ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে আসতে সম্মতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সমাবর্তনে আমন্ত্রণ জানান। পরে রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগদানের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন ও সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগদানে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেস্ট অব অনার হিসেবে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতোমধ্যেই সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়; দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু। তিনি শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।
আবারও বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়।নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে এ সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।তবে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বাজারে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। খুচরা পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার টাকার কাছাকাছি দামে বিক্রি হয়েছে।নতুন করে দাম বাড়ায় এলপিজি ব্যবহারকারী পরিবারগুলোর পাশাপাশি পরিবহন ও বিভিন্ন ব্যবসা খাতেও ব্যয়ের চাপ বাড়তে পারে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের মাজার প্রাঙ্গণে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে লালন শাহ মাজার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে নিরাপদে মাজার প্রাঙ্গণ এলাকা ত্যাগ করেন।কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শোভন আহমেদ জানান, ব্যক্তিগত সফরে উনি কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া লালন মাজারে এসেছিলেন। তিনি এখানে স্থানীয় বাউল শিল্পীদের পরিবেশন গান শোনেন। বাইরে বের হয়ে মূল গেটের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ করেই কিছু লোকজন তার উপরে হামলা করে ও ধাওয়া দেয়। পরে তাকে নিয়ে লালন মাজারের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।শোভন আরও বলেন, কারা হামলা করেছে, কী জন্য হামলা করেছে এ বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। এখানে বলার মত অবস্থাতেও নেই। তবে এই মুহূর্তে আমরা এলাকা ত্যাগ করছি। কেন্দ্রীয় নেতাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লালন মাজারে এসেছিলেন। ঘটনা শুনে মাজার এলাকায় এসে তাকে বাইরে বের করে নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করি। তিনি আরও বলেন, এলাকার বাইরে যাওয়ার পরে তারা পুলিশি প্রটোকল না নিয়ে চলে যান। তবে এই ঘটনায় মামলা করবেন কিনা কোথায় গেছেন এ বিষয়ে তৎক্ষণাৎ তিনি জানাতে পারেননি।এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হামলার কারণ, হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানা যায়নি।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তাদের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে যে চারটি আসনে ছাড় দেয় এর মধ্যে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনও। তবে এই আসনে বিএনপির সাবেক নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার কাছে পরাজিত হন জমিয়ত নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। নির্বাচনের প্রায় আট মাস পর তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে ‘মুনাফিকির’ অভিযোগ তুলেছেন। তার অভিযোগ, নির্বাচনে জমিয়তের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিএনপি প্রত্যাশিত আন্তরিকতা দেখায়নি। বরং দলটির একটি অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রকাশ্যে ও আড়ালে কাজ করেছে।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির সঙ্গে জমিয়তের যে রাজনৈতিক সমঝোতা ছিল, নির্বাচনের মাঠে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, বিএনপি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তরিকভাবে জমিয়তের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলে এ আসনে বিজয় সম্ভব ছিল। কিন্তু নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে বিএনপির একটি অংশ প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালন করেনি।সরাইল-আশুগঞ্জ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে এ এলাকায় ইসলামপন্থীদের একটা প্রভাব রয়েছে। ফলে বিএনপি-জমিয়তের সমঝোতার ক্ষেত্রে আসনটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জুনায়েদ আল হাবীবের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের একটি অংশ জমিয়তের প্রার্থীর পরিবর্তে রুমিন ফারহানার পক্ষে সক্রিয় ছিল। অন্য একটি অংশ ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালনে আগ্রহ দেখায়নি।নির্বাচনি মাঠের নানা অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন জমিয়তের এই সহসভাপতি। তার দাবি, আওয়ামী লীগপন্থি প্রায় ৩০ শতাংশ নেতা-কর্মীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন আশ্বাসের মাধ্যমে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন রুমিন ফারহানা। এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনের সহায়তায় নির্বাচনি এলাকায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করেন তিনি।ভোটের দিনও জমিয়তের প্রার্থীর পক্ষে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করেন জুনায়েদ আল হাবীব। তার অভিযোগ, যেসব কেন্দ্রে জমিয়তের বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি ছিল, সেসব কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এতে ভোটের মাঠে তার প্রার্থিতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।বিএনপির সঙ্গে জমিয়তের রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ইসলাম ও দেশের স্বার্থে আলেম সমাজ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়ে কাজ করেছে। বিভিন্ন আসনে আলেম-উলামাদের সমর্থনের কারণে বিএনপির প্রার্থীরা উপকৃত ও বিজয়ী হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তার প্রশ্ন, যেখানে জমিয়তসহ ইসলামপন্থি দলগুলো জোটের স্বার্থে বিএনপির প্রার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সেখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জমিয়তের প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিএনপির নেতাকর্মীরা কেন একই ধরনের ভূমিকা রাখলেন না।শুধু বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক নয়, ইসলামি দলগুলোর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জমিয়তের এই নেতা। তিনি জানান, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি বর্তমানে কাজ করছে। বৃহত্তর ইসলামি রাজনৈতিক ঐক্যের সম্ভাবনা নিয়ে সেখানে আলোচনা চলছে।জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, বৃহত্তর ইসলামি প্ল্যাটফর্ম যদি কোনো একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত মেনে বিএনপির সঙ্গে থাকা জোট থেকেও বেরিয়ে আসতে প্রস্তুত রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত মোট ১৬ দিন দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।সংগঠনটির দাবি— ঈদ ও পূজায় পণ্য কেনাবেচার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই দোকান খোলা রাখার সময়সীমা রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত করা হোক।রোববার (৪ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।এতে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দোকানসমূহে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। সংগত কারণে ব্যবসায়ীদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। আরও বলা হয়, ঈদ ও পূজায় বেচাকেনা একটু ভাল হয়। তাই দোকান পাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধি করা হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতোমধ্যেই জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে।এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ০৫/১০/২০২৬ তারিখ হতে ২০/১০/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপনী বিতান ও দোকানসমূহ খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয় স্মারকলিপিতে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন।রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বরাবর ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পাননি। এ খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাশেদ খাঁন নিজে উদ্যোগী হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার দেন এবং মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন।মিশন আচার্য ঝিনাইদহ জেলা শহরের কলাবাগান এলাকায় জন্মলগ্ন থেকে বসবাস করছেন বলে ডিও লেটারে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। ছোটবেলা থেকে মিশন আচার্য পিতৃহীন হিসেবে বড় হয়েছেন। তবে তার গর্ভধারিণী মা তাকে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা শিখিয়েছেন। তিনি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ যথাযথভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু তার স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় চাকরির নিশ্চয়তা ছিল না।জানা গেছে, মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে আজ (রোববার) দুপুর ২টায় সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মো. রাশেদ খাঁন। শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে ফোন করে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।এসময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক বিষয়াদি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।এ সময় দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশিদের জন্য আবারও খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এই শ্রমবাজারে প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার বাংলাদেশিকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।তবে, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর আগে সেখানকার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রমিক দক্ষতা নিশ্চিত করা হবে। এরপর বাংলাদেশে এসে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বাছাই করবেন তারা।রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।মন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়া ১০ হাজার শ্রমিক নেবে। এই ১০ হাজার শ্রমিক থেকেই বিনামূল্যে শ্রমিক পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হবে। এরপর মালয়েশিয়া থেকে বিভিন্ন ধরনের চাহিদা আসার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানো হবে।শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে জানিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, শুধু শ্রমিক পাঠালেই হবে না, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে হবে। প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রমিক পাঠানো হলে তারা দেশটিতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা আগে নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সরকার চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রমিক প্রস্তুত করতে চায় জানিয়ে আরিফুল হক মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় যারা শ্রমিক নেবেন, তারা বাংলাদেশে এসে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বাছাই করবেন। এরপর নির্বাচিত শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে।এ প্রক্রিয়ায় বোয়েসেলের পাশাপাশি অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিকেও যুক্ত করা হবে। তবে, শ্রমিক পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলো চূড়ান্ত করতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়ার সব কার্যক্রম অবশ্য এখনো শুরু হয়নি। শ্রমমন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের মেডিকেল পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রক্রিয়াও এখনো অনুমোদন করা হয়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে শ্রমিকের চাহিদা এবং অন্যান্য বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে এর আগে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের অভিযোগ ও শ্রমিকদের হয়রানির বিষয়টি সামনে এসেছিল। এবার এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার সতর্ক রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে শ্রমিক পাঠানোর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন শ্রমমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি বছরেই এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার চালু করা হবে। এই সেন্টারের মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন দুই পদ্ধতিতে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মীর চাহিদার একটি ডাটাবেস তৈরি করা হবে। বিভিন্ন শিল্পে শ্রমিক ও কর্মচারীর চাহিদা নির্ধারণের পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ার এবং ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।এছাড়া চলতি মাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে বলেও জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র বানিয়ে চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের বাণিজ্যিক এলাকায় সরকারি জমির মালিকানা দেখিয়ে ভোগদখল ও ভাড়া পরিশোধ না করে প্রায় চব্বিশ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।রোববার (৪ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপরিচালক) আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।অন্য আসামিরা হলো– মেসার্স কনকর্ড ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. ফরিদ আহমেদ, আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মো. ফাহিম আহমেদ, ফাতেমা বেগম, হাসিনা মমতাজ, মো. ফয়েজ আহমেদ, রোকেয়া সুলতানা ও শাহীন সুলতানা।তিনি জানান, চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় ২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে তা ভোগদখল ও ভাড়া পরিশোধ না করে ২৩ কোটি ৬৮ লক্ষ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাৎ ও ভোগদখলে রাখার অপরাধে মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে দুদক।অভিযোগে, আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ, চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও বর্তমান বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুকসহ আটজনের বিরুদ্ধে একে অপরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক নিজে লাভবান হয়ে এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র বানিয়ে তা খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এ ঘটনায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪.৯৬ শতক সরকারি জমি ও ভাড়া পরিশোধ না করে তেইশ কোটি আটষট্টি লক্ষ উনচল্লিশ হাজার দুইশত আটষট্টি টাকা আত্মসাৎ ও ভোগদখলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ১টি মামলা রুজুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা নন, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্য বলে দাবি করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের জামায়াতের ১৪ জন সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামায়াতে ইসলামীর নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে। আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন। তিনি সহযোগী সদস্য বা প্রাথমিক সদস্য হয়েছেন।জামায়াতে সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রাথমিক সদস্য হওয়ার পর কর্মী, এরপর সদস্য এবং পরে নেতা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে হিসেবে আখতারুজ্জামান ‘সিম্পল’ সদস্য মাত্র।এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের কোনো নেতা কোনো বক্তব্য দিলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না। কিন্তু এমন কোনো বক্তব্য বা তথ্য সামনে এলে, যার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব, তখন তাকে জামায়াতের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়।তিনি বলেন, টকশোতে যারা কথা বলেন, তারাই আবার বলেন যে জামায়াতে গেলেই নেতা হওয়া যায় না। অথচ আখতারুজ্জামানকে জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, বিমানবন্দরে প্রতিবাদ করার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন প্রতিবাদ করা হয়েছিল বা তার কী অপরাধ ছিল, তা তদন্তের আগেই তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে। আইনের আশ্রয় নেয়ার নামে আইনকে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে দমনের পথ বেছে নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারের জন্য সুখকর হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।বিএনপির উদ্দেশে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, জেল-জুলুম দিয়ে বিরোধী দলকে দমন করা যাবে বলে যদি তারা মনে করে, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এর আগের রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।মামলাটির বাদী বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব। পরে আদালত শনিবার (৩ অক্টোবর) আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী ৭ অক্টোবর ঢাকায় সই হবে। এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন। রোববার (৪ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।জানা গেছে, চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত থাকবেন। রাজধানীর র্যাডিসন হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির আওতায় চারটি এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ এবং ছয়টি এ৩২১নিও উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে এ৩৫০-৯০০ দীর্ঘপাল্লার উড়োজাহাজ এবং এ৩২১নিও আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটে ব্যবহারের জন্য উপযোগী।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এর আগে বাংলাদেশ ১০টি এয়ারবাস কিনবে বলে জানিয়েছিলেন। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা ১০টি এয়ারবাস কিনছি। ইনশাআল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হবে।’মন্ত্রী জানিয়েছেন, এয়ারবাসগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ সালে শুরু হতে পারে এবং ২০৩৬ বা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে। তবে এয়ারবাস কেনার এই চুক্তির মোট বাণিজ্যিক মূল্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।চারটি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ বিমানের ভবিষ্যৎ দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। আর ছয়টি এ৩২১নিও দিয়ে আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের যাত্রী চাহিদা পূরণ করা হতে পারে। এতে যেখানে বড় উড়োজাহাজের প্রয়োজন নেই, সেখানে তুলনামূলক কম ধারণক্ষমতার উড়োজাহাজ ব্যবহার করা সম্ভব হবে।এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের এয়ারবাস উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। অতীতে বিমানের বহরে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ থাকলেও বর্তমানে সংস্থাটির জেট উড়োজাহাজের বেশির ভাগই বোয়িংয়ের তৈরি। ফলে এ৩৫০ ও এ৩২১নিও যুক্ত হলে বিমান বোয়িং ও এয়ারবাস দুই নির্মাতার উড়োজাহাজের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।এদিকে, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তিটি বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ। এর আগে বিমান আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজসহ মোট ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।পরে এই ক্রয় পরিকল্পনায় আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮। এতে বিমানের পরিকল্পিত বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় পরিকল্পনায় নতুন বোয়িং ও এয়ারবাস উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ৩৫টি। এর মধ্যে ১৯টি হবে ওয়াইড-বডি এবং ১৬টি ন্যারো-বডি উড়োজাহাজ।নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজগুলো হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি সক্ষমতার চাহিদা পূরণে উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার ব্যবস্থাও বিবেচনা করছে বিমান।এয়ারবাসের সঙ্গে ৭ অক্টোবরের চুক্তি সই হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হবে। একই সঙ্গে এত দিন বোয়িংনির্ভর ক্রয় পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে এয়ারবাসও।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে আসতে সম্মতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সমাবর্তনে আমন্ত্রণ জানান। পরে রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্য ২০২৭ সালের ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগদানের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন ও সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগদানে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেস্ট অব অনার হিসেবে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইতোমধ্যেই সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়; দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু। তিনি শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।
কমিটি গঠনের মাত্র আট দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. শাহিদ আলম। শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কারণ দেখিয়ে দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত না করার কথাও জানিয়েছেন।আজ রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিষয়টি জানান শাহিদ আলম।পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি এনসিপির গোপালগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কারণে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির অনুমোদনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে মো. শাহিদ আলমকে আহ্বায়ক এবং সোহেল সরদারকে সদস্য সচিব করা হয়।নবগঠিত কমিটিকে ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।কিন্তু কমিটি ঘোষণার মাত্র আট দিনের মাথায় উপজেলা শাখার আহ্বায়কের পদত্যাগের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই রাজনৈতিক দলের উপজেলা কমিটি গঠনের পরপরই শীর্ষ নেতৃত্বে এমন পরিবর্তন সাংগঠনিক কার্যক্রমে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।এদিকে, শাহিদ আলমের পদত্যাগের পর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে এবং শূন্য পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে—এ নিয়েও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।, টুঙ্গিপাড়ায় এনসিপির আহ্বায়ক নেইমোঃ শান্ত শেখ টুঙ্গিপাড়া উপজেলা।।কমিটি গঠনের মাত্র আট দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. শাহিদ আলম। শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কারণ দেখিয়ে দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত না করার কথাও জানিয়েছেন।আজ রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিষয়টি জানান শাহিদ আলম।পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি এনসিপির গোপালগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কারণে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির অনুমোদনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা শাখার ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে মো. শাহিদ আলমকে আহ্বায়ক এবং সোহেল সরদারকে সদস্য সচিব করা হয়।নবগঠিত কমিটিকে ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।কিন্তু কমিটি ঘোষণার মাত্র আট দিনের মাথায় উপজেলা শাখার আহ্বায়কের পদত্যাগের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই রাজনৈতিক দলের উপজেলা কমিটি গঠনের পরপরই শীর্ষ নেতৃত্বে এমন পরিবর্তন সাংগঠনিক কার্যক্রমে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।এদিকে, শাহিদ আলমের পদত্যাগের পর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে এবং শূন্য পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে—এ নিয়েও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
আফগান টেস্টের আগে বাংলাদেশের জন্য সুখবরবাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য একটা বড় স্বস্তির খবর এসেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন একমাত্র টেস্ট ম্যাচের আগে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দলের সঙ্গে যোগ দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন। জ্বরের কারণে এশিয়ান গেমস মিশন থেকে ছিটকে যাওয়া এই অভিজ্ঞ ব্যাটার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৬ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে রওনা দেবেন।আবুধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে এই টেস্ট। শুরুতে শান্ত দলের সঙ্গে যেতে না পারায় তার অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সতীর্থরা আগেভাগে আমিরাতে চলে গেলেও তিনি জাপানে আটকে পড়েছিলেন। জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই তার জ্বর শুরু হয়। চার দিন ধরে জ্বর না কমলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বিসিবির পক্ষ থেকে পরীক্ষা করানো হয়। তাতে সংক্রমণ ধরা পড়ে, তবে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও কোভিড-১৯ পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ আসে।বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, তিনি আশাবাদী যে শান্ত আফগানিস্তানের বিপক্ষে এই টেস্টে খেলতে পারবেন। বাশার বলেন, “এখনও তাকে বাদ দেওয়া হয়নি এবং তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এমন জ্বর হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। জাপানে সে হোটেলেই আটকে ছিল। বাইরে যেতে না পারায় হোটেলে খাবার খেতেও তার সমস্যা হচ্ছিল। তবে এখন সে ভালো বোধ করছে এবং সার্বিকভাবে ভালো অবস্থায় আছে।”বাশার আরও বলেন, “আমি আশাবাদী যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে সে খেলতে পারবে।”এই টেস্ট শেষে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান জিম্বাবুয়েসহ ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে। সেই সিরিজ চলবে ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান মানেই ভক্তদের হৃদয়ে বাড়তি উন্মাদনা। বয়স বাড়লেও তার রূপের দ্যুতি আর চিরসবুজ স্টাইল যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে আবারও ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন এই নন্দিত অভিনেত্রী।প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, স্নিগ্ধ গোলাপী রঙের পোশাকে দারুণ ফুরফুরে মেজাজে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন জয়া। একটি টেবিলের সামনে বসে থাকা অবস্থায় তার মুখে ভেসে উঠেছে এক মায়াবী ও মিষ্টি হাসি, যা তার রূপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।ছবির এই বিশেষ মুহূর্তটি নিয়ে অভিনেত্রী নিজেই দিয়েছেন এক দারুণ ব্যাখ্যা। ছবিগুলোর ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন- ‘আ স্মাইল আই ডিডন্ট প্ল্যান’ (এমন একটি হাসি, যার কোনো পরিকল্পনা আমার ছিল না)। অর্থাৎ, হঠাৎ করেই ঠোঁটের কোণে ভর করা এই অনাবিল হাসিটি ছিল সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত।জয়ার এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। মন্তব্য ঘরে অনুরাগীরা তার সৌন্দর্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। কেউ তাকে ‘মায়াবতী’ বলে সম্বোধন করেছেন, আবার কেউ তার এই ঝকঝকে হাসির পেছনের ইতিবাচক শক্তির প্রশংসা করেছেন। কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের এমন সুন্দর ও সাবলীল মুহূর্তগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এই অভিনেত্রী।
মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন। ‘দ্য স্টিং’ ও ‘জ্যানাডু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি ‘স্টার ট্রেক’ সিরিজের বিভিন্ন পর্বে কাজ করে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গত ২২ জুলাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি জেমস স্লোয়েনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। সপ্তাহের শেষে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।‘স্টার ট্রেক’ ভক্তদের কাছে জেমস স্লোয়েন পরিচিত ছিলেন ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’, ‘ডিপ স্পেস নাইন’ ও ‘ভয়েজার’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য। ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ তিনি একজন রোমুলান অ্যাডমিরালের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে ক্লিঙ্গন চরিত্র ওয়ার্কের ছেলের ভূমিকাতেও দেখা যায় তাকে। ‘ডিপ স্পেস নাইন’-এ বিজ্ঞানী ড. মোরা এবং ‘ভয়েজার’-এ হাকোনিয়ান বিজ্ঞানী মা’বোর জেটরেল চরিত্রে অভিনয় করেন।১৯৭৩ সালে জর্জ রয় হিল পরিচালিত অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য স্টিং’-এ মোটোলা চরিত্রে অভিনয় করেন স্লোয়েন। সিনেমাটিতে তিনি অপরাধী ডয়েল লনেগানের হয়ে জুয়া পরিচালনাকারী এক কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া অলিভিয়া নিউটন-জন অভিনীত মিউজিক্যাল ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘জ্যানাডু’তেও অভিনয় করেন তিনি।১৯৪১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ানাপোলিসে জন্মগ্রহণ করেন জেমস স্লোয়েন। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বাবা জেমস ছিলেন নির্মাণ প্রকৌশলী। বিদেশে ও নিউইয়র্কের অ্যালবানিতে কিছু সময় কাটানোর পর দ্য আমেরিকান একাডেমি অব ড্রামেটিক আর্টস থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন তিনি। পরে তিন বছর মার্কিন সেনাবাহিনীতেও দায়িত্ব পালন করেন।সেনাবাহিনীর চাকরি শেষে নিউইয়র্কে ফিরে জোসেফ প্যাপের নিউইয়র্ক শেক্সপিয়ার ফেস্টিভ্যালে অভিনয়ের পাশাপাশি ফাইটিং দৃশ্যের কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৯ সালে আর্থার কপিটের ‘ইন্ডিয়ান’ নাটকের মাধ্যমে ব্রডওয়েতে অভিষেক হয় তার। ১৯৭০ সালের ‘দ্য ট্রাভেলিং এক্সিকিউশনার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি।১৯৭৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান জেমস স্লোয়েন। এরপর ‘দ্য গ্যাং দ্যাট কুডন্ট শুট স্ট্রেইট’, ‘দ্য ডক্টরস’, ‘দ্য স্ট্রিটস অব সান ফ্রানসিসকো’, ‘কোজাক’ ও ‘ডেলভেকিও’-সহ বিভিন্ন সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেন। ১৯৭৭ সালে এবিসির নাটক ‘ওয়েস্টসাইড মেডিকেল’-এ নিয়মিত চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন স্লোয়েন। ১৯৮৯ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর টয়োটার বিলাসবহুল ব্র্যান্ড লেক্সাসের বিজ্ঞাপনে ভয়েসওভার শিল্পী হিসেবে কাজ করেন তিনি।জেমস স্লোয়েন মৃত্যুকালে স্ত্রী অভিনেত্রী ডিআরড্রে লেনিগান, ছেলে সংগীতশিল্পী ড্যানিয়েল এবং মেয়ে অভিনেত্রী সামান্থা স্লোয়েনকে রেখে গেছেন। তার ভাই লেখক ও পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক প্যাট্রিক স্লোয়েন ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা যান।
দুই বছর মঞ্চে ফিরছে নাট্যদল ম্যাড থেটারের ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। তাও আবার পরপর দুই দিন দুটি প্রদর্শনী নিয়ে। শুক্র ও শনিবার (২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে হবে প্রদর্শনী।২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে এনএসডি আয়োজিত ‘ভারত রঙ মহোৎসব’-এ প্রদর্শিত হয়েছিল নাটকটি। এরপর আর মঞ্চে ওঠেনি ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। একক চরিত্রের নাটকটিতে অভিনয় করেন আর্য মেঘদূত। বর্তমানে তিনি স্কলারশিপে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে অধ্যয়নরত। ২০২৪ সালে তিনি দেশ ছাড়ার পর নাটকটির মঞ্চায়ন স্থগিত হয়ে যায়।সম্প্রতি দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ছুটিতে দেশে এসেছেন। সেই সুবাদেই নাটকের দুটি প্রদর্শনীতে অভিনয় করবেন।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। তখন মেঘদূত মাত্র দশম শ্রেণির ছাত্রী। কনিষ্ঠ একক অভিনেত্রী হিসেবে চমকে দেন সবাইকে। এ পর্যন্ত নাটকটির ৮টি প্রদর্শনী হয়েছে।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকের গল্পের শুরুটা এরকম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। হিটলারের বাহিনী একদিন দখল করে নেয় হল্যান্ড। ফ্রাঙ্ক পরিবার হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে আত্মগোপন করে। ১৯৪২ সালের ৬ জুলাই তারা আশ্রয় নেয় সিক্রেট অ্যানেক্সে। ফ্রাঙ্ক পরিবারের ছোট মেয়ে অ্যানা ফ্রাঙ্ক। সিক্রেট অ্যানেক্সে ফ্রাঙ্ক পরিবারের সাথে যোগ দেয় অ্যানা ফ্রাঙ্কের বাবার বন্ধুর পরিবার ও একজন ডাক্তার। সব মিলেয়ে সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় আটজন। সিক্রেট অ্যানেক্স! ছোট্ট, স্যাঁতস্যাঁতে একটা জায়গা। এসবের মধ্যে এতগুলো মানুষ। তবু অ্যানা নিঃসঙ্গ, তার মনের কথা বলার মতো সে কাউকে পায় না। তার সব কথা সে লিখে রাখে ডায়েরিতে, ডায়েরিটাই হয়ে ওঠে তার কাছে প্রিয় বন্ধু।
সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতার কলম, তারপর ক্যামেরার সামনে অভিনয়—হাসান মাসুদের পেশাজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন তিনি। পরে অভিনয়ে এসে ছোট পর্দায় পরিচিতি পান। এবার তার কর্মজীবনে যুক্ত হলো কর্পোরেট দুনিয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি ও পরিচালনাতেও নিজেকে মেলে ধরেছেন। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। এবার সেই পথচলায় যুক্ত হলো নতুন পরিচয় কর্পোরেট পেশাজীবী হাসান মাসুদ।যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান জেইন গ্লোবাল -এ হেড অব স্টুডেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ব্র্যান্ড হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই অভিনেতা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন টেলিভিশন আয়োজনে নিয়মিত দেখা যেত হাসান মাসুদকে। অভিনয়ের নিজস্ব ধরন ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ব্যস্ততা। নাটক কিংবা সিনেমায় এখন আর নিয়মিত দেখা যায় না তাকে। বেছে বেছে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও অভিনয়কে আগের মতো পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেননি।অভিনয় থেকে দূরে থাকার সেই সময়েই পেশাগত জীবনে নতুন পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।জেইন গ্লোবালে নতুন দায়িত্বে হাসান মাসুদের কাজের পরিধি হবে শিক্ষার্থীসেবা, ব্র্যান্ডিং ও যোগাযোগ কার্যক্রম ঘিরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।জেইন গ্লোবালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসান মাসুদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে চায় তারা।হাসান মাসুদের ক্যারিয়ার বরাবরই ছিল গতানুগতিকতার বাইরে। সেনাবাহিনীর চাকরি দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতা। তারপর অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।অভিনয়ের ব্যস্ত দিনগুলো থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাওয়া হাসান মাসুদের সামনে এখন নতুন ধরনের দায়িত্ব। ক্যামেরার সামনে চরিত্র হয়ে ওঠার বদলে এবার তাকে কাজ করতে হবে ব্র্যান্ড, শিক্ষার্থী ও যোগাযোগ নিয়ে।পেশাজীবনে একাধিকবার পথ বদলেছেন হাসান মাসুদ। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়েছেন তিনি। এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নতুন এই অধ্যায়ে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগে, সেটিই দেখার বিষয়।
ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরাধীন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চট্টগ্রামের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মহান আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষ্যে মঞ্চনাটক 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের অঙ্কিত প্রতিকৃতি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ঢাকা পদাতিক।ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবন-এর সহযোগিতায় আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হবে।রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় নাট্যদল ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'। এবার ঐতিহাসিক এই নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিয়োগান্তক বিষয়বস্তুকে উপজীব্য করে নাটকটি মঞ্চে আনে ঢাকা পদাতিক।স্থানীয় ট্যুর খুঁজুননাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নাটকটির নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি।নাটকটি মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম। এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, "ট্রায়াল অব সূর্যসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মাসুম আজিজ ভাই। তাঁর প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।"প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অপর্ণা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, আক্তার হোসেন, রবিউল ইসলাম মিলটন, শাহনাজ পারভীন জয়া, তারেক আলী মিলন, কাজী সম্রাট, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, নূর, খাজা ফরিদউল্লাহ, জাহিদ প্রমুখ। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।এবারের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনীর শুরুতে সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবন-এর শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন।মিলনায়তনের প্রবেশপথেই প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুবিবদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট যুদ্ধের ছবি। এছাড়া সেইসব যুদ্ধে শহীদ চট্টগ্রামের অমর বিপ্লবীদের ছবি এবং ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও এতে প্রদর্শিত হবে। অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরপরই শুরু হবে ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর মঞ্চায়ন। বিশেষ এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত।
আবারও বাবা হলেন বলিউড তারকা অভিনয়শিল্পী রণবীর সিং আর মা হলেন তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) তাদের ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ের জন্মের সুখবর জানিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।দীপিকা ও রণবীর যৌথভাবে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায় নবজাতকের পায়ের ছাপ। ছবির সঙ্গে লেখা রয়েছে, ‘ওয়েলকাম বেবি গার্ল! ১৯/৯/২০২৬। দোয়া, দীপিকা অ্যান্ড রণবীর।’এর মধ্য দিয়ে তাদের দুই বছরের মেয়ে দোয়া পেল ছোট বোন। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের আগে বেশ কিছুদিন ধরেই দীপিকা ও রণবীরের পরিবারে নতুন অতিথি আসার খবর নিয়ে আলোচনা চলছিল।চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয়বার বাবা-মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন দীপিকা ও রণবীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দোয়ার হাতে একটি ইতিবাচক গর্ভধারণ পরীক্ষার কিট। তখনই জানানো হয়েছিল, সেপ্টেম্বরেই আসছে তাদের দ্বিতীয় সন্তান। সন্তান জন্মের কয়েক দিন আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ২০২৪ সালে প্রথম সন্তান দোয়ার জন্মের আগেও একই মন্দিরে গিয়েছিলেন তারা। সেবার ৬ সেপ্টেম্বর মন্দিরে যাওয়ার দুই দিন পর, ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয়েছিল দোয়ার।এবারও সেই ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া গেল। তবে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের খবরটি এবার আর কোনো জল্পনা নয়; দীপিকা ও রণবীর নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছেন।২০১৮ সালে বিয়ে করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান দোয়ার জন্ম হয়। এবার পরিবারে যুক্ত হলো আরও এক কন্যাসন্তান।দীপিকা পাড়ুকোন
এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর ৮৪তম জন্মবার্ষিকী, তার দীর্ঘদিনের অবদান ও দূরদর্শী চিন্তাকে স্মরণ করে দেশজুড়ে ৫০০টিরও বেশি স্টোরে ফাউন্ডার্স ডে উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে এপেক্সের সকল পণ্যে থাকছে ২৬ শতাংশ ছাড়।এই বিশেষ ছাড় উপভোগ করা যাবে এপেক্সের সবকটি রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটাতেও। ফলে জুতা, স্যান্ডেল, লেদার ব্যাগ, বেল্ট, অ্যাকসেসরিজ ও অ্যাপারেলসহ পরিবারের সব বয়সী সদস্যের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পাশাপাশি, বিশেষভাবে নারীদের জন্য বৈচিত্র্যময় কালেকশন থেকে ক্রেতারা পছন্দমত পণ্যটি বিশেষ ছাড়ে কিনতে পারবেন।নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন কালেকশন ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহের পাশাপাশি ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ ছাড়কে কেন্দ্র করে স্টোরগুলোতে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর কেনাকাটার পরিবেশ। গত কয়েক বছরের ফাউন্ডার্স ডে উদযাপনের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজনেও উৎসব, বিশেষ দিন, কিংবা বিভিন্ন মৌসুমকে মাথায় রেখে বাজারে নিয়ে আসা এপেক্স পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার দারুণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারছে ক্রেতারা। এপেক্সের সঙ্গে এ দেশের মানুষের দীর্ঘ পথচলাকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ২৬ সেপ্টেম্বর এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করে থাকে। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী গুণগত মান ও গ্রাহকের আস্থা ভিত্তির ওপর এপেক্সেকে গড়ে তুলেছিলেন। তার সেই স্বপ্নকে স্মরণ করে এবং বিশেষ এই কেনাকাটার অভিজ্ঞতার অংশ হতে এপেক্সের নিকটস্থ আউটলেটে আসার জন্য ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এপেক্স।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত মোট ১৬ দিন দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।সংগঠনটির দাবি— ঈদ ও পূজায় পণ্য কেনাবেচার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই দোকান খোলা রাখার সময়সীমা রাত ৮টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত করা হোক।রোববার (৪ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।এতে বলা হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দোকানসমূহে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। সংগত কারণে ব্যবসায়ীদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। আরও বলা হয়, ঈদ ও পূজায় বেচাকেনা একটু ভাল হয়। তাই দোকান পাট খোলা রাখার সময় বৃদ্ধি করা হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতোমধ্যেই জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে।এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ০৫/১০/২০২৬ তারিখ হতে ২০/১০/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপনী বিতান ও দোকানসমূহ খোলা রাখার আহ্বান জানানো হয় স্মারকলিপিতে।
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযান চলছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশজুড়ে ১০ হাজার ৩৭৪টি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৩৭ হাজার ৩১৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে (পিএটিআই) আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। একই সময়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০৩ জনকে যাচাই করা হয়েছে। তবে এসব অভিযানে কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।শুধু অবৈধ অভিবাসীদের আটকের মধ্যেই অভিযান সীমাবদ্ধ রাখেনি মালয়েশিয়া। তাদের নিয়োগ, আশ্রয় ও অবৈধভাবে অবস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ১ হাজার ৮০৯ জন নিয়োগকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৯২ জনই মালয়েশিয়ার নাগরিক।শুক্রবার (২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু অবৈধ অভিবাসীদের টার্গেট করা হচ্ছে না। যারা তাদের নিয়োগ দেয়, আশ্রয় দেয় কিংবা অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের সুযোগ করে দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ ও আশ্রয়দাতা নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৩ সালে ৩৪৬ জন নিয়োগকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও ২০২৪ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৫৯ জনে। ২০২৫ সালে গ্রেপ্তার করা হয় ২ হাজার ২০২ জনকে। আর চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ হাজার ৮০৯ জন।সাইফুদ্দিন বলেন, অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান শুধু বিদেশিদের আটক করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। যারা তাদের নিয়োগ, আশ্রয় ও অবৈধ অবস্থানকে উৎসাহিত করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।তার ভাষ্য, মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীর উপস্থিতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। অতীতের প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অনিয়মকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন চক্র এবং দায়িত্বহীন নিয়োগকর্তারা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অভিবাসন বিভাগ সারা দেশে প্রতিদিন আইন প্রয়োগকারী অভিযান চালিয়ে যাবে। এসব অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা কিংবা সাময়িক জনমতের চাপের ওপর নির্ভর করবে না।সাইফুদ্দিন স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটি মৌসুমি অভিযান নয়।’ কোনো ঘটনা জনসমক্ষে আলোচনায় এলেই শুধু অভিযান পরিচালনা করা হবে—এমন নয়। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় অবৈধ অভিবাসনকে ঘিরে অপব্যবহারের পুরো চক্র ভেঙে দিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।তিনি বিদেশি নাগরিকদের বৈধ পথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ এবং দেশটির অভিবাসন আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। অবৈধভাবে প্রবেশ, জাল কাগজপত্র ব্যবহার কিংবা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।একই সঙ্গে আর্থিক লাভের আশায় অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ কিংবা আশ্রয় না দিতে নিয়োগকর্তাদের সতর্ক করেছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
গ্রাহকদের কাছে আরও সুবিধাজনক ও উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কুমিল্লায় একটি নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান সম্প্রতি কুমিল্লা শহরের ঝাউতলায় নতুন হাইব্রিড সেন্টারটি উদ্বোধন করেন। এ সময় গ্রামীণফোনের হেড অব কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, হেড অব সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ খান, চট্টগ্রাম সার্কেল বিজনেস হেড ইমন কল্যাণ দত্ত এবং কুমিল্লা গ্রামীণফোন সেন্টারের পার্টনার সাইফুল মাহমুদ সুমন উপস্থিত ছিলেন।গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই নতুন সেন্টারটি চালু করেছে গ্রামীণফোন। কুমিল্লার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরতে সেন্টারের ভেতরের নকশায় টেরাকোটা দেয়াল ব্যবহার করা হয়েছে, যা কুমিল্লার ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানগুলোর আদলে তৈরি। ফলে সেবা গ্রহণের সময় স্থানীয় সংস্কৃতির আবহ খুঁজে পাবেন গ্রাহকরা। প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ সেবা প্রদানকারীদের দিয়ে পরিচালিত এই সেন্টারটি গ্রাহকদের নানা রকম চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমাধান প্রদান করবে।নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারে আসা গ্রাহকরা একই ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের সব ধরণের টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন, ডিভাইস এবং আধুনিক পণ্যগুলো পেয়ে যাবেন। প্রয়োজনীয় সেবা ও সল্যুশনলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে সেন্টারটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন গ্রাহকদের কাছে সবকিছু সহজলভ্য হয়।গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা আমাদের সেবাগুলোকে আরও সহজলভ্য, সুবিধাজনক এবং গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে আমাদের '১ বাংলাদেশ ১ ইন্টারনেট'র আওতায় দেশজুড়ে গ্রাহকদের ডিজিটাল জীবনকে আরো উপভোগ্য করার দিকে মনোযোগ দিয়েছি আমরা; পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টিতেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। কুমিল্লায় নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন- গ্রাহকদের জন্য একই ছাদের নিচে আমাদের সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন ও কাস্টমার সাপোর্ট নিয়ে এসেছি আমরা। আমাদের প্রত্যাশা এই সেন্টারটি একটি আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠবে যেখানে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সল্যুশন সহজেই পাবেন গ্রাহকরা। একটি নিরাপদ ও আরো স্মার্ট ভবিষ্যত গড়ে তোলায় অবদান রাখতে সংযোগ ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যাবে গ্রামীণফোন।”নতুন এই সেন্টারটি কুমিল্লায় গ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিস নেটওয়ার্ককে আরও সংহত করেছে। কোম্পানির নিত্যনতুন সংযোগ এবং ডিজিটাল সেবাসমূহের সাথে সহজে গ্রাহকদের পরিচয় করিয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে সেন্টারটি।
দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।