ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রত্যাশিত সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে হলে প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা কিংবা অযথা বিতর্ক নয়, বরং জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বলতেন–জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে বিরোধ যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবার ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের আত্মত্যাগে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের সাহসী ভূমিকা আজও প্রেরণার উৎস।’ইতিহাসের সত্যকে গ্রহণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘হীন দলীয় স্বার্থে জাতীয় নেতাদের শ্রদ্ধায় কার্পণ্য করা হীনম্মন্যতার পরিচায়ক। ঐতিহাসিক সত্য মেনে নিতে দ্বিধা থাকা উচিত নয়।’ এ সময় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রবর্তনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করেন।এ বছর মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার পাশাপাশি অন্যান্য গুণীজন ও প্রতিষ্ঠানের অবদানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এই অবিস্মরণীয় অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য পাথেয় হয়ে থাকবে।দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল শাসন কাঠামোর মধ্যদিয়ে বর্তমান সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ফেরানোই আমাদের অগ্রাধিকার। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’শিক্ষাব্যবস্থার সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে এসেছিল। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করার বিকল্প নেই। সরকার এরইমধ্যে প্রতিটি সেক্টর চিহ্নিত করে জুলাই সনদ ও দলীয় ইশতেহার অনুযায়ী রাষ্ট্র মেরামতের কাজ শুরু করেছে।বৈশ্বিক সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখছে। জনগণকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। বিচলিত হওয়ার কারণ নেই।’ তবে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিলাসিতা ও অমিতব্যয়িতা পরিহার করতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত গুণীজনদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের দীর্ঘায়ু ও বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মান আরও বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

টানা চতুর্থ দিনের মতো লুফথানসা এয়ারলাইন্সের কর্মীদের ধর্মঘটে জার্মানিতে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এই ধর্মঘটের কারণে শত শত নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।এবারের ধর্মঘটে লুফথানসার মূল শাখার পাশাপাশি লুফথানসা কার্গো এবং আঞ্চলিক সহযোগী সংস্থা সিটিলাইন-এর পাইলট ও কেবিন ক্রুরা একযোগে অংশ নিয়েছেন। ফলে এয়ারলাইন্সটির স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ফ্রাপোর্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১ হাজার ৩১৩টি ফ্লাইটের মধ্যে ৬৫৬টিই বাতিল করা হয়েছে। যদিও এই পরিসংখ্যানের মধ্যে সব এয়ারলাইন্স অন্তর্ভুক্ত, তবে এর সিংহভাগই লুফথানসার ফ্লাইট।বেতন-ভাতা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লুফথানসা কর্তৃপক্ষ এবং পাইলটদের ইউনিয়ন ভেরেইনিগুং ককপিট-এর মধ্যে চলা মধ্যস্থতা আলোচনা বুধবার কোনও সমাধান ছাড়াই শেষ হয়। এই অচলাবস্থার কারণে ধর্মঘট অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ইউনিয়নটি।উল্লেখ্য, লুফথানসার শততম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের মধ্যেই এই ধর্মঘট কোম্পানিটির জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।এদিকে লুফথানসা গ্রুপের স্বল্প খরুচে এয়ারলাইন্স ইউরোউইংস-এ কেবল বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রুপের অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলোতে এই স্থবিরতা শুক্রবার পর্যন্ত গড়াতে পারে।ইউরোউইংসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ধর্মঘট সত্ত্বেও তারা ৭০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছেন। কারণ তাদের সব বিমান জার্মানির ধর্মঘট আইনের আওতাভুক্ত নয়। এছাড়া ধর্মঘটের মধ্যেও তিন শতাধিক পাইলট স্বেচ্ছায় কাজ করার জন্য এগিয়ে এসেছেন বলে কোম্পানিটি দাবি করেছে।সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান প্রধানমন্ত্রীর

১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এবারের তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র রক্ষা ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।এর আগে গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছিল। পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেকে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং সম্মানি চেক গ্রহণ করেন।যারা পেলেন স্বাধীনতা পুরস্কারমুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন মেজর মোহাম্মদ আবুল জলিল। একই ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এই পদক লাভ করে।সংস্কৃতিতে বরেণ্য ব্যক্তিত্ব এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বশির আহমেদ। সাহিত্যে মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী। ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন জোবেরা রহমান লিনু।সমাজসেবা ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য এবার একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন– ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান হিসেবে এস ও এস চিলড্রেন ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এই সম্মাননা পেয়েছে।গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী (পিএইচডি), অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এই সম্মাননা লাভ করেন। এ ছাড়া জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আব্দুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে দেশের উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন। মন্ত্রিসভার সদস্য, পদস্থ কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের পরিকল্পনা: সংসদে সেতুমন্ত্রী

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের পরিকল্পনা: সংসদে সেতুমন্ত্রী

  • হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

    হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

  • হামে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

    হামে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

  • কূটনৈতিক ফোরামে অংশ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুরস্ক গেলেন

    কূটনৈতিক ফোরামে অংশ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুরস্ক গেলেন

  • গণতন্ত্র ছাড়া দেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: স্পিকার

    গণতন্ত্র ছাড়া দেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: স্পিকার

  • ইসরায়েল-লেবাননের বৈঠকে ট্রাম্পের স্বস্তি

    ইসরায়েল-লেবাননের বৈঠকে ট্রাম্পের স্বস্তি

সব খবর

সব খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন।বৈঠকে ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গণি জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি ছুটি হিসেবে দিনটি পালিত হবে।বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে।এ সময় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন।

সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ

সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ

সাবেক অধিনায়কদের সম্মানার্থে দারুণ এক আয়োজন করেছে ক্রিকেট বোর্ড। বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেয়া পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের ক্যাপ্টেনস' কার্ড দিচ্ছে বিসিবি।সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের ক্রিকেটকে নেতৃত্ব দেওয়া পুরুষ ও নারী— উভয় বিভাগের সাবেক অধিনায়কদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ সম্মাননা ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন তামিম ইকবাল। এবার অধিনায়কদের সম্মানার্থে করা হলো বিশেষ আয়োজন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে সন্ধ্যা ৬টা থেকেই জড়ো হতে থাকেন অতিথিরা। সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় পরিণত হয় এই আয়োজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটার ও কোচরাও। রয়েছেন বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্যরাও। ক্যাপ্টেনস কার্ড হোল্ডারদের জন্য ক্রিকেটাঙ্গনে নানা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখবে বিসিবি। সব সাবেক অধিনায়কদের জন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মতোই হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা থাকবে বলে জানিয়েছেন তামিম। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের আওতায় যারা একসময় বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, বিপিএল সবকিছুর স্টেডিয়াম পাস হিসেবে কাজ করবে অধিনায়কদের জন্য। কেউ সিক হলে বিসিবির মেডিকেল টিম সবসময় অ্যাভেইলেবল থাকবে। কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে না।’ তামিম আরও জানান, সাকিব, মাশরাফী, ফারুক, পাইলট, বুলবুল, দুর্জয়ের মতো যেসব সাবেক অধিনায়ক বর্তমানে উপস্থিত নেই, তাদের জন্যও ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ‘সব ক্যাপ্টেনের জন্য হেলথ ইন্সুরেন্স থাকবে ন্যাশনাল টিমের মতো। সাকিব, মাশরাফী, ফারুক, পাইলট, বুলবুল, দূর্জয় যারা অ্যাভেইলেবল নয়, তাদের কার্ডও রেডি।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করা অধিনায়কদের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায় বিসিবি। দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রিকেটকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই ক্রিকেটাররা শুধু মাঠেই নয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। তাদের সেই অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতেই বিসিবির এমন আয়োজন।

দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ

দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ

ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে স্পাইসজেট ও আকাসা এয়ারের দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। তবে এতে কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি। খবর এনডিটিভির। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, স্পাইসজেটের একটি উড়োজাহাজ রানওয়ে থেকে গেটের দিকে যাওয়ার সময় থেমে থাকা আকাসা এয়ারের একটি উড়োজাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে স্পাইসজেট উড়োজাহাজের ডান পাশের উইংলেট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আকাসা উড়োজাহাজের বাম পাশের হরাইজন্টাল স্ট্যাবিলাইজারে আঘাত লাগে।ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য বলছে, লেহ থেকে আসা স্পাইসজেট উড়োজাহাজটি গেটে প্রবেশ করছিল, আর আকাসার উড়োজাহাজটি হায়দরাবাদগামী ফ্লাইটের জন্য পুশব্যাক নিচ্ছিল। এ সময়ই এই সংঘর্ষ ঘটে।এক বিবৃতিতে আকাসা এয়ার জানায়, তাদের উড়োজাহাজটি থেমে ছিল এবং অন্য একটি উড়োজাহাজ এসে এতে আঘাত করে। যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়েছে এবং যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পাঠাতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। উড়োজাহাজ সংস্থাটি জানিয়েছে, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেয়া ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ গ্রহণ করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমান।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।মনোনীত অন্য ব্যক্তিরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত),বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।এ ছাড়া মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো- মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেয়া হয়। সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

ইসরাইলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান

ইসরাইলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান

ইসরাইলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের সংসদের স্পিকার নুমান কুরতুলমুস। ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার লক্ষ্যে নতুন আইন পাসের সমালোচনা করে তিনি এই দাবি তুলেছেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন-এর ১৫২তম সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে বর্ণবৈষম্যের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জাতিসংঘ থেকে স্থগিত করা হয়েছিল—আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা তখন কার্যকর ভূমিকা নিয়েছিল।প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘একই দেশে ফিলিস্তিনিদের জন্য এক আইন আর ইসরাইলিদের জন্য আরেক আইন—এটা কি বর্ণবৈষম্য নয়?’ এক্ষেত্রে তিনি জাতিসংঘেরও সমালোচনা করেন। বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো থামাতে সংস্থাটি ব্যর্থ হয়েছে এবং বিশেষ করে গাজায় সহিংসতা প্রতিরোধে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কুরতুলমুশ বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে জাতিসংঘ এখন এমন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ক্ষমতাধরদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ তাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের মুখে পড়ছে এবং সব রাষ্ট্রের সমান সার্বভৌম অধিকার থাকা উচিত। অধিবেশনের বাইরে তিনি ওমানের শুরা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান খালিদ আল মাওয়ালির সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি ওমানের মধ্যস্থতার প্রশংসা করেন এবং পাকিস্তানে আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানান, যাতে যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী করা যায়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের পদক্ষেপ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। কুরতুলমুশ জানান, তুরস্ক চতুর্থবারের মতো এই সাধারণ অধিবেশন আয়োজন করছে, যেখানে প্রায় ১৫৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন আখতারের, যা বললেন আইনমন্ত্রী

বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন আখতারের, যা বললেন আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের ২২ হাজারের বেশি আইনজীবীর আহ্বানেই বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নে এ কথা বলেন তিনি।এনসিপির সদস্য সচিব ও বিরোধীদলীয় এমপি আখতার হোসেন বলেন, বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে জ্বালানি সংকট ইস্যুর কারণে। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটি সংবিধিবদ্ধ। অ্যাডহক কমিটি দিয়ে চালু রাখা হয়েছে। সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বললে সরকার এক ধরনের কথা বলে, আবার ওই একই ইস্যুকে সামনে রেখে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।আখতার হোসেন বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা বলে বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ৩ বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা। এডহক কমিটি এখনো চলমান রয়েছে। গণতান্ত্রিক যাত্রার সুযোগ এসেছে, হঠাৎ কেন নির্বাচন বন্ধ হলো?জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বার কাউন্সিল। শুধু ঢাকা বার নয়, আরও কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে অনুরোধ এসেছে নির্বাচন পেছাতে। ২২ হাজারের বেশি আইনজীবীর আহ্বানেই নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি।

মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন

মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আসাদুল হক উরফে লম্বু আসাদুল (২৮) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সাদেক খান ইটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা।জানা গেছে, নিহত যুবকের নাম আসাদুল হক। এলাকায় তিনি ‘লম্বু আসাদুল’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার কালনায়। বাবার নাম জলিল সর্দার। বর্তমানে তিনি মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ের বি-ব্লকের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।এডিসি জুয়েল রানা জানান, রাতে বেড়িবাঁধের তিনরাস্তা মোড় থেকে হাজারীবাগ যাওয়ার পথে সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় আসাদুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশে খবর দেন। নিহত যুবকের বুক ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তবে কারা বা কেন এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।পুলিশের একটি সূত্রে জানা যায়, এই হত্যাকাণ্ডে মুন্না, নয়ন ও মিরাজসহ আরো অনেকে জড়িত। মাদক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আসাদুলের সঙ্গে পূর্ব শত্রুর জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।এর আগে গত ১২ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বটতলা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। তার রেশ কাটতে না কাটতেই লম্ব আসাদুলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলো।

এয়ার ইন্ডিয়া ২২ হাজার কোটি রুপি লোকসানের মুখে

এয়ার ইন্ডিয়া ২২ হাজার কোটি রুপি লোকসানের মুখে

টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়া ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শেষ হওয়া অর্থবছরে ২২,০০০ কোটি রুপি বা প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলার লোকসান গুনেছে। সংস্থাটি কয়েক মাস আগে যে ১.৬ বিলিয়ন ডলার লোকসানের পূর্বাভাস দিয়েছিল, প্রকৃত চিত্র তার চেয়েও অনেক বেশি শোচনীয়।ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকসানের এই বিশাল বোঝা সামলাতে এয়ার ইন্ডিয়া এখন ফের তার মালিকদের কাছে জরুরি তহবিলের আবেদন জানিয়েছে।ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা টাটা গ্রুপ এবং ২৫.১ শতাংশ শেয়ারের মালিক সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স—উভয় পক্ষই নতুন করে মূলধন বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যে পরিমাণ অর্থের কথা ভাবা হচ্ছে তা এয়ার ইন্ডিয়ার প্রয়োজন মেটাতে যথেষ্ট নাও হতে পারে। ফলে বিমান সংস্থাটিকে অর্থায়নের জন্য অতিরিক্ত অন্য কোনো উৎসের সন্ধান করতে হতে পারে।এই পরিস্থিতির ওপর টাটা গ্রুপের বড় ধরনের স্বার্থ জড়িত। সংবাদ সংস্থাটি গত ফেব্রুয়ারিতেই জানিয়েছিল, টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের তৃতীয় মেয়াদের অনুমোদন পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো এয়ার ইন্ডিয়ার লোকসান নিয়ন্ত্রণে আনা। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সও এখন এই লোকসানের আঁচ টের পাচ্ছে। ২০২৪ সালে তাদের ভারতীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভিস্তারাকে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত করার প এই ব্যবসায় যুক্ত হয়েছিল সংস্থাটি। তবে এয়ার ইন্ডিয়ার শোচনীয় পারফরম্যান্সের কারণে এখন সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের নিজস্ব মুনাফাতেও টান পড়েছে।অথচ বছরের শুরুটা মন্দ ছিল না। ২০২৫ সালের এপ্রিলের শুরুর সপ্তাহগুলোতে এয়ার ইন্ডিয়া এমনকি পরিচালন মুনাফাও (অপারেটিং প্রফিট) করছিল। কিন্তু এরপর একের পর এক বিপর্যয় শুরু হওয়ায় সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান তাদের আকাশপথ ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোর জন্য বন্ধ করে দেয়। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপগামী এয়ার ইন্ডিয়ার দূরপাল্লার ফ্লাইটগুলোকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল বিকল্প পথে চলাচল করতে হয়। বাড়তি সময়ের এই উড্ডয়নে জ্বালানি খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি কমেছে মুনাফার হার।এরপর আসে জুন মাস—যা ছিল সংস্থাটির জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ। এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ২৪০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এমন এক সময়ে এই ট্র্যাজেডিটি ঘটে যখন এয়ার ইন্ডিয়ার আর্থিক অবস্থা এমনিতেই নাজুক ছিল, আর এই পরিস্থিতিতে তারা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়।পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিদেশি অন্য যেকোনো বিমান সংস্থার তুলনায় এ অঞ্চলে এয়ার ইন্ডিয়ার ব্যবসার পরিধি অনেক বেশি; সংস্থাটির মোট সক্ষমতার ১৬ শতাংশই এই অঞ্চলকে ঘিরে। কিন্তু যুদ্ধাবস্থার কারণে এই বাজারের বড় একটি অংশ এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর ফলে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী ফ্লাইটগুলোকে আবারও পথ পরিবর্তন করে ঘুরতি পথে চালাতে হচ্ছে। এমন এক সময়ে এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা চাপল, যখন বাজারে এমনিতেই জেট ফুয়েলের (বিমানের জ্বালানি) দাম আকাশচুম্বী।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি। ভারতের ওপর তার আরোপিত শুল্ক এবং বিদেশি কর্মীদের ভিসার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে যাত্রী চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে, যা বিমান সংস্থাটির রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।একের পর এক এসব ধাক্কার সম্মিলিত প্রভাবে এয়ার ইন্ডিয়া তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ যেখানে পরিচালন ব্যয় ও আয়ের সমতা (ব্রেক-ইভেন) আনার কথা ছিল, আর্থিক বিপর্যয়ে তা এখন সুদূরপরাহত।আর্থিক এই সংকটের মধ্যেই যুক্ত হয়েছে নেতৃত্বশূন্যতা। গত সপ্তাহে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্যাম্পবেল উইলসন ঘোষণা দিয়েছেন যে, চলতি বছরের শেষের দিকে তিনি পদত্যাগ করবেন। এর ফলে এমন এক কঠিন সময়ে এয়ার ইন্ডিয়া অভিভাবকহীন হতে যাচ্ছে, যখন প্রতিটি মুহূর্তই তাদের জন্য অত্যন্ত সংকটাপন্ন।পরিস্থিতি আরও বেগতিক করে তুলেছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনের (ডিজিসিএ) সাম্প্রতিক বার্ষিক অডিট। এই নিরাপত্তা নিরীক্ষায় এয়ার ইন্ডিয়া সবার নিচে অবস্থান করছে। যে বিমান সংস্থাটি বহর সম্প্রসারণে বিশাল বিনিয়োগ করেছে এবং প্রবৃদ্ধির বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, তাদের জন্য নিরাপত্তার এই নেতিবাচক রিপোর্ট বড় ধরনের ভাবমূর্তি সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র : আউটলুক বিজনেস।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন।বৈঠকে ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গণি জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি ছুটি হিসেবে দিনটি পালিত হবে।বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে।এ সময় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানমসহ অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের খান

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের খান

মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন

মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন

প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের পরিকল্পনা: সংসদে সেতুমন্ত্রী

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনের পরিকল্পনা: সংসদে সেতুমন্ত্রী

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

গণতন্ত্র ছাড়া দেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: স্পিকার

গণতন্ত্র ছাড়া দেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: স্পিকার

প্রধানমন্ত্রী আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন

প্রধানমন্ত্রী আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

১ জুলাই পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী

১ জুলাই পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ

দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ

ইসরাইলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান

ইসরাইলকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান

ইরানি তেল ক্রয়কারীদের যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি

ইরানি তেল ক্রয়কারীদের যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি

এয়ার ইন্ডিয়া ২২ হাজার কোটি রুপি লোকসানের মুখে

এয়ার ইন্ডিয়া ২২ হাজার কোটি রুপি লোকসানের মুখে

কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও খাদ্য ঘাটতি পূরণে 'খাল খনন কর্মসূচি'র বিকল্প নেই: ড. খন্দকার মারুফ

কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও খাদ্য ঘাটতি পূরণে 'খাল খনন কর্মসূচি'র বিকল্প নেই: ড. খন্দকার মারুফ

কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণে 'খাল খনন কর্মসূচি'র কোনো বিকল্প নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত এই কৃষিবান্ধব কর্মসূচি সেচ ব্যবস্থায় ব্যাপক সুফল বয়ে এনেছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 'খাল খনন কর্মসূচি' বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে খাদ্য উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাবে এবং কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসবে'। এইসব আশাবাদের কথা বলেছেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের লক্ষণখোলায় 'খাল খনন কর্মসূচি'র উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এইসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ড. খন্দকার মারুফ বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন’ কর্মসূচি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে 'ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচী' প্রবর্তন করেন। এটি একটি কৃষি ও জনবান্ধব প্রকল্প। তিনি (শহীদ জিয়া) স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের স্বল্প সময়ের মধ্যে 'খাল খনন কর্মসূচি', দু:স্থ পরিবারে সচ্ছলতা দিতে 'ফ্যামিলি কার্ড' এবং কৃষকের কল্যাণে 'কৃষক কার্ড' বিতরণ কর্মসূচী' চালুসহ অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন গণমুখী উদ্যোগ দেখে দেশের মানুষ খুবই উচ্ছ্বসিত ও আশাবাদী হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের দু:শাসনে নিষ্পেষিত জাতির অগ্রপথিক হয়ে তিনি রাষ্ট্রের হাল ধরেছেন। ইনশাআল্লাহ, তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দ্রুতই বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।ড.খন্দকার মারুফ বলেন,খাল খনন কর্মসূচির ফলে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবশ্যই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়াও পানির সমস্যা সমাধান হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মেঘনার ইউএনও মৌসুমী আক্তারের সভাপতিত্বে 'খাল খনন কর্মসূচি' উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,মেঘনা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন রাজি।তিনি (ড. মারুফ) বলেন, মেঘনায় দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, বালুখেকো, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অপরাধী কর্মকাণ্ডে মানুষ অতিষ্ঠ,বিরক্ত। এইগুলো আর চলতে দেওয়া যায় না। এইসব সামাজিক ব্যাধি দমন করতে বর্তমান সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কেউ রক্ষা পাবে না। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার সততার আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে রাজনীতি করার জন্য ড.খন্দকার মারুফ দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এর আগে ড.খন্দকার মারুফ হোসেন মেঘনা উপজেলার লুটেরচর মফিজুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকারচর শাহেরা লতিফ মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মুগারচর কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা এবং বার্ষিক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন।এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মেঘনা উপজেলা বিএনপি নেতা মো.রমিজউদ্দিন লন্ডনী, এম.এম মিজানুর রহমান, আবু ইউসুব নয়ন, দিলারা শিরীন, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব দলের সাবেক সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, মেঘনা উপজেলা যুব দলের আহবায়ক মো.আতাউর রহমান ভুইয়া, মেঘনা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মাহবুবা ইসলাম মিলি, সাংগঠনিক সম্পাদক লিপি আক্তার মেম্বার ও ছাত্র দলের সভাপতি সোলায়মান হোসেন প্রমুখ।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের নতুন কর্মসূচি

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের নতুন কর্মসূচি

আখতারুজ্জামানের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন জামায়াত আমির

আখতারুজ্জামানের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন জামায়াত আমির

বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজনে জামায়াত

বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজনে জামায়াত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে আইনগত অসঙ্গতি রয়েছে : শিশির মনির

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে আইনগত অসঙ্গতি রয়েছে : শিশির মনির

ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রা ও মেলা করছে এনসিসি

ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রা ও মেলা করছে এনসিসি

আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: জামায়াত আমির

আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: জামায়াত আমির

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ

রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ

শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি

শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি

ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট কার শীতলক্ষ্যা নদীতে

ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট কার শীতলক্ষ্যা নদীতে

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেট কার শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে গেছে। তবে চালক সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন এবং পরে উদ্ধার করা হয়েছে গাড়িটিও।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার নবীগঞ্জ ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার নুরুল আলম দুলাল জানান, গাড়ির মালিক আগে থেকেই নেমে গিয়েছিলেন। চালক প্রাইভেট কারটি ফেরিতে তোলার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ঘটনার পরপরই চালক সাঁতরে তীরে ওঠেন এবং স্থানীয় নৌকা চালকদের সহযোগিতা পান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নদীর তলদেশ থেকে প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করা হয়।গাড়ির চালক জাকির হোসেন বলেন, “গাড়ির ব্রেকের সমস্যা ছিল। ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে নদীতে পড়ে যাই।” তিনি জানান, গাড়িটির মালিক একটি পোশাক কারখানার চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ রুদ্র।

গুদামে মজুত তেল জব্দ, পালালেন ব্যবসায়ী; ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার

গুদামে মজুত তেল জব্দ, পালালেন ব্যবসায়ী; ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার

ইজারামুক্ত নড়িয়া খেয়াঘাট চালু, স্বল্প ভাড়ায় পারাপারে স্বস্তি

ইজারামুক্ত নড়িয়া খেয়াঘাট চালু, স্বল্প ভাড়ায় পারাপারে স্বস্তি

দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ মজুরি বন্ধ: শ্রমিকদের আন্দোলন, অফিস গেটে তালা

দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ মজুরি বন্ধ: শ্রমিকদের আন্দোলন, অফিস গেটে তালা

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন কর্মসূচি

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন কর্মসূচি

আমিয়াপুরে মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

আমিয়াপুরে মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু ২০ এপ্রিল

কুষ্টিয়ায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু ২০ এপ্রিল

সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ

সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ

সাবেক অধিনায়কদের সম্মানার্থে দারুণ এক আয়োজন করেছে ক্রিকেট বোর্ড। বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেয়া পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের ক্যাপ্টেনস' কার্ড দিচ্ছে বিসিবি।সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে দারুণ এক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের ক্রিকেটকে নেতৃত্ব দেওয়া পুরুষ ও নারী— উভয় বিভাগের সাবেক অধিনায়কদের জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ সম্মাননা ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন তামিম ইকবাল। এবার অধিনায়কদের সম্মানার্থে করা হলো বিশেষ আয়োজন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে সন্ধ্যা ৬টা থেকেই জড়ো হতে থাকেন অতিথিরা। সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় পরিণত হয় এই আয়োজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটার ও কোচরাও। রয়েছেন বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্যরাও। ক্যাপ্টেনস কার্ড হোল্ডারদের জন্য ক্রিকেটাঙ্গনে নানা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখবে বিসিবি। সব সাবেক অধিনায়কদের জন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মতোই হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা থাকবে বলে জানিয়েছেন তামিম। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের আওতায় যারা একসময় বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাদের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, বিপিএল সবকিছুর স্টেডিয়াম পাস হিসেবে কাজ করবে অধিনায়কদের জন্য। কেউ সিক হলে বিসিবির মেডিকেল টিম সবসময় অ্যাভেইলেবল থাকবে। কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে না।’ তামিম আরও জানান, সাকিব, মাশরাফী, ফারুক, পাইলট, বুলবুল, দুর্জয়ের মতো যেসব সাবেক অধিনায়ক বর্তমানে উপস্থিত নেই, তাদের জন্যও ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ‘সব ক্যাপ্টেনের জন্য হেলথ ইন্সুরেন্স থাকবে ন্যাশনাল টিমের মতো। সাকিব, মাশরাফী, ফারুক, পাইলট, বুলবুল, দূর্জয় যারা অ্যাভেইলেবল নয়, তাদের কার্ডও রেডি।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করা অধিনায়কদের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায় বিসিবি। দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রিকেটকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই ক্রিকেটাররা শুধু মাঠেই নয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। তাদের সেই অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতেই বিসিবির এমন আয়োজন।

নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখতে পরামর্শ ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের

নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখতে পরামর্শ ব্রাজিল প্রেসিডেন্টের

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে অস্থিরতা

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে অস্থিরতা

ডিজিটাল গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব আল হাসান

ডিজিটাল গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব আল হাসান

মাঠে ফেরার দিনই আর্জেন্টাইন তারকার ফের চোট

মাঠে ফেরার দিনই আর্জেন্টাইন তারকার ফের চোট

নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাংলাদেশ দল ঘোষণা

নিউজিল্যান্ড সিরিজের বাংলাদেশ দল ঘোষণা

ক্রিকেট বোর্ড ‘সার্কাসে’ পরিণত হয়েছে: সাবেক ক্রিকেটার আফতাব

ক্রিকেট বোর্ড ‘সার্কাসে’ পরিণত হয়েছে: সাবেক ক্রিকেটার আফতাব

আবারও সংসার ভাঙার গুঞ্জনের কবলে রণবীর-দীপিকা

আবারও সংসার ভাঙার গুঞ্জনের কবলে রণবীর-দীপিকা

মস্কো উৎসবে বাংলাদশের ২ ছবি

মস্কো উৎসবে বাংলাদশের ২ ছবি

আগামী ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাচ্ছে ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এ উৎসবে মনোনীত হয়েছে বাংলাদেশের দুই সিনেমা। যুবরাজ শামীমের ‘অতল’ ও আসিফ ইসলামের ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’। প্রতিযোগিতা শাখার বাইরে ‘অ্যাপক্যালিপ্স নাউ’ সেকশনে মনোনীত হয়েছে অতল আর আর্টকোর বিভাগে প্রদর্শিত হবে ‘প্রিন্সেস’।২০২২ সালে মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৪তম আসরে প্রিমিয়ার হয় যুবরাজ শামীমের প্রথম সিনেমা ‘আদিম’। জিতে নেয় ‘স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড’সহ নেটপ্যাক সম্মাননা। নির্মাতার দ্বিতীয় সিনেমার প্রিমিয়ারও মস্কোয় হচ্ছে। সিনেমায় অস্তিত্বসংকটে ভোগা এক মানুষের মনস্তত্ত্ব দৃশ্যগ্রাহ্য করার চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। যুবরাজ শামীম বলেন, ‘একজন মানুষ, যার প্রায়ই মনে হয় সে মৃত্যুপরবর্তী জীবন পার করছে কিংবা অন্যের অসমাপ্ত জীবন কাটাচ্ছে। যেখানে সময়, চারপাশের সব চরিত্র—সব থমকে আছে। সেটাই সিনেমায় পোর্ট্রে করার চেষ্টা করেছি।’যুবরাজ শামীমের প্রযোজনাপ্রতিষ্ঠান দরবার শরীফ প্রযোজিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা অতল। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাঈম তুষার। তিনি পেশায় ফটোগ্রাফার। অভিনয়ের পাশাপাশি এ সিনেমার সিনেমাটোগ্রাফিও করেছেন তুষার।আসিফ ইসলামের ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ যাত্রাপালার ক্রমাবনতির গল্প, যেখানে দর্শকের চাহিদার চাপে ‘প্রিন্সেস’ নামের এক নৃত্যশিল্পী মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। সমাজের পরিবর্তিত রুচি ও বিনোদনের চাহিদাকে প্রতিফলিত করাই সিনেমাটির মূল উপজীব্য। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশনা হাবিব ভাবনা।‘প্রিন্সেস’ চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে ভাবনা বলেন, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা। চরিত্রের প্রয়োজনে তাঁকে ওজন বাড়াতে হয়েছে প্রায় ৯ কেজি, শিখতে হয়েছে যাত্রাশিল্পীদের মতো নাচ ও অভিনয়। ‘“রোজি” চরিত্রটি করতে গিয়ে আমার শারীরিক ও মানসিক—দুই দিকেই পরিবর্তন এসেছে। চরিত্রটিকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি,’ বলেন তিনি।আসিফ ইসলামের আগের চলচ্চিত্র ‘নির্বাণ’ ৪৬তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছিল। মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হবে ১৬ এপ্রিল, পর্দা নামবে ২৩ এপ্রিল।

কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত কয়েক মাস ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই শিল্পী। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। রোববার দুপুরে তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে এই বরেণ্য শিল্পীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আগামীকাল সোমবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় গায়িকা আশা ভোঁসলে ১৯৩৩ সালে সংগীত অনুরাগী মঙ্গেশকর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই পেশাদার গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। ১৯৪৩ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম গান রেকর্ড করার পর ১৯৫০-এর দশকেই বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন। বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের ছায়ায় ঢাকা না পড়ে নিজস্ব গায়কী ঢঙে তিনি কয়েক দশক ধরে শ্রোতাদের মাতিয়ে রেখেছিলেন।দাদাসাহেব ফালকে ও বঙ্গবিভূষণসহ একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এ খ্যাতনামা গায়িকা। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্যও মনোনীত হন তিনি। তার ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ নাটকীয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব ৩১ বছর বয়সী গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন তিনি। তবে ১৯৬০ সালে সেই সম্পর্ক ত্যাগ করেন।পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণের (আর ডি বর্মণ) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্মণ পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকলেও তাদের দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ পায়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা একসাথেই ছিলেন। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তার নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞীর ছায়াসঙ্গী। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল।

বর্ষাকে নেত্রী হিসেবে দেখতে চান অনন্ত জলিল

বর্ষাকে নেত্রী হিসেবে দেখতে চান অনন্ত জলিল

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা অভিনয় জগত থেকে বিরতি নেবেন বলে জানিয়েছিলেন বেশ কিছুদিন আগেই। এবার জানা গেল তার রাজনীতিতে আসার ইচ্ছার কথা। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন চিত্রনায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল। সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত জলিল বলেন, বর্ষা দীর্ঘদিন ধরেই নিঃশব্দে সাধারণ মানুষের সেবা করে আসছেন। জনগণের সেবা করার লক্ষ্যেই তাকে নেত্রী হিসেবে দেখতে চাই। তার মনে প্রবল দেশসেবা করার ইচ্ছা আছে। বর্ষার মানবিক কাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে অনন্ত জলিল আরও বলেন, বর্ষা স্কুল ব্যাগে করে টাকা নিয়ে নিজ হাতে মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেয়। তার ভেতরে দেশসেবা করার এক অদম্য ইচ্ছা আছে। আমরা কোনোদিন সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, কিন্তু দেশসেবার স্বার্থে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল তো বেছে নিতেই হয়।রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও আদর্শের জায়গা থেকে অটল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই তারকা দম্পতি। সৎ রাজনীতির উদাহরণ দিতে গিয়ে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রসঙ্গ টেনে অনন্ত জলিল বলেন, এনসিপির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর কথাগুলো দেখুন, তিনি একদম সরাসরি সত্য কথাগুলো বলেন। সবার সামনে স্পষ্ট করে বলেন যে, কেউ চাঁদা তুলতে পারবে না, অন্যায় করতে পারবে না। সৎ পথে থেকেও তো নেতৃত্ব দেওয়া যায়!প্রসঙ্গত, এর আগেও অনন্ত জলিল বর্ষাকে নেত্রী হিসেবে দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় বর্ষাও জনসেবায় নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, মানুষের সেবা করতে তার ভালো লাগে এবং সরকারের সহযোগিতায় বড় পরিসরে জনকল্যাণমূলক কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে তার। দীর্ঘদিনের গুঞ্জন পেরিয়ে এবার রাজনীতির মাঠে নামার এই ঘোষণা ভক্ত ও চলচ্চিত্র মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রযোজকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করলেন অভিনেত্রী

প্রযোজকের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ করলেন অভিনেত্রী

টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর এক সপ্তাহ পার হলেও শোকের ছায়া কাটেনি টলিউডে। একাধারে টলিপাড়া যখন প্রয়াত রাহুলের বিচারের দাবিতে একজোট হয়েছে, তখন এমন আবহে শিল্পীদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তাও আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। শুটিং ফ্লোরে শিল্পীরা আদৌ কতটা নিরাপদ?ঠিক সেই মুহূর্তেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। এমন আবহেই এবার টেলিভিশন জগতের প্রভাবশালী প্রযোজক ও ‘টেন্ট সিনেমা’র কর্ণধার সুশান্ত দাসের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী সুকন্যা দত্ত গুহ। শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই নয়, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ‘ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেন’-এর দ্বারস্থ হয়েছেন এই অভিনেত্রী।অভিনেত্রীর অভিযোগ, “আমার নিজের জীবন, আমার ক্যারিয়ার, আমার ব্যক্তিগতজীবন সবকিছু নষ্ট হওয়ার নেপথ্যে ইন্ডাস্ট্রিরই এক নামী প্রোডাকশন হাউস জড়িত। দিনের পর দিন আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। আমাকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা হয়েছিল, যেটাতে আমার কোনো স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি ছিল না। একজন বিকৃত মানসিকতার মানুষ। যার হাত ধরে আজ অনেক সিরিয়ালের নায়িকা, নায়িকা হয়েছেন, কিন্তু সেই সাফল্যের পেছনে কী আছে? তা অনেকেই জানেন। অনেক মেয়েই এই নোংরামি সহ্য করতে না পেরে সরে গিয়েছে। আমি নিজে চোখে দেখেছি। আর যারা প্রতিবাদ করে, তারা কাজ পায় না, ইন্ডাস্ট্রি থেকে কার্যত বাদ পড়ে যায়। টেন্ট সিনেমার কর্ণধার সুশান্ত দাস আমাকে নানাভাবে ‘এক্সপ্লয়েট’ করেছিলেন। প্রায় আট বছর ধরে বিভিন্নভাবে আমায় ও আমার পরিবারকে হেনস্থা করছেন সুশান্ত দাস। ওর প্রযোজিত ‘দীপ জ্বেলে যাই’ ধারাবাহিকে কাজ করতাম। তখন আমায় কুপ্রস্তাব দিয়ে বলেছিলেন যদি রাজি না হই, তাহলে আমার দৃশ্যটা বাদ দিয়ে দেবে। আমার মাথায় তখন আকাশ ভেঙে পড়ে! তবুও রাজি হইনি আমি। বাদ যায় আমার দৃশ্যটা। শুধু একটা পাসিং শট গিয়েছিল। এরপর থেকেই শুরু হয় অনাচার।”সুকন্যার দাবি, “আমি তখন সন্তোষপুরে থাকতাম, ওরও বাড়ি সন্তোষপুরেই। তাই সুযোগ পেলেই আমার ফ্ল্যাটে এসে উনি উৎপাত করতেন, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন এবং অন্য অভিনেত্রীদের নিয়ে নানা গল্প শোনাতেন।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করার পর থেকেই ওই প্রযোজকের থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ সুকন্যার। অভিনেত্রী বলছেন, “ফেসবুকে পোস্ট করার পর থেকে আমার বাবাকে ১২ বার ফোন করেছেন। কেন? পোস্ট মুছে ফেলার জন্যেও হুমকি দিচ্ছেন। আমার স্বামী সবকিছু শুনে মনে সাহস দিয়েছে। আমি আর চুপ করে থাকব না। ‘ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেন’-এ অভিযোগ জানিয়েছি। এর শেষ দেখে ছাড়ব।” যদিও সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের তরফে প্রযোজকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি, তবে সূত্রের খবর, পালটা অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছেন প্রযোজক সুশান্ত দাস।

বিনামূল্যে প্রদর্শিত হবে রাহুলের শেষ সিনেমা ‘ছবিওয়ালা’

বিনামূল্যে প্রদর্শিত হবে রাহুলের শেষ সিনেমা ‘ছবিওয়ালা’

টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণের এক সপ্তাহ পার হয়েছে। তবে শোকের ছায়া এখনও সর্বত্র বিরাজমান। এই শোকের আবহেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে রাহুলের জীবনের শেষ সিনেমা ‘ছবিওয়ালা’। ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে বিনামূল্যে প্রদর্শনের পরিকল্পনার কথা জানালেন পরিচালক শুভ্রজিৎ বাপ্পা।তিনি বলেন, এই ছবিটি কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়, বরং রাহুলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই মুক্তি দিচ্ছেন। প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের সহযোগিতা পেলে ছবিটি দর্শকদের বিনামূল্যে দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের।ছবিটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ‘বিশ্বকর্মা’ নামের একজন চিত্রগ্রাহককে ঘিরে, যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাহুল। সংসারের অভাব আর অবহেলার মাঝেও বিশ্বকর্মা মৃত মানুষের ছবি তুলে জীবিকা নির্বাহ করে। তার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবলীনা দত্ত।প্রথমে সিনেমাটির নাম ‘নেগেটিভ’ থাকলেও রাহুলের মৃত্যুর পর আবেগঘন সম্মানে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘ছবিওয়ালা’। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা মিত্র ও রানা বসু ঠাকুর। রূপম ইসলাম ও সোমলতার কণ্ঠে গানগুলোর সংগীত পরিচালনা করেছেন সৌম্য ঋত। সব মিলিয়ে, ‘ছবিওয়ালা’ এখন কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং প্রিয় অভিনেতার প্রতি টলিউডের এক বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।

মা হারালেন বলিউড অভিনেত্রী জারিন খান

মা হারালেন বলিউড অভিনেত্রী জারিন খান

বলিউড অভিনেত্রী জারিন খানের মা পারভীন খান আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে মুম্বাইয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতার কারণে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। আজ সকাল ১০টায় তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন নাবিলাশুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন নাবিলাউল্লেখ্য, বার্ধক্যজনিত একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন পারভীন খান। গত বছর অক্টোবর মাসে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেও এ বছরের শুরু থেকেই ফের অসুস্থ হয়ে আইসিউতে ছিলেন তিনি।

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস

ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল অঙ্কের ফি আদায় করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল অঙ্কের ফি আদায় করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

রাজধানীর নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট স্কুলে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

রাজধানীর নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট স্কুলে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন: শিক্ষামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

তিন দিনের ছুটিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

তিন দিনের ছুটিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন আরও বাড়ল

সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন আরও বাড়ল

এসএসসির খাতায় নম্বর দেয়া নিয়ে যে নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির খাতায় নম্বর দেয়া নিয়ে যে নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসির শিক্ষার্থীরা পাবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্টের বৃত্তি, আবেদন যেভাবে

এইচএসসির শিক্ষার্থীরা পাবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্টের বৃত্তি, আবেদন যেভাবে

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

পেটের মেদ ঝরাতে বলিউড অভিনেত্রীর প্রশিক্ষকের তিন পরামর্শ

একা ও একাকীত্ব যেমন

একা ও একাকীত্ব যেমন

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

সাজগোজের ৭২% ছাড়ে এবার পহেলা বৈশাখ হোক আরো রঙিন!

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে যে সব খাবার খাবেন

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো নতুন ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

পরিবারের ঈদ আনন্দে সুস্বাদু কুনাফা

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

ঈদে ত্বকে স্বস্তি ও সৌন্দর্য বজায় রাখতে যা করবেন

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

রমজানে খাবারে থাকুক ভারসাম্য

১১তম বিল্ডএক্স ২০২৬ প্রদর্শনী নজরকাড়া ‘ইতালিয়ান সিরিজ’ নিয়ে এলো এক্স সিরামিক্স গ্রুপ

১১তম বিল্ডএক্স ২০২৬ প্রদর্শনী নজরকাড়া ‘ইতালিয়ান সিরিজ’ নিয়ে এলো এক্স সিরামিক্স গ্রুপ

আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার, বসুন্ধরায় ভবন নির্মাণে দুর্ঘটনা বা ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে তিন দিনব্যাপী ১১তম বিল্ডএক্স ২০২৬ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক মানের এই আয়োজনে অংশ নিতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম সেরা সিরামিক কোম্পানি ‘এক্স সিরামিক্স গ্রুপ’।এই প্রদর্শনীতে ‘ইতালিয়ান সিরিজ’ নিয়ে হাজির হয়েছে এক্স সিরামিক্স। প্রিমিয়াম টাইলস ও বাথওয়্যার পোর্টফোলিও উপস্থাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে আন্তর্জাতিক মান, নান্দনিক ডিজাইন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় বাজারের পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নিজেদের শক্ত অবস্থান আরও সুদৃঢ় করছে।প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ প্রিমিয়াম ইতালিয়ান সিরিজ, যেখানে কনক্রিট, এক্স স্টোন, রাস্টিক, ডাবল ডিউরেবল পলিশড, স্টোন শিল্ড, রক এক্স, এক্স স্লেট এবং উড ট্রেইল-এর মতো নজরকাড়া সব ডিজাইন উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি ডিজাইন আধুনিক ইউরোপীয় ট্রেন্ড, টেকসই গুণমান এবং বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগিতার এক অনন্য সংমিশ্রণ।একই সঙ্গে, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণে নির্মিত ‘এক্স বাথওয়্যার’-এর আটলান্টা, বার্লিন পালমা, লোটাস, ল্যাটিনা, জেসমিন এবং মেফ্লাওয়ার বাথওয়্যার পণ্যগুলো দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে, যা সমসাময়িক জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ লাক্সারি ও ফাংশনালিটির এক পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা দেয়।এ বিষয়ে এক্সআইসির ইমেরিটাস চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টা স্থপতি মোঃ মাজহারুল কাদের বলেন, ‘১১তম বিল্ডএক্স ২০২৬-এ অংশগ্রহণ আমাদের উদ্ভাবন, গুণগত মান এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ইতালিয়ান সিরিজ এবং আমাদের সম্প্রসারিত বাথওয়্যার পোর্টফোলিও’র মাধ্যমে আমরা বিশ্বমানের সমাধান উপস্থাপন করতে চাই, যা আধুনিক স্থাপত্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করবে। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সিরামিক শিল্পে একটি শক্তিশালী ও সম্মানজনক অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করা।’মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক প্রদর্শনীতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এক্স সিরামিক্স লিমিটেড একটি উন্নয়নশীল ও বিশ্বমানের ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করছে।১১তম বিল্ডএক্স ২০২৬ প্রদর্শনীতে এক্স সিরামিক্সের স্টলে উপস্থিত ছিলেন দেশের স্বনামধন্য স্থপতি ও ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনালরা, যার মধ্যে ছিলেন স্থপতি আসিফ ভুঁইয়া, স্থপতি জালাল আহমেদ, স্থপতি মামুনুন এম চৌধুরী, স্থপতি আহমেদ রিয়াদ মোমেনসহ এক্সআইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নিলামে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিলামে আরও ৫০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বচনে বাঁচুন: সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন

বচনে বাঁচুন: সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার  সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যস্থতাকারী ও অভিবাসন খরচ কমানোর জন্য কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা, বিশ্বাসযোগ্য ও যোগ্য নিয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করা এবং আটকেপড়া অবশিষ্ট শ্রমিকদের নিয়োগ দ্রুত, সহজতর করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) শ্রম অভিবাসন বিষয়ে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে শ্রমবাজার খোলা ও ব্যয় কমানো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এতে মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রম বাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে।শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে গত বুধবার মালয়েশিয়ায় যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র তিনি। বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে এটি প্রথম সফর।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী। সভার শুরুতে আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর সুবিধাজনক সময়ে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উভয় পক্ষ শ্রম সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং শ্রমিকদের শোষণ রোধে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।এছাড়াও, দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে শিক্ষক বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাসহ শিক্ষা খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রযাত্রায় সন্তোষ প্রকাশ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।এর আগে পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে শ্রম অভিবাসন বিষয়ে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী রমনন রামকৃষ্ণন এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।শ্রম অভিবাসন বিষয়ে বৈঠক প্রসঙ্গে দুই দেশ যৌথ সংবাদ বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার উভয় সরকার অভিবাসনে তাদের দীর্ঘস্থায়ী ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারিত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত কাঠামোর মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে তাদের যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, যা বিদ্যমান নিয়োগসংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতাগুলো মোকাবিলার পাশাপাশি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করবে।উভয় পক্ষ মালয়েশিয়ার খাতভিত্তিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রম বাজার পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এবং একটি ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যস্থতাকারী ও অভিবাসন খরচ কমানোর জন্য কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা, বিশ্বাসযোগ্য ও যোগ্য নিয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করা এবং আটকে পড়া অবশিষ্ট শ্রমিকদের নিয়োগ দ্রুত, সহজতর করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।যৌথ সংবাদ বিবৃতি আরও বলা হয়, বৈঠকে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে সকল উৎস দেশের জন্য প্রযোজ্য একটি প্রযুক্তি-চালিত, এআই-ভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এর লক্ষ্য হলো- মধ্যস্থতাকারী কমানো, অভিবাসন খরচ হ্রাস করা এবং নিয়োগকর্তারা যেন নিয়োগের সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন তা নিশ্চিত করা, যার ফলে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর নির্দেশিকা অনুযায়ী ‘নিয়োগকর্তাই অর্থ প্রদান করবেন’নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শ্রমিকদের জন্য খরচ শূন্য হবে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্যান্য সকল প্রেরণকারী দেশকে সম্পৃক্ত করে একটি বৈশ্বিক উদ্যোগ হিসেবে এই ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়।এতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ শ্রমিক নিয়োগে মানবপাচার সংক্রান্ত চলমান আইনি মামলা সম্পর্কিত উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা করেছে। মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ তাদের আন্তর্জাতিক সুনামকে প্রভাবিত করতে পারে-এমন যেকোনো ভিত্তিহীন বা বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকা- মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইনের শাসন, যথাযথ প্রক্রিয়া, জবাবদিহিতা ও সময়োপযোগী বিচার নিশ্চিত করার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।উভয়পক্ষ অনিয়মিত কর্মীদের সম্মুখীন হওয়া প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা এবং শ্রম সরবরাহকে বাজারের চাহিদার সাথে আরও ভালোভাবে সমন্বয় করতে ও উৎপাদনশীলতা উন্নত করার লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সনদপত্র প্রদান এবং তথ্য আদান-প্রদানে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করে।যৌথ সংবাদ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গঠনমূলক আলোচনায় উভয় পক্ষের সন্তোষ প্রকাশ করে এবং নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত হয়।

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে নিজ কর্মস্থলে লক্ষ্মীপুরের নারীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা: ঘাতক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে নিজ কর্মস্থলে লক্ষ্মীপুরের নারীকে হাতুড়িপেটায় হত্যা: ঘাতক গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানালেন মিজানুর রহমান আজহারী

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানালেন মিজানুর রহমান আজহারী

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো মুন্সিবাড়ি জমিদার বাড়িটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী জমিদার পরিবারের বাসস্থান ছিল এবং এই এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী বহন করছে। মনজু বিজয় চৌধুরীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেস্ক রিপোর্ট।জানা,যায়, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত।প্রায় তিনশ বছরের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। রাজা মানসিংহ রায়ের বংশধররা এখানে বসবাস করতেন বলে জানা যায়। এই মুন্সিবাড়ির নামানুসারেই এলাকার নামকরণ হয়েছে 'মুন্সিবাজার'। বাড়িটি এক সময় ছিল এলাকার জমিদারি শাসনের কেন্দ্রবিন্দু।বড় বড় দালান, নকশা করা দেয়াল এবং পুরোনো স্থাপত্যশৈলী আজও বহন করছে সেই সময়ের স্মৃতি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক এই মুন্সিবাড়িটি এখন ধ্বংসের মুখে পড়েছে। এই মুন্সিবাড়ি স্থানীয়দের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান হলেও উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমা-এর কমলগঞ্জ থানাধীন শ্রীনাথপুর, ধর্মপুর, হরিস্মরন, দুর্গাপুর, বৃন্দাবনপুর, রামেশ্বরপুর, বলরামপুর, শ্যামের কোনা, চৈত্রঘাট, প্রতাপী, জৈগ্যশাল, জগন্নাথপুর, শ্রীগড়, রামপুর, ছয়কুট, রামচন্দ্রপুর, চন্ডীপুর, গোবিন্দপুর, বনবিষ্ণুপুর, বিষ্ণুপুর, লক্ষ্মীপুর, বিক্রমপুর, সহ আরো অনেক নাম না-জানা গ্রাম নিয়ে গঠিত মুন্সীবাড়ি এষ্টেট।কালী প্রসাদ স্কুল, মুন্সীবাজার, রাজদিঘী, আহমদনগর মাদ্রাসা, জগন্নাথপুর নারায়ণ গোপিনাথ আখড়া, মঙ্গলচন্ডি বাড়ী, মহেন্দ্র কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধবপুর জোড়া মান্ডব, ১নং রহিমপুর ইউনিয়ন অফিস, ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের দিঘি, মুন্সীবাজার হাসপাতাল, সর্বশেষ কালী প্রসাদ স্কুলের ছাত্রদের নামাজের জন্য মসজিদের ভূমি দান করেন এই জমিদার বাড়ি।এলাকাবাসীর জানান, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে এই জমিদার বাড়িটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র, যা এলাকার অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।"এই জমিদার বাড়িটা আমাদের এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। কিন্তু কোনো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে বাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া না হলে হারিয়ে যেতে পারে ইতিহাসের এই মূল্যবান স্থাপনাটি। আমরা চাই সরকার দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে এই বাড়িটা সংরক্ষণ করুক।" মুন্সিবাড়ির জমিদার বংশধর স্বাগত কিশোর দাশ চৌধুরী বলেন, "আমাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো। আমরা নিজেরা যতটা সম্ভব দেখাশোনা করছি, কিন্তু একা আমাদের পক্ষে সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রক্ষা করতে পারব।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন,আমরা শুনেছি এখানে একটি জমিদার বাড়ি আছে। আমরা লোক পাঠিয়েছি অচিরেই এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করবে সরকার এমটাই প্রত্যাশা এই এলাকার সাধারণ মানুষের।

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

ঋতুচক্রের অনিবার্য আবর্তনে জীর্ণ-পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে মহাকালের গভীর গর্ভে বিলীন হতে চলেছে আরেকটি বাংলা বছর। চৈত্রের দহনদগ্ধ প্রখর দুপুরে, শুকনো পাতার মৃদু নূপুরধ্বনি যেন বাজিয়ে তোলে বিদায়ের এক বিষণ্ন সুর; সেই সুরে মিশে থাকে নতুনের আহ্বান, নবজাগরণের নীরব প্রতিশ্রুতি। বিদায় ও আগমনের এই অনির্বচনীয় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে চৈত্র সংক্রান্তি যা বাংলার মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের এক গভীর প্রতীক।আজ বাংলা সনের অন্তিম দিন-৩০ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি কেবল একটি পঞ্জিকার সমাপ্তি নয়; এটি এক দীর্ঘ বছরের ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানিকে মুছে ফেলার প্রতীকী মুহূর্ত। নতুন উদ্যমে, নব প্রত্যয়ে জীবনকে পুনরারম্ভ করার এক অন্তর্লীন প্রেরণা জাগায় চৈত্র সংক্রান্তি। তাই এটি শুধু বিদায়ের দিন নয়, বরং নবসূত্রে গাঁথার এক নীরব অঙ্গীকার।চৈত্রসংক্রান্তি পালনের আচার-অনুষ্ঠানে অঞ্চলভেদে বৈচিত্র্য থাকলেও এর মর্মকথা এক-ঐতিহ্যের অবিচ্ছিন্ন প্রবাহ। যুগে যুগে, কালের পর কাল ধরে বাঙালির জীবনধারা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে এই দিনটি। একসময় এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আজ তা পরিণত হয়েছে এক সর্বজনীন উৎসবে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এটি পেয়েছে সর্বজনীন স্বীকৃতি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এই উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নেয়, যা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের এক বর্ণাঢ্য প্রকাশ।গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।খাদ্য সংস্কৃতিতেও এই দিনের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। আমিষ বর্জন করে নিরামিষ আহারের যে চিরায়ত রীতি, তা আজও বহমান। কোথাও কোথাও ১৪ প্রকার শাক দিয়ে ‘শাকান্ন’ রান্নার প্রথা যেন প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতারই এক নিবেদন। আবার কোনো কোনো অঞ্চলে ছাতু খাওয়ার প্রচলনও এই দিনের ঐতিহ্যের অংশ। চৈত্র মাসে রোগবালাই বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে তেতো ও শাকসবজি খাওয়ার যে রীতি, তা কেবল বিশ্বাস নয়-এটি এক প্রাচীন জীবনবোধের প্রতিফলন, যেখানে স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ব্রতপালন, শিবপূজা এবং নানা বিধান পালনের মধ্য দিয়ে তারা দিনটিকে ধারণ করে। মন্দিরে কিংবা গৃহে পূজা অর্চনার পাশাপাশি সন্ধ্যার অন্ধকারে জ্বলে ওঠা প্রদীপ যেন ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকা আগামী দিনের শান্তি ও সমৃদ্ধির এক নিঃশব্দ প্রার্থনা।সময়ের প্রবাহে চৈত্র সংক্রান্তির রূপ বদলেছে, বিশেষত শহুরে জীবনে। তবুও গ্রামীণ ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ আজও ম্লান হয়নি। মেলা, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ, পটচিত্র, যাত্রাপালা, লোকসংগীত ও নৃত্যের আয়োজন যেন এই দিনটিকে জীবন্ত করে তোলে। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব উদ্যোগে এই ঐতিহ্যকে ধারণ ও বিস্তারের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে বাঙালির শেকড়ের গল্প।এ বছরও চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হবে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এরই অংশ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে লোকশিল্প প্রদর্শনী। প্রায় ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, যা বয়ে আনবে উৎসবের সম্মিলিত স্পন্দন। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ধামাইল নৃত্য যেন ঐতিহ্যের ছন্দে দর্শকদের আবিষ্ট করবে। অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় পরিবেশিত হবে লোকসংগীত জারিগান, পটগান ও পুঁথিপাঠ, যা বাংলার লোকজ সাহিত্য ও সুরের ঐশ্বর্যকে নতুনভাবে উন্মোচন করবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা এই আয়োজনকে বহুসাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করবে। লোকসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মঞ্চস্থ হবে যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’, যা দর্শকদের মনে জাগাবে গ্রামীণ জীবনের চিরন্তন রূপকথার আবেশ। বাসস।

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী শিগগিরই এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন, যখন তারা প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য পৃথিবীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ হারাবেন।সোমবার (৬ এপ্রিল) ব্রিটিশ সামার টাইম (বিএসটি) রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে) মহাকাশযানটি যখন চাঁদের আড়ালে প্রবেশ করবে, তখন চাঁদ নিজেই পৃথিবী ও মহাকাশযানের মধ্যকার রেডিও ও লেজার সংকেতকে বাধাগ্রস্ত করবে। ফলে তখন থেকে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট থেকে) ৪০ মিনিট নভোচারীরা পৃথিবীর সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় মহাকাশে ভ্রমণ করবেন। খবর বিবিসির।এখন পর্যন্ত নভোচারীরা নাসার হিউস্টনের মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে আছেন। তবে চাঁদের আড়ালে প্রবেশের পর এই সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে, যা মিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এই সময়টিকে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন মিশনের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। তিনি বলেছেন, আমরা যখন সবার সঙ্গে যোগাযোগের বাইরে থাকব, তখন বিশ্বের মানুষ যেন আমাদের জন্য শুভকামনা জানায়।চাঁদের অভিযানে এটি নতুন কিছু নয়। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনের সময়ও একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন নভোচারীরা। তখন মাইকেল কলিন্স চাঁদের কক্ষপথে একা অবস্থান করছিলেন এবং প্রায় ৪৮ মিনিট যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ছিলেন। তিনি পরে সেই অভিজ্ঞতাকে পূর্ণ একাকিত্ব হিসেবে বর্ণনা করলেও ভয় পাননি বলে জানান।পৃথিবীতে থাকা বিজ্ঞানীদের জন্যও এই সময়টি হবে উদ্বেগের। যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে অবস্থিত গুনহিলি আর্থ স্টেশন মহাকাশযানের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংকেত সংগ্রহ করছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চাঁদের আড়ালে যাওয়ার সময় কিছুটা উৎকণ্ঠা থাকলেও পুনরায় যোগাযোগ স্থাপিত হলে স্বস্তি ফিরে আসবে।ভবিষ্যতে এই ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা দূর করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার মুনলাইট প্রকল্পের মাধ্যমে চাঁদের চারপাশে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক স্থাপন করে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এই ৪০ মিনিটে নভোচারীরা চাঁদের পর্যবেক্ষণ, ছবি তোলা এবং এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে মনোযোগ দেবেন। যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হলে তারা পৃথিবীর সঙ্গে আবার যুক্ত হবেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

ঢাকায় ইরানি কার্পেটের বাজার কেমন?

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং দিবস ২ এপ্রিল

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

ঈদের ছুটিতে মেঘনার তীরে মানুষের ঢল, প্রাণের মেলায় পরিণত প্রশান্তি পার্ক

টানা ছুটিতে মুখর মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পট

টানা ছুটিতে মুখর মৌলভীবাজারের পর্যটন স্পট

চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের সাথে রবির চুক্তি স্বাক্ষর

চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের সাথে রবির চুক্তি স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা সহজতর করার লক্ষ্যে চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল ও রবি এলিট গ্রাহক ও কর্মীদের জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।এর মাধ্যমে রবি এলিট গ্রাহকরা ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইসহ বিভিন্ন শীর্ষ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে দ্রুততর চিকিৎসা সেবা গ্রহণের পাশাপাশি বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।এই সহযোগিতার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, নির্ভরযোগ্য এবং ঝামেলামুক্ত করে তোলা।অনুষ্ঠানে রবির পক্ষ থেকে ম্যানিক লাল দাস, ডিরেক্টর, কাস্টমার ভ্যালু সলিউশনস (রবি মার্কেটিং); মো. সানজিদ হোসেন, অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর, কমার্শিয়াল পার্টনারশিপ; সাব্বির আহমেদ, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, লয়্যালটি অ্যান্ড পার্টনারশিপ; এবং তানভীর আলম চৌধুরী, জেনারেল ম্যানেজার, লয়্যালটি পার্টনারশিপস, কমার্শিয়াল পার্টনারশিপ, রবি মার্কেটিং উপস্থিত ছিলেন। এবং চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মি. মুনতাসির মাহমুদ, চিফ অপারেটিং অফিসার এবং মি. বাদশা মোড়ল, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার।এ সময় মি. মুনতাসির মাহমুদ বলেন, “চিকিৎসা সেবাকে কোনো আন্তর্জাতিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। আমরা বিশ্বাস করি, এর মাধ্যমে রবি এলিট গ্রাহক খুব সহজভাবে দেশের বাহিরে চিকিৎসা সেবা। রবি’র বিপুল গ্রাহকভিত্তিক এখন আন্তর্জাতিক চিকিৎসা যাত্রায় একটি বিশ্বস্ত সহযোগী পাবে।”মি. তানভীর আলম বলেন, “রবি সবসময় সেবার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের সীমানার বাইরে উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

অপো এ৬-এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট উন্মোচিত

অপো এ৬-এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট উন্মোচিত

বাংলাদেশে এলো টেকনোর নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘স্পার্ক ৫০’

বাংলাদেশে এলো টেকনোর নতুন স্মার্টফোন সিরিজ ‘স্পার্ক ৫০’

এই বৈশাখে প্রথম ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে অপোর ৯০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি

এই বৈশাখে প্রথম ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে অপোর ৯০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের ভাড়া বাসা থেকে সীমান্ত (২৫) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, সীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন।নিহত সীমান্তের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম সদরুল আমিন। তিনি হাজারীবাগের মনেশ্বর রোডের একটি বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করতেন।নিহতের চাচা রুহুল আমিন জানান, সীমান্ত ওই বাসায় সাবলেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তার রুমমেটের বরাত দিয়ে তিনি জানান, গত রাত নয়টার পর থেকে নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রেখেছিলেন সীমান্ত। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানানো হয়। পরে বাড়ির মালিক এসে দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান, সীমান্ত আর বেঁচে নেই।রুহুল আমিন আরও জানান, অচেতন অবস্থায় সীমান্তকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার মুখ থেকে বিষাক্ত দ্রব্যের গন্ধ আসছিল। এতে তাদের ধারণা, ওই বিষাক্ত দ্রব্য খেয়েই সীমান্ত আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন তিনি এই কাজটি করেছেন, সে বিষয়ে স্বজনরা কিছু জানেন না।ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি হাজারীবাগ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে না, সবাই ফেরেশতা হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

জ্বালানি সংকট নিয়ে জামায়াত আমিরের পোস্ট

শিরোনাম
ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট কার শীতলক্ষ্যা নদীতে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের খান সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ কসবায় ২২০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও খাদ্য ঘাটতি পূরণে 'খাল খনন কর্মসূচি'র বিকল্প নেই: ড. খন্দকার মারুফ মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী গুদামে মজুত তেল জব্দ, পালালেন ব্যবসায়ী; ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার ইজারামুক্ত নড়িয়া খেয়াঘাট চালু, স্বল্প ভাড়ায় পারাপারে স্বস্তি ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেট কার শীতলক্ষ্যা নদীতে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফকে দল থেকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের খান সাবেক অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিসিবির ‘ক্যাপ্টেনস’ কার্ড’ উদ্যোগ কসবায় ২২০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রীর পিএস কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও খাদ্য ঘাটতি পূরণে 'খাল খনন কর্মসূচি'র বিকল্প নেই: ড. খন্দকার মারুফ মোহাম্মদপুরে ৩ দিনের ব‍্যবধানে ফের খুন জার্মানিতে শত শত ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা দিল্লি বিমানবন্দরে দুই উড়োজাহাজের সংঘর্ষ প্রতিশোধ নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি: প্রধানমন্ত্রী গুদামে মজুত তেল জব্দ, পালালেন ব্যবসায়ী; ৪ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার ইজারামুক্ত নড়িয়া খেয়াঘাট চালু, স্বল্প ভাড়ায় পারাপারে স্বস্তি