ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যা আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি।মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকরা আমাদের মন্ত্রণালয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তারা। আমরা পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছি। কেননা স্থানীয় সরকার হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে পারলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ডিসিদের কাজ করতে হবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের কাজ করতে হবে। অর্থাৎ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই ডিসিদের কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই হচ্ছে এই দেশের মালিক।তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় সরকারের জায়গাটায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে যে, ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সেসব বিষয় মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে আমরা তদন্ত করবো। একইসঙ্গে সেগুলো যেন ভবিষ্যতে না ঘটে, সেটাও দেখবো। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যেসব কর্মসূচি রয়েছে, সেসব বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করবো।

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর দিন, অর্থাৎ ৯ মে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের শপথ নেবে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মঙ্গলবার (৬ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইকে তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ হবে আগামী ৯ মে।শমিক জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছা ও নির্দেশে নতুন শপথ গ্রহণের জন্য এই দিন ধার্য করা হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চলাকালে একাধিকবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছেন মোদি। সর্বশেষ ব্যারাকপুরের সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, আগামী ৯ মে শপথ নেবে পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্য সরকার।তিনি আরও বলেছিলেন, আমি এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় নিচ্ছি যে আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর নতুন সরকার গঠনের সময়ে ফের এই রাজ্যে আসব।আরও পড়ুন: কেরালায় হিজাবি মুসলিম তরুণীর বিজয়প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রায়ই বিভিন্ন সভা-সমাবেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তার বিভিন্ন কবিতার উক্তি স্মরণ করেন। সোমাবর নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদরদপ্তরে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি পংক্তি উধ্বৃত করে মোদি বলেছেন, বিজেপির লক্ষ্য হলো এমন এক বাংলা গড়া—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।উল্লেখ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।মঙ্গলবার নির্বাচনের গেজেটেড ফলাফল প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগার ওয়ালের কাছে হস্তান্তর করবেন ভারতের নির্বাচন কমিশনের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এস বি জোশি এবং সুজিত কুমার মিশ্র।

শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত

শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত

২০১৩ সালে হেফাজতের আন্দোলনে সারা দেশে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত করার তথ্য জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের ঊধ্বর্তনদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এই মামলায় প্রধান আসামি হবেন শেখ হাসিনা।৫ মে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি জানান, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের ঊধ্বর্তনদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এছাড়া, সরকারের হেফাজতে ইসলামকে নিধনের উদ্দেশ্য ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ ঘটনায় ৯০ শতাংশ তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে৷ আগামী ৭ জুনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে প্রসিকিউশন। মামলায় ৩০ জনের বেশি আসামি করা হতে পারে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চালানো অভিযানকে কেন্দ্র করে যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থা এই হত্যাকাণ্ডকে একটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হিসেবে উল্লেখ করেছে। তদন্ত সংস্থার তথ্যমতে, তদন্তের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে এবং শুধু ঢাকাতেই অন্তত ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

  • দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

    দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর

    বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

  • সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী

    সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী

  • এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা

    এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা

  • ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

    ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

সব খবর

সব খবর

পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ভারতের বিধানসভা নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার এমন মন্তব্য করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে যে সরকারই আসুক না কেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির পরিবর্তন হবে না। সবার আগে বাংলাদেশ নীতি, এর পরিবর্তন হবে না।মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের একটি কার্যঅধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। বাংলাদেশের ফরেন পলিসি অ্যাক্রস দ্য বোর্ড একই থাকবে। আমাদের ‘বাংলাদেশ প্রথম’ বা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে আমাদের ফরেন পলিসি। সেটা যে সরকারই আসুক না কেন, আমাদের ফরেন পলিসি পরিবর্তন হবে না। আমরা আমাদের ফরেন পলিসি নিয়েই সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবো বলেও জানান তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন রোধ ও দালালদের মাধ্যমে মানবপাচার ঠেকাতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দু’দফায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। সোমবার (৪ মে) সেই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৬টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে

মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে

রাজধানী ঢাকার মেট্রোরেলের চলাচলের সময় আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যা কার্যকর হতে পারে চলতি মাসের শেষে অথবা ঈদুল আজহার পর।জানা গেছে, রাতে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট বাড়তি সময় মেট্রোরেল চলাচলের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ জন্য কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলক চলাচল শেষ হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।এদিকে দুই ট্রেনের মাঝখানের ব্যবধানও কমানোর পরিকল্পনা চলছে। ৩০ সেকেন্ড কমানো হতে পারে সময়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাড়ে ৪ মিনিট পরপর মেট্রো চলবে বলে জানা গেছে।মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, মতিঝিল থেকে উত্তরাগামী দিনের সর্বশেষ মেট্রোরেল রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে। এখন সর্বশেষ মেট্রোরেল রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছেড়ে যায়। অন্যদিকে উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী দিনের সর্বশেষ মেট্রোরেল রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এখন ছাড়ে রাত সাড়ে ৯টায়।বর্তমানে প্রতিদিন সকালে সাড়ে ৬টায় উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী দিনের প্রথম মেট্রোরেল ছাড়ে। আর মতিঝিল থেকে উত্তরাগামী দিনের প্রথম মেট্রোরেল ছাড়ে সকাল সোয়া ৭টায়।রাতে মেট্রো চলাচলে সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও সকালে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানা গেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ

দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা, আমদানি-নির্ভরতা এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনই নীতিগত সংস্কার, জবাবদিহি এবং বিকল্প উৎসে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা শীর্ষক সুপারিশমালা প্রণয়ন’ বিষয়ক এক কর্মশালায় এসব কথা বলা হয়। সোমবার (৪ মে) বিকেলে ঢাকার রমনায় আইইবি সদর দপ্তরের কাউন্সিল হলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (একাডেমিক ও আন্তর্জাতিক) প্রকৌশলী খান মনজুর মোরশেদ। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে পরিকল্পনাহীন সিদ্ধান্তের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। বিশেষ করে নর্থ পাওয়ার স্টেশন স্থাপনের ক্ষেত্রে যথাযথ জ্বালানি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। “এ ধরনের প্রকল্প জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত,” বলেন তিনি।স্বাগত বক্তব্যে আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশই গ্যাসনির্ভর, যা প্রায় ৫০-৫৫ শতাংশ। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে রয়েছে। কিন্তু দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ কমে আসায় এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।তিনি আরও বলেন, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গড় চাহিদা ১৪ থেকে ১৬ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে ওঠানামা করে। এর ফলে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি ঘাটতির কারণে অনেক কেন্দ্র পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পারে না। “রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে, তবে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) আমদানিনির্ভর হওয়ায় এটিও সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয়,” বলেন তিনি।কর্মশালায় উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে মালয়েশিয়াভিত্তিক প্রফেসর ড. এম শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা ৩০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই চাহিদা পূরণে শুধু প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভর করলে ঝুঁকি বাড়বে। তিনি জ্বালানি মিশ্রণে নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ কমপক্ষে ২০ শতাংশে উন্নীত করার সুপারিশ করেন।বুয়েটের কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, এলএনজি আমদানির ব্যয় গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং ভর্তুকির চাপও বাড়ছে। অন্যদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন সীমিত হওয়ায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও প্রত্যাশিত হারে বাড়ানো যাচ্ছে না।বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো শক্তিশালী করা জরুরি। বর্তমানে সিস্টেম লস গড়ে ৭-৮ শতাংশের মধ্যে থাকলেও তা আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হলে বছরে বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের জ্বালানি খাতে বর্তমানে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—দেশীয় জ্বালানির ঘাটতি, আমদানিনির্ভরতা এবং মূল্য অস্থিরতা। এ পরিস্থিতিতে সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য উৎসে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।তারা আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে সমন্বয়হীনতা দূর করা, প্রকল্প গ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নীতি বাস্তবায়ন ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন বুয়েটের অধ্যাপক ড. আমান উদ্দিন, নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাসিবুল হাসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী জাফর সাদিকসহ জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন।অনুষ্ঠানে আইইবির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য, বিভিন্ন প্রকৌশল সংগঠনের প্রতিনিধি এবং জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রকৃত ঘটনা জাতির সামনে উন্মোচন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।৫ মে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।প্রদত্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রকৃত ঘটনা জাতির সামনে উন্মোচন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। দেশের ইতিহাসে এটি একটি বেদনাবিধুর ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। সেদিন ধর্মপ্রাণ তাওহিদী জনতার ওপর যে নির্মম অভিযান পরিচালিত হয়েছিল, তা জাতির বিবেককে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড মানবতা, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী একটি জঘন্যতম ঘটনা।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত এ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য বিচার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এই মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার এখনো সম্পন্ন না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দেশের জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কাম্য হতে পারে না। আমরা মনে করি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। সেই অধিকারকে দমন করতে শক্তি প্রয়োগ এবং প্রাণহানির ঘটনা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।পরিশেষে, আমি দেশবাসীর প্রতি শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

বিকেলে মমতার সংবাদ সম্মেলন

বিকেলে মমতার সংবাদ সম্মেলন

বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী তৃণমূল। হেরে গেছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই আবহে মঙ্গলবার (৫ মে) কালীঘাটের বাসভবনে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন মমতা। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।১৫ বছর শাসনের পর ধরাশায়ী তৃণমূল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় বিজেপি। ভবানীপুর কেন্দ্রে হেরে গেছেন মমতা। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তার ব্যবধান ১৫ হাজারের বেশি ভোট।রাজ্যজুড়ে একাধিক কেন্দ্রে তৃণমূল হেরেছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা, পূর্ব বর্ধমানের মতো তৃণমূলের ঘরে থাবা বসিয়েছে বিজেপি।এদিকে সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে আক্রান্ত হন বিদায়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্র থেকে তৃণমূলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে কার্যত ঘরের পোশাকেই সেখানে পৌঁছান মমতা। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি।মমতা এদিন বলেন, আমাকে মেরেছে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে না। এটা একটা দানবিক পার্টি। ১০০টা সিট চুরি করেছে। এই মন্তব্য ছাড়া মমতার আর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এবার মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।এদিকে সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে আক্রান্ত হন বিদায়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্র থেকে তৃণমূলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে কার্যত ঘরের পোশাকেই সেখানে পৌঁছান মমতা।বেশ কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি।মমতা এদিন বলেন, আমাকে মেরেছে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে না। এটা একটা দানবিক পার্টি। ১০০টা সিট চুরি করেছে। এই মন্তব্য ছাড়া মমতার আর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এবার মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সহমত। বিজেপি ১০০টি আসন ছিনতাই করেছে। নির্বাচন কমিশনের মদতে বিজেপি নির্বাচনে চুরি করেছে।

গোপালগঞ্জ নির্বাচন অফিসে একাধিক অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা

টাকা দাবি ও ভোটার ফিঙ্গার ডিলিটের অভিযোগ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে, তদন্তের দাবি ভুক্তভোগীদের গোপালগঞ্জ নির্বাচন অফিসে একাধিক অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধন ও ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার দীর্ঘদিন পরও এখনো নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগকারীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনক্রমে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই এবং শনাক্তকারীর স্বাক্ষরকৃত নথি থাকা সত্ত্বেও অনেক সেবা গ্রহীতাকে অফিসে ডেকে এনে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখা, ভয়ভীতি দেখানো এবং টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিলিট করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ মার্চ তারা ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রদান করেন। পরে নির্বাচন কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসু তাদের মোবাইল ফোনে ডেকে অফিসে নিয়ে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা আটকে রাখেন এবং পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তাদের স্লিপ নম্বর নিয়ে ভোটার ফিঙ্গার ডিলিট করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।যাদের ভোটার ফিঙ্গার ডিলিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন আলহাজ শেখ (ফরম নম্বর: ১৫৭১৫৯৩৯৫), মাহিম শেখ (ফরম নম্বর: ১৫৭১৫৯৩৯৩), আবু মুসা শেখ (ফরম নম্বর: ১৫৭১৫৯৩৯৬), মো. নাইম শেখ (ফরম নম্বর: ১৫৭১৫৯৩৯৪) এবং মো. আনিচ শরীফ (ফরম নম্বর: ১৫৭১৩০৭৭০)।ভুক্তভোগী আনিচ শরীফ জানান, ২০২৫ সালে তিনি হালনাগাদ কার্যক্রমে ভোটার হন। দুই মাস পর নির্বাচন কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসুর কাছে গেলে তিনি স্লিপ দেখে বলেন, “এই ফিঙ্গার হবে না, বাইরের জন্ম সনদ করা।” পরে তাকে আবার নতুন করে ভোটার আবেদন করতে বলা হয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে গেলে তাকে জানানো হয় তার জন্ম নিবন্ধন অন্য এলাকা থেকে হওয়ায় তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ভোটার হতে পারবেন না। এ সময় তাকে প্রায় তিন ঘণ্টা অফিসে আটকে রাখা হয় এবং পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। পরে তার মা তাকে ছাড়াতে অফিসে এলে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, নির্বাচন অফিসের কিছু দালাল ও অসাধু কর্মচারীদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বাইরের জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করে নতুন ভোটার তৈরি করা হচ্ছে। অথচ সঠিক কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেককে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বসু কোনো ভিডিও সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমি কোনো ভিডিও সাক্ষাৎকার দিতে বাধ্য নই। আমার যদি ভিডিও সাক্ষাৎকার দিতে হয়, তবে অনুমতি লাগবে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।”এদিকে অভিযোগ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ্যে আসার পরও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, নাগরিক সেবা ব্যাহত

ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, নাগরিক সেবা ব্যাহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খানের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে চরম গাফিলতি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।সময়মতো অফিসে না আসা, অনুমতি ছাড়াই আগেভাগে দপ্তর ত্যাগ করা এবং নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার কারণে পৌরসভার নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পারিবারিক কারণে ৪ মে থেকে পৌর প্রশাসকের বরাবর লিখিত ছুটি নিয়েছেন তিনি। অথচ তিনি ২৯ এপ্রিল বুধবার উপস্থিত থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকেই নবীনগর পৌরসভায় অনুপস্থিত রয়েছেন। জানা যায়, অনুপস্থিত থাকলেও পৌরসভার বিভিন্ন কাগজপত্রে আগাম স্বাক্ষর করে রাখেন তিনি।৪ মে সোমবার নবীনগর পৌরসভায় গিয়ে জানা যায়, প্রতিষ্ঠান প্রধান হওয়ায় পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতির স্বাক্ষর দিতে হয় না। পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি ও সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁরই। কিন্তু তিনি নিজেই নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিত থাকেন।এতে করে পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হন না। এমন পরিস্থিতি এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেউ দেরিতে আসেন, আবার কেউ দিন শেষে দায়িত্ব পালন না করেই আগেভাগে দপ্তর ত্যাগ করেন। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং তারা প্রকাশ্যেই ‘গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ, ১৯৮২’ অমান্য করছেন।অভিযোগ রয়েছে, এই অনিয়মের শীর্ষে রয়েছেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান নিজেই। প্রশাসনের শৃঙ্খলা রক্ষা ও দপ্তর ব্যবস্থাপনার প্রধান দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তার অনিয়মিত উপস্থিতি ও খেয়ালখুশিমতো অফিস করার অভিযোগে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আরও বেড়েছে।সচেতন মহলের মতে, দায়িত্বশীলরা যখন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন, তখন পুরো প্রশাসনই বিশৃঙ্খলার দিকে ধাবিত হয়। নবীনগর পৌরসভার সাধারণ মানুষ মনে করছেন, সরকারি বেতন-ভাতা ভোগ করেও দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনস্বার্থ রক্ষায় এই অনিয়মের দ্রুত তদন্ত, দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দপ্তরের শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।পৌরসভায় অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. মাহামুদুর রহমান চ্যানেল এস'কে বলেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন। সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়মিত অফিস করা প্রয়োজন। আগাম ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজারে কাওয়াদিঘি হাওরে ধান বোঝাই নৌকা ডুবে চা শ্রমিকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারে কাওয়াদিঘি হাওরে ধান বোঝাই নৌকা ডুবে চা শ্রমিকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারের রাজনগরে হাওরে ধান কেটে ফেরার পথে নৌকা ডুবে এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম রঞ্জন বাউরি (৪০)। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার চাতলাপুর চা বাগানের ৪৪ নম্বর পাট্টা এলাকার বাসুদেব বাউরির ছেলে।ঘটনাটি ঘটে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাওয়াদিঘি হাওরের গুলাইয়া বিলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রঞ্জন বাউরিসহ ৫-৬ জন চা শ্রমিক গত ৪-৫ বছর ধরে বোরো মৌসুমে রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মুনিয়ারপাড় গ্রামের আব্দুর রউফের ধান কাটতে যান। ধান কাটতে ১৫ দিন ধরে তারা আব্দুর রউফের বাড়িতে থেকে তারা ধান কাটার কাজ করছিলেন। সোমবার বিকেলে ধান কেটে নৌকা বোঝাই করে বাড়ি ফিরছিলেন রঞ্জন সহ কয়েকজন শ্রমিক। হঠাৎ নৌকা ডুবে গেলে সবাই পানি পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা আরেকটি নৌকা নিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। এসময় পানি থেকে রঞ্জনকে উদ্ধার করে রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ব্যাপারে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া বলেন, তার মরদেহ থানায় রয়েছে। নিহতের স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে। তারা এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যা আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি।মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকরা আমাদের মন্ত্রণালয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তারা। আমরা পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছি। কেননা স্থানীয় সরকার হচ্ছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী একটি প্রতিষ্ঠান। আর এ প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে পারলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে।জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ডিসিদের কাজ করতে হবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের কাজ করতে হবে। অর্থাৎ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই ডিসিদের কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই হচ্ছে এই দেশের মালিক।তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে স্থানীয় সরকারের জায়গাটায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে যে, ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সেসব বিষয় মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে আমরা তদন্ত করবো। একইসঙ্গে সেগুলো যেন ভবিষ্যতে না ঘটে, সেটাও দেখবো। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যেসব কর্মসূচি রয়েছে, সেসব বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করবো।

পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে

মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে

শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত

শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিলেটে কর্মব্যস্ত দিন কাটিয়ে ঢাকায় ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেটে কর্মব্যস্ত দিন কাটিয়ে ঢাকায় ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

তোমাদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে: খুদে শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

তোমাদেরকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে: খুদে শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে

পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত

চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত

হরমুজে ইরানের ৬টি নৌকা ধ্বংস, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজে ইরানের ৬টি নৌকা ধ্বংস, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রকৃত ঘটনা জাতির সামনে উন্মোচন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।৫ মে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।প্রদত্ত বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করে প্রকৃত ঘটনা জাতির সামনে উন্মোচন এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। দেশের ইতিহাসে এটি একটি বেদনাবিধুর ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। সেদিন ধর্মপ্রাণ তাওহিদী জনতার ওপর যে নির্মম অভিযান পরিচালিত হয়েছিল, তা জাতির বিবেককে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড মানবতা, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী একটি জঘন্যতম ঘটনা।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত এ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য বিচার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এই মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার এখনো সম্পন্ন না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দেশের জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কাম্য হতে পারে না। আমরা মনে করি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। সেই অধিকারকে দমন করতে শক্তি প্রয়োগ এবং প্রাণহানির ঘটনা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।পরিশেষে, আমি দেশবাসীর প্রতি শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই অব্যাহত থাকবে : জামায়াত আমির

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই অব্যাহত থাকবে : জামায়াত আমির

জাকাত নিয়ে বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ হেফাজতের

জাকাত নিয়ে বিএনপি নেত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ হেফাজতের

বিএনপি সংস্কার করতে চায় না: আখতার

বিএনপি সংস্কার করতে চায় না: আখতার

এনসিপিতে যোগ দিলেন গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

এনসিপিতে যোগ দিলেন গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

বিএনপি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করবে না: সারোয়ার তুষার

বিএনপি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করবে না: সারোয়ার তুষার

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জামায়াতের

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জামায়াতের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

রামপালে সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ

রামপালে সরকারি খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ

গোপালগঞ্জ নির্বাচন অফিসে একাধিক অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা

টাকা দাবি ও ভোটার ফিঙ্গার ডিলিটের অভিযোগ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে, তদন্তের দাবি ভুক্তভোগীদের গোপালগঞ্জ নির্বাচন অফিসে একাধিক অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা

গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি  দল

গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি দল

রোভার স্কাউট গ্রুপের দুটি দল গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পরিভ্রমণ কর্মসূচি শুরু করেছে। এ কা‌জের মাধ‌্যমে শিক্ষার্থীরা জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন কর‌বে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া ৫ দিনের হেঁটে ভ্রমন কর্মসূচি ফুলবাড়িয়া, মির্জাপুর হয়ে শেষ হবে মানিকগঞ্জের শিবালয় গিয়ে। অংশগ্রহণকারী মৌচাক মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সদস্য আফরিক আহাম্মেদ নিলয়, এবং রাজবাড়ী সরকারি কলেজ এর সাইফুল ইসলাম নয়ন, মো. আল সানিয়াত ইসলাম আলফি। মৌচাক মুক্ত গার্ল-ইন রোভার সদস্যরা হলেন, কবিতা আক্তার। নুসরাত জাহান নিহা ও মেরিনা সুলতানা। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে হেঁটে পরিভ্রমণের উদ্বোধন করে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মো. সোহেল রানা। পরিভ্রমণকালে স্কাউট সদস্যরা ডিসি অফিস, সরকারি, বেসরকারি কলেজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভ্রমণ করবেন ও ডাক বাংলোতে যাত্রা বিরতি ও রাত্রিযাপন করবেন।রোভাররা পরিভ্রমণের পাশাপাশি চলতি পথে প্লাস্টিক বর্জন , বায়ুদূষণ, মাদক রোধ, বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখা, ডেঙ্গু রোধে সচেতনতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। মৌচাক মুক্ত স্কাউট গ্রুপের টিম রোভার স্কাউট লিডার নাজমুল হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির পাশাপাশি রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ সম্মান প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের একটি ধাপ হলো ‘পরিভ্রমণকারী ব্যাজ’। এটি অর্জনের জন্য রোভারদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করতে হয়। ত‌বে, এই পরিভ্রমণের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ব্যাজ অর্জন নয়। এটি রোভারদের শারীরিক সক্ষমতা, ধৈর্য এবং একতার নিদর্শন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।অংশ গ্রহণকারী স্কাউট সদস্যরা বলেছেন, পথে পথে তারা বাল্য বিবাহ, মাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিভ্রমণ করবেন। কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সর্বোচ্চ প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করতে চাইছেন তারা গাজীপুর থেকে অংশগ্রহণকারী স্কাউট সদস্যদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় আবাসানের জন্য স্কাউটদের রোভার স্কাউট লিডারের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, নাগরিক সেবা ব্যাহত

ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, নাগরিক সেবা ব্যাহত

মৌলভীবাজারে কাওয়াদিঘি হাওরে ধান বোঝাই নৌকা ডুবে চা শ্রমিকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারে কাওয়াদিঘি হাওরে ধান বোঝাই নৌকা ডুবে চা শ্রমিকের মৃত্যু

গোপালগঞ্জে বাসের চাপায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ৬

গোপালগঞ্জে বাসের চাপায় ভ্যানচালক নিহত, আহত ৬

গোপালগঞ্জে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

গোপালগঞ্জে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫

সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫

শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম: সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য

শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম: সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের সংগঠন ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র প্রায় ৪ হাজার সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন।সোমবার (৪ মে) এনসিপি এবং ওয়ারিয়র্স অব জুলাই কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে এনসিপি কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই নেতৃবৃন্দ এনসিপিতে নাম লেখাবেন।এ যোগদান উপলক্ষ্যে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই নেতারা এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সভাপতি মো. সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিসান, সহ-সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মুস্তাইম বিল্লাহ হাবীবি, কোষাধ্যক্ষ মো. গোলাম আজম, কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্পাদক মো. মতূজা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির শিকদার উপস্থিত ছিলেন।ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সভাপতি মো. সালমান বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আমরা সংগঠনের সব নেতা-কর্মী সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এনসিপিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে। দীর্ঘ দেড় বছর আমরা ছোট সংগঠন নিয়ে লড়াই করে আসছিলাম জুলাই সনদসহ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করতে। কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকারের যে মনোভাব সেখানে আমাদের ছোট সংগঠন থেকে লড়াই করে তেমন ফল মিলছে না। সব মিলিয়ে গণভোট, জুলাই সনদ, জুলাই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমাদের সব সংগ্রাম। আর সেই সংগ্রামকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে, দেশের মানুষের চাওয়া পূরণ করতে আমরা এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছি।ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সহ-সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী বলেন, দেশজুড়ে বিস্তৃত কাজ রয়েছে এমন সবচেয়ে বড় সংগঠন ওয়ারিয়র্স অব জুলাই। আমরা যেসব পরিবর্তনের চিন্তা মাথায় রেখে জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলাম সেসব পরিবর্তনে সেসব সংস্কারে বর্তমান সরকারের অনীহা আজ সবার সামনে স্পষ্ট। এজন্য সংস্কারের যে আশা সেই আশাটুকু বাঁচিয়ে রাখতে জুলাইয়ের ভ্যানগার্ড এনসিপির মিছিলে যোগ দেওয়ার বিকল্প নেই। আমরা যেমন যুক্ত হচ্ছি, একইসঙ্গে দেশবাসীকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের একটি বড় অংশ এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। সব শ্রেণিপেশার, সব চিন্তাধারার মানুষ দেশের স্বার্থের রাজনীতিটা করতে এনসিপিকে বেছে নিচ্ছে এটাই এই মুহূর্তের বাস্তবতা। আমরা আরও সাংগঠনিক শক্তি অর্জনের দিকে মনোযোগ দেব, মানুষের জীবনের সমস্যাগুলো সমাধানের রাজনীতিটা করে যাব।

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দেশের আলোচিত অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি দাবি করেন, ফারুকীর কারণে কিছু শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের কিছু শিল্পীর জীবন ফারুকী শেষ করে দিয়েছে। সে মনে করছে সে জিতে গেছে, কিন্তু সে জীবনেও জিততে পারবে না।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভেতরে কাজের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। ‘আমি আমার দেশটাকে মিস করি। কোথাও কাজ করতে পারতাম না, কোথাও ঢুকতে পারতাম না। যেখানেই গেছি, সেখানেই ফারুকী। টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে রাখতো’- বলেন এই অভিনেত্রী।একটি অনুষ্ঠানে ফারুকীর স্ত্রীর আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক শিল্পীর দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনেক অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’লাইভে তিনি আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ‘আমি হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলব না, কীভাবে আমাকে নিজের দেশ ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।তবে দেশ ছাড়ার পেছনে সরাসরি কোনো চাপ ছিল না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমাকে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু কেন জানি মনে হয়েছে, আমার চলে যাওয়া উচিত।’ এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন লোক আমাকে বারবার বিরক্ত করছিল। আমি জানতে চাই, কেন সে এমন করছিল। আশা করি, একদিন তার সঙ্গে দেখা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারব।’অরুণা বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে কানাডায় আছি। আমার পাসপোর্ট না থাকলে আমি আসতাম না। আমি পালিয়ে আসিনি’। এই বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকের পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। সেখানে ব্যাচেলর পয়েন্ট টিমের সঙ্গে যুক্ত হলেন নেপালের অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা। বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্মাতা জানান, ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভের চ্যাপটার ১২-তে সারপ্রাইজ তাঁকে দেখা যাবে।ফেসবুকে রাজেশ্রী থাপার ছবি পোস্ট করে পরিচালক ক্যাপশনে লেখেন, চরিত্রটি কে হতে পারে অনুমান করুন। এরপর তাঁর কমেন্ট বক্সে হাজার হাজার ফানি মন্তব্য পড়তে দেখা যায়।গত বছর কোরবানির ঈদের সময় থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে শুরু হয়েছে ব্যাচেলর পয়েন্ট ফাইভের প্রচার। নতুন সিজনে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে চমক। পাঁচ বছর পর এই সিজনে ফিরে এসেছেন নেহাল ও আরিফিন চরিত্রে অভিনয় করা তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্রও। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ।ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ব্যাচেলর পয়েন্টের নতুন এই সিজন প্রচার হচ্ছে চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।সিদ্দিক আরও বলেন, ‘আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তির পর গত কয়েকদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।’উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন এক মাস হয়ে গেছে। গত ২৯ মার্চ ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে কলকাতার তালসারির সমুদ্রে ডুবে মারা যান এই অভিনেতা। রাহুলের মৃত্যুর পর নেটপাড়ার একটা অংশের ট্রলের মুখে পড়েন তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।স্বামীর শেষকৃত্যে একটি কুর্তা আর ডেনিম জিন্স পরে দেখা গিয়েছিল তাকে। তবে শুধু পোশাক নিয়ে নয়, কিছু মানুষ তো প্রশ্ন তোলেন, কেন একবারও চোখের পানি ফেলতে দেখা গেল না প্রিয়াঙ্কাকে! প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের যখন প্রিয়াঙ্কার মাথায় স্নেহের হাত রাখেন, তখন কেন এক চিলতে হাসি ফুটেছিল প্রিয়াঙ্কার মুখে! এরকমই আজব আর কুরুচিকর কমেন্টে ভরে যায় সোশ্যাল মিডিয়া।আপাতত নিজের পরবর্তী ওয়েব সিরিজ ‘কুহেলি’র প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত আছেন প্রিয়াঙ্কা। অবশ্য এই নিয়েও কম কটাক্ষ হয়নি, একদল নিন্দুকেরা প্রশ্ন তোলে, ‘স্বামী হারা একজন কীভাবে এত তাড়াতাড়ি কাজে ফিরল!’ তবে এবার সব ট্রলের জবাব দিলেন অভিনেত্রী। ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে স্পষ্ট করলেন, শত নেতিবাচকতার মধ্যেও ভালোটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমি চেষ্টা করি সব পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই ভালোটা খুঁজে নেওয়ার। আমার মনে হয় যে, যখনই এরকম কোনো পরিস্থিতি এসছে, পাঁচজন হয়তো নেগেটিভ কথা বলেছে, কিন্তু ৫০ জন পাশে থেকেছেন এবং ভালো কথা বলেছেন। সেই পাঁচজনকে আমার গুরুত্ব না দিলেও চলবে। যে ৫০ জন পাশে থেকেছে, তারাই কিন্তু আমাদের হয়ে লড়াইগুলো করে। আসলে অনেকেই বাজে কথা বলে, কারণ তারা মনোযোগ চায়। আর এদেরকে গুরুত্ব না দেওয়া সবচেয়ে ভালো রেসপন্স হতে পারে।’প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, ‘যেমন তোমার চারপাশে থাকা মানুষগুলোর সঙ্গে তুমি তোমার কষ্টের কথা ভাগ করে নাও, মন হালকা করো। তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় পজিটিভিটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এরা তোমার মনোযোগ ডিজার্ভ করে। যারা তোমার জন্য লড়াই করছে। কেন আমি নেতিবাচক কথাকে আমার জীবনে প্রভাব ফেলতে দেব!’ প্রসঙ্গত, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রিয়াঙ্কা সরকার— টলিউডের এক সময়ের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমা দিয়ে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা জুটি যে ইতিহাস তৈরি করেছিল, তা আজীবন ভক্তদের মনে থাকবে।

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

সরকে চুনর তেরি- গান ঘিরে তৈরি বিতর্কের প্রেক্ষিতে মহিলা কমিশনে হাজির হয়ে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। কমিশনের সামনে দেওয়া বক্তব্যে সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, তার উদ্দেশ্য কখনোই সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলা ছিল না। একই সঙ্গে তিনি একটি সামাজিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন—৫০ জন আদিবাসী কন্যাশিশুর সম্পূর্ণ শিক্ষার দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।এই বিতর্কে নাম জড়ালেও এদিন উপস্থিত ছিলেন না অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। বিদেশে অবস্থানের কারণে তিনি আগেই সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তার জন্য নতুন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।মূলত কে ডি: দ্য ডেভিল ছবির হিন্দি সংস্করণের একটি গানকে ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গান প্রকাশের পর এর ভাষা ও উপস্থাপনা নিয়ে একাংশ আপত্তি তোলে। বিশেষ করে গানের কিছু অংশকে অশালীন বলে অভিযোগ করা হয় এবং নোরা ফাতেহির নৃত্যভঙ্গিমা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।সবশেষে কমিশনের সামনে সঞ্জয় দত্ত আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে তার সঙ্গে যুক্ত যেকোনো কাজে নারী ও শিশুদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন উপস্থাপনা যেন না থাকে, সে বিষয়ে তিনি আরও সতর্ক থাকবেন।সম্প্রতি ২৫ এপ্রিল নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। ৩৩ বছর পর ‘খলনায়ক’-এর সিকুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নিয়ে তিনি আবারও দর্শকের সামনে আসছেন।

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

সামাজিক মাধ্যমে মিম শেয়ার, বিপাকে পড়েছেন প্রকাশ রাজ

ভারতের আম আদমি পার্টি (আপ) ছেড়ে গত শুক্রবার ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগদানের ঘোষণা দিয়ে চমকে দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। তার এই দলবদল নিয়ে যখন পুরো ভারতজুড়ে রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে, তখনই আগুনে ঘি ঢাললেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ। একটি বিতর্কিত মিম শেয়ার করে এবার বড়সড় বিপাকে পড়েছেন এই প্যান ইন্ডিয়া তারকা। নিজের সোজাসাপ্টা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ রাজ সবসময়ই পরিচিত। রাঘব চাড্ডার দলবদল প্রসঙ্গে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মিম শেয়ার করেন যেখানে লেখা ছিল, ‘আমি পুলিশ বাহিনী ছাড়ছি কারণ তারা অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। আর এই কারণেই আমি এখন দাউদ ইব্রাহিমকে আমন্ত্রণ করতে চলেছি।’ মিমটির ক্যাপশনে অভিনেতা শুধু লিখেছেন, ‘শুধু জিজ্ঞাসা করছি’। প্রকাশের এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। নেটিজেনদের একাংশ বিষয়টিকে কুরুচিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘স্যার, আপনার ভাষার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।’ অন্যজন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এটা কি একজন প্যান ইন্ডিয়া অভিনেতার ভাষা হতে পারে?’ অনেকেই দাবি করেছেন, অভিনেতার রাজনৈতিক হতাশা থেকেই এই ধরনের মন্তব্যের জন্ম।তবে শুধু প্রকাশ রাজ নন, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও রাঘব চাড্ডার এই সিদ্ধান্তে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একটি ভিডিও বার্তায় ধ্রুব রাজনীতিকে ‘সবচেয়ে বড় প্রতারক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, ইডি ও সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতেই ভয়ে আপ ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন রাঘব।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

দক্ষিণ এশিয়ার ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যুতে বিভাগের শিক্ষক গ্রেফতার

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রশ্ন ফাঁসের খবর ভিত্তিহীন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে এডিবির নতুন উদ্যোগ

খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে এডিবির নতুন উদ্যোগ

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্লিন এনার্জি, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক যান এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ সম্পদের সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে নতুন অর্থায়ন সুবিধা চালু করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।রোববার (০৩ মে) উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠিত এডিবির ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা এ উদ্যোগের ঘোষণা দেন।‘ক্রিটিক্যাল মিনারেলস-টু-ম্যানুফ্যাকচারিং ফাইন্যান্সিং পার্টনারশিপ ফ্যাসিলিটি’ নামের এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু খনিজ উত্তোলনে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন ও রিসাইক্লিংয়ের মতো উচ্চ-মূল্যের খাতে অঞ্চলটিকে এগিয়ে নেওয়া। এর মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তুতি, নীতি সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগে সহায়তা দেওয়া হবে।মাসাতো কান্দা বলেন, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো যেন কেবল কাঁচামালের উৎস হয়ে না থাকে, বরং খনিজ সম্পদভিত্তিক শিল্প থেকে কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও মূল্য সংযোজনের সুফল নিজেদের মধ্যেই ধরে রাখতে পারে—সেই লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ।এডিবি জানায়, এই অর্থায়ন সুবিধার দুটি অংশ রয়েছে। প্রথমটি অনুদানভিত্তিক, যেখানে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, পরিবেশগত ও সামাজিক মূল্যায়ন এবং কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। এতে জাপান ২০ মিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্য ১.৬ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।দ্বিতীয় অংশ ‘ক্যাটালিটিক ফাইন্যান্স উইন্ডো’, যা সহ-অর্থায়ন ও ঝুঁকি ভাগাভাগির মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে কোরিয়া এক্সিম ব্যাংক এবং কোরিয়ান ট্রেড ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন প্রত্যেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।সংস্থাটি ইতোমধ্যে ভারত-এ ব্যাটারি উৎপাদন, মঙ্গোলিয়া-তে ভূতাত্ত্বিক ডেটা ম্যাপিং, উজবেকিস্তান-এ এআইভিত্তিক ধাতু উৎপাদন এবং ফিলিপাইন-এর খনিজ খাতে নীতি সংস্কারে কাজ করছে। নতুন এই উদ্যোগটি এডিবির ২০২৫ সালের খনিজ কৌশল বাস্তবায়নে গতি আনবে।এডিবি আরও জানায়, এই সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত সব প্রকল্পকে কঠোর পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালা এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।এই উদ্যোগের মাধ্যমে অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করছে সংস্থাটি।

মে মাসের এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ

মে মাসের এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ

শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা

শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা

গ্রামীণফোন ও প্রাইম ব্যাংক ফিনটেক এর সমঝোতা স্মারক  স্বাক্ষর

গ্রামীণফোন ও প্রাইম ব্যাংক ফিনটেক এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপমন্ত্রী ইঞ্জি. ওয়ালিদ আবদুল করিম আল খুরেইজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।রিয়াদে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসেবে হুমায়ুন কবির সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সংহতির বার্তা হস্তান্তর করেন।বৈঠকে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে নতুন সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার ও বহুমুখী করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ তুলে ধরেন।তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সকে তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী ওয়ালিদ আবদুল করিম আল খুরেইজি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রদত্ত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুজনের মধ্যে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আবারও তাদের সি-সিরিজ ডিভাইসের নতুন স্মার্টফোন রিয়েলমি সি১০০আই উন্মোচন করতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশে ডিভাইসটির প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স ও দীর্ঘসময় চার্জ থাকবে এমন স্মার্টফোন চাচ্ছেন এমন ব্যবহারকারীদের জন্যই ডিভাইসটি নিয়ে আসা হয়েছে। একইসাথে, অ্যাডভান্স বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতাদের জন্য এক্সক্লুসিভ আর্লি-বার্ড সুবিধা রয়েছে এতে।প্রি-বুকিং ক্যাম্পেইনটি ০৬ মে পর্যন্ত চলবে। এর মাধ্যমে ক্রেতারা দুই বছরের ওয়ারেন্টি ও টপপের মাধ্যমে ০% ইন্টারেস্টে ইএমআই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন, যা ডিভাইসটিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলবে।ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিয়ে আসা রিয়েলমি সি১০০আইতে সুবিশাল ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্র্যান্ডটির ‘অল ডে এনার্জি, ওরি-ফ্রি ব্যাটারি লাইফ’ প্রতিশ্রুতিরই অংশ। ডিভাইসটিতে ৬.৭৭ ইঞ্চির ১২০ হার্জ আলট্রা স্মুথ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে, এখন ২১ ঘন্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং ও ৯৬.৪ ঘণ্টা পর্যন্ত মিউজিক প্লেব্যাক করা সম্ভব হবে।মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটারের রিয়েলমি সি১০০আই এই সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন। একইসাথে, এতে ৬ ওয়াটের রিভার্স চার্জিং রয়েছে এবং ১৬০০+ সাইকেল ব্যবহারে সক্ষম ৬ বছরের ব্যাটারি ডিউরেবিলিটি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও গেমিং, স্ট্রিমিং বা ব্যস্ত রাস্তায় চলাচলের সময় কল, এলার্ট বা মিডিয়া স্পষ্টভাবে টের পাওয়া নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ৩০০% ভলিউম ও আলট্রা-ক্লিয়ার স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে।অনবদ্য ব্যাটারি লাইফ, স্লিম ডিজাইন ও অনন্য বিনোদন ফিচার নিয়ে আসার মাধ্যমে এই সেগমেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় উন্মোচনগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে যাচ্ছে এই রিয়েলমি সি১০০আই।

বাংলাদেশে স্মার্ট লিভিংকে নতুনভাবে তুলে ধরতে হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে এলো শাওমি

বাংলাদেশে স্মার্ট লিভিংকে নতুনভাবে তুলে ধরতে হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে এলো শাওমি

ঈদুল আজহা হ্যাপিনেস অফারের পাশাপাশি অপোর নিশ্চিন্ত রিপ্লেসমেন্টের ঘোষণা

ঈদুল আজহা হ্যাপিনেস অফারের পাশাপাশি অপোর নিশ্চিন্ত রিপ্লেসমেন্টের ঘোষণা

দারাজ ৫.৫ মেগা ইদ সেল

দারাজ ৫.৫ মেগা ইদ সেল

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা এবং নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে একটি মসজিদের ইমামের মাদরাসাছাত্রী মেয়েকে অপহরণ, পরিবারের সদস্যদের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং লুটপাটের ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এ ঘটনা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনকভাবে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করতে না পারা চরম উদ্বেগজনক। আমি অবিলম্বে অপহৃত মেয়েটিকে অক্ষত উদ্ধার, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরো বলেন, যাদের ছত্রছায়ায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই চলেছে, সামাজিকভাবে এদেরকে বয়কট করতে হবে এবং দেশবাসীকে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে। বিশেষভাবে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।অপরাধীদের প্রশ্রয় দিয়ে কোনোভাবেই এ ধরনের বর্বরতা চলতে দেওয়া যায় না।

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী আটক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’ গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি দল চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত পশ্চিমবঙ্গে যারাই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি একই থাকবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ ৯ মে দেশের কোথাও লোডশেডিং নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী মেট্রোরেল চলাচলের সময় আরও বাড়ছে গাঁজাসহ স্বামী -স্ত্রী আটক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইন্দো-প‍্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশল ঠিক করবে: পল কাপুর শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড: ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী এ বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’ গাজীপুর থেকে ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে পরিভ্রমণে রোভার স্কাউটের দুটি দল চীনের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, ২১জন নিহত