ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে ইমিগ্রেশনে হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করেছে।মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তার ব্যক্তিগত বেসরকারি পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। তার সার্ক ভিসা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, তিনি একটি সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন এবং তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও তিনি বৈঠকে যোগ না দিয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন’।এরআগে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি সম্মেলনে যোগ দিতে গত ১৪ জুন দিল্লিতে গেলেও ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়েন জাহেদ উর রহমান। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিষয় উপদেষ্টা এবং তার পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমান।অভিযোগ রয়েছে, কূটনৈতিক চিঠি দিয়ে আগে জানানোর পরও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ডা. জাহেদকে দিল্লিতে ঢুকতে বাধা দেয়। যদিও বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ নানা পক্ষের তৎপরতায় তাকে শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে পর শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।পরে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে ঢাকার প্রতিবাদপত্র তার হাতে তুলে দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।ডব্লিউইএফ-এর প্রেসিডেন্ট আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে।তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের সময় বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন, গুম, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবে। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে।তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের যাতাকলে পৃষ্ঠ এই জাতিকে আল্লাহতালা আমাদের ছাত্র, শ্রমিক, যুব জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাত্র দুটি বছর আগে আমাদের মুক্তি দিয়েছিলেন। সেই সময়ে যে দলটি আমাদের মতই মজলুম ছিল, নির্যাতিত ছিল। আজকে তারা ক্ষমতায়। তারা তখন প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছিল। জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের সময় তারা বলেছিল, নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবে। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে। বিচার তো তারা করছেই না। গত চার মাসে ৬০০ জনের বেশি মানুষ নির্ভমভাবে বাংলার মাটিতে খুন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয় নগরে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম খুনের বিচারের দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক, এই দলটি নিজেরা নিজেদের কর্মীই খুন করেছে। যাদের নিজেদের কর্মীদের সম্পর্কে নিজেদেরই কোনো দায় এবং দরদ থাকে না। ২০ কোটি মানুষের জন্য তাদের কী দায় এবং দরদ থাকবে? আমরা কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না।তিনি বলেন, লজ্জার বিষয় বিএনপি ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে ঠিক ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরেই তারা এখন হাঁটা শুরু করেছেন।আমিরে জামায়াত বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন ব্যাংকে অযাচিত হস্তক্ষেপ, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলো দলীয় অনুগত লোকদের দিয়ে দখল করা, জেলায় জেলায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া, এমনকি খেলার মাঠটা পর্যন্ত তারা দলমুক্ত রাখতে পারলেন না। এইভাবে তারা আবার কার্যত একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকেই আগাচ্ছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কিন্তু বারবার বিপ্লবের সাক্ষী। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন। আপনারা যে পথে হাঁটছেন, সংসদে আমরা প্রত্যেকটি বিষয় সেখানে আমরা প্রতিবাদ করছি। দুই তৃতীয়াংশ ভোট কীভাবে পেয়েছেন আপনারাই ভালো জানেন। আর এ দেশের জনগণও জানে এবং এই ব্যাপারে কিছু রাজ সাক্ষীও ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। আপনাদের দলের ভেতর থেকে পাওয়া গেছে। বিগত সরকারের মধ্য থেকেও পাওয়া গেছে।বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতের আমির বলেন, বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব। মজলুম ছিলেন, জালেম হবেন না। মেহেরবানী করে বিচারগুলো নিশ্চিত করুন। শুধু ফ্যাসিবাদের হাতে কেন? এই রাস্তায় আমাদের কলিজার টুকরা বিপ্লবের প্রতীক শরিফ উসমান হাদিকে হত্যা করে তার বিচার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত মামলার চার্জশিট দেওয়া হয় নাই। কাকে খুশি করার জন্য, কোন সত্যকে আড়াল করার জন্য, এটা করা হচ্ছে জনগণ জানতে চায়।তিনি বলেন, এদেশের মানুষের অন্তরে, কলিজায়, হৃদয়ে, মগজে সব জায়গায় বসে আছে মজবুত ভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ। এই আদর্শকে নির্মূল করার চিন্তা করবেন না। যদিও আপনাদের একজন সিনিয়র নেতা ঘোষণা করে দিয়েছেন নির্মূল করবেন। অতীতে যারা নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা নিজেরাই আজকে নির্মূল হয়ে গেছে।তিনি বলেন, বেশি নির্মূল, নির্মূল করবেন না। এটা এক ধরনের ভাইরাস। এই ফ্যাসিবাদের ভাইরাস, চাঁদাবাজির ভাইরাস, দুর্নীতির ভাইরাস, দলীয় শাসনের ভাইরাস, এই সব ভাইরাস মুক্ত করার জন্য আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

  • একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

    একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

  • ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানে তারেক রহমানের সফরের ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

    ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানে তারেক রহমানের সফরের ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

  • রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়ন

    রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়ন

  • হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৩৫

    হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৩৫

  • সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি

    সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি

  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয় আদালতে নির্ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয় আদালতে নির্ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সব খবর

সব খবর

‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’

‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’

‘শেখ হাসিনা আবারও যদি ফিরে আসে, যারা ফেসবুকে প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবনটা কালো করে ছাড়বে’—এমন মন্তব্য করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিএনপি’র সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন মঙ্গলবার (২৩ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই সরকারের চার মাস। বিরোধী দল বলছে আরেকটি আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে। আমি ওনাদের বলতে চাই, আপনারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন, তাকে সহযোগিতা করুন। আপনাদের অনৈক্যের কারণে আবারও যদি দানব হাসিনা—আল্লাহ না করুক, আল্লাহ না করুক—ফিরে আসে, যারা ফেসবুকে প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবনটা কালো করে ছাড়বে।রেহানা আক্তার রানু আরও বলেন, কিছুদিন আগে ‘আয়নাঘর’ দেখেছি, সেখানে একটি চেয়ার দেখেছি। ওই চেয়ারে বিরোধী দলের নেতাদের ইলেকট্রিক শক দেওয়া হতো। আমার দাবি, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে ওই চেয়ারে বসিয়ে ইলেকট্রিক শক দিতে হবে।প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে ব্যবসায়ীরা একবার দাম বাড়ালে আর কমাতে চায় না। তাই বাজার মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানাচ্ছি।ব্যাংক খাত নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকের টাকা লুটপাটকারীদের শাস্তি দিতে হবে। যারা গ্রাহকের টাকা বিদেশে নিয়ে গেছে, তাদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে টাকা ফেরত দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে ফেনীর ১১ জন প্রাণ দিয়েছে। তাদের পরিবার বিচার না পাওয়ার অভিযোগ করছে। এ বিষয়ে সংসদে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।এছাড়া স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গ্যাস সংযোগ, ফেনীতে মেডিক্যাল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উন্নয়ন দাবিও তুলে ধরেন এই সংসদ সদস্য।

ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের কখনো শিকার বা দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ২৫ জুন আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।বাণীতে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বিশ্বের খাদ্য, ওষুধ থেকে শুরু করে জ্বালানি পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সমুদ্রপথে পরিবাহিত হয়। মূলত এই জাহাজ এবং নাবিকেরাই পুরো বিশ্বকে সচল ও ভাসিয়ে রাখছেন। কিন্তু যখন বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংঘাত বা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়, তখন নাবিকেরা প্রায়শই সেই পারস্পরিক লড়াইয়ের মাঝে পড়ে যান। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কারণে হাজার হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন, যারা তাদের নিজ বাড়ি থেকে বহু দূরে থেকে পুরো বিশ্বের খাদ্য ও জ্বালানির জোগান সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, চলতি বছরের আন্তর্জাতিক নাবিক দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে "ক্যারিয়িং ওয়ার্ল্ড ট্রেড। ক্যারিয়িং দ্য রিস্কস।" (বিশ্ব বাণিজ্য বহন করছে, ঝুঁকিও বহন করছে)। এই প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সমুদ্রচারী বা নাবিকদের কখনোই ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের শিকার কিংবা দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না। শ্রমমান সমুন্নত রাখা, আন্তর্জাতিক আইনকে শ্রদ্ধা জানানো এবং সর্বত্র নাবিকদের ক্ষতি থেকে নিরাপদ রাখা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানো ও রক্ষা করার দায়িত্ব সরকার এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের।জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, স্থলভাগে বসবাসকারী মানুষরা প্রায়শই নৌ-বাণিজ্যের গুরুত্বের ব্যাপারে অসচেতন বা অন্ধ থাকেন, যাকে "সীব্লাইন্ড" বলা যায়। কোনো সংকট বা বিপর্যয় আঘাত হানার আগ পর্যন্ত তারা নৌ-পরিবহনের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য অবদান সম্পর্কে জানতে পারেন না। এই আন্তর্জাতিক নাবিক দিবসে আসুন আমরা নাবিকদের সাহস ও দক্ষতাকে সম্মান জানাই এবং সব ধরনের প্রতিকূলতা ও ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলায় তাদের পাশে এসে দাঁড়াই।

অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই

সংসদে স্পিকারের কড়া নির্দেশনা অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালীন মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং অধিবেশন কক্ষের ভেতরে ছোট ছোট গ্রুপে গল্প বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় যেকোনো কাজের চেয়ে সংসদ অধিবেশন বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অন্য সবকিছুর ওপর প্রাধান্য পায়।মন্ত্রীরা রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাতে সংসদ এড়িয়ে যেতে পারেন না উল্লেখ করে স্পিকার তাদের যথাসময়ে সংসদে এসে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনার এবং প্রয়োজনে প্রতিকার করার কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার শুরুতে স্পিকার, চিফ হুইপ, জনপ্রশাসন মন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্যদের মধ্যকার আলোচনায় এসব বিষয় উঠে আসে।অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এক নোটিশে জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে অন্য সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের নাম ও যোগাযোগ নম্বর পাওয়া খুবই জরুরি। সাধারণত শপথ নেওয়ার দুই-এক মাসের মধ্যেই এই ক্যাটালগ বই প্রকাশ করা হলেও এবার চার মাস পার হলেও তা পাওয়া যায়নি।জবাবে স্পিকার জানান, জাতীয় সংসদ সচিবালয় টেলিফোন সহায়িকা ২০২৬ প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে এবং বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এখনো তথ্য না দেওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সংসদীয় কমিটিগুলো গঠন করা হলেই যথাসময়ে এই ডাইরেক্টরি প্রকাশিত হবে জানিয়ে দ্রুত তথ্য জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান স্পিকার।এই প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর সঠিক যোগাযোগ নম্বর না থাকার কারণে সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ডায়েরি বা ডাইরেক্টরি তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন নম্বরসংবলিত একটি সম্মিলিত ডাইরেক্টরি সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য দ্রুত প্রস্তুত করা হবে।এরপর পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও সংসদ সদস্য হিসেবে তার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ঋণখেলাপি মামলায় থাকা অন্য দুজন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের অবস্থান এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু ও গুজব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন। তবে চিফ হুইপ এর বিরোধিতা করে বলেন, এসব অপ্রাসঙ্গিক ও বাইরের বিষয় নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলে সংসদের মূল্যবান সময় নষ্ট করা ঠিক নয়।স্পিকারও চিফ হুইপের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানান, মির্জা আব্বাস চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে তার অবস্থা ক্রমাগত ভালো হচ্ছে এবং সুস্থ হলে তিনি সংসদে আসবেন। গুজব বা আদালতে চলমান মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদ সময় নষ্ট করতে পারে না উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, কোনো সদস্যের সদস্যপদ পদচ্যুত হলে তা যথাসময়ে সংসদকে জানানো হবে।পরে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান সংসদে কার্যক্রমে সবার অংশগ্রহণ চাঙ্গা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাজেট অধিবেশন চলাকালীন সময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, বিশেষ করে যাদের মন্ত্রণালয় নিয়ে সদস্যরা এলাকার দাবি-দাওয়া বা অভিযোগ তুলে ধরেন, তারা উপস্থিত থাকেন না। একই সঙ্গে সংসদ চলাকালীন অধিবেশন কক্ষের ভেতরেই চার-পাঁচজন মিলে ছোট ছোট গ্রুপে আলাদা বৈঠক বা আলোচনার কারণে সংসদের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা নষ্ট হয় বলে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।বিরোধীদলীয় নেতার এই প্রশ্নের জবাবে স্পিকার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অধিবেশন কক্ষের ভেতরে ছোট ছোট গ্রুপে আলোচনা করা এবং ফ্লোর ক্রসিং বন্ধের কড়া নির্দেশনা দেন। সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

নাগরপুরে বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে ৩৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

নাগরপুরে বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে ৩৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে অন্তত ৩৩ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নলকূপের পানিতে বিষাক্ত কোনো পদার্থ মিশে যাওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে অষ্টমী (১৩) ও জান্নাত (১২) নামে দুই শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন মো. মিজানুর রহমান তাকে জানান যে, বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের ভেতরে একটি পলিথিন পাওয়া গেছে, যেখান থেকে বিষাক্ত গন্ধ আসছিল। এর কিছুক্ষণ পর যেসব শিক্ষার্থী ওই নলকূপের পানি পান করেছিল তারা একে একে বমি করতে শুরু করে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে।তিনি আরও জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাদির আহম্মেদকে অবহিত করা হয় এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদির বলেন, “অসুস্থ অবস্থায় অন্তত ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অন্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।”তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কৃষি জমিতে ব্যবহৃত কোনো কীটনাশক নলকূপের পানিতে মিশিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।ঘটনার খবর পেয়ে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এরফান উদ্দিন এবং নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।

ইরান এখনই হরমুজে টোল বসাবে না

ইরান এখনই হরমুজে টোল বসাবে না

ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের শুরু থেকেই আলোচনায় হরমুজ প্রণালি। গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ আটকে দিয়ে যুদ্ধে একপ্রকার জয় পেয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেদের পক্ষে চুক্তিও করে নিয়েছে। এখন আবারও আলোচনায় এ নৌপথ।গত কয়েক সপ্তাহে ছোট ও গুরুত্বপূর্ণ পথ নিয়ে একাধিকবার আলোচনায় বসেছে ইরান ও ওমান। ইরান এখন হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের এবং ওমানের মধ্যকার একটি দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে তুলে ধরছে। সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি মাসকাটে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে আলবুসাইদি নিশ্চিত করেন হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত অংশ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।তিনি আরও জানান, উভয় দেশ আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং কোনো ধরনের টোল ছাড়াই জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।তবে ইরান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে কৌশলগত এই জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে ভবিষ্যতে ফি আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালির যে পরিস্থিতি ছিল, তা আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।তবুও আপাতত ইরান ও ওমান উভয়ই জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌযানের জন্য টোলমুক্ত এবং উন্মুক্ত থাকবে।

ফিরহাদ হাকিমসহ ৮ নেতাকে বহিষ্কার করলেন মমতা

ফিরহাদ হাকিমসহ ৮ নেতাকে বহিষ্কার করলেন মমতা

দলের বিরুদ্ধে গোপন বৈঠক ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাসের মতো দলের আট শীর্ষ নেতা ও বিধায়কদের সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাট তৃণমূল) থেকে বহিষ্কার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গতকাল সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে গোপন বৈঠক ও মঞ্চ ভাগ করার পর ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন, স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে শোকজ করেছিল তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তবে সেই শোকজের উত্তর পাওয়ার আগেই কালবিলম্ব না করে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বহিষ্কার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে কলকাতার সাবেক মেয়র ফিরহাদ হাকিমসহ এই আটজন সিনিয়র নেতা ইতিমধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ‘আসল’ তৃণমূলের কমিটিতেও অনেকেই রয়েছেন। অরূপ রায়কে এই নতুন কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস। জাভেদ খানও দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর দলের একটি বড় অংশ মমতার বিরুদ্ধে গিয়ে বিদ্রোহী হয়ে উঠলেও তার সাথে ছিলেন ফিরহাদ ও অরুপ রায়। এবার তাদেরই গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে নিজের দিকে টেনে নিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তালিকায় আরও নতুন নাম আগামী দিনে যুক্ত হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এরআগে সোমবার কলকাতার নিউটাউনের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে ‘আসল তৃণমূল’ দলের চেয়ারম্যান হিসেবে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে নির্বাচিত করা হয়। বৈঠকে দলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার অন্তত ৭০ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের নেতৃত্ব দেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্র বলছে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এ বৈঠক আহ্বান করা হয়। ২০২২ সালে সর্বশেষ কমিটি গঠনের পর নতুন কমিটি না হওয়াকে কেন্দ্র করেই সাংগঠনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।এরপর ধ্বনি ভোটে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন এবং অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।নতুন কাঠামোয় সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথিন ঘোষ এবং সাবিনা ইয়াসমিন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহাকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আখরুজ্জামান আনসারিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য নিরীক্ষক নিয়োগের কথাও জানানো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত দলটির অভ্যন্তরে নতুন ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির ইঙ্গিত দিতে পারে। রাজ্যে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা দলের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে যে সাংগঠনিক অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা চলছিল, এই বৈঠককে তারই প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।সূত্র: নিউজ১৮, সংবাদ প্রতিদিন

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চোখ রাঙানি আস্ফালন বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

দাউদকান্দিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চোখ রাঙানি আস্ফালন বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

'রাজনীতির নামে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগের চোখ রাঙানি আস্ফালন বরদাশত করা হবে না। তাদের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোরহস্তে দমন করা হবে' বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। মঙ্গলবার (২৩জুন) ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বিশ্বরোড,গৌরীপুর, শহীদনগর,জিংলাতলী,রায়পুর ও ইলিয়টগঞ্জে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও অব্যাহত ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব বিভিন্ন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দাউদকান্দি উপজেলা এবং পৌর বিএনপি এইসব প্রতিবাদ সভা ও মিছিলের আয়োজন করেছে।ড. খন্দকার মারুফ বলেন, ফ্যাসিস্ট আ.লীগ কখনও গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা গণতন্ত্র ধ্বংসের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দিনের ভোট রাতে এবং আমি-ড্যামি নির্বাচনে বিশ্বাসী। আ.লীগ গায়ের জোরে গত ১৭ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে দেশের অর্থনীতি,শিক্ষা,স্বাস্থ্য এবং গণতন্ত্রসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দেশকে যখন দ্রুত উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিচ্ছে। তখন দেশের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত এবং শান্তি বিনষ্ট করতে আ.লীগ তাদের পুরনো চরিত্র বিধ্বংসী মনোভাব নিয়ে চোখ রাঙাচ্ছে, দেশের মানুষকে আস্ফালন দেখাচ্ছে। দেশপ্রেমিক জনগণকে সাথে নিয়ে ইনশাআল্লাহ, বিএনপি এইসব গণবিরোধী অপতৎপরতা নস্যাৎ করে দেবে।বিএনপি নেতা খন্দকার মারুফ বলেন, দেশের জনগণ ভালো থাকুক,শান্তিতে থাকুক- আ.লীগ কখনোই তা চায় না। দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা আবারও গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থরক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে আ.লীগের রাষ্ট্রবিরোধী সকল কর্মকাণ্ড শক্তহাতে প্রতিরোধ করা হবে। জনগণের ধাওয়া খেলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা লেজ গুটিয়ে পালাতে বাধ্য হবে।ড.খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক মো.আক্তারুজ্জামান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহমেদ,সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম,যুগ্ম আহবায়ক আবদুস সাত্তার, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী ও সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকার, বিএনপি নেতা আহান্মদ হোসেন তালুকদার, কামাল হোসেন, আরিফ মাহামুদ, কেন্দ্রীয় যুব দলের সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভুইয়া,দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম সরকার, সদস্য সচিব মো. রোমান খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনন্দ,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহিউদ্দিন সরকার, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আসিফ কবির, ছাত্রদল নেতা আবদুল বাসেদ ও রিমন খন্দকার প্রমুখ।তিনি (ড.মারুফ) প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে ও মানুষের জানমাল হেফাজতে সন্ত্রাসী সংগঠনের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে রাজপথে ঝাপিয়ে পড়তে নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। সকালে ড.খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দি সদরে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার সড়ক থেকে সরানো হচ্ছে অটোরিকশা: ডিএমপি

ঢাকার সড়ক থেকে সরানো হচ্ছে অটোরিকশা: ডিএমপি

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা স্থাপনের পর সড়কে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে। তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আধিক্যের কারণে এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণহীন চলাচলের কারণে ট্রাফিক বিভাগকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। তাই ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা উঠিয়ে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ও ট্রাফিক বিভাগ।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সম্প্রতি সরকারের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছে ট্রাফিক বিভাগ। এসব আলোচনায় অটোরিকশার চলাচল নিয়ে বিস্তারিত বিষয় ও সমস্যাগুলো উঠে আসে। কিন্তু একইসঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকায় অটোরিকশার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।তবে আলোচনায় উপস্থিত দুই পক্ষই অন্তত প্রাথমিকভাবে ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সদিচ্ছা প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে আগামী মাসে একটি বৈঠকের কথা রয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের।আলোচনায় উপস্থিত থাকা ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অটোরিকশা বন্ধের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও পুলিশ বিভাগ দুই পক্ষই চায়, ঢাকার প্রধান সড়কে আর অটোরিকশা চলাচল করতে দেওয়া না হোক।সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া গেলে প্রথম ধাপে ঢাকার প্রধান প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী মাসের ১৫ তারিখের পর এ বিষয়ে ডিএমপির পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নগরবাসীকে জানানো হতে পারে। এরপর সরকারের সহযোগিতা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কঠোর অবস্থানে যাবে ট্রাফিক বিভাগ। সড়ক থেকে অটোরিকশা সরাতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবেতিনি বলেন, দুই পক্ষ এ বিষয়ে একমত হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে। আগামী মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে একটি চূড়ান্ত বৈঠক হতে পারে। ওই বৈঠকের পর অটোরিকশা বন্ধের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে সরকার ও প্রশাসন ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া গেলে প্রথম ধাপে ঢাকার প্রধান প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী মাসের ১৫ তারিখের পর এ বিষয়ে ডিএমপির পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নগরবাসীকে জানানো হতে পারে। এরপর সরকারের সহযোগিতা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কঠোর অবস্থানে যাবে ট্রাফিক বিভাগ। সড়ক থেকে অটোরিকশা সরাতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানায়, রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় এআই ক্যামেরা চালুর পর বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সিগন্যাল অমান্য, স্টপলাইন ভাঙা, উল্টো পথে চলাচল ও হঠাৎ লেন পরিবর্তনের মতো ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনা আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে। রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপনের পর প্রায় সব ধরনের যানবাহনকে একটি নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হয়েছে। ক্যামেরার মাধ্যমে আইন ভঙ্গকারীদের শনাক্ত করে ই-প্রসিকিউশনের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বেড়েছে।তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। এসব যানবাহনের বড় অংশের নেই কোনো বৈধ নিবন্ধন, নেই নির্ধারিত নম্বরপ্লেট, এমনকি চালকদেরও নেই প্রয়োজনীয় লাইসেন্স। ফলে এআই ক্যামেরায় আইন ভঙ্গের দৃশ্য ধরা পড়লেও পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে। অটোরিকশার বিষয় উঠলেও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকায় বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। সেই অনুযায়ী আগামী মাসের ১৫ তারিখের দিকে সম্ভাব্য বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছেডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশার চলাচল নিয়ে ইতোমধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এসব যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, উল্টো পথে প্রবেশ, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের প্রবণতায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাই ট্রাফিক বিভাগ মনে করছে, রাজধানীতে বর্তমানে যে পরিমাণ অটোরিকশা চলাচল করছে তা নিয়ন্ত্রণে না আনলে ঢাকার সড়কে কাঙ্ক্ষিত শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। অটোরিকশার কারণে শুধু ট্রাফিক ব্যবস্থাই ব্যাহত হচ্ছে না, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।এ কারণে ট্রাফিক বিভাগ ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা সরানোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চায়। এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মন্ত্রণালয়ও প্রাথমিকভাবে ঢাকার প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে।ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীতে বিপুল সংখ্যক অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের মতো পর্যাপ্ত জনবল তাদের নেই। প্রতিদিন এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আইনের আওতায় আনতে গেলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে শুধু পুলিশের অভিযান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সরকারি ও রাজনৈতিক পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ। কারণ এসব অটোরিকশার মালিক ও গ্যারেজ মালিকদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হলে অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকার প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা সরানো সম্ভব হবে। বিষয়গুলো আসন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তুলে ধরবে ট্রাফিক বিভাগ।এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমাদের একটি বৈঠক হয়েছে। অটোরিকশার বিষয় উঠলেও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকায় বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। সেই অনুযায়ী আগামী মাসের ১৫ তারিখের দিকে সম্ভাব্য বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তিনি বলেন, ওই বৈঠকে অটোরিকশার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সিদ্ধান্ত হলে ঢাকার প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে। প্রধান সড়কে রিকশা চলাচল আগেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে জনবল সংকট ও ডাম্পিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হবে এবং প্রয়োজন হলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সম্প্রতি রাজধানীর কাওরানবাজার মোড় ও বাংলামোটর এলাকায় দেখা যায়, এআই ক্যামেরার কারণে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে আগের তুলনায় নিয়ম মানার প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু সিগন্যাল লাল থাকলেও অটোরিকশাগুলো সুযোগ পেলেই সামনে ঢুকে পড়ছে, উল্টো পথে চলাচল করছে এবং যত্রতত্র যাত্রী তুলছে।মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কর্মকর্তারা বলছেন, বড় যানবাহনের ক্ষেত্রে ক্যামেরার মাধ্যমে আইন প্রয়োগ সহজ হয়েছে, কারণ তাদের রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানার তথ্য রয়েছে। কিন্তু অটোরিকশার ক্ষেত্রে এসব না থাকায় প্রযুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ডিএমপির কর্মকর্তারা বলছেন, শুধু ট্রাফিক আইন ভঙ্গ নয়, অটোরিকশাকে ঘিরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও হচ্ছে। এ কারণে অটোরিকশার বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই

সংসদে স্পিকারের কড়া নির্দেশনা অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালীন মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং অধিবেশন কক্ষের ভেতরে ছোট ছোট গ্রুপে গল্প বা শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় যেকোনো কাজের চেয়ে সংসদ অধিবেশন বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অন্য সবকিছুর ওপর প্রাধান্য পায়।মন্ত্রীরা রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাতে সংসদ এড়িয়ে যেতে পারেন না উল্লেখ করে স্পিকার তাদের যথাসময়ে সংসদে এসে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনার এবং প্রয়োজনে প্রতিকার করার কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার শুরুতে স্পিকার, চিফ হুইপ, জনপ্রশাসন মন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্যদের মধ্যকার আলোচনায় এসব বিষয় উঠে আসে।অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এক নোটিশে জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে অন্য সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের নাম ও যোগাযোগ নম্বর পাওয়া খুবই জরুরি। সাধারণত শপথ নেওয়ার দুই-এক মাসের মধ্যেই এই ক্যাটালগ বই প্রকাশ করা হলেও এবার চার মাস পার হলেও তা পাওয়া যায়নি।জবাবে স্পিকার জানান, জাতীয় সংসদ সচিবালয় টেলিফোন সহায়িকা ২০২৬ প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে এবং বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এখনো তথ্য না দেওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সংসদীয় কমিটিগুলো গঠন করা হলেই যথাসময়ে এই ডাইরেক্টরি প্রকাশিত হবে জানিয়ে দ্রুত তথ্য জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান স্পিকার।এই প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর সঠিক যোগাযোগ নম্বর না থাকার কারণে সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ডায়েরি বা ডাইরেক্টরি তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন নম্বরসংবলিত একটি সম্মিলিত ডাইরেক্টরি সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য দ্রুত প্রস্তুত করা হবে।এরপর পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও সংসদ সদস্য হিসেবে তার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ঋণখেলাপি মামলায় থাকা অন্য দুজন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের অবস্থান এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু ও গুজব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন। তবে চিফ হুইপ এর বিরোধিতা করে বলেন, এসব অপ্রাসঙ্গিক ও বাইরের বিষয় নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলে সংসদের মূল্যবান সময় নষ্ট করা ঠিক নয়।স্পিকারও চিফ হুইপের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জানান, মির্জা আব্বাস চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে তার অবস্থা ক্রমাগত ভালো হচ্ছে এবং সুস্থ হলে তিনি সংসদে আসবেন। গুজব বা আদালতে চলমান মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদ সময় নষ্ট করতে পারে না উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, কোনো সদস্যের সদস্যপদ পদচ্যুত হলে তা যথাসময়ে সংসদকে জানানো হবে।পরে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান সংসদে কার্যক্রমে সবার অংশগ্রহণ চাঙ্গা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাজেট অধিবেশন চলাকালীন সময়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, বিশেষ করে যাদের মন্ত্রণালয় নিয়ে সদস্যরা এলাকার দাবি-দাওয়া বা অভিযোগ তুলে ধরেন, তারা উপস্থিত থাকেন না। একই সঙ্গে সংসদ চলাকালীন অধিবেশন কক্ষের ভেতরেই চার-পাঁচজন মিলে ছোট ছোট গ্রুপে আলাদা বৈঠক বা আলোচনার কারণে সংসদের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা নষ্ট হয় বলে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।বিরোধীদলীয় নেতার এই প্রশ্নের জবাবে স্পিকার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অধিবেশন কক্ষের ভেতরে ছোট ছোট গ্রুপে আলোচনা করা এবং ফ্লোর ক্রসিং বন্ধের কড়া নির্দেশনা দেন। সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়ন

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়ন

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয় আদালতে নির্ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয় আদালতে নির্ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা

চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

ধানমন্ডি ৩২-এ বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত

ধানমন্ডি ৩২-এ বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানে তারেক রহমানের সফরের ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গানে তারেক রহমানের সফরের ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্ত বৈঠক

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্ত বৈঠক

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত

ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব

ফিরহাদ হাকিমসহ ৮ নেতাকে বহিষ্কার করলেন মমতা

ফিরহাদ হাকিমসহ ৮ নেতাকে বহিষ্কার করলেন মমতা

ইরান এখনই হরমুজে টোল বসাবে না

ইরান এখনই হরমুজে টোল বসাবে না

ইরানের চেয়ে তুরস্ক ইসরায়েলের বড় হুমকি!

ইরানের চেয়ে তুরস্ক ইসরায়েলের বড় হুমকি!

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের সময় বলেছিল, তারা নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন, গুম, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবে। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে।তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের যাতাকলে পৃষ্ঠ এই জাতিকে আল্লাহতালা আমাদের ছাত্র, শ্রমিক, যুব জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাত্র দুটি বছর আগে আমাদের মুক্তি দিয়েছিলেন। সেই সময়ে যে দলটি আমাদের মতই মজলুম ছিল, নির্যাতিত ছিল। আজকে তারা ক্ষমতায়। তারা তখন প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছিল। জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের সময় তারা বলেছিল, নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবে। কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পাল্টে গেছে। বিচার তো তারা করছেই না। গত চার মাসে ৬০০ জনের বেশি মানুষ নির্ভমভাবে বাংলার মাটিতে খুন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর বিজয় নগরে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম খুনের বিচারের দাবিতে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক, এই দলটি নিজেরা নিজেদের কর্মীই খুন করেছে। যাদের নিজেদের কর্মীদের সম্পর্কে নিজেদেরই কোনো দায় এবং দরদ থাকে না। ২০ কোটি মানুষের জন্য তাদের কী দায় এবং দরদ থাকবে? আমরা কোনো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি না।তিনি বলেন, লজ্জার বিষয় বিএনপি ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে ঠিক ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরেই তারা এখন হাঁটা শুরু করেছেন।আমিরে জামায়াত বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন ব্যাংকে অযাচিত হস্তক্ষেপ, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলো দলীয় অনুগত লোকদের দিয়ে দখল করা, জেলায় জেলায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া, এমনকি খেলার মাঠটা পর্যন্ত তারা দলমুক্ত রাখতে পারলেন না। এইভাবে তারা আবার কার্যত একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকেই আগাচ্ছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কিন্তু বারবার বিপ্লবের সাক্ষী। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন। আপনারা যে পথে হাঁটছেন, সংসদে আমরা প্রত্যেকটি বিষয় সেখানে আমরা প্রতিবাদ করছি। দুই তৃতীয়াংশ ভোট কীভাবে পেয়েছেন আপনারাই ভালো জানেন। আর এ দেশের জনগণও জানে এবং এই ব্যাপারে কিছু রাজ সাক্ষীও ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। আপনাদের দলের ভেতর থেকে পাওয়া গেছে। বিগত সরকারের মধ্য থেকেও পাওয়া গেছে।বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতের আমির বলেন, বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব। মজলুম ছিলেন, জালেম হবেন না। মেহেরবানী করে বিচারগুলো নিশ্চিত করুন। শুধু ফ্যাসিবাদের হাতে কেন? এই রাস্তায় আমাদের কলিজার টুকরা বিপ্লবের প্রতীক শরিফ উসমান হাদিকে হত্যা করে তার বিচার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত মামলার চার্জশিট দেওয়া হয় নাই। কাকে খুশি করার জন্য, কোন সত্যকে আড়াল করার জন্য, এটা করা হচ্ছে জনগণ জানতে চায়।তিনি বলেন, এদেশের মানুষের অন্তরে, কলিজায়, হৃদয়ে, মগজে সব জায়গায় বসে আছে মজবুত ভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ। এই আদর্শকে নির্মূল করার চিন্তা করবেন না। যদিও আপনাদের একজন সিনিয়র নেতা ঘোষণা করে দিয়েছেন নির্মূল করবেন। অতীতে যারা নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা নিজেরাই আজকে নির্মূল হয়ে গেছে।তিনি বলেন, বেশি নির্মূল, নির্মূল করবেন না। এটা এক ধরনের ভাইরাস। এই ফ্যাসিবাদের ভাইরাস, চাঁদাবাজির ভাইরাস, দুর্নীতির ভাইরাস, দলীয় শাসনের ভাইরাস, এই সব ভাইরাস মুক্ত করার জন্য আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’

‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’

সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি

সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চোখ রাঙানি আস্ফালন বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

দাউদকান্দিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চোখ রাঙানি আস্ফালন বরদাশত করা হবে না: ড. মারুফ

ধানমন্ডিতে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা

ধানমন্ডিতে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা

দেশকে দিল্লির কৃতদাস হতে দেওয়া হবে না: রিজভী

দেশকে দিল্লির কৃতদাস হতে দেওয়া হবে না: রিজভী

সমাবেশের ডাক ১১ দলীয় জোটের

সমাবেশের ডাক ১১ দলীয় জোটের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান: বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান: বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

টুঙ্গিপাড়ায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকায় ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা বাবার

টুঙ্গিপাড়ায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকায় ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা বাবার

শ্রীমঙ্গলে পর্দা নামলো তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যালের জমকালো আয়োজন

শ্রীমঙ্গলে পর্দা নামলো তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যালের জমকালো আয়োজন

বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি, জাতিগত বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনকে নতুনভাবে তুলে ধরে শ্রীমঙ্গলে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যাল (সিজন-২)। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবের পর্দা নেমেছে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ব্যাপক দর্শক সমাগমের মধ্য দিয়ে।রোববার (২১ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে উৎসব প্রাঙ্গণ ছিল প্রাণচঞ্চল। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে এ আয়োজন করা হয়।সিলেট অঞ্চলে বসবাসরত ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারার সমন্বয়ে সাজানো হয় এবারের উৎসব। খাসিয়া, গারো, মনিপুরি, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, ওরাও, মুন্ডা, ভূমিজ, গৌড়, তেলেগুসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে উৎসবটি বৈচিত্র্যের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।উৎসবে নৃ-গোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, লোকসংগীত, ধর্মীয় আচার, হস্তশিল্প, পোশাক, সাংস্কৃতিক স্মারক এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের তৈরি হস্তশিল্প, হাতে বোনা পোশাক ও স্থানীয় পণ্যের স্টলগুলোতে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়।আয়োজকরা জানান, হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরাও এর অন্যতম লক্ষ্য।পর্যটন সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ শ্রীমঙ্গলকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবে টেকসই সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ‘কমিউনিটি-বেসড ট্যুরিজম’ ধারণা তুলে ধরা হয়।শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, “খুব শিগগিরই আমরা হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-৩ দেখতে যাচ্ছি। সিলেট অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরতে পেরে আমরা গর্বিত। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এবং আরও সুন্দরভাবে এ আয়োজন করা হবে।”সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালেহা বিনতে সিরাজ বলেন, “হারমোনি ফেস্টিভ্যালের মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা। ভবিষ্যতে আরও নান্দনিক ও ঐতিহ্যনির্ভর আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।”তিনি আরও জানান, আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-৩ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। শীতকালকে কেন্দ্র করে আরও বৃহৎ পরিসরে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, তিন দিনের এই আয়োজন কেবল বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল সংস্কৃতি সংরক্ষণ, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ উৎসব দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, শ্রীমঙ্গলের ফুলছড়া চা-বাগান এলাকায় প্রতিবছর নিয়মিতভাবে এ উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগাম ভ্রমণ পরিকল্পনা সহজ হবে এবং স্থানীয় পর্যটন শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।২৭টি নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙালি সংস্কৃতির মনোমুগ্ধকর সমন্বয়ে আয়োজিত এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটলেও এর সম্প্রীতির বার্তা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও আনন্দঘন স্মৃতি দীর্ঘদিন দর্শনার্থীদের মনে অম্লান হয়ে থাকবে।

বিশেষ কায়দায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, আটক ২

বিশেষ কায়দায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, আটক ২

নড়াইলে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

নড়াইলে ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

নাগরপুরে বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে ৩৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

নাগরপুরে বিদ্যালয়ের নলকূপের পানি পান করে ৩৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

ধোবাউড়ায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৭৬ পরিবারের মাঝে ছাগলের খাদ্য বিতরণ

ধোবাউড়ায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৭৬ পরিবারের মাঝে ছাগলের খাদ্য বিতরণ

নেত্রকোণায় যৌতুক মামলার আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

নেত্রকোণায় যৌতুক মামলার আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

ভাঙ্গুড়ায়  ডাকবাংলোর সীমানা প্রাচীর  ভেঙে জায়গা দখল

ভাঙ্গুড়ায় ডাকবাংলোর সীমানা প্রাচীর ভেঙে জায়গা দখল

বিশ্বকাপ: ইহিতাস গড়ে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে নরওয়ে

বিশ্বকাপ: ইহিতাস গড়ে প্রথমবারের মতো নক আউট পর্বে নরওয়ে

আক্রমণ আর পাল্টা-আক্রমণে ম্যাচ ছড়ালো রোমাঞ্চ। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিলেন আর্লিং হলান্ড। তারকা এই স্ট্রাইকারের জোড়া গোলে সেনেগালকে খাঁদের কীনারে ঠেলে প্রথমবার বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে নরওয়ে।বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকালে নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে সেনেগালকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ইউরোপের দলটি। প্রথমার্ধে মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেনের গোলে এগিয়ে ছিল তারা।ম্যাচের জোড়া গোল করে সেনেগালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন ইসরাইলা সারে। বিশেষ করে যোগ করা সময়ের গোলে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগিয়েছিলেন তিনি। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি।ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে পেদারসেনের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। বিরতি থেকে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হলান্ড। দশ মিনিটের মাথায় ব্যবধান করাম সারে। পাঁচ মিনিট বাদে আবারও ব্যবধান বাড়ান হলান্ড।বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে হলান্ডের গোল এখন ৪টি। আসরে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তার সমান ৪ গোল কিলিয়ান এমবাপেরও। ৫ গোল নিয়ে শীর্ষে লিওনেল মেসি।জাতীয় দলের হয়ে ৫২ ম্যাচে হলান্ডের গোল হলো ৫৯টি। ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবার ব্যবধান কমান সারে। ম্যাচে বল দখলে এমনকি আক্রমণেও এগিয়ে ছিল সেনেগাল। কিন্তু শেষটা ভালো হলো না সাদিও মানের দলের। গ্রুপের অন্য ম্যাচে ইরাককে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে ফ্রান্স। গ্রুপে ফ্রান্স ও নরওয়ের পয়েন্ট সমান ৬ করে। এখনও পয়েন্ট পায়নি সেনেগাল ও ইরাক। গোল ব্যবধান তুলনামূলক কম হওয়ায় সেনেগালের আশা আছে সেরা তৃতীয় দলের একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ ওঠার।

মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা

মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা

চলতি বিশ্বকাপের প্রথম পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি

চলতি বিশ্বকাপের প্রথম পেনাল্টি মিস করেছেন মেসি

উরুগুয়ের সঙ্গে কেপ ভার্দের রুদ্ধশ্বাস ড্র

উরুগুয়ের সঙ্গে কেপ ভার্দের রুদ্ধশ্বাস ড্র

বিশ্বকাপ: বেলজিয়ামকে থামিয়ে দিয়ে গ্রুপ শীর্ষে ইরান

বিশ্বকাপ: বেলজিয়ামকে থামিয়ে দিয়ে গ্রুপ শীর্ষে ইরান

বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে চায় সরকার

বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে চায় সরকার

জাপানের গোলবন্যা, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়লো তিউনিশিয়া

জাপানের গোলবন্যা, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়লো তিউনিশিয়া

মারা গেছেন নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন

মারা গেছেন নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন

মায়ের চরণে উৎসর্গ: বেস্ট প্রফেশনাল অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন

মায়ের চরণে উৎসর্গ: বেস্ট প্রফেশনাল অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন

পরিবেশ ও সামাজিক সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সংগঠক’ ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক ‘বেস্ট প্রফেশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ (সিজন-২) অর্জন করেছেন তরুণ সাংবাদিক ও সংগঠক মো. ইসমাইল হোসেন।শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক এবং আন্তর্জাতিক অতিথিদের উপস্থিতিতে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়।মো. ইসমাইল হোসেন সাবেক এসএ টেলিভিশনের সাংবাদিক এবং ‘দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ সুরক্ষা, যুব নেতৃত্বের বিকাশ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।এছাড়া নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করা সামাজিক সংগঠন ‘আমরা দুর্বার’-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি দেশের সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ)-এর প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে ইসমাইল হোসেন বলেন, “বেস্ট প্রফেশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। আমি এবং আমার সংগঠন সবসময় নদী, পরিবেশ ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছি। সাধ্যের মধ্যে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।”এই অর্জন নিজের মায়ের প্রতি উৎসর্গ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, “আজকের এই সম্মাননা আমি আমার মায়ের চরণে উৎসর্গ করছি। আমি আজ যে অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার মায়ের।”সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রশাসন ও সরকার যদি আমাদের সামাজিক ও পরিবেশবাদী উদ্যোগগুলোর প্রতি আরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়, তাহলে আমরা দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারব।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, ইসমাইল হোসেনের এ অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং সমাজ ও পরিবেশ উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের ইতিবাচক অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর এ সম্মাননা দেশের যুবসমাজকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে “সুফি নাইটস ও ডিনার” শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে টোয়াবের সম্মানিত সদস্যদের উপস্থিতিতে গড়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও পেশাগত ঐক্যের পরিবেশ।সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে টোয়াবের সদস্যবৃন্দ, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাগত বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে। আগামী টোয়াব নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি সামাজিক মিলনমেলা নয়, বরং দেশের পর্যটন শিল্পের অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।অনুষ্ঠানে সুফি সংগীত পরিবেশনা, নৈশভোজ এবং অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা পর্যটন শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। উপস্থিত প্যানেল প্রধান ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ড. তাসলিম আমিন শোভন ও সদস্যরা একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং টেকসই পর্যটন খাত গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আজ এমন এক পর্যায়ে রয়েছে যেখানে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। তারা শিল্পের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।টোয়াব নির্বাচনের প্রাক্কালে এই আয়োজনটি ছিল এক প্রতীকী মুহূর্ত, যেখানে ভিন্ন মতের ঊর্ধ্বে উঠে শিল্পের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য ও সহযোগিতার বার্তা তুলে ধরা হয়।সবশেষে, টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সদস্যবৃন্দ সকল অংশগ্রহণকারীর উপস্থিতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে তাদের প্রতি সমর্থন ও ভোট প্রদানের জন্য বিনীত আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টোয়াবের সাবেক সভাপতি ও গ্যালাক্সি বাংলাদেশের গ্রুপ চেয়ারম্যান তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সভাপতি ও ইনোগ্লোবের চেয়ারম্যান ফরিদুল হক, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের (বোটোয়া) সভাপতি সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ, ট্রাভেল ক্যানভাসের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ গোলাম কাদির এবং বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের (বোটোয়া) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের (বিএফটিডি) ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল একরাম (রাজু)। এছাড়াও টোয়াবের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ট্রাভেলবাংলা ডটকমের প্রধান সম্পাদক প্রণব সাহা। পুরো আয়োজনটি সমন্বয় করেন টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী ও বোটফ সভাপতি চৌধুরী হাসানুজ্জামান রনি এবং উপ-সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ ভ্যাকেশনের সিইও আবদুল্লাহ আল কাফি।

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

কারিনা কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে

হাসি মুখের কারিনা কায়সার গত ১৬ মে প্রয়াত হয়েছেন। তার এ অকাল প্রয়াণে স্তব্ধ শোবিজের অঙ্গনের মানুষ। সদ্যপ্রয়াত এই তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করার পরিকল্পনা করছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ‘চরকি কার্নিভাল’। এতে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে চরকিতে মুক্তি পাওয়া কনটেন্টগুলো থেকে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে।এরই মধ্যে সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগের (২০২৪) মনোনয়ন তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে ’৩৬-২৪-৩৬’ ওয়েব ছবির জন্য বেস্ট অ্যাক্টরের (ফিমেল) মনোনয়ন পেয়েছিলেন কারিনা। তবে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে তাকে।চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি বলেন, ’কারিনার অসাধারণ সব কাজ রয়ে গেলেও, তিনি আজ সকল প্রতিযোগিতার উর্ধ্বে। তাই প্রয়াত কারিনা কায়সারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে এই বিভাগে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা হয়েছে। তার অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে এবারের চরকি অ্যাওয়ার্ডসে আমরা তাকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতে চাই।’এদিকে ২০২৪ সালের সাবস্ক্রাইবারস চয়েস বিভাগে সেরা ছবির মনোনয়ন পেয়েছে ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘তুফান’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’, ’৩৬-২৪-৩৬’। রয়েছে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী, সিরিজ, সেরা গানসহ বিভিন্ন বিভাগ। চরকির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দের কনটেন্ট বা শিল্পীকে ভোট দিতে পারবেন সাবস্ক্রাইবাররা। আজ থেকে শুরু হয়েছে ভোট। সমালোচক বিভাগ এবং ২০২৩ সালের কনটেন্টে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নামও প্রকাশ করা হবে শিগগির।

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ  ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

নব্বই দশকের পর দেশের সংগীতাঙ্গনে ভাটিয়ালি ধারার গানকে জনপ্রিয় করে তোলা শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগ। ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানটির মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করা ভাটিয়ালি ব্যান্ডের এই প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী একসময় দেশের যুবসমাজের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর কণ্ঠে পরিবেশিত একাধিক গান দেশজুড়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নেয় এবং সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোড়ন। সেই জনপ্রিয় শিল্পী এবার তাঁর গানের রয়্যালটি আত্মসাৎ, চুক্তিভঙ্গ, কপিরাইট লঙ্ঘন ও প্রতারণার অভিযোগে ঢাকার এক ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেনগণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নোটিশ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শিল্পী মোঃ শরীফুজ্জামান সোহাগের পক্ষে জজ কোর্ট, সাতক্ষীরার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন গত ৮ জুন রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোঃ আহসানুল হাবিব অনিকের কাছে এ নোটিশ প্রেরণ করেন।লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ৫ নভেম্বর শিল্পী শরীফুজ্জামান সোহাগের সঙ্গে ডিজিটাল মিউজিক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দেন আহসানুল হাবিব অনিক। সে সময় তিনি শিল্পীর মৌলিক গান আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ, বিপণন ও মনিটাইজেশনের প্রস্তাব দেন এবং অর্জিত আয়ের ৮০ শতাংশ শিল্পীকে রয়্যালটি হিসেবে প্রদানের আশ্বাস দেন।পরবর্তীতে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির স্বাক্ষরিত কপি আজ পর্যন্ত শিল্পীকে প্রদান করা হয়নি। একই সঙ্গে গত চার বছর ধরে বিভিন্ন অজুহাতে হিসাব ও রয়্যালটির অর্থ প্রদান থেকে বিরত থেকেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।নোটিশে আরও বলা হয়, শিল্পীর জনপ্রিয় গান ‘ফুল তো ফোটে না’, ‘ওলো আমার পরান সখী’, ‘ও বন্ধুরে’, ‘যায়রে যায় কন্যা যায়’, ‘দোহাই তোমার প্রথম চিঠি’ ও ‘জেলে চাঁদের মোমবাতি’সহ প্রায় দুই শতাধিক গান Spotify, Apple Music, YouTube Music, YouTube Content ID, TikTok, Facebook Music Library, Shazam, Beatport এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ ও বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।শিল্পীর দাবি, এসব গান থেকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে স্ট্রিমিং, বিজ্ঞাপন, ডাউনলোড, লাইসেন্সিং ও কনটেন্ট আইডির মাধ্যমে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি আয় হয়েছে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্য রয়্যালটির একটি টাকাও তাকে প্রদান করা হয়নি।লিগ্যাল নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৩, ৪০৬, ৪১৫ ও ৪২০ ধারাসহ কপিরাইট আইন, ২০২৩-এর বিভিন্ন বিধানের লঙ্ঘনের শামিল।নোটিশে ৩০ দিনের মধ্যে সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পূর্ণাঙ্গ আয়ের হিসাব, রেভিনিউ স্টেটমেন্ট, প্রাপ্য রয়্যালটি পরিশোধ, স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র হস্তান্তর এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন, ২০২৩ এবং প্রচলিত ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ঘিরে। অনেকে বলছেন তিনি আর দেশে ফিরবেন। স্যোশাল মিডিয়ায় এ সব আলোচনার উত্তর দিয়ে ফারুকী বললেন, আমাদেরকে নিয়া এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও আমাদের ইজ্জত থাকেনা।তিনি বলেন, উইথ অল রেসপেক্ট টু দেম, এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিলো না। এদের নিয়া কথা বলা তো দুরের কথা, এদের নামও আমাদের আড্ডায় কেউ কোনোদিন একবারও উচ্চারণ করে নাই। এরা এতোটাই অপ্রাসঙ্গিক ছিল। আর এখন সাংবাদিক ভাই-বোনরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে, ভাই, অমুক আপনার সম্পর্কে এই কথা বলছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কী? ৭ জুন রোববার সকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, তাদের নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কখনোই সিলেবাসে ছিলো না। ফারুকীর ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয় এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিই। কিন্তু সেটা যে এইরকম ভয়াবহ হবে এটা ভাবি নাই। বুঝেন অবস্থা! এখন এদের কথার উত্তর দিতে হইবো আমার? এটাই কাফফারা। যাই হোক, এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বলে দেয় আমি আমার কাজটা ঠিকমত করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান। পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

ডিজিটাল ‘নকল’কে প্রতিহত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল ‘নকল’কে প্রতিহত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরু ২৫ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরু ২৫ জুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি এপিইউবির

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি এপিইউবির

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের প্রতি সতর্কতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের প্রতি সতর্কতা

পে-স্কেল: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

পে-স্কেল: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষায় বাড়ছে বিনিয়োগ, বদলাচ্ছে শিক্ষাক্রমও: শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল হতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭,৭৯৯ শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগে সম্মতি দেয়নি মন্ত্রিপরিষদ

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের

বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক আধুনিক স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের

বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচল আরও সহজ করতে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে ৭ থেকে ৮টি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে ভারত। দেশটির ভূমি বন্দর কর্তৃপক্ষ (এলপিএআই) এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ভূমি বন্দর কর্তৃপক্ষ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় নতুন স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করছে। বর্তমানে রাজ্যটিতে ভারতের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হলো পেট্রাপোল, যা বনগাঁর কাছে বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত।নতুন স্থলবন্দরের জন্য যেসব স্থান বিবেচনায় রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্তের পানিট্যাঙ্কি, উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা, দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি এবং আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া। এসব এলাকায় বর্তমানে স্থল কাস্টমস স্টেশন থাকলেও সেগুলোকে আধুনিক অবকাঠামোসমৃদ্ধ স্থলবন্দরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।কয়েক মাস ধরে এসব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে এলপিএআই। তবে সীমান্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় জমি না পাওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রগতি ধীর হয়েছে। সংস্থাটির আশা, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়লে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে।কলকাতায় সিআইআই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের ফাঁকে এলপিএআই চেয়ারম্যান জয়ন্ত সিং বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ৭ থেকে ৮টি নতুন স্থলবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি বন্দরের জন্য গড়ে প্রায় ৫০ একর জমির প্রয়োজন হবে এবং তা সীমান্তবর্তী এলাকাতেই হতে হবে।একটি আধুনিক স্থলবন্দরে সাধারণত পণ্য পরিবহন ও খালাসের সুবিধা, ট্রাক পার্কিং, গুদাম, শীতল সংরক্ষণাগার, অভিবাসন বিভাগ, কাস্টমস এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর অবকাঠামোসহ বিভিন্ন সেবা একসঙ্গে থাকে।পশ্চিমবঙ্গে এই উদ্যোগটি ভারতের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। দেশজুড়ে আরও ৭৪টি নতুন স্থলবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। বর্তমানে ভারতে ১৫টি স্থলবন্দর কার্যক্রম চালালেও নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ২ লাখ ২৭ হাজার ৫২২ কোটি রুপি। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৮৪৪ কোটি রুপির বাণিজ্য সম্পন্ন হয়েছে স্থলবন্দরগুলোর মাধ্যমে। তবে স্থলসীমান্ত ব্যবহার করে আরও প্রায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার ১৬৭ কোটি রুপির অতিরিক্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে ভারত সরকার।

দেশের বাজারে আবারও দাম বেড়েছে সোনার

দেশের বাজারে আবারও দাম বেড়েছে সোনার

অনলাইনভিত্তিক ওয়ান-স্টপ সেবা চালুর উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার

অনলাইনভিত্তিক ওয়ান-স্টপ সেবা চালুর উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এসআরও’

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এসআরও’

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি।স্থানীয় সময় শনিবার সকালে দেশটির শাহানিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত বাংলাদেশিরা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।তারা একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়লে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত অপর ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক।নিহতদের মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক বলেন, কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন। নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রযুক্তিনির্ভর বাজেট আখ্যায়িত করে তারেক রহমানকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ইনটেনসিভ সাইবার সিকিউরিটি ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ফিনিক্স সামিট ২০২৬

ইনটেনসিভ সাইবার সিকিউরিটি ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ফিনিক্স সামিট ২০২৬

বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে জোরদার করতে টেকনিক্যাল ওয়ার্কশপ সিরিজের মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’। মূলত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা ও ডিজিটাল রিজাইলেন্স জোরদার করতেই আগামী ২৩-২৫ জুন পর্যন্ত এই বিশেষায়িত সেশনগুলোর আয়োজন করা হয়েছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ সাইবার সিকিউরিটি কনভারজেন্স প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপ (টিটিপিজি)’, পাওয়ার্ড বাই ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, পাঁচ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।‘ক্লোজিং দ্য সাইবার গ্যাপ ইন ইমার্জিং ইকোনোমিস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সামিটে সরকারি নীতিনির্ধারক, ইন্ডাস্ট্রি লিডার, একাডেমিক প্রতিষ্ঠান, সাইবার নিরাপত্তা পেশাজীবী, গবেষক, শিক্ষার্থী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা একত্রিত হচ্ছেন। সামিটের মূল কনফারেন্স আগামী ২৬ ও ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এর আগের তিনদিনের কর্মশালায় ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও জ্ঞান বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এসব সেশনে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব-উপযোগী সাইবার প্রতিরক্ষা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে এই সামিটের অন্যতম মূল আকর্ষণ হলো ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির (এনসিএসএ) সহযোগিতায় আয়োজিত বিশেষ কর্মশালা ‘প্র্যাক্টিক্যাল সাইবার ইনভেস্টিগেশন’। অস্ট্রেলিয়ার এপনিকের সিনিয়র ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট আদলি ওয়াহিদ এই সেশনটি পরিচালনা করবেন। এই সেশনে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার (সিআইআই) সংস্থাগুলোর আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরাই অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।এ বিষয়ে দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপের ফাউন্ডার ও চিফ অব রিসার্চ এএসএম শামীম রেজা বলেন, “সাইবার সিকিউরিটি বর্তমানে একটি জাতীয় অগ্রাধিকার; যা আমাদের জাতীয় স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজনে দশ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত।”কর্মশালা শেষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) দুই দিনব্যাপী কনফারেন্সে সামিটের পরবর্তী আয়োজন করা হবে। অংশগ্রহণকারীরা সাইবার প্রতিরক্ষা, অফেনসিভ সিকিউরিটি ও উদীয়মান প্রযুক্তির ট্রেন্ড নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ, টিম এক্সারসাইজ, ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনা ও টেকনোলজি এক্সিবিশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

বিশ্বকাপের উন্মাদনা আরও বাড়াতে অপো নিয়ে এলো শ্যুট অ্যান্ড উইনের আকর্ষণীয় অফার

বিশ্বকাপের উন্মাদনা আরও বাড়াতে অপো নিয়ে এলো শ্যুট অ্যান্ড উইনের আকর্ষণীয় অফার

বাংলাদেশের বাজারে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো

থাকছে আইপি৬৮/আইপি৬৯ ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও সনি লাইটিয়া ক্যামেরা বাংলাদেশের বাজারে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো

স্মার্টফোন বিক্রিতে দারাজ ও পিকাবুতে শীর্ষে রিয়েলমি

স্মার্টফোন বিক্রিতে দারাজ ও পিকাবুতে শীর্ষে রিয়েলমি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান শ্রীমঙ্গলে পর্দা নামলো তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যালের জমকালো আয়োজন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান: বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত টুঙ্গিপাড়ায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকায় ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা বাবার বিশেষ কায়দায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, আটক ২ ‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’ ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনসারের তৎপরতায় দালাল আটক অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান শ্রীমঙ্গলে পর্দা নামলো তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যালের জমকালো আয়োজন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান: বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা প্রসঙ্গে যা বলল ভারত টুঙ্গিপাড়ায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকায় ছেলেকে ত্যাগের ঘোষণা বাবার বিশেষ কায়দায় মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, আটক ২ ‘শেখ হাসিনা ফিরে এলে ফেসবুকে প্রোফাইল লালকারীদের জীবন কালো করে দেবে’ ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নাবিকদের দাবার ঘুঁটি বানানো যাবে না: জাতিসংঘ মহাসচিব বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনসারের তৎপরতায় দালাল আটক অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই