ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে’ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বৈষম্যমুক্ত-ন্যায়ভিত্তিক নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর ৬০ লাখ সদস্যের সাহস-নিষ্ঠায় দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এমন প্রত্যাশার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষে এই বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের যেকোনও প্রয়োজনে আনসার বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।” “এই শুভলগ্নে আমি এই বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের অকুতোভয় আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা”- বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ফ্যাসিবাদী শাসনের পর বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করে যাচ্ছে। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ ‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ধারণায় গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন। গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বহুবিধ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।” আনসার-ভিডিপির নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রমে সারা দেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সক্ষমতাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং কৃষি অর্থনীতির বিকাশে খাল খনন, দুর্যোগপ্রবণ প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যা থেকে সুরক্ষা, পানিসম্পদ পরিকল্পনা, দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের মতো অনন্য কার্যক্রম বাস্তবায়নেও আনসার ও ভিডিপি অপরিসীম ভূমিকা পালন করতে পারে।” তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, তারুণ্যই শক্তির উৎস। যুবসমাজকে নিছক জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে। স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের এই নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি সহায়ক শক্তি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটিই প্রত্যাশা।”

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির মিথ্যা বুলি আওড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ। তবে সরকার এটি স্বীকার করে না। এটি জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি।মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি শরীয়তপুরের আহত চিকিৎসককে দেখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান একথা বলেন।তিনি বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন না চিকিৎসকরা। অতীত সরকারের অদূরদর্শী কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।জামায়াত আমির বলেন, শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের আক্রমণে চিকিৎসক নাসির ইসলাম মারা যাওয়ার উপক্রম। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই এবং বিচার চাই। রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের অবহেলা অভিযোগ এনে তার উপর এমন হামলা করা হয়েছে। এটি তদন্তের বিষয়। তাই বলে এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিলে একটি দেশ সভ্যভাবে গড়ে উঠতে পারবে না।তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে দাবি, স্বাস্থ্যখাতে মানুষের স্বস্তিকর করা হোক। এভাবে দেশ চলতে পারে না। ফেয়ার সোসাইটি চাই। সব সরকারই ক্ষমতায় এসে বলে, আগের চাইতে এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। এই আগ’টা কে, সেটিই বুঝতে পারলাম না।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১১ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে দুজনের শরীরে নিশ্চিত হাম রোগ ধরা পড়েছে। বাকিদের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এই ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে রয়েছে ৩ জন করে। এছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৩৩৭ জন।

  • শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

    শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক

  • হামের প্রাদুর্ভাব, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সব ছুটি বাতিল

    হামের প্রাদুর্ভাব, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সব ছুটি বাতিল

  • ‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা

    ‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা

  • ঈদে স্বাস্থ্য সেবায় সরকারের ১৮ নির্দেশনা

    ঈদে স্বাস্থ্য সেবায় সরকারের ১৮ নির্দেশনা

  • ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

শক্তিশালী মার্কিন ডলার, উচ্চ ট্রেজারি ইল্ড এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। একইসঙ্গে কমেছে রুপাসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও।বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মঙ্গলবার (১৯ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭৪.৪০ ডলারে নেমেছে। দিনের শুরুতে এটি ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। এছাড়া জুন মাসে ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১.৮ শতাংশ কমে ৪,৪৭৬.৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকৃত সুদের হার বাড়ছে, যা স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে ডলারও শক্তিশালী হচ্ছে, যা স্বর্ণের বাজারের জন্য নেতিবাচক।১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। একই সময়ে মার্কিন ডলারও শক্তিশালী হয়েছে।জ্বালানি খাত থেকে তৈরি হওয়া মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেড কঠোর নীতি নিতে পারে-এমন প্রত্যাশা থেকেই ট্রেজারি ইল্ড ও ডলারের দর বেড়েছে।ট্রেজারি ইল্ড বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ ব্যয় বেড়ে যায়। অন্যদিকে ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য ডলার-মূল্যের স্বর্ণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।এদিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান ওলে হ্যানসেন বলেন, দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণে বিনিয়োগের যৌক্তিকতা এখনো রয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বর্ণের জন্য কঠিন পরিবেশ তৈরি করেছে।তিনি আরও বলেন, জ্বালানিসংক্রান্ত তাৎক্ষণিক চাপ কমতে শুরু করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা আবার বাজারের বড় চালক হয়ে উঠতে পারে।বাজারের অংশগ্রহণকারীরা এখন ফেডের সর্বশেষ নীতি নির্ধারণী সভার কার্যবিবরণীর জন্য অপেক্ষা করছেন, যা বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনা বোঝার চেষ্টা করবেন। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে।অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও বড় পতন দেখা গেছে। স্পট রুপার দাম ৫.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৩.২৫ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ২.৮ শতাংশ কমে ১,৯২৩.৫৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩.৩ শতাংশ কমে ১,৩৭১.২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি

বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি

১৩ জুনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে বিএনপি, এনসিপিসহ ২৩টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।মঙ্গলবার (১৯ মে) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব যেসব দল জমা দেয়নি, তাদেরকে ১৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ২৭টি দল ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে, আর ২৩টি দল এখনো জমা দেয়নি। তাদেরকে ১৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।ইসি থেকে জানানো হয়েছিল, ২৫টি দল হিসাব জমা দিয়েছে। এখন ২৭টি দল হিসাব দিয়েছে— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শেষ দিনে আরো দুইটি দল একেবারে শেষ সময়ে হিসাব জমা দেয়। ওই নথিগুলো শাখায় দেরিতে পৌঁছানোর কারণে প্রাথমিকভাবে ২৫টি দল হিসেবে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই দুই দলের হিসাব পাওয়ায় এখন ২৭টি রাজনৈতিক দল ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বলে গণ্য হচ্ছে।ইসি সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে দলগুলোকে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। গত ১৩ মে’র মধ্যে ২৭টি দল জমা দিয়েছে। বিএনপি, এনসিপিসহ ২৩টি দল এখনো জমা না দেওয়ায় তাদের ১৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।যে দলগুলোকে চিঠি দিয়েছে ইসি— বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণফোরাম, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, আমজনতার দল, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’

বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’

বহুল প্রত্যাশিত ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ বিলুপ্ত করে এই সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) এই বিষয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

প্রায় দেড় যুগ পর পুনরায় চালু হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পিছিয়ে গেছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২১ মে) ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার পর জুনের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হতে পারে।মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ. এস. এম. সিরাজুদ্দোহা বলেন, ২১ মে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি থাকলেও তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তাই ঈদের পর ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জুনের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা যাবে বলে আশা করছেন তারা।চলতি বছর থেকেই দীর্ঘ বিরতির পর আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল শেষ হয়। পরীক্ষার আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করে। এতে পরীক্ষাকালীন আচরণবিধিসহ ১০টি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরীক্ষার সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। মেধাতালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের ৫০ শতাংশ হারে সমান অনুপাতে নির্বাচন করা হবে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচদিন বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোর সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। এদিকে নোয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ আরো কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।নোয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট ও যশোর জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামীকাল বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়। রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়। রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।বর্ধিত পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

রাজধানী ঢাকার রাস্তায় এবং ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ দেওয়া কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার (১৯ মে) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব, ঢাকার দুই সিটির প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।এর আগে ঢাকার হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন অ্যাডভোকেট মো. শোয়েবুজ্জামান।

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৯) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের খুলশী কার্যালয়ের একটি লিভিং রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তিনি জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির নাম নলেন ধর (৩৮)। তিনি ভারতীয় নাগরিক।ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া আমরা অনুসরণ করেছি। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, লিভিং রুম থেকে বাথরুমে যাওয়া-আসার সময় হার্ট অ্যাটাক করে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।’নরেনের কিভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনাস্থলে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিনা বা লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন বা সন্দেহজনক আলামত পাওয়া গেছে কি না, সেসব বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।জানা গেছে, নরেনের পিতার নাম রাম নিওয়াস। তিনি হারিয়ানার চন্ডিগড়ের বাসিন্দা।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে উঠেছিল সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটি। অবশেষে ১৩৪ রানের জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি অফ স্পিনার। সালমানের পর উইকেটে এসে মাত্র ৬ বল টিকতে পেরেছেন হাসান আলি। তাইজুলের ফিরতি ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন এই ব্যাটার। শেষ বিকেলে ৮ বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে স্বস্তি নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছে টাইগাররা।চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রান। এখনো ১২১ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান। তাদের হাতে আছে ৩ উইকেট। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে করে ২৩২ রান।গতকাল শেষ বিকেলে পাকিস্তান চতুর্থ ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নামলেও ২ ওভারে স্কোরকার্ড ছিল ০/০। আজ পাকিস্তানের দুই ওপেনার মিলে খেললেন আরও ৮ ওভার। সবমিলিয়ে ইনিংসের ১১তম ওভারে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম ধাক্কাটা দেন নাহিদ রানা। রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব‍্যাট চালিয়ে আব্দুল্লাহ ফজল গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন। ঠিকঠাক ব্যাটে না লাগায় গালি ফিল্ডিংয়ে দাঁড়ানো মেহেদি মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মিরপুরে অভিষেক টেস্টে নেমে দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করা এই বাঁহাতি ওপেনার এবার ফেরেন স্রেফ ৬ রানে।১৪ রানের ব্যবধানে আজান আওয়াইসকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মিরাজ। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করার চেষ্টা করছিলেন তিনি, কিন্তু বল ভেতরে ঢুকে পড়ায় লাইন মিস করেন। মিরাজের তাৎক্ষণিক জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল উঁচু করে ধরেন আম্পায়ার। রিভিউতে দেখা যায় লেগস্টাম্পে কোনোভাবে আঘাত করত বলটি। আম্পায়ার্স কলে ফিরতে হয় ২১ রান করা আজানকে।৪১ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর দারুণ জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন বাবর আজম ও শান মাসুদ। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের জুটি বড় হতে থাকলে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান তাইজুল। ৪৭ রান করা এই ব্যাটার সাজঘরে ফিরেছেন ফিফটি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে।সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিল এবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। ২১ বল খেলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এই মিডল অর্ডার ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন নাহিদ রানা।এরপর শান মাসুদও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকা এই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে মাহমুদল হাসান জয়ের ক্যাচ বানিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। মাসুদ ৭১ রান করে ফেরায় ১৬২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিস্তান। তখন মনে হচ্ছিল আজই শেষ হতে পারে এই ম্যাচ। তবে সেটা হতে দেননি রিজওয়ান-সালমান জুটি।এদিন বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত ছিলেন তাইজুল ইসলাম। চতুর্থ দিনে এসে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সুবিধা পান স্পিনাররা। সেটাই কাজে লাগিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩ রান দিয়ে তার শিকার ৪ উইকেট। এ ছাড়া নাহিদ রানা ২টি ও মেহেদি মিরাজ একটি উইকেট পেয়েছেন।

বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’

বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’

বহুল প্রত্যাশিত ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ বিলুপ্ত করে এই সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) এই বিষয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি

বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন সচিব মিরানা মাহরুখ

বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন সচিব মিরানা মাহরুখ

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক

আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল প্রযুক্তিতে মিলবে ভূমিসেবা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডিজিটাল প্রযুক্তিতে মিলবে ভূমিসেবা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে এনইসির সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে এনইসির সভা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন

বাংলাদেশসহ ৩ দেশের জন্য ভারতের নাগরিকত্ব পেতে নতুন নিয়ম

বাংলাদেশসহ ৩ দেশের জন্য ভারতের নাগরিকত্ব পেতে নতুন নিয়ম

ট্রাম্পের ঘোষণায় বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

ট্রাম্পের ঘোষণায় বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে ভারতের মানচিত্র বদলে যাবে: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে ভারতের মানচিত্র বদলে যাবে: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলায় ৫ জন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে ২ কিশোরের বন্দুক হামলায় ৫ জন নিহত

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির মিথ্যা বুলি আওড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ। তবে সরকার এটি স্বীকার করে না। এটি জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি।মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি শরীয়তপুরের আহত চিকিৎসককে দেখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান একথা বলেন।তিনি বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন না চিকিৎসকরা। অতীত সরকারের অদূরদর্শী কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।জামায়াত আমির বলেন, শরীয়তপুরে রোগীর স্বজনদের আক্রমণে চিকিৎসক নাসির ইসলাম মারা যাওয়ার উপক্রম। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই এবং বিচার চাই। রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের অবহেলা অভিযোগ এনে তার উপর এমন হামলা করা হয়েছে। এটি তদন্তের বিষয়। তাই বলে এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিলে একটি দেশ সভ্যভাবে গড়ে উঠতে পারবে না।তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে দাবি, স্বাস্থ্যখাতে মানুষের স্বস্তিকর করা হোক। এভাবে দেশ চলতে পারে না। ফেয়ার সোসাইটি চাই। সব সরকারই ক্ষমতায় এসে বলে, আগের চাইতে এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। এই আগ’টা কে, সেটিই বুঝতে পারলাম না।

মির্জা আব্বাসকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জামায়াতের সেক্রেটারি

মির্জা আব্বাসকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জামায়াতের সেক্রেটারি

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী: সাতদিনের কর্মসূচি বিএনপির

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী: সাতদিনের কর্মসূচি বিএনপির

‘মাজারে ঘটে যাওয়া ঘটনায় জামায়াতকে জড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

‘মাজারে ঘটে যাওয়া ঘটনায় জামায়াতকে জড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’

মোটরসাইকেল চালকদের ওপর করারোপ জনস্বার্থবিরোধী: বিরোধী দলীয় নেতা

মোটরসাইকেল চালকদের ওপর করারোপ জনস্বার্থবিরোধী: বিরোধী দলীয় নেতা

ভোটের আগে সবাই মাজারে যায়, কিন্তু মাজারে হামলা হলে কেউ আসে না: মঞ্জু

ভোটের আগে সবাই মাজারে যায়, কিন্তু মাজারে হামলা হলে কেউ আসে না: মঞ্জু

জমিদারি প্রথার আধুনিক সংস্করণ ‘চাঁদাবাজির রাজনীতি’ উচ্ছেদ করতে হবে: নাঈম আহমাদ

জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের ৭৫ বছর উদযাপনে জেডিপির হারিকেন মিছিল জমিদারি প্রথার আধুনিক সংস্করণ ‘চাঁদাবাজির রাজনীতি’ উচ্ছেদ করতে হবে: নাঈম আহমাদ

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ঈদ সামনে, তবুও বগুড়ার মার্কেটে ক্রেতার খরা

ঈদ সামনে, তবুও বগুড়ার মার্কেটে ক্রেতার খরা

স্ত্রী-সন্তান কানাডায় রেখে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

স্ত্রী-সন্তান কানাডায় রেখে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

রাজধানীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

রাজধানীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার

রাজধানীর মিরপুরে আট বছরের এক শিশুকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি মোস্তাক সরকার।এর আগে সকালে পল্লবী থানাধীন একটি বাসা থেকে রামিসা আক্তার নামের শিশুটির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ছিল।ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ স্বপ্না নামে এক নারীকে আটক করে। কিন্তু বাসার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ায় তার স্বামী প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এরপর থেকে তার সন্ধানে অভিযানে নামে ডিএমপি। অবশেষে সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেফতার করে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনই গ্রেফতার হলেন।নিহত শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে দশটার দিকে স্কুলে পাঠানোর জন্য রামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। বাসায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন ভবনে। এক পর্যায়ে তৃতীয় তলায় রামিসাদের বাসার উল্টো দিকের ফ্ল্যাটের দরজার সামনে, শিশুটির ব্যবহৃত স্যান্ডেল পাওয়া যায়। ভবনের অন্যান্য বাসিন্দাদের নিয়ে ওই ফ্ল্যাটের দরজায় খুলতে বলা হলেও, সাড়া আসেনি ভেতর থেকে। পরে, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ফ্ল্যাটের সোহেল রানার রুমে, খাটের নিচে পাওয়া যায় শিশু রামিসার মাথা-বিহীন মরদেহ।প্রতিবেশী এক নারী বলেন, শুনলাম সাত বছরের বাচ্চাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে।স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ছেলেটার সম্ভবত কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিলো। টাকা-পয়সা না, অন্যকিছু। তার স্ত্রীকে ধরেছে। কিন্তু সে নিজে গ্রিল কেটে পালায় গেছে।ফ্ল্যাটটিতে তখন একাই ছিলেন হত্যায় সন্দেহভাজন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না। পেশায় রিকশা মেকানিক সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেছে।৯৯৯-এ যোগাযোগের পর ঘটনাস্থলে আসেন পল্লবী থানা পুলিশ এবং মিরপুর জোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সদস্যরাও।পরে, ফ্ল্যাটটির একটি বাথরুম থেকে নিহত রামিসার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। সকালে ঘটনাস্থলে এসে ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি মোস্তাক সরকার বলেছিলেন, অভিযুক্ত সোহেল রানার বয়স ৩০/৩২ বছর। সে একজন রিকশা মেকানিক। আসামি মোটামুটি আইডেন্টিফায়েড। প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে সেই (হত্যা) করেছে।শিশুটিকে হত্যার আগে নির্যাতন করা হয়েছিলো কিনা, সেটিও তদন্তের বিষয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১৬, মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

শ্রীমঙ্গলে শ্রমিক সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১৬, মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে মরদেহ উদ্ধার

ভালুকায় কারখানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি

ভালুকায় কারখানার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি

নাগরপুরে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

নাগরপুরে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

কক্সবাজারের রামুতে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

কক্সবাজারের রামুতে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন

সোনারগাঁয়ে ভূমি মেলার উদ্বোধন

সোনারগাঁয়ে ভূমি মেলার উদ্বোধন

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে উঠেছিল সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটি। অবশেষে ১৩৪ রানের জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি অফ স্পিনার। সালমানের পর উইকেটে এসে মাত্র ৬ বল টিকতে পেরেছেন হাসান আলি। তাইজুলের ফিরতি ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন এই ব্যাটার। শেষ বিকেলে ৮ বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে স্বস্তি নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছে টাইগাররা।চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রান। এখনো ১২১ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান। তাদের হাতে আছে ৩ উইকেট। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে করে ২৩২ রান।গতকাল শেষ বিকেলে পাকিস্তান চতুর্থ ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নামলেও ২ ওভারে স্কোরকার্ড ছিল ০/০। আজ পাকিস্তানের দুই ওপেনার মিলে খেললেন আরও ৮ ওভার। সবমিলিয়ে ইনিংসের ১১তম ওভারে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম ধাক্কাটা দেন নাহিদ রানা। রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব‍্যাট চালিয়ে আব্দুল্লাহ ফজল গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন। ঠিকঠাক ব্যাটে না লাগায় গালি ফিল্ডিংয়ে দাঁড়ানো মেহেদি মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি। মিরপুরে অভিষেক টেস্টে নেমে দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করা এই বাঁহাতি ওপেনার এবার ফেরেন স্রেফ ৬ রানে।১৪ রানের ব্যবধানে আজান আওয়াইসকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মিরাজ। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করার চেষ্টা করছিলেন তিনি, কিন্তু বল ভেতরে ঢুকে পড়ায় লাইন মিস করেন। মিরাজের তাৎক্ষণিক জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল উঁচু করে ধরেন আম্পায়ার। রিভিউতে দেখা যায় লেগস্টাম্পে কোনোভাবে আঘাত করত বলটি। আম্পায়ার্স কলে ফিরতে হয় ২১ রান করা আজানকে।৪১ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর দারুণ জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন বাবর আজম ও শান মাসুদ। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের জুটি বড় হতে থাকলে তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান তাইজুল। ৪৭ রান করা এই ব্যাটার সাজঘরে ফিরেছেন ফিফটি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে।সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিল এবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। ২১ বল খেলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এই মিডল অর্ডার ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন নাহিদ রানা।এরপর শান মাসুদও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকা এই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে মাহমুদল হাসান জয়ের ক্যাচ বানিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। মাসুদ ৭১ রান করে ফেরায় ১৬২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিস্তান। তখন মনে হচ্ছিল আজই শেষ হতে পারে এই ম্যাচ। তবে সেটা হতে দেননি রিজওয়ান-সালমান জুটি।এদিন বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত ছিলেন তাইজুল ইসলাম। চতুর্থ দিনে এসে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সুবিধা পান স্পিনাররা। সেটাই কাজে লাগিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩ রান দিয়ে তার শিকার ৪ উইকেট। এ ছাড়া নাহিদ রানা ২টি ও মেহেদি মিরাজ একটি উইকেট পেয়েছেন।

মুশফিকের ব্যাটে এক দিনে দুই ইতিহাস

মুশফিকের ব্যাটে এক দিনে দুই ইতিহাস

৩৯তম জাতীয় স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

৩৯তম জাতীয় স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

লাঞ্চের আগে ২৪৯ রানের লিড বাংলাদেশের

লাঞ্চের আগে ২৪৯ রানের লিড বাংলাদেশের

শেষ হলো অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট

রবি আজিয়াটা পিএলসির শিরোপা জয় শেষ হলো অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট

২৩২ রানে অলআউট পাকিস্তান, ৪৬ রানের লিড পেলো বাংলাদেশ

২৩২ রানে অলআউট পাকিস্তান, ৪৬ রানের লিড পেলো বাংলাদেশ

বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ ৭ জুন

বিসিবি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ ৭ জুন

কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতো: বাবা কায়সার হামিদ

কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতো: বাবা কায়সার হামিদ

দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কারিনার মরদেহ। লাশ গ্রহণ করেছেন তার বাবা সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ।আজ রোববার (১৭ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লাশবাহী গাড়ি বনানীর বাড়ির পথে রওনা হয়েছে।লিভার সংক্রান্ত জটিলতার সঙ্গে লড়াই করে মারা যান জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার। ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার মৃত্যু হয় তার।বাদ মাগরিব রাজধানীর বনানীর ডিওএইচএসে কেন্দ্রীয় মসজিদে কারিনার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।এরপর বাদ এশা বনানী দরবার শরিফে হবে দ্বিতীয় জানাজা। একই দিন রাত ১০টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ নেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সোমবার বাদ ফজর মুন্সিগঞ্জের আবদুল্লাহপুরে কারিনার মায়ের দেয়া মসজিদের জায়গার পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে কারিনা কায়সারকে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত, পরে শরীরে সংক্রমণ ছড়ানোর পাশাপাশি হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চেন্নাই নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে চলে গেলেন এই তরুণ প্রতিভা।কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’, ‘৩৬-২৪-৩৬’।

অস্কারে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন সান্দ্রা হুলার

অস্কারে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন সান্দ্রা হুলার

বছরটা যেন নিজের করে নিচ্ছেন জার্মান অভিনেত্রী সান্দ্রা হুলার। চলতি কান চলচ্চিত্র উৎসবে তার ‘ফাদারল্যান্ড’ সিনেমাটি কুড়াচ্ছে দারুণ প্রশংসা। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি গড়তে পারেন অস্কারের ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, সান্দ্রা এবার কেবল একটি নয়, বরং চারটি অস্কার ক্লিপের দাবিদার। জার্মানির এই গুণী অভিনেত্রী ‘অ্যানাটমি অব আ ফল’ দিয়ে আগেই নাম লিখিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। এবার তিনি পা রেখেছেন হলিউডের বিশাল দুনিয়ায়। একাডেমি তাদের নিয়মে কিছু বদল আনায় এখন থেকে একজন শিল্পী একই বিভাগে একাধিক মনোনয়ন পেতে পারেন। আর সেই সুযোগেই সান্দ্রা এবার সেরা অভিনেত্রী এবং সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী— উভয় বিভাগেই দুটি করে মোট চারটি মনোনয়ন পেয়ে ইতিহাস গড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। রায়ান গোসলিংয়ের সঙ্গে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় দাপুটে অভিনয়ের জন্য তিনি এখন পার্শ্ব অভিনেত্রীর দৌড়ে সবার আগে আছেন। বিশেষ করে হ্যারি স্টাইলসের গান গেয়ে সেই কারাওকে দৃশ্যে তিনি যা দেখিয়েছেন, তা সবাই মনে রাখবে অনেক দিন। আগামী অক্টোবরে তাকে দেখা যাবে টম ক্রুজের সঙ্গে ‘ডিগার’ সিনেমায়। যদিও এই সিনেমা নিয়ে এখনই খুব বেশি কিছু জানা যায়নি, তবে পরিচালক ইনারিতুর আগের রেকর্ড বলছে এটি অস্কারের ঝুলিতে অনেক মনোনয়ন ভরবে। সেখান থেকে সান্দ্রার দ্বিতীয় পার্শ্ব অভিনেত্রীর মনোনয়ন আসা এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

রোববার আসবে কারিনার মরদেহ, মুন্সিগঞ্জে দাফন হবে সোমবার

রোববার আসবে কারিনার মরদেহ, মুন্সিগঞ্জে দাফন হবে সোমবার

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মরদেহ আগামীকাল ভারত থেকে দেশে আনা হবে বলে জানিয়েছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।তিনি জানান, আগামীকাল দুপুরে কারিনার মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। এরপর বাদ আসর বনানী ডিওএইচএস জামে মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।কায়সার হামিদ আরও বলেন, সোমবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় তাকে দাফন করা হবে। লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কারিনা কায়সার। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সেখানে নেওয়া হয়েছিল।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণ দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ ও ৩৬-২৪-৩৬।কারিনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তরা শোক প্রকাশ করছেন।

থালাপতির সিনেমা ফাঁস: ৩জন গ্রেপ্তার

থালাপতির সিনেমা ফাঁস: ৩জন গ্রেপ্তার

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জানা নায়গান’ প্রেক্ষাগৃহে আসার আগেই পাইরেসি হওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছেন সিনেমার সহকারী সম্পাদক প্রশান্তসহ সেলভাম ও বালাকৃষ্ণান নামের দুই ব্যক্তি। সাইবার ক্রাইম বিভাগের দায়ের করা মামলায় তাদের প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির শুটিং অনেক আগে শেষ হলেও এখনও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছে। এরই মধ্যে গত ৩ এপ্রিল অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এটি অবৈধভাবে ফাঁস হয়ে যায়।এইচ. বিনোথ পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২৬ সালের পোঙ্গল উৎসবকে কেন্দ্র করে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। তবে সিনেমাটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বার্তা আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে, এমন আশঙ্কায় সেন্সর বোর্ড সিনেমাটি আটকে দেয়। পরবর্তীতে মার্চ মাসে সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর কথা থাকলেও সেন্সর কমিটির এক সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় তা বাতিল করা হয়। ফলে সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ে।সিনেমাটির প্রযোজক কে. ভেঙ্কট নারায়ণ বলেন, আমরা বর্তমানে সেন্সর সার্টিফিকেটের (সিবিএফসি) অপেক্ষায় আছি। ছাড়পত্র পাওয়া মাত্রই আমরা সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেব। বিজয় স্যার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।উল্লেখ্য, ‘জানা নায়গান’ সিনেমাটি বিজয়ের অভিনয় জীবনের শেষ সিনেমা হিসেবে ধরা হচ্ছে। রাজনীতিতে পূর্ণকালীন সময় দেওয়ার লক্ষ্যে বিনোদন জগত থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এই ছবিতে বিজয় ছাড়াও অভিনয় করেছেন ববি দেওল, পূজা হেগড়ে, প্রকাশ রাজ ও গৌতম বাসুদেব মেননের মতো তারকারা।

মেয়ের মৃত্যুতে সবার কাছে ক্ষমা ও দোয়া চাইলেন বাবা কায়সার হামিদ

মেয়ের মৃত্যুতে সবার কাছে ক্ষমা ও দোয়া চাইলেন বাবা কায়সার হামিদ

মেয়ে কারিনা কায়সারের জন্য ক্ষমা ও দোয়া চেয়েছেন বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি বলেছেন, আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।১৫ মে শুক্রবার লিভার ও ফুসফুসের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।কারিনা কায়সেরের মৃত্যুর বিষয়টি তার বাবা কায়সার হামিদ ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।ফেসবুক পোস্টে কায়সার হামিদ লিখেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা (kaarina kaisar) একটু আগে চেন্নাইতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে। আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক। আমিন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন ধরেই কারিনা অসুস্থ বোধ করছিলেন। প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরবর্তীতে কারিনার শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ ধরা পড়েএবং তিনি ‘হেপাটাইটিস এ’ ও ই-তে আক্রান্ত হন। কারিনার আগে থেকেই ‘ফ্যাটি লিভার’-এর সমস্যা ছিল। সংক্রমণের ফলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে। পরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা শুরু করেন এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। চিকিৎসার শেষ মুহূর্তের বিষয়ে কায়সার হামিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন কিন্তু ওকে আর বাঁচানো গেল না।’চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের সংক্রমণ রোধে চিকিৎসা শুরু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের (যকৃৎ প্রতিস্থাপন) প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজস্ব সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি ও চমৎকার অভিনয়ের মাধ্যমে কারিনা কায়সার তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ ছিলেন।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মৃত্যু

কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মৃত্যু

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এর আগে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়।১৬ মে শুক্রবার তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।কায়সার হামিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন কিন্তু ওকে আর বাঁচানো গেল না।’ পারিবারিক ও চিকিৎসাসূত্রে জানা গেছে, লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে ভেলোরের খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার নিবিড় চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের সংক্রমণ রোধে চিকিৎসা শুরু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের (যকৃৎ প্রতিস্থাপন) প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরেই কারিনা অসুস্থ বোধ করছিলেন। শুরুতে সাধারণ শারীরিক সমস্যা মনে হলেও পরে পরীক্ষায় শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর তিনি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত হন। কারিনার আগে থেকেই ‘ফ্যাটি লিভার’-এর সমস্যা ছিল। সংক্রমণের ফলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে এবং গত শুক্রবার তার লিভার ফেইলিউর হয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজস্ব কনটেন্ট তৈরি ও অভিনয়ের মাধ্যমে কারিনা কায়সার তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ ছিলেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে বিনোদন অঙ্গন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

পরিমার্জন হচ্ছে পাঠ্যবই, প্রকৃত ইতিহাস  ফিরছে: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

পরিমার্জন হচ্ছে পাঠ্যবই, প্রকৃত ইতিহাস ফিরছে: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

এসএসসি-এইচএসসি ডিসেম্বরে আয়োজনের বিপক্ষে অধিকাংশ অংশীজন

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীনের পদত্যাগ, নেপথ্যে কী

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধ হবে শিক্ষা: এহছানুল হক মিলন

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা

‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) ব্যক্তিগত হিসাবে কার্ড থেকে ‘অ্যাড মানি’ করার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে প্রথমবার কোনো কার্ড এমএফএস হিসাবে যুক্ত করতে হলে ৫০০ টাকার একটি টোকেন লেনদেন করতে হবে। ওই লেনদেন সফল হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর কার্ডটি ব্যবহার করে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে।মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব এমএফএস প্রতিষ্ঠান ও তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।সার্কুলারে বলা হয়েছে, এটি আপাতত সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে কার্যকর থাকবে। তবে আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্ডধারীর নিজ নামে নিবন্ধিত এমএফএস হিসাব নিশ্চিত করা গেলে টোকেন লেনদেন ছাড়াই সরাসরি কার্ড সংযুক্ত করে ‘অ্যাড মানি’ করা যাবে।এতে আরও বলা হয়, কার্ড থেকে এমএফএস হিসাবে অর্থ যোগ করার লেনদেনকে ‘মার্চেন্ট পেমেন্ট’ নয়, বরং ‘ফান্ড ট্রান্সফার’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে লেনদেনের সময় বেনিফিশিয়ারি ওয়ালেট নম্বর যেন কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দৃশ্যমান থাকে, সে ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এসব প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে না পারলে ১ আগস্ট থেকে কার্ডের মাধ্যমে এমএফএস হিসাবে ‘অ্যাড মানি’ সুবিধা বন্ধ রাখতে হবে।এছাড়া এমএফএস ব্যক্তিগত হিসাবের অন্যান্য লেনদেনের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ জারি করা পিএসডি সার্কুলার-০৫/২০২৫ এর নির্দেশনা বহাল থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের অর্থনৈতিক বোঝা কমাতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ

আইইবির সেমিনারে বিশেষজ্ঞদের মত বিদ্যুৎ খাতের অর্থনৈতিক বোঝা কমাতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ

পে-স্কেলের অর্থ জোগানে সংকট বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা

পে-স্কেলের অর্থ জোগানে সংকট বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাজেটের ৪০ হাজার কোটি টাকা চলে গেছে: অর্থমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাজেটের ৪০ হাজার কোটি টাকা চলে গেছে: অর্থমন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় বাংলাদেশী, নিজেই খবর দিলেন পুলিশে

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় বাংলাদেশী, নিজেই খবর দিলেন পুলিশে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে এক বাংলাদেশী নিজেই খব দিলেন পুলিশে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত দুই শিশুর একজনের বয়স ১২ বছর এবং অন্যজনের বয়স মাত্র ৫ বছর। খবর সিডনি মর্নিং হেরাল্ড।সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় ক্যাম্পবেল্টটাউন এলাকার নিজ বাসা থেকে নিজেই পুলিশে ফোন করেন ৪৭ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ৪৬ বছর বয়সি স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের শরীরে ভয়াবহ ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, যাতে নিহতদের পরিচয় সুরক্ষিত থাকে। তাকে গ্রেফতার করে পারিবারিক সহিংসতার মাধ্যমে হত্যার তিনটি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।মঙ্গলবার ক্যাম্পবেলটাউন আদালতে মামলাটি সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হলেও অভিযুক্ত আদালতে হাজির হননি। তার আইনজীবী জাওয়াদ হোসাইন সাংবাদিকদের জানান, পুলিশ হেফাজতে তার মক্কেল ‘চরম মানসিক বিপর্যস্ত’ অবস্থায় আছেন।তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে কোনো পারিবারিক সহিংসতা, মাদক গ্রহণ বা মানসিক সমস্যার ইতিহাস ছিল কিনা—সে বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান আইনজীবী।আরও দেখুনসংবাদ সমষ্টি পরিষেবামোবাইল সংবাদ অ্যাপরাজনৈতিক বিশ্লেষণ পরিষেবাতদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরে থেকে দুই সন্তানের দেখাশোনা করতেন। দুই শিশুরই বিকাশজনিত সমস্যা ছিল। পরিবারের উপার্জন করতেন তাদের মা। প্রায় এক দশক আগে তারা বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান।নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাক্টিং সুপারিনটেনডেন্ট মিশেল মরোনি ঘটনাস্থলকে ‘অত্যন্ত নৃশংস অপরাধস্থল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, ঘরের ভেতর থেকে এমন কয়েকটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলো নিহতদের আঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে বাড়িতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি।পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে কখনো পুলিশের নজরে আসেননি এবং তার কোনো অপরাধমূলক রেকর্ডও ছিল না। পরিবারটির সঙ্গে সমাজসেবা বিভাগ বা শিশু সুরক্ষা সংস্থারও পূর্বে কোনো যোগাযোগ ছিল না।ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। হামলার সময় বাড়ির ভেতরে অন্য কেউ ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে না।স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান, নিহত শিশুরা সবসময় হাসিখুশি ছিল এবং প্রায়ই বাড়ির বাইরে খেলতে দেখা যেত। আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এ ধরনের পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের খবর সবসময়ই ভয়াবহ। কিন্তু যখন সেটা নিজের এলাকায় ঘটে, তখন তা বিশ্বাস করা আরও কঠিন হয়ে যায়।’এক নারী বাসিন্দা নিজের বাগান থেকে ফুল কেটে ঘটনাস্থলে রেখে আসেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কীভাবে কেউ এটা করতে পারে? তারা তো শিশু, একেবারে শিশু।’নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মাইনস এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ যেমন ক্ষুব্ধ ও শোকাহত, আমিও তেমনই।’আরও দেখুনই-বুক প্রকাশনাPoliticsরাজনৈতিক পডকাস্টতিনি জানান, আসন্ন জুন মাসের রাজ্য বাজেটে পারিবারিক সহিংসতা মোকাবিলায় আরও অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।উল্লেখ্য, এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই পারিবারিক সহিংসতা দমনে পরিচালিত অপারেশন অ্যামারক অভিযানে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে ৯৯৩ জনকে গ্রেফতার করা হয় এবং চার দিনে দুই হাজারের বেশি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রবাসীদের আস্থার ঠিকানা নোলার ‘ওসপেদালে দি নোলা’ হাসপাতাল

প্রবাসীদের আস্থার ঠিকানা নোলার ‘ওসপেদালে দি নোলা’ হাসপাতাল

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

ওমানে এক গাড়িতেই বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি

নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকল (এনইভি) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি, আরও তিনটি অত্যাধুনিক এনইভি, বিওয়াইডি সিল ৫, বিওয়াইডি সিল ৬ ও বিওয়াইডি সিলায়ন ৬ এডব্লিউডি নিয়ে আসার মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক যানবাহন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ উপলক্ষে ১৭ মে সোমবার ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে (আইসিসিবি) এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের সড়কে আরও স্মার্ট, টেকসই ও প্রযুক্তিনির্ভর মোবিলিটি সল্যুশন নিয়ে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এ আয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং। এছাড়াও, আরও উপস্থিত ছিলেন সিজি রানার বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আমিদ সাকিফ খান, বিওয়াইডি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন ও চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রেতাবৃন্দ, ব্যবসায়িক অংশীদার, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।আয়োজনে মনোমুগ্ধকর রিভিল শো, প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, কীনোট স্পিচ, গাড়ি উন্মোচন, মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশনের পাশাপাশি, ৬০টি প্রি-অর্ডারকৃত বিওয়াইডি গাড়ি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য বিশ্বমানের এনইভি প্রযুক্তি ও ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।নতুন নিয়ে আসা বিওয়াইডি সিল ৫ একটি সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকল (পিএইচইভি) সেডান, যা বিওয়াইডির অত্যাধুনিক ডিএম-আই প্রযুক্তি ও ব্লেড ব্যাটারি দিয়ে চালিত। ১৫০০ সিসির শাওয়ুন হাই-এফিশিয়েন্সি ইঞ্জিনসমৃদ্ধ এই গাড়িটি ১৫৪ কিলোওয়াট কমবাইন্ড ম্যাক্সিমাম পাওয়ার ও ৩০০ নিউটন মিটার টর্ক প্রদান করে, যেখানে এর কমবাইন্ড ড্রাইভিং রেঞ্জ সর্বোচ্চ ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এছাড়াও, সেডানটিতে এডিএএস (অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম) সেফটি প্রযুক্তি, ৩৬০ ডিগ্রি এইচডি ক্যামেরা, ৬টি এয়ারব্যাগ, ভেহিকল-টু-লোড (ভিটুএল) সুবিধা, রিজেনারেটিভ ব্রেকিং ও ১২.৮ ইঞ্চির ইন্টেলিজেন্ট ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম রয়েছে।সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক (ইভি) সেডান বিওয়াইডি সিল ৬ একবার চার্জে সর্বোচ্চ ৪১০ কিলোমিটার পর্যন্ত ড্রাইভিং রেঞ্জ প্রদান করে। রেয়ার-হুইল ড্রাইভ সহ পার্মানেন্ট ম্যাগনেট সিনক্রোনাস মোটর দিয়ে চালিত এই গাড়িটি ৯৫ কিলোওয়াট শক্তি ও ২২০ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। মডেলটিতে আরও রয়েছে ডিসি ফাস্ট চার্জিং, এডিএএস, অ্যাপল কারপ্লে, অ্যান্ড্রয়েড অটো, লেদার সিট, পিএম২.৫ এয়ার ফিল্ট্রেশন ও বিওয়াইডির নিজস্ব ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তি।বিওয়াইডির প্রিমিয়াম এসইউভি পোর্টফোলিওকে আরও সম্প্রসারিত করতে নিয়ে আসা নতুন বিওয়াইডি সিলায়ন ৬ এডব্লিউডি নিয়ে এসেছে অল-হুইল-ড্রাইভ সুপার প্লাগ-ইন হাইব্রিড এসইউভি অভিজ্ঞতা, যা সর্বোচ্চ ১২৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পিউর ইলেকট্রিক রেঞ্জ প্রদান করে। এর পাশাপাশি, এতে ১৫০০ সিসির টার্বোচার্জড ইঞ্জিন রয়েছে, যা দীর্ঘ ভ্রমণে অতিরিক্ত সক্ষমতা নিশ্চিত করে। গাড়িটিতে ১৫.৬ ইঞ্চির ইনফোটেইনমেন্ট ডিসপ্লে, ইনফিনিটি প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম, প্যানোরামিক সানরুফ, ভেন্টিলেটেড ও হিটেড সিট, ভেহিকল-টু-লোড (ভিটুএল) সাপোর্ট, ৭টি এয়ারব্যাগ ও এডিএএসের মতো উন্নত নিরাপত্তা প্রযুক্তি রয়েছে, যা পরিবার ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর প্রিমিয়াম ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।অনুষ্ঠানে বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিক অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং বলেন, “বাংলাদেশ বিওয়াইডির বৈশ্বিক এনইভি ভিশনের জন্য ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হচ্ছে। সিল ৫, সিল ৬ ও সিলায়ন ৬ এডব্লিউডির মাধ্যমে আমরা এমন উন্নত প্রযুক্তি, ইন্টেলিজেন্ট সেফটি ও টেকসই মোবিলিটি সল্যুশন নিয়ে এসেছি, যা ভবিষ্যতের পরিবহনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই গাড়িগুলো বাংলাদেশের ক্রেতাদের নিউ এনার্জি মোবিলিটি অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”এ বিষয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, “আজকের এই উদ্বোধন বাংলাদেশের এনইভি ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে বিওয়াইডি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভিন্নধর্মী লাইফস্টাইল ও ড্রাইভিং চাহিদার জন্য আমরা বৈচিত্র্যময় গাড়ির অপশন নিয়ে এসেছি। হাইব্রিড এফিশিয়েন্সি থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক ইনোভেশন ও প্রিমিয়াম এসইউভি পারফরম্যান্স, নতুন এই লাইনআপ বাংলাদেশের স্মার্ট মোবিলিটির পরবর্তী বিবর্তনকে তুলে ধরছে।”নতুন নিয়ে আসা বিওয়াইডি সিল ৫-এর প্রথম ৫০০ ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা মাত্র। সম্পূর্ণ ইভি বিওয়াইডি সিল ৬ পাওয়া যাবে মাত্র ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকায়। অন্যদিকে, প্রিমিয়াম এসইউভি সেগমেন্টে বিওয়াইডি সিলায়ন ৬ এডব্লিউডি-এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ লাখ ৯০ হাজার টাকা মাত্র; বিভিন্ন সেগমেন্টে ক্রেতাদের জন্য সর্বাধুনিক নিউ এনার্জি মোবিলিটি সল্যুশন নিশ্চিতে এ গাড়িগুলো নিয়ে আসা হয়েছে। তিনটি মডেলেই এই খাতের শীর্ষস্থানীয় বিওয়াইডির ওয়ারেন্টি সুবিধা ও সর্বাধুনিক ব্লেড ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান এনইভি বাজারে ব্র্যান্ডটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতি ক্রেতাদের আস্থা আরও জোরদার করবে।

টেকনোর ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে ঈদ-উল-আযহা মেগা গিফট বিজয়ীদের বিশেষ আয়োজন

টেকনোর ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে ঈদ-উল-আযহা মেগা গিফট বিজয়ীদের বিশেষ আয়োজন

বাংলাদেশে নতুন হোমকেয়ার ব্র্যান্ড ব্লিট্‌জের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

বাংলাদেশে নতুন হোমকেয়ার ব্র্যান্ড ব্লিট্‌জের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার

খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

গোনাহ থেকে বাঁচতে এবং হালালের পথে থাকার উদ্দেশেই জীবনের ‘সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে জানিয়েছিলেন আলোচিত ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।বুধবার (৬ মে) সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দ্বিতীয় বিয়ের তথ্য জানান মাদানী।সেখানে তিনি লেখেন, আল্লাহকে ভয় করা এবং গোনাহ থেকে দূরে থাকার চেষ্টাই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। পরে তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এমন আলোচনা-সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আলোচিত এ ইসলামি বক্তা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের জবাব’ শিরোনামে দীর্ঘ এক ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন তিনি।সেখানে মাদানী বলেন, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক বা টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু লোক বলার চেষ্টা করছে, আমি নাকি আমার প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে চাপে পড়ে বিয়ে করেছি। আবার অনেক নির্লজ্জরা তো বলছে টিকটকে নাকি পরিচয়, মাআযাল্লাহ! আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনোদিন দেখিনি, এমনকি তার সাথে একবারের জন্য কথাও হয়নি,আর টিকটকে জীবনে কোনদিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না!’সবচেয়ে বেশি আপত্তি তোলা হচ্ছে- কেন প্রথম স্ত্রীর গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন আলোচিত এ ইসলামী বক্তা। এর জবাবেও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে মাদানী দাবি করে বলেন, বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী-ছেলে বা মেয়ে-তাদের ফরম পূরণ করতে হয়। আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে। উভয়পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।তিনি বলেন, আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব, আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী। আমার জন্য উপযুক্ত মেয়ে পাওয়ার সময়টা আমার স্ত্রীর প্রেগন্যান্সির সময়ের সাথে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত ছিলাম, সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়েছে।নিজের পোস্টে প্রথম স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তুলে ধরেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি বলেন, আমি সারাক্ষণ স্ত্রীর পাশে হাসপাতালে থেকেছি। ময়মনসিংহের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন—৪ দিন ছিলাম রাত-দিন আমার ঘুম ছিল না, ঠিকমতো খাওয়াও হয়নি। যেদিন আমার স্ত্রীর অপারেশন হয়েছে, সেদিন অপারেশনের পর সারারাত তার বিছানার পাশে বসে থেকেছি। রাত ৩টার দিকে নার্সরাই আমার জন্য মায়া করে বলেছে, ‘হুজুর, আপনার স্ত্রী ভালো আছেন, আপনি বসে না থেকে এবার একটু ঘুমান।’গর্ভাবস্থার পুরো সময় হাসপাতালে থেকে স্ত্রীর দেখভাল করেছেন এবং সংসারজীবনে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণ করা গেলে যেকোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিষয়টি শুনে কষ্ট পেলেও তারা তার আচরণ বা দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি বলেও দাবি করেন তিনি।এ ছাড়া আলোচনায় আসা আইএমভি নামের প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও ব্যাখ্যা করেন মাদানী। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটি এমন নারী-পুরুষকে একত্র করে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়েতে আগ্রহী। কাউকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, অনেক অসহায় ও আশ্রয়হীন নারীর জন্য প্রতিষ্ঠানটি সহায়তার জায়গা হিসেবেও কাজ করছে।সমালোচকদের উদ্দেশে মাদানী আরও বলেন, অনেকেই একাধিক বিয়ের ইসলামী বিধানকে অপছন্দ করেন বলেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ দেশের অনেক আলেমবিদ্বেষী মানুষ এপস্টিন ফাইলস বা বড়লোক বড় নেতাদের স্ত্রী রেখে ৫টা ৭টা রক্ষিতা নিয়েও এত কথা বলেনি, যতটা আমার একাধিক বিয়ে নিয়ে বলছে। তাদের কাছে মনে হয়, এপস্টিন ফাইলসের সেই ছোট ছোট শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!’

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শিরোনাম
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন রাজধানীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার ঈদ সামনে, তবুও বগুড়ার মার্কেটে ক্রেতার খরা প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন খারাপ: জামায়াত আমির বিলুপ্ত করা হলো ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়’ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গুলশান-বারিধারা লেক উন্নয়নে বৈঠক বিএনপিসহ ২৩ দলের কাছে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব চেয়ে ইসির চিঠি বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে পতন রাজধানীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার ঈদ সামনে, তবুও বগুড়ার মার্কেটে ক্রেতার খরা প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টি, দুই বিভাগে ভারী বর্ষণের শঙ্কা আনসার-ভিডিপির মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘অ্যাড মানি’ করতে এখন মানতে হবে যে নির্দেশনা ফুটপাতে হকারদের জায়গা বরাদ্দ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট