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী অভিযোগ অস্বীক্ষার করে বলেন, আমি কিছু বলতে পারবোনা। সবকিছু নির্বাহী প্রকৌশলী স্যার বলতে পারবেন। তবে স্বীক্ষার করে বলেন, সবকিছু নির্বাহী প্রকৌশলী স্যার আমার সাথে পরামর্শ করে করেন।মৌলভীবাজার শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রতিশ চন্দ্র দাস বলেন, আগে কাজ করে পরে টেন্ডার প্রকাশ করার কোনো বিধান আমাদের এখানে নেই। আর আমার উপসহকারী প্রকৌশলী আবু সাইদ মোহাম্মদ রাহী ব্যাপারে যে কমপ্লেইন করুক, সে হয়তো তার যেকোনো একটা স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যাপারে করেছে। যা মিথ্যা এবং বানোয়াট। কারণ সেই উপসহকারী প্রকৌশলী তার উপরে আমার জন্য সহকারী প্রকৌশলী আছেন। তারপরে আমি। তার প্রভাব কাটানোর বা দাপট দেখানোর মতো কোনো কাজ বা সুযোগ তার নেই। আমার অফিসের কাজ আমি নিজেই সব তদারকি করি। আমরা স্টাফ সংকটে আছি ও সে আমার অফিসে সাড়ে তিন বছর। এর আগে সে ফিল্ডে ছিল। প্রায় আরো একজন ঠিকেদারের চেক অন্য ঠিকেদারকে নামে করার কোনো সুযোগই। তিন চার বছর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। যে ছাব্বিশটা, পঁচিশ ছাব্বিশটা কাজ এখানে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এগুলো সবগুলো লোকাল ঠিকাদারেরই ছিল। কাজগুলো বাতিল করে যখন আমরা ওটিএম টেন্ডারে দিলাম, ওপেন টেন্ডারিং, বাংলাদেশের যে কেউ পার্টিসিপেট করতে পারে। আপনার ওই স্থানীয় ঠিকাদার, যাদের কাজ বাতিল করা হয়েছে, তারা কিন্তু টেন্ডারে পার্টিসিপেট করেননি। এখানে রাহী তো কাউকে কাজ দেওয়ার বা কাউকে সহযোগীতা করার কোনো সুযোগ নেই। আচ্ছা, এখানে যে নিয়ে এই কথা বলেছেন, সেটা কথাটা সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং মিথ্যে। কারণ আমার অফিসটা আমি পরিচালনা করি এবং আমার অফিসের সব ডাটা আমার কাছেই থাকে। আমার শিক্ষা অফিস দপ্তরের কাজ ঠিকাদার আসলে কাজের মান সঠিক ভাবে করেননি। কিছুটা কিছু জায়গায়, যেমন রং এর কাজটা আমার খুব দুর্বল ছিল। অনেক জায়গায় আপনারা দেখবেন রং উঠে যাচ্ছে। শুনলে অবাক হবেন ৪ তলা বিশিষ্ট ৫ টি কাজে ঠিকাদার টেন্ডার না দেওয়ায় ফান্ড ফেরৎ যায়। যারা অভিযোগ করেছে তারা নিজ স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এমন অভিযোগ করেছে।\

ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন উপলক্ষে বন্দিদের মধ্যে উন্নতমানের খাবার তালিকা করেছে কারা কারা কর্তৃপক্ষ। প্রতি বছরের মতো এবারও তারা তাদের উন্নত খাবার পরিবেশ করবেন। রোববার (১৫ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এর মধ্যে ঈদের দিন সকালে কারাবন্দিদের খাবারে পায়েস বা সেমাই রাখার ব্যবস্থা থাকবে। তাতে মুড়িও রাখা হয়েছে।দুপুরের খাবারে পোলাও, গরুর মাংস (খাসির মাংস, শুধুমাত্র ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের জন্য) ও মুরগির রোস্ট ১টি, সালাদ, মিষ্টি এবং পান সুপারি রাখা হয়েছে।রাতের খাবারে সাদা ভাত, আলুর দম এবং রুই মাছ ভাজা রাখা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা

রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩

রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩

২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি

২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি

৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

ঈদে থানায় রাখা যাবে স্বর্ণালঙ্কার, নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা ডিএমপির

ঈদে থানায় রাখা যাবে স্বর্ণালঙ্কার, নিরাপত্তায় বিশেষ পরিকল্পনা ডিএমপির

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

নেতানিয়াহুকে ‘খুঁজে বের করে হত্যার’ অঙ্গীকার ইরানের বিপ্লবী গার্ডের

সৌদি-আমিরাতে হামলা চালিয়েছে ইরান

সৌদি-আমিরাতে হামলা চালিয়েছে ইরান

মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

মোজতবা খামেনির বেঁচে থাকা নিয়ে ‘সংশয়’ ট্রাম্পের

ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

ইরানের কারখানায় মার্কিন হামলা, ১৫ শ্রমিক নিহত

আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইলে বিএনপি চেয়ারপারসন ও 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্বাচনী সমাবেশে লজিস্টিক সাপোর্টে নিয়োজিত মোঃ জনি একটি দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন। দীর্ঘ চিকিৎসার খরচ ইতোমধ্যেই তার পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। খবর পেয়ে পাশে দাঁড়ান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬ বিকাল ৪.৩০ মিনিটে রাজধানীর গোলাপবাগ সংলগ্ন এলাকায় 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মোঃ জনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়ে চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।উপস্থিত ছিলেন 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ, রুবেল আমিন, ড্যাবের মানবাধিকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক ডা. আসলামুল ইসলাম রুদ্র, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমতিয়াজ সেতু এবং ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ প্রমুখ।উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সমাবেশে মোঃ জনি ডেকোরেশন ও মাইক সার্ভিসের দায়িত্বে ছিলেন। সমাবেশ চলাকালীন মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা জনিকে আজ 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করলো।স্থানীয়রা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতা এবং সংগঠনের তৎপরতায় আহত জনি তার চিকিৎসা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারবে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ

অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে সরকারি অফিস সময়সূচী অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার নিয়ম থাকা সত্ত্বেও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এর চরম ব্যত্যয় ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর ১টার সময়ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনকে তার কর্মস্থলে দেখা যায়নি। অফিস তালাবদ্ধ থাকার কারণে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও অন্যান্য জরুরি সেবার প্রয়োজনে আসা অসহায় ও দুস্থ মানুষজন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের অন্যান্য কার্যক্রম চললেও সমাজসেবা অফিসারের কক্ষটি তালাবদ্ধ। অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরাও তার অনুপস্থিতি বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও কর্মকর্তার দেখা না পাওয়া গেলে সরকারি সেবা পাওয়ার আশা রাখা তাদের জন্য শুধুই বিড়ম্বনা।উপজেলার আবুরকান্দী গ্রামের সলেমান বলেন, “সকালে এসেছি, এখন ১২টা বাজে, এখনও স্যারে আসেন নাই।”পৌরসভার পাঁচগাছিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৭৫) বলেন, “বেইন্না বালা আইছি, এতক্ষণেও অফিসারে না থাহায় বইয়া রইছি। আযানও দিয়া লাইছে, এখন যামুগা।”টরকী গ্রামের হাসান আলী জানান, “বুধবার এসেছি, বৃহস্পতিবারও এসেছি, আজকে রবিবার এসেছি, সমাজসেবা অফিসারের রুমে দরজা তালা লাগাই থাকে।”উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনের মুঠোফোন ০১৭২৬-৬৬৮০৮৯ নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত তদারকির অভাবই এমন অনিয়মের মূল কারণ। তারা দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং দায়িত্বহীন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার

তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার

আখাউড়ায় আলোচিত মাদক কারবারি ‘পিচ্ছু’ গ্রেফতার

আখাউড়ায় আলোচিত মাদক কারবারি ‘পিচ্ছু’ গ্রেফতার

গঙ্গাচড়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

গঙ্গাচড়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কমিটি ঘোষণা, সভাপতি নাসির, সম্পাদক সেলিম

বাঞ্ছারামপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কমিটি ঘোষণা, সভাপতি নাসির, সম্পাদক সেলিম

ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ আসামি গ্রেফতার

ছাতকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ আসামি গ্রেফতার

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

টান টান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ২৯১ রানের টার্গেটে সফরকারীদের তারা থামিয়ে দেয় ২৭৯ রানে। জয় পায় ১১ রানে।এদিন শেষ দুই ওভার থেকে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। আর বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল দুটি উইকেট।এই অবস্থায় ৪৯তম ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানকে দুটি ছক্কা হাঁকান বাঁ-হাতি পাক ব্যাটার শাহিন শাহ আফ্রিদি। তবে তিনি এক রান নিয়ে ননস্ট্রাইকে এলেই ঘুরে যায় খেলার মোড়। ওভারের শেষ বলে আফ্রিদির সঙ্গে থাকা হারিস রউফকে ক্যাচ আউট করে সাজঘরে পাঠান মুস্তাফিজ।ইনিংসের শেষ ওভার করতে আসেন ডান-হাতি টাইগার স্পিনার রিশাদ হোসাইন। তিনি মাত্র দুই রান দিয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠা শাহিন মাহ আফ্রিদিকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে পাক শিবিরে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।এর মধ্যদিয়ে ১১ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেন মিরাজ-মুস্তাফিজরা।এই ইনিংসে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৬ রান করেন দলটির অধিনায়ক সালমান আলি আগা। ৯টি ছয় এবং চারটি ছক্কার মারে ৯৮ বল থেকে এই রান করেন তিনি। এছাড়া আব্দুল সামাদ ৩৪ এবং শাহিন মাহ আফ্রিদি ৩৭ রান করেন।বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ। তিন উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি এবং রিশাদ হোসাইন একটি উইকেট পান।এর আগে রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভার থেকে তানজিদ হাসানের অনবদ্য সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে তারা ২৯০ রানের পুঁজি পায়। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯১।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান করেন ১০৭ বল থেকে ১০৭ রান। যার মধ্যে ছয়টি চার এবং সাতটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ৩৬, নাজমুল হাসান শান্ত ২৭, লিটন দাশ ৪১ এবং তাওহিদ হৃদয় অপরাজিত ৪৮ রান করেন।এ ইনিংসে পাক বোলারদের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন হারিস রউফ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন শাহিন মাহ আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে সেরা খেলায়াড়ের খেতাব জিতে নেন টাইগার সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান।

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

ভারত খেলছে ট্রফির জন্য, আমরা হারার জন্যই অংশ নিচ্ছি:রশিদ লতিফ

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

ঐতিহ্যবাহী জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ এর ২০২৬ সেশনের জন্য কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ এম আবু মুসা এবং সহকারী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাকির হোসাইন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা, মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা রেখে আসছে।আজ (শনিবার) রাজধানীর মগবাজারে সসাসের অফিসে সসাসের নির্বাহী কমিটিদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ২০২৬ সেশনের জন্য নির্বাহী পরিচালক এবং সহাকারী নির্বাহী পরিচালক মনোনীত করা হয়। নতুন এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছর সংগঠনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে।

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

দেশের শোবিজ অঙ্গনের চর্চিত খবর দ্বিতীয়বারের মতো মা হচ্ছে অভিনেত্রী শবনম বুবলী। কিন্তু তিনি বারবার অস্বীকার করেছেন। চিত্রনায়িকা নিজে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও তার হাটা চলাফেরা সন্দেহ জাগিয়েছে ভক্তদের মনে। এবার এক দাফ এগিয়ে তার মা হওয়ার গুঞ্জন। দেশের একটি গণমাধ্যমে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, সন্তান জন্ম দিতে চলতি মাসেই আমেরিকায় উড়াল দিয়েছেন বুবলী। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন তিনি। বেশকিছু দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন এই নায়িকা। পরনে ছিল ঘাগরা। এ সময় উৎসুক ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখা বুবলী। দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন অভিনেত্রী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এই খবরে প্রায় ঝড় ওঠে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়। তার নাম শেহজাদ খান বীর।

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময় সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। কিন্তু ভালোবেসে গড়া সংসার হঠাৎ করেই ভেঙে যায়। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে দুই তারকাই নীরব থেকেছেন। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথাও বলেছেন রবি চৌধুরী। সেখানে তিনি ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন।এবার সেই অভিযোগের বিপরীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ডলি সায়ন্তনী। মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না।’বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা না করার অনুরোধ জানিয়ে এই গায়িকা বলেন, ‘সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় বানাবেন না। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’বিচ্ছেদের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে ডলি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে; স্পষ্ট করে বলতে চাই, ডিভোর্স আমিই দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।’  ‘অতএব এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’ সবশেষে পবিত্র মাসের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘মাহে রমজানে আল্লাহ সবাইকে পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান করুক।’

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

শাহরুখকন্যা সুহানা খান দক্ষিণ কোরিয়ান কে-পপ তারকা কিম জুন মিয়নের প্রেমে পড়েছিলেন। ডেটেও যেতে চেয়েছিলেন কিম জুন মিয়নের সঙ্গে। সুহানা সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে সরাসরি তা স্বীকারও করেছেন।শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারের ঘরে জন্মগ্রহণ করায় বলিউড নেপোকিড সুহানাকে সুবিধা-অসুবিধা সবকিছুর মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সুহানা তার পারিবারিক প্রভাব না খাটিয়ে সব সময় নিজের পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আর সে চর্চা এখনও তিনি করে যাচ্ছেন। এ কারণে তিনি নিজের দক্ষতা বাড়াতে তায়কোয়ান্দো শেখা এবং অভিনেত্রী হিসেবে যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন।সামাজিকমাধ্যমে বরাবর সরব শাহরুখকন্যা বিভিন্ন সময় লাইভে ভক্তদের সামনে আসেন এবং তাদের অনেক প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দেন। ইনস্টাগ্রামে এরকমই এক সেশন ‘আস্ক মি এনিথিং’য়ে এক ভক্ত প্রশ্ন করেন, তিনি কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেট করতে চান। সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সুহানা কোরিয়ান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেতা কিম জুন-মিয়নের নাম বলেন। এ সময় সুহানা কে-পপ তারকার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন—‘তাকে’। সূত্র: পিঙ্কভিলাশাহরুখ খান ও গৌরী খানের ঘরে জন্ম নেওয়া সুহানা খান গ্ল্যামার জগতের বাইরে খেলাধুলাও আগ্রহী। সৃজনশীলতা তার শিরায় প্রবাহিত হয়। তাই গান-নৃত্য এবং লেখালেখি সবকিছুই তাকে আকর্ষণ করে।এ বছরের একদম শেষ দিকে সুহানা খান তার বাবা শাহরুখ খানের সঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমায় দেখা যাবে বাবা-মেয়ের অ্যাকশন। এতে বলিউডের দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চনের মতো বড় তারকারাও অভিনয় করেবেন।

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ দিনে নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সব ধরনের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। দিনটি তাই গানে গানে পালন করতে চান দেশের তিনজন নারী সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল, অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলাম। তারা তাই নারী দিবস উপলক্ষে নতুন গান তৈরি করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘নারী যায় বাড়ি’।অসংখ্য জনপ্রিয় গানের নেপথ্যের দুই কারিগর শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান রয়েছেন এই গানের পেছনে। শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর লেখা গানটিতে সুর দিয়েছেন পিলু খান। সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম। ৮ মার্চ নারী দিবসে গানটি প্রকাশ করবে আজব রেকর্ডস। গানটির অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন মীর হিশাম ও সারাফ চিশতী।নারী যায় বাড়ি গান প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘নারীরা আজীবন তাঁদের নিজের ঘর খুঁজে বেড়ান। কখনো বাবার ঘর, কখনো স্বামীর ঘর, কখনো ছেলেন ঘর। তাঁর নিজের ঘর কি তিনি কখনো খুঁজে পান? চিরন্তন এই প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে গানটি।’পিলু খান বলেন, ‘জঙ্গী ভাইয়ের সঙ্গে চার দশকে নানা বিষয়ভিত্তিক গান করেছি। এবার সে তালিকায় আরেকটি বিষয় যুক্ত হলো। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে এ গান।’গানটি নিয়ে কোনাল বলেন, ‘কিংবদন্তি দুজন মানুষের গান করতে পেরে আমি আনন্দিত। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সংগীতজীবনের অনন্য অর্জন।’একই ধরনের অনুভূতি ফুটে উঠেছে অন্তরার কথায়, ‘একজন নারী হিসেবে এমন কথার গানে নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের মতো বরেণ্য মানুষের সান্নিধ্য আমার জন্য পরম পাওয়া।’অন্যদিকে মাশা ইসলাম বলেন, ‘শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান আমাদের গানের জগতে দুই মহিরুহ। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে পারা দারুণ ব্যাপার। সবার সঙ্গে গানটি করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আশা করি, যাঁরা শুনবেন তাঁদেরও ভালো লাগবে।’ ৮ মার্চ নারী যায় বাড়ি গানের ভিডিও আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলসহ শিল্পীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে। শোনা যাবে একাধিক আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও।

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল ও চনমনে প্রেমকে ঘিরে নির্মিত নাটক ‘গুডলাক’। ঈদের বিশেষ আয়োজনে ফারহান আহমেদ জোভান ও নাজনীন নীহা অভিনীত নাটকটি নির্মাণ করেছেন ইমরোজ শাওন। রায়হান মাহমুদের চিত্রনাট্যে নির্মিত নাটকের চিত্রগ্রহণ করেছেন নাঈম ফুয়াদ। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দিলারা জামান।গল্প নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাইছেন না নির্মাতা কিংবা অভিনয়শিল্পীরা। তবে নির্মাতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, এক সরলমনা প্রেমিকের আবেগ, ভুলভাল সিদ্ধান্ত আর ভালোবাসার চেষ্টাকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে কাহিনি। ক্যাম্পাসের হালকা আবহ থেকে পারিবারিক টানাপোড়েন—দুটো জায়গাতেই গল্পের বিস্তার রয়েছে।এদিকে জোভানের চরিত্রে থাকছে ভিন্নমাত্রা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার উপস্থিতি ও মোড় ঘোরানো মুহূর্ত দর্শকদের চমকে দেবে।প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘গুডলাক’সহ এবারের ঈদে প্রস্তুত হয়েছে ২০টি বিশেষ নাটক। চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে সেগুলো মুক্তি পাবে ইউটিউব চ্যানেলে।

ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেবে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি  পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

আজ থেকে জ্বালানি তেল কেনার সীমা নেই

দেশে জ্বালানি তেল কেনার সীমা রবিবার (১৫ মার্চ) থেকে তুলে নিচ্ছে সরকার। ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর আগে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও পেট্রল-অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর জেরে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য সীমা বেঁধে দেয় সরকার। গত ১০ মার্চ ‘রাইড শেয়ার’ করা মোটরসাইকেলের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়। এ ছাড়া ফিলিং স্টেশনগুলোতে ৭ মার্চ থেকে চাহিদার চেয়ে ২৫ শতাংশ হারে কম সরবরাহ করা হচ্ছিল। পরে ১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরের ফিলিং স্টেশনে ১০ শতাংশ সরবরাহ বাড়ানো হয়।

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মির্জা মেহেদী (২৫) নামে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর রাতে সাহরির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নিহত মির্জা মেহেদীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায়। প্রায় ৩ বছর আগে তিনি স্টুডেন্ট ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আসেন। প্রথমে ডি-৪ ভিসায় কিয়ংডং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা সম্পন্ন করার পর পরবর্তীতে ডি-২ ভিসায় সেজং বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন।প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী দক্ষিণ কোরিয়ার সকচো এলাকায় বসবাস করতেন। শনিবার ভোর রাতে তিনি দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের টানে অনেকেই ছুটে যান দক্ষিণের পর্যটন শহর কুয়াকাটায়। তবে এই সমুদ্রকন্যার পাশেই রয়েছে আরেক অপার বিস্ময়- নিঃশব্দ, নির্জন ও স্বপ্নময় চর হেয়ার। বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল বুকে স্বপ্নের মতো জেগে ওঠা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার।দূর থেকে দেখলে মনে হয়, দিগন্তজোড়া জলরাশির মাঝখানে সৃষ্টিকর্তা যেন নিভৃতে গড়ে তুলেছেন এক টুকরো স্বর্গভূমি। কাছে গেলে সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়। অসীম আকাশ আর অনন্ত সাগরের মিলনরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা। সোনালি বালুকাবেলা, ঢেউয়ের ছন্দময় আছড়ে পড়া আর বাতাসের স্নিগ্ধ স্পর্শ সব মিলিয়ে চর হেয়ার এক অনাবিল প্রশান্তির ঠিকানা।দ্বীপের ভেতরে পা রাখলেই মেলে আরেক ভিন্ন জগতের দেখা। গহীন বনের ছায়াঘেরা পথ, পাখিদের নিরন্তর কলকাকলি আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সব মিলিয়ে এখানে বিরাজ করে এক অপার্থিব নির্জনতা। মনে হবে, কোলাহলমুখর পৃথিবী থেকে আপনি অনেক দূরে, যেখানে সময়ও যেন ধীর হয়ে যায়। এখানে শত শত পাখির কলরবে ভোরের নীরবতা ভাঙে, বিস্তীর্ণ বালুচরে লাল কাঁকড়ার দল ছুটে বেড়িয়ে আঁকে জীবনের চঞ্চল রেখাচিত্র। ঢেউয়ের ফেনায় ভেজা তটরেখা, দূরে ভাসমান মাছধরা নৌকা আর আকাশজুড়ে সাদা মেঘ সব মিলিয়ে চর হেয়ার স্বপ্নীল জগৎ।সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কুয়াকাটা ভ্রমণের সঙ্গে চর হেয়ার হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য। এই ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে দক্ষিণের এই নিভৃত দ্বীপে কাটাতে পারেন এক ভিন্ন রকম সময়। যেখানে প্রকৃতি নিজেই আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।ভৌগোলিক অবস্থান পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর হেয়ার। কেউ কেউ একে ‘হেয়ার চর’ নামেও ডাকেন। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কলা গাছিয়ার চর’ নামেও পরিচিত। চরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ‘সোনার চর’, যেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির প্রাণীর দেখা মেলে। পূর্বে চর আন্ডা, পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগার দ্বীপ ও তার পাশেই চর কাশেম। এসব চরের নান্দনিক দৃশ্যও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে এই চরের দূরত্ব ৩৫.১৯ কিলোমিটার। আর রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে চরটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার।ভ্রমণের আদর্শ সময়বঙ্গোপসাগর তুলনামূলক শান্ত থাকায় এখানে ভ্রমণের আদর্শ সময় শীতকাল। এ সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে বেশি। তবে এই সময়েও চরটির সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।যেসব সুবিধা রয়েছেচর হেয়ারে রাত্রিযাপনের জন্য রয়েছে ছোট ছোট তাবু ও কটেজ। তাবু প্রতি ভাড়া এক রাতের জন্য ৪০০ টাকা। সমুদ্রের ঢেউয়ের কলকল ধ্বনি শুনতে শুনতে নির্জন রাতে তাবুতে কাটানো সময় হয়ে উঠতে পারে অনন্য অভিজ্ঞতা। এছাড়া সৈকতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ছাতাসহ আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা। বনভূমির ভেতরে গাছের সঙ্গে বাঁধা দোলনা শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সব বয়সীদের জন্য আনন্দদায়ক।খাবারের জন্য রয়েছে সাগরের তাজা মাছ, মুরগি, ভাতসহ বিভিন্ন প্যাকেজ। থাকা, খাওয়া, ট্রলার সার্ভিস, তাবু ও কটেজসহ ভ্রমণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘সোনার চর ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেলস’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চর হেয়ার ট্যুরিস্ট নিরাপত্তা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান। তার সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর ০১৭১৯৩৬৮১৭৮।তবে এখানে পর্যাপ্ত দোকান বা ফার্মেসি না থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়া ভালো। মোবাইল চার্জিংয়ের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাও রাখলে সুবিধা হবে।যেভাবে যাবেননৌপথে: ঢাকার সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায়। ডেকের ভাড়া ৬৫০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। সেখান থেকে ১৫০০ টাকায় ট্রলার (রিজার্ভ) বা ২০০০ টাকায় স্পিডবোটে চর হেয়ারে যাওয়া যায়। কয়েকজন মিলে গেলে ভাড়া ভাগাভাগি করা সম্ভব।সড়কপথে: ঢাকার সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে পটুয়াখালী চৌরাস্তা পর্যন্ত বাসভাড়া প্রায় ৬৫০ টাকা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ২৫০ টাকায় ৪০ মিনিটে হরিদেবপুর ফেরিঘাট। ট্রলারে ১০ টাকায় গলাচিপা শহরে উঠে মোটরসাইকেলে ১৫০ টাকায় পানপট্টি লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায় (সময় প্রায় ২৫ মিনিট)। পানপট্টি থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা ও বিকেল ৩টায় লঞ্চ চরমোন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। প্রায় ৩ ঘণ্টার নদীপথে আগুনমুখা ও তেতুলিয়া নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। চরমোন্তাজ থেকে ট্রলারে আধাঘণ্টা এবং স্পিডবোটে ১৫ মিনিটে পৌঁছে যাবেন চর হেয়ারে।বিকল্প পথ: গলাচিপার বোয়ালিয়া স্পিডবোট ঘাট থেকে ১০ হাজার টাকায় স্পিডবোট ভাড়া করা যায়। এছাড়া কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকেও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসা যায়। মাত্র ৩০০০-৩৫০০ টাকায় আপনি চলে আসতে পারবেন চর হেয়ারে।যা যা দেখবেনচর হেয়ারে রয়েছে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত,যেখানে আচড়ে পড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশি। দ্বীপের বুকে আছে ঝাউগাছ আর পেয়ারাগাছের বন। এছাড়া আছে নানা আকারের ছইলা, কেওড়া, গেওয়া, বাইন, গোলপাতা, হারগুজি, তাম্বুরা কাঁটার ঝোপঝাড়। সবুজ বনভূমির গাছগুলোতে বিচরণ করে হাজারো দেশীয় ও বিদেশী অতিথি পাখি যার মধুর কণ্ঠে কিচিরমিচির গানে ভুলে যাবেন শহুরে কোলাহলের অবসাদ।দোলনায় শুয়ে দুলতে দুলতে পাখিদের গানে মুগ্ধ হবেন আপনি। সারস, বক, শামুকখোল, মদনটাকেরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে আশ্রয় নেয় এখানকার গাছের মগডালে। আর ঝোপগুলো ডাহুক, কোড়াসহ নাম না জানা পাখিদের অভয়ারণ্য সৈকতে বসে সাগরের গর্জন আন্দোলিত করে তোলে মন। এখান থেকে দেখা যায় জেলেদের মাছ ধরা। সূর্যোদয়ের সময় লাল আভায় রাঙা দিগন্ত আর সূর্যাস্তের ক্ষণে সোনালি-কমলা রঙে ঢেকে যাওয়া জলরাশি হৃদয়ে ছড়িয়ে দেয় এক অনির্বচনীয় মায়া। বালুকাময় সৈকত এর চারদিকে দেখা যাবে লাল কাঁকড়া। এছাড়া এই চরটি চমৎকার এক পিকনিক স্পট। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা ব্যবস্থা। চর হেয়ার শুধু একটি দ্বীপ নয় এ এক অনুভূতি, বিস্ময়, নিঃশব্দ সৌন্দর্যের ঘোষণা। ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতি, নির্জনতা ও সমুদ্রের মিলিত রূপ উপভোগ করতে চাইলে দক্ষিণের এই স্বর্গভূমি হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও আজ (৮ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানান কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অন্যতম।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অদম্য নারী পুরস্কারের আওতায় বিশেষ অবদান রাখা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান, দেশজুড়ে নারী অধিকার, সমতা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন। এ বছর বিশ্বব্যাপী ‘গিভ টু গেইন’ (দিয়ে অর্জন) প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে, যা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। এই কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে তাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।উল্লিখিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মহিলা অধিদফতর। এ ছাড়া, বিভিন্ন অফিস ও সংগঠন দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।সারা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ এ দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধরা প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারও সারা বিশ্বের সব দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি পালনে প্রতিবছরই একটি প্রতিপাদ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়।

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

আধুনিক ইতিহাসের পাতায় যে কয়েকজন নেতা একক সিদ্ধান্তে একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি কেবল একটি দেশের শাসক নন, বরং পুরো শিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও শৈশব: অভাবের মাঝেও শিক্ষার আলো১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে আলী খামেনেইর জন্ম। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জাভাদ খামেনেই ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ আলেম, যিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। খামেনেই পরবর্তীকালে তার শৈশব সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে আমাদের রাতের খাবারে শুধু রুটি আর কিশমিশ জুটত।’ অভাব থাকলেও পড়াশোনায় খামেনেই ছিলেন মেধাবী। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআন শিক্ষা শুরু করেন এবং ১১ বছর বয়সে ধর্মীয় লেবাস (পাগড়ি ও জাব্বা) ধারণ করে মাদ্রাসায় ভর্তি হন।বিপ্লবের আগুন ও কারাবরণ১৯৬০-এর দশকে তিনি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে আসেন এবং শাহ শাসিত রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। এই অপরাধে তাকে অন্তত ছয়বার গ্রেপ্তার করা হয়। সাভাক (তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থা) তাকে নির্মম নির্যাতন করেছিল এবং তিনি তিন বছরের জন্য নির্বাসিতও হয়েছিলেন। কিন্তু এই কারাবাসই তাকে একজন আপসহীন নেতায় পরিণত করে।প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও হত্যাচেষ্টা১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর খামেনেই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ সব পদে আসীন হন। ১৯৮১ সালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে সেই বছরই একটি বোমা হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন, যার ফলে তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে সম্মান দিতে শুরু করে। তার আট বছরের প্রেসিডেন্সি ছিল মূলত ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধ’-এর কঠিন সময় পার করার গল্প।সুপ্রিম লিডার: ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩৭ বছর১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনেইকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তার দীর্ঘ শাসনামলের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো:* আইআরজিসি (IRGC)-এর উত্থান: তিনি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে কেবল একটি সামরিক বাহিনী নয়, বরং একটি বিশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন।* প্রতিরোধের অক্ষ: লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের সমর্থন দিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে এক বিশাল প্রভাব বলয় তৈরি করেছেন, যাকে তিনি ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বলেন।* পারমাণবিক কর্মসূচি: পশ্চিমা বিশ্বের প্রচণ্ড নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সত্ত্বেও তিনি ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন।দর্শনের দর্পণ: খামেনেইর অবিনশ্বর কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত তার আদর্শিক অবস্থানের প্রতিফলন। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:* পশ্চিম প্রসঙ্গে: “আমেরিকা হলো ‘বড় শয়তান’। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই হলো নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।”* আঞ্চলিক সংঘাত ও ইসরায়েল: ‘ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।’* পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ফতোয়া: ‘আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, আমাদের জনগণের ঈমানের মধ্যে।’* তরুণ প্রজন্মের প্রতি: ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’ব্যক্তিগত জীবন ও বিচিত্র পছন্দখামেনেইর জীবনযাপন অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি নিয়মিত কবিতা পড়েন এবং ফারসি সাহিত্যের গভীর অনুরাগী। এমনকি ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ তার অন্যতম প্রিয় বই। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর জীবন, আদর্শ এবং তার প্রভাবশালী বক্তব্যগুলোকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিস্তারিত ফিচার নিউজ নিচে দেওয়া হলো:আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: পারস্যের ক্ষমতার ধ্রুবতারা ও তিন দশকের আপসহীন নেতৃত্বতেহরান, ইরান — আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে যদি কোনো একজন ব্যক্তির ছায়া সবচেয়ে দীর্ঘ হয়, তবে তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর, যখন দেশটি এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন খামেনেই হাল ধরেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কেবল ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নন, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে এক অটল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও বৈপ্লবিক উত্থান১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল মাশহাদ শহরের এক অতি সাধারণ ধর্মীয় পরিবারে খামেনেইর জন্ম। শৈশবে চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া খামেনেইর প্রধান সম্পদ ছিল তার মেধা ও ধর্মীয় নিষ্ঠা। মাত্র ১১ বছর বয়সে মাদ্রাসায় শিক্ষা শুরু করা এই তরুণ ১৯৬০-এর দশকে আয়াতুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে এসে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।বিপ্লবের আগে শাহের শাসনামলে তাকে অন্তত ছয়বার কারাবরণ করতে হয়। নির্বাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত রাজনৈতিক নেতৃত্বের শিখরে আরোহণ করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।‘জীবন্ত শহীদ’ ও অদম্য মনোবল১৯৮১ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় খামেনেই এক ভয়াবহ বোমা হামলার শিকার হন। এই হামলায় তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জানবাজ’ বা ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করে। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তা তাকে ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসায়।আদর্শিক স্তম্ভ: খামেনেইর বিখ্যাত কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:আমেরিকা ও পশ্চিম প্রসঙ্গে: তিনি সবসময়ই আমেরিকার আধিপত্যবাদের কট্টর বিরোধী। তার বিখ্যাত উক্তি:"আমেরিকা হলো 'বড় শয়তান'। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।"ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্বকে তিনি কখনোই মেনে নেননি। তার ভাষায়:"ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।"পারমাণবিক অস্ত্র ও ইসলাম: আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তিনি তার ধর্মীয় ফতোয়ায় অটল ছিলেন: "আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, জনগণের ঈমানের মধ্যে।"ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও আঞ্চলিক প্রভাবখামেনেইর শাসনামলে ইরান কেবল টিকে থাকেনি, বরং আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তার নেতৃত্বে গঠিত ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের অক্ষ আজ লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে (IRGC) তিনি এমন এক সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছেন যা সরাসরি তার কাছে দায়বদ্ধ।ধর্মীয় পণ্ডিত ও সাহিত্যের অনুরাগী এক রাষ্ট্রনায়ককঠোর প্রশাসক এবং ধর্মীয় নেতার বাইরেও খামেনেইর একটি ভিন্ন সত্তা রয়েছে। তিনি ফারসি সাহিত্যের একনিষ্ঠ অনুরাগী এবং শৌখিন কবি। ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য তার নখদর্পণে। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ ছিলো। তিনি প্রায়ই তরুণদের বলতেন, ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তিদীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের নাটাই শক্ত হাতে ধরে রাখার পর, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তার এই দীর্ঘ সফর কেবল ইরানের ইতিহাস নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে স্থায়ীভাবে প্রভাবিত করে গেছে। তিনি যেমন একদিকে আধ্যাত্মিক গুরু, অন্যদিকে তেমনই ছিলেন এক অকুতোভয় রণকৌশলী। তেহরানের এই লৌহমানবের শাহাদাৎ বরণের মাধ্যমে এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তি ঘটলো।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে একটি নতুন মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল শোরুম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ (Mingle in Style)। প্রতিষ্ঠানটি একটি অভিনব রিটেইল কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে যেখানে একই ছাদের নিচে চারটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের সমাহার ঘটানো হয়েছে—যা লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ফ্যাশনের এক অনন্য মিলনস্থল।প্রথাগত শোরুমের ধারণা ছাড়িয়ে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ আধুনিক জীবনযাত্রার এক প্রতিফলন, যেখানে স্টাইল সরাসরি আরাম, সুস্থতা এবং আত্মপ্রকাশের সঙ্গে যুক্ত। এই প্ল্যাটফর্মটি আভাসা (Avasaa), পিওর নর্থ (Pure North), বিদজার (Vidjar) এবং মিঙ্গেল (Mingle)-কে একত্রিত করেছে, যাদের প্রতিটি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক একটি অনন্য দিককে উপস্থাপন করে।এই নতুন যাত্রা সম্পর্কে মিঙ্গেল ইন স্টাইলের কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স নাসরিন করিম বলেন, “মিঙ্গেল আসলে আমার কাছে একটা প্যাশন প্রজেক্ট। আমাদের মূল ভিশন হচ্ছে মডার্ন ফ্যাশনকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিঙ্গেল করা। আমরা চাই মিঙ্গেল একটা ওয়ান স্টপ ওয়ার্ডরোব সলিউশন হোক যেখানে একজন মানুষ তার আইডেন্টিটি, কালচার এবং পার্সোনাল স্টাইল একসাথে খুঁজে পায়।”তিনি আরও যোগ করেন, “মিঙ্গেল ব্র্যান্ডে আমরা সবার কথা চিন্তা করে চারটা সাব-ব্র্যান্ড তৈরি করেছি যাতে সবাই একই ছাদের নিচে সব কালেকশন খুঁজে পায়। এর মধ্যে আভাসাতে থাকছে লাউঞ্জ অ্যান্ড কমফোর্ট ওয়্যার, পিওর নর্থে পাওয়া যাবে জিম অ্যান্ড স্পোর্টস ওয়্যার, ভিদজার-এ থাকছে ক্যাজুয়াল অ্যান্ড ক্লাসিক ওয়্যার এবং মিঙ্গেল নিজে একটি এথনিক ওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করছে।”শোরুমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এর আরামদায়ক এবং বিলাসবহুল পরিবেশ দর্শকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্র্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ করে দেয়। উত্তরা বেলি কমপ্লেক্সে অবস্থিত এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি বর্তমানে ফ্যাশন প্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।উত্তরাবাসীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নাসরিন করিম বলেন, “আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি উত্তরার খুব প্রাইম লোকেশনে করা হয়েছে। উত্তরার ফ্যাশন লাভারদের আমি ইনভাইট করব তারা এসে আমাদের স্টোরটি ঘুরে যাওয়ার জন্য। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আমাদের পুরো কালেকশনের ওপর আমরা ফ্ল্যাট ৩০% অফ দিচ্ছি। আমরা সবাইকে এই অফারটি উপভোগ করার জন্য মিঙ্গেলে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”এই কিউরেটেড মাল্টি-ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশে লাইফস্টাইল রিটেইল খাতের নতুন সংজ্ঞা দিতে চায় ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’। যেখানে আরাম, সংস্কৃতি, সুস্থতা এবং ব্যক্তিগত স্বকীয়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে একই সুতোয় গাঁথা।

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরে দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং জরুরি ভিত্তিতে তার বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণ করতে হবে।’সিন্ডিকেট নির্মূলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাশাপাশি এই সময়ে যেন নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে না ওঠে, সে লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

শিরোনাম
আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, হলে নেওয়া নিষিদ্ধ যেসব জিনিস ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩ টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি আহত জনির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, হলে নেওয়া নিষিদ্ধ যেসব জিনিস ঈদে কারাবন্দিরা পাবেন বিশেষ খাবার শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অফিস সময়েও অনুপস্থিত সমাজসেবা অফিসার, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় মানুষ টুঙ্গিপাড়ায় সাবেক জাপা নেতা হাফেজ উজির আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যাচেষ্টা রাজধানীতে বিদ্যুৎ​​​​​​​স্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩ টুঙ্গিপাড়ায় পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ফেনীতে ১২শ দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ তারাগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনজুরুল হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেফতার ২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি