ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’

গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’

বছরের এই সময়টাতে সাধারণত পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন মাজেন আল-জেরজাউই। কোরবানির পশুর খোঁজে গাজাবাসী যখন এদিক-ওদিক ছুটতেন, তখন তিনি নিজের খামারে লালন-পালন করা শত শত ভেড়া ও ছাগল বিক্রি করতেন।তবে সেই দিন এখন শুধুই অতীত। গাজার অন্যতম শীর্ষ পশু খামারি হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এখন কেবল একটি ছোট রেস্তোরাঁ চালান। যেখানে ইসরায়েলের কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় আসা হিমায়িত মাংসের ওপর নির্ভর করতে হয় তাকে।গাজা সিটির বাসিন্দা জেরজাউই বলেন, ‘বছরের এই সময়ে আমি প্রায় ২০০টি ভেড়া ও গরু বিক্রি করতাম। আজ আমার কাছে একটিও পশু নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘গাজায় কোনও জীবন্ত পশু একেবারেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ইসরায়েল গাজার মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করছে যেন তারা এখানে সাময়িকভাবে বসবাস করছে এবং যা কিছু অনুমতি দেওয়া হচ্ছে তা কেবল ন্যূনতম স্তরে কোনও রকমে টিকিয়ে রাখার জন্য।’ঈদুল আজহা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। এই উৎসবে সামর্থ্যবান মুসলমানরা ঈদের নামাজের পর ভেড়া, ছাগল, গরু বা উট কোরবানি দেন এবং সেই মাংস পরিবার, প্রতিবেশী ও অভাবীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।যুদ্ধ শুরুর আগে, কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে গাজা প্রতি বছর ঈদের আগে ৪০ হাজার থেকে ৬০ হাজার ভেড়া ও বাছুর আমদানি করত। কিন্তু ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা ও অবরোধের কারণে গাজার ফিলিস্তিনিরা টানা তৃতীয় বছরের মতো এই উৎসবের প্রধান ঐতিহ্য পালন করতে পারছে না।বিলুপ্তির পথে গাজার গবাদিপশুগাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলা এবং পণ্য ও কৃষি সরঞ্জাম চলাচলের ওপর বিধিনিষেধের কারণে গাজার গবাদিপশু খাতের ৯০ শতাংশের বেশি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় পশু উৎপাদন ধ্বংসের পাশাপাশি গাজায় জীবন্ত পশুর প্রবেশও বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল, যা এই ভঙ্গুর সাপ্লাই চেইনকে আরও সংকটে ফেলেছে।এর ফলে পশুর দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে গাজায় একটি ভেড়ার দাম ছিল সাধারণত ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার। এখন হাতেগোনা যে কয়েকটি পশু অবশিষ্ট রয়েছে, তার একেকটির দাম ৭ হাজার ডলার পর্যন্ত উঠছে।জেরজাউই বলেন, ‘আমি ভেড়া বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি কারণ গাজায় গবাদিপশু অত্যন্ত দুর্লভ হয়ে পড়েছে।’ তিনি জানান, প্রবাসে থাকা ফিলিস্তিনিরা এখনও গাজায় তাদের আত্মীয়দের পক্ষ থেকে কোরবানি দেওয়ার জন্য পশু কিনতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কিন্তু তিনি তাদের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বলেন।জেরজাউই বলেন, ‘আমি তাদের বলি যে, একটি ভেড়ার পেছনে এত টাকা খরচ না করে ৫০ কেজি হিমায়িত মাংস কেনা অনেক ভালো। একটি ভেড়ার জন্য ২০ হাজার শেকেল (৭ হাজার ডলার) খরচ করার চেয়ে এই টাকা দিয়ে একটি দম্পতির বিয়ের খরচ চালানো সম্ভব।’জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বর মাসের মধ্যেই গাজার অন্তত ৮০ শতাংশ ভেড়া এবং ৭০ শতাংশ ছাগল যুদ্ধের কারণে মারা গেছে বা হত্যা করা হয়েছে। একসময় যা ছিল গাজার তাজা মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের শেষ নির্ভরযোগ্য উৎস, সেই গবাদিপশু খাত এখন কার্যত নিশ্চিহ্ন। এর ফলে গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দার খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা আরও তীব্র হয়েছে।এই ধ্বংসযজ্ঞ শুধু পশুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। খামার, গোয়ালঘর, পশুখাদ্যের গুদাম ও পশু চিকিৎসা ক্লিনিকগুলো বারবার ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। পশুখাদ্য ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি এই খাতকে সম্পূর্ণ ধসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।জেরজাউই বলেন, ‘পশুগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে আমরা পাস্তা এবং যা পেয়েছি তা-ই খাইয়েছি। কিন্তু পাশের একটি বাড়িতে বোমা হামলার পর আমার অনেকগুলো ভেড়া মারা যায়। গাজার বেশির ভাগ পশু মালিকের ব্যবস্থার ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটেছে; বিমান হামলার কারণে আমরা আমাদের পশু হারিয়েছি।’তিনি জানান, বারবার জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার ঘটনাটি এই খাতের ওপর শেষ আঘাত হেনেছে। বোমাবর্ষণ থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারগুলো তাদের পশুর যত্ন নিতে পারেনি এবং অনেক সময় বাধ্য হয়ে যে দামে পাওয়া যায় সেই দামেই পশু জবাই বা বিক্রি করে দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি উচ্ছেদ আদেশের সঙ্গে সঙ্গে গাজায় গবাদিপশুর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। আমি যখন বাস্তুচ্যুত হই, তখন বোমার আঘাতে যেন মারা না যায় সেজন্য তড়িঘড়ি করে পশুগুলো জবাই করতে বা বিক্রি করতে বাধ্য হই। একসময় আমার মালিকানাধীন সব পশু এভাবেই বিক্রি হয়ে যায়। অত্যন্ত চড়া দামে আটা ও মৌলিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য আমি যে দামে পেরেছি এগুলো বিক্রি করেছি। শেষ পর্যন্ত, একজন মানুষ নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের রক্ষা করার চেষ্টা করার পাশাপাশি কীভাবে গবাদিপশুর যত্ন নেবে?’‘নেই কোনও ঈদ’গাজার কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় ভেড়া ও ছাগলের সংখ্যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের প্রায় ৬০ হাজার থেকে কমে আজ মাত্র ৩ হাজারে দাঁড়িয়েছে। আর বাছুর ও গরু তো প্রায় সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে গেছে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাফাত আসালিয়া বলেন, ‘এখনও যে অল্পসংখ্যক ভেড়া ও ছাগল বেঁচে আছে, তা যাযাবর রাখালদের কাছে রয়েছে এবং সেগুলো ঈদের মৌসুমে বিক্রির জন্য পাওয়া যাচ্ছে না।’ তিনি আরও জানান, পানির কূপগুলো সচল করতে না পারায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে, যার ফলে এই খাতের পুনরুদ্ধারের আর কোনও বাস্তব উপায় বা সম্ভাবনা অবশিষ্ট নেই।আসালিয়া বলেন, ‘এটি এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যা হাজার হাজার পরিবারকে ঈদের কোরবানি দেওয়া থেকে বঞ্চিত করছে।’গাজার অনেক ফিলিস্তিনির কাছে এই উৎসবটি এখন প্রায় অচেনা হয়ে পড়েছে। গাজা সিটির একজন স্কুলশিক্ষক মুহাম্মদ আবু রিয়ালা আগে প্রতি বছর কোরবানি দিতেন। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে আমরা তিন বছর ধরে ঈদ উদযাপন করি না। কোরবানির সেই আচার এবং অন্যের সঙ্গে তা ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ বিলীন হয়ে গেছে। কোরবানি ও ভাগ করে নেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে সেখানে কোনও ঈদ নেই।’আবু রিয়ালা জানান, জীবন্ত পশুর অনুপস্থিতি সংকটের একটি অংশ মাত্র, অনেক পরিবার এখন মৌলিক খাদ্য জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কোনও জীবন্ত পশু নেই, আর বেশির ভাগ পরিবারের কোনও কিছু ভাগ করে নেওয়ার সামর্থ্যও নেই। অনেকে কোনও রকমে দৈনিক খাবার জোগাড় করছে এবং কেউ কেউ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে হিমায়িত মাংসও খায়নি। গাজায় যা প্রবেশ করে তা সীমিত এবং তা সম্পূর্ণভাবে সীমান্ত ক্রসিং বা পারাপারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে, যার অর্থ দাম অত্যন্ত চড়া থাকে।’জাতিসংঘ সমর্থিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি)-এর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ নাগাদ গাজার জনসংখ্যার প্রায় ৭৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১৬ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি ছিল। যুদ্ধবিরতি হওয়া সত্ত্বেও মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক পণ্যের ওপর ইসরায়েলের কঠোর ও প্রায়শই অননুমেয় বিধিনিষেধ এবং বারবার সীমান্ত বন্ধের কারণে এই সংকট আরও খারাপের দিকে গেছে। এর ফলে মৌলিক খাদ্যসামগ্রী প্রায়শই বাজার থেকে সম্পূর্ণ উধাও হয়ে যায় এবং গাজায় কী পণ্য ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে দামের তীব্র ওঠানামা ঘটে।আবু রিয়ালা বলেন, গবাদিপশুর ওপর এই নিষেধাজ্ঞা গাজার হাজার হাজার পরিবারকে টিকিয়ে রাখা একটি সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘যদি গাজায় গবাদিপশু প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতো, তবে এটি অনেক পেশাকে বাঁচিয়ে রাখত, যেমন- পশু চিকিৎসক, পশু খামারি, গোবর বা জৈব সারের ওপর নির্ভরশীল কৃষক, কসাই এবং রেস্তোরাঁ মালিকরা এর সুবিধা পেতেন। কিন্তু ইসরায়েল তা চায় না। তারা সমাজকে পঙ্গু করে দিতে চায় এবং একে স্বাবলম্বী হওয়া থেকে বিরত রাখতে চায়।’সূত্র: মিডল ইস্ট আই

২ কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২ কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ১৮টি উপজেলার যেসব এলাকায় প্রথম ধাপে টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণের হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন।সোমবার (২৫ মে) সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।এ সময় হাম সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাইছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যদি ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাবো? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না।তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মায়ের বুক যেন সন্তান হারানোর বেদনায় খালি না হয়, তা নিশ্চিত করা।এর আগে মন্ত্রী কুমিল্লার সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন। খাবারের মান যাচাই করেন। এ ছাড়াও রোগীদের বিভিন্ন অভিযোগের কথা শোনেন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।এ সময় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন হামে আক্রান্ত হয়ে এবং ১৬ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ জনে।সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৫৮ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া উপসর্গ নিয়ে ঢাকায় ৬ জন, সিলেটে ৩ জন, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরিশালে ২ জন করে এবং ময়মনসিংহে একজন মারা গেছে।এ সময়ে নতুন করে ৯৭ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এতে দেশে মোট নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭১৯ জনে।একই সময়ে ১ হাজার ১২৭ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৪ হাজার ৯৪০।

  • কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

    কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

  • সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনই হচ্ছে না, যা জানালো ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনই হচ্ছে না, যা জানালো ইরান

  • জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি

    জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি

  • ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা: রেলমন্ত্রী

    ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা: রেলমন্ত্রী

  • শুরু হলো হজের আনুষ্ঠানিকতা

    শুরু হলো হজের আনুষ্ঠানিকতা

সব খবর

সব খবর

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শুরুর দিনে চার কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মু. তানভীর হাসান রুমান স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়।প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির উদ দৌলাকে সচিব পদোন্নতি দিয়ে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াকে একই মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীকে সচিব পদোন্নতি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংষ্কার সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় বিলুপ্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আবারো আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি।সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর উপর হামলা, এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।সরকারদলীয় আদেশের অপেক্ষায় থেকে পুলিশ আবারো আওয়ামী লীগের পেটোয়া বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে—এমন দাবি করে সব জায়গায় দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, মেধাকে পাশ কাটিয়ে দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরিন ইরা, ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ হাসান, দক্ষিণাঞ্চলীয় সংগঠক আকরাম হোসেন রাজসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা শোভনীয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে এনসিপির সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা এনসিপি যেমন রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপিও একইভাবে দেখছে। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, সেটি কেউ কামনা করে না এবং শোভনীয়ও নয়।’সোমবার (২৫ মে) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা সংশ্লিষ্ট যেসব বিচারিক আদালত রয়েছে, সে আদালতগুলো ছুটির বাইরে রাখার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেই আদালতগুলো খোলা থাকবে।’ রামিসা হত্যা মামলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা হত্যা মামলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি জবানবন্দি দিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে মামলাটির চার্জশিট হয়েছে। ১ জুন থেকে রামিসার বিচার শুরু হচ্ছে। মামলাটি বিচারের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে গিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হবে আশা করা যায়।’প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পুরোনো কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীনসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের পাঁচ জন আহত হন। পরে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ আট জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছিলেন এনসিপি নেতা তারেক রেজা। তার মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১১০-১১৫ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় শনিবার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মো. এনামুল কবির পাল্টা মামলা করেন। ওই মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজাকে রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) সকালে তিনি জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন।

চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪

চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪

পুরান ঢাকার চকবাজারের কামালবাগ এলাকায় চুরির অভিযোগ তুলে ইউনূস নামে এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।সোমবার (২৫) চকবাজার থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে চকবাজার থানার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধান আসামিদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগেও চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন একই কথা বলেছিলেন। জানা যায়, শুক্রবার (১৬ মে) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারের দাবি, শুক্রবার সকালে কয়েকজন ব্যক্তি ইউনূসকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে একটি পলিথিন গোডাউনে আটকে রাখেন। সেখানে চুরির মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার হাত-পা বেঁধে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। নিহতের স্ত্রী সাবিনা বেগম বলেন, তার স্বামী কোনো অপরাধ করেননি। পরিকল্পিতভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি প্রধান আসামি প্লাস্টিক ব্যবসায়ী খোরশেদ ও চানাচুর ব্যবসায়ী বাবুলকে দ্রুত গ্রেফতারের আহ্বান জানান।

দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার যা করছে

দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার যা করছে

দেশের আকাশসীমা, ভূখণ্ড ও সমুদ্রসীমার সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গণতান্ত্রিক সরকার দৃঢ়, আপসহীন ও সাহসী অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের ১০০ দিন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। মাহদী আমিন বলেন, “অত্যাধুনিক ‘গ্রাউন্ড মাস্টার-৪০০’ রাডার এখন ঢাকা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার এবং বঙ্গোপসাগরে ৮৩৩ কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দিনরাত নজরদারিতে রাখছে। এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ‘ফ্লাইং ওভার চার্জ’ থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আহরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় ড্রোন, অ্যান্টি-ড্রোন ও মাইন ডিটেক্টর স্থাপনের মতো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত গৃহীত হচ্ছে।” সীমান্তে বিজিবির শক্ত ও সার্বভৌম অবস্থান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিরই বাস্তব প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা

ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।সোমবার (২৫ মে) সংগঠনটির ঢাবি শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিজ্ঞপ্তিতে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।এর আগে দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ হলের এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের তিন নেতা ও এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী অভয় কুমার সিংহ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন তার জুনিয়র এবং একজন ব্যাচমেট বলে জানা গেছে।অভিযুক্তরা হলেন— জগন্নাথ হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ঝলক দাস, চন্দন দাস, রিপন এবং কর্মী সাগর। ঘটনার পর অভিযুক্তদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ছাত্রদল।যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, এ হামলা শুধু একজন শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ঘটনা নয়; এটি ক্যাম্পাসে ভয়ভীতি, গেস্টরুম সংস্কৃতি ও সন্ত্রাসভিত্তিক রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত। হামলার পর দলীয় পরিচয় প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগীর ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তারা।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি, হলকেন্দ্রিক দখলদারিত্ব ও ভিন্নমত দমনের রাজনীতি শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে সেই পুরোনো প্রবণতা আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে বলেও দাবি করেন শিবির নেতারা।তারা অভিযোগ করেন, অতীতের বিভিন্ন ঘটনায় দৃশ্যমান বিচার না হওয়ায় দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা অভিযুক্তদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। রাজনৈতিক চাপ ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনাও করা হয় বিবৃতিতে।ছাত্রশিবির নেতারা অবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, জগন্নাথ হলে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আহত শিক্ষার্থীর যথাযথ চিকিৎসার দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা বলেন, এ ঘটনার বিচার বাধাগ্রস্ত হলে ক্যাম্পাসে আরও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

ট্রাফিক জরিমানার ভুয়া এসএমএস নিয়ে ডিএমপির সতর্কবার্তা

ট্রাফিক জরিমানার ভুয়া এসএমএস নিয়ে ডিএমপির সতর্কবার্তা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ট্রাফিক জরিমানা সংক্রান্ত ভুয়া এসএমএস নিয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বলছে, সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তি ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের নামে যে এসএমএস পাচ্ছেন, সেগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও অসত্য।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ লঙ্ঘনের ঘটনায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দিলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বা ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানায় পাঠানো হয়।ডিএমপি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে কেবল ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হয়ে থাকে। এ ছাড়া ট্রাফিক বিভাগের জরিমানার অর্থ অনলাইন ব্যাংকিং ‘উপায়’ ও সিবিবিএল-এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কখনোই কোনো ব্যক্তির কাছে পিন কোড, পাসওয়ার্ড বা ওটিপি জানতে চায় না। প্রয়োজনে ট্রাফিক এআই বা ভিডিও মামলাসংক্রান্ত তথ্যের জন্য নির্ধারিত নম্বর অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক বার্তায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।

যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে জঙ্গল সলিমপুর, আটক ২৫

যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে জঙ্গল সলিমপুর, আটক ২৫

র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে হামলার ঘটনার পর যৌথ বাহিনীর অভিযান শেষে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-৭। অভিযানে এ পর্যন্ত ২৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।সোমবার (২৫ মে) দুপুরে বিষয়টি জানান র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান।তিনি জানান, রোববার (২৪ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে প্রায় ৩০০ সন্ত্রাসী অতর্কিতে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং বুলডোজার দিয়ে ক্যাম্পের দেয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভাঙচুর করে।র‌্যাব অধিনায়ক বলেন, হামলায় জঙ্গল সলিমপুরে দুর্গ গড়ে তোলা ইয়াসিন বাহিনী অংশ নেয়। এ সময় ‘ক্যাম্পে থাকা প্রায় ১৫০ র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পরে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করা হয়।তিনি আরও বলেন, হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য অন্তত চারটি স্থানে রাস্তা ও কালভার্ট কেটে দেয় হামলাকারীরা। ফলে সদস্যদের গাড়ি অনেক দূরে রেখে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে যেতে হয়।লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান জানান, হামলার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত ২৫ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তিনি দাবি করেন, সন্ত্রাসী ইয়াসিন বাহিনী পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। তবে অভিযানের একপর্যায়ে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য গুরুতর আহত হননি বলেও জানান তিনি।উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোডসংলগ্ন সীতাকুন্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুরে সরকারি খাসজমি রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠন ওই জমি দখল করে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে সেখানে।প্রায় তিন দশক ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি দখল করে সন্ত্রাসীরা পাহাড় কেটে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করেছে। এসব সন্ত্রাসীরা দেশের জলবায়ু উদ্বাস্তুদের স্বল্পমূল্যে পাহাড়ে ঘর করার সুযোগ করে দিত। আর নিজেরা গড়ে তুলেছে অস্ত্র এবং মাদকের সাম্রাজ্য। বর্তমানে এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস।ভূমিদস্যু ও অপরাধী গোষ্ঠীর আস্তানা হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুরকে রাষ্ট্রের ভেতর আরেক রাষ্ট্র’ বলেও উল্লেখ করেন স্থানীয়রা। সেখানে সক্রিয় কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম হলো মো. ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন ইয়াসিন বাহিনী।যারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সীতাকুন্ড আসনের সাবেক এমপি দিদারুল আলম দিদার ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এক নেতার মদদপুষ্ট। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতীতে একাধিকবার অভিযান চালালেও পুরো এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি।চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় র‌্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভুঁইয়া নিহত হন। আহত হন আরও তিন সদস্য। এরপর ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবির প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্য একযোগে অভিযান চালিয়ে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।পরে সেখানে যৌথবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। ওই এলাকায় কারাগার স্থানান্তরসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে সরকার। রোববার রাতের হামলায় সেই ক্যাম্পের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

ছুটির দিনে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শুরুর দিনে চার কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মু. তানভীর হাসান রুমান স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়।প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির উদ দৌলাকে সচিব পদোন্নতি দিয়ে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াকে একই মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মীকে সচিব পদোন্নতি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংষ্কার সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪

চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪

কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি ছাড়িয়েছে টোল আদায়

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি ছাড়িয়েছে টোল আদায়

দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার যা করছে

দেশের আকাশ ও সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার যা করছে

ট্রাফিক জরিমানার ভুয়া এসএমএস নিয়ে ডিএমপির সতর্কবার্তা

ট্রাফিক জরিমানার ভুয়া এসএমএস নিয়ে ডিএমপির সতর্কবার্তা

সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন  এডিবি প্রেসিডেন্ট

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এডিবি প্রেসিডেন্ট

পাকিস্তানে বোমা হামলায় প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রীর শোক

পাকিস্তানে বোমা হামলায় প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রীর শোক

চীনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

চীনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’

গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’

ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প

ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনই হচ্ছে না, যা জানালো ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি এখনই হচ্ছে না, যা জানালো ইরান

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কেনার আগ্রহ ভারতের

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কেনার আগ্রহ ভারতের

ইরান আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অন্য পথে’ যাবে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরান আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অন্য পথে’ যাবে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা

ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।সোমবার (২৫ মে) সংগঠনটির ঢাবি শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিজ্ঞপ্তিতে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।এর আগে দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ হলের এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের তিন নেতা ও এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী অভয় কুমার সিংহ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন তার জুনিয়র এবং একজন ব্যাচমেট বলে জানা গেছে।অভিযুক্তরা হলেন— জগন্নাথ হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ঝলক দাস, চন্দন দাস, রিপন এবং কর্মী সাগর। ঘটনার পর অভিযুক্তদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ছাত্রদল।যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, এ হামলা শুধু একজন শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ঘটনা নয়; এটি ক্যাম্পাসে ভয়ভীতি, গেস্টরুম সংস্কৃতি ও সন্ত্রাসভিত্তিক রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত। হামলার পর দলীয় পরিচয় প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগীর ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তারা।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি, হলকেন্দ্রিক দখলদারিত্ব ও ভিন্নমত দমনের রাজনীতি শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে সেই পুরোনো প্রবণতা আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে বলেও দাবি করেন শিবির নেতারা।তারা অভিযোগ করেন, অতীতের বিভিন্ন ঘটনায় দৃশ্যমান বিচার না হওয়ায় দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা অভিযুক্তদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। রাজনৈতিক চাপ ও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনাও করা হয় বিবৃতিতে।ছাত্রশিবির নেতারা অবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, জগন্নাথ হলে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আহত শিক্ষার্থীর যথাযথ চিকিৎসার দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা বলেন, এ ঘটনার বিচার বাধাগ্রস্ত হলে ক্যাম্পাসে আরও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেপ্তার

এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেপ্তার

কোন ফাইলে অনিয়ম হয়েছে তা প্রকাশ করতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

কোন ফাইলে অনিয়ম হয়েছে তা প্রকাশ করতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে আসিফ মাহমুদের চ্যালেঞ্জ

তারেক রহমানের প্রতিটি পদক্ষেপ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ড.খন্দকার মারুফ

ক্যান্সারে আক্রান্ত মিজানকে অর্থ সহায়তা তারেক রহমানের প্রতিটি পদক্ষেপ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ড.খন্দকার মারুফ

আপনারা ভায়োলেন্স বেছে নিলে, আমরাও বাধ্য হব: আসিফ

আপনারা ভায়োলেন্স বেছে নিলে, আমরাও বাধ্য হব: আসিফ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

গাজীপুরে বিএনপি নেতাকে টর্চার সেলে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ

গাজীপুরে বিএনপি নেতাকে টর্চার সেলে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা শোভনীয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে এনসিপির সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা এনসিপি যেমন রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপিও একইভাবে দেখছে। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, সেটি কেউ কামনা করে না এবং শোভনীয়ও নয়।’সোমবার (২৫ মে) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা সংশ্লিষ্ট যেসব বিচারিক আদালত রয়েছে, সে আদালতগুলো ছুটির বাইরে রাখার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেই আদালতগুলো খোলা থাকবে।’ রামিসা হত্যা মামলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা হত্যা মামলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি জবানবন্দি দিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে মামলাটির চার্জশিট হয়েছে। ১ জুন থেকে রামিসার বিচার শুরু হচ্ছে। মামলাটি বিচারের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে গিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হবে আশা করা যায়।’প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পুরোনো কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নাসীরুদ্দীনসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্রদলের পাঁচ জন আহত হন। পরে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ আট জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছিলেন এনসিপি নেতা তারেক রেজা। তার মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১১০-১১৫ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় শনিবার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মো. এনামুল কবির পাল্টা মামলা করেন। ওই মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজাকে রবিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) সকালে তিনি জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন।

সাভারে পোশাককর্মীকে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ গুমের চেষ্টার দাবি

সাভারে পোশাককর্মীকে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ গুমের চেষ্টার দাবি

সাভারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

সাভারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে জঙ্গল সলিমপুর, আটক ২৫

যৌথবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে জঙ্গল সলিমপুর, আটক ২৫

জামিনে মুক্তি জেল গেটেই ফের আটক জেলা আ.লীগ নেতা সিরাজুল হক

জামিনে মুক্তি জেল গেটেই ফের আটক জেলা আ.লীগ নেতা সিরাজুল হক

নেত্রকোনার সাতপাইয়ের কুখ্যাত চোর পাখি গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার সাতপাইয়ের কুখ্যাত চোর পাখি গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণের দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

শিশু ধর্ষণের দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়লো বাংলাদেশের মেয়েরা

বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়লো বাংলাদেশের মেয়েরা

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে দেশে ছেড়েছে বাংলাদেশ নারী দল। ২৪ মে রোববার দিবাগত রাতে লন্ডনের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে টাইগ্রেসদের প্রথম বহর। প্রথম ধাপে ১৩ জন গেছেন। শেষ ধাপে বাকী ১৩ জন দেশ ছাড়বেন। বিশ্বকাপের আগে সেখানে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা। দেশ ছাড়ার আগে রোববার (২৪মে) সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি জানিয়েছেন ভালো প্রস্তুতি হয়েছে তাদের।জ্যোতি বলেন, ‘আমাদের শেষ পর্যায়ের যে প্রস্তুতিটা হয়েছে, মিরপুরে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, ভালো অনুশীলন হয়েছে, এগুলো আমাদের জন্য ভালোই ইমপ্যাক্টফুল ছিল আমি বলব। শ্রীলঙ্কা সিরিজের প্রস্তুতিতে আমাদের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দুই ফরম্যাট মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। সেই সিরিজে ফল আমাদের পক্ষে না আসলেও কিছু প্লেয়ারের ভালো পারফরম্যান্স ছিল। যেগুলো দলকে অনেক বেশি বুস্ট আপ করেছে।’ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলা প্রসঙ্গে জ্যোতি বলেছেন, ‘স্কটল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে যাব, এটা অনেক বড় সুযোগ। আমাদের দল কতটা ভালো খেলবে বিশ্বকাপে এবং কীভাবে ম্যাচ জিতবে, সেটা যাচাইয়ের ভালো সুযোগ ছিল।

খেলাবান্ধব পরিবেশই সমাজের গুণগত পরিবর্তন আনবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

খেলাবান্ধব পরিবেশই সমাজের গুণগত পরিবর্তন আনবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

‘ব্রুনো ফার্নান্দেজ'-প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড়

‘ব্রুনো ফার্নান্দেজ'-প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড়

থমাস ডুলি বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ নিযুক্ত

থমাস ডুলি বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন কোচ নিযুক্ত

ঐতিহাসিক জয়ে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের  হোয়াইটওয়াশ

ঐতিহাসিক জয়ে পাকিস্তানকে বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

মুশফিকের ব্যাটে এক দিনে দুই ইতিহাস

মুশফিকের ব্যাটে এক দিনে দুই ইতিহাস

শিল্পী সমিতির নির্বাচন: কমিশনার লিপু, আপিল বোর্ডে ছটকু আহমেদ

শিল্পী সমিতির নির্বাচন: কমিশনার লিপু, আপিল বোর্ডে ছটকু আহমেদ

নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির সঙ্গে জায়েদ খান, যা জানা গেলো

নিউইয়র্ক মেয়র মামদানির সঙ্গে জায়েদ খান, যা জানা গেলো

ফেসবুকে একটি পোস্টার, আর তাতেই শোরগোল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ঢাকাই সিনেমার আলোচিত-সমালোচিত অভিনেতা জায়েদ খান এবার হাজির হচ্ছেন সম্পূর্ণ নতুন এক চমক নিয়ে। সবাইকে চমকে দিয়ে তিনি জানালেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানি অভিনয় করেছেন তার সঙ্গে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে!শুক্রবার (২৩ মে) রাতে জায়েদ খান তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার শেয়ার করে নেটিজেনদের মাঝে তুমুল কৌতূহলের সৃষ্টি করেন। পোস্টারটিতে দেখা যায়, বেশ চনমনে ভঙ্গিতে জায়েদ খানের কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি।ক্যাপশনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জায়েদ খান লেখেন– আসলে কি হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার!জানা গেছে, তারা দুজন একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড-২’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। জন কবির ও সাদ আল আমীনের যৌথ পরিচালনায় এই প্রজেক্টটি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন সংগ্রাম, সাফল্য ও নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।এর আগে গত মার্চ মাসে এই সিরিজের প্রথম পর্বটি মুক্তি পেয়েছিল, যা প্রবাসীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। এবার দ্বিতীয় পর্বে জায়েদ খানের সঙ্গে খোদ নিউইয়র্কের মেয়রের উপস্থিতি প্রজেক্টটিতে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা।দর্শক ও ভক্তদের আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না। আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ঠিক ৯টায় ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে একযোগে মুক্তি পাবে ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ এপিসোড-২’।নিউইয়র্কের মেয়রের সঙ্গে জায়েদ খানের এই রসায়ন পর্দায় কেমন জমে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আছেন দর্শক ও নেটিজেনরা।

ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং বাংলা কনটেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লেখালিখির যৌথ উদ্যোগে “স্টোরি টু স্ক্রিনপ্লে: ফ্রম আইডিয়া টু সিনেমা (চিন্তা থেকে চিত্রনাট্য: বড় পর্দার ভাষা শেখা)” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার আয়োজিত এ কর্মশালায় চলচ্চিত্রপ্রেমী ও গল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজন জুড়ে আলোচনা করা হয় কীভাবে একটি সাধারণ ধারণাকে ধাপে ধাপে দৃশ্য, ঘটনা এবং পূর্ণাঙ্গ চিত্রনাট্যে রূপ দেওয়া যায় এবং তা দর্শক উপযোগী করে তোলা সম্ভব।কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল একটি এক লাইনের ভাবনাকে প্রথমে ধারণা, পরে দৃশ্য এবং শেষে পূর্ণাঙ্গ গল্পে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী সরকার এবং পরিচালক ফারহানা রহমান।মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল এ ধরনের উদ্যোগের সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কর্মশালা আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।পরিচালক ফারহানা রহমান বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করেন।প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, এ ধরনের সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি সাংস্কৃতিক উদ্যোগে তরুণ ও আগ্রহীদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব।কর্মশালার প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন তানভীর চৌধুরী। তিনি বলেন, গল্প লেখা ও চিত্রনাট্য নির্মাণ শেখার প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক।গল্পের নৈতিকতা ও নীতিগত দিক নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন লেখালিখির উদ্যোক্তা সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা। তিনি জানান, ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও বিস্তৃত পরিসরে এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকৃত শিল্পী হওয়ার লড়াইয়ে অভিনেতা বাঁধন খান

প্রকৃত শিল্পী হওয়ার লড়াইয়ে অভিনেতা বাঁধন খান

অভিনয়শিল্পী বাঁধন খাঁন। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করেছেন। এখন পুরোদস্তুর অডিও ভিজ্যুয়াল মাধ্যমের নিয়মিত অভিনয়শিল্পী। সিনেমা, টেলিভিশন নাটক ও ওটিটি ফিল্মে সমানতালে অভিনয় করে চলেছেন। সংস্কৃতিমনা মানুষ তরুণ বাঁধন খান প্রকৃত শিল্পী হতে চান। শিল্পী হওয়ার লড়াইয়ে তিনি সিদ্ধহস্ত।দীর্ঘদিন ধরে তিনি টেলিভিশন নাটক, ধারাবাহিক, ওয়েব ফিল্ম, ওটিটি কনটেন্ট, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপন ও সিনেমায় অভিনয় করছেন। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। সম্প্রতি জনপ্রিয় সিনেমা তুফান, তাণ্ডব ও সুরঙ্গতেও অভিনয় করেছেন। অভিনয় করেছেন টান, নিঃশ্বাস, হরিজন পল্লী, ইনফিনিটি টু, নীলচক্র ও ইনসাফ সিনেমায়ও। তিনি সর্বশেষ আঁন্ধার ও মাটি নামের দুটি সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি আঁকা ও এলেন সপন নামের ওটিটি ফিল্মেও অভিনয় করেছেন। টিভি ফিকশন ও ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে তিনি অভিনয় করেছেন বুক ভরে নিঃশ্বাস ও ক্যাম্পাস-এ। প্রাণ, আকিজ ও সেন্টার ফ্রুট সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন।তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশ ও মায়ের অনুপ্রেরণায় তার অভিনয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা তৈরি হয়। তিনি জানান, থিয়েটারের মধ্য দিয়ে তার অভিনয় জীবনের স্বপ্নযাত্রা শুরু।বাঁধন খাঁন বিশ্বাস করেন, একজন শিল্পীর কাজ শুধু বিনোদন দেওয়া নয়; বরং সমাজ, দেশ ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখা। আগামীতে তিনি নিজেকে একজন প্রকৃত শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলে দর্শকদের আরও ভালো ও অর্থবহ কাজ উপহার দিতে চান। তিনি এমন কাজ করতে আগ্রহী, যা বিনোদনের পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

কঙ্গনা রানাউত বিবাহিত নারীদের ‘হিরো’ হওয়ার টিপস দিলেন

কঙ্গনা রানাউত বিবাহিত নারীদের ‘হিরো’ হওয়ার টিপস দিলেন

বিবাহিতা নারীদের উপর হওয়া নারকীয় অত্যাচারের বর্ণনা শুনলে যে কাউকে শিউরে উঠতে হয়! ধর্ম-বর্ণ কিংবা শ্রেণি নির্বিশেষে এই ব্যাধি যেন ক্রমেই জেঁকে বসছে সমাজে। এই ইস্যুতে এবার নারীদের পরামর্শ দিলেন ভারতের সংসদ সদস্য ও বলিউড নায়িকা কঙ্গনা রানাউত।কঙ্গনা বরাবরই পিতৃতন্ত্রে ছক ভাঙার উদাহরণ গড়েছেন। বলিউডের খান-কাপুর হোক কিংবা রাজনীতির ময়দানে ডাকসাইটে ব্যক্তিত্ব, স্পষ্ট কথায় কাউকে ধরাশায়ী করতে কোনো সময়ই পিছপা হন না তিনি।এবার বিবাহিত নারীদের উপর বাড়তে থাকা নির্যাতনের হার নিয়ে সরব কঙ্গনা। গতকাল মঙ্গলবার উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বিবিবাহিত নারীদের নিয়ে নিত্যদিন কত খবর প্রকাশ্যে আসে। শিক্ষিত মেয়েরা অনেকেই হয়তো দমবন্ধ হয়ে আসা পরিবেশ থেকে উদ্ধার পেতে বাবা-মায়ের কাছে আকুতি করে। কিন্তু এই অসভ্য ভারতীয় সমাজের ইতিহাস রয়েছে বিবাহিত মেয়েদের পরিত্যক্ত করে দেওয়ার।’এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নারীরা কীভাবে নিজেদের রক্ষা করবেন, তার জন্য একটি জরুরি পরামর্শও দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। কঙ্গনার কথায়, ‘নারীদের আমি যে পরামর্শ দিচ্ছি, সেটা কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ডেটিং অ্যাপ দেবে না। আপনারা নিজেদের পেশা বা ক্যারিয়ারকে বেশি গুরুত্ব দিন। আপনাদের জীবনের যে কোনো মানুষ গুরুত্বপূর্ণ হতেই পারে। তবে সেটা যেন পেশাকে ছাপিয়ে না যায়।’এরপরেই মেয়েদের বিয়ে ও স্বাবলম্বী হওয়া প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘পুরোপুরি স্বাবলম্বী হওয়ার পরেই বিয়ের কথা ভাবুন। মনে রাখবেন, নিজেদের ‘হিরো’ বা রক্ষাকর্তা হিসেবে নিজেকেই এগিয়ে আসতে হবে। বাইরে থেকে কেউ আপনাদের উদ্ধার করতে আসবে না। আর স্বাবলম্বী হওয়াটা আপনার নিজস্ব পরিচয়। যেভাবে জীবনে বাঁচতে চান, নিজেদের জন্য ঠিক তেমন জীবনই গড়ে তুলুন।’

কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতো: বাবা কায়সার হামিদ

কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতো: বাবা কায়সার হামিদ

কারিনার রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে বাবা সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ বলেছেন, ‘কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে কথা বলতো এবং ভিডিও বানাতো।’১৭ মে রবিবার ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে পৌঁছে। বিকেল ৫টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন তার বাবা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। এরপর বাদ মাগরিব রাজধানীর বনানীর ডিওএইচএস মাঠে কারিনার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কায়সার হামিদ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে কারিনাকে জনপ্রিয় করে তোলে। মেয়ের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে কায়সার হামিদ বলেন, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কারিনাকে যে এতো মানুষ ভালোবাসে এটা আমার জানা ছিল না। তার প্রতি দেশের মানুষের ভালোবাসা দেখে আমার গর্ব হচ্ছে।’এরপর মেয়ের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন কায়সার হামিদ। তিনি বলেন, ‘কারিনা কোনো রাজনৈতিক দল সাপোর্ট করতো না বা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে কথা বলতো এবং ভিডিও বানাতো।’এর আগে রোববার রাতে ঢাকা শহীদ মিনারে তার তৃতীয় জানাজা শেষ হয়। আজ সোমবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কারিনার নানা বাড়ির আঙ্গিনায় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।প্রসঙ্গত, লিভারজনিত জটিলতায় কয়েক দিন ধরেই সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয় তাঁকে। পরে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চলছিল তাঁর চিকিৎসা। চিকিৎসকেরা শুরুতে তাঁর ফুসফুসের চিকিৎসা চালিয়ে যান। একই সঙ্গে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। পাশাপাশি হেপাটাইটিস এ ও ই–জনিত জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়েও ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। পরে ধীরে ধীরে নাটক ও ওটিটির জগতেও নিজের অবস্থান তৈরি করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কারিনার মরদেহ। লাশ গ্রহণ করেছেন তার বাবা সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ।আজ রোববার (১৭ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লাশবাহী গাড়ি বনানীর বাড়ির পথে রওনা হয়েছে।লিভার সংক্রান্ত জটিলতার সঙ্গে লড়াই করে মারা যান জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার। ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার মৃত্যু হয় তার।বাদ মাগরিব রাজধানীর বনানীর ডিওএইচএসে কেন্দ্রীয় মসজিদে কারিনার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।এরপর বাদ এশা বনানী দরবার শরিফে হবে দ্বিতীয় জানাজা। একই দিন রাত ১০টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ নেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সোমবার বাদ ফজর মুন্সিগঞ্জের আবদুল্লাহপুরে কারিনার মায়ের দেয়া মসজিদের জায়গার পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে কারিনা কায়সারকে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত, পরে শরীরে সংক্রমণ ছড়ানোর পাশাপাশি হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চেন্নাই নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেছিলেন এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে চলে গেলেন এই তরুণ প্রতিভা।কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে চরকি অরিজিনাল সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’, ‘৩৬-২৪-৩৬’।

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৫ দিনের ছুটি শুরু

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৫ দিনের ছুটি শুরু

আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

ভাষা সংবেদনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন অবস্থানপত্র প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল

ভাষা সংবেদনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নতুন অবস্থানপত্র প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল

লন্ডনে এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরামে শিক্ষামন্ত্রী

লন্ডনে এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরামে শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

প্রাথমিকের বৃত্তির ফলাফল ঈদের পর

পরিমার্জন হচ্ছে পাঠ্যবই, প্রকৃত ইতিহাস  ফিরছে: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

পরিমার্জন হচ্ছে পাঠ্যবই, প্রকৃত ইতিহাস ফিরছে: এনসিটিবি চেয়ারম্যান

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভিসি নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন যারা

আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বেড়েছে সোনার দাম

বেড়েছে সোনার দাম

ঈদের আগে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।২৫ মে সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এক জরুরি সভায় নতুন দর নির্ধারণ করে। নতুন দামে ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরিপ্রতি মূল্যও সমন্বয় করা হয়েছে।একই সঙ্গে রূপার দামেও নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই দাম কার্যকর থাকবে।

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

কৃষি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন

কৃষি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম সংগঠন “প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস)”–এর ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ১৭ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।নতুন কমিটিতে ডিবিসি নিউজ ও ডেইলি অবজারভারের আরব আমিরাত প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম তালুকদার পুনরায় সভাপতি এবং বাংলা টিভি ও সিপ্লাস টিভির প্রতিনিধি এম. আব্দুল মান্নান পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি নাসিম উদ্দিন আকাশ (দৈনিক সূর্যোদয়), সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ছালাহউদ্দিন (দৈনিক ইনকিলাব), সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন সিকদার (বিবিসি একাত্তর), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির উদ্দিন মান্না (প্রবাসের প্রহর), দপ্তর সম্পাদক মইনুল ইসলাম তালুকদার (ডিবিসি নিউজ, আবুধাবি), প্রচার সম্পাদক ওবায়দুল হক মানিক (৫২ টিভি), সহ-প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম (বঙ্গ টিভি), অর্থ সম্পাদক ওবায়দুল হক (দৈনিক দেশকাল), সহ-অর্থ সম্পাদক নুরুল্লাহ শাহজাহান খান (কে টিভি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুব সরকার (বিশ্ব বাংলা টিভি), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাহেদ ছরোয়ার (কলম টিভি, কলম বিডি নিউজ)।এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ আলী রেজা (ঢাকা গেজেট), আব্দুল মান্নান (চট্টগ্রাম মঞ্চ), আলী রশিদ (নিউজ ২৪ চট্টগ্রাম), মো. আরমান চৌধুরী (দৈনিক আমার সময়) এবং আরশাদুল হক (দৈনিক সূর্যোদয় দুবাই)।সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে অসহায় ও সমস্যাগ্রস্ত প্রবাসীদের পাশে থেকে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাড়িতে পৌঁছেছে ওমানে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ, পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে কবর

বাড়িতে পৌঁছেছে ওমানে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ, পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে কবর

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় বাংলাদেশী, নিজেই খবর দিলেন পুলিশে

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যায় বাংলাদেশী, নিজেই খবর দিলেন পুলিশে

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

সুন্দরবনঘেঁষা গ্রাম টেপাখালী। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ওপারেই গহীন অরণ্য। ভৌগলিক অবস্থানে গ্রামটি খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায়। তাই এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্কটা অনেকটা আত্মিক। কেউ মৌসুমে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের কাজ করেন। কেউ বা মাছ ধরে কিংবা কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। তবে এবার শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ধরে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়লো ভিন্ন কিছু। নদীর জেগে ওঠা চরে সারিবদ্ধভাবে লাগানো ছোট ছোট গাছ। ব্যতিক্রম এই অর্থে যে সাধারণত লোনাপানির চরে সুন্দরবনের গাছ ছাড়া অন্য কোনো গাছ-গুল্ম জন্মায় না। তবে এভাবে সুন্দরবনে পরিকল্পিত চারা লাগানোর দৃশ্য স্থানীয়ভাবে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণে সরেজমিনে দেখা গেছে, চরের একটি অংশ বাঁশ ও জাল দিয়ে ঘেরা। ভেতরে পলিব্যাগে সারি সারি সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছের চারা। ছোট্ট পরিসরের একটি নার্সারি। নদীতে জোয়ার ওঠা শুরু করেছে। চারাগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার আগে ছবি তুলতে গিয়ে নজর কাড়েন এক নারী, যিনি জালের ঘেরের ভেতরে ঢুকে চারাগাছের পরিচর্যা করছেন। তার নাম বাসন্তি মুন্ডা (৫০)। নিজের নার্সারির পাশে দাঁড়িয়ে নতুন বাস্তবতার কথা এই প্রতিবেদককে বলছিলেন তিনি। ‘নিজেরাই কয়জন মিলে (নারী) এই গাছ লাগাইছি,’ বলছিলেন বাসন্তি। তিনি জানালেন, এই চরে কেওড়া, খলিশা, কাঁকড়া ও বাইন—চার ধরনের সুন্দরবনের গাছের চারা তৈরি হয়। গোলপাতার চারা তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল, তবে বীজ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি। ‘তবে কয়েক দিনের মধ্যে গোল ফল সংগ্রহ করে সেই চেষ্টাও করা হবে,’ যোগ করেন বাসন্তির সঙ্গে কাজ করা আরেক নারী মনিকা মুন্ডা। বাসন্তী ছাড়াও নতুন এই উদ্যোগে আরও কয়েকজন নারী যুক্ত আছেন। তারা সবাই একে অপরের প্রতিবেশী। এরা হলেন- মনিকা, রিতা, কমলা মণ্ডল ও সমলা। প্রথম দিকে অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, এভাবে চারা হবে কী না? তবে বাসন্তীর বিশ্বাস ছিল, হবে। তার ভাষায়, ‘বাড়ির পাশে নদীর চরে পইড়ে থাকা বীজ থেইকে তো চারা গজায় দেখি। সেই ভরসাতেই চেষ্টা করিছি, ফলও হয়েছে।’চারা তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে বাসন্তী জানালেন, প্রথমে বাঁশ দিয়ে চারপাশ ঘিরে জাল টাঙানো হয়, যাতে ছাগল বা অন্য পশু ঢুকতে না পারে। এরপর ছোট ছোট জায়গা ভাগ করে প্রতিটি লাইনে ২০ থেকে ২৫টি পলিব্যাগ সাজিয়ে তাতে চরের মাটি ভরা হয়। তারপর নদীতে ভেসে আসা সুন্দরবনের ফল সংগ্রহ করে পলিব্যাগে বসানো হয়। সেখান থেকে বের হয়েছে নতুন চারা।তবে এই উদ্যোগের বিষয়টি বাসন্তির মাথায় ধরিয়ে দেয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। আত্মবিশ্বাসী বাসন্তি বলেন, একদিন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলাম। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন এনজিওকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমায় গ্রামের কয়েকজন নারীর সঙ্গে মিলে নদীর চরে সুন্দরবনের গাছের চারা উৎপাদনের প্রস্তাব দেন এবং বলেন তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে। বদৌলতে সংস্থাটি প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং চারা বড় হলে প্রতিটি চারা ১০ টাকা দরে কিনে নেওয়ার কথাও বলে।‘বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগলো। আমি প্রাথমিকভাবে বাড়ি এসে প্রতিবেশী কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলি। তারা আমার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ দেখায়। আর সেখান থেকেই শুরু।’নার্সারীতে কাজ করে স্বাবলম্বী বাসন্তিরা। তার স্বামী দীপঙ্কর মুন্ডা কাজের খোঁজে ইটভাটায় গেছেন এলাকার বাইরে। বাসন্তি তিন বছরের মেয়ে তনুশ্রীকে নিয়ে নদীর চরের পাশে একটি ছোট্ট ঝুপড়িতে থাকেন। নদীর চরের নার্সারি পরিচর্যার পাশাপাশি কখনও সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরেন, কখনও দিনমজুরি করেন। মজুরি কত পান- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পুরুষেরা এক বেলা কাজ করলি ৪০০ টাকা পায়। আমরা একই কাজ করে পাই ৩০০ টাকা। যেদিন কাজ না পাই, সেদিন সুন্দরবনে যাই কাঁকড়া ধরতি। আগে বাঘের ভয় লাগত, এখন ভয় করে ডাকাইতের। বনে ডাকাইত না থাকলি শান্তিতে থাকতি পারতাম।’জানা যায়, বাসন্তিদের এই নার্সারী উদ্যোগে সহযোগিতা করছে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটির কয়রা উপজেলা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানালেন, নদীর চরে বনায়নের একটি প্রকল্পের জন্য বিপুলসংখ্যক চারা প্রয়োজন। কিন্তু বাণিজ্যিক নার্সারিগুলো এসব ম্যানগ্রোভ গাছের চারা উৎপাদন করে না। তাই স্থানীয় নারীদের সম্পৃক্ত করে সুন্দরবনের ভেসে আসা ফল থেকে চারা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‘সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল স্থানীয় লোকজন শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার অনেক সময় চারা গবাদিপশু খেয়ে ফেলে। তাই নদীর চর ও বেড়িবাঁধের পাশে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সংরক্ষণ জরুরি,’ যোগ করেন তিনি। নুরুজ্জামানের ভাষ্য, মূলত এই লক্ষ্যে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদীতীরবর্তী প্রায় ৭৪ হেক্টর জমিতে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।মনিকা মুন্ডা বলেন, আগে দিনভর কাঁকড়া ধরতাম। এখন কাঁকড়া ধরি আবার চারা লাগানোর কাজও করি। ফলে রোজগার আগের থেকে বেড়েছে। এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রতিদিন নদীর পানির সঙ্গে বনের ভেতর থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন গাছের ফল। খুলনার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা কয়রা উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবারের সদস্যরা এসব ফল সংগ্রহ করেন। তারা এসব ফল রোদে শুকিয়ে জ্বালানির চাহিদা মেটাতেন। এ কাজের ফলে বনভূমির বিস্তৃতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উপকূলবর্তী এলাকায় ভাঙনের আশঙ্কা ছিলো। তবে নার্সারি হওয়ার ফলে সেই আশঙ্কা অনেকটা কমে গেছে। কয়রা উপজেলায় অবস্থিত কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা এই প্রতিবেদককে বলেন, সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষের ফল নদীর পানিতে ভেসে লোকালয়ে এলে এলাকায় সাধারণ মানুষ না বুঝে তা সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেন। তিনি আরও বলেন, ফলগুলো সংরক্ষণ করে নার্সারি করার ফলে চরগুলোতে সবুজ বেষ্টনী তৈরি হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধ ও প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা ফল সংগ্রহের ওপর সুস্পষ্ট কোনো বিধিনিষেধ নেই জানিয়ে সুন্দরবনের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বলেন, প্রাকৃতিকভাবে সুন্দরবনের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল নিচে পড়ে বনের মধ্যে কিছু চারা গজায় এবং অধিকাংশ ফল জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে লোকালয়ে নদীর কিনারে জমা হয়। এসব ফল দিয়ে উপকূলীয় মানুষের সাময়িক জ্বালানি সমস্যার সমাধান হলেও পরিবেশের জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তবে এসব ভেসে আসা ফল ও বীজ দিয়ে নার্সারি করায় প্রাকৃতিকভাবে বিশাল এলাকায় বনায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।সূত্র: বাসস

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি

ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি

গ্লোবাল স্মার্ট লাইফ কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড আইটেল ঈদ আনন্দকে আরও বাড়াতে ফিচার ফোন গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি। এখন থেকে ২০২৬ সালের ২০ মে বা তার পর কেনা যেকোনো আইটেল ফিচার ফোনে মিলবে এই ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা। অর্থাৎ, ফোনে কোনো উৎপাদনজনিত ত্রুটি দেখা দিলে প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই গ্রাহক পাবেন সম্পূর্ণ নতুন একটি হ্যান্ডসেট।বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে বিশেষ করে সাশ্রয়ী মূল্যের ফিচার ফোন সেগমেন্টে আইটেল একটি নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সার্ভিসিং সুবিধা নিশ্চিত করা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা। তবে আইটেল-এর এই নতুন উদ্যোগে সেই ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে। এই উদ্যোগটি গ্রাহকদের জন্য বিক্রয়োত্তর সেবা আরও সহজ, দ্রুত এবং ঝামেলামুক্ত করেছে।এই বিশেষ ওয়ারেন্টির পাশাপাশি থাকছে ১ বছরের নিয়মিত স্ট্যান্ডার্ড ওয়ারেন্টি সুবিধাও, যা গ্রাহকদের আরও বেশি আস্থা ও নিশ্চয়তা দেবে।এই ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে—ফোন চালু না হওয়া, ডিসপ্লে সমস্যা, চার্জিং সমস্যা, স্পিকার বা মাইক্রোফোনে ত্রুটি, সিম বা নেটওয়ার্ক সমস্যা এবং কীপ্যাডজনিত যেকোনো উৎপাদন ত্রুটি। রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা পেতে গ্রাহকদের নিকটস্থ কার্লকেয়ার সার্ভিস সেন্টারে যেতে হবে, সঙ্গে নিতে হবে ফোন, ক্রয়ের রসিদ এবং ফোনের বক্স। প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে যোগ্য হলে একই দিনেই গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন হ্যান্ডসেট। তবে এই সুবিধার আওতায় থাকবে না ভাঙা ফোন, পানিতে নষ্ট হওয়া ডিভাইস, অনুমোদনহীনভাবে মেরামত করা সেট, টেম্পারড সিল কিংবা আই এম আই ই নম্বরের অসঙ্গতি থাকলে।এই ঈদ উদ্যোগের মাধ্যমে আইটেল বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য আরও সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য মোবাইল ফোন সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার করেছে। নতুন ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টির মাধ্যমে ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন যোগাযোগে আরও আস্থা, নিশ্চয়তা ও নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি ।১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি সম্পর্কে আরও জানতে গ্রাহকরা নিকটস্থ কার্লকেয়ার সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আইটেল-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন

দিনাজপুরে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু

দিনাজপুরে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু

অপো এ সিরিজকে বুয়েটের স্বীকৃতি

অপো এ সিরিজকে বুয়েটের স্বীকৃতি

রিয়েলমির ঈদ ক্যাম্পেইনে থাকছে ক্যাশব্যাক, বিশেষ অফার ও নিশ্চিত উপহার

রিয়েলমির ঈদ ক্যাম্পেইনে থাকছে ক্যাশব্যাক, বিশেষ অফার ও নিশ্চিত উপহার

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ‘ফেরা’ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনার মধ্যে এ নিয়ে কথা বলেছেন আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।আজ বুধবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি, তারা ছিলই। ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ, মিথ্যাচার আর মানুষকে বিভ্রান্ত করার দুঃসাহস।’কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফিরে আসা নিয়ে আসিফ নজরুলের তিন বাক্যের এই পোস্টে ৫৫ মিনিটে রিয়েক্ট পড়ে ১৩ হাজারের মতো। একই সময়ে পোস্টটি শেয়ার দেখাচ্ছিল ৩৫৮ বার।

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

গাজীপুরে মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

শিরোনাম
ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’ চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪ ২ কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট গাজীপুরে বিএনপি নেতাকে টর্চার সেলে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি ছাড়িয়েছে টোল আদায় ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প সাভারে পোশাককর্মীকে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ গুমের চেষ্টার দাবি ঢাবিতে ছাত্রদল কর্তৃক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী নির্যাতন, শিবিরের নিন্দা গাজায় টানা তৃতীয় বছরেও ফিলিস্তিনিদের ‘ঈদ নেই’ চকবাজারে চুরির অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেফতার ৪ ২ কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে বিএনপি: আইনমন্ত্রী কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট গাজীপুরে বিএনপি নেতাকে টর্চার সেলে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি ছাড়িয়েছে টোল আদায় ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প সাভারে পোশাককর্মীকে হত্যার অভিযোগ, মরদেহ গুমের চেষ্টার দাবি