ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন অর্থবছরের এ বাজেট কার্যকর হবে। বাজেটে কর, ভ্যাট, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংগরিষ্ঠের কণ্ঠভোটে বাজেটটি পাস হয়।এর আগে সোমবার কয়েকটি সংশোধনীসহ অর্থবিল পাস করে জাতীয় সংসদ। সংশোধিত অর্থবিলে করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থবিল পাসের মধ্য দিয়ে কর, শুল্ক ও ভ্যাটসংক্রান্ত সব প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে।সোমবার বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

দেড়শ বছরের পুরোনো আইন বাতিল সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

জাতীয় সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস হয়েছে। নতুন এ আইনের মাধ্যমে ১৮৬৭ সালের প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো ‘The Public Gambling Act, 1867’ রহিতকরণ করা হয়েছে। আইনে জুয়া, অনলাইন জুয়া, দূরবর্তী জুয়া, বেটিং (বাজি বা পণ), বাজিকর (Bookmaker), ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট, মিরর সাইট, ভিপিএনসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।একই সঙ্গে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গত ২৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটির সুপারিশের পর মঙ্গলবার বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ‘The Public Gambling Act, 1867’ দেড়শ বছরেরও বেশি পুরোনো আইন এবং বর্তমান সময়ের প্রযুক্তিনির্ভর জুয়ার ধরন মোকাবিলায় এটি আর যথেষ্ট নয়। সংবিধানের ১৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে জুয়া নিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আইনটি যুগোপযোগী করে শাস্তির পরিমাণ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।তিনি বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া, ভুয়া সিম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, বায়োমেট্রিক জালিয়াতি, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত জুয়া, অর্থপাচার ও প্রতারণা দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জননিরাপত্তা এবং তরুণ সমাজের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধ এবং রাষ্ট্রের নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় আধুনিক ও সমন্বিত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন হওয়ায় নতুন আইনটি আনা হয়েছে।নতুন আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪ ধরনের অপরাধ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা, অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়া পরিচালনা, অনলাইন বেটিং, জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ বা ব্যবহার, জুয়ার সামগ্রী প্রস্তুত, সংরক্ষণ, বিক্রি, বিতরণ বা ব্যবহার, বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিং, জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা, ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস বা ক্লাউড অবকাঠামো ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা, ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট ও বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনা এবং জুয়ার অর্থ লেনদেন, অর্থপাচার ও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার।আইনে সাধারণ জুয়ার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইন বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অনলাইন বেটিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের আদেশে সংশ্লিষ্ট ভবন, কক্ষ, যানবাহন, সার্ভার অবকাঠামো বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। জুয়ার সামগ্রী সংরক্ষণ, প্রস্তুত, সরবরাহ, বিক্রি, বিতরণ, আমদানি বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আদালতের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা বা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। একইভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা লাভের প্রতিশ্রুতি, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটিকে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস, ক্লাউড অবকাঠামো বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টা করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ (Predicate Offence) হিসেবে গণ্য হবে।আইনে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি, করপোরেট সংস্থা, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার, পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, অংশীদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করা যাবে, যদি না তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিকেও পৃথকভাবে অভিযুক্ত করা যাবে এবং আদালত প্রয়োজনে তাদের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করতে পারবেন। একই অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।নতুন আইনে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, ডিভাইসসহ অন্যান্য সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং এবং সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, অন্য অপরাধের বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে। আইনের অধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না এবং প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা যাবে।এছাড়া সরকার বা সরকার-নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে জুয়া বা বেটিং-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্ভার, ডোমেইন, আইপি অ্যাড্রেস, ইউআরএল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ, গ্রুপ, চ্যানেল এবং ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম ব্লক, অপসারণ বা নিষিদ্ধ করতে পারবে। জুয়ার অর্থে ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস, পেমেন্ট গেটওয়ে, ডিজিটাল ওয়ালেট ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট বন্ধের নির্দেশও আদালত দিতে পারবেন। পাশাপাশি জুয়া, অনলাইন জুয়া, বেটিং, অর্থপাচার ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে একটি জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট ডেটাবেজ প্রণয়ন, এনআইডি-সিম-এমএফএস লিংকিং সিস্টেম বাস্তবায়ন, বায়োমেট্রিক ও ফেসিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাই ব্যবস্থা চালু এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। সরকারের মতে, নতুন এই আইন কার্যকর হলে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জুয়া, অনলাইন বেটিং, ডিজিটাল আর্থিক প্রতারণা ও অর্থপাচার প্রতিরোধে কার্যকর আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ সময় কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন তিনি।মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।এদিন দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে মামলার একমাত্র আসামি ইনুকে হাজতখানা থেকে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে থাকা কাঠগড়ায় তোলা হয়। এর ১০ মিনিট পর ২১১ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু হয়। ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ পড়েন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দ্বিতীয় সদস্য বিচারক শাহরিয়ার কবীর। সাক্ষীদের কিছু বিবরণ ও তথ্যপ্রমাণের দিক তুলে ধরেন প্রথম সদস্য মঞ্জুরুল বাছিদ। রায়ের পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ থেকে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। আর এ প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর ২৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। একইদিন আমলে নিয়ে ইনুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-২। এরপর প্রসিকিউশন-আসামিপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে ২ নভেম্বর সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।গত বছরের ৩০ নভেম্বর এ মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ১ ডিসেম্বর। তদন্ত কর্মকর্তাসহ জাসদের এই নেতার বিরুদ্ধে মোট ১০ জন সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্য নেওয়া হয় দুজনের। সাক্ষ্যগ্রহণের এ ধাপের পর চলতি বছরের ২ এপ্রিল থেকে চলতে থাকে যুক্তিতর্ক। এ মামলায় প্রথমেই যুক্তি উপস্থাপন করে আসামিপক্ষ। এরপর প্রসিকিউশনের যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর এ পর্ব সম্পন্ন হয় ১৪ মে। ওই দিনই রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। এরপর ২২ জুন রায় ঘোষণার জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ জুন রায় দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।এ মামলায় ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে চাক্ষুষ সাক্ষী তিনজন, বিশেষজ্ঞ দুজন, ভুক্তভোগী পরিবারের একজন, জব্দতালিকা সাক্ষী দুজন, জেলার সাক্ষী একজন ও তদন্তকারী কর্মকর্তা একজন। এছাড়া ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয় ২০ সিরিজ ও বস্তু প্রদর্শনী পাঁচটি।প্রসিকিউশনের আনা আট অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ভারতের মুম্বাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর নাউ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্দোলনকারীদের বিএনপি-জামায়াত ও সন্ত্রাসী-জঙ্গি হিসেবে আখ্যায়িত করে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগের উসকানি দেন হাসানুল হক ইনু। ১৯ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে হওয়া সভায়ও অংশ নেন তিনি। ১৪ দলীয় জোটের ওই বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত তথা নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে দমনে ‘শ্যুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশনা কার্যকরেও ভূমিকা রাখেন জাসদের এই সভাপতি। এছাড়া ২০ জুলাই দুপুরে আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে নিজ জেলা কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা প্রণয়নসহ ব্যবস্থা নিতে ফোনে নির্দেশ দেন। তার এমন নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশসহ ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি ছোড়েন তৎকালীন এসপি। তাদের গুলিতে নিহত হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ।এছাড়া জুলাই আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার, ছত্রীসেনা নামানো, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি ছুড়ে হত্যা, বোম্বিং, আটক-নির্যাতনের ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনাসহ সব ধরনের উসকানি দিয়ে শেখ হাসিনাকে নির্দেশনা দিতেন ইনু। একইসঙ্গে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ড সংঘটনসহ নির্যাতন-নিপীড়নকে কৌশলে সমর্থন করেন তিনি। এছাড়া ২৯ জুলাই শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে হওয়া জোটের আরেকটি সভায় উপস্থিত ছিলেন ইনু। সেখানেও নানান উসকানি দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেন। ফলে এর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ১৪ দলীয় জোটের সশস্ত্র ক্যাডারের হত্যাকাণ্ড আর নির্যাতনকে বৈধতা দেন এই আসামি। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের একদিন আগে তথা ৪ আগস্ট কারফিউ জারি করে গুলি ছুড়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যাসহ শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ অনুমোদন করেন ইনু।

  • হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

    হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

  • ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

    ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

  • যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি রাখলে ইরানও অঙ্গীকার রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান

    যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি রাখলে ইরানও অঙ্গীকার রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান

  • বিশ্ববাজারে সোনার দর ১ শতাংশের বেশি কমেছে

    বিশ্ববাজারে সোনার দর ১ শতাংশের বেশি কমেছে

  • দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

    দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

  • ঋণ খেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

    ঋণ খেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

সব খবর

সব খবর

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এ মুলতবির কথা ঘোষণা করেন।এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। যা বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে। নতুন বাজেটে কর, ভ্যাট ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ

বাংলাদেশিদের জন্য দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে ভারতের পর্যটন ভিসা। রোববার (২৮ জুন) থেকে ভিসা কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কলকাতার নিউমার্কেট চত্বরে বইছে আনন্দের হাওয়া। বাংলাদেশি পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে পরিচিত এই বাজারের ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ভিসা চালুর ফলে সেখানে পুরোনো কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। গত শনিবার কলকাতার নিউমার্কেটের মারকুইস স্ট্রিট-ফ্রিস্কুল স্ট্রিট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশি অতিথিদের আগমনকে কেন্দ্র করে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।ওবাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় সিসিটিভি নজরদারি আরও জোরদারের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করা এবং কোনো সমস্যায় পড়লে দ্রুত সহায়তা দেওয়ার উপায় নিয়েও মতবিনিময় করেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশি অতিথিদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ বজায় রাখাই ছিল বৈঠকের মূল লক্ষ্য।বৈঠক শেষে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে নিউমার্কেট চত্বরের প্রায় ৩৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করা হয় এবং সেগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা যাচাই করা হয়।দীর্ঘদিন পর পর্যটন ভিসা চালুর আনন্দে বৈঠক শেষে নিজেদের মধ্যে মিষ্টিমুখ ও মিষ্টি বিতরণ করেন নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা। তারা আশাবাদী, সরকারের এই সিদ্ধান্তে নিউমার্কেট আবার তার চেনা প্রাণচঞ্চল রূপ ফিরে পাবে।নিউমার্কেটের বস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় মজুমদার বলেন, ‘শুধু মেডিকেল ভিসার ওপর নির্ভর করে ব্যবসা চালানো সম্ভব ছিল না। ফলে পরিবহন থেকে শুরু করে গোটা এলাকার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আশা করছি আবার আগের মতো পরিস্থিতি ফিরবে।’নিউমার্কেটের সুপরিচিত খাবারের হোটেল কস্তুরী বা খালেকের কর্মচারী সাইফ উদ্দিন জানান, ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শুধু মেডিকেল ভিসায় যারা আসছিলেন, তাদের ওপর নির্ভর করে ব্যবসা চলছিল না। পর্যটন ভিসা চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি। আমরা আশাবাদী, ফের আগের মতো জমজমাট ব্যবসা হবে।

থামছেই না হামের প্রকোপ, একদিনে আরও ২ প্রাণহানি

থামছেই না হামের প্রকোপ, একদিনে আরও ২ প্রাণহানি

সারাদেশে হামের প্রকোপ কমার লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৭০ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ১১৪ জনের শরীরে পরীক্ষায় হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৮৬৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময় নিশ্চিত হামরোগী পাওয়া গেছে ১১৪ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত সন্দেহে রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জন। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৬৫।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৮৪ হাজার ৬২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮০ হাজার ৯৭৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৩ জন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১০

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১০

ইউক্রেনে রাশিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও গ্লাইড বোমা হামলার ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। ২৯ জুন সোমবার দিনভর চালানো এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। উদ্ধারকাজ চলায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শিল্পনগরী দিনিপ্রো, জাপোরিঝঝিয়া ও খারকিভ লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। দিনিপ্রোতে হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন। হামলায় একটি স্কুল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাপোরিঝঝিয়ায় একটি যাত্রীবাহী মিনিবাসে ড্রোন হামলায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭ বছর বয়সী এক শিশুসহ আরও ৮ জন। এছাড়া খারকিভে গ্লাইড বোমা হামলায় ২৩ বছর বয়সী এক তরুণী নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।হামলার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ বলেন, রাশিয়া দিনিপ্রোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি ইউক্রেনের আকাশ সুরক্ষায় ইউরোপের দেশগুলোকে নিজস্ব অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।এদিকে যথারীতি এই হামলার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষই বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঁচ বছরে ৪৬৫ মৃত্যু

নিহতদের মধ্যে ১২ শিশু; মৃত্যুর তালিকায় ফিলিপাইনিদের আধিক্য, রয়েছে বাংলাদেশিও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঁচ বছরে ৪৬৫ মৃত্যু

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের আটক কেন্দ্র (ডিপো)গুলোতে গত পাঁচ বছরে ৪৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। মৃতদের মধ্যে ১২ জন শিশু থাকায় বিষয়টি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পার্লামেন্টে উপস্থাপিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে এসব মৃত্যু ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৩৯৩ জন পুরুষ, ৬০ জন নারী এবং ১২ জন শিশু। শিশুদের মধ্যে আটজন ছেলে ও চারজন মেয়ে।সোমবার (৩০ জুন) মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দেওয়ান রাকায়াত-এ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল এ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আলোচ্য পাঁচ বছরে ইমিগ্রেশন বিভাগের বিভিন্ন ডিপোতে মোট ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৬ জনকে আটক রাখা হয়েছিল। সে হিসাবে মৃত্যুর হার মোট আটক ব্যক্তির প্রায় ০.১৩ শতাংশ।জাতীয়তাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃত্যুর সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ফিলিপাইনের নাগরিক। পাঁচ বছরে তাদের ২২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ১০৯ জন এবং মিয়ানমারের ৬১ জন নাগরিক।অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, চীন, পাকিস্তান, ইরাক, ইরান, ব্রুনেই, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের মিলিয়ে আরও ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এসব দেশের মধ্যে কোন দেশের কতজন মারা গেছেন, সে বিষয়ে পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।সাবাং আসনের সংসদ সদস্য ওং চেন ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইমিগ্রেশন ডিপোগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা, ডিপোভিত্তিক তথ্য, জাতীয়তা, লিঙ্গ এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তার লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।মন্ত্রী জানান, অধিকাংশ মৃত্যুর পেছনে বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্যগত কারণ দায়ী। এর মধ্যে রয়েছে সেপসিস ও সেপটিক শক, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্‌রোগ ও রক্তনালিজনিত জটিলতা, পরিপাকতন্ত্র ও লিভারের রোগ। এছাড়া এইচআইভি/এইডস, লেপ্টোস্পাইরোসিস এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রামক রোগেও বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।ইমিগ্রেশন ডিপোগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা ও ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ডিপোতে প্রবেশের সময় প্রত্যেক আটক ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে।এ ছাড়া সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে থাকা আটক ব্যক্তিদের অন্যদের থেকে আলাদা রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাদের দ্রুত সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থাও রয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী, পোশাক ও কম্বল সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সপ্তাহে অন্তত একবার খোলা পরিবেশে বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।তবে শিশুসহ শত শত মৃত্যুর এই সরকারি পরিসংখ্যান মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোগুলোর স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন পরিস্থিতি এবং আটক ব্যক্তিদের মানবিক সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের অভিবাসী শ্রমিক ও অনথিভুক্ত বিদেশিদের আটক রেখে পরিচালিত এসব ডিপোর পরিবেশ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনাও আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

ঢাবিতে বহাল শেখ পরিবারের নামে ৫ স্থাপনা, সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

ঢাবিতে বহাল শেখ পরিবারের নামে ৫ স্থাপনা, সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পাঁচ স্থাপনা থেকে শেখ পরিবারের নাম পরিবর্তন না করায় সিনেট অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পাঁচ প্রতিনিধি।সোমবার (২৯ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে সিনেট অধিবেশন চলাকালে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাদের ওয়াকআউট না করার অনুরোধ জানান।ওয়াকআউট করা ডাকসুর সিনেট প্রতিনিধিরা হলেন, ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।জানা যায়, ডাকসু ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি ঢাবির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ ‘সিন্ডিকেট’-এর সভায় শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সিনেটে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। স্থাপনাগুলো হলো, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শহীদ অ্যাথলেট সুলতানা কামাল হোস্টেল।সোমবার রাতে সিনেট অধিবেশনে সাড়ে ৯টার দিকে বিষয়টি এজেন্ডা হিসেবে উত্থাপন করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এরপর সিনেট সদস্যরা এ বিষয়ে তাদের নিজ নিজ বক্তব্য দেন।আলোচনায় অংশ নিয়ে সিনেট সদস্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিষয়টিতে যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রাখার দাবি জানিয়ে এটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। অন্যদিকে সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আপত্তি জানান। এ সময় ডাকসুর সিনেট প্রতিনিধিরা যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শিয়ে নাম পরিবর্তনের কথা বলেন।দীর্ঘ আলোচনা শেষে উপাচার্য বিষয়টি চূড়ান্ত না করে পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর নিদের্শ দেন। এ নির্দেশের প্রতিবাদে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন ডাকসু প্রতিনিধিরা।পরে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেন ডাকসুর নেতারা। এতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী ছাত্রজনতার অন্যতম প্রাণের দাবি ছিল, ফ্যাসিবাদী আইকনদের নামে প্রতিষ্ঠিত স্থাপনা ও অবকাঠামোর নাম পরিবর্তন। যৌক্তিক এই দাবির প্রেক্ষিতে সারা দেশে এর মধ্যে প্রায় ৮ শতাধিক স্থাপনার নাম পরিবর্তিত হয়েছে। সরকারি স্থাপনার পাশাপাশি ১৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাসিবাদী আইকন শেখ মুজিব ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে হলের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার যে প্রতিষ্ঠান, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই ফ্যাসিবাদী আইকনদের নামে থাকা হল ও স্থাপনাগুলোর নাম কোনো এক অদৃশ্য কারণে এখনও পরিবর্তিত হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি এবং গণস্বাক্ষরের প্রেক্ষিতে সর্বসম্মতিক্রমে ফ্যাসিবাদী আইকনদের নামে পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে পেশ করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম উক্ত প্রস্তাবে সম্মতি দেন এবং প্রক্রিয়া অনুযায়ী সিন্ডিকেটে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি অনুমোদন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়েছিল।কিন্তু আজ জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দুই বছর পর অনুষ্ঠিত প্রথম সিনেট অধিবেশনে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের এই ন্যায্য দাবিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এবং কৃত্রিম আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দেখিয়ে ফের বিষয়টি সিন্ডিকেটে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এই সিদ্ধান্ত শুধু অযৌক্তিকই নয়, শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে তুচ্ছ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।তাদের দাবি, শেখ মুজিবের নামে হল বহাল থাকায় সংশ্লিষ্ট হলের শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত যে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে ট্যাগিং, হেনস্তা ও ভিকটিমাইজেশনের শিকার হচ্ছে, তা তুলে ধরার পরেও বাস্তবতাকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। এমনকি মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়ার সময়ও হলের ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে শুধু ফ্যাসিবাদী আইকনের নাম হলের নাম বহাল থাকায়।তাদের মতে, জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ফ্যাসিবাদী আইকনদের প্রতি প্রশাসনের এই সুপ্ত দরদ জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনার সাথে সুস্পষ্ট প্রতারণা।এই অন্যায্য, অযৌক্তিক ও হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে আমরা আজকের সিনেট অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছি।এই ওয়াকআউট ব্যক্তিগত প্রতিবাদ নয়, বরং ঢাবির শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি তাদের নৈতিক অবস্থানের প্রকাশ বলে জানান তারা।

ভক্তদের কাছে মাথা নত করে  ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ

ভক্তদের কাছে মাথা নত করে ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ

২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ (শেষ বত্রিশ)-এর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে স্তব্ধ হয়ে গেছে জাপানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ম্যাচ হারলেও, রেফারির শেষ বাঁশির পর হিউস্টনের মাঠে যে আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হলো, তা পুরো ফুটবল বিশ্বের মন জয় করে নিয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। জানা যায়, ম্যাচ শেষে জাপানের কোচ হাজিমে মরিয়াসু মাঠে খেলোয়াড়দের একত্র করেন, এরপর সবার সামনে মাথা নত করে জাপানের জনগণের কাছে ক্ষমা চান।মরিয়াসু বলেন, 'আমি গভীরভাবে দুঃখিত যে আমরা সবাইকে এই জয় উপহার দিতে পারিনি। একজন কোচ হিসেবে আমি মনে করি এর দায়িত্ব আমার, এবং আমি সবার কাছে ক্ষমা চাই।'তিনি আরও বলেন, 'হিউস্টনের স্টেডিয়ামে এসে আমাদের সমর্থন করা অসংখ্য জাপানি সমর্থককে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। শুধু তারাই নন, আমি জানি জাপান এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক মানুষ গভীর রাত জেগে টেলিভিশন বা ইন্টারনেটে আমাদের খেলা দেখেছেন এবং আমাদের জন্য উৎসাহ দিয়েছেন।'প্রথমার্ধে কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে লিড নিয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছিল 'ব্লু সামুরাই'রা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে (যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে)গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির নাটকীয় গোল জাপানিদের হৃদয় ভেঙে দেয়। ম্যাচ শেষের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার সাথে সাথেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জাপানি ফুটবলাররা।তবে মাঠ ছাড়ার আগে কোচ হাজিমে মোরিয়াসু পিচের মাঝখানে সব খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করেন এবং আবেগঘন এক বার্তা দেন। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল সম্প্রচারে দেখা যায়, মোরিয়াসু খেলোয়াড়দের উদ্দেশে কিছু কথা বলেন। বক্তব্য শেষে তিনি মাথা নত করলে খেলোয়াড়রা করতালির মাধ্যমে তাকে সম্মান জানান। ২০১৮ বিশ্বকাপের পর থেকে টানা আট বছর ধরে তিনি জাপান জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করছেন।ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘এখানেই আমাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে গেল-এটা সত্যিই ভীষণ হতাশার। তবে খেলোয়াড়রা এই ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। এখানে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি দিন তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটিকে গুরুত্ব দিয়েছে। কোচিং স্টাফ ও সাপোর্ট স্টাফও অসাধারণ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছে। আমরা আমাদের সামর্থ্যের সবকিছুই করেছি। যদিও এখন আমরা খুবই হতাশ, তবুও এই ফল মেনে নিয়ে এটিকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরার প্রেরণায় পরিণত করতে চাই।’এই বিশ্বকাপে জাপান তাদের অভিযান শেষ করেছে একটি জয়, দুটি ড্র এবং একটি হার নিয়ে। ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচ জিততে পারেনি জাপান।অন্যদিকে ব্রাজিল এখন শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ জানার অপেক্ষায়। তাদের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দল।

ভোলার মনপুরায় সপ্তাহের ব্যবধানে ধরা পড়ল আড়াই কেজির 'রাজা ইলিশ', বিক্রি হলো ৯৩০০ টাকায়

ভোলার মনপুরায় সপ্তাহের ব্যবধানে ধরা পড়ল আড়াই কেজির 'রাজা ইলিশ', বিক্রি হলো ৯৩০০ টাকায়

ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ফের জেলের জালে ২ কেজি ৪শ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ ধরা পড়েছে। ইলিশ মাছটি নিলামে তোলার পর ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রি করা হয়।মৎস্য আড়তের মালিক মমিন তালুকদার জানান, সোমবার বিকাল ৫ টায় বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের জেলে ইসমাইল গোরামি মাঝিসহ তার জেলে সঙ্গীরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিলেন। এ সময় জালে অন্যান্য ছোট ইলিশের সঙ্গে একটি রাজা ইলিশ ধরা পড়ে। এই উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।রামেওয়াজ মৎস্য ঘাটের ব্যাপ্যারী ও আড়তদারের মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তের বাক্সে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৩শ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদার মমিন তালুকদার।আড়তদার মমিন তালুকদার জানান, বরিশাল ও ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। তিনি নিজে আড়তদার ও ঢাকায় মাছ চালান করেন। মঙ্গলবার ঢাকার লঞ্চে অন্যান্য মাছের সঙ্গে রাজা ইলিশ মাছটি ঢাকার যাত্রাবাড়ি মাছের আড়তে পাঠাবেন। তিনি আরও বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী।ইসমাল মাঝী বলেন এ বসর বর্ষা মৌসুমে ইলিশের অকাল থাকলে ও বড় সাইজের রাজা ইলিশটি পেয়ে তিনি অনেক খুশি তিনি আশাবাদী সামনে আরও বেশি ইলিশ শিকার করতে পারবেন।এ ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মেঘনায় বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে, এটা জেলেদের জন্য সুখবর। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এ মুলতবির কথা ঘোষণা করেন।এর আগে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। যা বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে। নতুন বাজেটে কর, ভ্যাট ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

ঋণ খেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপির দায়ে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

সংসদ অধিবেশন শেষে দুই নেতার কুশল বিনিময়

সংসদ অধিবেশন শেষে দুই নেতার কুশল বিনিময়

মঙ্গলবার মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা শেষে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

মঙ্গলবার মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা শেষে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা

সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী

২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিওনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিওনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

মহাকাশ গবেষণায় স্বনির্ভরতার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মহাকাশ গবেষণায় স্বনির্ভরতার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া-চীন সফরের অর্জন দেশের মানুষের: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১০

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত ১০

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঁচ বছরে ৪৬৫ মৃত্যু

নিহতদের মধ্যে ১২ শিশু; মৃত্যুর তালিকায় ফিলিপাইনিদের আধিক্য, রয়েছে বাংলাদেশিও মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঁচ বছরে ৪৬৫ মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি রাখলে ইরানও অঙ্গীকার রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি রাখলে ইরানও অঙ্গীকার রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান

জার্মানিতে গোলাগুলিতে নিহত অন্তত ৫, গ্রেফতার ১

জার্মানিতে গোলাগুলিতে নিহত অন্তত ৫, গ্রেফতার ১

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, নিরাপদ 'বেটার বাংলাদেশ' গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য। মাদক,জুয়া,কিশোর গ্যাং-এর সদস্যরা চুরি,ছিনতাই,রাহাজানি ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত। এদের কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জনজীবন অনিরাপদ ও দূর্বিষহ হয়ে উঠছে। এইসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নতুবা মানুষের জানমালের নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।তিনি মঙ্গলবার (৩০ জুন) দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, আইন শৃঙ্খলার উন্নতির জন্য অপরাধ নির্মূল করতে বর্তমান সরকারের অবস্থান 'জিরো টলারেন্স'।জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী অপরাধীরা যাতে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে রক্ষা না পায়, সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে তিনি (ড.মারুফ) দাউদকান্দি থানা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানান। বিএনপির এই নেতা বলেন,ফ্যাসিস্ট সরকার দু:শাসন,জুলুম নিপীড়ন চালিয়ে দেশের গণতন্ত্র,অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে গেছে । ফেব্রুয়ারির অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে নায়কোচিত ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি অগ্রপথিক হয়ে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপের দেশকে দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে তাঁর গতিশীল নেতৃত্বেই বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।ড.খন্দকার মারুফ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে মননশীল ও আধুনিক পরিকল্পনায় সবাইকে নিয়ে উন্নত স্থিতিশীল 'বেটার বাংলাদেশ' গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আগামী দিনে একটি আধুনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।সেই লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় প্রশাসনকে সেবার মনোভাব নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব একমাত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ ও জনগণের কল্যাণে যুগান্তকারী উন্নয়ন করে। জনগণ নিশ্চিদ্র নিরাপদে, সুখ স্বাচ্ছ্যন্দে জীবন যাপন করতে পারে। এবারও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন। মানুষ এইসব কাজের সুফল ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছেন। দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারেক রহমানের জনগুরুত্বপূর্ণ নানা উদ্যোগ দেখে মানুষ আশাবাদী হয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছে।সভায় দাউদকান্দির ইউএনও নাছরীন আক্তার সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূইয়া ও পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার প্রমুখ।পরে উপজেলা পরিষদ মাঠে ড.খন্দকার মারুফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে ৩০০ কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার,বীজসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। ধানের বাম্পার ফলনের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই সময় দাউদকান্দির ইউএনও নাছিমা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর পরে ড.খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দি বাজারে পুরনো বিএনপি অফিস ভেঙে নির্মাণাধীন ৪ তলা ভবনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

মানবিক কারণে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল খুলে দিন: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

মানবিক কারণে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল খুলে দিন: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

শিক্ষার মানোন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ

শিক্ষার মানোন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ

জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, না হলে সম্মান ফিরিয়ে দিন : সাবেক ছাত্রদল নেতা সামির

জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, না হলে সম্মান ফিরিয়ে দিন : সাবেক ছাত্রদল নেতা সামির

সবকিছুতেই বিরোধিতা, এই কালচার সমর্থন করি না: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

সবকিছুতেই বিরোধিতা, এই কালচার সমর্থন করি না: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিলেন সেঁজুতি হোসাইন

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিলেন সেঁজুতি হোসাইন

বিএনপি সার্বভৌমত্বের পক্ষে থাকলে এনসিপি তাদের সঙ্গে থাকবে: সারজিস আলম

বিএনপি সার্বভৌমত্বের পক্ষে থাকলে এনসিপি তাদের সঙ্গে থাকবে: সারজিস আলম

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকাই কাল হলো সাভারের ছাত্রদল নেতা সামিরের

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকাই কাল হলো সাভারের ছাত্রদল নেতা সামিরের

ঈশ্বরদীতে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, পণ্ড সংবর্ধনা

ঈশ্বরদীতে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, পণ্ড সংবর্ধনা

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৭০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৭০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৭০ কোটি ৯৬ লাখ ৪৭ হাজার ৪২৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার ১০ টাকা। এতে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৪১৬ টাকা উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৩টায় টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা কার্যালয়ে আয়োজিত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে পৌর প্রশাসক ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম এ বাজেট উপস্থাপন করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ (সংসদীয় আসন-২১৭) আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর প্রশাসক ও ইউএনও জহিরুল আলম।এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জহির উদ্দীন, ১ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার ও উপজেলা প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন খান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর আহমেদ, ২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার ও টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার ও সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী, পৌর বিএনপির সভাপতি মোল্লা এমদাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জেহাদুল ইসলাম বাবু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ডা. আবু জাফরসহ পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।বাজেট উপস্থাপনকালে পৌর প্রশাসক ও ইউএনও জহিরুল আলম বলেন, জনসেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে।বাজেট ঘোষণা শেষে উপস্থিত অতিথি, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সঙ্গে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

গঙ্গাচড়ায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু, পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

গঙ্গাচড়ায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু, পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

অশ্রুসিক্ত বিদায়ে সম্মানিত হলেন প্রবীণ শিক্ষক মাওলানা মনিরুজ্জামান

অশ্রুসিক্ত বিদায়ে সম্মানিত হলেন প্রবীণ শিক্ষক মাওলানা মনিরুজ্জামান

ভাঙ্গুড়ায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়ায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

যমুনার তীব্র ভাঙনে নাগরপুরে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে, বিলীন মসজিদ ও ফসলি জমি

যমুনার তীব্র ভাঙনে নাগরপুরে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে, বিলীন মসজিদ ও ফসলি জমি

নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ও নগদ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া ২৬টি মোবাইল ও নগদ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

নড়াইলে ছেলে চোরাই রড কেনার অভিযোগে বাবাকে পিটিয়ে আহত

নড়াইলে ছেলে চোরাই রড কেনার অভিযোগে বাবাকে পিটিয়ে আহত

কেপ ভার্দের বিপক্ষে হারবে আর্জেন্টিনা, সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী!

কেপ ভার্দের বিপক্ষে হারবে আর্জেন্টিনা, সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী!

ঘানার ভাইরাল সেই তান্ত্রিক এবার ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে, বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বিদায় করে দেবে কেপ ভার্দে। নানা কোয়াকু বনসাম নামের ওই তান্ত্রিক বলেছেন, মৌসুমের দ্বিতীয় পর্বে আফ্রিকান দল কেপ ভার্দে মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে নিজেদের মেলে ধরবে এবং শিরোপাধারীদের বিপক্ষে তাদের জয় নিশ্চিত করবে।গ্রুপ এল-এর ইংল্যান্ড বনাম ঘানার মধ্যকার ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড দলের শীর্ষ গোলদাতার বিরুদ্ধে করা তার তন্ত্র-মন্ত্রের জন্য গত কয়েক দিন আগেই ভাইরাল হয়েছেন এই তান্ত্রিক বনসাম। ওই ম্যাচের আগে বনসাম বলেছিলেন, ‘আমি কেনকে নিয়ে কাজ করছি।আমি চাই না সে গুরুতর আহত হোক। আমার দেশের বিপক্ষে তাকে থামানোর জন্য এটাই যথেষ্ট হবে।আমি থামানোর জন্য সাহায্য করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি।’ম্যাচটি ০-০ গোলে শেষ হয়েছিল এবং বিশ্বকাপে এটিই ছিল একমাত্র ম্যাচ যা জিততে ব্যর্থ হয়েছেন এই বায়ার্ন মিউনিখের নেতা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী জাদুকর! এখন আমি হ্যারি কেনকে মুক্ত করতে যাচ্ছি যাতে সে পরের ম্যাচে একটি গোল করতে পারে। কেন আমার শত্রু নয়। আমার একটি সন্তান আছে। যার নাম আমি হ্যারির নামে রাখার জন্য প্রস্তুত।’ ঘানার এই নায়ক ঘোষণা করেছেন যে, তিনি হ্যারি কেনকে তন্ত্র-মন্ত্র থেকে মুক্ত করেছেন।আফ্রিকার দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপে এর আগে সাতবার মুখোমুখি হয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তারা নাইজেরিয়ার বিপক্ষে পাঁচবার এবং আইভরি কোস্টের বিপক্ষে একবার জয়লাভ করেছে। এক্ষেত্রে একটি মাত্র পরাজয় রয়েছে তাদের। সেটি ছিল ১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে।এবার আর্জেন্টিনা কেপ ভার্দের বিপক্ষে সরাসরি নকআউট চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলো। এখন দেখা যাক, বনসামের ভবিষ্যদ্বাণী কতোটা সত্যি হয়!

ভক্তদের কাছে মাথা নত করে  ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ

ভক্তদের কাছে মাথা নত করে ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ

দারুণ প্রত্যাবর্তনে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

দারুণ প্রত্যাবর্তনে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ালেন নেইমার

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ালেন নেইমার

ভারতকে টানা দুই ম্যাচে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের  ইতিহাস

ভারতকে টানা দুই ম্যাচে হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

বিশ্বকাপ: নকআউট পর্বের লড়াইয়ে আছেন যারা

বিশ্বকাপ: নকআউট পর্বের লড়াইয়ে আছেন যারা

মেসির ফ্রি কিকে জর্ডানকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার শতভাগ জয়

মেসির ফ্রি কিকে জর্ডানকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার শতভাগ জয়

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমান সময়ে অনেক তরুনেরই ক্রাশ। তার ব্যক্তিগত জীবন তথা প্রেম-বিয়ে নিয়ে ভক্তদের যেন চিন্তার শেষ নেই। সম্প্রতি প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান অকপটে জানালেন এ অভিনেত্রী।এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তটিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি কোনো প্রেমের সম্পর্কে নেই; আর সঠিক মানুষের সন্ধান পেলেই তবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। এর আগে অভিনেতা ইয়াশ রোহানের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বারবার বলেছেন, শুধুমাত্র বন্ধুত্বের সম্পর্কই তাদের। উঠে আসা নানা গুঞ্জনের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, হি ইজ আ ভেরি গুড ফ্রেন্ড অফ মাইন। এইটা আমি আসলে এতবার বলেছি! আর আমার মনে হয় যে, প্রেম যদি থাকত তাহলে জিনিসটা আমি আরও প্রাইভেটলি হ্যান্ডেল করতাম। আসলে এইটা নিয়ে আমি কথা বলার সুযোগই দিতাম না। সো, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, কোনো প্রেম নেই।ভবিষ্যতে বিয়ে করার পরিকল্পনা এবং কেমন জীবনসঙ্গী তার পছন্দ—এমন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, তিনি একজন সঠিক মানুষের অপেক্ষায় আছেন।এ প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা প্রকাশ করে তটিনী বলেন, বিয়ে করব যখন সঠিক মানুষ পাব। যে মানুষ আমাকে প্রপার সম্মান দিবে, আমাকে, আমার... আমার প্রফেশনকে, আমার ফ্যামিলিকে ভালোবাসবে—অবশ্যই। আমার কাছে একটা কথা সবসময় মনে হয়, জীবনে ভালোবাসার মানুষের থেকেও ভালো রাখার মানুষ খুব দরকার; যে আমাকে ভালো রাখতে পারবে। আল্লাহ যদি সঠিক সময়ে সঠিক মানুষ দেয়, তাহলে করব। একটি সম্পর্কে শুধু অন্ধ ভালোবাসা নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান এবং দিনশেষে ভালো রাখার মানসিকতা বেশি জরুরি বলে মনে করেন পর্দার এই সুন্দরী। নিজের সেই জীবনবোধের কথা উল্লেখ করে তটিনী আরও বলেন, ভালোবাসা একটা পয়েন্ট পর্যন্ত তো অবশ্যই দরকার। বাট আমার কাছে মনে হয় মেইন প্রায়োরিটি—আপনাকে ভালো রাখতে পারছে কি না। অনেকে অনেক... আপনি অনেক ভালোবাসলেন, বাট সে আপনাকে প্রপার সম্মান দিল না; দিনশেষে সেখানে তো শান্তি নেই।তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত নাটকগুলো দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। এদিকে সদ্য মুক্তি পাওয়া সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি পরিচালিত এবং খাইরুল বাশারের সঙ্গে জুটি বাঁধা তটিনীর ‘সুতরাং’ নাটকটিও বেশ সাড়া ফেলছে।

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সংগঠনের নীতিনির্ধারক, উপদেষ্টা ও সদস্যদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত হোটেল সুপারস্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইমাম হোসেন ইমন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসলাম।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অল ব্রডকাস্ট কমিউনিটি (এবিসি)-এর প্রেসিডেন্ট চৌধুরী দৌলত মোহাম্মদ জাফরি, এনবিএ-এর সেক্রেটারি রাইসুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক তমাল। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এছাড়াও সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, টেলিভিশন মেকআপ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন, সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বক্তারা বলেন, দেশের টেলিভিশন মেকআপ শিল্পকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও পেশাদার পর্যায়ে উন্নীত করতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। পাশাপাশি পেশাজীবীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতেও সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। একই সঙ্গে তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

শুটিং শেষ হলো ওয়েবফিল্ম ‘শব্দহীন যন্ত্রণা’র, শিগগিরই আসছে ট্রেলার

শুটিং শেষ হলো ওয়েবফিল্ম ‘শব্দহীন যন্ত্রণা’র, শিগগিরই আসছে ট্রেলার

সম্প্রতি শেষ হয়েছে পারিবারিক-সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক ড্রামা ঘরানার ওয়েবফিল্ম ‘শব্দহীন যন্ত্রণা’–এর শুটিং। গভীর আবেগ, পারিবারিক টানাপোড়েন, সামাজিক বাস্তবতা এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ওয়েবফিল্মটি দর্শকদের সামনে এক সংবেদনশীল গল্প তুলে ধরবে বলে আশা করছেন নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা।ওয়েবফিল্মটি পরিচালনা করেছেন মো: আকতার হোসেন। চিত্রগ্রহণে ছিলেন ইসমাইল হোসেন লিটন। জায়না ইজে প্রোডাকশন–এর ব্যানারে নির্মিত হয়েছে ওয়েবফিল্মটি।প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমান রেজা, তৃণা ইসলাম ও তাহসান বিন রফিক। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেবেকা সুলতানা, ফারজানা ছবি, মৌরি, বড়দা মিঠু, আজম খান, শশী রহমান, সিফাত ও আভাসহ আরও অনেকে।নির্মাতা জানান, ‘শব্দহীন যন্ত্রণা’ শুধু একটি গল্প নয়; এটি সম্পর্ক, দায়বদ্ধতা, নীরব কষ্ট এবং জীবনের কঠিন বাস্তবতার এক মানবিক উপস্থাপন। পাশাপাশি এই ওয়েবফিল্মে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, মানসিক অবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। শুটিং সম্পন্ন হওয়ায় এখন চলছে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ। খুব শিগগিরই ওয়েবফিল্মটির ট্রেলার প্রকাশ করা হবে।জায়না ইজে প্রোডাকশন–এর ব্যানারে নির্মিত ‘শব্দহীন যন্ত্রণা’ শিগগিরই একটি স্বনামধন্য প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।

চলচিত্রে সহকারী পরিচালনা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

চলচিত্রে সহকারী পরিচালনা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং বাংলা কনটেন্টভিত্তিক সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান লেখালিখির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালকদের ভূমিকা, দায়িত্ব ও কর্মপ্রবাহ নিয়ে বিশেষ কর্মশালা “Call Sheet to Final Cut: সিনেমার সহকারী পরিচালকের কর্মযাত্রা”।বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রাঙ্গণে আয়োজিত দিনব্যাপী এই কর্মশালায় চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম এবং সৃজনশীল শিল্পে আগ্রহী ২৫ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার এবং Runout Films-এর পরিচালক সাবরিনা আইরিন।চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সহকারী পরিচালক (Assistant Director) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ ও কাঠামোবদ্ধ আলোচনা তুলনামূলকভাবে সীমিত। সেই প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালকের যাত্রা, কাজ, দায়িত্ব, চ্যালেঞ্জ এবং পেশাগত সম্ভাবনা নিয়ে এটিই দেশের প্রথম দিককার বিশেষায়িত কর্মশালাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।কর্মশালায় সহকারী পরিচালকের বাস্তব দায়িত্ব, স্ক্রিপ্ট ব্রেকডাউন, কলশিট ও শুটিং শিডিউল প্রস্তুতকরণ, প্রি-প্রোডাকশন পরিকল্পনা, সেট ম্যানেজমেন্ট, প্রোডাকশন সমন্বয়, সময় ব্যবস্থাপনা, সংকট মোকাবিলা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের সামগ্রিক কর্মপ্রবাহ নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা চলচ্চিত্র নির্মাণের নেপথ্যের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ইন্ডাস্ট্রির কার্যক্রম সম্পর্কেও সম্যক ধারণা লাভ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারহানা রহমান। তারা চলচ্চিত্র শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।কর্মশালার প্রশিক্ষক সাবরিনা আইরিন বলেন, “একজন সহকারী পরিচালকই মূলত একটি চলচ্চিত্রের কর্মপ্রবাহকে সচল রাখেন। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ পেশাটি নিয়ে শেখার সুযোগ খুবই সীমিত। অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ও আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের নেপথ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশা ও দক্ষতা নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশা রাখি।”উল্লেখ্য, বাংলা ভাষাভিত্তিক সৃজনশীল ও শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম লেখালিখি ২০১৮ সাল থেকে কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট, সৃজনশীল শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটি চলচ্চিত্র, চিত্রনাট্য, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং, চলচ্চিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, গল্প থেকে চিত্রনাট্য, চলচ্চিত্রে লোকজ উপাদানের প্রয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে কর্মশালা, মাস্টারক্লাস এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।লেখালিখির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দা ফারজানা জামান বলেন, “চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহী নতুন প্রজন্মের জন্য বাস্তবভিত্তিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা চলচ্চিত্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। সহকারী পরিচালনা নিয়ে এই কর্মশালার ব্যাপক সাড়া প্রমাণ করে যে, চলচ্চিত্রের নেপথ্যের পেশাগুলো সম্পর্কে জানার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। ভবিষ্যতেও আমরা চলচ্চিত্রশিক্ষা ও সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়নে আরও নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে চাই।”আয়োজকদের মতে, এ ধরনের কর্মশালা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সৃজনশীল শিল্পের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিক্ষার ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জুলাইয়ে ঢাকায় আসছেন আতিফ আসলাম

জুলাইয়ে ঢাকায় আসছেন আতিফ আসলাম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ঢাকায় মঞ্চ মাতাতে আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মেইন স্টেজ শো ফিচারিং আতিফ আসলাম’। গত বছরের স্থগিত হওয়া কনসার্টটি পুনরায় আয়োজনের মধ্য দিয়ে দর্শকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘মেইন স্টেজ ইনকরপোরেটেড’।আয়োজনটি প্রসঙ্গে ‘মেইন স্টেজ ইনকরপোরেটেড’-এর পরিচালক কাজী রাফসান বলেন, ‘গত বছর কনসার্টটি স্থগিত হওয়ার পর আমরা দর্শকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সুযোগ পেলেই এই আয়োজন আবারও ফিরিয়ে আনব। গত কয়েক মাসে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছি। যারা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন এবং অপেক্ষা করেছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ২৪ জুলাই আমরা গত বছরের অসমাপ্ত অধ্যায়টি পূর্ণতা দিতে চাই।’তিনি আরও বলেন, ‘এটি শুধু একটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট নয়; এটি আমাদের দর্শকদের প্রতি দেওয়া একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। যারা গত বছর টিকিট কিনেছিলেন, তাদের আস্থা ও ধৈর্যের প্রতি সম্মান জানিয়ে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে।’আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কনসার্টের ভেন্যু শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এদিকে ২০২৫ সালের ‘মেইন স্টেজ শো’-এর জন্য যারা টিকিট কিনেছিলেন কিন্তু রিফান্ড নেননি, তাদের নতুন করে টিকিট কেনার কোনো প্রয়োজন হবে না। তাদের শুধু mainstage.show ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত ‘Re-Apply’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নামে নতুন টিকিট ইস্যু করা হবে এবং কোনো অতিরিক্ত অর্থ ছাড়াই হোম ডেলিভারির মাধ্যমে তা পৌঁছে দেওয়া হবে।যারা টিকিট ফেরত দিয়ে রিফান্ডের আবেদন করেছিলেন কিন্তু এখনও রিফান্ড পাননি, তারাও চাইলে mainstage.show-এর মাধ্যমে রিফান্ড আবেদন প্রত্যাহার করে টিকিট পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন যাচাই শেষে তাদের জন্যও নতুন টিকিট ইস্যু করে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে অভিনেতা জাহের আলভী

স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যা মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে অভিনেতা জাহের আলভী

ঢাকার মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় কারাগারে আটক থাকা ছোট পর্দার অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ২১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আসামির দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ওইদিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য বুধবার দিন রাখেন।রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে আলভী অপমান ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক অত্যাচারসহ উস্কানিমূলক কথাবার্তা উল্লেখ করে তার ফেসবুকে পোস্ট করতো। আসামি বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সে অন্য নারীর সঙ্গে ছবি সংযুক্ত করে উস্কানিমূলক কথাবার্তা উল্লেখ করে তার ফেসবুকে পোস্ট করে। মামলার মূল রহস্য উদঘাটনসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, শনাক্তকরণ ও আসামির স্থায়ী ঠিকানা উদঘাটনের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।এর আগে গত ১৮ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।গত ১ মার্চ শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।এদিকে ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় শনিবার রাতেই মামলা করেন তার মামা শেখ তানভীর আহমেদ। মামলার অপর আসামি হলেন- আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ তার ভাগনি ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল ‘নকল’কে প্রতিহত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডিজিটাল ‘নকল’কে প্রতিহত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরু ২৫ জুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি আবেদন শুরু ২৫ জুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি এপিইউবির

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি এপিইউবির

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের প্রতি সতর্কতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে শিক্ষকদের প্রতি সতর্কতা

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

ডিবিএইচ এর সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

ডিবিএইচ এর সাধারণ সভায় ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি কর্তৃক ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেছেন। সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডাররা এ প্রস্তাব অনুমোদন করেন।সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ। সভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরিচালকদের মধ্যে অধ্যাপক ইমরান রহমান, নাজির রহিম চৌধুরী, খন্দকার মনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক নওশিন রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও নাসিমুল বাতেন, কোম্পানি সচিব জসিম উদ্দিন, এফসিএস এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ অংশগ্রহণ করেন।সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের প্রশ্নের জবাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিমুল বাতেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালন দক্ষতা তুলে ধরেন এবং খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স এর সাফল্য উল্লেখ করে বলেন, “ডিবিএইচ এর খেলাপি ঋণ মোট ঋণের মাত্র ০.৮৪ শতাংশ, যা দেশের আর্থিক খাতের মধ্যে সর্বনিম্ন। এটি প্রতিষ্ঠানটিকে টানা ২১ বছর সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং AAA (ট্রিপল এ) ভূমিকা পালোণ করেছে।”ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান জনাব সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ পরিচালকবৃন্দের প্রতিবেদন এবং নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন। তিনি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার প্রতিকূল পরিস্থিতির সত্ত্বেও কোম্পানির আয় নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে সকল কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তা কোম্পানির আয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।”তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত, কোম্পানিটি মোট ৬২,৮৬৯টি পরিবারের আবাসনের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস, কাল থেকে কার্যকর

বিশ্ববাজারে সোনার দর ১ শতাংশের বেশি কমেছে

বিশ্ববাজারে সোনার দর ১ শতাংশের বেশি কমেছে

এনবিআরে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ

এনবিআরে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।নিহতরা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।জানা গেছে, গত ২১ জুন রোববার সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি। দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ দূতাবাস।শ্রম কল্যাণ উইং জানায়, সোমবার (২৯ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রবাসীদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে কানাইঘাটসহ সিলেটজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে বিমানবন্দর এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ভিড়ের মধ্যেও স্পষ্ট কথা শোনাবে স্মার্টফোনের এআই নয়েজ ক্যান্সেলিং প্রযুক্তি

ভিড়ের মধ্যেও স্পষ্ট কথা শোনাবে স্মার্টফোনের এআই নয়েজ ক্যান্সেলিং প্রযুক্তি

ঢাকার ব্যস্ত কোনো সড়কে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই আছে। চারপাশে গাড়ির হর্ন, বাসের শব্দ কিংবা বাতাসের তীব্রতায় আওয়াজের কারণে অনেক সময় নিজের কথা স্পষ্টভাবে বলা বা অপর প্রান্তের কথা ঠিকমতো শোনা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এই পরিচিত সমস্যার সমাধানও ধীরে ধীরে সহজ হচ্ছে। রাস্তাঘাটের কোলাহল কমেনি, কিন্তু স্মার্টফোন এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছে।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু ছবি এডিটিং বা চ্যাটবটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দৈনন্দিন যোগাযোগেও এর ব্যবহার বাড়ছে। এর অন্যতম উদাহরণ হলো এআই নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি। ফোনে কথা বলার সময় এটি চারপাশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ যেমন গাড়ির হর্ন, বাতাস বা ভিড়ের আওয়াজ আলাদা করে শুধু ব্যবহারকারীর গলার আওয়াজকে প্রাধান্য দেয়। ফলে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশেও ফোনের দুই প্রান্তে কথোপকথন অনেক বেশি স্পষ্ট থাকে।এই প্রযুক্তি বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী কিংবা নিয়মিত বাইরে চলাফেরা করেন এমন সবার জন্যই বেশ কার্যকর। ব্যস্ত সড়কে দাঁড়িয়ে অফিসের জরুরি কল করা, যাতায়াতের সময় অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ফোনালাপ চালিয়ে যাওয়া এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ।একসময় স্মার্টফোন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রসেসরের গতি, ক্যামেরা বা ব্যাটারির দিকেই বেশি নজর দেওয়া হতো। এখন ব্যবহারকারীর বাস্তব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে এমন অনেক ফিচার যুক্ত হচ্ছে, যেগুলো হয়তো প্রথম দেখায় চোখে পড়ে না, কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে।ভালো দিক হলো, এই সুবিধা এখন আর কেবল প্রিমিয়াম স্মার্টফোনেই সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন নির্মাতা তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের ফোনেও এআই নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি যুক্ত করছে। যেমন, ইনফিনিক্সের মিডরেঞ্জ ফোন নোট ৬০ সিরিজ ও সাশ্রয়ী বাজেটের হট ৭০ মডেলে এই সুবিধা রয়েছে, যা কোলাহলের মধ্যেও তুলনামূলক পরিষ্কারভাবে কথা বলতে সহায়তা করে।প্রযুক্তির এই পরিবর্তন দেখিয়ে দিচ্ছে, স্মার্টফোনে নতুন নতুন ফিচার যোগ করার প্রতিযোগিতা এখন শুধু কাগুজে স্পেসিফিকেশনে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এমন প্রযুক্তির দিকেই গুরুত্ব বাড়ছে, যা ব্যবহারকারীর প্রতিদিনের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও কার্যকর করে তোলে।

মৌলভীবাজারে নতুন পরিবেশ বান্ধব গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু

মৌলভীবাজারে নতুন পরিবেশ বান্ধব গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু

সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সহনশীলতায় গুরুত্বারোপের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ফিনিক্স সামিট

সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সহনশীলতায় গুরুত্বারোপের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ফিনিক্স সামিট

কার্টআপ কানেক্ট ২০২৬: কক্সবাজারে দেশের ই-কমার্স ইকোসিস্টেমে নতুন মাইলফলক

কার্টআপ কানেক্ট ২০২৬: কক্সবাজারে দেশের ই-কমার্স ইকোসিস্টেমে নতুন মাইলফলক

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৭০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা ভিড়ের মধ্যেও স্পষ্ট কথা শোনাবে স্মার্টফোনের এআই নয়েজ ক্যান্সেলিং প্রযুক্তি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকাই কাল হলো সাভারের ছাত্রদল নেতা সামিরের ঈশ্বরদীতে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, পণ্ড সংবর্ধনা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করলো তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড থামছেই না হামের প্রকোপ, একদিনে আরও ২ প্রাণহানি টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৭০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা ভিড়ের মধ্যেও স্পষ্ট কথা শোনাবে স্মার্টফোনের এআই নয়েজ ক্যান্সেলিং প্রযুক্তি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকাই কাল হলো সাভারের ছাত্রদল নেতা সামিরের ঈশ্বরদীতে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, পণ্ড সংবর্ধনা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করলো তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ সংসদ অধিবেশন ৭ জুলাই পর্যন্ত মুলতবি বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু, কলকাতায় ব্যবসায়ীদের মিষ্টিমুখ সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড থামছেই না হামের প্রকোপ, একদিনে আরও ২ প্রাণহানি