পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার, রমজানের প্রথম দিন থেকেই এ ছুটি কার্যকর হবে।রমজানের ছুটি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছিল। উচ্চ আদালত থেকে এ নিয়ে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে রোজার সময়সূচি ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ছুটি শুরুর দাবি জানানো হয়। এসব আলোচনা ও পর্যালোচনার পর অবশেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বুধবার। এতে রমজানের শুরু থেকে অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন ছুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর একথা জানান।বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের যে এত বিপুল জনসমর্থন—সেটার জায়গা থেকে প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, জনগণ আমাদের কাছ থেকে যে সুশাসন এবং জবাবদিহিতা চায়, সেক্ষেত্রে আমরা স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের যারা দায়িত্বে আছি, তারা যেন যেকোনো ধরনের প্রভাব এবং স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করি এবং বিশেষ করে দুর্নীতির প্রশ্নে যেন আমাদের একটা শক্ত অবস্থান থাকে।’‘আগামীতে যে রমজান শুরু হচ্ছে, এই রমজানকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা প্লাস হচ্ছে সেহরি, ইফতার, তারাবির সময়টা যেন বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন থাকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে এবং সরকারের যে কমিটমেন্ট, বিশেষ করে নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় জনসভায় যে বিষয়গুলো বলেছেন—ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড সেগুলো কীভাবে ইমিডিয়েটলি আসলে কিছু দৃশ্যমান কাজ করা যায়, সেই বিষয়গুলো নিয়েও তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আলোচনা করেছেন।’নুর বলেন, ‘বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘোষণা ছিল যে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে সরকারের একটি উদ্যোগ থাকবে। সেটি নিয়েও তিনি আলোচনা করেছেন যে, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কী করা যায়। সামগ্রিকভাবেই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।’প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু আমি দুটো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি, আমাদের জায়গা থেকে আমরা একটা বিষয় তার দৃষ্টিতে আনার চেষ্টা করেছি, আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশ মিডল ইস্ট বেজড। মিডল ইস্টের সঙ্গে কিন্তু শ্রমবাজার ওপেনের ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় সেটার একটা ধারাবাহিকতা ছিল। কিন্তু মাঝখানে নানাবিধ কারণে সেটার একটা ছন্দপতন হয়েছে, বন্ধ হয়েছে অনেক জায়গার শ্রমবাজার। সেখানে শ্রমবাজার ওপেন করার জন্য যদি প্রধানমন্ত্রী একটি সফর দেন মিডল ইস্টে, সেটা আমাদের জন্য একটা সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। আমাদের জায়গা থেকে এটিও বলেছি, তার জায়গা থেকেও আরও কিছু পরামর্শ আমাদের দিয়েছেন যেগুলো কাজের ক্ষেত্রে আমরা মেনে চলব।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। তাকে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় এ নিয়োগ দেওয়াা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ-কে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।ড. সালেহ শিবলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে তিনি দৈনিক মানবজমিন, ইউএনবি, রেডিও টুডে ও চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির প্রেস টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাস জীবনেও ড. শিবলী তারেক রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মকাণ্ডকে মেধা ও লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তার সম্পাদিত ‘দ্য পলিটিক্যাল থট অব তারেক রহমান’ বইটি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত তারেক রহমানের ভিডিও ভাষণগুলো সংকলিত করে তিনি ‘তারেক রহমানের নিষিদ্ধ ভাষণ’ বইটি রচনা করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অস্ট্রেলিয়ার একটি রাজনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নন-রেসিডেন্ট ফেলো হিসেবেও কাজ করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন আতিকুর রহমান রুমন। তিনি দেশের প্রখ্যাত পত্রিকা দৈনিক দিনকাল-এর সম্পাদক ও প্রকাশক।বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি গ্রেড-২ বেতন স্কেলের সর্বশেষ ধাপে বেতন পাবেন।এতে আরও উল্লেখ করা হয়, যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ মে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন আতিকুর রহমান। তারা তিন বোন, চার ভাই। পিতা মরহুম হাফিজুর রহমান ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী ও সমাজসেবক। মা মরহুমা ফেরদৌসী বেগম ছিলেন গৃহিণী ও এফ. এইচ. ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, যিনি ছিলেন দানশীলতার জন্য ব্যাপক পরিচিত।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ পদে নিয়োগ পেয়েছেন আব্দুর রহমান সানি।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘আব্দুর রহমান সানিকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ পদে গ্রেড-৬ বেতন স্কেলের সর্বশেষ ধাপের বেতনে যোগদানের তারিখ হতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।’পৃথক প্রজ্ঞাপনে মো. মেহেদুল ইসলামকেও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা শপথ নেন।
রমজানে দ্রব্যমূল্য যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায় সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে তিনি এ বিষয়ে সতর্ক করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল থেকেই সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। আমি দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানাই। রমজানের আত্মশুদ্ধির মাস। আমরা যদি আত্মশুদ্ধি শব্দটির মর্মার্থ উপলব্ধি করি তাহলে এই মাসে মানুষের ভোগান্তি বাড়ার কথা নয়। যদিও আমাদের অনেকের মধ্যেই এই মাসটিকে ঘিরে ব্যবসায় অধিক মুনাফা লাভের প্রবণতা লক্ষণীয়।তারেক রহমান বলেন, আপনাদের প্রতি আমার আহ্বান, রমজানের পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে এই মাসটিকে আপনারা ব্যাবসায় মুনাফা লাভের মাস হিসেবে পরিগণিত করবেন না। দ্রব্যমূল্য যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে না যায় এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা সতর্ক থাকবেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে একটি মাফিয়া সিন্ডিকেটের পতন ঘটিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়েই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিএনপি সরকার সব ক্ষেত্রেই অনাচার অনিয়মের সব সিন্ডিকেটে ভেঙে দিতে বদ্ধ পরিকর, ইনশাআল্লাহ।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা ছোট বড়- সব ব্যবসায়ীর প্রতি বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সহজ এবং স্পষ্ট। বর্তমান সরকার ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা সাধারণ উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চায়। সুতরাং, সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কিংবা ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থ রক্ষা হবে, এ ব্যাপারে আপনাদের যেকোনো ধরনের পরামর্শ কিংবা অভিযোগ শুনতে সরকার প্রস্তুত।তিনি বরেন, ক্রেতা, বিক্রেতা, গ্রহীতা- এই সরকার সবারই সরকার। এই সরকার আপনাদেরই সরকার। আপনারাই ভোটের মাধ্যমে এই সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনারাই এই সরকারের শক্তি।
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে খেলতে রাজি না হওয়ায় আইসিসি বাংলাদেশকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা দেয়নি। তার বদলে নেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।তবে এবারের আসরে অংশ নিতে না পারলেও র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরিই খেলতে পারবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে অনুষ্ঠেয় ২০২৮ সালের বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে টাইগাররা।বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিতে যাওয়া ১২ দলের নাম নিশ্চিত করেছে তারা।২০২৮ সালের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড আগেই স্বাগতিক সুবিধায় সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিল। আইসিসির নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওঠা আট দল ২০২৮ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট নিশ্চিত করেছে।এবারের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া পরের বিশ্বকাপের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া এবং সুপার এইটের আট দলসহ মোট দল ৯টি। তাদের বাইরে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে (৯ মার্চ ফাইনালের পরদিন পর্যন্ত) পরের তিনটি স্থান নিশ্চিত বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডের।সব মিলিয়ে ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে ১২টি দল সরাসরি খেলবে। বাকি আটটি স্থান নির্ধারিত হবে আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে, যেখানে প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিযোগিতামূলক শক্তির ভিত্তিতে কোটার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আবারো পেছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বইমেলা আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। একই সঙ্গে বইমেলায় অংশগ্রহণকারী সব প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলা অ্যাকাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সচিব মো. মফিদুর রহমান এবং বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।সভায় অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম আসন্ন বইমেলার সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। প্রকাশকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এছাড়া বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে। সেইসাথে যেসব প্রকাশক এখনো স্টল বরাদ্দ নেননি, তারা ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের স্টল একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় বরাদ্দ দেওয়া হবে।অমর একুশে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. মোঃ সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল বুধবার কলম্বোর সিংহালিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে নামিবিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল-কে ১০২ রানে হারিয়ে আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সুপার এইট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। ২০০ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নামিবিয়া ১৭.৩ ওভারে মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয়ে যায়।ইনিংসের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল। ওপেনার লরেন স্টিনক্যাম্প ও জান ফ্রাইলিঙ্ক ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফ্রাইলিঙ্ক ১১ বলে ৯ রান করেন, যেখানে সালমান মির্জার বলে একটি চারও ছিল, পরে তিনি বোল্ড হন। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে জান নিকোল লফটি-ইটন ৫ রানে রানআউট হলে নামিবিয়ার চাপে পড়ে যায় দলটি। ৫.২ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৯-২।স্টিনক্যাম্প ২২ বলে ২৩ রান (তিন চার ও একটি ছক্কা) করে মোহাম্মদ নওয়াজ-এর শিকার হন। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাস মাত্র ৭ রান করে শাদাব খান-এর বলে আউট হন। অ্যালেক্সান্ডার বুসিং-ভলসেঙ্ক ২০ বলে ২০ রান করে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শাদাবের দ্বিতীয় শিকার হন। ১২.৩ ওভারে নামিবিয়া ৭৯-৫ এ নেমে যায়।উসমান তারিক এরপর জেজে স্মিট (৯) ও রুবেন ট্রাম্পেলমানকে শূন্য রানে আউট করে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেন। ১৩.৩ ওভারে নামিবিয়া ৮১-৭। শাদাব তার তৃতীয় উইকেট হিসেবে জেন গ্রিনকে (৭) ফেরান। তারিক আরও দুই উইকেট নিয়ে বার্নার্ড স্কোল্টজ (১) ও উইলেম মাইবার্গকে (৮) সাজঘরে পাঠান। এতে পাকিস্তানের বোলিং পারফরম্যান্স পূর্ণতা পায়।ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান দারুণ সূচনা পায়। ওপেনার সাইম আইয়ুব ও সাহিবজাদা ফারহান শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নেন। ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন জ্যাক ব্রাসেল, যখন সাইম ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন।এরপর অধিনায়ক সালমান আলি আগা ফারহানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ১০০ পার করান। ফারহান দারুণ ফর্মে ছিলেন। চার-ছক্কায় তিনি তার দশম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক অর্ধশতক পূর্ণ করেন। আগা ২৩ বলে ৩৮ রান (তিন চার ও দুই ছক্কা) করে আবারও ব্রাসেলের শিকার হন। ১২.১ ওভারে পাকিস্তান ১০৭-২।অবাক করা বিষয়, তিন নম্বরে বাবর আজম নামেননি; তার বদলে খাওয়াজা নাফায়কে পাঠানো হয়। তবে তিনি রানআউটের আগে ৫ রান করে ফেরেন, যা অধিনায়ক ইরাসমাসের শিকার। পরে শাদাব খান ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধীরগতির হলেও ফারহান ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে শতক করা দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে আহমেদ শেহজাদ-এর পাশে নাম লেখান। চতুর্থ উইকেটে শাদাব ও ফারহান ৫০ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত ফারহান ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন, যেখানে ছিল ১১টি চার ও চারটি ছক্কা। শাদাব ২২ বলে ৩৬ রান করেন, এক চার ও তিন ছক্কায়।
জাতির উদ্দেশে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ পিছিয়ে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি ভাষণ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল তথ্য মন্ত্রণালয়।দেশের সব সম্প্রচারমাধ্যমকে বিটিভির সৌজন্যে ভাষণটি সম্প্রচারের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।এর আগে, আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন তিনি। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান। এ সময় তিন বাহিনীর একটি সুশৃঙ্খল চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে; বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।পরে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পারিজাতের চারাও রোপণ করেন।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দফতরে প্রথমবারের মতো অফিস করেন।সচিবালয়ে গিয়ে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। দুপুরের পর বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের দফতর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ। তাকে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় এ নিয়োগ দেওয়াা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ-কে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তাঁর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।ড. সালেহ শিবলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে তিনি দৈনিক মানবজমিন, ইউএনবি, রেডিও টুডে ও চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির প্রেস টিমের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাস জীবনেও ড. শিবলী তারেক রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মকাণ্ডকে মেধা ও লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তার সম্পাদিত ‘দ্য পলিটিক্যাল থট অব তারেক রহমান’ বইটি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া বিগত সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত তারেক রহমানের ভিডিও ভাষণগুলো সংকলিত করে তিনি ‘তারেক রহমানের নিষিদ্ধ ভাষণ’ বইটি রচনা করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অস্ট্রেলিয়ার একটি রাজনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নন-রেসিডেন্ট ফেলো হিসেবেও কাজ করছেন।
তারিখ নির্বাচন করুন এবং সংবাদ দেখুন
শিগগিরই জাতির সামনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবে বিএনপি। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রীরা এ কথা জানান।প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, রমজানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। ১৮০ দিন কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।শ্রম-কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সফরের আহ্বান জানানো হয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত রেখে দৃশ্যমান কাজ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রীরা যেন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে সে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সকল মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতির ঊর্ধ্বে রাখতে চান প্রধানমন্ত্রী। সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় সেনাবাহিনীর ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বালিয়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ফুলপুর থানার ওসি রাশেদুল হাসান।নিহতরা হলেন- সেনাবাহিনীর ট্রাকের চালক সার্জেন্ট রেজাউল করিম এবং বাস চালক ৫০ বছর বয়সী আব্দুল বাসেত।আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ বলছে, সেনাবাহিনীর একটি ট্রাক ফুলফুল ক্যাম্পের কার্যক্রম শেষ করে ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহে ফিরছিল। পথে বালিয়া মোড়ে শেরপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাতে ট্রাক ও বাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর ট্রাকের চালক সার্জেন্ট রেজাউল করিম এবং যাত্রীবাহী বাসের চালক আব্দুল বাসেতসহ ১০ থেকে ১২ জন গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুই গাড়ির চালক মারা যান।”আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে ফুলপুর থানার ওসি রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকলেও বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে খেলতে রাজি না হওয়ায় আইসিসি বাংলাদেশকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা দেয়নি। তার বদলে নেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।তবে এবারের আসরে অংশ নিতে না পারলেও র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরিই খেলতে পারবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে অনুষ্ঠেয় ২০২৮ সালের বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে টাইগাররা।বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিতে যাওয়া ১২ দলের নাম নিশ্চিত করেছে তারা।২০২৮ সালের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড আগেই স্বাগতিক সুবিধায় সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিল। আইসিসির নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওঠা আট দল ২০২৮ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট নিশ্চিত করেছে।এবারের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া পরের বিশ্বকাপের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া এবং সুপার এইটের আট দলসহ মোট দল ৯টি। তাদের বাইরে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে (৯ মার্চ ফাইনালের পরদিন পর্যন্ত) পরের তিনটি স্থান নিশ্চিত বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডের।সব মিলিয়ে ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে ১২টি দল সরাসরি খেলবে। বাকি আটটি স্থান নির্ধারিত হবে আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে, যেখানে প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিযোগিতামূলক শক্তির ভিত্তিতে কোটার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
নব্বই দশকের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার ছেলে রুবেল খন্দকার।বর্তমানে হারুন কিসিঞ্জারের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই অভিনেতাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ভিত্তিহীন মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়। রুবেল খন্দকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, কিছু অসাধু ও ভিউলোভী ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে তার বাবার মৃত্যুর গুজব ছড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, মানুষের অসুস্থতা নিয়ে যারা ব্যবসা করতে চায়, তারা সমাজের আবর্জনা।এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। বাবার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে রুবেল জানান, আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ আছেন হারুন কিসিঞ্জার। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলে আজই বাসায় ফিরতে পারেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে গুজব না ছড়াতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে রুবেল বলেন, ভিত্তিহীন খবরে বিভ্রান্ত না হতে। পাশাপাশি যারা এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন অপপ্রচার বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন হারুন কিসিঞ্জার। কয়েকদিন আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন গুজব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরাও। পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তথ্যের জন্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। রাজনীতির মাঠের পাশাপাশি সরগরম শোবিজ অঙ্গনও। ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা মাহফুজ এনাম জেমস।ঢাকা ১৭-এর ভোটার জেমস। বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানী বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন তিনি।ভোট দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে জেমস বলেন, ‘সুন্দর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই দেশ। সামনে যে আসবে, এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে। দেশে যেন শান্তি আসে, দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে।’ভোটের পরিবেশ নিয়ে গায়কের ভাষ্য, ‘খুবই স্মুথ সব। এলাম, স্লিপ নিলাম, ভোট দিলাম, সুন্দর। কোনো ঝামেলা নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে এর জন্য ধন্যবাদ।’জেমস ছাড়াও ভোট দিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেছেন কনকচাঁপা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, রবি চৌধুরী, কুদ্দুস বয়াতি, নাজমুন মুনিরা ন্যান্সিসহ তারাকাদের অনেকে। আজ ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সারা দেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলেছে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে আনন্দচিত্তে ভোট দিলেন দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ খ্যাত বেবী নাজনীন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেন তিনি।ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বেবী নাজনীন। তিনি বলেন, “ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। খুব আনন্দ হচ্ছে। অবশেষে ভোট দিতে পারলাম। এটাই তো চেয়েছিলাম। ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই।”দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, দলের সিদ্ধান্তই তার কাছে চূড়ান্ত। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে সংসদে দেখা যাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটাও নির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের ওপর। আপনাদের দোয়া ও আল্লাহ যদি চান, তবে হয়তো হবে।”ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর, সফল ও শান্তির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ধানের শীষের জয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ভোটে অংশ নিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটে অংশ নিচ্ছেন বিনোদন অঙ্গনের তারকা, অভিনয় শিল্পী, নির্মাতারাও। নিজের ভোটটি দিয়ে এসে একটি ভিডিও বার্তায় কথা বললেন নির্মাতা আশফাক নিপুন।১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে মহানগর খ্যাত নির্মাতা জানান, ভোট দেওয়া শেষ। সকাল ৭:৩০ মিনিটে এখানে এসেছি এবং দীর্ঘ লাইনের কারণে ৮:১০ মিনিটে আমার পালা এলো। মনোরম আবহাওয়া, উৎসাহী ভোটার আর আন্তরিক কর্মকর্তাদের দেখে খুব ভালো লাগছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত- সবাই ভোট দিন। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক। সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভিডিও বার্তায় নিপুন বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে হোক।’
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সারা দেশে যখন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চলছে, তখনই ন্যান্সি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডলে জানিয়ে দিলেন, তিনি না ভোটের পক্ষে। যদি নেটিজেনদের একাংশ তাকে তীব্র তোপের মুখে ফেলেছেন। তবে এসবে একেবারে নজর দিচ্ছেন না এই গায়িকা। জাতীয়তাবাদী মনোভাবাপন্ন ন্যান্সি। বিগত সময় তার নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। অনেক কনসার্ট তার বাতিল হয়েছে।তবুও ভেঙে পড়েননি। নতুন সরকারের কাছে প্রধান দুই দাবি অপুরনতুন সরকারের কাছে প্রধান দুই দাবি অপুরশোবিজ তারকাদের সবার যখন নানা সুযোগ হাতছানি দিচ্ছিল, তখন ন্যান্সি বলেছিলেন, শিল্পীদের এত এমপি-মন্ত্রী হওয়ার শখ কেন? কী আছে সেখানে? কত টাকা বেতন পায় এমপিরা? গান অথবা অভিনয় করে কি যথেষ্ট সম্মানী আসে না যে এমপি হওয়ার জন্য লোভ করতে হবে? যারা এগুলো করে এদের ধরা উচিত। আমার মধ্যে এসব চিন্তা একেবারেই নেই। নিজে নির্বাচন করবেন কি না এ প্রসঙ্গে ন্যান্সি বলেন, আমি এখনই নির্বাচনে অংশ নিতে চাই না। তবে যে দল আমার ভালো লাগে, আমি তো চাইবই তারা ক্ষমতায় আসুক। তবে সব কিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দেশের জনগণ। জনগণের কাছে আমার চাওয়া এত দিন যারা কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করে গুম, দুর্নীতি এবং কিছু বললেই চরিত্র নিয়ে কথা বলত, তাদের ক্ষমতায় আনবে কি না মাথায় রাখতে। আর কোনো তারকা দেখলেই নমিনেশন দেবেন না। যদি সেই তারকা রাজনীতির লম্বা পথ পাড়ি দিতে পারে তাহলে তাকে সেই টাইমে দেওয়া উচিত। তারপর তাকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন।
নেদারল্যান্ডসের মর্যাদাপূর্ণ রটারড্যাম চলচ্চিত্র উৎসবে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত নির্মিত ‘মাস্টার’ চলচ্চিত্রটি সেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছে। ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেছে ছবিটি। উৎসবের শুরু থেকেই সিনেমার নির্মাতা সুমিতসহ অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম ও নাসির উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।রটারড্যামের অভিজ্ঞতা সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানান অভিনেত্রী বাঁধন। পুরস্কার প্রাপ্তির মুহূর্তটিকে তিনি বর্ণনা করলেন আবেগাপ্লুত হয়ে। বাঁধন বললেন, সেই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা খুব সাধারণভাবে গিয়েছিলাম; ভেবেছিলাম অন্য সবাই পুরস্কার পাবে আর আমরা হাততালি দেব। সেই হাততালি যখন বাংলাদেশের জন্য হয়ে গেল, সেটা খুব আনন্দের ছিল।পরিচালকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত একজন অত্যন্ত সৎ নির্মাতা। আজ তার সেই সততারই প্রতিফলন ঘটেছে এই অর্জনে।প্রবাসীদের ভালোবাসায় মুগ্ধ বাঁধন জানান, সাপ্তাহিক কর্মদিবস হওয়া সত্ত্বেও নেদারল্যান্ডসে বসবাসরত বাংলাদেশিরা প্রেক্ষাগৃহে এসে সিনেমাটি দেখেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় ডাচ দর্শকদের সিনেমা দেখার আগ্রহ এবং প্রশংসা অভিনেত্রীকে অভিভূত করেছে। এবারের রটারড্যাম উৎসবে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। এই ক্রমবর্ধমান সাফল্য নিয়ে বাঁধন বলেন, বাংলাদেশের সিনেমা শক্ত একটি জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে। রেহেনা থেকে শুরু করে যেসব সিনেমা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গেছে, সবগুলোই বাংলাদেশের সিনেমাকে সমৃদ্ধ করছে। আর এটা খুব সম্মানের বিষয়, এবার রটারড্যামে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা ছিল। মনে হয়েছে, ফেস্টিভ্যালটা আমাদের। একই সঙ্গে আমরা তিনটি টিম নেদারল্যান্ডসে এসেছি। সবার সঙ্গে সবার দেখা হচ্ছে, সিনেমা নিয়ে কথা হয়েছে।
রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, রমজান এবং পরবর্তী সময়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের হাতে দৈনন্দিন যে সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রয়েছে এবং পাইপলাইনে যা আছে, তা রমজান মাস এবং তার পরবর্তী সময়ে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট। এ বিষয়ে কারও কোনো শঙ্কার কারণ নেই।’রমজান এলেই ‘সিন্ডিকেট’ প্রসঙ্গ সামনে আসে—এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘আমি আপনাদের সাউন্ড বাইট দেব না। ইনশাআল্লাহ কাজ করে দেখাব।’বাজার তদারকি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
ওমরাহ পালন শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ ৫ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সৌদি আরবের আবহা শহরে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার। দুর্ঘটনা একই গাড়ির ড্রাইভার মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।একই ঘটনায় মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুত্ব আহত হয়ে জেদ্দা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। নিহত মিজান লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির শহিদ উল্যার ছেলে ও নিহত মেহের আফরোজ স্থানীয় টিউরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নিহত প্রবাসী গাড়ির ড্রাইভার একই ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে।বাহারুল আলম জানান, মিজান সৌদি প্রবাসী। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও ৩ মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ হজ্বে যান। ৫দিন আগে ওমরাহর উদ্দেশে তারা সৌদির বাসা থেকে বের হন। ওমরাহ শেষে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তারা। বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।নিহত মিজানুর রহমানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, পাশের গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এছাড়া মিজানের মেঝো মেয়ে ফাইজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে ৫ জন মারা গেছে শুনেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব ধরণের সহযোগিতা করব।
রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়—এটি শরীর ও মনকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার এক অনন্য সুযোগ। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারের টেবিলে বসে অনেকেই অজান্তেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফল হিসেবে রমজান শেষে দেখা দেয় ওজন বৃদ্ধি, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তিভাব।সারাদিন উপবাসের ফলে শরীরের শক্তির মজুত কমে আসে। এ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য বদলে যায়, ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত শক্তি পাওয়ার সংকেত পাঠায়। তখন তেলেভাজা, মিষ্টি বা ভারী খাবারের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।এছাড়া পাকস্থলী ভরে গেছে—এই তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছাতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। এর আগেই অনেক খাবার খাওয়া হয়ে যায়। পারিবারিক আড্ডা, ঐতিহ্যবাহী ইফতার আর আবেগ মিলে এই প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তোলে।ধীরে ইফতারই সুস্থতার প্রথম ধাপবিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতার শুরু করার পদ্ধতিই পুরো রাতের হজম ও ক্যালরি গ্রহণ নির্ধারণ করে।দুই থেকে তিনটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে স্বাভাবিক হয়। এরপর ১০–১৫ মিনিট বিরতি দিয়ে হালকা কিছু খান—যেমন স্যুপ, ফল বা সালাদ।এই বিরতিতে পাকস্থলী প্রস্তুত হয়, হজমের চাপ কমে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।সুষম খাবার মানেই কম খাবার নয়, সঠিক খাবাররমজানে খাবার কমানোর চেয়ে ঠিকভাবে সাজানো প্লেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ।খাবারের অর্ধেক অংশ রাখুন শাকসবজি ও সালাদে। এক-চতুর্থাংশে রাখুন প্রোটিন—মাছ, ডিম, ডাল, ছোলা বা দই। বাকি অংশে থাকুক গোটা শস্য—রুটি, ওটস বা অল্প পরিমাণ ভাত।এই সমন্বয় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি জমতে দেয় না।মনোযোগী খাওয়া: নীরব অভ্যাস, বড় উপকারঅনেক সময় ক্ষুধার কারণে নয়, বরং অভ্যাসের কারণে আমরা বেশি খাই। টিভি দেখা, মোবাইল স্ক্রল করা বা গল্প করতে করতে খেলে মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না কতটা খাওয়া হয়েছে।খাওয়ার সময় মনোযোগ দিন খাবারের দিকে। ধীরে চিবিয়ে খান, স্বাদের অনুভূতি নিন। পেট অর্ধেক ভরলেই থামুন। এতে হজম সহজ হয় এবং শরীর প্রয়োজনের বেশি খাবার জমাতে পারে না।ভাজা ও মিষ্টি—পুরোপুরি নয়, সীমিত করুনরমজানের ইফতার ভাজা ও মিষ্টি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই। তবে এগুলোকে ইফতারের মূল খাবার না বানিয়ে পরিপূরক হিসেবে রাখুন।ভাজা খাবার প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে এক–দুদিন সীমিত রাখুন। সিরাপজাত মিষ্টির বদলে ফল, দই বা অল্প মধু ভালো বিকল্প হতে পারে।সেহরি: সারাদিনের নিয়ন্ত্রকসেহরি বাদ দিলে ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রোটিন ও আঁশসমৃদ্ধ সেহরি সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।ওটস, ডিম, দই, ফল, বাদাম ও সবজি দিয়ে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর সেহরি হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি, যাতে দিনভর পানিশূন্যতা না হয়।বিশেষজ্ঞের মতবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন,“রমজানে অসুস্থ হওয়ার প্রধান কারণ অতিরিক্ত তেল, চিনি ও একসঙ্গে অনেক খাবার গ্রহণ। অল্প পরিমাণে, ধীরে এবং সুষমভাবে খেলে রোজা শরীরের জন্য উপকারী হয়ে ওঠে।”সংযমেই সুস্থতারমজান সংযমের শিক্ষা দেয়—খাবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। প্লেট ছোট রাখুন, গতি কমান, প্রয়োজনের কথা ভাবুন। এতে ওজন বাড়বে না, বদহজম কমবে এবং রোজার আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য আরও গভীর হবে।সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন—রমজান হোক শরীর ও মনের জন্য প্রশান্তির মাস।
বাংলায় একটি প্রাচীন প্রবাদ আছে, ‘একলা খেলে যম নেয়, দশজনে খেলে ধর্ম রয়।’ এ প্রবাদের আক্ষরিক অর্থ যমরাজ এসে ধরে নিয়ে যাওয়া না। এর অন্তর্নিহিত বার্তাটি অত্যন্ত গভীর। প্রবাদটির মূল বক্তব্য হলো, দশজনকে সঙ্গে নিয়ে খেলে শরীর ও মন উভয়ই ‘ধর্ম’ অর্থাৎ সুশৃঙ্খল থাকে। আবার দশজন মানে কিন্তু আক্ষরিক অর্থে সংখ্যার দশ নয়, এর অর্থ অনেকে মিলে।খেয়াল করে দেখবেন, বয়স্ক মানুষেরা একা খেতে বসার পক্ষে নন। দাদি-নানিরা সব সময়ই বলে থাকেন, একা একা বসে খাচ্ছিস কেন, সবার সঙ্গে বসে খা! এই একা খেতে বসার অভ্যাস কেবল একাকিত্ব বাড়ায় না। বরং এটি ধীরে ধীরে মানুষের শরীর ও মনকে অসুস্থ করে তোলে। আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এই প্রাচীন প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ করছে।অক্সফোর্ড ইকোনমিকস থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উঠে এসেছে, একা খেতে বসার অভ্যাস আমাদের অজান্তেই স্বাস্থ্যের বড় ধরনের ক্ষতি করে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭ হাজার ৭২৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা দিনে অন্তত দুবার একা বসে খাবার খান, তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলতার সংমিশ্রণে হওয়া মেটাবলিক সিনড্রোম নামে একটি রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।গবেষণায় দেখা গেছে, একা খেতে বসলে পুরুষদের স্থূলতার ঝুঁকি ৪৫ শতাংশ এবং মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি ৬৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষ করে অবিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় তিন গুণ বেশি। অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটির ২৪টি গবেষণার একটি পর্যালোচনা বলছে, একা খেতে বসলে মানুষ পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে সহজে পাওয়া যায় এমন প্রক্রিয়াজাত বা রেডি মিল বেশি পছন্দ করে। এতে শরীরে প্রোটিন, পটাশিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজের অভাব দেখা দেয়।মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাবএকা খাওয়া কেবল শরীর নয়, মনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ৮ হাজারজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা এক জরিপে দেখা গেছে, মানসিক অসুস্থতার পর একা খাওয়ার অভ্যাস মানুষকে সবচেয়ে বেশি অসুখী করে তোলে। অনেকে মনে করেন, একা খেতে বসা মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু গবেষকদের মতে, এটি দীর্ঘ মেয়াদে বিষণ্নতা ও একাকিত্বের দিকে ঠেলে দেয়। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোবায়োলজিস্ট ড. স্টিফানি কাসিওপ্পোর মতে, মানুষ যদি খাওয়ার সময় নিজেকে একা মনে করে, তবে তার শরীর বেশি চর্বিযুক্ত ক্যালরি শোষণ করে।বার্ধক্য ও একাকী ভোজনপ্রবীণদের জন্য একা খাওয়া এক নীরব ঘাতক। ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিরা যখন একা খান, তখন তাঁরা ধীরে ধীরে শারীরিকভাবে দুর্বল বা ফ্রেইল হয়ে পড়েন। একা খাওয়ার ফলে বয়স্কদের প্রতিদিনের প্রোটিন গ্রহণ কমে যায়। তা নেমে আসে প্রায় ৫৮ গ্রাম থেকে ৫১ গ্রামে। নারীদের ক্ষেত্রে এটি অস্টিওপোরোসিস বা হাড় পাতলা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। সামাজিক যোগাযোগের অভাব এবং পুষ্টিহীনতা উভয়ই মস্তিষ্কের ওপর চাপ ফেলে, যা আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। একাকিত্বের ফলে মস্তিষ্কের আয়তনও সংকুচিত হতে পারে।কেন একা খেতে বসা ক্ষতিকরগবেষকেরা এর পেছনে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ খুঁজে পেয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:উদ্দীপনার অভাব: যখন কেউ একা খান, তখন তাঁর ভালো কিছু রান্না করার আগ্রহ কমে যায়।খাওয়ার গতি: দলগতভাবে খেলে মানুষ গল্প করে ধীরে ধীরে খায়। এ বিষয়টি হজমে সাহায্য করে। একা খেলে মানুষ হয় খুব দ্রুত খায় নতুবা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে।ইগো ও অস্বস্তি: অতিরিক্ত ওজনের মানুষ অনেক সময় লোকলজ্জার ভয়ে অন্যদের সামনে খেতে চান না। এটা তাঁদের আরও বেশি একা খাওয়ার দিকে ঠেলে দেয় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।খাবার কেবল পেট ভরার মাধ্যম নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও একটি উপায়। চিকিৎসকদের মতে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়া বা মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে যাওয়া ওষুধের মতোই কার্যকর হতে পারে।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, টাইমস ম্যাগাজিন, ডেইলি মেইল
রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী মজুতদার ও সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্যতেল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক সিন্ডিকেটগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা, ফ্রেশ, সিটি, টিকে, নাবিল ও এসিআই–এর নাম উল্লেখ করে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, এসব সিন্ডিকেট, মজুতদার ও পাইকারদের বিরুদ্ধে তার নির্বাচিত সংসদীয় এলাকা থেকেই অভিযান শুরু হবে এবং প্রয়োজনে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “কোনো বড় নেতা, মন্ত্রী কিংবা সরকারি কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ আর দেওয়া হবে না।”ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকল প্রকার ‘মাফিয়া’ চক্রের বিরুদ্ধে তিনি কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করছেন। সাধারণ নিম্নআয়ের মানুষ যদি ঠিকমতো খাবার জোগাড় করতে না পারে, তাহলে এই সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টদের বাড়িতেও রান্না হতে দেওয়া হবে না—এমন কঠোর ভাষায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।পোস্টের শেষাংশে ইশরাক হোসেন ইনশাআল্লাহ বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তিনি আপসহীন থাকবেন।