ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

আরও ৫ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ

আরও ৫ সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ

দেশের আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সেগুলো হলো বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, রংপুর ও কুমিল্লা। নতুন নিয়োগ পাওয়া পাঁচজন প্রশাসকও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।এর মধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, রাজশাহী সিটিতে মো. মাহফুজুর রহমান, ময়মনসিংহ সিটিতে মো. রুকুনোজ্জামান রোকন, রংপুর সিটিতে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী এবং কুমিল্লা সিটিতে মো. ইউসুফ মোল্লা।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকগণ স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন।এর আগে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপর ঢাকা দুই সিটি, খুলনা, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এবারের পাঁচজনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে বরিশাল সিটির করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। রাজশাহীর মাহফুজুর রহমান মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ময়মনসিংহের রুকুনোজ্জামান রোকন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব। রংপুরের মাহফুজ উন নবী চৌধুরী রংপুর মহানগরের সদস্য সচিব। আর ইউসুফ মোল্লা কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।শনিবার (১৪ মার্চ) জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আলোচনা ফ্লোরে (অধিবেশনে) হতে পারে। এখানে না (কার্য উপদেষ্টা কমিটি)। শপথ না নিলে জামায়াতের রাজপথে নামার ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা তাদের জিজ্ঞেস করেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজ কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে। সংসদের প্রথম অধিবেশন কতদিন চলবে, কী কী আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন হবে, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কতঘণ্টা আলোচনা হবে- তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ বেলা ১১টায় মুলতবি অধিবেশন হবে। এরপর ১৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি থাকবে এবং ২৯ মার্চ থেকে সংসদ আবারও বসবে। পুরো এপ্রিল জুড়েই সংসদ অধিবেশন চলবে।অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশেষ কমিটির উদ্দেশ্য হলো মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের আগে ঐতিহ্য অনুযায়ী বিশেষ কমিটি গঠিত হয়। এটা কালকেই আইনমন্ত্রী উত্থাপন করবেন। অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট আকারে সংসদে উত্থাপিত হবে। এ অধিবশনে অবশ্যই সম্ভব।সংবিধান সংস্কার পরিষদের আলোচনা নিয়ে জামায়াতের আন্দোলনের ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি কী ভাবছে সংসদে বলবো। সংসদ সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আমরা আমাদের বক্তব্য অবশ্যই দেবো। আমরা কোন কারণে ওয়াকআউট করেছিলাম, কোন কারণে মনে করেছিলাম রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দেওয়া অনুচিত, আমরা ধন্যবাদ দেবো না (রাষ্ট্রপতিকে), আমাদের বক্তব্যটা বলবো। সংবিধান সংস্কার বিষয়ে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় নেতা সময়মতো এ আলোচনার প্রসঙ্গ তুলবেন।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, গণভোটের রায় যেহেতু সংস্কারের পক্ষে এসেছে। সংসদ অধিবেশনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির সংবিধান সংস্কার অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। সরকার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। এটা সরকার দলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন। সেটা আমরা সংসদে জানেত চাইবো। সরকার দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা করণীয় ঠিক করবো। আমরা চাইবো এ সংসদ যত দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদে যেন রূপ নেয়।

হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ রাখতে অনেক দেশই সেখানে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তিনি বলেন, যে কোনো উপায়ে খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খোলা, নিরাপদ ও স্বাধীন করা হবে।নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, যাতে ইরান আর এটিকে হুমকি হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে।এদিকে তিনি বলেন, এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক বোমা হামলা চালাবে এবং ইরানের নৌকা ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ডুবিয়ে দেবে।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতার ‘১০০ শতাংশ ধ্বংস’ করেছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, ইরান এখনো ড্রোন, মাইন এবং স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।অন্যদিকে জেনেভায় ইরানের প্রতিনিধি আলি বাহরানি ট্রাম্পের এই দাবিকে ‘মনগড়া মন্তব্য’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

  • ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

    ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

  • মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

    মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

  • ভাড়ার চার্ট কাউন্টারে টানিয়ে রাখতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

    ভাড়ার চার্ট কাউন্টারে টানিয়ে রাখতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

  • স্থল অভিযানে ২৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের পথে

    স্থল অভিযানে ২৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের পথে

  • গণমাধ্যম ছাড়া আধুনিক জগতে সভ্যতার চর্চা করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

    গণমাধ্যম ছাড়া আধুনিক জগতে সভ্যতার চর্চা করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

  • সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলের

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলের

  • সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

    সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা

  • নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই সাংবাদিকের ওপর হামলার চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

  • বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

    বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

  • শ্রীমঙ্গলের রাজনীতিতে ফিরছেন যোশেফ দাশ গুপ্ত যশো, চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা

    শ্রীমঙ্গলের রাজনীতিতে ফিরছেন যোশেফ দাশ গুপ্ত যশো, চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা

  • মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

    মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা

  • টুঙ্গিপাড়ায় হঠাৎ জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

    টুঙ্গিপাড়ায় হঠাৎ জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

  • গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য হলেন চ্যানেল এস প্রতিনিধি

    গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্য হলেন চ্যানেল এস প্রতিনিধি

  • এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

    এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা

  • আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

    আড়াইহাজা‌রে র‍্যাবের অভিযানে কলাবাগান থেকে ২ পাইপগান ও গুলি উদ্ধার

  • মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিতাকে পিটিয়ে হত্যা

    মেয়েকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিতাকে পিটিয়ে হত্যা

সব খবর

  • নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

    নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

  • প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

    প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

  • ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

    ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

  • আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

    আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

  • ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

    ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

  • রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

    রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

  • হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

    হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

  • দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

    দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

  • মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

    মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

  • নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

    নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

সব খবর

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাংবিধানিক তিন অঙ্গকে ঠিক রাখতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। এই গণমাধ্যম ঠিক থাকলে অন্য তিন স্তম্ভ সোজা পথে চলতে বাধ্য।শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে ঢাকা লেডিস ক্লাবে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিরি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা জাতির বিবেক। আপনারা বিবেক অনুযায়ী চলবেন। জন্ম যেহেতু হয়েছে, মৃত্যুও একদিন হবে এবং একবারই হবে। তাই চলতে হবে বীরের মতো। মাঝখানে আর কোনো আপস নাই।’তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদলে থেকেও সাংবাদিকদের কণ্ঠের পাহারাদারির দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু সাংবাদিকদের নিরাপত্তার নিশ্চিয়তা দিতে হবে সরকারি দলকে। আমরা এক ঐক্যবদ্ধ জাতি দেখতে চাই। জাতীয় ইস্যুতে, জাতীয় স্বার্থে কারও সঙ্গে আমরা কোনো আপস করব না। সরকারি দল যদি সেই ক্ষেত্রে অনড় থাকে আমরা তাদের পাশে থেকে শক্তি জোগাব, একসঙ্গে লড়াই করব। কিন্তু সরকারি দল যদি এখান থেকে বিচ্যুত হয় তাদের সোজা রাস্তায় আনার চেষ্টা করব, না হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। এটাই হবে জামায়াতে ইসলামীর নীতি।’জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- দৈনিক নয়া দিগন্ত’র সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি’র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান, দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক আজম মীর শাহিদুল আহসান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম. আব্দুল্লাহ্ ও এলাহী নেওয়াজ খান সাজু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমদ ও বাকের হোসাইন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, দ্য নিউ নেশন পত্রিকার সম্পাদক মোকাররম হোসেন, বাংলানিউজ ২৪ ডটকম’র সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা মেইল’র নির্বাহী সম্পাদক হারুন জামিল, ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক এবং সেক্রেটারি জাওহার ইকবাল, এটিএন নিউজের সিএনই মাসুদুল হক, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, দৈনিক ইনকিলাব’র নির্বাহী সম্পাদক ফাহিমা বাহাউদ্দীন, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

রাজধানীতে আড়ং থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে শোরুম ত্যাগ করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক আলোচিত নারী নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে উত্তরা জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শোরুমে এই ঘটনা ঘটে।এ সম্পর্কিত একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ছবিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা কাঁখে বেশকিছু কাপড় কিনে বের হচ্ছেন। এ নিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। মুহূর্তে স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়ে যায়।স্ট্যাটাসটিতে তিনি লিখেন, 'আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে এর আগে ও বহুবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকু সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের পক্ষ থেকে।'তিনি লিখেন, 'আমরা গ্রাহকেরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনব। কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাব না, এটা কেমন নিয়ম? পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার উপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি, গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।'এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা মোবাইল ফোনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,'ইফতারের পর ঢাকার উত্তরার জসিম উদ্দিন রোডের আড়ং শো-রুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় (ম্যাক্সি) কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে কোনো ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। কর্তৃপক্ষ বলেন কাপড় ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে। সেজন্য আমি প্রশ্ন তুলি, কেন কাপড়ের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে? অদ্ভুত কথা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আমি কাপড় নিয়ে চলে আসি।'সংসদ সদস্য রুমিন বলেন, 'মায়ের জন্য কেবল আড়ং এ গিয়েছিলাম। কারণ মায়ের যে ম্যাক্সির মাপ সেটা আড়ংয়ের সাথে যায়। অন্য দোকানে মিল পাওয়া যায় না। সে কারণে আড়ংয়ে যাওয়া। না হলে আমি জীবনেও আড়ং এ যেতাম না। আমি নিজের জন্য কোনোদিনও আড়ং থেকে কাপড় কিনি না।'এ ব্যাপারে জানার জন্যে রাজধানী উত্তরা জসীমউদ্দিন রোডের আড়ংয়ের শোরুমের টিএনটি নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোনটি রিসিভ করেননি।

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

চলতি মার্চের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টিপাতের এ প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রাক-বর্ষা মৌসুমে এটি স্বাভাবিক বৃষ্টি। চলতি মাসে অনিয়মিতভাবে তা চলবে।শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে অধিদপ্তরের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ১৮ মার্চ পর্যন্ত আগামী পাঁচদিন দেশজুড়ে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।প্রথম দিন ১৪ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।দ্বিতীয় দিন ১৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।তৃতীয় দিন ১৬ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেরংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।চতুর্থ দিন ১৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেরংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।পঞ্চম দিন ১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মধ্যে একজন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা নূরনবী সরকার (২৮)। দীর্ঘ ১০ বছরের প্রবাস জীবনে একবারও দেশে ফেরা হয়নি তার। আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও এবার তাকে ফিরতে হচ্ছে কফিনবন্দি হয়ে।শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মালদ্বীপের দ্বিগুরা শহরে একটি নির্মাণাধীন ভবনের শ্রমিক কোয়ার্টারে মর্মান্তিক এই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নূরনবী সরকারসহ পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত এবং আরও দুজন আহত হন। শুক্রবার তার মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত নূরনবী সরকার শিবগঞ্জ উপজেলার জামালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদের ছেলে। তিন বোনের পর পরিবারের সবার ছোট ছিলেন তিনি। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১৬ সালে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, নূরনবীর মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি। এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনা এখনও অবগত হইনি। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অবহিত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, `মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার দোরগোড়ায় থাকবে, ইনশা আল্লাহ।’শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের সংকল্প- চিকিৎসা খরচ মেটাতে আর সর্বস্বান্ত নয়। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পাবে তার প্রয়োজন অনুযায়ী, সামর্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি-স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।’তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং এগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে আর কোনো মানুষ যেন তার জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ না করে। যাতে ২৪ ঘণ্টা রোগী পরিবহন ও জরুরি সহায়তা পাওয়া যায়। মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ ও স্নাতকোত্তর ইনস্টিটিউটসমূহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বলেন, ‘প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য থাকবে সুসংগঠিত কর্মজীবন পরিকল্পনা। নার্স, মিডওয়াইফ, প্যারামেডিক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার প্রত্যেকের আলাদা ক্যারিয়ার কাঠামো এবং পদোন্নতি ও পদায়ন হবে যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’চিকিৎসা বর্জ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি, উৎসে পৃথকীকরণ, নিরাপদ পরিবহন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতা অতীব প্রয়োজন। আমরা যারা বিশেষায়িত মেডিকেল শিক্ষায় শিক্ষিত, তারা সংকল্পবদ্ধ হয়ে নিশ্চয় আপামর জনগণকে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও নিশ্চিত করতে পারব। সম্পূর্ণ সফল না হলেও চেষ্টার ঘাটতি যেন না থাকে, যেন পিছিয়ে না যায়। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল সরকারি হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করতে সব চিকিৎসকের সহায়তা চান।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি চিকিৎসকদের সেবার মনোভাব নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে আহ্বান জানান।

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে একের পর পর এক হামলা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে একের পর পর এক হামলা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক দফায় হামলা চালানোর দাবি জানিয়েছে ইরান। শনিবার ইরানের নৌবাহিনী ওই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এসব হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডবাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরির বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর পরপর কয়েক দফায় হামলা চালিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী।আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।তাংসিরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি মজুত রাখার ট্যাঙ্ক ছিল ওই হামলার লক্ষ্যবস্তু।এদিকে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব গোপন আস্তানাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার আমিরাতকে সতর্ক করে দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, দ্বীপে হামলার পর আমিরাতে গোপনীয় সব মার্কিন আস্তানা এখন আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ড রক্ষার বৈধ অধিকার হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন শত্রু, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের উৎসস্থল, ব্যবহার করা বন্দর ও ডক এবং মার্কিন সৈন্যদের আস্তানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে আইআরজিসি।ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করে দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। একই সঙ্গে আমিরাতের জনবহুল সব এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বন্দর, ডক এবং মার্কিন সামরিক স্থাপনা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার জন্য বাসিন্দাদের আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি।সূত্র: এএফপি।

ফয়সালকে পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

ফয়সালকে পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে অবৈধভাবে ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। শনিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রাজ্যের শান্তিপুর বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারে সহায়তা করার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে ফিলিপ সাংমা নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে জা‌নি‌য়ে‌ছে, আজ কলকাতা পুলিশ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনকে এক বার্তায় জানিয়েছে যে, ফিলিপ সাংমা (৩০) নামে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তি সম্পর্কে এরইমধ্যে অতিরিক্ত তথ্য জানাতে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছে এবং ভারত সরকারকে কন্স্যুলার অ্যাকসেস দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকায় ৩২ বছর বয়সী শরিফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় সাংমার এই গ্রেপ্তারকে তদন্তে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ঘাতক ফয়সালকে ভারতে পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।এর আগে, গত ৮ মার্চ অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।এসটিএফ বলেছে, মামলার প্রধান দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল ও আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ফিলিপকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসটিএফ হেফাজতে থাকাকালীন ফয়সাল বাংলাদেশের ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের বাসিন্দা সাংমার সহায়তায় মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানান।পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কর্মকর্তারা শনিবার ভোরের দিকে রাজ্যের শান্তিপুর বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাংমাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ সূত্র বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে হালুয়াঘাট এবং মেঘালয়ের ডালুপাড়ার মধ্যে একটি আন্তঃসীমান্ত মানবপাচার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার কথা স্বীকার করেছেন সাংমা।তিনি ফয়সাল ও আলমগীরকে মেঘালয়ের বনাঞ্চল দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ করতে সাহায্য করেছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ পুলিশের ক্রমবর্ধমান চাপ এড়ানোর জন্য পরবর্তীতে ফিলিপও ভারতে পালিয়ে আসেন। গ্রেপ্তারের সময়ও ফয়সাল ও আলমগীরের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি এবং তাদের পুনরায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।শনিবার ফিলিপ সাংমাকে আদালতে হাজির করা হয়। এই পাচার নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি কতটুকু এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে এর কোনও যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আদালত সাংমাকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য এসটিএফের করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, এই হাই-প্রোফাইল হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সাংমার জবানবন্দি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর রামপুরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার ধাপে ধাপে প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতার চেকও বিতরণ করা হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা-বাড্ডা এলাকায় সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সে আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিজয় হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী শক্তি দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি না হয়, সেজন্য রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতায় গেলে যেন জনগণের ওপর কোনো ধরনের জুলুম না করা হয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলেন তিনি।গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে গণঅধিকার পরিষদ রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান-এর সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, সহ-সভাপতি আলমগীর অপূর্ব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান, ফারজানা কিবরিয়া ও আব্দুল্লাহ মাহমুদ বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ, যুব অধিকার পরিষদ মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি আবির ইসলাম সবুজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস

চলতি মার্চের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টিপাতের এ প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রাক-বর্ষা মৌসুমে এটি স্বাভাবিক বৃষ্টি। চলতি মাসে অনিয়মিতভাবে তা চলবে।শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে অধিদপ্তরের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ১৮ মার্চ পর্যন্ত আগামী পাঁচদিন দেশজুড়ে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।প্রথম দিন ১৪ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।দ্বিতীয় দিন ১৫ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।তৃতীয় দিন ১৬ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেরংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।চতুর্থ দিন ১৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেরংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।পঞ্চম দিন ১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা থেকেময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ

ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি

মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে

ফয়সালকে পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

ফয়সালকে পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ ভারতে গ্রেপ্তার

আইইবিতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আইইবিতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা

জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন হবে না, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন হবে না, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে একের পর পর এক হামলা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে একের পর পর এক হামলা ইরানের

আমিরাতের বাসিন্দাদের বন্দর থেকে দূরে থাকতে বলছে ইরান

আমিরাতের বাসিন্দাদের বন্দর থেকে দূরে থাকতে বলছে ইরান

স্থল অভিযানে ২৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের পথে

স্থল অভিযানে ২৫০০ মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের পথে

যুদ্ধ থেকে তুরস্ককে দূরে রাখার চেষ্টা হচ্ছে, জানালেন এরদোগান

যুদ্ধ থেকে তুরস্ককে দূরে রাখার চেষ্টা হচ্ছে, জানালেন এরদোগান

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা

প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, `মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার দোরগোড়ায় থাকবে, ইনশা আল্লাহ।’শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের সংকল্প- চিকিৎসা খরচ মেটাতে আর সর্বস্বান্ত নয়। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পাবে তার প্রয়োজন অনুযায়ী, সামর্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি-স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।’তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং এগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে আর কোনো মানুষ যেন তার জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ না করে। যাতে ২৪ ঘণ্টা রোগী পরিবহন ও জরুরি সহায়তা পাওয়া যায়। মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ ও স্নাতকোত্তর ইনস্টিটিউটসমূহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বলেন, ‘প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য থাকবে সুসংগঠিত কর্মজীবন পরিকল্পনা। নার্স, মিডওয়াইফ, প্যারামেডিক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার প্রত্যেকের আলাদা ক্যারিয়ার কাঠামো এবং পদোন্নতি ও পদায়ন হবে যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’চিকিৎসা বর্জ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি, উৎসে পৃথকীকরণ, নিরাপদ পরিবহন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতা অতীব প্রয়োজন। আমরা যারা বিশেষায়িত মেডিকেল শিক্ষায় শিক্ষিত, তারা সংকল্পবদ্ধ হয়ে নিশ্চয় আপামর জনগণকে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও নিশ্চিত করতে পারব। সম্পূর্ণ সফল না হলেও চেষ্টার ঘাটতি যেন না থাকে, যেন পিছিয়ে না যায়। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল সরকারি হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করতে সব চিকিৎসকের সহায়তা চান।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি চিকিৎসকদের সেবার মনোভাব নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছে: প্রতিমন্ত্রী নুর

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন মির্জা ফখরুল

মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন মির্জা ফখরুল

মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

বিএনপি থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

ঈদের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল মালদ্বীপে বিস্ফোরণে নিহত বগুড়ার নূরনবীর

মতলবে কৃষকের মৃত্যুকে পুঁজি করে মিথ্যা মামলা ও ইভটিজিংয়ের নাটক!

মতলবে কৃষকের মৃত্যুকে পুঁজি করে মিথ্যা মামলা ও ইভটিজিংয়ের নাটক!

নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নাম ও ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের অভিযোগে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ছাত্রদল নেতা জনি আহমদ।জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১২ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসায় অবস্থানকালে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি স্ক্রল করার সময় তিনি দেখতে পান, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ফেসবুক পেজ থেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।অভিযোগে বলা হয়, “Moulvibazar-3200” নামের একটি ফেসবুক পেজসহ বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে তাকে ‘কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদার’ উল্লেখ করে বানোয়াট তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।জনি আহমদ অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার এবং তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ কারণে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বিষয়টি নথিভুক্ত রাখতে তিনি সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।মৌলভীবাজার সদর থানার ডিউটি অফিসার এস এম আশরাফুল কবীর জানান, এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। জিডি নম্বর ৮০২, তারিখ ১৩ মার্চ ২০২৬ এবং জিডি ট্র্যাকিং নম্বর 6HV9M3। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব উত্তরে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সুধী সমাবেশ

মতলব উত্তরে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সুধী সমাবেশ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি : পানিসম্পদমন্ত্রী

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশপ্রেমিক সরকার পেয়েছি : পানিসম্পদমন্ত্রী

কসবায় কৃষিজমির মাটি কাটায় যুবককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কসবায় কৃষিজমির মাটি কাটায় যুবককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

বগুড়া পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বগুড়া পৌরসভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মৌলভীবাজারে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালিত

মৌলভীবাজারে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালিত

টঙ্গীবাড়ীতে নেই কোন পশু জবাইখানা, পরীক্ষা ছাড়াই চলছে পশু জবাই ও মাংস বিক্রি

টঙ্গীবাড়ীতে নেই কোন পশু জবাইখানা, পরীক্ষা ছাড়াই চলছে পশু জবাই ও মাংস বিক্রি

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি

নারী ক্রিকেটারদের জন্য নতুন করে টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নারী উইং। ‘বিসিবি উইমেন্স কাপ’ নামে আগামী ৫ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন সর্বশেষ ঢাকা উইমেন্স ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলা ক্রিকেটাররা।এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে মোট আটটি দল। সব মিলিয়ে ১১২ জন ক্রিকেটার সুযোগ পাচ্ছেন এই প্রতিযোগিতায়। পুরো টুর্নামেন্টের জন্য অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়রা পাবেন ২৫ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি। টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড় ও কেচিং স্টাফদের থাকার ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আর চ্যাম্পিয়ন দল, প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও বিভিন্ন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্যও দেওয়া হবে পুরস্কার। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো মাঠে গড়ানোর কথা ছিল নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের আসর। কিন্তু স্পন্সরদের তেমন একটা আগ্রহ না থাকার কারণে ও তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাওয়ায় টুর্নামেন্টটি স্থগিত করেছে বোর্ড। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর জুলাইয়ে হবে নারী বিপিএলের প্রথম আসর। নতুন সূচি অনুযায়ী ১০ জুলাই বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে নারী বিপিএলের প্রথম ম্যাচ। তার আগে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও। আর ফাইনাল ম্যাচ হবে ২১ জুলাই, মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বড় হার বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের মিশন

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

নাহিদ রানার ফাইফারে টেনেটুনে একশ করে অলআউট পাকিস্তান

নাহিদ রানার ফাইফারে টেনেটুনে একশ করে অলআউট পাকিস্তান

টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ

টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

নারী দিবসে শোবিজ তারকারা: সময় এখন এগিয়ে যাবার

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

সসাসের নির্বাহী পরিচালক আবু মুসা, সহকারি জাকির হোসাইন

ঐতিহ্যবাহী জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ এর ২০২৬ সেশনের জন্য কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এইচ এম আবু মুসা এবং সহকারী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাকির হোসাইন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা, মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতন ভূমিকা রেখে আসছে।আজ (শনিবার) রাজধানীর মগবাজারে সসাসের অফিসে সসাসের নির্বাহী কমিটিদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ২০২৬ সেশনের জন্য নির্বাহী পরিচালক এবং সহাকারী নির্বাহী পরিচালক মনোনীত করা হয়। নতুন এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছর সংগঠনের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও সৃজনশীল উদ্যোগ বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে।

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে বুবলী

দেশের শোবিজ অঙ্গনের চর্চিত খবর দ্বিতীয়বারের মতো মা হচ্ছে অভিনেত্রী শবনম বুবলী। কিন্তু তিনি বারবার অস্বীকার করেছেন। চিত্রনায়িকা নিজে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও তার হাটা চলাফেরা সন্দেহ জাগিয়েছে ভক্তদের মনে। এবার এক দাফ এগিয়ে তার মা হওয়ার গুঞ্জন। দেশের একটি গণমাধ্যমে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করেছে, সন্তান জন্ম দিতে চলতি মাসেই আমেরিকায় উড়াল দিয়েছেন বুবলী। বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন তিনি। বেশকিছু দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বুবলী। সেখানে নৃত্যপরিবেশন করেন এই নায়িকা। পরনে ছিল ঘাগরা। এ সময় উৎসুক ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায় তাকে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল। নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের দাবি, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখা বুবলী। দুই ডজনের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। ২০২০ সালে প্রথমবার মা হন অভিনেত্রী। যদিও ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রায় দুই বছর পরে। সেই সময়ে এই খবরে প্রায় ঝড় ওঠে। বুবলী জানিয়েছিলেন, শাকিব খানের সঙ্গে ধর্মীয় আচার মেনে বিয়ে হয়েছে তার। তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় আমেরিকায়। তার নাম শেহজাদ খান বীর।

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

রবি চৌধুরীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, যা বললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময় সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। কিন্তু ভালোবেসে গড়া সংসার হঠাৎ করেই ভেঙে যায়। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে দুই তারকাই নীরব থেকেছেন। তবে সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথাও বলেছেন রবি চৌধুরী। সেখানে তিনি ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন।এবার সেই অভিযোগের বিপরীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ডলি সায়ন্তনী। মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না।’বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা না করার অনুরোধ জানিয়ে এই গায়িকা বলেন, ‘সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় বানাবেন না। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’বিচ্ছেদের প্রেক্ষাপট মনে করিয়ে দিয়ে ডলি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে; স্পষ্ট করে বলতে চাই, ডিভোর্স আমিই দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।’  ‘অতএব এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’ সবশেষে পবিত্র মাসের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘মাহে রমজানে আল্লাহ সবাইকে পবিত্রতা রক্ষার তৌফিক দান করুক।’

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

সুহানা খান কিমের প্রেমে পড়েছিলেন!

শাহরুখকন্যা সুহানা খান দক্ষিণ কোরিয়ান কে-পপ তারকা কিম জুন মিয়নের প্রেমে পড়েছিলেন। ডেটেও যেতে চেয়েছিলেন কিম জুন মিয়নের সঙ্গে। সুহানা সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনে সরাসরি তা স্বীকারও করেছেন।শাহরুখ খানের মতো মেগাস্টারের ঘরে জন্মগ্রহণ করায় বলিউড নেপোকিড সুহানাকে সুবিধা-অসুবিধা সবকিছুর মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সুহানা তার পারিবারিক প্রভাব না খাটিয়ে সব সময় নিজের পরিচয় তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আর সে চর্চা এখনও তিনি করে যাচ্ছেন। এ কারণে তিনি নিজের দক্ষতা বাড়াতে তায়কোয়ান্দো শেখা এবং অভিনেত্রী হিসেবে যোগ্যতা বৃদ্ধি করার জন্য নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন।সামাজিকমাধ্যমে বরাবর সরব শাহরুখকন্যা বিভিন্ন সময় লাইভে ভক্তদের সামনে আসেন এবং তাদের অনেক প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দেন। ইনস্টাগ্রামে এরকমই এক সেশন ‘আস্ক মি এনিথিং’য়ে এক ভক্ত প্রশ্ন করেন, তিনি কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেট করতে চান। সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সুহানা কোরিয়ান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেতা কিম জুন-মিয়নের নাম বলেন। এ সময় সুহানা কে-পপ তারকার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন—‘তাকে’। সূত্র: পিঙ্কভিলাশাহরুখ খান ও গৌরী খানের ঘরে জন্ম নেওয়া সুহানা খান গ্ল্যামার জগতের বাইরে খেলাধুলাও আগ্রহী। সৃজনশীলতা তার শিরায় প্রবাহিত হয়। তাই গান-নৃত্য এবং লেখালেখি সবকিছুই তাকে আকর্ষণ করে।এ বছরের একদম শেষ দিকে সুহানা খান তার বাবা শাহরুখ খানের সঙ্গে বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমায় দেখা যাবে বাবা-মেয়ের অ্যাকশন। এতে বলিউডের দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চনের মতো বড় তারকারাও অভিনয় করেবেন।

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

নারী দিবসে তিন নারী শিল্পীর নতুন গান

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ দিনে নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সব ধরনের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। দিনটি তাই গানে গানে পালন করতে চান দেশের তিনজন নারী সংগীতশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল, অন্তরা রহমান ও মাশা ইসলাম। তারা তাই নারী দিবস উপলক্ষে নতুন গান তৈরি করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘নারী যায় বাড়ি’।অসংখ্য জনপ্রিয় গানের নেপথ্যের দুই কারিগর শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান রয়েছেন এই গানের পেছনে। শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর লেখা গানটিতে সুর দিয়েছেন পিলু খান। সংগীতায়োজন করেছেন মীর মাসুম। ৮ মার্চ নারী দিবসে গানটি প্রকাশ করবে আজব রেকর্ডস। গানটির অ্যানিমেশন ভিডিও বানিয়েছেন মীর হিশাম ও সারাফ চিশতী।নারী যায় বাড়ি গান প্রসঙ্গে শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘নারীরা আজীবন তাঁদের নিজের ঘর খুঁজে বেড়ান। কখনো বাবার ঘর, কখনো স্বামীর ঘর, কখনো ছেলেন ঘর। তাঁর নিজের ঘর কি তিনি কখনো খুঁজে পান? চিরন্তন এই প্রশ্ন নিয়ে লেখা হয়েছে গানটি।’পিলু খান বলেন, ‘জঙ্গী ভাইয়ের সঙ্গে চার দশকে নানা বিষয়ভিত্তিক গান করেছি। এবার সে তালিকায় আরেকটি বিষয় যুক্ত হলো। আশা করি, শ্রোতাদের ভালো লাগবে এ গান।’গানটি নিয়ে কোনাল বলেন, ‘কিংবদন্তি দুজন মানুষের গান করতে পেরে আমি আনন্দিত। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সংগীতজীবনের অনন্য অর্জন।’একই ধরনের অনুভূতি ফুটে উঠেছে অন্তরার কথায়, ‘একজন নারী হিসেবে এমন কথার গানে নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। জঙ্গী ভাই ও পিলু ভাইয়ের মতো বরেণ্য মানুষের সান্নিধ্য আমার জন্য পরম পাওয়া।’অন্যদিকে মাশা ইসলাম বলেন, ‘শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও পিলু খান আমাদের গানের জগতে দুই মহিরুহ। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে পারা দারুণ ব্যাপার। সবার সঙ্গে গানটি করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আশা করি, যাঁরা শুনবেন তাঁদেরও ভালো লাগবে।’ ৮ মার্চ নারী যায় বাড়ি গানের ভিডিও আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেলসহ শিল্পীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পাবে। শোনা যাবে একাধিক আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও।

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল প্রেমে জোভান-নীহার ‘গুডলাক’

বোকা প্রেমিকের সরল ও চনমনে প্রেমকে ঘিরে নির্মিত নাটক ‘গুডলাক’। ঈদের বিশেষ আয়োজনে ফারহান আহমেদ জোভান ও নাজনীন নীহা অভিনীত নাটকটি নির্মাণ করেছেন ইমরোজ শাওন। রায়হান মাহমুদের চিত্রনাট্যে নির্মিত নাটকের চিত্রগ্রহণ করেছেন নাঈম ফুয়াদ। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দিলারা জামান।গল্প নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাইছেন না নির্মাতা কিংবা অভিনয়শিল্পীরা। তবে নির্মাতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, এক সরলমনা প্রেমিকের আবেগ, ভুলভাল সিদ্ধান্ত আর ভালোবাসার চেষ্টাকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে কাহিনি। ক্যাম্পাসের হালকা আবহ থেকে পারিবারিক টানাপোড়েন—দুটো জায়গাতেই গল্পের বিস্তার রয়েছে।এদিকে জোভানের চরিত্রে থাকছে ভিন্নমাত্রা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার উপস্থিতি ও মোড় ঘোরানো মুহূর্ত দর্শকদের চমকে দেবে।প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘গুডলাক’সহ এবারের ঈদে প্রস্তুত হয়েছে ২০টি বিশেষ নাটক। চাঁদরাত থেকে ধারাবাহিকভাবে সেগুলো মুক্তি পাবে ইউটিউব চ্যানেলে।

এসএসসি  পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে জিরো টলারেন্স: শিক্ষামন্ত্রী

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

মেডিক্যালের সব ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সোমবার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

জবিতে যেভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

মাইলস্টোনের সেই শিক্ষিকা পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার

শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধিতে কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা খাতে সেবার গতি ও মান বৃদ্ধিতে কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ইবি শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

ইফতারে স্ট্রবেরি খেলে কী ঘটে শরীরে?

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

নেতিবাচকতা থেকে মুক্তির উপায়

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

রমজানে রাত জেগে ফোন ব্যবহারে অনিদ্রা বাড়তে পারে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

খরমুজের শরবত ইফতারে স্বস্তি দেবে

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

ডাবের পানি নাকি আখের রস, ইফতারে কোনটা বেশি উপকারী

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

সাজগোজের সঙ্গে এবার ঈদের সাজ হবে আরো সেরা

ঈদ-উল-ফিতরের আর বেশিদিন বাকি নেই, আর তাই ঈদের কেনাকাটার আমেজ এখন চারপাশে। অনেকেই নতুন জামা, জামার সঙ্গে মিলিয়ে জুতা আর আনুষঙ্গিক সব জিনিসপাতি কিনতে ব্যস্ত। কেউ কেউ তো চাঁদরাত আর ঈদের দিনের জন্য পছন্দের মেকআপ সামগ্রীও কিনে বেড়াচ্ছেন। আর কিনবেন নাইবা কেন, ঈদ উদযাপনের একটি বড় অংশ তো সেজেগুজে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে হৈ-হুল্লোড় করাই। কিন্তু কেনাকাটার এত তাড়াহুড়োর মধ্যে আমরা প্রায়ই ত্বকের যত্ন নিতে ভুলে যাই। একটু ভুলের কারণে ত্বকে দেখা দিতে পারে নানান সমস্যা, হয়তো আপনার ঈদের আনন্দটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। একটু ভেবে দেখুন তো, ঈদের দিন দারুণ একটি পোশাক আর ভারি সাজগোজের পরও ত্বকের জেল্লা যদি ঠিকঠাক ফুটে না ওঠে? আসলে স্বাস্থ্যকর ত্বকই শুধু পারে ত্বকের প্রকৃত চমক ফিরিয়ে আনতে। ত্বক যখন সতেজ ও সুস্থ থাকবে, তখন বাকি সবকিছু এমনিতেই ভালো মানিয়ে যাবে ঈদের সাজে। তাই এই ঈদে সাজগোজ তার গ্রাহকদেরকে ফ্ল-লেস মেকআপ লুক পেতে বিশেষ করে ত্বকের যত্নের কথা মনে করিয়ে দিতে চায়। এবং এই যত্ন নেবার বিষয়টি যাতে গ্রাহকদের জন্য আরো সহজ এবং সাশ্রয়ী হয়ে ওঠে, সেজন্য এই বিউটি প্ল্যাটফর্মটি শুরু করেছে ঈদ-উল-ফিতর গিগা সেল। মেকআপ ও স্কিনকেয়ার প্রেমীদের জন্য উৎসবমুখর ছাড় ও বিশেষ সব অফারে পরিপূর্ণ থাকবে এই গিগা সেল। ক্যাম্পেইনটিতে বিভিন্ন পণ্যের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৭০% পর্যন্ত ছাড় থাকছে। পণ্যের দাম কমানোর পাশাপাশি গ্রাহকেরা আরো পাবেন ফেস্টিভ বান্ডল, ১টি কিনলে ১টি ফ্রি এবং বিভিন্ন কম্বো অফার, যা কিনা শুধুমাত্র ঈদ কেনাকাটাকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়েছে। এক নজরে এই ডিলগুলো দেখে নিতে পারেন। ১টি কিনলে ১টি ফ্রি অফার: • স্কিন ক্যাফে এন্ড অফ হেয়ার ফল বায়োটিন শ্যাম্পু উইথ অনিয়ন এক্সট্র্যাক্ট ২৫০মিলি – ফ্রি স্কিন ক্যাফে সিল্কি ট্রেসেস ময়শ্চারাইজিং কন্ডিশনার ১২০মিলি • হিমালয়া অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু – ১টি কিনলে ১টি ফ্রি • ভ্যাসেলিন লোশন ডিপ রিস্টোর ৪০০মিলি – ফ্রি গ্লুটা-হায়া ডিউই রেডিয়েন্স সিরাম ৭০মিলি কম্বো অফারগুলো: • স্ট্রংগার রুটস কম্বো – লাভিনো কোকো নারিশ হেয়ার অয়েল ২০০মিলি + স্কিন ক্যাফে এন্ড অফ হেয়ার ফল বায়োটিন শ্যাম্পু উইথ অনিয়ন এক্সট্র্যাক্ট ২৫০মিলি • উজ্জ্বলা কেয়ার অ্যান্টি হেয়ারফল কম্বো – উজ্জ্বলা কেয়ার অ্যান্টি হেয়ারফল হার্বাল হেয়ার অয়েল ২০০মিলি + উজ্জ্বলা কেয়ার অ্যান্টি হেয়ারফল + রিগ্রোথ মেন’স অয়েল ২০০মিলি এই অফারগুলো শুধু ঈদ ক্যাম্পেইনের শুধু ছোট্ট একটি ঝলক। এই অফারগুলো ছাড়াও গিগা সেলে স্কিনকেয়ার, হেয়ারকেয়ার এবং বিউটি ক্যাটাগরিতে আরও অনেক পণ্য রয়েছে। তাই এবার আপনার ঈদের পোশাক ও মেকআপ সামগ্রী কেনাকাটার সময় ত্বকের যত্নও নিতে ভুলবেন না। একটি ভালো স্কিনকেয়ার রুটিন আপনার ঈদ আনন্দকে নিয়ে যেতে অনন্য মাত্রায় এবং ঈদের দিনটিকে ভরিয়ে তুলতে পারে আরো আনন্দময় অভিজ্ঞতায়। সবগুলো ঈদ অফার দেখতে সাজগোজ ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: https://shop.shajgoj.com/ কিংবা সাজগোজের কোনো রিটেইল স্টোরে ঢুঁ মেরে আসুন। এই ঈদ-উল-ফিতর গিগা সেল চলবে ২৯ মার্চ পর্যন্ত, যাতে গ্রাহকরা ঈদের আগে তাদের প্রিয় স্কিনকেয়ার পণ্যগুলো খুব সহজেই হাতের নাগালে পেতে পারেন।

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

১৬টি জ্বালানি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম আরও কমলো

সোনার দাম কমেছে

সোনার দাম কমেছে

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মির্জা মেহেদী (২৫) নামে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) ভোর রাতে সাহরির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।জানা যায়, নিহত মির্জা মেহেদীর গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায়। প্রায় ৩ বছর আগে তিনি স্টুডেন্ট ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়ায় আসেন। প্রথমে ডি-৪ ভিসায় কিয়ংডং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা সম্পন্ন করার পর পরবর্তীতে ডি-২ ভিসায় সেজং বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন।প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, মেহেদী দক্ষিণ কোরিয়ার সকচো এলাকায় বসবাস করতেন। শনিবার ভোর রাতে তিনি দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদীর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিগুলোসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৪

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

সৌদি আরবে ইরানের মিসাইল হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে যেতে পারেন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে

ঈদের ছুটিতে সমুদ্রের টানে অনেকেই ছুটে যান দক্ষিণের পর্যটন শহর কুয়াকাটায়। তবে এই সমুদ্রকন্যার পাশেই রয়েছে আরেক অপার বিস্ময়- নিঃশব্দ, নির্জন ও স্বপ্নময় চর হেয়ার। বঙ্গোপসাগরের বিশাল নীল বুকে স্বপ্নের মতো জেগে ওঠা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার।দূর থেকে দেখলে মনে হয়, দিগন্তজোড়া জলরাশির মাঝখানে সৃষ্টিকর্তা যেন নিভৃতে গড়ে তুলেছেন এক টুকরো স্বর্গভূমি। কাছে গেলে সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়। অসীম আকাশ আর অনন্ত সাগরের মিলনরেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই দ্বীপ যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা। সোনালি বালুকাবেলা, ঢেউয়ের ছন্দময় আছড়ে পড়া আর বাতাসের স্নিগ্ধ স্পর্শ সব মিলিয়ে চর হেয়ার এক অনাবিল প্রশান্তির ঠিকানা।দ্বীপের ভেতরে পা রাখলেই মেলে আরেক ভিন্ন জগতের দেখা। গহীন বনের ছায়াঘেরা পথ, পাখিদের নিরন্তর কলকাকলি আর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সব মিলিয়ে এখানে বিরাজ করে এক অপার্থিব নির্জনতা। মনে হবে, কোলাহলমুখর পৃথিবী থেকে আপনি অনেক দূরে, যেখানে সময়ও যেন ধীর হয়ে যায়। এখানে শত শত পাখির কলরবে ভোরের নীরবতা ভাঙে, বিস্তীর্ণ বালুচরে লাল কাঁকড়ার দল ছুটে বেড়িয়ে আঁকে জীবনের চঞ্চল রেখাচিত্র। ঢেউয়ের ফেনায় ভেজা তটরেখা, দূরে ভাসমান মাছধরা নৌকা আর আকাশজুড়ে সাদা মেঘ সব মিলিয়ে চর হেয়ার স্বপ্নীল জগৎ।সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে কুয়াকাটা ভ্রমণের সঙ্গে চর হেয়ার হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য। এই ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে দক্ষিণের এই নিভৃত দ্বীপে কাটাতে পারেন এক ভিন্ন রকম সময়। যেখানে প্রকৃতি নিজেই আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।ভৌগোলিক অবস্থান পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত চর হেয়ার। কেউ কেউ একে ‘হেয়ার চর’ নামেও ডাকেন। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘কলা গাছিয়ার চর’ নামেও পরিচিত। চরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ‘সোনার চর’, যেখানে হরিণসহ নানা প্রজাতির প্রাণীর দেখা মেলে। পূর্বে চর আন্ডা, পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগার দ্বীপ ও তার পাশেই চর কাশেম। এসব চরের নান্দনিক দৃশ্যও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। কুয়াকাটা থেকে সাগরপথে এই চরের দূরত্ব ৩৫.১৯ কিলোমিটার। আর রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে চরটির দূরত্ব ১০ কিলোমিটার।ভ্রমণের আদর্শ সময়বঙ্গোপসাগর তুলনামূলক শান্ত থাকায় এখানে ভ্রমণের আদর্শ সময় শীতকাল। এ সময় অতিথি পাখির দেখা মেলে বেশি। তবে এই সময়েও চরটির সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।যেসব সুবিধা রয়েছেচর হেয়ারে রাত্রিযাপনের জন্য রয়েছে ছোট ছোট তাবু ও কটেজ। তাবু প্রতি ভাড়া এক রাতের জন্য ৪০০ টাকা। সমুদ্রের ঢেউয়ের কলকল ধ্বনি শুনতে শুনতে নির্জন রাতে তাবুতে কাটানো সময় হয়ে উঠতে পারে অনন্য অভিজ্ঞতা। এছাড়া সৈকতে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ছাতাসহ আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা। বনভূমির ভেতরে গাছের সঙ্গে বাঁধা দোলনা শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সব বয়সীদের জন্য আনন্দদায়ক।খাবারের জন্য রয়েছে সাগরের তাজা মাছ, মুরগি, ভাতসহ বিভিন্ন প্যাকেজ। থাকা, খাওয়া, ট্রলার সার্ভিস, তাবু ও কটেজসহ ভ্রমণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ‘সোনার চর ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেলস’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও চর হেয়ার ট্যুরিস্ট নিরাপত্তা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান। তার সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর ০১৭১৯৩৬৮১৭৮।তবে এখানে পর্যাপ্ত দোকান বা ফার্মেসি না থাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়া ভালো। মোবাইল চার্জিংয়ের জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাও রাখলে সুবিধা হবে।যেভাবে যাবেননৌপথে: ঢাকার সদরঘাট থেকে সরাসরি লঞ্চে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায়। ডেকের ভাড়া ৬৫০ টাকা এবং সিঙ্গেল কেবিন ১২০০ টাকা। সেখান থেকে ১৫০০ টাকায় ট্রলার (রিজার্ভ) বা ২০০০ টাকায় স্পিডবোটে চর হেয়ারে যাওয়া যায়। কয়েকজন মিলে গেলে ভাড়া ভাগাভাগি করা সম্ভব।সড়কপথে: ঢাকার সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে পটুয়াখালী চৌরাস্তা পর্যন্ত বাসভাড়া প্রায় ৬৫০ টাকা। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে ২৫০ টাকায় ৪০ মিনিটে হরিদেবপুর ফেরিঘাট। ট্রলারে ১০ টাকায় গলাচিপা শহরে উঠে মোটরসাইকেলে ১৫০ টাকায় পানপট্টি লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায় (সময় প্রায় ২৫ মিনিট)। পানপট্টি থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১২টা, দুপুর ২টা ও বিকেল ৩টায় লঞ্চ চরমোন্তাজের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। প্রায় ৩ ঘণ্টার নদীপথে আগুনমুখা ও তেতুলিয়া নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। চরমোন্তাজ থেকে ট্রলারে আধাঘণ্টা এবং স্পিডবোটে ১৫ মিনিটে পৌঁছে যাবেন চর হেয়ারে।বিকল্প পথ: গলাচিপার বোয়ালিয়া স্পিডবোট ঘাট থেকে ১০ হাজার টাকায় স্পিডবোট ভাড়া করা যায়। এছাড়া কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকেও ইঞ্জিনচালিত ট্রলার বা স্পিডবোটে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসা যায়। মাত্র ৩০০০-৩৫০০ টাকায় আপনি চলে আসতে পারবেন চর হেয়ারে।যা যা দেখবেনচর হেয়ারে রয়েছে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত,যেখানে আচড়ে পড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশি। দ্বীপের বুকে আছে ঝাউগাছ আর পেয়ারাগাছের বন। এছাড়া আছে নানা আকারের ছইলা, কেওড়া, গেওয়া, বাইন, গোলপাতা, হারগুজি, তাম্বুরা কাঁটার ঝোপঝাড়। সবুজ বনভূমির গাছগুলোতে বিচরণ করে হাজারো দেশীয় ও বিদেশী অতিথি পাখি যার মধুর কণ্ঠে কিচিরমিচির গানে ভুলে যাবেন শহুরে কোলাহলের অবসাদ।দোলনায় শুয়ে দুলতে দুলতে পাখিদের গানে মুগ্ধ হবেন আপনি। সারস, বক, শামুকখোল, মদনটাকেরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে আশ্রয় নেয় এখানকার গাছের মগডালে। আর ঝোপগুলো ডাহুক, কোড়াসহ নাম না জানা পাখিদের অভয়ারণ্য সৈকতে বসে সাগরের গর্জন আন্দোলিত করে তোলে মন। এখান থেকে দেখা যায় জেলেদের মাছ ধরা। সূর্যোদয়ের সময় লাল আভায় রাঙা দিগন্ত আর সূর্যাস্তের ক্ষণে সোনালি-কমলা রঙে ঢেকে যাওয়া জলরাশি হৃদয়ে ছড়িয়ে দেয় এক অনির্বচনীয় মায়া। বালুকাময় সৈকত এর চারদিকে দেখা যাবে লাল কাঁকড়া। এছাড়া এই চরটি চমৎকার এক পিকনিক স্পট। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা ব্যবস্থা। চর হেয়ার শুধু একটি দ্বীপ নয় এ এক অনুভূতি, বিস্ময়, নিঃশব্দ সৌন্দর্যের ঘোষণা। ঈদের ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতি, নির্জনতা ও সমুদ্রের মিলিত রূপ উপভোগ করতে চাইলে দক্ষিণের এই স্বর্গভূমি হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও আজ (৮ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা নানান কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক ‘অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অন্যতম।কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অদম্য নারী পুরস্কারের আওতায় বিশেষ অবদান রাখা নারীদের স্বীকৃতি প্রদান, দেশজুড়ে নারী অধিকার, সমতা ও ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন। এ বছর বিশ্বব্যাপী ‘গিভ টু গেইন’ (দিয়ে অর্জন) প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে, যা নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। এই কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে তাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।উল্লিখিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মহিলা অধিদফতর। এ ছাড়া, বিভিন্ন অফিস ও সংগঠন দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।সারা বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ এ দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এই দিবসটি উদযাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধরা প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় যে, ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। বাংলাদেশেও ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতার লাভের পূর্ব থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পৃথিবীজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবারও সারা বিশ্বের সব দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি পালনে প্রতিবছরই একটি প্রতিপাদ্য সুনির্দিষ্ট করা হয়।

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

তেহরানের লৌহমানব আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: এক আপসহীন যোদ্ধা

আধুনিক ইতিহাসের পাতায় যে কয়েকজন নেতা একক সিদ্ধান্তে একটি অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি কেবল একটি দেশের শাসক নন, বরং পুরো শিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও শৈশব: অভাবের মাঝেও শিক্ষার আলো১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে আলী খামেনেইর জন্ম। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জাভাদ খামেনেই ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ আলেম, যিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। খামেনেই পরবর্তীকালে তার শৈশব সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে আমাদের রাতের খাবারে শুধু রুটি আর কিশমিশ জুটত।’ অভাব থাকলেও পড়াশোনায় খামেনেই ছিলেন মেধাবী। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআন শিক্ষা শুরু করেন এবং ১১ বছর বয়সে ধর্মীয় লেবাস (পাগড়ি ও জাব্বা) ধারণ করে মাদ্রাসায় ভর্তি হন।বিপ্লবের আগুন ও কারাবরণ১৯৬০-এর দশকে তিনি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে আসেন এবং শাহ শাসিত রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন। এই অপরাধে তাকে অন্তত ছয়বার গ্রেপ্তার করা হয়। সাভাক (তৎকালীন গোয়েন্দা সংস্থা) তাকে নির্মম নির্যাতন করেছিল এবং তিনি তিন বছরের জন্য নির্বাসিতও হয়েছিলেন। কিন্তু এই কারাবাসই তাকে একজন আপসহীন নেতায় পরিণত করে।প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও হত্যাচেষ্টা১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর খামেনেই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ সব পদে আসীন হন। ১৯৮১ সালে তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তবে সেই বছরই একটি বোমা হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন, যার ফলে তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে সম্মান দিতে শুরু করে। তার আট বছরের প্রেসিডেন্সি ছিল মূলত ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধ’-এর কঠিন সময় পার করার গল্প।সুপ্রিম লিডার: ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ৩৭ বছর১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনেইকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তার দীর্ঘ শাসনামলের প্রধান স্তম্ভগুলো হলো:* আইআরজিসি (IRGC)-এর উত্থান: তিনি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে কেবল একটি সামরিক বাহিনী নয়, বরং একটি বিশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন।* প্রতিরোধের অক্ষ: লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের সমর্থন দিয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে এক বিশাল প্রভাব বলয় তৈরি করেছেন, যাকে তিনি ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বলেন।* পারমাণবিক কর্মসূচি: পশ্চিমা বিশ্বের প্রচণ্ড নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সত্ত্বেও তিনি ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন।দর্শনের দর্পণ: খামেনেইর অবিনশ্বর কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত তার আদর্শিক অবস্থানের প্রতিফলন। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:* পশ্চিম প্রসঙ্গে: “আমেরিকা হলো ‘বড় শয়তান’। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই হলো নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।”* আঞ্চলিক সংঘাত ও ইসরায়েল: ‘ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।’* পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে ফতোয়া: ‘আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, আমাদের জনগণের ঈমানের মধ্যে।’* তরুণ প্রজন্মের প্রতি: ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’ব্যক্তিগত জীবন ও বিচিত্র পছন্দখামেনেইর জীবনযাপন অত্যন্ত সাদামাটা। তিনি নিয়মিত কবিতা পড়েন এবং ফারসি সাহিত্যের গভীর অনুরাগী। এমনকি ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ তার অন্যতম প্রিয় বই। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর জীবন, আদর্শ এবং তার প্রভাবশালী বক্তব্যগুলোকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিস্তারিত ফিচার নিউজ নিচে দেওয়া হলো:আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই: পারস্যের ক্ষমতার ধ্রুবতারা ও তিন দশকের আপসহীন নেতৃত্বতেহরান, ইরান — আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে যদি কোনো একজন ব্যক্তির ছায়া সবচেয়ে দীর্ঘ হয়, তবে তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর, যখন দেশটি এক অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন খামেনেই হাল ধরেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কেবল ইরানের ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নন, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে এক অটল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জন্ম ও বৈপ্লবিক উত্থান১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল মাশহাদ শহরের এক অতি সাধারণ ধর্মীয় পরিবারে খামেনেইর জন্ম। শৈশবে চরম দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া খামেনেইর প্রধান সম্পদ ছিল তার মেধা ও ধর্মীয় নিষ্ঠা। মাত্র ১১ বছর বয়সে মাদ্রাসায় শিক্ষা শুরু করা এই তরুণ ১৯৬০-এর দশকে আয়াতুল্লাহ খোমেনির সংস্পর্শে এসে রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।বিপ্লবের আগে শাহের শাসনামলে তাকে অন্তত ছয়বার কারাবরণ করতে হয়। নির্বাসন ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত রাজনৈতিক নেতৃত্বের শিখরে আরোহণ করেন এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।‘জীবন্ত শহীদ’ ও অদম্য মনোবল১৯৮১ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় খামেনেই এক ভয়াবহ বোমা হামলার শিকার হন। এই হামলায় তার ডান হাতটি চিরতরে অকেজো হয়ে যায়। এই ঘটনার পর থেকেই ইরানিরা তাকে ‘জানবাজ’ বা ‘জীবন্ত শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করে। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দৃঢ়তা তাকে ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসায়।আদর্শিক স্তম্ভ: খামেনেইর বিখ্যাত কিছু বক্তব্যআয়াতুল্লাহ খামেনেইর শাসনকাল ছিল মূলত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প। তার বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি:আমেরিকা ও পশ্চিম প্রসঙ্গে: তিনি সবসময়ই আমেরিকার আধিপত্যবাদের কট্টর বিরোধী। তার বিখ্যাত উক্তি:"আমেরিকা হলো 'বড় শয়তান'। তারা যখন হাসে, তখনো তাদের হাতে লুকানো খঞ্জর থাকে। তাদের ওপর বিশ্বাস করা মানেই নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।"ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্বকে তিনি কখনোই মেনে নেননি। তার ভাষায়:"ইসরায়েল কোনো রাষ্ট্র নয়, এটি একটি সন্ত্রাসী গ্যারিসন। আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এই অবৈধ রাষ্ট্রটির কোনো অস্তিত্ব এই অঞ্চলে থাকবে না।"পারমাণবিক অস্ত্র ও ইসলাম: আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও তিনি তার ধর্মীয় ফতোয়ায় অটল ছিলেন: "আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করি না কারণ আমাদের ধর্ম এটাকে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের শক্তি আমাদের বোমায় নয়, জনগণের ঈমানের মধ্যে।"ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও আঞ্চলিক প্রভাবখামেনেইর শাসনামলে ইরান কেবল টিকে থাকেনি, বরং আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তার নেতৃত্বে গঠিত ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের অক্ষ আজ লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসকে (IRGC) তিনি এমন এক সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছেন যা সরাসরি তার কাছে দায়বদ্ধ।ধর্মীয় পণ্ডিত ও সাহিত্যের অনুরাগী এক রাষ্ট্রনায়ককঠোর প্রশাসক এবং ধর্মীয় নেতার বাইরেও খামেনেইর একটি ভিন্ন সত্তা রয়েছে। তিনি ফারসি সাহিত্যের একনিষ্ঠ অনুরাগী এবং শৌখিন কবি। ভিক্টর হুগোর ‘লা মিজারেবল’ থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য তার নখদর্পণে। তিনি একজন দক্ষ কোরআন তেলাওয়াতকারী এবং ধর্মীয় পণ্ডিত হওয়া সত্ত্বেও আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ ছিলো। তিনি প্রায়ই তরুণদের বলতেন, ‘ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমরা যদি জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারো, তবে কোনো পরাশক্তি তোমাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না।’এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তিদীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের নাটাই শক্ত হাতে ধরে রাখার পর, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-আমেরিকার যৌথ হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। তার এই দীর্ঘ সফর কেবল ইরানের ইতিহাস নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে স্থায়ীভাবে প্রভাবিত করে গেছে। তিনি যেমন একদিকে আধ্যাত্মিক গুরু, অন্যদিকে তেমনই ছিলেন এক অকুতোভয় রণকৌশলী। তেহরানের এই লৌহমানবের শাহাদাৎ বরণের মাধ্যমে এক আপসহীন যোদ্ধার মহাকাব্যের সমাপ্তি ঘটলো।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ যেগুলো

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল ডেস্টিনেশন ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’-এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে একটি নতুন মাল্টি-ব্র্যান্ড লাইফস্টাইল শোরুম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ (Mingle in Style)। প্রতিষ্ঠানটি একটি অভিনব রিটেইল কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে যেখানে একই ছাদের নিচে চারটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের সমাহার ঘটানো হয়েছে—যা লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন ফ্যাশনের এক অনন্য মিলনস্থল।প্রথাগত শোরুমের ধারণা ছাড়িয়ে ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’ আধুনিক জীবনযাত্রার এক প্রতিফলন, যেখানে স্টাইল সরাসরি আরাম, সুস্থতা এবং আত্মপ্রকাশের সঙ্গে যুক্ত। এই প্ল্যাটফর্মটি আভাসা (Avasaa), পিওর নর্থ (Pure North), বিদজার (Vidjar) এবং মিঙ্গেল (Mingle)-কে একত্রিত করেছে, যাদের প্রতিটি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক একটি অনন্য দিককে উপস্থাপন করে।এই নতুন যাত্রা সম্পর্কে মিঙ্গেল ইন স্টাইলের কো-ফাউন্ডার অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স নাসরিন করিম বলেন, “মিঙ্গেল আসলে আমার কাছে একটা প্যাশন প্রজেক্ট। আমাদের মূল ভিশন হচ্ছে মডার্ন ফ্যাশনকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংস্কৃতির সঙ্গে মিঙ্গেল করা। আমরা চাই মিঙ্গেল একটা ওয়ান স্টপ ওয়ার্ডরোব সলিউশন হোক যেখানে একজন মানুষ তার আইডেন্টিটি, কালচার এবং পার্সোনাল স্টাইল একসাথে খুঁজে পায়।”তিনি আরও যোগ করেন, “মিঙ্গেল ব্র্যান্ডে আমরা সবার কথা চিন্তা করে চারটা সাব-ব্র্যান্ড তৈরি করেছি যাতে সবাই একই ছাদের নিচে সব কালেকশন খুঁজে পায়। এর মধ্যে আভাসাতে থাকছে লাউঞ্জ অ্যান্ড কমফোর্ট ওয়্যার, পিওর নর্থে পাওয়া যাবে জিম অ্যান্ড স্পোর্টস ওয়্যার, ভিদজার-এ থাকছে ক্যাজুয়াল অ্যান্ড ক্লাসিক ওয়্যার এবং মিঙ্গেল নিজে একটি এথনিক ওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করছে।”শোরুমটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এর আরামদায়ক এবং বিলাসবহুল পরিবেশ দর্শকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্র্যান্ডগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ করে দেয়। উত্তরা বেলি কমপ্লেক্সে অবস্থিত এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি বর্তমানে ফ্যাশন প্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।উত্তরাবাসীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে নাসরিন করিম বলেন, “আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি উত্তরার খুব প্রাইম লোকেশনে করা হয়েছে। উত্তরার ফ্যাশন লাভারদের আমি ইনভাইট করব তারা এসে আমাদের স্টোরটি ঘুরে যাওয়ার জন্য। বিশেষ করে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে আমাদের পুরো কালেকশনের ওপর আমরা ফ্ল্যাট ৩০% অফ দিচ্ছি। আমরা সবাইকে এই অফারটি উপভোগ করার জন্য মিঙ্গেলে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”এই কিউরেটেড মাল্টি-ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশে লাইফস্টাইল রিটেইল খাতের নতুন সংজ্ঞা দিতে চায় ‘মিঙ্গেল ইন স্টাইল’। যেখানে আরাম, সংস্কৃতি, সুস্থতা এবং ব্যক্তিগত স্বকীয়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে একই সুতোয় গাঁথা।

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

দেশের বাজারে নুবিয়া ভি৮০ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

চাটনিঅ্যাডসের ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে রিটেইল শপে বিজ্ঞাপন দেবে গ্রামীণফোন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেটওয়ার্কিং জোরদারে বেসিসের ইফতার আয়োজন

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এই আহ্বান জানান তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরে দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং জরুরি ভিত্তিতে তার বাস্তবসম্মত সমাধান গ্রহণ করতে হবে।’সিন্ডিকেট নির্মূলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পাশাপাশি এই সময়ে যেন নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে না ওঠে, সে লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

শিশু তাহিয়া হত্যা মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: ডাকসু ভিপি

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

জাতি অবুঝ নয়, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে জামায়াত আমির

শিরোনাম
নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি নারীদের নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলো বিসিবি প্রত্যেক নাগরিককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই সরকারের সংকল্প : ডা. জুবাইদা ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে বজ্র ও শিলাবৃষ্টির আভাস আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, কাঁখে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ ফ্যাসিস্ট যুগের পুলিশ যাতে দেশে না থাকে, সেজন্য কাজ করছি: আইজিপি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ঠিক থাকলে অন্য ৩টি ঠিক থাকবে: শফিকুর রহমান হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশই যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে, আশা ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মির্জা আব্বাসকে রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে নাম-ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচারের অভিযোগ, সদর থানায় জনি আহমদের জিডি