ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। এসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সরকারপ্রধান।বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎকালে এ অবস্থানের কথা জানান তিনি।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। সাক্ষাতে টিআইবির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি এবং তা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নীতি হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।সাক্ষাতের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনীকে মাঠে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে না।বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সিলেট বিভাগের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় পাথর আহরণ নিয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং পুলিশ বাহিনীকে আবারও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের আস্থা তৈরি হয়েছে।সেনাবাহিনী নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক কোনো প্রেস ব্রিফিং করেনি। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সরকার পর্যায়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনীকে মাঠে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে না।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুলিশ বাহিনীকে একটি কার্যকর ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। জনগণের মনেও সেই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনীকে মাঠ থেকে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে কীভাবে এই প্রত্যাহার কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে বসে পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি। চলমান বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, জুয়াড়ি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সময় শেষ হয়ে যায়নি। অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন অভিযান চলছে। প্রতিদিনই দাগী আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জুয়া ও অস্ত্র-সংক্রান্ত অপরাধীদের আটক করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও যৌথ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এককভাবেও অভিযান পরিচালনা করছে।‘বড় গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করে অভিযানে নেমেছি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারের চলমান অভিযানের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

​এক কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই যুগ আগের মামলায় আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করেছেন।বিচার শুরু হওয়া অন্য আসামিরা হলেন- ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাব রক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ও ভোলার মোশাররফ হোসেন। এই তিনজনের মধ্যে জামিনে থাকা মোশাররফ হোসেন এদিন আদালতে হাজির ছিলেন। গত ১৯ এপ্রিল তোফায়েল আহমেদ ও আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়।মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সম্প্রতি উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

  • মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ইউনূস-আসিফ নজরুল-শফিকুলদের নামে মামলার আবেদন

    মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ইউনূস-আসিফ নজরুল-শফিকুলদের নামে মামলার আবেদন

  • জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

    জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

  • সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকারাবদ্ধ: ইফতেখারুজ্জামান

    সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকারাবদ্ধ: ইফতেখারুজ্জামান

  • দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়লো

    দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়লো

  • ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা প্রবল: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা প্রবল: ট্রাম্প

  • যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

    যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

সব খবর

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। ফিরে আসা এই ১৭৪ জন নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইওএম-এর প্রতিনিধিরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানা গেছে। তাদের বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইওএমর পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে যাতায়াত ভাতা ও জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে মোট ৮৯৫ জন বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। তাদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে এই ১৭৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো।আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও দুটি ধাপে অবশিষ্টদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। ১৮ মে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও একটি বড় দল ফিরবে। ২৪ মে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে অবশিষ্টদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে চলতি মাসেই লিবিয়া থেকে মোট ৫২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের ঘরে ফেরার কথা রয়েছে। ফিরে আসা অভিবাসীদের অধিকাংশকেই দালালের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান

দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার ও পুনর্গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানতিনি বলেন, সুশাসন এবং দুর্নীতিবিরোধী বিষয়ে সরকার প্রধানকে কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলোকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন এবং বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার বিশ্বজুড়ে বার্তা দিতে চায় যে- তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ও অঙ্গীকারবদ্ধ। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে ২০২৮ সালের আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী কনফারেন্স বাংলাদেশে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে টিআইবি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতি দুই বছর পরপর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর এ সম্মেলন ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে আয়োজন করা হবে। এর আগে এশিয়ায় মাত্র তিনটি দেশ—মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৮ সালের সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজনের উপযুক্ত সময়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি পাওয়া গেলে বাংলাদেশে এই সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।সাক্ষাতের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

খাগড়াছড়িতে গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সদস্য

খাগড়াছড়িতে গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সদস্য

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে উপজেলার ইসলামপুরে হর্টিকালচার সেন্টার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নেতার নাম মো. ইমন হোসেন (২৫)। তিনি পানছড়ি উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সহযোগী সদস্য। সংগঠনটির দাবি, এ হত্যাকাণ্ডে ইউপিডিএফ (প্রসীত) জড়িত।জানতে চাইলে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সংগঠক অমর চাকমা বলেন, ‘ইমন হোসেন আমাদের সংগঠনের সহযোগী সদস্য। তাঁর স্ত্রী অসুস্থ থাকায় গতকাল বুধবার তিনি বাড়ি যান। সকালে তিনি পানছড়ি বাজারে আসার জন্য সড়কের পাশে গাড়ির অপেক্ষা করছিলেন। তখনই একটি মাহিন্দ্রা গাড়িতে ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের সন্ত্রাসীরা এসে তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়।’তবে এই অভিযোগের বিষয়ে ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানতে চেয়ে সংগঠনটির অন্যতম সংগঠক অংগ্য মারমাকে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তাঁর মুঠোফোনের সংযোগ পাওয়া যায়নি।পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে। নিহত যুবক কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কি না বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না, তবে আঞ্চলিক দলের সদস্য এমনটি শোনা যাচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার নারীর গলাকাটা মরদেহ

সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার নারীর গলাকাটা মরদেহ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি তালাবদ্ধ ভাড়া বাসা থেকে বর্ষা আক্তার নামে এক নারী গার্মেন্টস কর্মীর হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৬ মে বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে পূর্ব নিমাইকাশারী এলাকার মামা-ভাগিনা গলিতে মুহিদুল ইসলামের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বর্ষা আক্তার বাগমারা এলাকার মামুন ওরফে রুবেলের স্ত্রী বলে জানা গেছে।নিহতের স্বজনরা জানান, দুইদিন ধরে বর্ষার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের কেউ তার সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। গতকাল বুধবার তার তালাবদ্ধ ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হলে প্রতিবেশীরা বর্ষার মা ও বোনকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বর্ষার মুখ ও পা বাঁধা এবং গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।পরিবারের সদস্যদের দাবি, বর্ষার স্বামী তাকে তালাক দেওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করলেও তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে যোগাযোগ ছিল। তবে প্রায় দেড় মাস আগে স্বামীর প্রথম স্ত্রীকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে ঝগড়া ও দূরত্বের সৃষ্টি হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক কোনো বিরোধ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট

প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট

মজনু লাইলিকে ভালোবেসে সংসার ও সমাজ ত্যাগ করে বনের পশুপাখির সাথে বসবাস শুরু করেছিলেন। ফরহাদ তার প্রেমিকা শিরির জন্য অসম্ভব কাজ করতে গিয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। চণ্ডীদাস ও রজকিনী রামীর প্রেমকাহিনী বাংলার লোককথা ও বৈষ্ণব সাহিত্যের এক অমর কিংবদন্তি, যা মূলত জাতপাতের ঊর্ধ্বে আত্মিক ও নিষ্কাম প্রেমের নিদর্শন। চতুর্দশ শতকের ব্রাহ্মণ কবি চণ্ডীদাস সমাজ ও জাতপাতের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে ধোপা কন্যা রামীর প্রেমে পড়েন।তেমনি এক বাস্তব প্রেমের কাহিনি ঘটেছে সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার ছনটেকি গ্রামের আব্দুল মালেকের বড় ছেলে সম্রাটের জীবনে। তিন বছর আগেও সম্রাটের চোখে ছিল আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন। সহপাঠীদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে। ২০২১ সালে ফারুকনগর ইসমাইল বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়থেকে এস এস সি পাশ করেন তিনি। স্কুল জীবনের সেই রঙিন দিনগুলোতে ভালোবেসে ফেলেছিলেন ওই স্কুলের এক মেয়েকে। কিন্তু সেই প্রেমই কাল হয়ে দাঁড়াল তার জীবনে। পরিবারের দাবি, প্রিয় মানুষটির একটু দেখা পেতে দীর্ঘ সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতেন সম্রাট। বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি প্রেমিকার পরিবার। অভিযোগ উঠেছে, ওই মেয়ের স্বজনরা সম্রাটকে তিন দফায় নির্মমভাবে মারধর করে। সেই পৈশাচিক আঘাত সরাসরি লাগে সম্রাটের মাথায়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে নিভে যেতে থাকে তার মেধার আলো, পাল্টে যেতে থাকে আচরণের ধরন। টগবগে সুঠাম দেহের অধিকারী সম্রাট এখন শেকলবন্দি এক ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ রোগী। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি সয়ে মানবেতর দিন কাটছে তার।এলাকাবাসী বলছেন শুধু প্রেমের কারণে এমন করুন পরিণতি সত্যি দুঃখ জনক। স্থানীয় বাসিন্দা ছুপিয়া বলেন,সম্রাট সুস্থ সবল ছিলো। পড়া লেখাতেও ভালো ছিলো। কিন্তু এক ঝড় এসে তার জীবনকে নরকে পরিণত করেছে। সম্রাটের সাথে যারা এমন নির্দয় আচরণ করেছেন আমরা তার বিচার চাই।নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে শুনতে পারি সম্রাট যে স্কুলে পড়াশোনা করতো ওই স্কুলের এক মেয়েকে সে পছন্দ করতো। এই অপরাধে নাকি তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে। এর পর থেকেই সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। যার কারণে তাকে পায়ে শিকলবন্দী করে রাখে পরিবার। সম্রাটের মা মোছা: স্বপ্না বেগম বলেন, আমার ছেলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরতো। পড়াশোনাতেও ভালো ছিলো। ছোট বেলা থেকেই কথা কম বলতো। কারো সাথে বেশি মিশতো না। এস এস সি পরীক্ষার পরে সে যে স্কুলে পড়াশোনা করতো ওইস্কুলের একটি মেয়েকে পছন্দ করতো। তাকে দেখার জন্য রাস্তার একপাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো। এরপর মেয়ের পরিবারের সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে তিন দফার মারধর করে। মারধরের পর থেকে সে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। তিন বছর ধরে তার চিকিৎসা করাচ্ছি এখনো সুস্থ হয় না। রুমের জিনিসপত্র ভেঙ্গে ফেলে, বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। বাধ্য হয়ে তার পায়ে শিকল দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখেছি। তিনি বলেন, আমি আর কিছু চাই না। আমার সন্তান যেন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে এটাই চাওয়া। সম্রাটের বাবা আব্দুল মালেক বলেন, আমার ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমি একদম নিঃস্ব হয়ে গেছি। বর্তমানে তাকে চিকিৎসা করাবো এমন পরিস্থিতি আমার আর নেই। ডাক্তার বলেছে তাকে যদি সঠিক চিকিৎসা করানো যায় তাহলে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। দেশের মানুষের কাছে তার ছেলেকে সুস্থ করতে আর্থিক সহায়তা চান তিনি। ছনটেকি গ্রামের এই জঙ্গল থেকে সম্রাটের মুক্তি মিলবে কি? অর্থাভাবে কি নিভে যাবে একটি সম্ভাবনাময় জীবন? সম্রাটের এই অন্ধকার কারাবাস থেকে মুক্তি পেতে এবং তাকে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তুলতে সমাজের বিত্তবান শ্রেণী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি একান্ত প্রয়োজন। একটু সহমর্মিতা আর সঠিক চিকিৎসা হয়তো এই শেকল ভেঙে সম্রাটকে ফিরিয়ে দিতে পারে এক স্বাভাবিক পৃথিবী।

বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়া এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শনকালে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি উপস্থিত ছিলেন।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে কৃষি, শিল্প ও পর্যটনখাতে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে রাজধানীর আকাশপথে যোগাযোগ সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বগুড়া এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।এসময় বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং আকাশসীমা সুরক্ষায় সামরিক সক্ষমতাও আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, পর্যায়ক্রমে বগুড়া এয়ারফিল্ড সামরিক এবং বেসামরিক উভয় বিমান চলাচল অপারেশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে, যা জাতীয় স্বার্থে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিমান উড্ডয়নের জন্য বেবিচক (বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এ ব্যাপারে বেবিচককে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন বিমান বাহিনী প্রধান।পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

নেত্রকোণার মদনে মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ঐ শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তারের পর তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতের বিচারক মোহসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন।মামলার এজহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার আসামি সাগরকে আদালতে উপস্থাপন করে ৭ দিনের রির্মান্ড আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে উভয় পক্ষের আইনজীবীর শুনানি শেষে, আদালত ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন মন্জুর করেন। এর আগে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৪। বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‌্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।প্রসঙ্গত, নেত্রকোনার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১১ বছরের এক মাদরাসা ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত ২৩ এপ্রিল শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে ও হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক। মামলাটি রাষ্ট্র পক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর(পিপি) নুরুল কবীর রুবেল ও আসামী পক্ষে ডিফেন্স ছিলেন এডভোকেট টিপু সুলতান ডায়মন্ড।

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবনের ইতি টেনে খামারি নাজিম, বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের হাতছানি

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবনের ইতি টেনে খামারি নাজিম, বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের হাতছানি

বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি না খেটে সেই শ্রম নিজের দেশের মাটিতে দিতে পারলেই যে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার যুবক মোঃ নাজিম মুন্সি। দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে গড়ে তুলেছেন 'ফাহাদ এম ফার্ম' নামক একটি গরুর খামার। তবে অভাবনীয় এই সাফল্যে খামারির পাশে দাঁড়ায়নি স্থানীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর— এমনটাই অভিযোগ এই উদ্যোক্তার।প্রবাস থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প২০১৭ সালে ভাগ্যান্বেষণে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নাজিম মুন্সি। প্রবাসে থাকাকালীন ইউটিউবে বিভিন্ন গরুর খামারের ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হন তিনি। তখনই সিদ্ধান্ত নেন, প্রবাসে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে আয় করেন, তার চেয়ে সামান্য কম হলেও দেশে মা-বাবার সাথে থেকে নিজের উদ্যোগে কিছু করবেন। সেই লক্ষ্য নিয়ে ২০২৩ সালে ৫টি গরু দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। ২০২৪ সালে গরুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২টিতে। বর্তমানে তার খামারে ১৫টি বিশালাকায় গরু কোরবানির হাটে ওঠার জন্য প্রস্তুত।বিশালদেহী গরুর সংগ্রহ ও খাদ্যাভ্যাসসরেজমিনে খামারে গিয়ে দেখা যায়, নাজিম মুন্সির সংগ্রহে থাকা গরুগুলো উচ্চতা ও ওজনে বেশ নজরকাড়া। খামারের অধিকাংশ গরুই ৭ ফুট লম্বা এবং ৫ ফুট উচ্চতার। কোনোটির ওজন ১৪ থেকে ১৫ মণ, আবার কোনোটি ১০ থেকে ১২ মণের। খামারে রয়েছে উন্নত জাতের শাহীওয়াল, গির এবং ৩টি ব্রাহামা গরু। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খড় ও ভুষি খাইয়ে কোনো প্রকার ক্ষতিকর হরমোন ছাড়াই গরুগুলোকে লালন-পালন করা হয়েছে।খামারে সফলতা থাকলেও নাজিম মুন্সির মনে রয়েছে ক্ষোভ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদেশে মাসের ১ লাখ টাকা আয়ের চেয়ে দেশে ৮০ হাজার টাকা আয় করা অনেক আরামের। বিদেশের খাটুনির তিন ভাগের দুই ভাগ শ্রম দেশে দিলে দ্বিগুণ আয় সম্ভব। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমি নিজ উদ্যোগে এত বড় খামার করলেও আজ পর্যন্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি। কোনো মাঠকর্মী বা কর্মকর্তা পরামর্শ দিতেও আসেননি। সরকারি তদারকি ও কারিগরি সহায়তা পেলে খামারটি আরও বড় করার স্বপ্ন দেখেন তিনি।আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরুগুলোকে বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছেন নাজিম। তার প্রত্যাশা, উপযুক্ত দাম পেলে এবার কোরবানির মৌসুমে গরুগুলো বিক্রি করে তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকা মুনাফা হবে।অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রকাশ বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। কোনো মন্তব্য না করে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আপনার যা ইচ্ছা আপনি তা-ই লেখেন।

দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান

দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার ও পুনর্গঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানতিনি বলেন, সুশাসন এবং দুর্নীতিবিরোধী বিষয়ে সরকার প্রধানকে কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বিষয়গুলোকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন এবং বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার বিশ্বজুড়ে বার্তা দিতে চায় যে- তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ও অঙ্গীকারবদ্ধ। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে ২০২৮ সালের আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী কনফারেন্স বাংলাদেশে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে টিআইবি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতি দুই বছর পরপর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর এ সম্মেলন ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে আয়োজন করা হবে। এর আগে এশিয়ায় মাত্র তিনটি দেশ—মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে।তিনি আরও বলেন, ২০২৮ সালের সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজনের উপযুক্ত সময়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি পাওয়া গেলে বাংলাদেশে এই সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।সাক্ষাতের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকারাবদ্ধ: ইফতেখারুজ্জামান

সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অঙ্গীকারাবদ্ধ: ইফতেখারুজ্জামান

মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ইউনূস-আসিফ নজরুল-শফিকুলদের নামে মামলার আবেদন

মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ইউনূস-আসিফ নজরুল-শফিকুলদের নামে মামলার আবেদন

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

৬ জেলায় বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু

৬ জেলায় বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু

সচিবালয় থেকে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সচিবালয় থেকে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে ১৬ মে চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন সহজের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে: গালিবাফ

ইরান যুদ্ধের প্রভাব: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

ইরান যুদ্ধের প্রভাব: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা

শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা

ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা প্রবল: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা প্রবল: ট্রাম্প

ইরান রাজি না হলে হামলা আরও তীব্র হবে, হুমকি ট্রাম্পের

ইরান রাজি না হলে হামলা আরও তীব্র হবে, হুমকি ট্রাম্পের

জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের

জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের সমাধানের দাবিতে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদী কর্মসূচি ‘জনতার সংসদ’-এর ডাক দিয়েছে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘গণবিপ্লবী উদ্যোগ’। জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে গঠিত বর্তমান জাতীয় সংসদের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সরাসরি জনগণের অংশগ্রহণে এই বিকল্প সংসদ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।আয়োজকরা জানিয়েছেন, কর্মসূচিতে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সময় ও স্থান জানানো হবে।আয়োজকদের দাবি, জুলাইয়ের রক্তাক্ত আত্মত্যাগের পর সাধারণ মানুষ আশা করেছিল সংসদ হবে গণমানুষের কণ্ঠস্বর। কিন্তু বাস্তবে জনজীবনের মৌলিক সংকটগুলো সমাধানে বর্তমান সংসদ ব্যর্থ হচ্ছে। টং দোকান থেকে শুরু করে অফিস-আদালত—সবখানেই সংসদের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা থাকলেও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের।এ বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও গণবিপ্লবী উদ্যোগের প্রতিনিধি আরিফ সোহেল বলেন, “জুলাইয়ের রক্তাক্ত আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়েছে, তার প্রথম অধিবেশনেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ফারাক জনগণ বুঝতে পেরেছে। জ্বালানি তেলের সংকট, মূল্যবৃদ্ধি, সংস্কার কার্যক্রম বাতিল করে গুম ও হয়রানির পথ আবারও উন্মুক্ত করা, স্বাস্থ্যখাতের ব্যর্থতা—কোনো ক্ষেত্রেই সংসদ কার্যকর সমাধান দিতে পারেনি।”তিনি আরও বলেন, “যে জনগণ এই সংসদকে নির্বাচিত করেছে, তাদের অবজ্ঞা করে সার্বভৌমত্ব সংসদের—জনগণের নয়, এমন দাবি তোলা হয়েছে। অথচ এই সংসদ পরিচালনায় প্রতি মিনিটে জনগণের পকেট থেকেই লাখ টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে।”সংস্কার প্রশ্নে আপসের সমালোচনা করে আরিফ সোহেল বলেন, “জুলাই-পরবর্তী সংস্কারের প্রশ্নে কোনো আপস হওয়ার কথা না থাকলেও সংসদে ‘মিনমিনে বিরোধিতা’র মাধ্যমে জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে গণবিপ্লবী উদ্যোগ কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের নিয়ে জাতীয় সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনে আলোচিত কিংবা অনালোচিত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নাগরিক সংলাপের আয়োজন করছে। এই সংলাপ সংসদীয় পদ্ধতিতেই হবে এবং জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।”তিনি দাবি করেন, “এই কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় সংসদ কোথায় কোথায় জনআকাঙ্ক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণা আবার সামনে নিয়ে আসা সম্ভব হবে। প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণই শেষ কথা। আইন, সংসদ কিংবা আদালত—সবই জনগণের ইচ্ছার অধীন।”অংশগ্রহণের উপায়কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য একটি রেজিস্ট্রেশন লিংক চালু করা হয়েছে। আগ্রহীরা ফেসবুকে “People’s Revolutionary Initiative - PRI” পেজে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান

গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের

এসএসপি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু আবিদ

এসএসপি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু আবিদ

এনসিপিতে ভিড়লেন জামায়াতের সাবেক আমিরের ছেলে নাদিমুর

এনসিপিতে ভিড়লেন জামায়াতের সাবেক আমিরের ছেলে নাদিমুর

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জামায়াতের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

ফুলপুরে মানবেতর দিনযাপন করছে মুচি সম্প্রদায়

ফুলপুরে মানবেতর দিনযাপন করছে মুচি সম্প্রদায়

নেত্রকোনায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৮ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আটক ১

নেত্রকোনায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৮ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আটক ১

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরশহরের খলিফাপট্টি এলাকায় অবৈধ জালের গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় সোহেল মিয়া (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে পৌরশহরের খলিফাপট্টি এলাকার জব্বার মার্কেটের একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব জাল জব্দ করা হয়।আটক সোহেল মিয়া পাশের সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের চকিয়াচাপুর গ্রামের খাউজ আলীর ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোহেল মিয়া মোহনগঞ্জ পৌরশহরের খলিফাপট্টি এলাকায় দোকানঘর ভাড়া নিয়ে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল বিক্রি করে আসছিলেন। বুধবার গভীর রাতে একটি ট্রাকে করে নতুন চালান এনে গুদামে জাল আনলোড করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে জালসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।জব্দ করা জালের মধ্যে রয়েছে ২৩৪ পিস বড় এবং ১১৪ পিস ছোট চায়না দুয়ারি জাল। প্রতিটি জালের মূল্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা হিসেবে মোট জব্দকৃত জালের মূল্য প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মোহনগঞ্জ পৌরশহরের জালপট্টি ও খলিফাপট্টি এলাকায় অসংখ্য ব্যবসায়ী গোপনে এসব অবৈধ জাল বিক্রি করছেন। হাওরাঞ্চলে অবৈধ জালের অন্যতম বড় আড়ৎ হিসেবে পরিচিত এই এলাকা থেকে খালিয়াজুরী, মদন, বারহাট্টা এবং পাশের জেলা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, মধ্যনগর ও জামালগঞ্জ উপজেলায় এসব জাল সরবরাহ করা হয়।মৎস্যসংশ্লিষ্টরা জানান, চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে হাওরের মা মাছ ও পোনা মাছ নির্বিচারে নিধন করা হচ্ছে। এতে দেশীয় মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং জলজ প্রাণীসহ হাওরের জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, “এসব অবৈধ জালের কারণে হাওরের মা মাছ ও পোনা মাছ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এখনই কঠোরভাবে দমন না করলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছ পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে।” তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট

প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট

মতলবে রিপন হত্যার এক মাস পরও অধরা আসামি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

মতলবে রিপন হত্যার এক মাস পরও অধরা আসামি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবনের ইতি টেনে খামারি নাজিম, বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের হাতছানি

টুঙ্গিপাড়ায় প্রবাস জীবনের ইতি টেনে খামারি নাজিম, বছরে ১০ লাখ টাকা লাভের হাতছানি

খাগড়াছড়িতে গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সদস্য

খাগড়াছড়িতে গুলিতে নিহত ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সদস্য

সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার নারীর গলাকাটা মরদেহ

সিদ্ধিরগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার নারীর গলাকাটা মরদেহ

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের সংগঠন ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র প্রায় ৪ হাজার সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিচ্ছেন।সোমবার (৪ মে) এনসিপি এবং ওয়ারিয়র্স অব জুলাই কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে এনসিপি কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই নেতৃবৃন্দ এনসিপিতে নাম লেখাবেন।এ যোগদান উপলক্ষ্যে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই নেতারা এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সভাপতি মো. সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিসান, সহ-সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মুস্তাইম বিল্লাহ হাবীবি, কোষাধ্যক্ষ মো. গোলাম আজম, কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্পাদক মো. মতূজা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির শিকদার উপস্থিত ছিলেন।ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সভাপতি মো. সালমান বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আমরা সংগঠনের সব নেতা-কর্মী সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এনসিপিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে। দীর্ঘ দেড় বছর আমরা ছোট সংগঠন নিয়ে লড়াই করে আসছিলাম জুলাই সনদসহ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করতে। কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকারের যে মনোভাব সেখানে আমাদের ছোট সংগঠন থেকে লড়াই করে তেমন ফল মিলছে না। সব মিলিয়ে গণভোট, জুলাই সনদ, জুলাই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমাদের সব সংগ্রাম। আর সেই সংগ্রামকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে, দেশের মানুষের চাওয়া পূরণ করতে আমরা এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছি।ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র সহ-সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম গাজী বলেন, দেশজুড়ে বিস্তৃত কাজ রয়েছে এমন সবচেয়ে বড় সংগঠন ওয়ারিয়র্স অব জুলাই। আমরা যেসব পরিবর্তনের চিন্তা মাথায় রেখে জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলাম সেসব পরিবর্তনে সেসব সংস্কারে বর্তমান সরকারের অনীহা আজ সবার সামনে স্পষ্ট। এজন্য সংস্কারের যে আশা সেই আশাটুকু বাঁচিয়ে রাখতে জুলাইয়ের ভ্যানগার্ড এনসিপির মিছিলে যোগ দেওয়ার বিকল্প নেই। আমরা যেমন যুক্ত হচ্ছি, একইসঙ্গে দেশবাসীকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের একটি বড় অংশ এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। সব শ্রেণিপেশার, সব চিন্তাধারার মানুষ দেশের স্বার্থের রাজনীতিটা করতে এনসিপিকে বেছে নিচ্ছে এটাই এই মুহূর্তের বাস্তবতা। আমরা আরও সাংগঠনিক শক্তি অর্জনের দিকে মনোযোগ দেব, মানুষের জীবনের সমস্যাগুলো সমাধানের রাজনীতিটা করে যাব।

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ ড্র করল নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে ১০৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

শুরু হয়েছে জাতীয় স্নুকার প্রতিযোগিতা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

বিশ্বকাপের আগে কানাডায় ইরানের ফুটবল কর্মকর্তার প্রবেশে বাধা

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ইরফান খানের স্মরণে মুক্তি পেলো ছবি ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদে আসছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। এতে অভিনয় করেছেন লামিমা লাম, সুদীপ বিশ্বাস দীপ ও সঞ্জয় রাজসহ আরও অনেকে। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব।জানা গেছে, সম্প্রতি ৩০০ ফিট ও ডাক্তার বাড়ি-২ লোকেশনে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ‘হিয়ার মাঝে’ নাটকটি আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভি-তে প্রচারিত হবে। নাটকটির মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে রয়েছে এসকে মিডিয়া পিআর।এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লামিমা লাম বলেন, 'হিয়ার মাঝে' নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে। প্রতিটি সিনে আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সহশিল্পী দীপের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং আমাদের কেমিস্ট্রি দারুণ হয়েছে। এছাড়াও নির্মাতা রাজীব ভাইয়ের সঙ্গে আগেও কাজ করেছি, তাই কাজের অভিজ্ঞতাও ছিল স্বচ্ছন্দ। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য ভালো একটি কাজ হবে বলে আশা করছি।'অভিনেতা সুদীপ বিশ্বাস দীপ বলেন, 'নাটকটির শুটিং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। আশা করি, দর্শকরা ঈদে টিভির পাশাপাশি ইউটিউবেও নাটকটি উপভোগ করতে পারবেন। লামিমা লামের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ, এবং তার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। আমাদের জুটিকে দর্শকদের ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস করি।'অভিনেতা সঞ্জয় রাজ বলেন, ঈদ উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘হিয়ার মাঝে’। সজল আহমেদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন আনিসুর রহমান রাজীব। নাটকটির গল্প অনেক সুন্দর। আমি প্রায় ৩০ বছর ধরে অভিনয় করছি, এই সময়ে নানা ধরনের চরিত্রে কাজ করেছি। বর্তমানে নিয়মিত নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করছি। এই নাটকেও দর্শক আমাকে একেবারে নতুন একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন। আশা করি, আমার এই ভিন্নধর্মী উপস্থিতি দর্শকদের ভালো লাগবে।

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ফারুকীর বিরুদ্ধে অরুণা বিশ্বাসের বিস্ফোরক অভিযোগ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দেশের আলোচিত অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি দাবি করেন, ফারুকীর কারণে কিছু শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের কিছু শিল্পীর জীবন ফারুকী শেষ করে দিয়েছে। সে মনে করছে সে জিতে গেছে, কিন্তু সে জীবনেও জিততে পারবে না।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের ভেতরে কাজের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। ‘আমি আমার দেশটাকে মিস করি। কোথাও কাজ করতে পারতাম না, কোথাও ঢুকতে পারতাম না। যেখানেই গেছি, সেখানেই ফারুকী। টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করে রাখতো’- বলেন এই অভিনেত্রী।একটি অনুষ্ঠানে ফারুকীর স্ত্রীর আচরণ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অরুণা বিশ্বাস। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক শিল্পীর দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অনেক অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের সেই অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’লাইভে তিনি আরও বলেন, দেশের পরিস্থিতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। ‘আমি হয়তো জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভুলব না, কীভাবে আমাকে নিজের দেশ ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে’- যোগ করেন তিনি।তবে দেশ ছাড়ার পেছনে সরাসরি কোনো চাপ ছিল না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। তার কথায়, ‘আমাকে কেউ কিছু বলেনি। কিন্তু কেন জানি মনে হয়েছে, আমার চলে যাওয়া উচিত।’ এয়ারপোর্টে এক ব্যক্তির আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন লোক আমাকে বারবার বিরক্ত করছিল। আমি জানতে চাই, কেন সে এমন করছিল। আশা করি, একদিন তার সঙ্গে দেখা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারব।’অরুণা বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি কানাডায় বসবাস করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে কানাডায় আছি। আমার পাসপোর্ট না থাকলে আমি আসতাম না। আমি পালিয়ে আসিনি’। এই বিষয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

ব্যাচেলর পয়েন্টে যুক্ত হলেন নেপালি অভিনেত্রী

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকের পঞ্চম সিজনের শুটিং চলছে নেপালে। সেখানে ব্যাচেলর পয়েন্ট টিমের সঙ্গে যুক্ত হলেন নেপালের অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা। বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্মাতা জানান, ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভের চ্যাপটার ১২-তে সারপ্রাইজ তাঁকে দেখা যাবে।ফেসবুকে রাজেশ্রী থাপার ছবি পোস্ট করে পরিচালক ক্যাপশনে লেখেন, চরিত্রটি কে হতে পারে অনুমান করুন। এরপর তাঁর কমেন্ট বক্সে হাজার হাজার ফানি মন্তব্য পড়তে দেখা যায়।গত বছর কোরবানির ঈদের সময় থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে শুরু হয়েছে ব্যাচেলর পয়েন্ট ফাইভের প্রচার। নতুন সিজনে শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে চমক। পাঁচ বছর পর এই সিজনে ফিরে এসেছেন নেহাল ও আরিফিন চরিত্রে অভিনয় করা তৌসিফ মাহবুব ও শামীম হাসান সরকার। যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্রও। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মনিরা মিঠু প্রমুখ।ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ব্যাচেলর পয়েন্টের নতুন এই সিজন প্রচার হচ্ছে চ্যানেল আই এবং বুম ফিল্মস ইউটিউব চ্যানেলে।

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।সিদ্দিক আরও বলেন, ‘আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তির পর গত কয়েকদিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।’উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

মৃত স্বামীর বিরুদ্ধে ‘নির্মম’ কটাক্ষের জবাবে মুখ খুললেন রাহুলপত্নী প্রিয়াঙ্কা

অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন এক মাস হয়ে গেছে। গত ২৯ মার্চ ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে কলকাতার তালসারির সমুদ্রে ডুবে মারা যান এই অভিনেতা। রাহুলের মৃত্যুর পর নেটপাড়ার একটা অংশের ট্রলের মুখে পড়েন তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।স্বামীর শেষকৃত্যে একটি কুর্তা আর ডেনিম জিন্স পরে দেখা গিয়েছিল তাকে। তবে শুধু পোশাক নিয়ে নয়, কিছু মানুষ তো প্রশ্ন তোলেন, কেন একবারও চোখের পানি ফেলতে দেখা গেল না প্রিয়াঙ্কাকে! প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের যখন প্রিয়াঙ্কার মাথায় স্নেহের হাত রাখেন, তখন কেন এক চিলতে হাসি ফুটেছিল প্রিয়াঙ্কার মুখে! এরকমই আজব আর কুরুচিকর কমেন্টে ভরে যায় সোশ্যাল মিডিয়া।আপাতত নিজের পরবর্তী ওয়েব সিরিজ ‘কুহেলি’র প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত আছেন প্রিয়াঙ্কা। অবশ্য এই নিয়েও কম কটাক্ষ হয়নি, একদল নিন্দুকেরা প্রশ্ন তোলে, ‘স্বামী হারা একজন কীভাবে এত তাড়াতাড়ি কাজে ফিরল!’ তবে এবার সব ট্রলের জবাব দিলেন অভিনেত্রী। ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে স্পষ্ট করলেন, শত নেতিবাচকতার মধ্যেও ভালোটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমি চেষ্টা করি সব পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই ভালোটা খুঁজে নেওয়ার। আমার মনে হয় যে, যখনই এরকম কোনো পরিস্থিতি এসছে, পাঁচজন হয়তো নেগেটিভ কথা বলেছে, কিন্তু ৫০ জন পাশে থেকেছেন এবং ভালো কথা বলেছেন। সেই পাঁচজনকে আমার গুরুত্ব না দিলেও চলবে। যে ৫০ জন পাশে থেকেছে, তারাই কিন্তু আমাদের হয়ে লড়াইগুলো করে। আসলে অনেকেই বাজে কথা বলে, কারণ তারা মনোযোগ চায়। আর এদেরকে গুরুত্ব না দেওয়া সবচেয়ে ভালো রেসপন্স হতে পারে।’প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, ‘যেমন তোমার চারপাশে থাকা মানুষগুলোর সঙ্গে তুমি তোমার কষ্টের কথা ভাগ করে নাও, মন হালকা করো। তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় পজিটিভিটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এরা তোমার মনোযোগ ডিজার্ভ করে। যারা তোমার জন্য লড়াই করছে। কেন আমি নেতিবাচক কথাকে আমার জীবনে প্রভাব ফেলতে দেব!’ প্রসঙ্গত, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রিয়াঙ্কা সরকার— টলিউডের এক সময়ের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ সিনেমা দিয়ে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা জুটি যে ইতিহাস তৈরি করেছিল, তা আজীবন ভক্তদের মনে থাকবে।

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

গান নিয়ে বিতর্কে ক্ষমা চাইলেন সঞ্জয়, নিলেন ৫০ কন্যাশিশুর শিক্ষার দায়িত্ব

সরকে চুনর তেরি- গান ঘিরে তৈরি বিতর্কের প্রেক্ষিতে মহিলা কমিশনে হাজির হয়ে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। কমিশনের সামনে দেওয়া বক্তব্যে সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, তার উদ্দেশ্য কখনোই সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলা ছিল না। একই সঙ্গে তিনি একটি সামাজিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন—৫০ জন আদিবাসী কন্যাশিশুর সম্পূর্ণ শিক্ষার দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।এই বিতর্কে নাম জড়ালেও এদিন উপস্থিত ছিলেন না অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। বিদেশে অবস্থানের কারণে তিনি আগেই সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তার জন্য নতুন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে।মূলত কে ডি: দ্য ডেভিল ছবির হিন্দি সংস্করণের একটি গানকে ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গান প্রকাশের পর এর ভাষা ও উপস্থাপনা নিয়ে একাংশ আপত্তি তোলে। বিশেষ করে গানের কিছু অংশকে অশালীন বলে অভিযোগ করা হয় এবং নোরা ফাতেহির নৃত্যভঙ্গিমা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।সবশেষে কমিশনের সামনে সঞ্জয় দত্ত আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে তার সঙ্গে যুক্ত যেকোনো কাজে নারী ও শিশুদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন উপস্থাপনা যেন না থাকে, সে বিষয়ে তিনি আরও সতর্ক থাকবেন।সম্প্রতি ২৫ এপ্রিল নতুন সিনেমার ঘোষণা দিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। ৩৩ বছর পর ‘খলনায়ক’-এর সিকুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’ নিয়ে তিনি আবারও দর্শকের সামনে আসছেন।

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা এডুকেশন হাব হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেন জঙ্গি কারখানায় পরিণত না হয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটকে থাকা শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জকসু নেতাকে থাপ্পড়: জবি থেকে ছাত্রদল নেত্রী বহিষ্কার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু ২ জুন

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

৪ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামূল্য পড়ার সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

দক্ষিণ এশিয়ার ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

তা’মীরুল মিল্লাতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়লো

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়লো

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা।৭ মে বৃহস্পতিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। নতুন নির্ধারিত দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে নতুন দর সমন্বয় করা হয়েছে।নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে, ৬ মে সকালে সর্বশেষ সমন্বয়ে ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি ও ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলো

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলো

ফুডির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী

ফুডির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী

খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে এডিবির নতুন উদ্যোগ

খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে এডিবির নতুন উদ্যোগ

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে ফিরেছেন ১৭৪ জন বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হয়েছে। ফিরে আসা এই ১৭৪ জন নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আইওএম-এর প্রতিনিধিরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১৩ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে জানা গেছে। তাদের বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইওএমর পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে যাতায়াত ভাতা ও জরুরি খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে মোট ৮৯৫ জন বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করেছিল। তাদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে এই ১৭৪ জনকে ফেরত পাঠানো হলো।আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও দুটি ধাপে অবশিষ্টদের ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। ১৮ মে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও একটি বড় দল ফিরবে। ২৪ মে ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে অবশিষ্টদের প্রত্যাবাসন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে চলতি মাসেই লিবিয়া থেকে মোট ৫২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকের ঘরে ফেরার কথা রয়েছে। ফিরে আসা অভিবাসীদের অধিকাংশকেই দালালের খপ্পরে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

সৌদি পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

ইতালিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় কসবার শফিকুল নিহত

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

সিউলে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সমাবেশের ডাক

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রিয়েলমি সি১০০আই নিয়ে এসেছে, যা এই সেগমেন্টের ব্যাটারি পারফরম্যান্সে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার ও প্রতিদিন নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য ডিভাইসটি নিয়ে আসা হয়েছে। এতে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে একবার পূর্ণ চার্জে ডিভাইসিটি তিনদিন পর্যন্ত চলতে সক্ষম। ‘ব্যাটারি চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে রিয়েলমি সি১০০আইকে তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লের কারণে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্মুথ গেমিং করা সম্ভব। একইসাথে, এতে ৯৬.৪ ঘন্টা মিউজিক প্লেব্যাক ও ২১ ঘণ্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং করা সম্ভব। ডিভাইসটিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে ১,৬০০-এরও বেশি চার্জ সাইকেলের পাশাপাশি, ৬ বছরের ব্যাটারি লাইফস্প্যান নিশ্চিত করা হয়েছে। বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে এতে রিভার্স চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। শক্তিশালী ব্যাটারি হওয়ার পরও ডিভাইসটি মাত্র ৮.৩৮ মিলিমিটার স্লিম যার ওজন মাত্র ২০৮ গ্রাম, যা এই সেগমেন্টের সবচেয়ে পাতলা ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি স্মার্টফোন। ডিভাইসটিতে ৬.৮ ইঞ্চি এইচডি+ ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট রয়েছে। একইসাথে, রিফাইন্ড লুক নিশ্চিত করতে এতে ফ্ল্যাগশিপ রাউন্ডেড কর্নার রাখা হয়েছে। এছাড়াও, ডিভাইসটিতে ক্লিয়ার স্পিকারের সাথে ৩০০% পর্যন্ত আলট্রা ভলিউম ব্যবহার করা হয়েছে, যা কল, বিনোদন ও গেমিংয়ের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে, সময়ের সাথে সাথে স্মুথ অপারেশন নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে ১২ জিবি পর্যন্ত ডাইনামিক র‍্যাম, অ্যান্ড্রয়েড ১৬-নির্ভর রিয়েলমি ইউআই (ইউজার ইন্টারফেস) ও ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এতে আর্মরশেল প্রোটেকশন ও আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, এর নেক্সট এআই ফিচার ইন্টারেকশন আরও বেশি স্মার্ট করার পাশাপাশি, অভিজ্ঞতাও সমৃদ্ধ করবে। শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ, স্লিম ডিজাইন, অনবদ্য বিনোদন ফিচার, আলট্রা-স্মুথ ডিসপ্লে ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের ডিভাইসটি ডন পার্পল ও ডাস্ক গ্রে’র মতো দুইটি প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে। রিয়েলমি সি১০০আই দুইটি ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে; এর ৪ জিবি + ৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকা ও ৪ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ১৭,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

গ্রামীণফোন নিয়ে এলো ‘ওয়াই-ফাই একটাই, সারাদেশে জিপিফাই’ ক্যাম্পেইন

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সুবিশাল ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নেত্রকোনায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৮ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আটক ১ দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে ফুলপুরে মানবেতর দিনযাপন করছে মুচি সম্প্রদায় বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে স্ক্যাফসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট দুদকের সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. ইফতেখারুজ্জামান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর নেত্রকোনায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৮ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, আটক ১ দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী জনতার সংসদের ডাক গণবিপ্লবী উদ্যোগের দুর্নীতির মামলায় শুরু হলো তোফায়েল আহমেদের বিচার পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেত্রকোণায় আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্ত:স্বত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে ফুলপুরে মানবেতর দিনযাপন করছে মুচি সম্প্রদায় বগুড়ায় এয়ারফিল্ড ও সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে স্ক্যাফসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রেম করে মানসিক ভারসাম্যহীন সম্রাট