ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার

দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন।বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে তিনি বাজেট প্রস্তাব পেশ করা শুরু করেন। এটা বিএনপি সরকারের এই মেয়াদের প্রথম বাজেট। এই বাজেটে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।আবার কিছু কিছু পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বাজেটের শুল্ককর প্রস্তাব ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে যায়।সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুল্ককর কমানোর পণ্যসংখ্যাই বেশি।দাম বাড়তে পারেসিগারেটসিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যম স্তর ৯২ টাকা, উচ্চ স্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এতে সিগারেটের দাম বাড়বে।নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচকে জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী এর ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করছেন।তেলচালিত গাড়িপরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ডিজেল, অকটেন বা পেট্রলচালিত গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা কমিয়ে আনতে মধ্যম সারির ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসির (ইঞ্জিনক্ষমতা) ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিনবিশিষ্ট আমদানি করা গাড়ির ওপর করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ১৫৬ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এসব গাড়ির দাম বাড়বে।বিদেশি কাজুবাদামদেশীয় চাষ ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য অপ্রক্রিয়াজাত ও প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক যথাক্রমে ১ শতাংশ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। তবে দেশে উৎপাদকদের জন্য অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বিদেশি কাজুবাদামের দাম বাড়বে।বিদেশি পাঙাশের ফিলেদেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণশিল্পকে সুরক্ষা দিতে আমদানি করা পাঙাশ মাছের ফিলের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ হয়েছে।বিদেশি গ্যাস সিলিন্ডারকম্পোজিট এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার আমদানিতে আমদানি পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) আরোপ করা হয়েছে। এতে এর দাম বাড়তে পারে।বিদেশি মধুবিদেশ থেকে প্রাকৃতিক মধু আমদানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ইউনিটপ্রতি ২ ডলার বাড়িয়ে ৭ ডলার করা হয়েছে। এতে এই মধু আমদানিতে শুল্ককর বেশি দিতে হবে, যা দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।বিদেশি সুপারিবিদেশ থেকে সুপারি আমদানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ইউনিটপ্রতি দশমিক ২৫ ডলার বাড়ানো হয়েছে। এতে এই সুপারি আমদানিতে শুল্ককর বেশি দিতে হবে।বিদেশি খাদ্যসুগার কনফেকশনারি, কফি, তৈরি খাবার ইত্যাদি আমদানিতে বিভিন্ন হারে শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এতে এসব খাদ্য আমদানিতে শুল্ককরের চাপ বাড়বে।বিদেশি লিপ লাইনার ও জেললিপ লাইনার, লিপ জেল ও সমজাতীয় পণ্য আমদানির শুল্কায়নমূল্য বাড়ানো হয়েছে।রডরড তৈরির বিভিন্ন উপকরণের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে। এতে রডের দাম বাড়তে পারে।অন্যান্যশুল্ককর ও শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানোর কারণে বিদেশি টাইলস, স্যানিটারিওয়্যার ও বেসিন, বিদেশি ফোম, বিদেশি মাইক্রোওয়েভ ওভেন, সাইকেল ও যন্ত্রাংশ, খেলনা ইত্যাদির দাম বাড়তে পারে।দাম কমতে পারে৬০টি নিত্যপণ্যধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি, ভোজ্যতেল, বীজসহ ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ, ১ শতাংশ হতে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিগত বছরগুলোয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবনে যে নাভিশ্বাস উঠেছিল, তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ জনজীবনে স্বস্তি আনবে।শিশুখাদ্যআমদানি করা শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে (শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে)। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এতে বাজারে শিশুখাদ্যের দাম কমবে।জিরা, দারুচিনিজিরা, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, ধনিয়া ইত্যাদি মসলায় ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।খেজুরখেজুর আমদানিতে ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে।সোনার গয়নাসোনা সরবরাহে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ভ্যাট ছিল আগে ৫ শতাংশ। ফলে আড়াই লাখ টাকার সোনায় ভ্যাট দাঁড়াত সাড়ে ১২ হাজার টাকা। এখন তা কমিয়ে ভরিপ্রতি আড়াই হাজার টাকা করা হয়েছে।বৈদ্যুতিক গাড়িবৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইলেকট্রিক ভেহিকেলে (ইভি) নানা ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে এসব গাড়ির দাম অনেকটা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ দেওয়ার স্টেশন বসাতে ব্যাটারি ও অন্যান্য সরঞ্জামে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। যেমন বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে করভার ৯৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ক্ষেত্রে করছাড় দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআরটিএ) নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক গাড়ির অগ্রিম আয়করের পরিমাণ কমানো হয়েছে।ল্যাপটপ ও কম্পিউটারল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে।কিডনি ডায়ালাইসিস সেবাডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এর ফলে কিডনি রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিস সেবায় ব্যয় প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমবে।ওষুধওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে নানা ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ক্যানসারের ওষুধ তৈরির নতুন ৯টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি–সুবিধা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।বাদ্যযন্ত্রগিটার, পিয়ানো, ভায়োলিন ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক পুরো প্রত্যাহার করা হয়েছে।সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা এবং সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা ও প্রজেক্টরের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।অন্যান্যশুল্ককর কমানো এবং শুল্কায়ন মূল্যে পরিবর্তনের কারণে বিদেশী মাংস, প্রাণিখাদ্য, পয়েন্ট অব সেলস বা পিওস যন্ত্র, সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জাম, লিপস্টিক, ফেসওয়াশসহ বিভিন্ন প্রসাধন এবং আরও নানা পণ্যের দাম কমতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দেশের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম সিরিজে হারাল টাইগাররা। টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটে বলের দারুণ পারফরম্যান্সে ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ।ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলতি সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮৬ রানে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদি হাসান মিরাজরা।এর আগে ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ওয়ানডেতে হারায় বাংলাদেশ। ২১ বছর পর চলতি সিরিজে দীর্ঘদিনের সেই খরা কাটানোর পাশাপাশি সিরিজ জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।আজ বৃহস্পতিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ৪১ ওভারে ১৯২ রানের টার্গেট তাড়ায় ৩৬ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।দলের জয়ে ৪২ রান করে করেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪০ ও ২২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ।প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া করে ৪২ ওভারে ১৮৭ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মার্নাস লাবুশেন। তিনি ৮৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন জেভিয়ার বার্টলেট।বাংলাদেশ দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম।বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২ রান। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেই ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।এরপর দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৬ রানে আউট হয়ে ফেরেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা সৌম্য সরকার। তিনি ৪৭ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে আউট হন।সৌম্য আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন দাস। তার সঙ্গে জুটি গড়ার আগেই আউট হয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি দলীয় ৯৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন। তার আগে ৫৩ বলে ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৪২ রান।দলীয় ১২২ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ১৮ বলে ২১ রান করে আউট হন। দলীয় ১৪৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন আগের ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ১৪ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৯ বলে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ। দলের জয়ে ৫৫ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ৪০ রান করেন হৃদয়। ২২ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ২২ রান করেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।

একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তাবিত এই বাজেট উত্থাপন করেন তিনি। এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। বাজেট বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় চব্বিশের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই যাত্রা পেরিয়ে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে আমি আজ এই মহান সংসদে আমাদের প্রথম বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপনের জন্য দাঁড়িয়েছি। শুরুতেই বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের এবং নির্যাতিত নারীসহ সকল আত্মত্যাগী মানুষদের। একইসঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মদানকারী সকল শহিদ এবং গুম-খুন-হামলা-মামলা ও গুলিবর্ষণের শিকার সকল আহত যোদ্ধাকে, যাদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় জীবনে গণতন্ত্র, অধিকার ও নতুন আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে। দেশ ও জনগণের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি বরাবরই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়েছে। বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদের শাসনের বিরুদ্ধেও এদেশের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি। ২০১৬ সালের ভিশন ২০৩০, ২০২২ সালের রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফা এবং ২০২৩ সালের যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফার ভিত্তিতে বিএনপির নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছে সেটিই ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের জমিন তৈরি করেছে। এই জমিনের ওপর দাঁড়িয়েই সংগঠিত হয়েছে ২০২৪-এর ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার, মেরামত ও রূপান্তরের ৩১ দফার পথ ধরে বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আরও সম্প্রসারিত প্রস্তাব জুলাই জাতীয় সনদে উপস্থাপন করেছে। আমরা যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করেছি সেটা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করার ঘোষণাও ইতোমধ্যে তিনি জাতির সামনে দিয়েছেন। অনেক আগে থেকেই বিএনপি এই রাজনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নকে সামনে এনেছে এই কারণে যে ফ্যাসিবাদ দেশে অর্থনীতির যে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে, সমাজ-সংস্কৃতির বুনন (socio-cultural fabric) যেভাবে ধ্বংস করেছে তাতে এর পুনরুদ্ধার ও একে পুনরায় গতিশীল করা রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু এটাও একই সাথে মনে রাখা দরকার অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ (Economic Democratisation) অর্থাৎ সব মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং মানবিক বিবেচনা সম্পন্ন সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠা ছাড়া এই রাজনৈতিক সংস্কার টেকসই হবে না। ১৯৯১-১৯৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ সময়ে বিএনপি সরকারের দূরদর্শী ও কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক দর্শনের কারণে অর্থনীতির মূল সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় ছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে অর্থনীতিতে সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের মাধ্যমে সকল প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ও ধ্বংস করেছে। তথাকথিত উন্নয়নের স্লোগান দিয়ে মূলত লুটপাট ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে অর্থনীতির মৌল ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে। এই অবস্থার কেবল পুনরুদ্ধারই নয়, একে উত্তরণ ও সমৃদ্ধ পুনর্গঠনের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিএনপির ওপরে জনগণ যে ভরসা রেখেছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সেই দুঃসাহসিক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। আর সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যই রাজনীতি ও অর্থনীতির পুনর্গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে আমরা জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নকে কেবলমাত্র সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ না, বরং আমাদের দেশকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আমাদের অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়নের পথ-নকশার অংশ হিসেবে বাজেট উপস্থাপন করছি। আমাদের প্রস্তাবিত বাজেট হবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল জীবন নিশ্চিতকরণে সরকারের অভিপ্রায়ের একটি প্রতিফলন। আগেই উল্লেখ করেছি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনায় বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ক্ষুদ্র দলীয় ও গোষ্ঠীগত দুরভিসন্ধিই ছিল প্রধান প্রবণতা। ফলে একদিকে এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ-সম্পদ দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে মুষ্টিমেয় লুটেরাদের হস্তগত হয়েছে এবং বিদেশে পাচার করা হয়েছে। অন্যদিকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যর্থতাগুলোকে ঢাকা হয়েছে মিথ্যা পরিসংখ্যান ও কথার ফুলঝুরি দিয়ে। ফলে কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনের মূল চালিকা শক্তি অর্থাৎ অর্থনৈতিক ইঞ্জিন বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ক্রমেই দুর্বল হতে হতে একেবারে ধ্বংস হয়েছে। আমরা সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই নতুন যাত্রার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। নির্বাচনি ইশতেহারে আমরা গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, সুশাসন, ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সুযোগের বিস্তারের ওপর জোর দিয়ে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার রূপরেখা উপস্থাপন করেছিলাম। সরকার গঠনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সে লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যে কাজও শুরু করেছি। জনগণের গৌরবময় গণঅভ্যুত্থানের ফলশ্রুতিতে তৈরি হওয়া নতুন গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমাদের এই অনন্য অভিযাত্রার শুরুতেই ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে আমরা নতুন ও তীব্রতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি গোটা বিশ্বে যে নতুন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মেরুকরণের বাস্তবতা তৈরি হয়েছে তা গোটা বিশ্বকে এবং বিশেষ করে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে। দেশের অর্থনীতির ভগ্নদশার পাশাপাশি বৈশ্বিক অস্থিরতায় তৈরি হওয়া নতুন ঝুঁকিসমূহ মোকাবিলার প্রত্যয়কে কেন্দ্রে রেখেই আমরা এবারের বাজেটে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও সর্বোপরি ন্যায্যতাকে মূল বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করেছি, সামষ্টিক কৌশল নির্ধারণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই পরিকল্পনা ও কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। একই সাথে অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে জনমিতিক লভ্যাংশ (Demographic Dividend) ও দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ (Longevity Dividend)-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক লভ্যাংশও (Democratic Dividend) অর্জন করবে। সেই লক্ষ্যের আলোকে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে টেকসই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা মানুষের জীবনযাত্রায় স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনতে চাই। এজন্য সরকার ১০টি প্রধান অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে বাজেট প্রস্তাব দাঁড় করিয়েছে- সবার জন্য উন্নয়ন: আমাদের লক্ষ্য সর্বজনের, সর্বশ্রেণীর, সর্বখাতের, সকল অঞ্চলের সুষম অংশগ্রহণ ও অংশীদারত্ব নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা। সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে বাস্তবমুখী দক্ষতা-নির্ভর ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে যোগ্য মানব সম্পদে পরিণত করা। দ্বিতীয়ত, মৌলিক অধিকার হিসেবে সবার জন্য মানসম্পন্ন সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা। সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা: সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক (Life Cycle Based) সুরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে সকল বয়সের, সকল স্তরের নাগরিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি মজবুত করা। বিনিয়োগ-নির্ভর, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি: পরিকল্পিত শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা। কৃষিকে উৎপাদন, জীবিকা ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার কৌশলগত খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। বিনিয়ন্ত্রণকরণ (Deregulation) এবং সাশ্রয়ী ও সহজীকৃত ব্যবসার পরিবেশ: বিনিয়ন্ত্রণকরণের মাধ্যমে সরকারি কাজে বিলম্ব ও অপ্রয়োজনীয় ধাপ পরিহার করে একটি স্বচ্ছ, সহজ ও সাশ্রয়ী ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা। আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা: ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে আমানতকারীদের আস্থা ও দায়বদ্ধতা ফিরিয়ে আনা। পুঁজিবাজার সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহ প্রদান। জ্বালানি নিরাপত্তা: উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ-জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তোলা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ: একটি অভিমুখমুখী, গতিশীল ও প্রকৃত অর্থে প্রযুক্তিগতভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান আইসিটি রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তর করা। প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা: জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় জনগণের অংশগ্রহণে বনায়নকে একটি সবুজ বিপ্লবে রূপান্তর, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশগত বিবেচনার পাশাপাশি, নদীসমূহের নাব্য ফিরিয়ে আনা এবং খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরু করার মাধ্যমে একটি টেকসই, সবুজ ও পরিবেশ-সহনশীল বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা: টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেধাভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি সরকারি বিনিয়োগ বাস্তবায়ন দক্ষ ও কার্যকর করে তোলা। এসব অগ্রাধিকারের পাশাপাশি মূলধারার অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি (Creative Economy), ক্রীড়া অর্থনীতি (Sports Economy), সবুজ অর্থনীতি (Green Economy) এবং সুনীল অর্থনীতি (Blue Economy)-এর মত খাতগুলোকে আমরা জাতীয় অর্থনীতির একেবারে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে চাই। বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এবং বাজেটের অগ্রাধিকার নির্ধারণে ও বাস্তবায়নে আমরা নীতিগতভাবে প্রধান বিবেচনায় রাখছি, ভ্যালু ফর মানি (Value for Money) অর্থাৎ সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার; রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট (Return on Investment) অর্থাৎ জনগণের সম্পদ যেসকল প্রকল্পে নিয়োজিত হচ্ছে তার কার্যকর অর্থনৈতিক সুফল মূল্যায়ন; কর্মসংস্থান সৃষ্টি (Job Creation) অর্থাৎ সরকারের বিনিয়োগের সুনির্দিষ্টভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে ভূমিকা; পরিবেশগত বিবেচনা (Environmental Consideration) অর্থাৎ প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সুরক্ষার দিকে সজাগ দৃষ্টি। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের একচ্ছত্র আধিপত্য খর্ব করে একটি প্রতিযোগিতামূলক, উৎপাদনশীল, ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মর্যাদাবান বাংলাদেশের ভিত রচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই বাজেটে তার প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোকেই আমরা প্রতিফলিত করেছি। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, এই বাজেট উন্নয়নকে বৈষম্যহীন, কর্মসংস্থানকে নিরাপদ ও শোভন, রাষ্ট্রকে জবাবদিহিতামূলক এবং সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের উন্নয়নের অভিযাত্রায় সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আগামী এক বছরের নীতি-পরিকল্পনা হিসেবে কাজ করবে।

  • দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা

    দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা

  • বাজেটে ১০টি খাতে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

    বাজেটে ১০টি খাতে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

  • আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

    আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

  • যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত তিন ভারতীয় নাবিক

    যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত তিন ভারতীয় নাবিক

  • প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে

    প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে

  • জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবারের বাজেট: অর্থমন্ত্রী

    জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবারের বাজেট: অর্থমন্ত্রী

সব খবর

সব খবর

প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি

প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি

প্রস্তাবিত বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ড. আতিক মুজাহিদ এমপি।তিনি বলেন, সরকার যে প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকার ঘাটতির কথা বলছে, বাস্তবে এ ঘাটতি আরও অনেক বেশি হতে পারে। তার ধারণা অনুযায়ী, প্রকৃত ঘাটতির পরিমাণ সাড়ে ৪.৫ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।ড. আতিক মুজাহিদের মতে, প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণে অন্তত ২ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঘাটতি থেকে যেতে পারে।তিনি আরও মন্তব্য করেন, এ পরিস্থিতিতে বাজেটটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হিসেবে বিবেচিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, রাজস্ব কাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরকার গঠনের পর জুনের শেষে দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য চীনকে বেছে নিয়েছেন। এ সফর বাংলাদেশ-চীন বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রবর্তক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তাঁর হাত ধরেই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি রচিত হয়।ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের ঐতিহাসিক চীন সফর সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রণীত পররাষ্ট্রনীতিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনে তাঁর উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা ও বিশ্ব বাণিজ্যের অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এসব সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।ডেপুটি স্পিকার বলেন, ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক বহুমুখী উদ্যোগ, আন্তসীমান্ত অবকাঠামো, বাণিজ্য করিডর, ডিজিটাল হাইওয়ে, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং তরুণদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণ ও অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়িয়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করতে হবে।সংসদীয় প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি, বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব ও সংরক্ষিত আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য জেসমিন সুলতানা জুঁই।

লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন

লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। লাইসেন্স বাতিল ঘোষণার পরই হাসপাতাল ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালের প্রতিটি ফটকে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়।এর আগে বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হওয়ার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।আদেশে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে এক ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত এক তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ওয়ার্ডে অক্সিজেন স্বল্পতা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে এ মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন বাতিল হাবে না, এ মর্মে একটি শোকজ নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নোটিশের জবাব দিতে তাদের ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলেও আরও ৪৮ ঘণ্টার সময় চেয়ে আবেদন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে গত ৯ জুন শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সে জবাববে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হওয়ায় The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982 এর ১১(২) (খ) ধারা অনুযায়ী আপনার হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হইল।তবে অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে।এদিকে লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে আগামী রোববার সরকারের কাছে আপিল করবে বলে জানিয়েছেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।এর আগে গত ২৭ মে সকালে হাসপাতালটির পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। যাদের প্রত্যেকের বয়স ছিলো এক থেকে ৪ দিনের মধ্যে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি রিপোর্টে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা, বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করে। প্রতিবেদনটি গত ৪ জুন প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেদিনই তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একটি কারণ দর্শনের নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর

আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাচ্ছেন করদাতারা। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে রিটার্ন দাখিল করলে করছাড়ের সুবিধা পাবেন, আর দেরিতে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।বহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এই ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেন, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ করছাড় পাবেন।দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন দাখিল করলে কোনো অতিরিক্ত করছাড় বা জরিমানা থাকবে না। এ সময়ে করদাতাদের শুধু নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই হবে।তবে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।এ ছাড়া অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করা এবং কর প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রবীণদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়

প্রবীণদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়

জাতীয় সংসদে পেশ করা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন প্রস্তাবিত বাজেটে ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ট্রেনের ভাড়া সম্পূর্ণ ফ্রি ঘোষণা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।একই সঙ্গে ঢাকার পরিবেশবান্ধব দ্রুতগতির মেট্রোরেল ভাড়ায় প্রবীণদের জন্য ২৫ শতাংশ বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম দেশব্যাপী বিস্তৃত করা হবে। আগামী অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং এর বিপরীতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা অব্যাহত রাখা হবে। ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং মেট্রোরেল ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখে বাড়ানো হবে এবং মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করা হবে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভাতার সংখ্যা ১ লাখে উন্নীত করা হবে এবং স্তরভেদে মাসিক ভাতা ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা করা হবে। মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৮ দশমিক ৯৫ লাখ মা ও শিশুকে মাসে ৮৫০ টাকা দেয়া হবে। ক্যানসারসহ ছয়টি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের এককালীন সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হবে। বেসরকারি কর্মীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ফান্ডের আওতায় অবসর গ্রহণকালে মোট অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি হিসেবে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ২০ হাজার টাকা অপরিবর্তিত থাকবে। খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের ভাতা ৫ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করে যথাক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ ৪০ হাজার টাকা, বীর উত্তম ৩০ হাজার টাকা, বীর বিক্রম ২৫ হাজার টাকা এবং বীর প্রতীক ২৫ হাজার টাকা করা হবে। জুলাই গণ-ভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারদের মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতদের যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা অব্যাহত থাকবে। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো

১১ বছর পর বাড়ছে বেতন-ভাতা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘‘প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল রয়েছে। এ সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাই আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে।’’সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে এ ঘোষণায় ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন অর্থবছরের জন্য তিনি ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট।

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৪২ জন।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫৯।এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৮ হাজার ৫৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ২৯৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যেই বাড়ি ফিরেছে।

দেশের ৫৫ বছরের বাজেট এক নজরে

দেশের ৫৫ বছরের বাজেট এক নজরে

একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে শুরু হওয়া বাংলাদেশের ৫৫ বছরের প্রথম বাজেট পেশ করেছেন তাজউদ্দীন আহমেদ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি দেশের ১৫তম ব্যক্তি হিসেবে ৫৫তম জাতীয় বাজেট দিচ্ছেন। ১১ জুন বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানিয়ে সই করবেন। ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর। এর আগে আরও ১৪ জন জাতির সামনে বাজেট উপস্থাপন করেছেন। এবারের বাজেটের মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক অর্থনৈতিক সংস্কারের রূপরেখা। ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও বিনিয়ন্ত্রণকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অভিযাত্রায় বাংলাদেশ’— এই সম্ভাব্য প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখেই অর্থমন্ত্রী আগামী এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা পেশ করবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দেওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী প্রয়াত তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭২ সালে তিনি ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন। এর আকার ছিল মাত্র ৭১৯ কোটি টাকা। প্রথম তিনটি বাজেটই ছিল তার হাত দিয়ে তৈরি। তবে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বলছে, এরও আগে ১৯৭১ সালের ১৯ জুলাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনালগ্নে মুজিবনগর সরকার দৈনন্দিন ও অপরিহার্য ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছিল। স্বাধীনতার পর থেকে এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় এখন পর্যন্ত মোট ১৪ জন অর্থমন্ত্রী বা অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন মেয়াদে বাজেট পেশ করেছেন। ১১ জুন সংসদে বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী হবেন বাংলাদেশের বাজেট পেশকারী ১৫তম ব্যক্তি। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হচ্ছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে উপস্থাপিত প্রথম বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৭১৯ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ৫৫ বছরের ব্যবধানে দেশের বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় ১,৩০৩ গুণ। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছিল, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ হাজার কোটি টাকা কম ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগের বছরের তুলনায় ছোট আকারের বাজেট উপস্থাপিত হয়।২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এটি ছিল টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারের এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট। এর আগে টানা পাঁচটি বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তার পূর্বসূরি প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত টানা ১০টি বাজেট উপস্থাপন করে একটি অনন্য রেকর্ড গড়েন। এর আগে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া টানা ছয়টি বাজেট পেশ করেছিলেন। তবে, মোট বাজেট উপস্থাপনের সংখ্যার বিবেচনায় আবুল মাল আবদুল মুহিত ও প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন। আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা ১০টি বাজেট ছাড়াও এরশাদ সরকারের সময়ে ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরের দুটি বাজেট পেশ করেছিলেন। ফলে তার উপস্থাপিত মোট বাজেটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২টি। একইভাবে এম সাইফুর রহমানও বিভিন্ন মেয়াদে মোট ১২টি বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন, যা দেশের বাজেট ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য রেকর্ড।স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি অর্থবছরের বাজেট ঘোষক, প্রস্তাবিত এবং সংশোধিত বাজেটের আকারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো— ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। প্রস্তাবিত বাজেট ৭১৯.৪০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬৮৭.৮০ কোটি টাকা।১৯৭৩-৭৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। প্রস্তাবিত বাজেট ৮২০.৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৮২৮.২ কোটি টাকা।১৯৭৪-৭৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। প্রস্তাবিত বাজেট ৯৯৫.২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১০৫৬.১ কোটি টাকা।১৯৭৫-৭৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী ড. আজিজুর রহমান মল্লিক। প্রস্তাবিত বাজেট ১,৫৪৯.২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১,৫৩৩.৭ কোটি টাকা।১৯৭৬-৭৭ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ১,৯০৮.২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১,৮৫৭.৬ কোটি টাকা।১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি ও অর্থমন্ত্রী লে. জেনারেল জিয়াউর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ২,০৯৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২,২৮৮.২ কোটি টাকা।১৯৭৮-৭৯ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ২,৪৯৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২,৭৭৬ কোটি টাকা।১৯৭৯-৮০ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী ড. এম এন হুদা। প্রস্তাবিত বাজেট ৩,৩১৭.৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩,৭৬৮.৯ কোটি টাকা।১৯৮০-৮১ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৪,২২৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩,৯৫৫.৮ কোটি টাকা।১৯৮১-৮২ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৪,৭৮৮.৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪,৭২৫.৩ কোটি টাকা।১৯৮২-৮৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ৪,৮৫৪.১ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪,৮৫৪.১ কোটি টাকা।১৯৮৩-৮৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ৬,০৫৬.৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬,১৩৬ কোটি টাকা।১৯৮৪-৮৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা এম সাইদুজ্জামান। প্রস্তাবিত বাজেট ৬,৯৩৩.৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬,৬৪৫.৪ কোটি টাকা।১৯৮৫-৮৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা এম সাইদুজ্জামান। প্রস্তাবিত বাজেট ৭,২৬৮.৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৭,৬৫৯.৫ কোটি টাকা।১৯৮৬-৮৭ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান। প্রস্তাবিত বাজেট ৯,১১২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৯,২৭৬.৪ কোটি টাকা।১৯৮৭-৮৮ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান। প্রস্তাবিত বাজেট ১০,৩০০.৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১০,৩১৯.৬ কোটি টাকা।১৯৮৮-৮৯ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মুনিম। প্রস্তাবিত বাজেট ১১,০৬০.৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১১,৪৭৯.৭ কোটি টাকা।১৯৮৯-৯০ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী ড. ওয়াহিদুল হক। প্রস্তাবিত বাজেট ১৩,৪৬২.৩০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১২,৮৭২.৫ কোটি টাকা।১৯৯০-৯১ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মুনিম। প্রস্তাবিত বাজেট ১৩,৯৮৯.৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১৫,৭৭২.১ কোটি টাকা।১৯৯১-৯২ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ১৬,৩৭৩.৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১৬,৬৪৩.৩ কোটি টাকা।১৯৯২-৯৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ১৮,২৮৬.৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১৮,০১৬ কোটি টাকা।১৯৯৩-৯৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ১৯,৯৫২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২১,৩১৯ কোটি টাকা।১৯৯৪-৯৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ২১,৭৩৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২৩,০৮৯ কোটি টাকা।১৯৯৫-৯৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ২৪,৭০৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২৩,৬৫৩ কোটি টাকা।১৯৯৬-৯৭ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ২৫,২৫৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২৫,০১১ কোটি টাকা।১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ২৭,৭৮৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২৭,০০৭ কোটি টাকা।১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ৩০,০৯৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩০,২০৬ কোটি টাকা।১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ৩৬,১৭৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩৭,৯৫৩ কোটি টাকা।২০০০-০১ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ৪২,৮৫৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪১,৯৯৫ কোটি টাকা।২০০১-০২ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। প্রস্তাবিত বাজেট ৪৪,৭৬৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩৯,৪৯৫ কোটি টাকা।২০০২-০৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৪৪,৮৫৪ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪৪,৯০৪ কোটি টাকা।২০০৩-০৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৫১,৯৮০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪৯,৩৬৭ কোটি টাকা।২০০৪-০৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৫৭,২৪৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৫৫,৬৩২ কোটি টাকা।২০০৫-০৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৬৪,৩৮৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬১,০৫৮ কোটি টাকা।২০০৬-০৭ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। প্রস্তাবিত বাজেট ৬৯,৭৪০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬৬,৮৩৬ কোটি টাকা।২০০৭-০৮ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। প্রস্তাবিত বাজেট ৮৭,১৩৭ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৯৩,৬০৮ কোটি টাকা।২০০৮-০৯ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। প্রস্তাবিত বাজেট ৯৯,৯৬২ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৯৪,১৪০ কোটি টাকা।২০০৯-১০ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১ লাখ ১০ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা।২০১০-১১ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১ লাখ ৩০ হাজার ১১ কোটি টাকা।২০১১-১২ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ১ লাখ ৬৩ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।২০১২-১৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩২৬ কোটি টাকা।২০১৩-১৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২ লাখ ১৬ হাজার ২২২ কোটি টাকা।২০১৪-১৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ২,৫০,৫০৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২,৩৯,৬৬৮ কোটি টাকা।২০১৫-১৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ২,৯৫,১০০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ২,৬৪,৫৬৫ কোটি টাকা।২০১৬-১৭ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ৩,৪০,৬০৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩,১৭,১৭৪ কোটি টাকা।২০১৭-১৮ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা।২০১৮-১৯ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট ৪,৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৪,৪২,৫৪১ কোটি টাকা।২০১৯-২০ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেট ৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৫ লাখ ১ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা।২০২০-২১ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেট ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা।২০২১-২২ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেট ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৫,৯৩,৫০০ কোটি টাকা।২০২২-২৩ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেট ৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৬,৬০,৫০৭ কোটি টাকা।২০২৩-২৪ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেট ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা।২০২৪-২৫ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। প্রস্তাবিত বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।২০২৫-২৬ অর্থবছর: বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। প্রস্তাবিত বাজেট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং চলমান অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ৭ লাখ ১৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা।আয়-ব্যয় ও ঘাটতির চিত্রঅর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বা নিট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।বড় অঙ্কের এই ঘাটতি মেটাতে প্রতি বছরের মতো এবারও ব্যাংক ঋণের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরকার গঠনের পর জুনের শেষে দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য চীনকে বেছে নিয়েছেন। এ সফর বাংলাদেশ-চীন বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রবর্তক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তাঁর হাত ধরেই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি রচিত হয়।ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের ঐতিহাসিক চীন সফর সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রণীত পররাষ্ট্রনীতিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনে তাঁর উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা ও বিশ্ব বাণিজ্যের অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এসব সংকট মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।ডেপুটি স্পিকার বলেন, ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক বহুমুখী উদ্যোগ, আন্তসীমান্ত অবকাঠামো, বাণিজ্য করিডর, ডিজিটাল হাইওয়ে, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং তরুণদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণ ও অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়িয়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করতে হবে।সংসদীয় প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি, বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব ও সংরক্ষিত আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য জেসমিন সুলতানা জুঁই।

লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন

লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন

প্রবীণদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়

প্রবীণদের জন্য ট্রেনের ভাড়া ফ্রি, মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো

মঈন খানকে সভাপতি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংরক্ষিত কমিটি

মঈন খানকে সভাপতি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংরক্ষিত কমিটি

নগরবাসীর মাঝে সুঅভ্যাস গড়তে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

নগরবাসীর মাঝে সুঅভ্যাস গড়তে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

আদ্-দ্বীনের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আদ্-দ্বীনের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিরোধী আসনে নারী এমপিদের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিরোধী আসনে নারী এমপিদের দায়িত্ব নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তিতে শান্তিরক্ষীদের অবদান অনন্য: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তিতে শান্তিরক্ষীদের অবদান অনন্য: প্রধানমন্ত্রী

এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

এবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত বিশ্ববাসীর জন্য কঠিন বাস্তবতা

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান অভিঘাত বিশ্ববাসীর জন্য কঠিন বাস্তবতা

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত তিন ভারতীয় নাবিক

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত তিন ভারতীয় নাবিক

হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা: বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা: বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

হরমুজ নিয়ে ফের পাল্টাপাল্টি হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

হরমুজ নিয়ে ফের পাল্টাপাল্টি হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যাও: আব্বাস আরাগচি

নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যাও: আব্বাস আরাগচি

প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি

প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি

প্রস্তাবিত বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ড. আতিক মুজাহিদ এমপি।তিনি বলেন, সরকার যে প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকার ঘাটতির কথা বলছে, বাস্তবে এ ঘাটতি আরও অনেক বেশি হতে পারে। তার ধারণা অনুযায়ী, প্রকৃত ঘাটতির পরিমাণ সাড়ে ৪.৫ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।ড. আতিক মুজাহিদের মতে, প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অর্জন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণে অন্তত ২ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঘাটতি থেকে যেতে পারে।তিনি আরও মন্তব্য করেন, এ পরিস্থিতিতে বাজেটটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হিসেবে বিবেচিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, রাজস্ব কাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

আর্থিক খাত পরিচালনায় রাজনীতি নয়, সুশাসন চাই: ইসলামী আন্দোলন

আর্থিক খাত পরিচালনায় রাজনীতি নয়, সুশাসন চাই: ইসলামী আন্দোলন

‘ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে’

‘ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে’

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণের বিষয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণের বিষয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

অর্থবছরকে ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মেলানোর উদ্যোগ চান জামায়াত আমির

অর্থবছরকে ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মেলানোর উদ্যোগ চান জামায়াত আমির

জামায়াতের ৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট’ পেশ

জামায়াতের ৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট’ পেশ

রাজধানীর মৌচাকে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রাজধানীর মৌচাকে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

পরপর দুই সংঘর্ষের ঘটনার পর ভৈরব থানার ওসি প্রত্যাহার

পরপর দুই সংঘর্ষের ঘটনার পর ভৈরব থানার ওসি প্রত্যাহার

বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, মামলা দায়ের

বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, মামলা দায়ের

ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে অগ্নি নির্বাপণ ও নিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে অগ্নি নির্বাপণ ও নিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা ও নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অগ্নি নির্বাপণ ও নিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’র ঈশ্বরদী জিএমডির আওতাধীন ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে আয়োজিত এ মহড়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দক্ষ ফায়ার ফাইটাররা অংশগ্রহণ করেন। উপকেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আনসার সদস্যরাও এতে অংশ নেন।মহড়ায় ইলেকট্রিক ফায়ার (ই-ক্লাস), ট্রান্সফরমার অয়েল ফায়ার এবং গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের কারণ, বৈশিষ্ট্য ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে মেইন ব্রেকার বন্ধ করা, অ্যালার্ম বাজানো, নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া এবং দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।এ সময় উপকেন্দ্রের ভেতরে কৃত্রিম অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি করে বাস্তবধর্মী মহড়া পরিচালনা করা হয়। কর্মীদের ফায়ার হোস ও ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণের কৌশল হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া ফায়ার স্যুট, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি বুট ও মাস্কসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।মহড়ায় অংশগ্রহণকারীরা অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন। মক ড্রিলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত ও সমন্বিত সাড়াদান সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উপকেন্দ্রের অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম ও জরুরি নির্গমন পথ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শও প্রদান করেন।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, এ ধরনের মহড়ার মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা আরও উন্নত হবে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও মহড়া অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক হত্যা মামলায় তিনজন আটক

চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক হত্যা মামলায় তিনজন আটক

ফুলপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: দুই সেকমোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফুলপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: দুই সেকমোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

টেকনাফে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক গ্রেফতার

টেকনাফে ৫ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মিয়ানমার নাগরিক গ্রেফতার

বকশীগঞ্জ সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

বকশীগঞ্জ সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

ডিসি অফিস প্রাঙ্গণে হামলার শিকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহাদী

ডিসি অফিস প্রাঙ্গণে হামলার শিকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহাদী

জলঢাকায় চাচার হাতে ভাতিজা খুন, আটক ৩

জলঢাকায় চাচার হাতে ভাতিজা খুন, আটক ৩

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দেশের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম সিরিজে হারাল টাইগাররা। টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটে বলের দারুণ পারফরম্যান্সে ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ।ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলতি সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮৬ রানে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদি হাসান মিরাজরা।এর আগে ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ওয়ানডেতে হারায় বাংলাদেশ। ২১ বছর পর চলতি সিরিজে দীর্ঘদিনের সেই খরা কাটানোর পাশাপাশি সিরিজ জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা।আজ বৃহস্পতিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪২ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ৪১ ওভারে ১৯২ রানের টার্গেট তাড়ায় ৩৬ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।দলের জয়ে ৪২ রান করে করেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪০ ও ২২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ।প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া করে ৪২ ওভারে ১৮৭ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মার্নাস লাবুশেন। তিনি ৮৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন জেভিয়ার বার্টলেট।বাংলাদেশ দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম।বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২ রান। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেই ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।এরপর দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৬ রানে আউট হয়ে ফেরেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা সৌম্য সরকার। তিনি ৪৭ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে আউট হন।সৌম্য আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন দাস। তার সঙ্গে জুটি গড়ার আগেই আউট হয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি দলীয় ৯৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন। তার আগে ৫৩ বলে ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৪২ রান।দলীয় ১২২ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ১৮ বলে ২১ রান করে আউট হন। দলীয় ১৪৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন আগের ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ১৪ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৯ বলে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ। দলের জয়ে ৫৫ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ৪০ রান করেন হৃদয়। ২২ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ২২ রান করেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।

টাইগারদের বোলিং নৈপুণ্যে শূন্য রানে অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেট

টাইগারদের বোলিং নৈপুণ্যে শূন্য রানে অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেট

বিশ্বকাপের আগে বড় জয়ে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি

বিশ্বকাপের আগে বড় জয়ে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ২১ বছরের অপেক্ষা ঘোচাল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ২১ বছরের অপেক্ষা ঘোচাল বাংলাদেশ

প্রত্যাবর্তন রাঙালেন মোসাদ্দেক, অজিদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

প্রত্যাবর্তন রাঙালেন মোসাদ্দেক, অজিদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

সমালোচনার মুখে ফিফার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

সমালোচনার মুখে ফিফার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

ইউরোপের মাটিতে ঐতিহাসিক জয়ে বাংলাদেশ

ইউরোপের মাটিতে ঐতিহাসিক জয়ে বাংলাদেশ

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ  ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

রয়্যালটি না পেয়ে আইনের দ্বারস্থ ‘লাল শাড়ি পরিয়া কন্যা’ গানের শিল্পী সোহাগ

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও ইজ্জত থাকেনা: সরয়ার ফারুকী

স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ঘিরে। অনেকে বলছেন তিনি আর দেশে ফিরবেন। স্যোশাল মিডিয়ায় এ সব আলোচনার উত্তর দিয়ে ফারুকী বললেন, আমাদেরকে নিয়া এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও আমাদের ইজ্জত থাকেনা।তিনি বলেন, উইথ অল রেসপেক্ট টু দেম, এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিলো না। এদের নিয়া কথা বলা তো দুরের কথা, এদের নামও আমাদের আড্ডায় কেউ কোনোদিন একবারও উচ্চারণ করে নাই। এরা এতোটাই অপ্রাসঙ্গিক ছিল। আর এখন সাংবাদিক ভাই-বোনরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে, ভাই, অমুক আপনার সম্পর্কে এই কথা বলছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কী? ৭ জুন রোববার সকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, তাদের নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কখনোই সিলেবাসে ছিলো না। ফারুকীর ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয় এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিই। কিন্তু সেটা যে এইরকম ভয়াবহ হবে এটা ভাবি নাই। বুঝেন অবস্থা! এখন এদের কথার উত্তর দিতে হইবো আমার? এটাই কাফফারা। যাই হোক, এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বলে দেয় আমি আমার কাজটা ঠিকমত করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

দ্বিতীয় সন্তান এলো শাকিব-বুবলীর ঘরে

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান। পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

দিল্লিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল

বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র নির্মাণ, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হাসিবুর রেজা কল্লোল সম্মানসূচক ডক্টরেট লাভ করেছেন।ভারতের দিল্লি শহরে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও গণমাধ্যম অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত হাসিবুর রেজা কল্লোল নির্মাতা, সংগঠক এবং গণমাধ্যম ব্যবস্থাপক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি তিনি নাটক, তথ্যচিত্র এবং বিভিন্ন সৃজনশীল প্রযোজনায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।পরিচালক হিসেবে তাঁর নির্মিত সত্তা চলচ্চিত্রটি ব্যাপক আলোচিত হয় এবং দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায়। বর্তমানে তিনি চ্যানেল নাইন টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর এই অর্জন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আন্তর্জাতিক পরিচিতি আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।প্রতিক্রিয়ায় হাসিবুর রেজা কল্লোল বলেন, সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশে তিনি ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান। পাশাপাশি তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ ১০ সাংস্কৃতিক সংগঠনের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলার ১০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এক যৌথ বিবৃতিতে সোমবার (১ জুন) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে গত ৩০ মে অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু একটি মহল ধর্মীয় আবেগের ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালায়। এর প্রেক্ষিতে ভেন্যু কর্তৃপক্ষ পূর্বানুমতি প্রত্যাহার করায় প্রদর্শনীটি স্থগিত করা হয়।একই দিন কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামে স্থানীয় তরুণরা চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের উদ্যোগ নিলে স্থানীয় প্রশাসনের অযাচিত হস্তক্ষেপে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই দুটি ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ, আল মাহমুদসহ অসংখ্য গুণীজনের স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি। বছরের পর বছর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সাংস্কৃতিক চর্চায় অনবদ্য অবদান রেখে আসছেন এ জেলার কৃতিসন্তানরা। সাংস্কৃতিক রাজধানীখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিতের ঘটনা আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ ফিল্ম সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রদর্শনের অনুমতিপ্রাপ্ত। ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে এর প্রদর্শনী প্রশংসিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা তানিম নূরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিসন্তান। নিজ জন্মভূমিতে তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক।আমরা চলচ্চিত্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করি, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। আমরা সুস্থ, সুন্দর ও সৃজনশীল চলচ্চিত্রধারার পক্ষে। চলচ্চিত্র দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমস্যা, দেশপ্রেম, বাস্তবতা এবং মানবিক মূল্যবোধ জনগণের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের অনুমতি নিয়েই ‘বনলতা এক্সপ্রেস’চলচ্চিত্রটি জনসমক্ষে প্রদর্শিত হচ্ছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর কন্যাসহ প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে একটি চলচ্চিত্র উপভোগ করেছেন, যা চলচ্চিত্রের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ। এমন বাস্তবতায় চলচ্চিত্রের প্রতি কারও বৈরি দৃষ্টিভঙ্গি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।আমরা সকলের মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো মহলবিশেষের অগণতান্ত্রিক আচরণ, অসহনশীলতা ও উগ্রতাকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”বিবৃতিদাতারা হলেন--১. সাংবাদিক আবদুন নূর, আহ্বায়ক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র; অ্যাডভোকেট নাসির মিয়া, সদস্যসচিব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।২. নীহাররঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক, খেলাঘর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৩. জহিরুল ইসলাম, সভাপতি, উদীচী জেলা সংসদ; ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক, উদীচী জেলা সংসদ।৪. অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, সভাপতি, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি; অধ্যাপক মাসুদ-উর-রহমান, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি।৫. শোভা সেন, সভাপতি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা; সাথী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।৬. হাবিবুর রহমান পারভেজ, জেলা পরিচালক, আবরণী; শারমিন সুলতানা, সহকারী পরিচালক, আবরণী।৭. হুমায়ুন কবির, সভাপতি, কবির কলম; আব্দুল মতিন শিপন, সাধারণ সম্পাদক, কবির কলম।৮. ডা. প্রেমানন্দ দাস, সংগঠক, চারণ।৯. ফাহিম মুনতাসির, সভাপতি, সোনালি সকাল; সানিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, সোনালি সকাল।১০. মুস্তাফা জাফরি হামিম, জেলা সভাপতি, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন; সর্পা মিত্র ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক, আজকের সংস্কৃতি সংগঠন।

শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে চলছে শাকিব খানের‘রকস্টার’

শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে চলছে শাকিব খানের‘রকস্টার’

স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসহ দেশজুড়ে ১০৩ প্রেক্ষাগৃহে একযোগে চলছে মেগাস্টার শাকিব খান অভিনীত সিনেমা‘রকস্টার’। আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত মেগাস্টার শাকিব খানের ‘রকস্টার’। ঈদের দিন থেকেই দেশজুড়ে ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এই সিনেমা। মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে জেলা শহরের সিংগেল স্ক্রিন- সব মিলিয়ে বড় পরিসরেই দর্শকের সামনে আসছে ছবিটি। আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’-এ এক রকস্টারের উত্থান, খ্যাতি, ব্যক্তিগত টানাপোড়েন ও পতনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটিতে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা ও সুনিধি নায়েক। মুক্তির আগে গান, পোস্টার ও প্রচারণায় আলোচনায় আসে সিনেমাটি। ঈদের হাফ ডজন ছবির ভিড়েও ‘রকস্টার’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।দেশজুড়ে সিনেমাটির হল বণ্টনের তালিকায় চোখে পড়ছে বড় পরিসরের উপস্থিতি। রাজধানী ঢাকায় ‘রকস্টার’ চলছে স্টার সিনেপ্লেক্সের সবকটি শাখায়— বসুন্ধরা সিটি, এসকেএস টাওয়ার (মহাখালী), সীমান্ত সম্ভার, সনি স্কয়ার (মিরপুর), মিলিটারি মিউজিয়াম ও উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে। এছাড়া যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস, কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাস, টঙ্গীর সাবা সোহানা সিনেপ্লেক্স এবং নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপেও মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

দীর্ঘদিন পর মিউজিক ভিডিওতে মৌ

দীর্ঘদিন পর মিউজিক ভিডিওতে মৌ

এবার ঈদে বেশ কয়েকটি চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন নন্দিত মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ওয়েব ফিল্ম সারার সংসারে অভিনয় এবং ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ঈদ আনন্দমেলার নাচ পরিবেশনের পর এবার নতুন খবর,মিউজিক ভিডিওতেও দেখা মিলবে তার। ‘পেনসিল হিল’ শিরোনামের এই গানচিত্রটি পরিচালনা করেছেন শোয়েব আহমেদ। গানটি গেয়েছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আলতাফ। একই সঙ্গে তিনি গানটির কথা লিখেছেন এবং সুরও করেছেন। মিউজিক ভিডিওতে মৌয়ের সঙ্গে মডেল হিসেবে দেখা যাবে গায়ককেও। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ আশ্রয়ের দিন শেষ: খামেনিমধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ আশ্রয়ের দিন শেষ: খামেনিনতুন কাজটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মৌ বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে ‘আমার গরুর গাড়িতে’ গানের মিউজিক ভিডিওতে জাহিদ হাসানের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলাম। এখন মিউজিক ভিডিওর ধরন পাল্টেছে। প্রচুর মিউজিক ভিডিও হচ্ছে। অনেক প্রস্তাব পাই; কিন্তু করা হয়ে ওঠে না। আসিফ আলতাফ যখন জানালেন ‘পেনসিল হিল’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে আমাকেই লাগবে। নাম শুনে বেশ আগ্রহ হলো। গানটা শুনলাম। খুব ব্যতিক্রমী একটা গান। আধুনিক জীবনের বিষাদ ফুটে উঠেছে গানে। রাজি হয়ে গেলাম। স্বজনদের টানে ঈদের ছুটিতে শহর ছাড়ার হিড়িকস্বজনদের টানে ঈদের ছুটিতে শহর ছাড়ার হিড়িকজানা গেছে, আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় গানচিত্রটি আসিফের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে।

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

চার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলো নতুন উপাচার্য

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

৫ শিক্ষা বোর্ড ও এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠনের

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি ঢাবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠনের

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৫ দিনের ছুটি শুরু

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৫ দিনের ছুটি শুরু

আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

আগামীকাল থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

শক্তি+ মিষ্টি দই: প্রতি কাপে উৎসবের স্বাদ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর

আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাচ্ছেন করদাতারা। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে রিটার্ন দাখিল করলে করছাড়ের সুবিধা পাবেন, আর দেরিতে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।বহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে এই ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেন, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ করছাড় পাবেন।দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন দাখিল করলে কোনো অতিরিক্ত করছাড় বা জরিমানা থাকবে না। এ সময়ে করদাতাদের শুধু নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই হবে।তবে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।এ ছাড়া অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে।করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করা এবং কর প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে এই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার

দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার

একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কুয়েতের সামরিক বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ হামলায় অন্তত ৪ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এ সময় নিহত হয়েছে ভারতীয় এক নাগরিক।বুধবার রাতে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এতে বলা হয়েছে, আহত বাংলাদেশিদের ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তাদের খোঁজ নিচ্ছে।বিবৃতিতে কুয়েতে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে দুর্ঘটনাস্থলের ছবি বা ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রকেট বা ড্রোন হামলা এবং সেগুলো প্রতিহত করার দৃশ্য ধারণ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।একইসঙ্গে ওইসব ভিডিও বা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট না করতেও বলা হয়েছে। কুয়েতের আইন অনুযায়ী, এটি দণ্ডনীয় অপরাধ।এ পরিস্থিতিতে কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা রক্তদানে সক্ষম, তাদের জরুরি ভিত্তিতে সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্ত দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যদেরও রক্তদানে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী-শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

বাড়িতে পৌঁছেছে ওমানে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ, পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে কবর

বাড়িতে পৌঁছেছে ওমানে নিহত চার ভাইয়ের মরদেহ, পাশাপাশি খোঁড়া হয়েছে কবর

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার  সিরিজে 'অফিসিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সিরিজে 'অফিসিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চলমান সিরিজে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাথে 'অফিসিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার' হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। ক্রিকেটের মাঠের উন্মাদনার সাথে ই-মবিলিটির নতুন দিগন্তকে যুক্ত করার লক্ষ্যে এই পার্টনারশিপ।মাঠের ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের অদম্য স্পৃহা, ডেডিকেশন এবং শ্রেষ্ঠত্বকে সম্মান জানাতে এই সিরিজের অফিসিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার হিসেবে ভি মটো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। ২২ গজে বল হাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামানো সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বাংলাদেশি বোলারকে তাঁর অসামান্য নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করবে ভি মটো বাংলাদেশ।সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই যুগান্তকারী পার্টনারশিপ সম্পন্ন হয়। উক্ত আয়োজনে ভি মটো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ভি মটো গ্রুপের কান্ট্রি ডিরেক্টর (দক্ষিণ এশিয়া) মীর ফয়সাল, ভি মটো বাংলাদেশ ও সিমবা মটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সোহেল বিন আজাদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব নূর। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেট অপারেশনসের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস এবং মার্কেটিং ও কমার্শিয়াল বিভাগের মো. আসিফুল ইসলাম।এই কোলাবোরেশনের মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠের উৎকর্ষ উদযাপন এবং প্রযুক্তির দুনিয়ায় নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও অগ্রগতির প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেটের গৌরবময় অর্জনগুলোর সাথে যুক্ত থাকার পাশাপাশি একটি প্রতিযোগিতামূলক, রোমাঞ্চকর এবং স্মরণীয় সিরিজের প্রত্যাশা করছে ভি মটো বাংলাদেশ।

শাওমি নিয়ে এলো লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’

শাওমি নিয়ে এলো লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’

লাইভ শপিং অর্জন করল আইএসও ৯০০১ সনদ, গুণগত ব্যবস্থাপনায় নতুন মাইলফলক

লাইভ শপিং অর্জন করল আইএসও ৯০০১ সনদ, গুণগত ব্যবস্থাপনায় নতুন মাইলফলক

বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এলো টেকনো

বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এলো টেকনো

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে অগ্নি নির্বাপণ ও নিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত পরপর দুই সংঘর্ষের ঘটনার পর ভৈরব থানার ওসি প্রত্যাহার জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, মামলা দায়ের চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক হত্যা মামলায় তিনজন আটক ফুলপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: দুই সেকমোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত: এনসিপি ভাঙ্গুড়া ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে অগ্নি নির্বাপণ ও নিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত পরপর দুই সংঘর্ষের ঘটনার পর ভৈরব থানার ওসি প্রত্যাহার জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন: ডেপুটি স্পিকার বেনাপোলে বাংলাটিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, মামলা দায়ের চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক হত্যা মামলায় তিনজন আটক ফুলপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: দুই সেকমোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ লাইসেন্স বাতিলের পর এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট