মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সংক্রামক ব্যাধি হামের উপসর্গে মারা গেছে একজন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৩ জন। একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১০ জন। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম ও ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে সারাদেশে ১ হাজার ২০৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গে ১ হাজার ১০৩ জন।অন্যদিকে চলতি বছরে বুধবার (২০ অক্টোবর) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মারা গেছেন ৩৬২ জন। একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৩ জন।এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক এবং ইন্দোনেশিয়া প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে বুধবার (২১ অক্টোবর) একটি বহুপাক্ষিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বলে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। খবর পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের।তুর্কি মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, কাতারে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে চার দেশের মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয় থেকে শেয়ার করা ছবিতে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে দেখা যায়।অন্যান্য স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ছিলেন তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়াসার গুলের, কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সৌদ বিন আব্দুলরহমান এবং ইন্দোনেশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইউসুফ জৌহারি। এছাড়া অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সচিবালয়ের প্রধান হালুক গোরগুন উপস্থিত ছিলেন।বার্তা সংস্থা রয়টার্স তুর্কি মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, 'বদর সমঝোতা স্মারক' শীর্ষক এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা।মন্ত্রণালয়টি আরও জানিয়েছে যে, এই চুক্তি যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং দেশগুলোর নিজ নিজ প্রতিরক্ষা শিল্পের মানোন্নয়নে যৌথ প্রচেষ্টায় অবদান রাখবে।এদিকে, তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা 'আনাদোলু এজেন্সি' মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানায়, এই সমঝোতা স্মারকটি আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সমাধান ও শিল্প খাতের বিকাশ ঘটাতে সহায়ক হবে।উল্লেখ্য, এই তিনটি দেশের সাথেই পাকিস্তানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে; বিশেষ করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কাতার এবং তুরস্কের সাথে পাকিস্তানের নিবিড় কূটনৈতিক সম্পর্ক লক্ষ্য করা গেছে।পাকিস্তান ও তুরস্ক দুটি দেশই সৌদি আরবের সঙ্গে 'মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স'-এর সদস্য, যার শর্তানুযায়ী সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়। কাতার এর আগে এই জোটকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারের একটি ইতিবাচক প্রচেষ্টা হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিল।
আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে অভিযোগ তুলেছেন তার জবাবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ভুল রাজনীতি করে বিএনপি সরকারই আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দিচ্ছে।পরওয়ার বলেন, ‘দেশটাকে অরাজকতা, অস্থিরতার আগুনের মধ্যে ঠেলে দেবেন না। দেশে অশান্তি তৈরি করে, রাজপথকে উত্তপ্ত করার দিকে ঠেলে দিয়ে, আপনারাই ভুল রাজনীতি করে আওয়ামী লীগকে এখানে ইন করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।’আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।এর আগের দিন মঙ্গলবার রাজশাহীর এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের একটি অংশ মিলে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বাইরে থেকে আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দলকে অর্থ দিচ্ছে, আর সেই দল দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য জানানো হয়।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক অপরিপক্বতা ও অদূরদর্শী নেতৃত্ব থেকে সরে না আসায় সাত মাসেই সরকার লেজেগোবরে অবস্থায় পড়েছে। সরকার বিরোধী দলের ওপর নিজেদের অপকর্মের দায় চাপানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব সরকারের অপকর্ম ও দলীয়করণ জাতির সামনে তুলে ধরা। এসবের সমালোচনা করলেই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ ফ্যাসিবাদের পথ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে বিরোধীদের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে। সরকার বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ ও শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার জন্য বিরোধী দলকে দায়ী না করে সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল কর্মসূচি পালন করলেও এখন পর্যন্ত হরতাল-অবরোধ করেনি, গাড়িতে আগুন দেয়নি বা ভাঙচুর চালায়নি। দেশকে অস্থিতিশীল হতে না দেওয়ার স্বার্থেই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে।গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় মেনে নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গোলাম পরওয়ার।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজার রহমান ইরান। এতে ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া পথে তৃতীয় দফার লংমার্চে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে সড়ক নিরাপত্তায় এক বছরের পূর্ণাঙ্গ, সময়বদ্ধ ও পরিমাপযোগ্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।তিনি বলেন, ২২ অক্টোবর থেকে পরবর্তী বছরের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সড়ক নিরাপত্তায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করে পরিকল্পনা নিতে হবে। একই সঙ্গে পরবর্তী জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও ঘাটতির হিসাব দেশবাসীর সামনে প্রকাশ করতে হবে।বুধবার (২১ অক্টোবর) লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেওয়া এক বার্তায় দেশবাসী, নিসচার নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সড়ক ব্যবহারকারীদের জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনের আহ্বান জানান তিনি।ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সড়ক নিরাপত্তায় কী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, কোন সংস্থা কখন কোন কাজ করবে এবং অগ্রগতি কীভাবে যাচাই করা হবে, তা কর্মপরিকল্পনায় স্পষ্ট থাকতে হবে। পরবর্তী বছরের ২২ অক্টোবর গত এক বছরের কাজের প্রকাশ্য মূল্যায়ন করতে হবে। কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কেন লক্ষ্য পূরণ হয়নি, সেসব তথ্যও দেশবাসীকে জানাতে হবে।তিনি বলেন, এভাবে প্রতি বছর পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও সংশোধনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস কেবল আনুষ্ঠানিক দিবস হয়ে থাকবে না। বরং সড়ক নিরাপত্তায় দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিমাপের গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে উঠবে। সরকারের প্রতি তার প্রত্যাশা, এবারের ২২ অক্টোবর থেকেই এক বছরের কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তী দিবসে তার বাস্তব অগ্রগতি ও ঘাটতির হিসাব প্রকাশ করা হবে।সড়ক দুর্ঘটনাকে নিয়তি বা দুর্ভাগ্য বলে মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনে অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালনা, চালকের ক্লান্তি বা অদক্ষতা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অনিরাপদ সড়ক, পথচারীদের নিরাপদে পারাপারের অভাব এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা না পাওয়ার মতো ঝুঁকি রয়েছে। এসব ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে বহু প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব।সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও বাজারের কাছে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে পথচারীদের জন্য দখলমুক্ত ফুটপাত, নিরাপদ পারাপার, পর্যাপ্ত সড়কবাতি ও স্পষ্ট নির্দেশক নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা কার্যকর করার পাশাপাশি ত্রুটিপূর্ণ ব্রেক ও টায়ার, অতিরিক্ত যাত্রী বা মালামাল বহন এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামের ঘাটতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তার মতে, চালকের লাইসেন্স দেওয়ার আগে দক্ষতা যাচাই ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পেশাদার চালকদের কর্মঘণ্টা ও বিশ্রামের নিয়মও কার্যকরভাবে মানতে হবে।সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, দায়িত্ব বণ্টন ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনার ওপর জোর দেন নিসচা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কোথায় ও কখন দুর্ঘটনা ঘটছে, কারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন এবং দুর্ঘটনার কারণ কী, তা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক সংশোধন, বাজেট বরাদ্দ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।দুর্ঘটনার পর শুধু দায়ী ব্যক্তি শনাক্ত করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দুর্ঘটনার পেছনে সড়ক, যানবাহন, পরিবহন পরিচালনা ও তদারকির যেসব ত্রুটি রয়েছে, সেগুলোও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে আহ্বান জানান।ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ১৯৯৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনকে হারানোর পর তিনি মানুষের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৪ সাল থেকে ২২ অক্টোবরকে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি সড়ক নিরাপত্তার দাবি তুলে ধরে। নিসচার দীর্ঘ আন্দোলন ও দাবির ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে সরকার দিনটিকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ঘোষণা করে।নিসচার ইতিহাস ও অবদান আড়াল করা কিংবা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তাৎপর্য বিকৃত করার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন, ত্যাগ ও প্রামাণ্য ইতিহাসকে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে মুছে ফেলা যায় না। এ বিষয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে তথ্য, নথি ও সত্যের ভিত্তিতে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশে না থাকলেও নিসচার কাজ থেমে থাকবে না উল্লেখ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, নিসচার ইতিহাস ও আদর্শ ধারণ করে তথ্যভিত্তিকভাবে কথা বলতে হবে এবং সড়ক নিরাপত্তার আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে।জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আহত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকার, পরিবহনমালিক-শ্রমিক, চালক, যাত্রী, পথচারী, গণমাধ্যম, নাগরিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করার আহ্বান জানান।ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়কে প্রতিটি জীবন মূল্যবান। দুর্ঘটনাকে নিয়তি হিসেবে মেনে না নিয়ে ঝুঁকি চিহ্নিত করা, আইন প্রয়োগের দাবি তোলা এবং নিরাপদ অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে মানুষের জীবন রক্ষা করতে হবে।
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) দ্বিতীয় চালান।কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৩ মিনিটে জ্বালানিবাহী বিশেষ গাড়িবহরটি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।এর আগে একই দিন ভোর ৪টা ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কড়া পাহারায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহরটি ঈশ্বরদীর উদ্দেশে রওনা হয়। ঢাকা থেকে পাবনা পর্যন্ত পুরো মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। ইউরেনিয়াম পরিবহনে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত ছিলেন।এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে রাশিয়া থেকে জ্বালানিবাহী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে চালানটি গ্রহণ করেন।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট সাতটি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য আনা হবে আরও দুটি চালান। সব মিলিয়ে মোট নয়টি চালানে জ্বালানি সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সবই চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা।২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য জ্বালানি দেশে আনা হয়। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়। সেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১১ অক্টোবর দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্রটির কমিশনিং কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।প্রকল্পের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
আজ বিজয়া দশমী। চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দশমী পূজার আনুষ্ঠানিকতা। পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনের এ আয়োজনে শেষ হবে সনাতন ধর্মের সর্ববৃহৎ দুর্গাৎসব।বুধবার (২১ অক্টোবর) দেশের প্রতিটি মণ্ডপে সকালে চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দশমীর পূজার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর অপরাজিতা পূজা, দশোপচারে দেবীর আরাধনা, গণেশসহ অন্যান্য দেবদেবীর পূজা, আরতি ও পুষ্পাঞ্জলির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে সমাপনপর্ব। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দর্পণ ও ঘট বিসর্জনের পর শুরু হয় দেবীবরণের আয়োজন। এ সময় বিবাহিত নারীরা একে একে দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁকে বিদায় জানান। এরপর একে অপরের কপালে ও মুখে সিঁদুর মাখিয়ে উদ্যাপন করেন সিঁদুর খেলা।সিঁদুর খেলার এই আয়োজনে দেবীর কাছে সংসারের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন নারীরা। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীর চরণে নিবেদিত সিঁদুর ঘরে সংরক্ষণ করলে সংসারে মঙ্গল ও সমৃদ্ধি আসে। তাই দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার প্রত্যাশা নিয়ে বিজয়া দশমী উদ্যাপন করছেন ভক্তরা।ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায়ের সুরে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা। সেই সঙ্গে আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের অপেক্ষায় থাকবেন তাঁরা।
সাংবাদিক লুৎফর জামান ফকির আলিফকে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার সন্দিগ্ধ আসামি আশিকুর রহমান প্রাঙ্গন (২১) কে গ্রেপ্তার করা হয়।নিহত লুৎফর জামান ফকির ওরফে আলিফ রুপসী বাংলা আইপি টিভি নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। এছাড়াও তিনি ডিটেকটিভ আর্টিকেল নামক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজ ব্যবহার করে সীমান্ত এলাকার নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ওপর অনুসন্ধানী সংবাদ প্রচার করতেন।গত ১৫ অক্টোবর ২০২৬ রাতে স্থানীয় মনোহারী দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে বাড়ি ফেরার পথে আনুমানিক রাত ০৭:৪৫ ঘটিকায় অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তার ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। দুষ্কৃতিকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রে খনিজ তেলের মজুত কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারেরও বেশি বেড়েছে।বুধবার (২১ অক্টোবর) অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০.৩৮ ডলারে এবং মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে ৯৯.১৮ ডলারে পৌঁছেছে। বাজার গবেষণা সংস্থা ডিবিএস-এর জ্বালানি গবেষণা প্রধান সুভ্র সরকার জানান, কাতার বা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তির আশা অনিশ্চিত হয়ে পড়া এবং আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত হ্রাস পাওয়ার খবরে এই দরবৃদ্ধি ঘটেছে।তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা কেপলারের মতে, গত দুই সপ্তাহে অন্তত ১৮টি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং ইরান কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরেও তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।সৌদি আরবে সৌদি আরামকোর ইয়ানবু কেন্দ্র, শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং রিয়াদ ও আবহা বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা আক্রমণ চালিয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর ওপর হুতিদের হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলায় মার্কিন জ্বালানি বিভাগ আন্তর্জাতিক রিফাইনারিগুলোর সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে।সূত্র: রয়টার্স
দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শ্রমবাজারে সহযোগিতা জোরদারে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি।সিউলে ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন—এনইএসএ এবং কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়া—সিএকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, কোরীয় ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাণশিল্পে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি।এ সময় বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কোরিয়ার শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে দেশটিতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রেও এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
২০২৭ যুব নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ ও নেপাল। ১৬টি দলকে নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৬ ফেব্রুয়ারি।বুধবার (২১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টুর্নামেন্টটির পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে। দুই আয়োজক দেশের মোট চারটি ভেন্যুতে ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভেন্যুগুলো হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং নেপালের কাঠমান্ডু।‘এ’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে আছে আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সহ-আয়োজক নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। অন্যদিকে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। ‘ডি’ গ্রুপে লড়বে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।আগামী ২১ জানুয়ারি চারটি ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এই টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে দিনের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে ইয়াং টাইগ্রেসরা। একই ভেন্যুতে বিকেলে অন্য ম্যাচে নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া।একই দিনে কাঠমান্ডু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সকালে শ্রীলঙ্কা লড়বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এবং বিকেলে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল উন্নীত হবে ‘সুপার সিক্স’ পর্বে। সুপার সিক্সে উঠে আসা দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে এবং সেখান থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে।আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেমিফাইনালের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি একই মাঠে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে কোনো কারণে খেলা না হলে ৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নতির প্রেক্ষিতে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে রিয়াদ রুটে ফ্লাইট চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।বুধবার (২১ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে ।এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দাম্মামগামী ফ্লাইট বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে পুনরায় চালু হয়েছে।জেদ্দাগামী ফ্লাইট চলবে ২২ অক্টোবর থেকে।অন্যদিকে, মদিনাগামী ফ্লাইট ১৮ অক্টোবর যথারীতি চলছে।
আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে অভিযোগ তুলেছেন তার জবাবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ভুল রাজনীতি করে বিএনপি সরকারই আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দিচ্ছে।পরওয়ার বলেন, ‘দেশটাকে অরাজকতা, অস্থিরতার আগুনের মধ্যে ঠেলে দেবেন না। দেশে অশান্তি তৈরি করে, রাজপথকে উত্তপ্ত করার দিকে ঠেলে দিয়ে, আপনারাই ভুল রাজনীতি করে আওয়ামী লীগকে এখানে ইন করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।’আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।এর আগের দিন মঙ্গলবার রাজশাহীর এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের একটি অংশ মিলে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বাইরে থেকে আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দলকে অর্থ দিচ্ছে, আর সেই দল দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য জানানো হয়।বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক অপরিপক্বতা ও অদূরদর্শী নেতৃত্ব থেকে সরে না আসায় সাত মাসেই সরকার লেজেগোবরে অবস্থায় পড়েছে। সরকার বিরোধী দলের ওপর নিজেদের অপকর্মের দায় চাপানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব সরকারের অপকর্ম ও দলীয়করণ জাতির সামনে তুলে ধরা। এসবের সমালোচনা করলেই অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ ফ্যাসিবাদের পথ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে বিরোধীদের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে। সরকার বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ ও শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার জন্য বিরোধী দলকে দায়ী না করে সরকারের উচিত মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল কর্মসূচি পালন করলেও এখন পর্যন্ত হরতাল-অবরোধ করেনি, গাড়িতে আগুন দেয়নি বা ভাঙচুর চালায়নি। দেশকে অস্থিতিশীল হতে না দেওয়ার স্বার্থেই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে।গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় মেনে নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গোলাম পরওয়ার।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজার রহমান ইরান। এতে ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া পথে তৃতীয় দফার লংমার্চে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
কক্সবাজারের মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশের সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। তিনি বলেন, দুই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনিও প্রাণ হারিয়েছেন। বাকি দুই পর্যটকের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
২০২৭ যুব নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ ও নেপাল। ১৬টি দলকে নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৬ ফেব্রুয়ারি।বুধবার (২১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) টুর্নামেন্টটির পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে। দুই আয়োজক দেশের মোট চারটি ভেন্যুতে ৪১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ভেন্যুগুলো হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং নেপালের কাঠমান্ডু।‘এ’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে আছে আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সহ-আয়োজক নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। অন্যদিকে ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। ‘ডি’ গ্রুপে লড়বে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।আগামী ২১ জানুয়ারি চারটি ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে এই টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে দিনের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে ইয়াং টাইগ্রেসরা। একই ভেন্যুতে বিকেলে অন্য ম্যাচে নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া।একই দিনে কাঠমান্ডু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সকালে শ্রীলঙ্কা লড়বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এবং বিকেলে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিনটি দল উন্নীত হবে ‘সুপার সিক্স’ পর্বে। সুপার সিক্সে উঠে আসা দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে এবং সেখান থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে।আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সেমিফাইনালের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে হিসেবে রাখা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি একই মাঠে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে কোনো কারণে খেলা না হলে ৭ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালির ঐতিহ্য, ও সংস্কৃতিরও অন্তর্গত। পূজার সময় মণ্ডপ, প্রতিমা, সাজসজ্জা, অঞ্জলি, প্রসাদ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন; এই সবকিছুতেই থাকে আলাদা আবেগ। এখন সেই উৎসবের আনন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে। তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটররা দুর্গাপূজার বিভিন্ন দিক নতুনভাবে তুলে ধরছেন।দুর্গাপূজাকে ঘিরে তৈরি ভিডিওগুলোতে দেখা যায় সাজসজ্জা, ফ্যাশন, এবং পূজার আনন্দ। #Durgapuja হ্যাশট্যাগে ইতোমধ্যে ৫ লাখেরও বেশি ভিডিও টিকটকে পোস্ট করেছেন ইউজাররা। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমানের মতো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা এখন তুলে পূজার ফ্যাশন নিয়ে তুলে ধরছেন বিশেষ কনটেন্ট।ইজা (@itss.eza) মূলত মেকআপ, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন। টিকটকে তিনি বিভিন্ন উৎসব ও মৌসুমকে কেন্দ্র করে টিউটোরিয়াল দেন। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, কিংবা কেমন মেকআপ কখন করতে হবে, সেটি তার ভিডিওতে উঠে আসছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি নানা ধরনের ফ্যাশন ও মেকআপ লুকের ভিডিও বানিয়েছেন। শাড়ি পরার ধরন, নানান স্টাইলে চুলে ফুল গোঁজা, আর নতুন চুড়িতে পূজার সাজপোশাক তুলে ধরছেন ইজা। এছাড়া, পূজার ছুটিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে কোথায় ঘুরতে যাওয়া যায়, কিংবা বন্ধুদের সাথে কোথায় সময় কাটানো যায়, এসবও তিনি তুলে ধরছেন।প্রত্যাশার (@protyasha_zh) কনটেন্টে সাজগোজ ও ফ্যাশনের বিষয়বস্তু বেশি দেখা যায়। বেশ কিছু ভিডিও তিনি স্কিনকেয়ার নিয়ে বানিয়েছেন। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ লুক, ফ্যাশন ও ট্রেন্ড নিয়ে তিনি ভিডিও দিয়েছেন। সেসব ভিডিওতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, পূজার প্রাণকেন্দ্র পুরান ঢাকা আর বিভিন্ন ধাঁচের ফ্যাশনও উঠে এসেছে। গয়না, সাজ আর পোশাকের ফিউশন তাঁর ভিডিওগুলোকে সবার থেকে আলাদা করে তোলে। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা শাড়ি, কপালের টিপের সাথে শাঁখা-পলা, ফুলের গয়না ও চুলের সাজ দেখা যায় তার ফ্যাশন কনটেন্টে। পাশাপাশি আবহাওয়া অনুযায়ী আরামদায়ক ও মানানসই সাজের পরামর্শও মিলবে তার কনটেন্টে।শার্লি রহমান (@iamthedemig0d) একজন মেক আপ এবং ফ্যাশন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কেনাকাটার ভিডিওসহ প্রতিদিনের জন্য "গেট রেডি উইথ মি", কিংবা কম খরচে বেস্ট লুকের জন্য "অ্যাফোর্ডেবল গ্ল্যাম" এর মতো কনটেন্ট তুলে ধরেন শার্লি। দূর্গাপুজাকে মাথায় রেখেও তিনি বেশ কিছু ফ্যাশন এবং মেক আপ কনটেন্ট বানিয়েছেন। শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ দুই ধরনের পোশাকের সাথে কেমন সাজ, হেয়ারস্টাইল, গয়না এবং অন্যান্য এক্সেসরিজ পরতে হবে সেটিও তিনি তুলে ধরেন। ইজা, প্রত্যাশা এবং শার্লি রহমান-এর মতো বর্তমানের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা উৎসবের গল্প বলার ধরন বদলে দিয়েছেন। তাদের কনটেন্টের মাঝে ধর্মীয় উৎসব ঘিরে সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণের বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পূজার রঙ ও আনন্দ নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাস ২০২৬ উপলক্ষে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে এক সেমিনার ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন সোসাইটির চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সরদার এ নাঈম, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চিফ কার্ডিওলজি কনসাল্টেন্ট প্রফেসর ডাঃ এম. এ. বাকি, ভিজুয়ালি ইম্পেয়ার্ড পিপলস সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান চৌধুরী, সুইড বাংলাদেশ এর মহাসচিব মাহবুবুল মুনির, তরি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশফাক উল কবির, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করীম সিদ্দিকী, জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রজেক্ট ম্যানেজার বশির আল হোসাইন, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মুরাদ হোসেন খান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ কাজী খলিলুর রহমান, টিম গ্রুপ বিডি’র উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহিল নাকিব, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক অমিতাভ বড়ুয়া এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিগণ ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দৃশ্যমান কার্যক্রম ও উদ্যোগ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। তারা বলেন, সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে তাদের উপযোগী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতি জোর দেন বক্তারা।অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল ঢাকার আটটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত ড্যান্স সেলিব্রিটি গ্রুপ পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা মোঃ শাহদাত হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোসাইটির প্রোগ্রাম অফিসার ও সেলফ অ্যাডভোকেসি লিড আহমাদ ইবনে সালেহ।
বাংলা গানের ‘যুবরাজ’খ্যাত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। দীর্ঘদিনের বিরতি শেষে নতুন একক গান নিয়ে ফিরেছেন নন্দিত এই কণ্ঠশিল্পী। ‘ভুলে গেছি তোমাকে’ শিরোনামের গানটি এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।‘মন থেকে উঠে গেছো তুমি, ভুলে গেছি আমি তোমাকে, নেই ভালোবাসা বলে কিছু, বুঝেছি ভালোবেসে ঠকে, তোমারই পিছে ছুটেছি মিছে, পড়েছে কালি তাই চোখের নিচে’ এমন কথায় সাজানো গানটি লিখেছেন স্নেহাশীষ ঘোষ।গানটির সুর করেছেন রাজেশ ঘোষ এবং সংগীতায়োজন করেছেন এম এম পি রনি। ইয়ামিন এলানের পরিচালনায় নির্মিত মিউজিক ভিডিওতে আসিফ আকবর নিজেই অংশ নিয়েছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর আর মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে ‘ভুলে গেছি তোমাকে’।এই গানটির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর রাজেশ ঘোষের সুরে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর। আসিফের সংগীতজীবনের অন্যতম জনপ্রিয় অনেক গানের সুরকার রাজেশ ঘোষ। দীর্ঘদিনের এই শিল্পী-সুরকার জুটির বোঝাপড়াও বেশ পুরোনো। নতুন গানটি নিয়ে তাই প্রত্যাশাও বেশি আসিফের।গানটি প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেন, “অনেক দিন পর রাজেশ ঘোষের সুরে গান গাইলাম। আমার সংগীত ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু গানের সুরকার তিনি। তার সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটাও অনেক দিনের। আশা করছি, আমাদের এই পুরোনো শিল্পী-সুরকার জুটির নতুন আয়োজনটি সংগীতপ্রেমীদের ভালো লাগবে এবং প্রত্যাশা পূরণ করবে।”এদিকে, নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি বিদেশ সফরের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন আসিফ আকবর। ইনছন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন কোরিয়া (আইবিসিকে)-এর আয়োজনে ‘বাংলাদেশ উৎসব ২০২৬’-এ অংশ নিতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন তিনি।আগামী ১০ অক্টোবর ইনচিওনের সামসান ওয়ার্ল্ড জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। সেখানে সংগীত পরিবেশন করবেন আসিফ আকবর।
ভারতীয় চলচ্চিত্রের শক্তিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ায় নিজ বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার জানান, টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন ফেরানোর চেষ্টা) দেওয়া হলেও তাকে আর ফেরানো সম্ভব হয়নি।এদিকে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নানা পাটেকারকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাকে সিপিআর দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা চালান; তবে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তার ছেলে মালহার পাটেকার তখন পুনেতে ছিলেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি গোয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।মৃত্যুর ঘটনায় একটি মেডিকেল-লিগ্যাল কেস (এমএলসি) নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রে জন্ম নান পাটেকারের। তার আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকার। তীব্র অভিনয়, শক্তিশালী সংলাপ বলার ধরন এবং জটিল ও ব্যতিক্রমী চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দক্ষতার জন্য ভারতীয় সিনেমায় আলাদা অবস্থান তৈরি করেছিলেন তিনি। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেতা ‘নাটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘অব তক ছাপ্পান’ ও ‘ইয়েশবন্ত’সহ একাধিক প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় নানার। পরে ধীরে ধীরে নিজস্ব অভিনয়শৈলী দিয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি। বিশেষ করে ২০০০-এর দশকে ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ (২০০২), ‘অব তক ছাপ্পান’ (২০০৪), ‘অপহরণ’ (২০০৫) ও ‘ট্যাক্সি নাম্বার ৯২১১’ (২০০৬)-এ তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় আসেন নান পাটেকার। চরিত্রটির জনপ্রিয়তার কারণে ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এও তাকে একই ভূমিকায় দেখা যায়। পাশাপাশি ২০১০ সালের রাজনৈতিক থ্রিলার ‘রাজনীতি’ সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
বলিউডের অন্যতম তারকা জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। আবারও তাদের পরিবারে আসতে চলেছে নতুন অতিথি। কন্যাসন্তান সারায়াহর প্রথম জন্মদিনের আনন্দ কাটতে না কাটতেই আবারও মা হওয়ার ঘোষণা দিলেন এই বলিউড অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিশেষ ছবি শেয়ার করে জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের খবরটি ভক্তদের জানান কিয়ারা। যেখানে সিদ্ধার্থ ও মেয়ে সারায়াহর পাশাপাশি তিনজনের হাতে দেখা যায় এক জোড়া ছোট্ট শিশুর বোনা জুতো। গত বছর প্রথম সন্তান আসার সময় যেভাবে খবরটি ভাগ করেছিলেন তারা, এবারও প্রায় একই ধাঁচের ছবিতে ভরিয়ে তুলেছেন আবেগ। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘এমন এক অমূল্য আশীর্বাদে হৃদয় কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসায় ভরে উঠেছে।’২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমেরে জমকালো আয়োজনে চার হাত এক হয়েছিল এই তারকাদম্পতির। এরপর গত বছরের নভেম্বরে প্রথম সন্তান সারায়াহকে স্বাগত জানান তারা। মা হওয়ার পর খুব বেশি দিন ক্যামেরা থেকে দূরে ছিলেন না কিয়ারা। চলতি বছরেই সাউথ তারকা যশের বিপরীতে ‘টক্সিক’ সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি।মাতৃত্ব নিজের ভেতর কতটা রূপান্তর এনেছে, তা নিয়ে সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে কথা বলেন কিয়ারা। তার ভাষ্যমতে, মা হওয়ার পর জীবন সম্পূর্ণ নতুন এক মোড় নেয়। এমনকি নিজেকে আরও স্বাধীন ও শক্ত মানসিকতার বা ‘টাইগ্রেস’ মনে হয় বলে জানান তিনি।কাজের প্রতি কিয়ারার এই একাগ্রতার প্রশংসা করেছেন ‘টক্সিক’ সিনেমার সহ-অভিনেত্রী হুমা কুরেশিও। তিনি জানান, সিনেমাটির একটি ভারী বৃষ্টির দৃশ্যে শুটিং করার সময় কিয়ারা ছিলেন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শারীরিক নানান জটিলতা ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এতটুকু না দমে দৃশ্যটির কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করেছিলেন তিনি।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ব্যবসাসফল সিনেমা ‘শেরশাহ’-র সেটে প্রথম কাছাকাছি আসেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। সিনেমায় ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার চরিত্রে সিদ্ধার্থ এবং ডিম্পল চিমার চরিত্রে নজর কাড়েন কিয়ারা। পর্দার সেই প্রেম কালক্রমে বাস্তবে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন গোপন রাখার পর টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ সম্পর্কের কথা পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন তারা, যা পরবর্তীতে পরিণতি পায় ধুমধাম বিয়ের মাধ্যমে।
ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি অনন্য বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে বাংলার তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। প্যারিসের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার মসলিন ও অপ্সরা রূপে দেখা গেল এ অভিনেত্রীকে। তিনি রিয়া কাপুরের স্টাইলিং ও পোশাকের সমন্বয়ে ফ্যাশনে নিয়ে আসেন এক বৈচিত্র্য উপস্থাপনা।প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সেই অনুষ্ঠানে দেবীতুল্য ও মোহময়ী অবতারে ধরা দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন অভিনেত্রী। ফ্যাশন দুনিয়ার বিশ্ব সেরা ৫০০ প্রভাবশালী মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিত্বের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছেন তিনি। আর সেই উদযাপনের মঞ্চেই ভারতীয় ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি করে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান নিজেকে। বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরেন জাহ্নবী কাপুর।অভিনেত্রীর এই রাজকীয় স্টাইলিংয়ের নেপথ্যে ছিলেন কাপুর পরিবারের আরও এক কন্যা ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট রিয়া কাপুর। বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘পঙ্কজ এস হেরিটেজ’-এর কাস্টম ডিজাইনে নির্মিত এই পোশাকটিতে ঐতিহ্যবাহী শাড়ির আধুনিক রূপায়ণ ঘটানো হয়েছে।শাড়িটি তৈরি করা হয়েছে ৪৬০ কাউন্টের সুতা দিয়ে, যার মধ্যে ফুটে উঠেছে মসলিনের সূক্ষ্ম কারুকাজ আর ঐতিহ্যগতভাবে ‘বাফ-ই-হাওয়া’, ‘শবনমী’ বা ‘চাঁদনি’ নামে পরিচিত। আইভরি ক্যানভাসের ওপর পোখরাজ, পান্না, গার্নেট, মুক্তা ও সোনার পুঁতির চমৎকার কারুকাজ কাঁধ থেকে হাত পর্যন্ত ছড়ানো গহনার কাজ পোশাকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।২০২৬ সালের ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ তালিকায় বিশ্বজুড়ে আটটি ক্যাটাগরিতে ১০০ জন নতুন ব্যক্তিত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছেন আরও দুই ভারতীয় মডেল ভাবিতা মান্ডভা ও প্রীতিশা স্বরূপ।‘শানেল’-এর শো ওপেন করা প্রথম ভারতীয় নারী শানেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ভাবিতা মান্ডভা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মডেল, অপারেশন্স স্মাইলের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ও আয়ুর্বেদিক বিউটি ব্র্যান্ড ‘প্রাক্তি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রীতিশা স্বরূপ।
সকালে বের হওয়ার আগে স্কিন কেয়ার এখন অনেকেরই দৈনন্দিন রুটিনের অংশ। ফেসওয়াশ, টোনার, ময়েশ্চারাইজার ও সিরামের পাশাপাশি সেই রুটিনে জায়গা করে নিয়েছে সানস্ক্রিনও। তবে সানস্ক্রিন হাতে নেওয়ার পর, পছন্দ করার ক্ষেত্রে যে সংখ্যাটির দিকে সবচেয়ে আগে চোখ যায়, সেটি হলো এসপিএফ—সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর। কত এসপিএফ ব্যবহার করা উচিত, সেটি নিয়ে তাই প্রশ্নও থাকে অনেকের। কিন্তু তার আগে জানা দরকার, এসপিএফ আসলে কী?সহজভাবে বললে, এসপিএফ হলো সানস্ক্রিনের, সূর্যের আলো থেকে নির্গত ক্ষতিকর ইউভি বি এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়ার একটি পরিমাপ। অন্যদিকে UVA রশ্মিও ত্বকের ক্ষতি, অকাল বার্ধক্য এবং ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই শুধু SPF-এর সংখ্যা নয়, সানস্ক্রিনটি UVA ও UVB—দুই ধরনের রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় কি না, অর্থাৎ এটি ব্রড স্পেকট্রাম কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এসপিএফের সংখ্যা যত বাড়ে, UVB-এর বিরুদ্ধে সুরক্ষাও বাড়ে; তবে এই বৃদ্ধি সরলরৈখিক নয়। প্রচলিত হিসাবে SPF 15 প্রায় ৯৩%, SPF 30 প্রায় ৯৭% এবং SPF 50 প্রায় ৯৮% UVB রশ্মি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। SPF 100-এর ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ৯৯%। অর্থাৎ SPF 30 থেকে SPF 50-এ সংখ্যাটি অনেকটা বাড়লেও UVB ফিল্টার করার হারে পার্থক্য তুলনামূলকভাবে ছোট। এখানে আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—SPF কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রোদে নিরাপদে থাকার অনুমতি নয়। অর্থাৎ SPF 30 ব্যবহার করলে SPF 15-এর তুলনায় দ্বিগুণ সময় রোদে থাকা যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয়। সূর্যের তীব্রতা, কতটা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা হয়েছে, ঘাম, পানি এবং পুনরায় সানস্ক্রিন লাগানো হয়েছে কি না—এসবের ওপর বাস্তব সুরক্ষা অনেকটাই নির্ভর করে। তাহলে নিজের জন্য সঠিক সানস্ক্রিন বাছাই করার সময় কী দেখা উচিত?American Academy of Dermatology-এর পরামর্শ অনুযায়ী, দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য SPF 30 বা তার বেশি, broad-spectrum সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া ভালো। বাইরে থাকলে সাধারণভাবে প্রতি দুই ঘণ্টা পর সানস্ক্রিন পুনরায় লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়; সাঁতার কাটা বা বেশি ঘাম হলে আরও ঘন ঘন লাগাতে হতে পারে। এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—প্যাকেজে লেখা দাবিটির পেছনে পরীক্ষার প্রমাণ আছে কি না। একটি সানস্ক্রিনের বোতলে SPF 30, 50 বা 100 লেখা থাকলেই সেই সংখ্যাটি যে বাস্তব পরীক্ষায় একইভাবে পাওয়া গেছে, তা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। পরীক্ষার পদ্ধতি, পরীক্ষাটি কখন ও কোথায় হয়েছে এবং কোন ল্যাব তা করেছে—এসব তথ্যও ভোক্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাস্টমারদের কাছে কোম্পানিগুলো এসব তথ্য সহজভাবে তুলে ধরে না। ফলে কোনো পণ্য তার প্যাকেজে করা দাবির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা সাধারণ ক্রেতার পক্ষে যাচাই করা কঠিন হয়ে যায়।বাংলাদেশের বাজারে কিছু ব্র্যান্ড এখন তাদের SPF পরীক্ষার তথ্য প্রকাশ করছে।এই জায়গায় উদাহরণ হিসেবে Skin Cafe-এর একটি সানস্ক্রিনের পরীক্ষার তথ্য উল্লেখ করা যায়। ব্র্যান্ডটির শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, Skin Cafe Sunscreen SPF 50 PA+++ with Vitamin C পণ্যটি তাইওয়ানের বিখ্যাত Bionest Biochemical Technology Co., Ltd থেকে পরীক্ষিত। পরীক্ষার রিপোর্টে UV spectrophotometry পদ্ধতি ব্যবহার করে SPF 52.73 পাওয়া যায় বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া এটি WAFFEN Research Laboratory Limited-এ পরীক্ষার জন্য জমা দেওয়া হয়েছিল। উক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে UV spectrophotometry পদ্ধতি ব্যবহার করে SPF 52.51 পাওয়া যায়। রিপোর্টে উল্লেখিত ফলাফলটি প্যাকেজে দেওয়া SPF 50 দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।অর্থাৎ, সানস্ক্রিন কেনার সময় শুধু “SPF” লেখা আছে কি না, সেটি দেখলেই হবে না। SPF-এর পাশাপাশি ব্রড স্পেক্ট্রাম সুরক্ষা, পরীক্ষার পদ্ধতি ও ফলাফলের প্রমাণ এবং পণ্যটি নিজের ত্বক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সঙ্গে কতটা মানানসই—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা উচিত।শেষ পর্যন্ত সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা শুধু বোতলের একটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। সঠিক পরিমাণে ব্যবহার, নিয়মিত পুনরায় প্রয়োগ এবং রোদ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য ব্যবস্থা—সবকিছু মিলেই কার্যকর সান প্রোটেকশন তৈরি হয়। ইমপোর্টেড হোক কিংবা লোকাল—পণ্যের দাবি, পরীক্ষার পদ্ধতি ও ফলাফল এবং এসব তথ্য প্রকাশে ব্র্যান্ডের স্বচ্ছতা সম্পর্কে জানার অধিকার ভোক্তাদের রয়েছে। আর একটি ভালো সানস্ক্রিন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেই তথ্য জানাটাই হতে পারে প্যাকেজের বড় একটি সংখ্যার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সোনালী, রূপালী ও জনতা- রাষ্ট্রায়ত্ত এই তিন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। নিয়োগ বাতিল হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ক্ষেত্রে সরকারের সম্মতির বিষয়টি জানানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে চুক্তির শর্ত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।মো. শওকত আলী খান ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দেন। তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম তিন বছরের চুক্তিতে রূপালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। মো. মজিবর রহমান জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।তিন ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের পর এখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শ্রমবাজারে সহযোগিতা জোরদারে দেশটির সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি।সিউলে ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন—এনইএসএ এবং কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েশন অব কোরিয়া—সিএকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, কোরীয় ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাণশিল্পে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি।এ সময় বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কোরিয়ার শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে দেশটিতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রেও এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্বব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএন ট্যুরিজম) তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি পালন করা হয়।এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা সহজ করতে এবং এই খাতের টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশেও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর উদ্যোগে দিবসটি ঘিরে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিল শোভাযাত্রা, সাইকেল র্যালি এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ ‘সিটি ট্যুর’-এর আয়োজন করা হয়েছে।আজ সকালে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে শুরু হবে। পরে সকাল ৯টায় আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র্যালি শুরু হবে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র্যালিটি উদ্বোধন করবেন। র্যালিতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। পরে সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে সাইকেল শোভাযাত্রা। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে শিশুরা রাজধানীর বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর পৃথক একটি বৈঠক হবে। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আরো বেশি পর্যটককে বাংলাদেশে ভ্রমণে উৎসাহিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।মূল অনুষ্ঠানটি হবে আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে বাংলাদেশের খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলে ধরা হবে। স্টলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাদের নতুন ক্যাম্পেইন ‘মেক ইওর পূজা মোমেন্ট উইথ অপো’ উন্মোচন করেছে। স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দুর্গাপূজার বর্ণিল সাজসজ্জা, প্রাণবন্ত আলোকসজ্জা, ঐতিহ্য ও আনন্দ তুলে ধরাই এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে অপো দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশ, সজ্জিত প্যান্ডেল, প্রাণবন্ত আয়োজন, পরিবারের সাথে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্ত ও ব্যবহারকারীদের অনন্য গল্পগুলো তুলে ধরতে আহ্বান করেছে। সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর সাথে ব্যবহারকারীদের মেলবন্ধন উদযাপন করতে অপো নির্বাচিত কিছু ছবি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করবে। পূজা নাইট, পূজা কালার ও ফ্যামিলি মোমেন্ট, ক্যাম্পেইনে এই তিনটি থিম রয়েছে। সন্ধ্যা নামার পর আলোকিত পূজা মণ্ডপ, উৎসবের প্রাণবন্ত রঙ বা প্রিয়জনদের সাথে কাটানো স্মরণীয় মুহূর্ত, প্রতিটি থিমে ব্যবহারকারীরা উৎসবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এই ক্যাটাগরিগুলোর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ফটোগ্রাফি দক্ষতার পাশাপাশি, দুর্গাপূজার উৎসব ও ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে তোলে এমন মুহূর্তগুলো প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পেইনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের https://opposhot.com/puja_moment/ মাধ্যমে ছবি জমা দিতে পারবেন। প্রতিটি ছবি অপো স্মার্টফোনের মাধ্যমে তুলতে হবে ও ক্যাম্পেইনের যেকোনো একটি থিমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। ছবিগুলো জেপিজি, পিএনজি বা ওয়েবপি ফরম্যাটে জমা দিতে হবে ও প্রতিটি ছবি ১০ এমবির মধ্যে থাকতে হবে। ছবি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ অক্টোবর এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ১০ নভেম্বর। ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে। প্রথম বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফএম০৩, দ্বিতীয় বিজয়ী পাবেন ও’লাইক স্মার্ট ওয়াচ এফডব্লিউ৩ ও তৃতীয় বিজয়ী পাবেন অপো এনকো বাডস৩ প্রো। পুরস্কারের পাশাপাশি, নির্বাচিত ছবিগুলো অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল পেজ ও অপো কমিউনিটি পেজে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের সৃজনশীলতা আরও বেশি মানুষের কাছে তুলে ধরার সু্যোগ পাবেন।
দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।