ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভারতের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেছেন।বিএনপির মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। জানা যায়, নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন বসছে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এবারের আয়োজক ভারত।এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সফর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নানা আলোচনা ছিল। ভারতের পক্ষ থেকেও কয়েক দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এসময় অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধি অংশ নেবে না বলেও জানান তিনি।জানা যায়, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে দিল্লি আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। পরিশেষে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে তার অবসান ঘটলো।

সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতির প্রতি কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে প্রধান বিচারপতিকে এক মাসের সময় বেঁধে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্যথায় সাধারণ আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আল্টিমেটাম দেন।সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে হাইকোর্ট বিভাগে অনেক বিচারপতি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছেন। বিচারাঙ্গনের স্বচ্ছতা ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে ওইসব দলীয় বিচারপতির বিরুদ্ধে অবিলম্বে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করতে হবে।’বিচার বিভাগের বিভিন্ন প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের বস্তি উচ্ছেদসহ সার্বিক পরিবেশের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।’সম্প্রতি প্রধান বিচারপতির সাথে এক শুনানিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বার সভাপতি বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণ আইনজীবীদের স্বার্থের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।’ সংকটময় মুহূর্তে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছ থেকে এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হওয়ায় আইন অনুযায়ী যেকোনো দলের যোগ্যতা থাকা সব বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম।আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হলে বিএনপির অবস্থান কী হবে—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে তো আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচন করছে না। দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই। কারণ, দলীয় মনোনয়নও থাকছে না, দলীয় প্রতীকও থাকছে না।তিনি বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে দল সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। উপজেলা বিএনপি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে একজন সমর্থিত প্রার্থী ঠিক করে দিতে পারে। দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকেও স্থানীয় বিএনপিকে সব ইউনিয়নে একক সমর্থিত প্রার্থী রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি কোনো আলাদা অবস্থান নেবে না জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘সরকারের ভূমিকা থাকবে নির্বাচন কমিশনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা।তিনি বলেন, ‘দলীয়ভাবে নির্বাচন হচ্ছে না। বৈধ প্রার্থী হিসেবে যারা নির্বাচন করবে, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং তারা যেন সঠিকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন সহযোগিতা করবে।’

  • রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

    বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

  • চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

    চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

  • হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

    হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

  • এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

    এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

  • বিশ্ববাজারে আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

সব খবর

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনের তাইজ, আল-হুদায়দাহ, আল-জাওফ এবং মারিব গভর্নরেটের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে সৌদি আরব ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যম দাবি করেছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হুথিদের দ্বারা পরিচালিত সাবা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের আল-সালিফ ও আল-তুহায়তা জেলা ছাড়াও কামারান দ্বীপে এই বোমাবর্ষণ চালানো হয়েছে।ইয়েমেনের আরেকটি সংবাদ মাধ্যম আল মাসিরা জানিয়েছে, আল-হাজম, আল-ঘায়েল এবং আল-জুবা জেলায় অন্তত ১৮টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।তবে ইয়েমেনে নিয়োজিত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের পক্ষ থেকে এই হামলাগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি।সূত্র: আল জাজিরা

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তন করে ভাইভার নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারি উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে চরম দলীয়করণ শুরু করেছে। তারা ইতোমধ্যেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় বিবেচনায় মেধাহীন, অযোগ্য এবং বিতর্কিত লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অন্ধ দলীয় লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। অথচ সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন একটি বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেধার মূল্যায়নকে দুর্বল করে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির পথ ন্যক্কারজনকভাবে উন্মুক্ত করবে। সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত।’তিনি বলেন, ‘১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশবাসী মনে করে, সরকারের বড় আকারে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে দলীয়করণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্তের নগ্ন হাতিয়ার। লিখিত পরীক্ষা একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে তুলনামূলকভাবে বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করার সুযোগ দেয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশেই বোর্ডের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভাইভার নম্বরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে মেধার ব্যবধান কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন ঘটবে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নিয়ে, সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মথ্যে কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে এমন কোনো অনিশ্চিত ব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সহজেই উল্টে দেওয়া সম্ভব।’তিনি বলেন, ‘প্রক্সি, জালিয়াতি ও পরীক্ষায় অনিয়ম প্রতিরোধ করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু জালিয়াতি বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষাব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল মনিটরিং এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।’জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘অতীতে সরকারি চাকরি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তার অবসান চেয়েছে। একটি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করা; নতুন কোনো পদ্ধতিতে পুরোনো দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করা নয়। তাই নিয়োগব্যবস্থার এমন কোনো পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা ভবিষ্যতে প্রশাসনে দলীয় আনুগত্যশীল ও অনুগত জনবল প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।’তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, ‘যেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় হবে তার মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতা; কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সর্বপ্রথম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আনুগত্য, আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রভাবের কোনো স্থান থাকতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে।’তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের লেনদেন ও সুপারিশের সংস্কৃতি বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুরোনো বৈষম্য, দলীয়করণ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না। তরুণ সমাজের মেধা, শ্রম ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার দেশের চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ‘মেধার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের অবসান এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে হবে নতুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে-এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া আফরোজকে পুলিশ সদর দপ্তরে (টিআর পদে), পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে মাগুরা সদর সার্কেলে বদলির আদেশপ্রাপ্ত) এ এন এম সাইফুল আলম খাঁনকে এসবিতে, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেনকে রাজবাড়ী সদর সার্কেলে এবং খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার শারমিন সুলতানা রাখীকে বরিশাল মহানগর পুলিশে (বিএমপি) বদলি করা হয়েছে।এছাড়া র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম সিদ্দিককে সিআইডিতে এবং বিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার রতন চন্দ্র কর্মকারকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) বদলি করা হয়েছে।

জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

জাতিসংঘের সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর প্রেক্ষাপটে সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ধাক্কা তার রাজনৈতিক মিত্রদের গণ্ডি পেরিয়ে এখন পরিবারের সদস্যদের ওপরও দৃশ্যমান হচ্ছে। হাসিনার ঘনিষ্ঠ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্নীতিসহ নানা ফৌজদারি মামলার মুখে পড়েছেন কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতো প্রবাসে অবস্থান করছেন।২০২৪ সালের শুরুর দিকে পাঁচ বছর মেয়াদে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সায়মা ওয়াজেদ। তবে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৫ সালের মার্চে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা দায়ের করলে একই বছরের জুলাই মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে গত বছরের শেষের দিকে ডব্লিউএইচও তাকে অবৈতনিক প্রশাসনিক ছুটিতে রাখে।রয়টার্সের দেখা গত ৩ জুলাই ডব্লিউএইচও বরাবর পাঠানো সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবীদের একটি চিঠি অনুযায়ী, সংস্থাটি তার বিরুদ্ধে 'চীন সফরের বিষয়ে আর্থিক জালিয়াতি' এবং 'শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুল তথ্য উপস্থাপনের' অভিযোগ তোলে। তবে সায়মা ওয়াজেদ শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।এ ছাড়া মহাপরিচালক বরাবর পদত্যাগপত্রে সায়মা উল্লেখ করেন, ডব্লিউএইচও তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বেআইনিভাবে একটি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও এনেছিল। এর জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যোগদানের আগেই তিনি ওই জমি পেয়েছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত আইনের অধীনে তিনি তা পাওয়ার বৈধ অধিকারী ছিলেন।ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসকে দেওয়া চিঠিতে সায়মা ওয়াজেদ নেতৃত্বের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার অঞ্চলের দেশগুলোর সেবা করার লক্ষ্যেই আমি আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলাম এবং নিষ্ঠার সঙ্গেই সেই দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু আপনি ক্রমাগত আমাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে আসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আপনার নেতৃত্বের ওপর আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা হারিয়েছি।’চিঠিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর প্রায় এক বছর কোনো পারিশ্রমিক না পাওয়ায় আমার আর্থিক পরিস্থিতি চরম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ তবে এ বিষয়ে তিনি নতুন করে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাৎক্ষণিকভাবে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি এর আগে গোপনীয়তার স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য জানানো থেকে বিরত থেকে শুধু তার ছুটিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল।সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সায়মা ওয়াজেদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণের পরিকল্পনা করছিল জাতিসংঘ সংস্থাটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও আগামী ১২ অক্টোবর এই পদের জন্য নতুন মনোনয়ন আহ্বান করবে, ডিসেম্বরে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।বিশ্বের জনস্বাস্থ্য নীতিনির্ধারণে আঞ্চলিক পরিচালকের পদটি অত্যন্ত প্রভাবশালী। যে কোনো মহামারি বা জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নেতৃত্ব দেওয়া এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নীতিমালা বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে এই পদের ওপর। বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য দেশগুলোর ভোটে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এ পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।আইনজীবীদের মাধ্যমে পাঠানো জুলাইয়ের চিঠিতে চীন সফরের আর্থিক জালিয়াতির ব্যাখ্যায় সায়মা ওয়াজেদ জানান, এটি মূলত তার এক সহকারী কর্তৃক রুটিন বিল দাখিলের সময় ঘটে যাওয়া একটি প্রশাসনিক অসাবধানতা ছিল, যার পরিমাণ ছিল ৯০১ ডলার। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছিলেন এবং নিজের এই যোগ্যতার বিষয়টি ডব্লিউএইচও মহাপরিচালকের কাছে আগে থেকেই সম্পূর্ণ পরিষ্কার ছিল।

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা কিংবা পার্শ্বচরিত্র যে ভূমিকাতেই তিনি হাজির হয়েছেন নিজের অভিনয়গুণে সেটিকে করে তুলেছেন অনন্য। আজ ১০ সেপ্টেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, যিনি দর্শকের কাছে এটিএম শামসুজ্জামান নামেই পরিচিত। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময়ের কর্মজীবনে রেখে গেছেন এমন সব চরিত্র, যেগুলো বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে আজও আলাদা করে মনে রাখা হয়।অভিনেতা শুরু কিন্তু অভিনয় দিয়ে নয়। সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করে পরে কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম বহুমাত্রিক শিল্পী।চলচ্চিত্রে এটিএম শামসুজ্জামানের পথচলা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার সামনে নয়, পেছনে। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর চলচ্চিত্রের নানা কাজে যুক্ত হন। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখাতেও ছিল তার দক্ষতা। ‘জলছবি’ সিনেমার জন্য কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার মাধ্যমে দর্শকের কাছে নতুন করে পরিচিত হন। পরবর্তী সময়ে শতাধিক চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্যের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি হয় অভিনয়ের মাধ্যমে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। এটিএমকে প্রথম পর্দায় দেখা যায় ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায়। শুরুতে কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করলেও পরে নিজেকে নানা ধরনের চরিত্রে মেলে ধরেন। এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে ১৯৭৬ সালে। আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। এই সিনেমার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। খলনায়ক চরিত্রে তাঁর অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন দর্শকের কাছে তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘স্বপ্নের নায়ক’-এর মতো সিনেমায় খলচরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। কিন্তু তাঁকে শুধু খলনায়কের গণ্ডিতে আটকে রাখা যায়নি।এটিএম শামসুজ্জামানের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল চরিত্র বদলে ফেলার ক্ষমতা। একদিকে যেমন ভয়ংকর বা কঠিন চরিত্রে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছেন, অন্যদিকে কৌতুক চরিত্রেও হয়েছেন সমান জনপ্রিয়। ‘রামের সুমতি’, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘ম্যাডাম ফুলি’ ও ‘চুড়িওয়ালা’তে তার হাস্যরসাত্মক অভিনয় দর্শককে আনন্দ দিয়েছে। বিশেষ করে কৌতুক অভিনয়ের জন্যও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে স্বীকৃতি পেয়েছেন।এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে দারুণ সব সিনেমা আর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘গেরিলা’র মতো সিনেমায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র মতো সাহিত্যনির্ভর সিনেমায় তার অভিনয় দেখিয়েছে, কমেডি বা খলচরিত্রের বাইরেও কতটা শক্তিশালী অভিনেতা ছিলেন তিনি। নিজেও এক সাক্ষাৎকারে সাহিত্যনির্ভর গল্পের সিনেমায় অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছিলেন।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন একাধিকবার। ‘দায়ী কে?’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ ও ‘চোরাবালি’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১৫ সালে পান একুশে পদক। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে আজীবন সম্মাননাও দেওয়া হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গল্প ও চিত্রনাট্য লেখা এবং পরিচালনাতেও তাঁর অবদান ছিল। ২০০৯ সালে ‘এবাদত’ সিনেমা পরিচালনা করেন তিনি। এ টি এম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪২ কোটি টাকা মূল্যের আনুমানিক ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। বিজিবির দাবি, এটি একটি একক অভিযানে উদ্ধারকৃত এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ৬৪ বিজিবি উখিয়া ব্যাটালিয়নের একটি দল হ্নীলার সুইচ গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে ইয়াবার এই বিশাল চালানটি জব্ধ করে। ​উখিয়া ব্যাটালিয়ন জানায়, গত দুই সপ্তাহ ধরে একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিল এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় ড্রোন ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নজরদারি বাড়ানো হয়। এর আগে গত ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর হোয়াব্রাং এলাকা দিয়ে পাচারের চেষ্টাকালে তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই আসামীকে আটক করা হয়েছিল। রাতে সুবিধা করতে না পেরে চোরাকারবারীরা দিনের বেলায় জেলের ছদ্মবেশে নৌকাযোগে হ্নীলা সুইচ গেট দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। বিজিবির বিশেষ টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে ধাওয়া দিয়ে আটক করে।পরবর্তীতে তাদের নৌকার তল্লাশি চালিয়ে বাইরে দড়ি দিয়ে পানির নিচে বাঁধা অবস্থায় ভেসে থাকা বস্তা থেকে ১৪০টি কার্টনে মোড়ানো ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।​উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত ৬৪ বিজিবি সর্বমোট ১ কোটি ৪৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২৪৩ জন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। মাদকের পাশাপাশি জ্বালানি, ভোজ্যতেল ও সার পাচার রোধে বিজিবির এই কঠোর নজরদারি ও পেশাদার আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের উন্নত আইন দেওয়ার কথা বলে ধোঁকা দিয়েছেন। একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছেন। মনে রাখবেন,ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, আগামী দিনে তারাও ক্ষমতার বাইরে যেতে পারেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার নিয়ে করা এই আইন একদিন আপনাদের জন্যই বুমেরাং হবে।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল সংসদে পাসের প্রতিবাদে এবং সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে মজিবুর রহমান মঞ্জু এসব কথা বলেন।এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, আলতাফ হোসেন ও শাহাদাতুল্লাহ টুটুল।গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার আইন প্রসঙ্গে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের কাছে যে প্রত্যাশা তৈরি করেছিল, নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তা পূরণ করা হয়নি। বরং আগের অধ্যাদেশ বাতিল করে আরও শক্তিশালী আইন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত দুর্বল আইন করা হয়েছে।তিনি বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত যদি সেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা পুলিশের হাতেই থাকে, যাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠছে, তাহলে সেটি নিছক প্রহসন। গুমের তদন্ত এমন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের হাতে দিতে হবে, যার কর্মকর্তাদের বদলি, পদোন্নতি বা চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের চাপের ভয় থাকবে না। অতীতে গুমের অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কখনো স্বতঃস্ফূর্তভাবে গুমের দায় স্বীকার করেনি। তাই গুমের তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য।সরকারের অন্যান্য প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেড় বছরে এক কোটি কর্মসংস্থানের কথা বলা হয়েছিল,সেটিও এখন ভুলে যাওয়া হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে না বলা হলেও কয়েক দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে। মানুষের আয় বাড়েনি, অথচ সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা চাপানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইরানের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে,এটি আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার জন্যও কি ইরানের যুদ্ধ দায়ী? আপনারা সেই অতীতের পথেই হাঁটছেন।সম্পত্তি হস্তান্তর আইন পুনর্বিবেচনার দাবি সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল প্রসঙ্গে মঞ্জু বলেন, নতুন আইনে ভবিষ্যতে নানা ধরনের জটিলতা ও বিরোধ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দানকৃত সম্পত্তি পরবর্তীতে বিক্রি বা হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, বাবা-মা বা কোনো দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করলেও তাঁদের ব্যবহার ও ভোগের অধিকার সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য মানবিক। কিন্তু এই আইনের কোনো বিধান মুসলিম আইন বা শরীয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।আমরা দাবি করছি, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন,এই তিনটি আইন পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের ভোটে সংসদে গিয়ে যারা ধানক্ষেতে, পাটক্ষেতে ঘুমানোর ইতিহাস দেখেছেন, তারা আজ সেই ইতিহাস ভুলে গেছেন।তিনি বলেন, জিয়া পরিবারের ওপর নির্যাতনের ইতিহাস ভুলে গেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ইতিহাস ভুলে গেছেন। হাজার হাজার মানুষকে গুম, গুলি ও ক্রসফায়ারের সেই ইতিহাসও ভুলে গেছেন। আজ সেই ইতিহাস দেখতে হচ্ছে সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে, দেখতে হচ্ছে ইলিয়াস আলীর স্ত্রীকে। অথচ সংসদে দাঁড়িয়ে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতির সঙ্গে ছলচাতুরি শুরু করেছেন।ফুয়াদ বলেন, ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইনকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগের আইন যদি ফিরিয়ে আনতেই হয়, তাহলে আওয়ামী লীগকেও ফিরিয়ে নিয়ে আসুন! এই সংসদ অক্ষরে অক্ষরে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। তারা ৩১ দফার সঙ্গে বেঈমানি করেছে এবং লাখ লাখ জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।‘ভুলে যাবেন না, আবারও মুচলেকা দিতে হতে পারে’ বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় মানুষের হৃদয়ে এবং দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা হয়ে গেছে। কয়েকটি কলমের খোঁচায় সেই রায় বাতিল করা যাবে না।সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা) শাজাহান ব্যাপারী, গাজীপুর মহানগরের সদস্য সচিব মাসুদ জমাদ্দার রানা, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, আব্দুর রব জামিল, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহ-দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সহ-সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব রাশিদা আক্তার মিতু, মিজানুর রহমান মিঠু, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী এবং যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ প্রমূখ।

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা একটি ঘৃণ্য অপরাধ: রিজভী

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা একটি ঘৃণ্য অপরাধ: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন ফ্যাসিবাদের আমলে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতন, লাঞ্ছিত ও অপমানের শিকার হয়েছেন। সেই নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল প্রতিবাদ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে যেসব নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করতেন, তাদেরও নিপীড়ন করা হয়েছে।নারীদের ওপর আক্রমণকারীরা কাপুরুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলা একটি ঘৃণ্য অপরাধ।জ্বালানি সংকট নিয়ে রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক বিষয়, এককভাবে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে তা সমাধান করা সম্ভব নয়। গ্যাসের সংকট ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে আসবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান নিয়ে যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ

আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আত্মহত্যা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সহজলভ্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মানসিক সংকটে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউনে মনোযত্ন আউটডোর কাউন্সেলিং সেন্টার, আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং মায়ের হাসি মেন্টাল হেল্থ সার্ভিস সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “আত্মহত্যা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা ও কথন পরিবর্তন”।অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট ও অ্যাডিকশন প্রফেশনাল রাখী গাঙ্গুলী। আলোচক ছিলেন মনোচিকিৎসক ডা. সুমাইয়া বিনতে জলিল এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সহকারী পরিচালক ডা. নায়লা পারভীন।মূল প্রবন্ধে রাখী গাঙ্গুলী জানান, ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩২২ জন নারী রোগীর তথ্য বিশ্লেষণে আত্মহত্যার চিন্তা ও প্রচেষ্টার সঙ্গে মাদকাসক্তি এবং বিভিন্ন মানসিক রোগের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া গেছে। অধিকাংশ রোগীর বয়স ছিল ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে। গবেষণায় ৬৫ শতাংশ রোগীর আত্মহত্যার চিন্তা এবং ৩৮ শতাংশ রোগীর আত্মহত্যার প্রচেষ্টার ইতিহাস পাওয়া যায়।ডা. সুমাইয়া বিনতে জলিল বলেন, আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে থাকা ব্যক্তিকে বিচার বা দোষারোপ না করে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা এবং প্রয়োজনীয় পেশাদার সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি।ডা. নায়লা পারভীন বলেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।আলোচনা সভার মূল বার্তায় বলা হয়— আত্মহত্যা নিয়ে নীরবতা নয়; প্রয়োজন সচেতনতা, সহানুভূতি, সংযোগ এবং সময়মতো সহায়তা। সঠিকভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন

রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন

জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো

চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা

বিশ্ববাজারে আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তন করে ভাইভার নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারি উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে চরম দলীয়করণ শুরু করেছে। তারা ইতোমধ্যেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় বিবেচনায় মেধাহীন, অযোগ্য এবং বিতর্কিত লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অন্ধ দলীয় লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। অথচ সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন একটি বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেধার মূল্যায়নকে দুর্বল করে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির পথ ন্যক্কারজনকভাবে উন্মুক্ত করবে। সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত।’তিনি বলেন, ‘১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশবাসী মনে করে, সরকারের বড় আকারে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে দলীয়করণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্তের নগ্ন হাতিয়ার। লিখিত পরীক্ষা একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে তুলনামূলকভাবে বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করার সুযোগ দেয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশেই বোর্ডের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভাইভার নম্বরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে মেধার ব্যবধান কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন ঘটবে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নিয়ে, সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মথ্যে কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে এমন কোনো অনিশ্চিত ব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সহজেই উল্টে দেওয়া সম্ভব।’তিনি বলেন, ‘প্রক্সি, জালিয়াতি ও পরীক্ষায় অনিয়ম প্রতিরোধ করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু জালিয়াতি বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষাব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল মনিটরিং এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।’জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘অতীতে সরকারি চাকরি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তার অবসান চেয়েছে। একটি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করা; নতুন কোনো পদ্ধতিতে পুরোনো দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করা নয়। তাই নিয়োগব্যবস্থার এমন কোনো পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা ভবিষ্যতে প্রশাসনে দলীয় আনুগত্যশীল ও অনুগত জনবল প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।’তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, ‘যেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় হবে তার মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতা; কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সর্বপ্রথম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আনুগত্য, আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রভাবের কোনো স্থান থাকতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে।’তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের লেনদেন ও সুপারিশের সংস্কৃতি বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুরোনো বৈষম্য, দলীয়করণ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না। তরুণ সমাজের মেধা, শ্রম ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’মিয়া গোলাম পরওয়ার দেশের চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ‘মেধার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের অবসান এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে হবে নতুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

সরকার একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে: মঞ্জু

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মায়ের মৃত্যুতে জাতীয় কৃষক শক্তির শোক

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মায়ের মৃত্যুতে জাতীয় কৃষক শক্তির শোক

ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ: এবি পার্টি

ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ: এবি পার্টি

ভোটার এলাকা পাল্টালেন আসিফ ও পাটওয়ারী

ভোটার এলাকা পাল্টালেন আসিফ ও পাটওয়ারী

অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, গুমের তদন্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে: এবি পার্টি

অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, গুমের তদন্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে: এবি পার্টি

বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী

বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

টেকনাফ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবার চালান জব্ধ, আটক ২

চ্যানেল এসের সংবাদে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু

চ্যানেল এসের সংবাদে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু

আখাউড়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

আখাউড়ায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নাম-পরিচয় না জানা এক যুবকের (৩৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুর এলাকায় রাস্তার পূর্বপাশ থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাবেদউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।ওসি আরও জানান, নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

নবীনগরে ছাত্রকে পেটানোয় শিক্ষক থানায়

নবীনগরে ছাত্রকে পেটানোয় শিক্ষক থানায়

নবীনগরে চিকিৎসকদের অবহেলায় সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ!

নবীনগরে চিকিৎসকদের অবহেলায় সাপে কাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ!

পীরগঞ্জে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পীরগঞ্জে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে: ড. খন্দকার মারুফ

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে: ড. খন্দকার মারুফ

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার

ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার

গোপালগঞ্জের কনসার্টে ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জের কনসার্টে ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান, আয়োজক গ্রেপ্তার

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমে নিজেদের প্রথম ম্যাচডেতে মাঠে নামছে ইউরোপের চার বড় নাম—বার্সেলোনা, লিভারপুল, পিএসজি ও আর্সেনাল। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী চার ম্যাচের মধ্যে বার্সেলোনার ম্যাচটি শুরু হবে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে, আর বাকি তিনটি ম্যাচের পর্দা উঠবে বুধবার দিবাগত রাত (বৃহস্পতিবার) রাত ১টায়।বার্সেলোনা বনাম ফেইনুর্ড — ম্যাচটি হবে বার্সেলোনার স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসর ঘরের মাঠে শুরু করবে বার্সা। লিভারপুল বনাম আতলেতিকো মাদ্রিদ — ম্যাচটি হবে লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে। সমর্থনের বিচারে এগিয়ে থাকলেও শক্তিমত্তায় সমানে সমান লড়বে আতলেতিকো। পিএসজি বনাম স্লোভান ব্রাতিস্লাভা — পিএসজি নিজেদের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে খেলবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু হচ্ছে এই ম্যাচ দিয়ে।নাপোলি বনাম আর্সেনাল — ম্যাচের ভেন্যু নাপোলির স্টাদিও দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা। সফরকারী হিসেবে গেলেও বেশ শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামছ গানার্সরা। বার্সেলোনা ও পিএসজি ঘরের মাঠে ফেভারিট হিসেবেই শুরু করছে। দল ও শক্তিমত্তার বিচারে বিনা হোঁচটেই তাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। তারপরও বড় মঞ্চে বেশ সতর্ক এই দুই জায়ান্ট। অন্যদিকে লিভারপুল-আতলেতিকো এবং নাপোলি-আর্সেনালের লড়াই দুটোই হতে পারে এই রাতের সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ।তবে এই চারটি ম্যাচ বাদেও আরও দুইটি ম্যাচ এই রাতেই মাঠে গড়াচ্ছে। সেগুলো হলো: স্টুটগার্ড-ভাইকিং (রাত ১০.৪৫টায়) ও স্পোর্টিং-গালাতেসারে (রাত ১টায়)।

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

অবসরের চিঠিতে মেসির ম্যাজিক হ্যারি পটার!

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত

জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারত

কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে জয়ের ধারাবাহিকতায় রিয়াল মাদ্রিদ

কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে জয়ের ধারাবাহিকতায় রিয়াল মাদ্রিদ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তকারীদের দাবি, ডনের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।সিআইডির পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ডন কী কারণে এবং কার সহযোগিতা বা ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে সিআইডি।সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মজিবুর রহমানের করা ওই আবেদনে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশের পর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

ঢালিউডের রাজপুত্র বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তা আজও অমলিন। সকলের প্রিয় এই নায়কের চলে যাওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হলো আজ।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। সেই হিসেবে আজ তাঁকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি এখনো দর্শকের মনে সমানভাবে জায়গা করে আছে।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে পা রাখার পর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ নামেই পরিচিতি পান তিনি।চলচ্চিত্রে আসার আগে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’সহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন তিনি।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শকের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। এই জুটিকে দেখা গেছে ১৪টি সিনেমায়। পাশাপাশি মৌসুমী, শাবনূর, শাহনাজ, সোনিয়া ও অন্যান্য নায়িকার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।তবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। ওই দিন রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসভবনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়। ময়নাতদন্তে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যুর রহস্য নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি।সালমান শাহ চলে গেছেন তিন দশক আগে। কিন্তু তাঁর সিনেমা, অভিনয় আর অনন্য ফ্যাশন এখনো নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান আকর্ষণের। ‘স্বপ্নের নায়ক’ বাস্তবের পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের হৃদয়ে তিনি আজও ‘অন্তরে অন্তরে’।৩০ বছর পরও তাই সালমান শাহ যেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, যেখানে সময় থেমে আছে—কিন্তু ভালোবাসা ফুরায়নি।

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

এবারের বিশ্বসুন্দরী জোহেইরি

মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি।এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী। শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারে নতুন লুকে ধরা দিলো দীঘি

কক্সবাজারের সমুদ্রে সৈকতে মোহনীয় লুকে দেখা মিলল অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তিনি নিজেই সমুদ্র সৈকত থেকে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এরপর থেকেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবেতিনি জানিয়েছেন অন্য কোনো কারণে নয় শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা দীঘি। নিজের ফেসবুক পেজে এ নিয়ে দুটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।ছবিতে সমুদ্রের পাড়ে স্বাভাবিক ও ছিমছাম সাজে দেখা গেছে তাকে। সাগরের নীল জল আর বালুচরের আবহে অভিনেত্রীর নতুন লুকও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের।ছবির ক্যাপশনে দীঘি লিখেছেন, ‘আমি এসেছি সাগর পাড়ে ‘গো প্লান’-এর সাথে।’ এরপর থেকেই তার কক্সবাজার সফরের কারণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করার পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, সেখানে নতুন কোনো কাজের শুটিং করছেন কি না।দীঘি অবশ্য বিষয়টি এখনই খোলাসা করতে চাইছেন না। জানা গেছে, শুটিংয়ের কাজে বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন প্রজেক্টের জন্য সেখানে গেছেন, সেটি আপাতত গোপনই রাখছেন অভিনেত্রী।নতুন কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, সময় হলে জানতে পারবেন।’ ফলে তার নতুন কাজটি সিনেমা, ওয়েব কনটেন্ট নাকি অন্য কোনো ধরনের প্রজেক্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শেয়ার করেন দীঘি। এবার কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় থেকে প্রকাশ করা ছবিগুলোও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মধ্যে। ছবির পাশাপাশি নতুন কাজের রহস্যই যেন বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের আগ্রহ।শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন দীঘি। ছোটবেলায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। এখন নতুন এই কাজ দিয়ে দর্শকদের সামনে কী চমক নিয়ে হাজির হন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

খালেদা জিয়ার সাজ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী চমক

খালেদা জিয়ার সাজ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী চমক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রুকাইয়া জাহান চমক। নিজের ভ্লগ সিরিজ ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’-এর একটি পর্বে বেগম জিয়ার আইকনিক লুকে ক্যামেরার সামনে আসেন তিনি। হঠাৎ কেন এই সাজ, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হলে সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেন অভিনেত্রী। ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে এই সাজ কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে চমক বলেন, “আপনারা কি আমার ‘ডিসকাভারিং বাংলাদেশ’ ব্লগ আগে দেখেন নাই? এর আগে আমি যখন মনিপুরী বা গারোদের নিয়ে ভিডিও করছি, তখন তাদের কস্টিউম পরেছি। আমি যখন তাঁতশিল্প নিয়ে ভিডিও করছি, তখন তাঁতের শাড়িটা পরছি। আমি যখন যে ভিডিওটা করি, তখন সেটার লুক নিই। ভাইরাল হওয়ার জন্য এটা করিনি, আপনারা খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন এটা আমার ভিডিও বানানোর প্যাটার্ন।”নিজের সাজ ও পোশাক দিয়ে দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ফ্যাশন, আমাদের ট্র্যাডিশন ও কালচার নিয়ে স্টাডি করি। বাংলাদেশের পোশাক এমন একটা জিনিস যার মাধ্যমে আমরা আমাদের আইডেন্টিটি, দেশের পরিচয় ও কালচার রিপ্রেজেন্ট করতে পারি।’চলতি বছর বিএনপির হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় এসেছিলেন চমক। রাজনীতি প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, ‘আমি দেশনীতিবিদ হতে চাই। আমার জন্য রাজনীতি শব্দটা একটু আলাদা। দেশের জন্য কিছু করার একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার। এরকম কিছু বড় প্ল্যাটফর্ম যদি পাই, সেখান থেকে আমার জন্য দেশের পলিসি মেকিং, দেশের অনেক পরিবর্তন আনার জায়গাটা পাওয়া সহজ হবে। এটাই আমার রাজনীতিতে জড়ানোর কারণ ছিল।’বর্তমান সরকারের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এই মূল্যায়নটা কোনো আলাদা জায়গা দিয়ে করতে পারব না। কোনো জায়গায় তারা ১০ এ ১০, কোনো জায়গায় তারা ১০ এ ০। এক কথায় তো উতর দেওয়া যাবে না। এটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে।’২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে শোবিজে পা রাখেন রুকাইয়া জাহান চমক। এরপর ‘হায়দার’, ‘মহানগর’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো জনপ্রিয় কাজ দিয়ে অল্প দিনেই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি ভ্লগিং নিয়েও বেশ সরব এই অভিনেত্রী।

‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি

‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি

এ প্রজন্মের ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও ফিটনেস কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং মডেল তাসরিন ইসলাম রশনি। এবার নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন পরিচয়ে হাজির হচ্ছেন। প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটির নাম ‘ফুলের বিয়ে’। এটি নির্মাণ করেছেন রুবেল আনুশ।তিনি ‘মিস এভারগ্রিন বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। এরপর ফ্যাশন মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন। বর্তমানে ফটোশুট ও মিউজিক ভিডিওতেও নিয়মিত কাজ করছেন এই মডেল।‘ফুলের বিয়ে’ নাটকে রশনি গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকটিতে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন অনিন্দিতা মিমি ও জুনায়েদ বোগদাদী। এসকে মিডিয়া পিআর প্রযোজিত নাটকটির শুটিং এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হয়েছে।নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তাসরিন ইসলাম রশনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় করেছি। কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো ছিল। কাজটি খুব সুন্দর হয়েছে। আমার ইচ্ছা মডেলিং ও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করা। এছাড়াও নতুন কিছু কাজ নিয়ে কথা চলছে। মডেলিং ও অভিনয়ের সব মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাশন মডেলিং নিয়ে আমার লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের পরিচিতি বাড়ানো। আমি চাই বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্বমানের মঞ্চে তুলে ধরতে। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে সব মাধ্যমে কাজ করতে প্রস্তুত আছি।’নাটকে অভিষেকের মধ্য দিয়ে মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের অবস্থান তৈরি করতে চান তাসরিন। সামনে ভালো গল্প ও চরিত্রে নিয়মিত কাজ করতে চান তিনি।

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিনই আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হলেন, অথচ দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় পড়তে হলো হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে। আপাতদৃষ্টিতে ধকলটা শুধু আমাদেরই মনে হলেও, প্রতিদিনের এই আবহাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে আমাদের ত্বককেও কম ধকল পোহাতে হয় না। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ ঠান্ডা এসি রুমে ঢোকা, আবার বেরিয়ে আসা, সব মিলিয়ে প্রতিদিনই নানা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে।কোনো দিন ত্বক থাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত, আবার কোনো দিন মুখ ধোয়ার পরই টানটান লাগে, দেখতে মলিন মনে হয়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই হয়ে যায় অতিরিক্ত তেলতেলে। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে পরামর্শটা ছিল খুবই সহজ, ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, আর ভালোভাবে ব্যবহার করুন।কিন্তু এমন এক শহরে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার মুখে ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে। কারণ বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক ঠিকভাবে হাইড্রেটেড থাকবে, এমনটা নয়। ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ায় যে ক্রিম বেশ আরামদায়ক মনে হয়, ঢাকার গরমে সেটিই হয়তো ততটা স্বস্তিদায়ক নয়। বরং ঘাম আর তেলের সঙ্গে মিশে গিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে অস্বস্তি।তবুও আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে ত্বকের যত্নের জন্য আমদানি করা পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান পণ্য অবশ্যই ভালো হবে। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়। এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি হয়তো ততটা আরামদায়ক নাও হতে পারে।আর এখানেই বাড়ছে লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা। এখন ভালো ময়েশ্চারাইজার মানেই শুধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করা নয়, বরং আরও কিছু প্রশ্ন সামনে আসে। এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে?কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশের আবহাওয়ায় আসলে কোন ধরনের ফর্মুলা ও উপাদান ভালো কাজ করবে, সেদিকেও এখন নজর দিচ্ছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। আর এর ফলে দেশীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও তৈরি হচ্ছে নতুন সুযোগ।যেমন ধরুন, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজার। নামের মতোই এর টেক্সচারও হালকা, অনেকটা জেলের মতো। কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকে এনে দেয় সতেজ ও প্রাণবন্ত একটি গ্লো। এতে রয়েছে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত কিছু উপাদান, যেমন রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্ট। রাইস ওয়াটার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ও ত্বক নরম রাখতে ব্যবহৃত হয়, আর লিকোরিস সাধারণত ত্বককে উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয়।হালকা, আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই এবং মাত্র ২৯৫ টাকা দামের কারণে বাজেট-ফ্রেন্ডলি হওয়ায়, তরুণদের মধ্যে এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়ছে। কারণ, ভালো ময়েশ্চারাইজার হলো সেটিই, যা ত্বককে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিয়ে সতেজ রাখে এবং সারাদিন ব্যবহারের পরও চিটচিটে অনুভূতি দেবে না।

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার

বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর উদ্যোগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর পল্টনস্থ হোটেল ৭১-এ বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।অনুষ্ঠানে বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি.-এর পরিচালকবৃন্দ, ক্লাউড শেয়ারহোল্ডার, শেয়ারহোল্ডার, কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করবেন।অনুষ্ঠানে কোম্পানি ও প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। এছাড়াও অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে কোম্পানির নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হবে।এ সময় সম্মাননা প্রদান, বিভিন্ন চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কর্পোরেট মতবিনিময়ের আয়োজন থাকবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথিদের জন্য একটি মনোজ্ঞ ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি. কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিকল্পিত একটি শরিয়াহসম্মত ও শেয়ারভিত্তিক হোটেল ও রিসোর্ট প্রকল্প।

আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধে বিএনপি সরকারের রেকর্ড

আওয়ামী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধে বিএনপি সরকারের রেকর্ড

কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৬১৩ জন শ্রমিক ছাঁটাই

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘এলফ ডিলার মিট’ সেরা ডিলার ও বিক্রয়কর্মীদের পুরস্কার

বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

লন্ডনে বাংলাদেশি নেতৃত্বের চমক বিবিসিসিআই’র নতুন ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম সিআইপি

ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিবিসিসিআই) ডিরেক্টর নির্বাচিত হয়েছেন এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জহিরুল ইসলাম (সিআইপি)। দূরদর্শী নেতৃত্ব, কৌশলগত ব্যবসায়িক দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য তিনি সুপরিচিত। গত মঙ্গলবারের এই নির্বাচন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য জোরদার এবং ব্যবসায়ের নতুন দুয়ার উন্মোচনে এক বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।_বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি জহিরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম শীর্ষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও, এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি) এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মোর্তুজা (সিআইপি) উভয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবিসিসিআই’র লাইফটাইম মেম্বার' (আজীবন সদস্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।এই স্বীকৃতি ক্যাপ্টেন কিবরিয়া এবং গোলাম মোর্তুজার আজীবন অবদান, দূরদর্শী উদ্যোক্তা মানসিকতা এবং সীমান্ত পেরিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিকে ত্বরান্বিত করে। উভয়ের দক্ষ পরিচালনায় এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ করপোরেট উৎকর্ষতা, নৈতিক শাসন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্প্রসারণের মাধ্যমে এখন একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।এ বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, "এই মুহূর্তটি ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং আমাদের পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। বিবিসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদে নির্বাচিত হওয়া আমাদের দ্বি-পাক্ষিক ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার সুযোগ দেবে। একই সাথে আমাদের চেয়ারম্যান এবং সিইও মহোদয়ের আজীবন সদস্যপদ লাভ এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়িক সম্পর্কের এক বিশ্বস্ত সেতু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।"বিবিসিসিআই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। এই যাত্রায় এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন ভবিষ্যৎ নির্মাণে আরও সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু

নিউ ইয়র্কে চেতনায় ৭১ হৃদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন উদযাপিত

নিউ ইয়র্কে চেতনায় ৭১ হৃদয়ে বাংলাদেশ স্লোগানে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন উদযাপিত

ধরপাকড়ের চাপে মালয়েশিয়া ছাড়ছেন অবৈধরা

ধরপাকড়ের চাপে মালয়েশিয়া ছাড়ছেন অবৈধরা

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের ১ নম্বর হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের বাজারে উন্মোচন করেছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ। ক্রেতাদের জন্য এই সিরিজে থাকছে ২ বছরের ওয়ারেন্টি এবং ১ বছরের স্ক্রিন প্রোটেকশন, যা নিশ্চিত করবে আরও নিশ্চিন্ত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ব্যবহার অভিজ্ঞতা। রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি, রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি ও রেডমি নোট ১৭, শক্তিশালী এই তিনটি স্মার্টফোনের লাইনআপ প্রতিদিনের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এই সিরিজের লাইনআপের শীর্ষ মডেল রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি-তে রয়েছে বিশাল ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি, সঙ্গে ১০০ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিং। এছাড়াও, এতে রয়েছে ১.৫কে ক্রিস্টালরেজ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৫ প্রসেসর, কর্নিং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২ এবং আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ ও আইপি৬৯কে রেটিংসহ উন্নত ধুলো ও পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা।অন্যদিকে রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে ৮,৩৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি এবং ৬৭ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং রেডমি নোট ১৭ ৪জি-তে রয়েছে ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং। রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি এবং রেডমি নোট ১৭ উভয় মডেলেই রয়েছে ইমার্সিভ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, কর্নিং গরিলা গ্লাস সুরক্ষা এবং সার্টিফায়েড ৩ মিটার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স।এই শক্তিশালী ফিচারগুলোর পাশাপাশি, রেডমি নোট ১৭ সিরিজ ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় সব অফার। কার্ডলেস ইএমআই-এর মাধ্যমে কেনাকাটায় ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। আরেকটি দারুণ সুবিধা হলো, ৩৬টি ব্যাংকের কার্ডহোল্ডাররা তাদের ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনতে পারবেন সর্বোচ্চ ১২ মাসের ০% ইএমআই সুবিধায়।নগদ টাকায় ক্রেতারা রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনলে উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা মূল্যের বাটা গিফট ভাউচার, রেডমি হেডফোনস নিও, রেডমি বাডস ৮ লাইট এবং ট্রাভেল ব্যাগ ও থার্মাল ফ্লাস্ক সমন্বিত এক্সক্লুসিভ ব্যাগ বান্ডেল, পাশাপাশি থাকছে বিশেষ ইন্টারনেট বান্ডেল। আর চমক এখানেই শেষ নয়! রেডমি নোট ১৭ সিরিজের প্রতিটি ক্রেতার জন্য থাকছে নোট ক্লাব প্রিভিলেজ কার্ড। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত স্টোরে শাওমি টিভি ও ওয়াশার ড্রায়ারে উপভোগ করা যাবে ২০% পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। অর্থাৎ, রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সঙ্গে থাকছে আরও বেশি সুবিধা এবং আরও বেশি সাশ্রয়। এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমি ফ্যানদের কাছে রেডমি নোট সিরিজের জনপ্রিয়তা ও আস্থা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমরা নিয়ে এসেছি ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারির রেডমি নোট ১৭ সিরিজ, এবং সেই সাথে প্রথমবারের মত যুক্ত করেছি ২ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা যা ক্রেতাদের আরও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগের প্রজন্মগুলোর মতো এই সিরিজও ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং বাংলাদেশে রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সাফল্যের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।” ক্লাউড ব্লাশ, গ্রিন ও ব্ল্যাক, এই তিনটি রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি। এর ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৪,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ১২ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা মাত্র। স্কাই ব্লু, সাটিন অরেঞ্জ ও ব্ল্যাক এই তিনটি অনন্য রঙে এবং ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি, যার দাম ৫৪,৯৯৯ টাকা মাত্র। সেলেসটিয়াল পার্পল, স্কাই টিল ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে রেডমি নোট ১৭ ফোরজি পাওয়া যাচ্ছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩২,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩৬,৯৯৯ টাকা মাত্র।সুবিশাল ব্যাটারি সক্ষমতা, শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও ডিউরেবলিটির সমন্বয়ে তৈরি রেডমি নোট ১৭ সিরিজ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলাচ্ছে ইন্টারসিটি ভ্রমণ, সেবা নিয়ে 'কারবুক'

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলাচ্ছে ইন্টারসিটি ভ্রমণ, সেবা নিয়ে 'কারবুক'

১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে  শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল

১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল

ফ্রেশ সুপার মার্ট লিমিটেড ও উপায়-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

ফ্রেশ সুপার মার্ট লিমিটেড ও উপায়-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ: আসিফ মাহমুদ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ‘হাইপ আর ‘ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আপা (শেখ হাসিনা) না কি ডিসেম্বরে লীগের (আওয়ামী লীগ) পলাতকদের দেশে ফিরতে বলবে না। মূলত, তাদেরকে বললেও কেউ আসতো না।’তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট কীভাবে পরিবারের সবার পালানো নিশ্চিত করে বাকিদের ফেলে দিয়ে তিনি হেলিকপ্টারে চড়েছিলেন এটা কোনোমতে জান বাঁচিয়ে পালানো নিষিদ্ধ লীগের নেতাদের ভালো মতোই মনে আছে।’এনসিপির এ নেতার মতে, ‘ডিসেম্বরের (শেখ হাসিনার দেশে ফেরা) হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ!’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি কোনো নির্দেশনা কাউকে দিচ্ছি না। তবে দেশে-বিদেশে আমাদের সমর্থক-নেতাকর্মী যারা যেখানেই আছেন তারা তাদের ইচ্ছা পোষণ করছে। তারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে তারাও আমার সঙ্গে যেতে চায়। আমি নির্দেশনা দিয়ে কাউকে তো বিপদে ফেলতে পারি না, কিন্তু যারা মনে করবেন যেতে চায়, তারা যাবে।

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

শিরোনাম
ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার ইয়েমেনে মুহুর্মুহু বিমান হামলা সৌদি আরবের ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: মিয়া গোলাম পরওয়ারের উদ্বেগ আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি যেকোনো দলের বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রধান বিচারপতিকে আল্টিমেটাম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়লো কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ চীনে ভারী বৃষ্টি-ভূমিধস: ১৬ জনের মৃত্যু রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন হরমুজে দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে ইরানের হামলা এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী বে ওয়েভ হোটেল এন্ড রিসোর্টের সফটওয়্যার উদ্বোধন, কর্পোরেট মিলনমেলা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার