ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীতচার দিনের নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনসহ ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।মন্ত্রিসভা বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বপরিসরে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণেও এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের কক্ষ-৪০০-তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২২তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। এ ছাড়া তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন। সফরে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে বলা হয়, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে এবং তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন। একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিকে বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু

মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রোগটি নিয়ে নতুন করে আরও ২ হাজার ৩৬ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।এর আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুতে সারাদেশে ২ হাজার ১৫৮ জন আক্রান্ত হন, যা ছিল চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।অধিদফতর বলছে, চলতি বছরে সোমবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৩ জনে। অন্যদিকে আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেছে ৭৫ হাজার ৭৩০ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন। এছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একজন করে রয়েছেন।প্রতিবেদন বলছে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। গত ২৮ দিনে প্রাণ গেছে ১৩৬ জনের।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার পর্যন্ত ৭০ হাজার ২৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪ জন।এর আগে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। এছাড়া ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট যেন নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট যেন নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টে সংশোধনী আনার জন্য একটা খসড়া বিল আমরা রেডি করেছিলাম। সেটা কেবিনেটে আলোচনা হয়েছিল। ক্যাবিনেটে আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমার যেন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করি। যারা সাইবার স্পেসে কাজ করেন, আইটি এক্সপার্ট তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলি। এই আইনটা যাতে নিপীড়নমূলক কোনো আইনে পরিণত না হয়।’সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানা, সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) মহাসচিব ও একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) চেয়ারম্যান আব্দুস সালামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতামত গ্রহণের জন্য ওয়েবসাইটে আমরা খসড়া প্রকাশ করেছি। ওয়েবসাইটে অনেকেই মতামত দিয়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান মতামত দিয়েছে। অনেক মানবাধিকার সংগঠন মতামত দিয়েছে। হিউম্যান রাইটস বডি মতামত দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী মতামত দিয়েছে—সেটা আমরা কম্পাইল করেছি।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সমস্ত প্রতিনিধি, সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিকসহ, বিশেষ করে সংবাদপত্রের সংগঠন, বিভিন্ন অ্যাসোশিয়েনসহ সবার সঙ্গে কথা বলেছি।’সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমকে হয়রানি করার জন্য নয়।’ তিনি বলেন, ‘এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব স্তরের মানুষ রক্ষা পায়। আমরা মনে করি, সবার আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে আইনটা সমৃদ্ধ হবে। মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইনটা করতে চাইনি, চাইও না এবং কোনো সাংবাদিক এটার শিকার হোক—সেটা আমরা চাই না।’‘যাতে সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন মিডিয়ার কোনো সাংবাদিক অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেজন্য একটা প্রস্তাবও এখানে করা হয়েছে যে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আগে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।’—উল্লেখ করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটা সার্টেন টাইম লিমিট দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সেটাও আমরা দিছি, যাতে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কেউ ঝুলে না থাকে। আরও অন্যান্য বিষয় পরামর্শ আকারে তাদের কাছ থেকে আমরা পাবো।’আলোচনা সভায় মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যে এই আইনের ভিক্টিম হবো না—তার গ্যারান্টি কী। কোভিডের সময় আমাকে ৬ বার আদালতে যেতে হয়েছে। এই আইনের বিষয়ে আমার কনসার্ন যেটা, সেটা হলো—ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে সাংবাদিকদের বিচার ও অ্যারেস্ট করাবেন না।’প্রযুক্তি খবরআলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে অলাপকালে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘এই আইনের খসড়া দেখে আমরা অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। যদি এই আইন গ্রহণ করা হয়, তাহলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে।’মোবাইল কোর্টের কথা এই আইনে আসলো কীভাবে—প্রশ্ন রাখেন এই সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে ভালো একটি প্রস্তাব দেবো, এতে মিডিয়ার সুরক্ষা হবে।’এ সময় নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘সংশোধনী ছাড়া সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট পাশ হলে বাংলাদেশ বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে।’

  • ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের

    ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের

  • হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

    হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

  • প্রাথমিকের বঞ্চিত ৮১৭ জনের নিয়োগ ১ অক্টোবরের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

    প্রাথমিকের বঞ্চিত ৮১৭ জনের নিয়োগ ১ অক্টোবরের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

  • গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে: মাহদী আমিন

    গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে: মাহদী আমিন

  • ইরান যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি

    ইরান যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি

সব খবর

বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল চালকসহ তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার আটিপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।মৃতরা হলেন- আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) ও পাশের ধামসর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)।তারা তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির ‘সুরভী পরিবহনের’ একটি বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এসময় মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিক ও তাওহীদ ঘটনাস্থলেই মারা যায়।খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ এসে লাশ তিনটি উদ্ধার করে। পুলিশ বাসটি জব্দ করলেও চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।এ ঘটনার পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।

পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ

পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ ঘিরে রেখেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সেখানে বিপুলসংখ্যক ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বোম্ব নিষ্ক্রিয় কাজ শুরু করেছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অভিযান চালায় এসআরবি। অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি ককটেল ও পেট্রোল বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে।এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়েছে। তারা কাজ করছে।ঘটনাস্থলে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষের চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো সেখানে কীভাবে এল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। উদ্ধার অভিযান ও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার কাজ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এসআরবির স্কোয়াড্রন লিডার নিফাজ বলেন, আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। একটি ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু বোমা পাওয়া গেছে। এরইমধ্যে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে নিষ্ক্রিয় করেছে। আরো কিছু রয়েছে সেগুলো জনসাধারণ এলাকার বাইরে নিয়ে গিয়ে পরে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আনুমানিক ২০টির মতো এখানে ককটেল এবং পেট্রোল বোমা পাওয়া গেছে।

দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না

দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না

দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ধর্ষণ, হামলা, গ্রেপ্তার ও মানুষের নিরাপত্তাহীনতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তার দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর যে ধরনের পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কার এবং সংবিধান বিতর্ক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।মান্না বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলা হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তার ভাষায়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—কেউই নিরাপত্তার বাইরে নয়।সালমান মুক্তাদিরের একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সম্প্রতি তার স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় একটি পরিবারের পাশাপাশি সেখানে কর্মরত ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। মান্নার ভাষ্য, স্টুডিওটি পুনর্নির্মাণের সামর্থ্য মালিকের থাকলেও সেখানে কর্মরত ব্যক্তিদের জীবিকা কী হবে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।একইভাবে একটি বাড়ি ভেঙে দেওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করে মান্না বলেন, সেখানে এক মা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। গণঅভ্যুত্থানের পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা ছিল কি না—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।নিজ দলের এক নেতার গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি। তিনি জানান, শিবগঞ্জ উপজেলা নাগরিক ঐক্যের সেক্রেটারিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিষয়টি জানতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, পুলিশের কাছে কোনো মামলা নেই; আদালতে মামলা হয়েছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন না হওয়ার পাশাপাশি জজকোর্টও কয়েক দিন বসেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।এ পরিস্থিতিকে বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে মান্না প্রশ্ন তোলেন, একজন রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেপ্তার করার পর মামলার কপি না দেওয়া এবং আদালতের কার্যক্রম না চলার বিষয়টি কীভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়লেও সাধারণ মানুষের আয় ও জীবনযাত্রার চাপ কমছে না। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।মান্না বলেন, এসব বিষয়ে কথা বললে কেউ কেউ তাকে বিএনপির বিরোধিতাকারী হিসেবে দেখাতে পারেন। তবে তার দাবি, তিনি কোনো দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন না; বরং দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সত্য কথাই বলছেন। বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে উল্লেখ করে তিনি দলটির সফলতাও কামনা করেন।রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে মান্না বলেন, এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রয়োজন যেখানে গণতন্ত্র ও সংবিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ না হলে ভবিষ্যতে আবারও স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গণভোট ও সংবিধান সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংবিধান পরিষদ গঠনের কথা ছিল। সংবিধানের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের পক্ষ থেকে আরেকটি গণভোটের প্রয়োজন হতে পারে—এমন বক্তব্য এসেছে বলেও উল্লেখ করেন মান্না।বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে ‘গায়ের জোরে’ কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। পত্রিকার সম্পাদকদের সঙ্গে কাজ করার যে কথা বলা হয়েছিল, সেটিও বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সেক্রেটারি শহিদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিল্লুর চৌধুরী দীপু ও দেলোয়ার হোসেন রাজাসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকার সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা, সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা, শিক্ষক সংকট ও মানসম্মত উচ্চশিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমস্যা সমাধান ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার দুপুর ১টায় ঢাকা কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা সম্পন্নসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে আন্তরিক স্বাগত জানায়। সম্প্রতি তাকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভিসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় সংকট সমাধানে তার অগ্রণী ভূমিকা থাকবে বলে তারা আশাবাদী। তাদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান রেখে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ৭ দফা দাবি হলো—১. সেশনজট নিরসন২০২১-২২ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।২. ফি কমানো:সেশন ফি ও পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে হবে।৩. পূর্ণাঙ্গ প্রশাসন ও একাডেমিক কাঠামো:দ্রুততম সময়ে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট গঠন করে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে এবং সময়োপযোগী ও আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে।৪. একাডেমিক অবকাঠামোর উন্নয়ন:প্রতিটি ক্যাম্পাসে মানসম্মত একাডেমিক ও পাঠদানের পরিবেশ, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং গবেষণার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে।৫. স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন ও টিএসসি:ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির জন্য স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন এবং ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) নির্মাণ ও নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটালম্যাপ দেখুন৬. আবাসন সংকট নিরসন:শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন আবাসিক হল নির্মাণ করতে হবে।৭. পরিবহন সংকট নিরসন:শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতিটি ক্যাম্পাসে পর্যাপ্তসংখ্যক পরিবহন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুচিচ পদত্যাগ করেছেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছিল। সরকারের দুর্নীতির অভিযোগে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও বাড়ছিল। এর মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন।রাজধানী বেলগ্রেডে প্রেসিডেন্ট ভবনের বাইরে সমর্থকদের সামনে তিনি কথা বলেন। ভুচিচ বলেন, তার নয় বছরের শাসনে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় ছিল। জুন মাসেই তিনি পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি এখন আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নিজের দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হতে চাইছেন। সংবিধান অনুযায়ী তিনি তৃতীয়বার প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াতে পারেন না।রাশিয়াপন্থী এই জনতুষ্টিবাদী নেতার সরকার শুরু থেকেই ক্ষোভের মুখে ছিল। অভিযোগ ছিল, নির্মাণকাজে নিয়ম না মেনে খরচ কমানো হয়েছে।২০২৪ সালে নভি সাদ রেলস্টেশনের ছাদ ভেঙে পড়ে। এতে ১৬ জন মারা যান। এই ঘটনাই প্রথম সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ উসকে দেয়।আন্দোলনে নামেন নানা পেশার মানুষ। ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক ও কৃষকরা রাস্তায় নামেন। এতে সমর্থন জুগিয়েছিলেন দেশটির টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ। তবে ইতিহাসের সেরা এই টেনিস কিংবদন্তিকে শেষমেশ এই সমর্থনের কারণে দেশ ছাড়তে হয়।আন্দোলনকারীরা মনে করেন, ওই দুর্ঘটনা আসলে ভুচিচের দল প্রোগ্রেসিভ পার্টির এক যুগেরও বেশি শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন। স্টেশনটির সংস্কারের সঙ্গে ভুচিচ নিজেকে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়েছিলেন। সেটি ছিল সার্বিয়ার অগ্রগতির প্রতীক হওয়ার কথা। ভুচিচের অধীনে থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা একে একে পদত্যাগ করেন। তবে তাতে আন্দোলনকারীরা শান্ত হননি। গ্রীষ্মজুড়ে বিক্ষোভ চলতে থাকে। পুলিশের নির্যাতনের অভিযোগের পর বিক্ষোভ অশান্ত হয়ে ওঠে।আগামী বছর ভুচিচের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। সংবিধান অনুযায়ী, পদত্যাগের তিন মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হয়। তাই এ বছর শেষ হওয়ার আগেই সার্বিয়ার মানুষ দুইবার ভোট দেবেন। ভুচিচ জানান, অক্টোবরের শেষ দিকে আগাম সংসদ নির্বাচন হবে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে তার এক মাসেরও বেশি পরে। আন্দোলনের চাপেই এই আগাম সংসদ নির্বাচনের ডাক দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবির তালিকায় ভোটের দাবিও যোগ হয়েছিল।আগেই ভুচিচ জানিয়েছিলেন, তিনি ওই নির্বাচনে প্রোগ্রেসিভ পার্টির নেতা হিসেবে লড়বেন। ফলে সার্বিয়ার রাজনীতির শীর্ষ পদে তার থেকে যাওয়ার সুযোগ থাকছে।নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদের স্পিকার আনা ব্রনাবিচ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনিও প্রোগ্রেসিভ পার্টির সদস্য।ভুচিচ সংবিধানের দেওয়া ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ৪৯ জনকে ক্ষমা করেছেন। তাদের মধ্যে ২৩ জন ছাত্র এবং দলের অনুগত কয়েকজন আছেন। সার্বিয়ার সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএসের তথ্য অনুযায়ী, তারা গত দেড় বছরের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে জড়িত নানা অপরাধে সন্দেহভাজন ছিলেন। ভুচিচ ওই ঘটনাগুলোকে বলেছেন, ‘ভয়াবহ ঘটনা, যা আমরা গত দেড় বছরে পার করে এসেছি।’আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভুচিচের প্রোগ্রেসিভ পার্টির মুখোমুখি হবে দুটি পক্ষ। একটি হলো ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন ‘স্টুডেন্টস উইন’। অন্যটি পশ্চিমাপন্থী বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইউরোপীয় সার্বিয়া’।ভুচিচ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সার্বিয়ার রাজনীতির পরিচিত মুখ। ২০১৪ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, সার্বিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিক, এটাই তিনি চান। তবে একই সময়ে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখেছেন। চীনের বিনিয়োগের জন্যও দেশের দরজা খুলে দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে আগে ঘটেনি: ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ

স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে আগে ঘটেনি: ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তপনা, চাঁদাবাজি, জমি ও বাড়ি দখলের ঘটনা অহরহ ঘটলেও রাতের আঁধারে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-১-এর ভাঙচুর ও গুঁড়িয়ে দেওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ও সালমান মুক্তাদির স্টুডিও পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে এর আগে ঘটেনি। আমরা বিভিন্ন দেশে এমন ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা দেখেছি। কিন্তু বাংলাদেশে একটি জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাতের আঁধারে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান পর্যন্ত চিকিৎসা ও টিকাদান সেবা পেয়ে আসছেন। এটি বিদেশি দাতা সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্যকেন্দ্র। এমন একটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া শুধু একটি স্থাপনার ওপর হামলা নয়; এটি জনস্বাস্থ্য ও সাধারণ মানুষের অধিকারকে আঘাত করার শামিল।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন জাতিসংঘ সফরে ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে রাজধানীতে একটি ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এ ঘটনায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন এবং বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন।রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও একজন মহিলা এমপির সম্পৃক্ততার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে আগাম রায় দিতে চাই না। তবে গণমাধ্যমে যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। সরকারকে অবিলম্বে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।তিনি বলেন, সারারাত ধরে হামলা ও ভাঙচুর চলেছে। ট্রাকে করে বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো,পাশেই পুলিশ অবস্থান করলেও তারা লুটপাট প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ব্যর্থতার দায় অবশ্যই নির্ধারণ করতে হবে।সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনার দুই দিনের মধ্যে ইসিবি চত্বরে তরুণ প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদাবরে দিনদুপুরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, মুগদায় জমি দখলের অভিযোগ এবং আশুলিয়ার একটি মাদ্রাসায় চাঁদার দাবিতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সবকিছু মিলিয়ে দেশে যেন লুটপাট ও দখলের এক মহড়া চলছে।তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের একজন পরিচিত ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান যদি এভাবে হামলার শিকার হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার অবস্থা কী! তা সহজেই অনুমেয়। রাষ্ট্র যদি নাগরিকের জানমাল, সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে।তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের ভাবমূর্তি ও জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।তিনি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুনর্নির্মাণ করে জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।এ সময় এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আবদুল ওহাব মিনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, আলতাফ হোসাইন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান,অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রব জামিল,যুব পার্টির উত্তরের সদস্য সচিব ইশরাত জাহান, বরিশালের নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ, মিরপুর মডেল থানার আহ্বায়ক শেখ মনিরুজ্জামান,রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী,বরিশাল জেলা নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলাম, মোঃশাকিল, বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রপক্ষ আহবায়ক আইয়ুব নবী।

রাড্ডা ক্লিনিকের সংস্কারকাজ শুরু, ফিরল আগের সাইনবোর্ড

রাড্ডা ক্লিনিকের সংস্কারকাজ শুরু, ফিরল আগের সাইনবোর্ড

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের চতুর্থ দিনে এর সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে দখলদারদের লাগানো সাইনবোর্ড সরিয়ে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সংস্কারকাজ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচেই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চলছে।যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের তত্ত্বাবধানেই এ সংস্কার কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ রাজ্জাক। তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দ্রুততার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্যকেন্ত্রটি নির্মাণ করা হবে।এদিকে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও মায়ের ডাকের সানজিদা ইসলাম তুলি।তিনি বলেন, হামলার ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেবে সরকার।এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হামলার পর তাদের প্রতিষ্ঠানের জায়গায় ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছিল।এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ছাড়া ঘটনার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি পলায়নঃ ৫ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি পলায়নঃ ৫ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-১–এ নেওয়ার পথে টয়লেট করার কথা বলে প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়েছে ২৫ মামলার আসামি পিচ্চি রাজা৷ এঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি অনুসন্ধান কমিটি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি বলেন, আসামী পলায়নের ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে ৩ জনের একটি অনুসন্ধান কমিটি করা হয়েছে। কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য রোববার সকালে পিচ্চি রাজাকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকায় নেওয়া হয়। আদালতে হাজিরা শেষে তাকে ফের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। প্রিজনভ্যানটি গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে। পরে আনা-নেওয়ার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় সে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। সূত্রটি আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।

পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ

পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ ঘিরে রেখেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সেখানে বিপুলসংখ্যক ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট বোম্ব নিষ্ক্রিয় কাজ শুরু করেছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অভিযান চালায় এসআরবি। অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি ককটেল ও পেট্রোল বোমার সন্ধান পাওয়া গেছে।এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো নিষ্ক্রিয় করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়েছে। তারা কাজ করছে।ঘটনাস্থলে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষের চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো সেখানে কীভাবে এল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। উদ্ধার অভিযান ও বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার কাজ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এসআরবির স্কোয়াড্রন লিডার নিফাজ বলেন, আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। একটি ব্যাগের ভেতর বেশ কিছু বোমা পাওয়া গেছে। এরইমধ্যে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে নিষ্ক্রিয় করেছে। আরো কিছু রয়েছে সেগুলো জনসাধারণ এলাকার বাইরে নিয়ে গিয়ে পরে নিষ্ক্রিয় করা হবে। আনুমানিক ২০টির মতো এখানে ককটেল এবং পেট্রোল বোমা পাওয়া গেছে।

জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

উত্তরায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ও নারীসহ ১৫ জন আটক

উত্তরায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ও নারীসহ ১৫ জন আটক

সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট যেন নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট যেন নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাড্ডা ক্লিনিকের সংস্কারকাজ শুরু, ফিরল আগের সাইনবোর্ড

রাড্ডা ক্লিনিকের সংস্কারকাজ শুরু, ফিরল আগের সাইনবোর্ড

প্রাথমিকের বঞ্চিত ৮১৭ জনের নিয়োগ ১ অক্টোবরের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিকের বঞ্চিত ৮১৭ জনের নিয়োগ ১ অক্টোবরের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে: মাহদী আমিন

গুণী শিক্ষক সম্মাননা বাড়ছে ১২ থেকে ১০০ জনে: মাহদী আমিন

ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

ইরান যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি

ইরান যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি

সিতি হাসমাহর মৃত্যুতে আনোয়ারের শোক

সিতি হাসমাহর মৃত্যুতে আনোয়ারের শোক

হরমুজে মার্কিন বাহিনীর সাবমেরিন ড্রোন জব্দ করল ইরান

হরমুজে মার্কিন বাহিনীর সাবমেরিন ড্রোন জব্দ করল ইরান

আমেরিকার ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই: পেজেশকিয়ান

আমেরিকার ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই: পেজেশকিয়ান

ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের

ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের

রাজধানীর মিরপুরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমাদের প্রাথমিকভাবে ঘোষণা করা সহায়তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। এটা দিয়ে শুরু, তবে এটা শেষ নয়। প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য আরও যদি কিছু করতে হয়, তাহলে আমরা করব ইনশাআল্লাহ।স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নিশ্চয়ই সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় অপকর্ম করার সাহস কেউ করবে না। তিনি বলেন, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের কোথাও কোনো অসামাজিক, অপকর্ম করতে না পারে, সে ব্যাপারে সরকারকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।তিনি আরও বলেন, সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই দেশজুড়ে মব সন্ত্রাস চলছে। পাশাপাশি রাড্ডার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, মহানগর উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য নাসির উদ্দীন, শাহ আলম তুহিন, ডা. মঈনুদ্দিন, জি এম হাফিজুর রহমান ও মনিরুল ইসলাম মৃধা প্রমুখ।

দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না

দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না

স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে আগে ঘটেনি: ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ

স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ইতিহাস বাংলাদেশে আগে ঘটেনি: ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রমাণ: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রমাণ: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মৌচাক ভেবে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছোড়ে চাঁদাবাজরা: জামায়াত আমির

মৌচাক ভেবে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছোড়ে চাঁদাবাজরা: জামায়াত আমির

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর-লুটে সরকারের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: এবি পার্টি

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর-লুটে সরকারের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: এবি পার্টি

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় তিনজনের মৃত্যু; আহত ছয়

লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় তিনজনের মৃত্যু; আহত ছয়

গোপালগঞ্জে হাজরা হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

গোপালগঞ্জে হাজরা হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল চালকসহ তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার আটিপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।মৃতরা হলেন- আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) ও পাশের ধামসর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)।তারা তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির ‘সুরভী পরিবহনের’ একটি বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এসময় মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিক ও তাওহীদ ঘটনাস্থলেই মারা যায়।খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ এসে লাশ তিনটি উদ্ধার করে। পুলিশ বাসটি জব্দ করলেও চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।এ ঘটনার পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।

গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতা আটক

গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতা আটক

ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল

ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল

ভাঙ্গায় হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও শাশুড়ি

ভাঙ্গায় হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও শাশুড়ি

প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি পলায়নঃ ৫ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি পলায়নঃ ৫ পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

বর্তমান সরকার নিরাপদ সড়কবান্ধব, এর প্রমাণ ঢাকা শহর: নিসচার মহাসচিব

বর্তমান সরকার নিরাপদ সড়কবান্ধব, এর প্রমাণ ঢাকা শহর: নিসচার মহাসচিব

কোনাবাড়ীতে ছেলের বাসায় বেড়াতে এসে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু

কোনাবাড়ীতে ছেলের বাসায় বেড়াতে এসে ট্রাক চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও রাগবি ফেডারেশনের সমঝোতা

প্রচলিত ও অপ্রচলিত বিভিন্ন খেলায় মেয়েদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। এর আওতায় অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী মেয়েদের রাগবি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই সংগঠনের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সহসভাপতি মৌসুম আলী নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে দুই সংগঠনের অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এর মেয়াদ হবে তিন বছর। তৃণমূল ও রাজধানী থেকে আগ্রহী মেয়েদের বিভিন্ন মেয়াদে রাগবি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করবে রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়ন। ফেডারেশন থেকে প্রশিক্ষক, খেলার উপকরণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে জাতীয় পর্যায়ে এবং ফেডারেশনের হয়ে খেলার জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, সারা বিশ্বে রাগবি একটি জনপ্রিয় খেলা। বাংলাদেশেও খেলাটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী নারীদের খেলাধুলায় গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে মেয়েদের জনপ্রিয় ও অপ্রচলিত বিভিন্ন খেলা শেখার সুযোগ তৈরিতে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

এবার মিষ্টি হাসির জয়া আহসানের ছবি ভাইরাল

এবার মিষ্টি হাসির জয়া আহসানের ছবি ভাইরাল

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন

মার্কিন অভিনেতা জেমস স্লোয়েন মারা গেছেন। ‘দ্য স্টিং’ ও ‘জ্যানাডু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি ‘স্টার ট্রেক’ সিরিজের বিভিন্ন পর্বে কাজ করে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে গত ২২ জুলাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি জেমস স্লোয়েনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। সপ্তাহের শেষে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।‘স্টার ট্রেক’ ভক্তদের কাছে জেমস স্লোয়েন পরিচিত ছিলেন ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’, ‘ডিপ স্পেস নাইন’ ও ‘ভয়েজার’ সিরিজে অভিনয়ের জন্য। ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ তিনি একজন রোমুলান অ্যাডমিরালের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে ক্লিঙ্গন চরিত্র ওয়ার্কের ছেলের ভূমিকাতেও দেখা যায় তাকে। ‘ডিপ স্পেস নাইন’-এ বিজ্ঞানী ড. মোরা এবং ‘ভয়েজার’-এ হাকোনিয়ান বিজ্ঞানী মা’বোর জেটরেল চরিত্রে অভিনয় করেন।১৯৭৩ সালে জর্জ রয় হিল পরিচালিত অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য স্টিং’-এ মোটোলা চরিত্রে অভিনয় করেন স্লোয়েন। সিনেমাটিতে তিনি অপরাধী ডয়েল লনেগানের হয়ে জুয়া পরিচালনাকারী এক কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া অলিভিয়া নিউটন-জন অভিনীত মিউজিক্যাল ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘জ্যানাডু’তেও অভিনয় করেন তিনি।১৯৪১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ানাপোলিসে জন্মগ্রহণ করেন জেমস স্লোয়েন। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার বাবা জেমস ছিলেন নির্মাণ প্রকৌশলী। বিদেশে ও নিউইয়র্কের অ্যালবানিতে কিছু সময় কাটানোর পর দ্য আমেরিকান একাডেমি অব ড্রামেটিক আর্টস থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন তিনি। পরে তিন বছর মার্কিন সেনাবাহিনীতেও দায়িত্ব পালন করেন।সেনাবাহিনীর চাকরি শেষে নিউইয়র্কে ফিরে জোসেফ প্যাপের নিউইয়র্ক শেক্সপিয়ার ফেস্টিভ্যালে অভিনয়ের পাশাপাশি ফাইটিং দৃশ্যের কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৯ সালে আর্থার কপিটের ‘ইন্ডিয়ান’ নাটকের মাধ্যমে ব্রডওয়েতে অভিষেক হয় তার। ১৯৭০ সালের ‘দ্য ট্রাভেলিং এক্সিকিউশনার’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি।১৯৭৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান জেমস স্লোয়েন। এরপর ‘দ্য গ্যাং দ্যাট কুডন্ট শুট স্ট্রেইট’, ‘দ্য ডক্টরস’, ‘দ্য স্ট্রিটস অব সান ফ্রানসিসকো’, ‘কোজাক’ ও ‘ডেলভেকিও’-সহ বিভিন্ন সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেন। ১৯৭৭ সালে এবিসির নাটক ‘ওয়েস্টসাইড মেডিকেল’-এ নিয়মিত চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন স্লোয়েন। ১৯৮৯ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর টয়োটার বিলাসবহুল ব্র্যান্ড লেক্সাসের বিজ্ঞাপনে ভয়েসওভার শিল্পী হিসেবে কাজ করেন তিনি।জেমস স্লোয়েন মৃত্যুকালে স্ত্রী অভিনেত্রী ডিআরড্রে লেনিগান, ছেলে সংগীতশিল্পী ড্যানিয়েল এবং মেয়ে অভিনেত্রী সামান্থা স্লোয়েনকে রেখে গেছেন। তার ভাই লেখক ও পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক প্যাট্রিক স্লোয়েন ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে মারা যান।

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

দুই বছর পর মঞ্চে ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’

দুই বছর মঞ্চে ফিরছে নাট্যদল ম্যাড থেটারের ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। তাও আবার পরপর দুই দিন দুটি প্রদর্শনী নিয়ে। শুক্র ও শনিবার (২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে হবে প্রদর্শনী।২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে এনএসডি আয়োজিত ‘ভারত রঙ মহোৎসব’-এ প্রদর্শিত হয়েছিল নাটকটি। এরপর আর মঞ্চে ওঠেনি ‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’। একক চরিত্রের নাটকটিতে অভিনয় করেন আর্য মেঘদূত। বর্তমানে তিনি স্কলারশিপে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন শাস্ত্রে অধ্যয়নরত। ২০২৪ সালে তিনি দেশ ছাড়ার পর নাটকটির মঞ্চায়ন স্থগিত হয়ে যায়।সম্প্রতি দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ছুটিতে দেশে এসেছেন। সেই সুবাদেই নাটকের দুটি প্রদর্শনীতে অভিনয় করবেন।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। তখন মেঘদূত মাত্র দশম শ্রেণির ছাত্রী। কনিষ্ঠ একক অভিনেত্রী হিসেবে চমকে দেন সবাইকে। এ পর্যন্ত নাটকটির ৮টি প্রদর্শনী হয়েছে।‘অ্যানা ফ্রাঙ্ক’ নাটকের গল্পের শুরুটা এরকম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। হিটলারের বাহিনী একদিন দখল করে নেয় হল্যান্ড। ফ্রাঙ্ক পরিবার হিটলারের হাত থেকে বাঁচতে আত্মগোপন করে। ১৯৪২ সালের ৬ জুলাই তারা আশ্রয় নেয় সিক্রেট অ্যানেক্সে। ফ্রাঙ্ক পরিবারের ছোট মেয়ে অ্যানা ফ্রাঙ্ক। সিক্রেট অ্যানেক্সে ফ্রাঙ্ক পরিবারের সাথে যোগ দেয় অ্যানা ফ্রাঙ্কের বাবার বন্ধুর পরিবার ও একজন ডাক্তার। সব মিলেয়ে সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় আটজন। সিক্রেট অ্যানেক্স! ছোট্ট, স্যাঁতস্যাঁতে একটা জায়গা। এসবের মধ্যে এতগুলো মানুষ। তবু অ্যানা নিঃসঙ্গ, তার মনের কথা বলার মতো সে কাউকে পায় না। তার সব কথা সে লিখে রাখে ডায়েরিতে, ডায়েরিটাই হয়ে ওঠে তার কাছে প্রিয় বন্ধু।

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে পুরোপুরি কর্পোরেট জগতে হাসান মাসুদ

সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতার কলম, তারপর ক্যামেরার সামনে অভিনয়—হাসান মাসুদের পেশাজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন তিনি। পরে অভিনয়ে এসে ছোট পর্দায় পরিচিতি পান। এবার তার কর্মজীবনে যুক্ত হলো কর্পোরেট দুনিয়া।অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি ও পরিচালনাতেও নিজেকে মেলে ধরেছেন। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। এবার সেই পথচলায় যুক্ত হলো নতুন পরিচয় কর্পোরেট পেশাজীবী হাসান মাসুদ।যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান জেইন গ্লোবাল -এ হেড অব স্টুডেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ব্র্যান্ড হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই অভিনেতা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।একসময় নাটক, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন টেলিভিশন আয়োজনে নিয়মিত দেখা যেত হাসান মাসুদকে। অভিনয়ের নিজস্ব ধরন ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার ব্যস্ততা। নাটক কিংবা সিনেমায় এখন আর নিয়মিত দেখা যায় না তাকে। বেছে বেছে বিজ্ঞাপনে কাজ করলেও অভিনয়কে আগের মতো পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেননি।অভিনয় থেকে দূরে থাকার সেই সময়েই পেশাগত জীবনে নতুন পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।জেইন গ্লোবালে নতুন দায়িত্বে হাসান মাসুদের কাজের পরিধি হবে শিক্ষার্থীসেবা, ব্র্যান্ডিং ও যোগাযোগ কার্যক্রম ঘিরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।জেইন গ্লোবালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। হাসান মাসুদের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও যোগাযোগ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও কার্যকর যোগাযোগ এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে চায় তারা।হাসান মাসুদের ক্যারিয়ার বরাবরই ছিল গতানুগতিকতার বাইরে। সেনাবাহিনীর চাকরি দিয়ে শুরু, এরপর সাংবাদিকতা। তারপর অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি লেখক ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।অভিনয়ের ব্যস্ত দিনগুলো থেকে অনেকটাই দূরে সরে যাওয়া হাসান মাসুদের সামনে এখন নতুন ধরনের দায়িত্ব। ক্যামেরার সামনে চরিত্র হয়ে ওঠার বদলে এবার তাকে কাজ করতে হবে ব্র্যান্ড, শিক্ষার্থী ও যোগাযোগ নিয়ে।পেশাজীবনে একাধিকবার পথ বদলেছেন হাসান মাসুদ। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়েছেন তিনি। এবার অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে কর্পোরেট দুনিয়ায় পা রেখেছেন। নতুন এই অধ্যায়ে তার দীর্ঘ কর্মঅভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগে, সেটিই দেখার বিষয়।

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবসে ঢাকা পদাতিকের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'র মঞ্চায়ন

ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরাধীন মাতৃভূমিকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চট্টগ্রামের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মহান আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষ্যে মঞ্চনাটক 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের অঙ্কিত প্রতিকৃতি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ঢাকা পদাতিক।ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবন-এর সহযোগিতায় আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হবে।রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় নাট্যদল ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'। এবার ঐতিহাসিক এই নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের বিয়োগান্তক বিষয়বস্তুকে উপজীব্য করে নাটকটি মঞ্চে আনে ঢাকা পদাতিক।স্থানীয় ট্যুর খুঁজুননাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নাটকটির নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন দেশের প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। প্রয়োজন অনুযায়ী, নাটকটির কিছু অংশে অলংকরণ ও মঞ্চ-পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি।নাটকটি মঞ্চপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শক্তিশালী সংলাপ এবং নির্মাণশৈলীর কারণে এটি বর্তমানে নাট্যাঙ্গনের আলোচিত প্রযোজনাগুলোর অন্যতম। এরই মধ্যে ভারতের দিল্লিতে নাটকটির প্রথম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দর্শক ও নাট্যসমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। নবনির্দেশনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নাদের চৌধুরী বলেন, "ট্রায়াল অব সূর্যসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এর রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মাসুম আজিজ ভাই। তাঁর প্রয়াণের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু অংশে অলংকরণ করে নবনির্দেশনার কাজটি করেছি। নাটকে আমি মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করছি। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।"প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অপর্ণা চক্রবর্তী, নির্মল সেন, ব্রিটিশ উকিল, নেত্র সেন ও বাঙালি উকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসান, আক্তার হোসেন, রবিউল ইসলাম মিলটন, শাহনাজ পারভীন জয়া, তারেক আলী মিলন, কাজী সম্রাট, আতিকুর রহমান, আল আমিন স্বপন, সুমন ঘোষ, নূর, খাজা ফরিদউল্লাহ, জাহিদ প্রমুখ। নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ, সংগীত পরিচালনায় আবুল বাশার সোহেল এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন শ্যামল হাসান।২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক সফল মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে নাটকটি ইতিহাসভিত্তিক নাট্যপ্রযোজনার অন্যতম আলোচিত সংযোজন হিসেবে দর্শকমহলে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।এবারের 'ট্রায়াল অব সূর্যসেন'-এর বিশেষ প্রদর্শনীর শুরুতে সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ তপোবন-এর শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন।মিলনায়তনের প্রবেশপথেই প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুবিবদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট যুদ্ধের ছবি। এছাড়া সেইসব যুদ্ধে শহীদ চট্টগ্রামের অমর বিপ্লবীদের ছবি এবং ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও এতে প্রদর্শিত হবে। অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরপরই শুরু হবে ট্রায়াল অব সূর্যসেন-এর মঞ্চায়ন। বিশেষ এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত।

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও কন্যা সন্তানের মা হলেন দীপিকাম বাবা হলেন রণবীর

আবারও বাবা হলেন বলিউড তারকা অভিনয়শিল্পী রণবীর সিং আর মা হলেন তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) তাদের ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়ের জন্মের সুখবর জানিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।দীপিকা ও রণবীর যৌথভাবে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায় নবজাতকের পায়ের ছাপ। ছবির সঙ্গে লেখা রয়েছে, ‘ওয়েলকাম বেবি গার্ল! ১৯/৯/২০২৬। দোয়া, দীপিকা অ্যান্ড রণবীর।’এর মধ্য দিয়ে তাদের দুই বছরের মেয়ে দোয়া পেল ছোট বোন। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের আগে বেশ কিছুদিন ধরেই দীপিকা ও রণবীরের পরিবারে নতুন অতিথি আসার খবর নিয়ে আলোচনা চলছিল।চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল দ্বিতীয়বার বাবা-মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন দীপিকা ও রণবীর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই পোস্টে দেখা যায়, তাদের মেয়ে দোয়ার হাতে একটি ইতিবাচক গর্ভধারণ পরীক্ষার কিট। তখনই জানানো হয়েছিল, সেপ্টেম্বরেই আসছে তাদের দ্বিতীয় সন্তান। সন্তান জন্মের কয়েক দিন আগে, ১৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে একসঙ্গে দেখা যায় দীপিকা ও রণবীরকে। ২০২৪ সালে প্রথম সন্তান দোয়ার জন্মের আগেও একই মন্দিরে গিয়েছিলেন তারা। সেবার ৬ সেপ্টেম্বর মন্দিরে যাওয়ার দুই দিন পর, ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম হয়েছিল দোয়ার।এবারও সেই ঘটনার সঙ্গে মিল পাওয়া গেল। তবে দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের খবরটি এবার আর কোনো জল্পনা নয়; দীপিকা ও রণবীর নিজেরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিশ্চিত করেছেন।২০১৮ সালে বিয়ে করেন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান দোয়ার জন্ম হয়। এবার পরিবারে যুক্ত হলো আরও এক কন্যাসন্তান।দীপিকা পাড়ুকোন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। যাকে বলা হতো বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭ টি সিনেমা উপহার দেওয়া প্রয়াত এই চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে পা দিতেন। সবার প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে, মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়েছিলেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে। ছবিটিতে অভিনয়ের পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি হয়ে ওঠেন কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭ সিনেমায় অভিনয় করে পেয়েছেন আকাশ সমান জনপ্রিয়তা। যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। এরপর কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সবশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি বলা হয়। ক্যারিয়ারে সালমানের করা ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ক্ষণজন্মা তুমুল জনপ্রিয় এই নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের প্রস্তুতি

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

দেশজুড়ে সকল পণ্যে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর ৮৪তম জন্মবার্ষিকী, তার দীর্ঘদিনের অবদান ও দূরদর্শী চিন্তাকে স্মরণ করে দেশজুড়ে ৫০০টিরও বেশি স্টোরে ফাউন্ডার্স ডে উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে এপেক্সের সকল পণ্যে থাকছে ২৬ শতাংশ ছাড়।এই বিশেষ ছাড় উপভোগ করা যাবে এপেক্সের সবকটি রিটেইল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইন কেনাকাটাতেও। ফলে জুতা, স্যান্ডেল, লেদার ব্যাগ, বেল্ট, অ্যাকসেসরিজ ও অ্যাপারেলসহ পরিবারের সব বয়সী সদস্যের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পাশাপাশি, বিশেষভাবে নারীদের জন্য বৈচিত্র্যময় কালেকশন থেকে ক্রেতারা পছন্দমত পণ্যটি বিশেষ ছাড়ে কিনতে পারবেন।নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন কালেকশন ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহের পাশাপাশি ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে বিশেষ ছাড়কে কেন্দ্র করে স্টোরগুলোতে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর কেনাকাটার পরিবেশ। গত কয়েক বছরের ফাউন্ডার্স ডে উদযাপনের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজনেও উৎসব, বিশেষ দিন, কিংবা বিভিন্ন মৌসুমকে মাথায় রেখে বাজারে নিয়ে আসা এপেক্স পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনাকাটার দারুণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারছে ক্রেতারা। এপেক্সের সঙ্গে এ দেশের মানুষের দীর্ঘ পথচলাকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর ২৬ সেপ্টেম্বর এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করে থাকে। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী গুণগত মান ও গ্রাহকের আস্থা ভিত্তির ওপর এপেক্সেকে গড়ে তুলেছিলেন। তার সেই স্বপ্নকে স্মরণ করে এবং বিশেষ এই কেনাকাটার অভিজ্ঞতার অংশ হতে এপেক্সের নিকটস্থ আউটলেটে আসার জন্য ক্রেতাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এপেক্স।

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে “মেড ইন বাংলাদেশ” লেবেল যেভাবে পালটে গেল

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

কমেছে সোনার দাম

কমেছে সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।​সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এ নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।​সোনার দামের সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা।

ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক মূল্যে ডিম বিক্রির আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক মূল্যে ডিম বিক্রির আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি, আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন ৪০ হাজার পরিবার

১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি, আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন ৪০ হাজার পরিবার

৮ম বারের মতো মেটলাইফ এর সাথে চুক্তি নবায়ন করলো এন আর বি ব্যাংক

৮ম বারের মতো মেটলাইফ এর সাথে চুক্তি নবায়ন করলো এন আর বি ব্যাংক

অক্টোবরে শুরু হবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা

অক্টোবরে শুরু হবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করবে। প্রথম দফার আলোচনায় দুই দেশের বাজারসুবিধা, ব্যবসার সুযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে।বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। একই দিন মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের (এমআইটিআই) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ড. রশিদি সাইদও ঢাকায় অক্টোবরের শেষ দিকে প্রথম দফার আলোচনা অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি হবেন এমবিএফটিএ আলোচনায় মালয়েশিয়ার প্রধান আলোচক।ড. রশিদি সাইদ বলেন, প্রথম দফার আলোচনায় দুই দেশ নিজেদের প্রয়োজন চিহ্নিত করার পাশাপাশি একে অপরকে কী ধরনের বাণিজ্যসুবিধা দিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করবে। বাজারে প্রবেশাধিকার ও ব্যবসার নতুন সুযোগসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসবে। পরবর্তী বৈঠকগুলো চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত চলবে।হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে এফটিএ স্বাক্ষরের জন্য ২০২৭ সালের ডিসেম্বরকে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অক্টোবরে ঢাকায় প্রথম দফার আলোচনা চুক্তি সম্পাদনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।গত জুনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের সময় দুই দেশের সরকারপ্রধান এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। ওই সফরের যৌথ বিবৃতিতে ২০২৭ সালের মধ্যে একটি ব্যাপক, ভবিষ্যৎমুখী ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক এফটিএ সম্পন্ন করার অঙ্গীকার করা হয়।বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য থাকলেও পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নেই। ফলে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা এফটিএর আওতায় সম্ভাব্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা, শুল্কছাড় ও বাণিজ্য সহজীকরণের অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন না।এফটিএ হলে দুই দেশের পণ্য ও সেবার বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত হতে পারে। মালয়েশিয়ার সরকারি বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা ম্যাট্রেডের ডেপুটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয় শংকর বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহজ করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে মালয়েশিয়া আগ্রহী।এফটিএ আলোচনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের বাণিজ্য ভারসাম্যের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি উপহাইকমিশনার শানারা মনিকার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় প্রায় ৩০৫ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিপরীতে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে প্রায় ২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, নিট ও ওভেন পোশাক, চামড়া ও পাদুকা, খাদ্য ও পানীয়, শাকসবজি এবং মসলা। অন্যদিকে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসে খনিজ জ্বালানি, ভোজ্যতেল ও চর্বি, লোহা ও ইস্পাত, প্লাস্টিক, যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্য।এ অবস্থায় এফটিএর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাদুকা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে চুক্তিটি ভূমিকা রাখতে পারে।বাংলাদেশের জন্য এফটিএর গুরুত্ব আরও বাড়ছে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে। এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ বিভিন্ন বাজারে শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে পণ্য রপ্তানির সুবিধা পেয়ে থাকে। উত্তরণের পর এসব অগ্রাধিকারমূলক সুবিধার কিছু পরিবর্তিত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির গুরুত্ব বাড়বে।এফটিএর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানোর সুযোগ তৈরি হলে দেশটির বাজারে পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা জ্বালানি, যন্ত্রপাতি, লোহা ও ইস্পাতসহ শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও পণ্যের বাণিজ্য কাঠামোও আরও সুসংগঠিত করা সম্ভব হবে।এদিকে মালয়েশিয়ার হালাল পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্যকে মালয়েশিয়ার হালাল কর্তৃপক্ষ জাকিম হালাল সনদ দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে হালাল সনদ প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।তবে শুধু স্বীকৃতি পেলেই হবে না উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, আন্তর্জাতিক হালাল বাজারে আরও কার্যকরভাবে প্রবেশ করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে কারিগরি দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে।বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল হালাল শোকেস (মিহাস) পরিদর্শনকালে তিনি বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রাণ, এপেক্স কনভিনিয়েন্স ফুডস লিমিটেড, ঘরের বাজার, প্যারাগন এগ্রো লিমিটেড, তালুকদার এগ্রো ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ, নোরিশ ফুডস লিমিটেড ও বায়োফার্মা লিমিটেডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।এ সময় হাইকমিশনারের সঙ্গে ছিলেন মিহাসের আয়োজক মালয়েশিয়ার সরকারি বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা ম্যাট্রেডের ডেপুটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয় শংকর।দুই দেশের মধ্যে এফটিএ আলোচনা শুরু হলে বাজারসুবিধা, শুল্ক কাঠামো, পণ্য ও সেবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সহজীকরণের মতো বিষয়গুলো ধাপে ধাপে আলোচনায় আসবে। ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে অক্টোবরের শেষের ঢাকার বৈঠক তাই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন পর্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মালদ্বীপে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে হাইকমিশনে জামায়াত নায়েবে আমীরের মতবিনিময়

মালদ্বীপে প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে হাইকমিশনে জামায়াত নায়েবে আমীরের মতবিনিময়

মালয়েশিয়ায় ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

দিনে গড়ে ৩৭টি অভিযান, ১ হাজার ৭২০ নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা মালয়েশিয়ায় ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র‍্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‌্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‌্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র‌্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

দশ বছরের কৌশলগত পার্টনারশিপ করলো গ্রামীণফোন ও বাংলাদেশ পুলিশ

দশ বছরের কৌশলগত পার্টনারশিপ করলো গ্রামীণফোন ও বাংলাদেশ পুলিশ

সংযোগ ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ পুলিশের সাথে দশ বছরের একটি কৌশলগত পার্টনারশিপ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর সিরিজ (০১৩২০০০০০০০–০১৩২০২৯৯৯৯৯) এবং অফিসিয়াল ও সল্যুশন-ভিত্তিক নম্বরগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সংযোগ সেবা প্রদান করবে অপারেটরটি। এছাড়া অনলাইন জিডি এবং ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস)-এর মতো প্রধান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট সহায়তাও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন এবং গ্রামীণফোনের হেড অব ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিজ বিজনেস হেলাল উদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন। এসময় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার আসিফ নাইমুর রশীদ, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশ ও গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম বলেন, “দেশজুড়ে জনগণের সেবা , আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ পুলিশ। আমাদের কাজ ও জনগণকে সেবা দেওয়ার ধরন যেভাবে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, সেভাবে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও প্রযুক্তিও দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। গ্রামীণফোনের সাথে এই পার্টনারশিপ আমাদের যোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবার চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে। আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পুলিশিং জোরদার করতে একসাথে কাজ করার প্রত্যাশায় রয়েছি আমরা।” গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ পুলিশের পরিবর্তিত চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সক্ষমতা দিয়ে তাদের সহায়তা করা। এই চুক্তিটি ভবিষ্যতে উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোকে কীভাবে আরও সুসংহত ও দক্ষ পরিচালনায় কাজে লাগানো যায় তা বোঝার সুযোগ তৈরি করে দেবে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি যখন দায়িত্বশীলভাবে এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো হয় তখন তা সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হয়। আমাদের সক্ষমতা দিয়ে একটি নিরাপদ ও আরও স্মার্ট আগামী গড়তে অবদান রাখার প্রত্যাশায় রয়েছি আমরা।”

এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের

এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন হুয়াওয়ের

দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি

দেশের বাজারে নতুন টেকনো স্পার্ক ৫০সি

মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’

মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

শিরোনাম
বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় তিনজনের মৃত্যু; আহত ছয় জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন উত্তরায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ও নারীসহ ১৫ জন আটক গোপালগঞ্জে হাজরা হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতা আটক ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল ভাঙ্গায় হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও শাশুড়ি ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিশালে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ৩ এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ থেকে ককটেল ও বোমা উদ্ধার, চলছে নিষ্ক্রিয়ের কাজ ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় তিনজনের মৃত্যু; আহত ছয় জাতিসংঘ সফরে ৩২ কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন উত্তরায় শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের সময় ছাত্রলীগের সভাপতি ও নারীসহ ১৫ জন আটক গোপালগঞ্জে হাজরা হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতা আটক ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল ভাঙ্গায় হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও শাশুড়ি ধ্বংস করা রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন ‘অত্যাচারের উৎসব’ চলছে: মান্না ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসিকে স্বাগত, ৭ দফা দাবি শিক্ষার্থীদের হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ শিশুর ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট