ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস

জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস

জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে সাধারণ পরিষদে শেষবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন আন্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে দেওয়া এই ভাষণে তিনি বিশ্বনেতাদের চলমান যুদ্ধ বন্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জাতিসংঘের সংস্কারের আহ্বান জানান।পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গুতেরেস তার ভাষণে দ্রুত ক্রমবর্ধমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।তিনি বলেন, ‘এআই মানবসভ্যতার উন্নয়নে বড় সম্ভাবনা তৈরি করলেও এর ঝুঁকি বোঝার সক্ষমতার চেয়ে প্রযুক্তির বিকাশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এআই ব্যবহারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রয়োজন’।জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘যেসব দেশ এআই প্রযুক্তির বিকাশে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের উদ্ভূত নিরাপত্তাঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য ভাগাভাগি করতে হবে এবং প্রযুক্তির পরীক্ষা ও মূল্যায়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে’। একই সঙ্গে তিনি সব দেশের জন্য অভিন্ন নিরাপত্তাব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কোনো দেশের স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বহুপক্ষীয় একটি এআই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং বিশ্বাসযোগ্য ও স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা।গুতেরেস জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ অচলাবস্থার কথাও তুলে ধরেন, কারণ নিউইয়র্কে প্রায় ১৩০ জন বিশ্বনেতা সমবেত হলেও এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং জার্মানির নেতারা এই কূটনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে গেছেন।মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রসঙ্গ টেনে গুতেরেস বলেন, লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে হুথিদের অগ্রগতির ফলে নৌ-পরিবহন রুট হুমকিতে পড়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তিনি উত্তেজনা হ্রাস ও আলোচনার ওপর জোর দেন।তিনি বলেন,‘ আসুন, এই ঐতিহাসিক হল থেকে আমরা সবাই একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠাই, যুদ্ধ এখনই থামাতে হবে। মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ সুগম করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে নৌচলাচলের স্বাধীন অধিকার পুরোপুরি ফিরিয়ে দিতে হবে’।এছাড়াও গাজা যুদ্ধের ক্ষেত্রে মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের জন্য দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। পশ্চিম তীরে সংযুক্তিকরণমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করারও আহ্বান জানান তিনি।রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ‘জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইন ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ন্যায়সংগত ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির দিকে এগোনো প্রয়োজন’। তার মতে, বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাত শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জনগণের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ছে।জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় দায়বদ্ধতার ওপর জোর দিয়ে গুতেরেস বলেন, দূষণকারীদের এর জন্য মূল্য দিতে হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বৈষম্য বৃদ্ধিকে তিনি বিশ্বের বড় সংকটগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেন। এদিকে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ও কাঠামো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস আরও বলেন, সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাগুলো ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকাংশে অতীতের ক্ষমতার ভারসাম্যকে প্রতিফলিত করে। তাই পরিবর্তিত বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার প্রয়োজন।গত ১০ বছর ধরে পাশে থাকা বিশ্বনেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আগামী ১ জানুয়ারি যখন আমি আর মহাসচিব থাকব না, তখন এই বিষয়ে নিশ্চিত থাকুন; আমি যেখানেই থাকি না কেন, যাই করি না কেন; শান্তি যে সম্ভব, সেই বিশ্বাসের পক্ষে আমি আজীবন লড়ে যাব’।উল্লেখ্য, জাতিসংঘের বিদায়ী মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের ৯ম মহাসচিব হিসেবে প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তার সফল নেতৃত্বের কারণে ২০২২ সালে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্নিয়োগ পান, যা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে।সূত্র: রয়টার্স, এপি

ডেঙ্গুর থাবায় ঝরল আরও ৫ প্রাণ, শনাক্তে নতুন রেকর্ড

ডেঙ্গুর থাবায় ঝরল আরও ৫ প্রাণ, শনাক্তে নতুন রেকর্ড

ভয়ানক হয়ে ওঠা ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে রোগটি নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৭২ জন, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ আক্রান্তের নতুন রেকর্ড।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৯৫ জনে। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গু বিষয়ক বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।চলতি বছরে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছিল গত ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন ১ হাজার ৭৫৩ জন ডেঙ্গু নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল। এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুতে প্রাণ হারান ছয়জন। এদিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬৫৫ জন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ প্রাতরাশের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসা বিশ্বনেতা ও তাদের সঙ্গীদের সম্মানে জাতিসংঘ মহাসচিব এই প্রাতরাশের আয়োজন করেন।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন গত ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। তবে অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়েছে আজ ২২ সেপ্টেম্বর।

  • বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • এবার বাড়ানো হলো বাস ভাড়া

    এবার বাড়ানো হলো বাস ভাড়া

  • হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনারের নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারত

    দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনারের নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারত

  • তেলের দাম বাড়ানোয় কোনো শর্ত নেই  আইএমএফের: জাহেদ উর রহমান

    তেলের দাম বাড়ানোয় কোনো শর্ত নেই আইএমএফের: জাহেদ উর রহমান

  • নিয়ম না মানলে অনুমোদিত ক্লিনিকও বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    নিয়ম না মানলে অনুমোদিত ক্লিনিকও বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির

সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির

সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকায় সৌদি আরবের দূতাবাস আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে আমির আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর হাতে তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।চিঠিতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে সৌদি বাদশাহ, রাজপরিবার, সরকার এবং সৌদি জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়।এতে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সৌদি আরবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়টি তুলে ধরে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীর সেবা ও ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মুসলমানদের হজ ও ওমরাহ পালনে সৌদি আরবের সহযোগিতা ও সেবার বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরা হয়।চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে গভীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।এ সময় বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার

চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে। তিনি আরও বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎকার শেষে তিনি এসব কথা বলেন।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকারের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি এদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে আমাদের দেশকে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বর্তমানে এদেশে আরও মাঝারি ও ছোট প্রকল্পের বিনিয়োগ বিদ্যমান রয়েছে।ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ভিত্তিক একটি কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে আগ্রহী। আইসিটিসহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।সাক্ষাতকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে মত বিনিময় করেন।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’কে সমর্থন করে ও ভবিষ্যতেও এ সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান এবং ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থন দিতে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।বৈঠকে চীনের দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার ৩১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ আহমেদ। জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।ডিআইজি পর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে পুলিশের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। ওই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে এপিবিএন (পার্বত্য জেলাসমূহ) কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার হিসেবে ওএসডি থাকা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে রাজশাহী রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।এসপি পর্যায়ে র‍্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মো. বদরুদ্দোজাকে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে।পুলিশ অধিদপ্তরের এআইজি মুহা. জালাল উদ্দিন ফাহিমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে।র‍্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেনকে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার করা হয়েছে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদকে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়কে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পুলিশ অধিদপ্তরের এআইজি আলী হায়দার চৌধুরীকে মেহেরপুরের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া পুলিশ সুপার মো. নূরুল আমীন আকন্দকে পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) করা হয়েছে।

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ডলার

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ডলার

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ২৫ হাজার ৩৭৪ কোটি ৯০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, গতকাল সোমবার প্রবাসী আয় এসেছে ৮৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাসের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে এক দশমিক ৬০ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৭৮৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৯৩ কোটি ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত

দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামীকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে তিনধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার কথা থাকলেও আপাতত স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইসির জনসংযোগ শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ইসির সূত্র জানান, আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর), বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর), শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তিনধাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপ শুরু হওয়ার কথা ছিলো তা আপাতত হচ্ছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলো সঙ্গে সংলাপ আয়োজন করা হবে। আরও পড়ুন: ডিজেল বিক্রিতে এখনও লোকসান হচ্ছে ৭০ টাকা: রিজভীএ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো.আব্দুল মমিন সরকার ঢাকা মেইলকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সমানে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর যে সংলাপ আয়োজন করার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো যা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ পেলে আমরা আবার ব্যবস্থা নেব।জানা যায়, চলতি নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা ছিলো ইসির। তবে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে শেষে বিভিন্ন পরীক্ষা ও ধর্মীয় উৎসব থাকায় তা থেকে সরে এসে নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করে জানুয়ারিতে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২২ কর্মকর্তাকে বদলি

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২২ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২২ কর্মকর্তাকে বদলি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি) মোহাম্মদ এনামুল হককে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি করা হয়েছে।খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের ডিআইজি পরিতোষ ঘোষকে এপিবিএনের (পার্বত্য জেলাসমূহ) কার্যালয়ের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।ঢাকার হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে ঢাকার টিডিএসের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। ঢাকার এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার পদায়ন ও বদলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

গুলশান থেকে সাবেক এমপি মিতা গ্রেপ্তার

গুলশান থেকে সাবেক এমপি মিতা গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশান থেকে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত দেড়টার দিকে গুলশান-২ এর ৪৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের গুলশান বিভাগের সদস্যরা।ডিএমপির ডিবি গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আ.ফ.ম আনোয়ার হোসেন খাঁন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে গুলশান-২ এর ৪৩ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।ডিসি জানান, তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রেপ্তার মিতা চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানায় একাধিক মামলার এজাহারনামীয় আসামি।

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতার কলম, তারপর ক্যামেরার সামনে অভিনয়—হাসান মাসুদের পেশাজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন তিনি। পরে অভিনয়ে এসে ছোট পর্দায় পরিচিতি পান। এবার তার কর্মজীবনে যুক্ত হলো কর্পোরেট দুনিয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি ও পরিচালনাতেও নিজেকে মেলে ধরেছেন। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। এবার সেই পথচলায় যুক্ত হলো নতুন পরিচয় কর্পোরেট পেশাজীবী হাসান মাসুদ।যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান জেইন গ্লোবাল -এ হেড অব স্টুডেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ব্র্যান্ড হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই অভিনেতা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন টেলিভিশন আয়োজনে নিয়মিত দেখা যেত হাসান মাসুদকে। অভিনয়ের নিজস্ব ধরন ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ব্যস্ততা। নাটক কিংবা সিনেমায় এখন আর নিয়মিত দেখা যায় না তাকে। বেছে বেছে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও অভিনয়কে আগের মতো পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেননি।অভিনয় থেকে দূরে থাকার সেই সময়েই পেশাগত জীবনে নতুন পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।জেইন গ্লোবালে নতুন দায়িত্বে হাসান মাসুদের কাজের পরিধি হবে শিক্ষার্থীসেবা, ব্র্যান্ডিং ও যোগাযোগ কার্যক্রম ঘিরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।জেইন গ্লোবালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসান মাসুদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে চায় তারা।হাসান মাসুদের ক্যারিয়ার বরাবরই ছিল গতানুগতিকতার বাইরে। সেনাবাহিনীর চাকরি দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতা। তারপর অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।অভিনয়ের ব্যস্ত দিনগুলো থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাওয়া হাসান মাসুদের সামনে এখন নতুন ধরনের দায়িত্ব। ক্যামেরার সামনে চরিত্র হয়ে ওঠার বদলে এবার তাকে কাজ করতে হবে ব্র্যান্ড, শিক্ষার্থী ও যোগাযোগ নিয়ে।পেশাজীবনে একাধিকবার পথ বদলেছেন হাসান মাসুদ। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়েছেন তিনি। এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নতুন এই অধ্যায়ে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগে, সেটিই দেখার বিষয়।

চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার

চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বতোভাবে সহায়তা করে আসছে। তিনি আরও বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। স্পিকারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎকার শেষে তিনি এসব কথা বলেন।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকারের ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি এদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে আমাদের দেশকে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের মেগাপ্রকল্পের পাশাপাশি বর্তমানে এদেশে আরও মাঝারি ও ছোট প্রকল্পের বিনিয়োগ বিদ্যমান রয়েছে।ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদন ভিত্তিক একটি কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে আগ্রহী। আইসিটিসহ বিভিন্ন ধরনের লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।সাক্ষাতকালে তারা উভয়েই দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর স্থাপন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে মত বিনিময় করেন।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’কে সমর্থন করে ও ভবিষ্যতেও এ সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি ভোলাসহ বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান এবং ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীকে সমর্থন দিতে চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।বৈঠকে চীনের দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত

দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২২ কর্মকর্তাকে বদলি

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২২ কর্মকর্তাকে বদলি

নিয়ম না মানলে অনুমোদিত ক্লিনিকও বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিয়ম না মানলে অনুমোদিত ক্লিনিকও বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবার বাড়ানো হলো বাস ভাড়া

এবার বাড়ানো হলো বাস ভাড়া

জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস

জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৬

ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৬

রাশিয়ার নির্বাচনে পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টির ভূমিধস বিজয়

রাশিয়ার নির্বাচনে পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টির ভূমিধস বিজয়

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বকালের সর্বনিম্নে

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বকালের সর্বনিম্নে

আফগানিস্তানে রাতভর পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ৩

আফগানিস্তানে রাতভর পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ৩

সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির

সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির

সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকায় সৌদি আরবের দূতাবাস আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে আমির আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর হাতে তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান।চিঠিতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে সৌদি বাদশাহ, রাজপরিবার, সরকার এবং সৌদি জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়।এতে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সৌদি আরবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বিষয়টি তুলে ধরে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীর সেবা ও ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মুসলমানদের হজ ও ওমরাহ পালনে সৌদি আরবের সহযোগিতা ও সেবার বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরা হয়।চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে গভীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।এ সময় বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

রিজভীর নেতৃত্বে রাজধানীতে পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মিছিল

রিজভীর নেতৃত্বে রাজধানীতে পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মিছিল

নুরুল ইসলাম নয়নের সাথে কানাডা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এ.কে আজাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নুরুল ইসলাম নয়নের সাথে কানাডা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এ.কে আজাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির নামে সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন: লেবার পার্টির চেয়ারম্যান

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির নামে সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন: লেবার পার্টির চেয়ারম্যান

অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম অনেক কম: রিজভী

অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম অনেক কম: রিজভী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

টেকনাফে নাফ নদীর তীরবর্তী বাঁধ ও পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী

টেকনাফে নাফ নদীর তীরবর্তী বাঁধ ও পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী

আখাউড়ায় ১ হাজার ৫৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

আখাউড়ায় ১ হাজার ৫৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

টেকনাফে নৌকা ডুবে নারী ও শিশুসহ নিহত ২, নিখোঁজ ১, উদ্ধার ১৬

টেকনাফে নৌকা ডুবে নারী ও শিশুসহ নিহত ২, নিখোঁজ ১, উদ্ধার ১৬

কক্সবাজার টেকনাফে সাগরপথে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় একটি নৌকা ডুবে এক নারী ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৮ বাংলাদেশি ও ৮ রোহিঙ্গাসহ ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। এখনো এক নারী নিখোঁজ রয়েছেন।মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নৌকাঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে সাগরপথে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় নৌকাটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। এ সময় ৮ বাংলাদেশি ও ৮ রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।ওসি জানান, উদ্ধার অভিযানে এক নারী ও এক শিশুর মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পুলিশের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাঁরা প্রায় এক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন। পরে তারা সাগরপথে বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন।নৌকাটি কী কারণে ডুবে গেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহত নারী ও শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।এ ঘটনায় মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

পীরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের চেষ্টা, ২ কসাইয়ের কারাদণ্ড

পীরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের চেষ্টা, ২ কসাইয়ের কারাদণ্ড

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বগুড়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বগুড়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

মতলবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক

মতলবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক

কোনাবাড়িতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

কোনাবাড়িতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

প্রচলিত ও অপ্রচলিত বিভিন্ন খেলায় মেয়েদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। এর আওতায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই সংগঠনের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সহসভাপতি মৌসুম আলী নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে দুই সংগঠনের অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এর মেয়াদ হবে তিন বছর। তৃণমূল ও রাজধানী থেকে আগ্রহী মেয়েদের বিভিন্ন মেয়াদে রাগবি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করবে রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়ন। ফেডারেশন থেকে প্রশিক্ষক, খেলার উপকরণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে জাতীয় পর্যায়ে এবং ফেডারেশনের হয়ে খেলার জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, সারা বিশ্বে রাগবি একটি জনপ্রিয় খেলা। বাংলাদেশেও খেলাটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী নারীদের খেলাধুলায় গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে মেয়েদের জনপ্রিয় ও অপ্রচলিত বিভিন্ন খেলা শেখার সুযোগ তৈরিতে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতার কলম, তারপর ক্যামেরার সামনে অভিনয়—হাসান মাসুদের পেশাজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন তিনি। পরে অভিনয়ে এসে ছোট পর্দায় পরিচিতি পান। এবার তার কর্মজীবনে যুক্ত হলো কর্পোরেট দুনিয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি ও পরিচালনাতেও নিজেকে মেলে ধরেছেন। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। এবার সেই পথচলায় যুক্ত হলো নতুন পরিচয় কর্পোরেট পেশাজীবী হাসান মাসুদ।যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান জেইন গ্লোবাল -এ হেড অব স্টুডেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ব্র্যান্ড হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই অভিনেতা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন টেলিভিশন আয়োজনে নিয়মিত দেখা যেত হাসান মাসুদকে। অভিনয়ের নিজস্ব ধরন ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ব্যস্ততা। নাটক কিংবা সিনেমায় এখন আর নিয়মিত দেখা যায় না তাকে। বেছে বেছে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও অভিনয়কে আগের মতো পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেননি।অভিনয় থেকে দূরে থাকার সেই সময়েই পেশাগত জীবনে নতুন পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।জেইন গ্লোবালে নতুন দায়িত্বে হাসান মাসুদের কাজের পরিধি হবে শিক্ষার্থীসেবা, ব্র্যান্ডিং ও যোগাযোগ কার্যক্রম ঘিরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।জেইন গ্লোবালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসান মাসুদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে চায় তারা।হাসান মাসুদের ক্যারিয়ার বরাবরই ছিল গতানুগতিকতার বাইরে। সেনাবাহিনীর চাকরি দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতা। তারপর অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।অভিনয়ের ব্যস্ত দিনগুলো থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাওয়া হাসান মাসুদের সামনে এখন নতুন ধরনের দায়িত্ব। ক্যামেরার সামনে চরিত্র হয়ে ওঠার বদলে এবার তাকে কাজ করতে হবে ব্র্যান্ড, শিক্ষার্থী ও যোগাযোগ নিয়ে।পেশাজীবনে একাধিকবার পথ বদলেছেন হাসান মাসুদ। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়েছেন তিনি। এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নতুন এই অধ্যায়ে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগে, সেটিই দেখার বিষয়।

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরাধীন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চট্টগ্রামের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মহান আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষ্যে মঞ্চনাটক 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের অঙ্কিত প্রতিকৃতি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ঢাকা পদাতিক।ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবন-এর সহযোগিতায় আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হবে।রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় নাট্যদল ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'। এবার ঐতিহাসিক এই নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিয়োগান্তক বিষয়বস্তুকে উপজীব্য করে নাটকটি মঞ্চে আনে ঢাকা পদাতিক।স্থানীয় ট্যুর খুঁজুননাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নাটকটির নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি।নাটকটি মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম। এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, "ট্রায়াল অব সূর্যসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মাসুম আজিজ ভাই। তাঁর প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।"প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অপর্ণা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, আক্তার হোসেন, রবিউল ইসলাম মিলটন, শাহনাজ পারভীন জয়া, তারেক আলী মিলন, কাজী সম্রাট, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, নূর, খাজা ফরিদউল্লাহ, জাহিদ প্রমুখ। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।এবারের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনীর শুরুতে সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবন-এর শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন।মিলনায়তনের প্রবেশপথেই প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুবিবদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট যুদ্ধের ছবি। এছাড়া সেইসব যুদ্ধে শহীদ চট্টগ্রামের অমর বিপ্লবীদের ছবি এবং ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও এতে প্রদর্শিত হবে। অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরপরই শুরু হবে ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর মঞ্চায়ন। বিশেষ এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত।

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও বাবা হলেন বলিউড তারকা অভিনয়শিল্পী রণবীর সিং আর মা হলেন তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) তাদের ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ের জন্মের সুখবর জানিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।দীপিকা ও রণবীর যৌথভাবে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায় নবজাতকের পায়ের ছাপ। ছবির সঙ্গে লেখা রয়েছে, ‘ওয়েলকাম বেবি গার্ল! ১৯/৯/২০২৬। দোয়া, দীপিকা অ্যান্ড রণবীর।’এর মধ্য দিয়ে তাদের দুই বছরের মেয়ে দোয়া পেল ছোট বোন। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের আগে বেশ কিছুদিন ধরেই দীপিকা ও রণবীরের পরিবারে নতুন অতিথি আসার খবর নিয়ে আলোচনা চলছিল।চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয়বার বাবা-মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন দীপিকা ও রণবীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দোয়ার হাতে একটি ইতিবাচক গর্ভধারণ পরীক্ষার কিট। তখনই জানানো হয়েছিল, সেপ্টেম্বরেই আসছে তাদের দ্বিতীয় সন্তান। সন্তান জন্মের কয়েক দিন আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ২০২৪ সালে প্রথম সন্তান দোয়ার জন্মের আগেও একই মন্দিরে গিয়েছিলেন তারা। সেবার ৬ সেপ্টেম্বর মন্দিরে যাওয়ার দুই দিন পর, ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয়েছিল দোয়ার।এবারও সেই ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া গেল। তবে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের খবরটি এবার আর কোনো জল্পনা নয়; দীপিকা ও রণবীর নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছেন।২০১৮ সালে বিয়ে করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান দোয়ার জন্ম হয়। এবার পরিবারে যুক্ত হলো আরও এক কন্যাসন্তান।দীপিকা পাড়ুকোন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। যাকে বলা হতো বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭ টি সিনেমা উপহার দেওয়া প্রয়াত এই চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে পা দিতেন। সবার প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে, মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়েছিলেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে। ছবিটিতে অভিনয়ের পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি হয়ে ওঠেন কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭ সিনেমায় অভিনয় করে পেয়েছেন আকাশ সমান জনপ্রিয়তা। যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। এরপর কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সবশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি বলা হয়। ক্যারিয়ারে সালমানের করা ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ক্ষণজন্মা তুমুল জনপ্রিয় এই নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

এ প্রজন্মের মডেল ও অভিনেত্রী অনিন্দিতা মিমি। সম্প্রতি ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের বিপরীতে ‘এই নিয়ে সংসার’ নামের একটি নতুন নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ফেরারি ফরহাদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন শাহ মোহাম্মদ রাকিব।ইতোমধ্যে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউসে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। নাটকটিতে প্রথমবারের মতো মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন অনিন্দিতা মিমি।নতুন নিয়ে অভিনেত্রী অনিন্দিতা মিমি বলেন, 'ফারহান ভাইয়ের সঙ্গে এবারই প্রথম কাজ করা। প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ ছিল। তিনি খুবই আন্তরিক ও সহযোগিতাপরায়ণ একজন শিল্পী। নাটকটির গল্পও বেশ চমৎকার, যেখানে সম্পর্ক ও পারিবারিক জীবনের নানা দিক সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। চরিত্রটিও আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে কাজটি করে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করছি, নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে এবং আমাদের কাজটি তাদের মনে জায়গা করে নেবে।'জানা গেছে, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ৩৬০ প্লাসের ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবে।

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

'জুলাই যোদ্ধাদের ভয় দেখিয়ে বা হামলা করে নিরাপদ হওয়া যাবে না; বরং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে হামলাকারীরাই নিজেদের আরও অনিরাপদ করে তুলছেন ' বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও জুলাই যোদ্ধা আজমেরী হক বাঁধন।সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ইতালিতে তাকে হেনস্থার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালি গিয়েছিলেন বাঁধন। সেখানে মেস্ত্রে শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মী পরিচয়ে কয়েকজন বাংলাদেশির দ্বারা হামলা ও হেনস্তার শিকার হন তিনি।ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাঁধনের দাবি, তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।এ সময় বাঁধন বলেন, বিদেশের মাটিতে এমন ঘটনায় শুধু তিনি নন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি দলকানা না হয়ে পরিবারের কথা ভাবার আহ্বান জানান।বাঁধন আরও জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে এ ঘটনায় মামলা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইতালি সরকারের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।বাঁধনের ওপর হামলার বিষয়টি জাতীয় সংসদেও আলোচনায় আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেন।

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব যেমন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও তাপপ্রবাহসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পরিবেশ পুনরুদ্ধার, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে গত ৪৬ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি খাত-সমর্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ চারা বিতরণ কর্মসূচি বনায়ন।১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করা বনায়ন গত সাড়ে চার দশকে সারা দেশে ১৩ কোটিরও বেশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। এই দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে চলতি বছর দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে বনায়নের। দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের সহনশীলতা ও জলবায়ু মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।বর্তমানে সারা দেশে ১৯টি নার্সারির মাধ্যমে বনায়নের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব নার্সারিতে স্থানীয় পরিবেশ ও মাটির উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়। বনায়নের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ৭০:৩০ প্রজাতি বিন্যাস কৌশল, যেখানে দ্রুতবর্ধনশীল বনজ প্রজাতির পাশাপাশি দেশীয় ও ঔষধি গাছকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গত ৪৬ বছরে বনায়ন সারা দেশের কৃষক, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছে। একই সঙ্গে ১১৯টি ঔষধি উদ্ভিদবাগান প্রতিষ্ঠা করেছে কর্মসূচিটি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ঔষধি উদ্ভিদের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পরিচিতি বাড়ানোর সহায়তা করা হচ্ছে।পরিকল্পিতভাবে রাস্তার পাশে, বিভিন্ন সামাজিক ও জনসমাগমস্থলে এবং পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশের সবুজ আচ্ছাদন বাড়িয়ে চলেছে বনায়ন। পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দায়িত্বশীলতার চর্চা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও কাজ করছে কর্মসূচিটি।পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বনায়ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছে। এর মধ্যে পাঁচবার বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন অন্যতম উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি।বনায়নের মুখপাত্র আহমেদ রায়হান আহসানউল্লাহ বলেন, “বনায়নের ৪৬ বছরের পথচলা যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, তেমনি এটি আমাদের জন্য একটি চলমান দায়িত্বও। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই তীব্র হওয়ায় বৃক্ষরোপণে মানুষকে উৎসাহিত করে এমন উদ্যোগের গুরুত্ব এখন সবচেয়ে বেশি। গত ৪৬ বছর ধরে বনায়ন সারা দেশে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করে আসছে। চলতি বছর আমরা দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা করেছি, যা দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আরও সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমরা জনগোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করে পরিবেশ পুনরুদ্ধারে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।”

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ডলার

২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ডলার

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ২৫ হাজার ৩৭৪ কোটি ৯০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, গতকাল সোমবার প্রবাসী আয় এসেছে ৮৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাসের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে এক দশমিক ৬০ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৭৮৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৯৩ কোটি ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর

নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর

দেশে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

দেশে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

মালয়েশিয়ায় ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

দিনে গড়ে ৩৭টি অভিযান, ১ হাজার ৭২০ নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা মালয়েশিয়ায় ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে (পিএটিআই) আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। একই সময়ে সারাদেশে ৯ হাজার ৭০০টির বেশি অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়েছে।মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের (জেআইএম) উপমহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, আটক হওয়া ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীর মধ্যে ৩৫ হাজারের বেশি জনকে জেআইএমের নিজস্ব অভিযান থেকে আটক করা হয়েছে। বাকি ২২ হাজারের বেশি বিদেশিকে দেশের প্রবেশপথগুলোতে আটক করা হয়েছে অথবা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছ থেকে হস্তান্তরের পর আটক করা হয়েছে।লোকমান এফেন্দি বলেন, ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৬০ দিনে সারাদেশে ৯ হাজার ৭০০টির বেশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৩৭টি অভিযান চালানো হয়েছে।সোমবার ভোরে স্থানীয় একটি আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট শ্রী কলামে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান। অভিযানে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এমকেএন), জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন) এবং মালয়েশিয়া সিভিল ডিফেন্স ফোর্স (এপিএম)-এর সদস্যরাও অংশ নেন।ফ্ল্যাট শ্রী কলামের অভিযানে মোট ১৩৩ জন বিদেশি নাগরিককে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অভিযানে প্রধানত নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা এবং অনুমোদিত উদ্দেশ্যের বাইরে পাস বা ওয়ার্ক পারমিট ব্যবহার করার মতো অপরাধ শনাক্ত করা হয়েছে।লোকমান এফেন্দি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুধু বিদেশি নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত নিয়োগকর্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক এবং বাড়ি বা আবাসিক স্থাপনার মালিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, কোনো নিয়োগকর্তা বৈধ কর্মসংস্থান পাস ছাড়া অবৈধ অভিবাসীকে নিয়োগ বা আশ্রয় দিলে তার বিরুদ্ধেও মামলা করা হবে। একইভাবে অবৈধ অভিবাসীদের কাছে বাড়ি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাড়া দেওয়া মালিকদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।জেআইএমের এই কর্মকর্তা জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৭২০ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ২৬০ দিনের হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ছয়জন নিয়োগকর্তা বা স্থাপনার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা নজরে এলে সাধারণ মানুষকে নিজের হাতে আইন তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লোকমান এফেন্দি।তিনি বলেন, বিদেশি নাগরিকদের কোনো অনিয়ম বা আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। সম্ভব হলে ছবি ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্যসহ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।লোকমান এফেন্দি বলেন, বিদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মালয়েশিয়ার জনগণের সচেতনতা ও উদ্বেগকে তারা গুরুত্ব দেন। তবে কোনো ব্যক্তি নিজে আইন প্রয়োগ করতে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।তিনি বলেন, “কোনো অনিয়ম দেখলে নিজেরা ব্যবস্থা নেবেন না। বরং পূর্ণাঙ্গ তথ্য, সম্ভব হলে ছবি দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করুন। এতে দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।”মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের সাম্প্রতিক এই পরিসংখ্যান দেশটিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকার চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে বিদেশি শ্রমিকদের পাশাপাশি তাদের নিয়োগকর্তা ও আবাসনদাতাদেরও আইনের আওতায় আনার বিষয়টি জোরদার করা হচ্ছে।

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের

এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের

বৃহৎ পরিসরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) বিভিন্ন কাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে নতুন এআই কম্পিউটিং সল্যুশন অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।সম্প্রতি সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২৬-এ হুয়াওয়ের ডেপুটি চেয়ারম্যান অব দ্য বোর্ড ও রোটেটিং চেয়ারম্যান ডেভিড ওয়াং তাঁর মূল প্রবন্ধে এ সল্যুশনটি উন্মোচন করেন।“অ্যাডভান্সিং দ্য এজেন্টিক ওয়ার্ল্ড” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পখাতের নেতা, গ্রাহক, সহযোগী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞগণ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে এআই, ডিজিটাল সংযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বুদ্ধিমান ও উৎপাদনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্নত এআই মডেল তৈরি ও পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। শক্তিশালী কম্পিউটিং সক্ষমতা, উন্নত জ্বালানি দক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্য কার্যক্রমের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকরভাবে এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করবে।এর পাশাপাশি হুয়াওয়ে অ্যাটলাস ৯৫০ সুপারপডও উন্মোচন করেছে। সুপারপডভিত্তিক সুপারক্লাস্টারগুলো হুয়াওয়ের পিরিয়াম কম্পিউটিং আর্কিটেকচারের প্রথম প্রজন্মের পণ্য। এগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ১০ লাখ প্রসেসর একসঙ্গে একটি কম্পিউটারের মতো কাজ করতে পারে।এ তালিকায় আরও রয়েছে সাধারণ কম্পিউটিংয়ের জন্য উন্নত তাইশান ৯৫০ সুপারপড এবং এআই-সম্পর্কিত ডেটার চাহিদা পূরণে তৈরি স্টোরেজ সল্যুশন ওশানস্টোর এম৯০০। এসব সল্যুশন বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানকে ক্রমবর্ধমান ডেটা ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটিং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এআইয়ের বাস্তব প্রয়োগ ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।এ ছাড়া, হুয়াওয়ে জানিয়েছে যে তাদের ক্যান (CANN) প্ল্যাটফর্ম এখন ওপেন সোর্স। এর মাধ্যমে ডেভেলপার, অংশীদার এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি কমিউনিটি এআই উদ্ভাবনে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন।হুয়াওয়ের ডেপুটি চেয়ারম্যান অব দ্য বোর্ড ও রোটেটিং চেয়ারম্যান ডেভিড ওয়াং বলেন, “হুয়াওয়েতে আমরা শক্তিশালী এআই অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং কম্পিউটিং ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে ওপেন সোর্স ও ওপেন সিস্টেমকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এআই উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে এবং বুদ্ধিমান বিশ্বের পথে এগোতে আমরা অংশীদারদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখব।”টেলিযোগাযোগ, আর্থিক সেবা, উৎপাদন, জ্বালানি, পরিবহন, জনসেবা ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে হুয়াওয়ে বিশ্বজুড়ে গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি

দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি

মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’

মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’

বিশ্বের প্রথম ক্যাজ-ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০

বিশ্বের প্রথম ক্যাজ-ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

শিরোনাম
সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির টেকনাফে নৌকা ডুবে নারী ও শিশুসহ নিহত ২, নিখোঁজ ১, উদ্ধার ১৬ টেকনাফে নাফ নদীর তীরবর্তী বাঁধ ও পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী আখাউড়ায় ১ হাজার ৫৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস পীরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের চেষ্টা, ২ কসাইয়ের কারাদণ্ড পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বগুড়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মতলবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার ডেঙ্গুর থাবায় ঝরল আরও ৫ প্রাণ, শনাক্তে নতুন রেকর্ড এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি কোনাবাড়িতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল সৌদি আরবের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির টেকনাফে নৌকা ডুবে নারী ও শিশুসহ নিহত ২, নিখোঁজ ১, উদ্ধার ১৬ টেকনাফে নাফ নদীর তীরবর্তী বাঁধ ও পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী আখাউড়ায় ১ হাজার ৫৮০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান জাতিসংঘে শেষ ভাষণে বিশ্বনেতাদের যে বার্তা দিলেন গুতেরেস পীরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের চেষ্টা, ২ কসাইয়ের কারাদণ্ড পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বগুড়ায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মতলবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অটোরিকশা চালক চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সবধরনের সহায়তা করে আসছে : স্পিকার ডেঙ্গুর থাবায় ঝরল আরও ৫ প্রাণ, শনাক্তে নতুন রেকর্ড এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি কোনাবাড়িতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল