ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক এ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হবে।এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশ করা হবে।

‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’

‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও সংবেদনশীলতার বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে। তিনি বলেন, ভারতের মাটিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতারা যদি ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ভারত সরকার তা বন্ধ না করে, তাহলে তা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ এসব কথা বলেন।সম্প্রতি ভারতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেদের দোষ অস্বীকার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য এবং বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে- এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কূটনৈতিক ভাষায় তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে।শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আপনারা আমাদের বিবৃতি দেখেছেন। বিবৃতিতে ডিপ্লোম্যাটিক ভাষায় যতটুকু একটি দেশকে বোঝানো যায়, সেটা আমরা বলেছি। এর আগেও আমরা বারবার বলেছি, ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে- বাংলাদেশের সঙ্গে তারা কী ধরনের সম্পর্ক চায়।’পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যখন ভারতের মাটিতে বসে এই ধরনের কথা বলে এবং ভারত সরকার সেটা এলাউ (অনুমোদন) করে, তখন অবশ্যই বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা উদ্বেগের জায়গা তৈরি হয় যে আমাদের ভবিষ্যতের সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।’আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘জঙ্গিবাদ’ ইস্যু রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ এনে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকার দেশে কোনো ঘটনা ঘটলেই ‘এক্সট্রিমিজম’ ও ‘টেররিজম’-এর একটি বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে।শামা ওবায়েদ বলেন, তাদের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ড আড়াল করতে জঙ্গিবাদের তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আওয়ামী লীগের পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল। এখন তারা বিদেশের মাটিতে বসেও সেই একই ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তবে এটা ভারত এলাউ করবে কি করবে না, সেটা ভারত সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা নাকচ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলেও এ ধরনের বয়ান দেশি-বিদেশি কেউ বিশ্বাস করেনি, এখনও বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন জনগণের সমর্থিত, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার আছে, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি বিরোধী দল আছে। এখানে কোনোভাবেই জঙ্গিবাদের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটা আন্তর্জাতিক মহলে মনোযোগ আকর্ষণের একটি পুরোনো রাজনৈতিক প্রচেষ্টা।’আওয়ামী লীগের মানবাধিকারবিষয়ক বক্তব্যেরও সমালোচনা করে অতীতে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং জুলাই-আগস্টের সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে শামা ওবায়েদ বলেন, যারা এসব ঘটনার সময় নীরব ছিল, তাদের মুখে এখন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে কথা শোনা ‘হাস্যকর’।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ। গত ১৭-১৮ বছরে যে ফ্যাসিবাদ চলেছে, সেটি আবার ফিরে আসুক- এটা বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ এবং দুই দেশের সরকারই সম্পর্ক উন্নত হোক- এটাই চায়। ‘কিন্তু ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী, সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের লোকজন এবং আওয়ামী লীগের প্রধান যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে থাকে ও সেটা যদি ভারত সরকার এখনই বন্ধ না করে, তাহলে অবশ্যই সেটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটা উদ্বেগের জায়গা তৈরি করে।’শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দুই দেশের মধ্যে পানি, জ্বালানি, সীমান্তসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ইস্যু রয়েছে, যেগুলোর সমাধান সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। ‘আমরা আলোচনা করতে চাই। কিন্তু ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে।ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান এবং ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশ এ ধরনের বহুপাক্ষিক উদ্যোগে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে যোগ দেবেন কি না, সেটি তার নিজস্ব সময়সূচি ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক অব্যাহত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার-টু-সরকার সম্পর্ক সবসময়ই বহুমাত্রিক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ তো একটি জায়গায় আটকে থাকতে পারে না। ভারতের সঙ্গে আমাদের জ্বালানি সহযোগিতা আছে, পানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আছে, সীমান্ত ইস্যু আছে। এসব বিষয় আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিতে হবে। এই সংলাপ চলবে।’তবে একই সঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি এমন একটি বিষয়, যা ‘জুলাই যোদ্ধা’, তাদের পরিবার এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করেছে। যেটা বাংলাদেশের ১৭ কোটি সাধারণ গণতান্ত্রিক মানুষ, যারা যুদ্ধ করেছে, প্রাণ দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে- তাদের আহত করে। সেই জায়গাটায় ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে এবং এ বিষয়ে তাদের খুবই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের বিষয়ে তাদের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে, সেটি তাদেরই সিদ্ধান্ত।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকুক, কারণ সেটি জনগণের স্বার্থে। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা-সম্মান এবং উভয় দেশের স্বার্থকে অক্ষুণ্ন রেখে। ভারত যদি সেটা উপলব্ধি করতে পারে, তাহলে সেটাই সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।গেজেটে অনুযায়ী, ৩৪৯ জন ভোটার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। এদের মধ্যে সংসদের সাধারণ আসনের সদস্য ২৯৯ জন। আর সংরক্ষিত আসনের ৫০ জন। চট্টগ্রাম-৪ আসন এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কারণ উচ্চ আদালত ওই আসনের জয়ী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন।ইসির তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনি কর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ১০ টা থেকে ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয় ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। সংসদ অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর ২টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত।গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলেও ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে ইসি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন। তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

  • ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

    আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

  • হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

  • আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, রাতেই বাড়বে গ্যাস

    আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, রাতেই বাড়বে গ্যাস

  • নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  • দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে কথা বলতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঢাকা

    দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে কথা বলতে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ঢাকা

সব খবর

সব খবর

বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন

বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক হলেন সংবাদ ও টকশো উপস্থাপিকা কাজী জেসিন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তাঁকে এক বছরের জন্য বিটিভির মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা, সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাঁকে এক বছরের জন্য মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

গ্যাসের দাম বাড়ালে সরকার টিকে থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ালে সরকার টিকে থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ানো হলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, কৃত্রিম গ্যাস সংকট তৈরি করে সরকার দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং জনগণের সঙ্গে করা একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয় অভিমুখে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকে আমরা হুঁশিয়ারি দিতে এসেছি। গ্যাসের দাম যদি এক টাকাও বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এই সরকার চালাতে পারবেন না। আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিদ্যুতের দাম বাড়াবেন না, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়িয়েছেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ছে। এসব পাঁয়তারা চলবে না, বাংলাদেশে মুনাফাবাজি করতে দেওয়া হবে না।তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেনি। গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন কিংবা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি।এনসিপির এই নেতা বলেন, সরকার সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশ করে কৃত্রিম গ্যাস সংকট সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত না করে দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষ বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে আনতে হিমশিম খাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আগের তুলনায় বেশি চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিরোধী মতের শিক্ষার্থী ও নির্বাচিত ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের ওপর হামলা এবং ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সচিবালয়ের পাশাপাশি সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকেও কর্মসূচি নিয়ে যাওয়া হবে।সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, গণভোটের ফল কার্যকর, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে।

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান শাসনে নারীদের ফুটবল নিষিদ্ধ হওয়ার পর দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। চার বছরের বেশি সময় পর ফিফার স্বীকৃতি নিয়ে আবারও একসঙ্গে মাঠে ফিরেছেন তারা। নিউজিল্যান্ডে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেললেও তাদের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল আফগান নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে আবারও জার্সি গায়ে তোলা।ড্রেসিংরুমে ম্যাচ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। কেউ স্ট্রেচিং করছেন, কেউ বুটের ফিতা বাঁধছেন, আবার কেউ সতীর্থকে জড়িয়ে ধরে সাহস জোগাচ্ছেন। "শক্ত থাকো। আমরা শুধু নিজেদের জন্য নয়, আফগান নারীদের প্রতিনিধিত্ব করছি।" সতীর্থদের উদ্দেশে এমন কথাই বলেন মিডফিল্ডার ফাতিমা হায়দারি।আফগানিস্তানের পতাকা টাঙানো ড্রেসিংরুমে জাতীয় সংগীত বাজতেই অনেক খেলোয়াড় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। এরপর কোচের শেষ অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শুনে মাঠে নামেন তারা, যে মাঠে একসময় তাদের খেলার অধিকারই ছিল না।২৩ সদস্যের এই দলটি গঠিত হয়েছে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া আফগান নারী ফুটবলারদের নিয়ে। তারা নিউজিল্যান্ডে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেন এবং কুক আইল্যান্ডসের বিপক্ষে দুটি অনানুষ্ঠানিক প্রীতি ম্যাচ খেলেন।এটাই প্রথমবার, যখন চলতি বছরের এপ্রিলে ফিফা তাদের ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অনুমতি দেওয়ার পর পুরো দল একত্রিত হয়েছে।২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তানে নারীদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, অধিকাংশ পেশা এবং সংগঠিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে ২০০৭ সালে গঠিত আফগানিস্তান নারী ফুটবল দল কার্যত ভেঙে যায়। অনেক খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেন।দীর্ঘদিনের প্রচারণার পর 'আফগান উইমেন ইউনাইটেড' নামে শরণার্থী দল গঠনের অনুমোদন দেয় ফিফা। এখন এই দলটি ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকের বাছাইপর্বেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।দলের সদস্য মনোজ নুরি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। কাবুলে বড় হওয়ার সময় ছেলেদের সঙ্গে ফুটবল খেলতেন তিনি। পরিবারের বিরোধিতার কারণে পরিচয় গোপন রাখতে মুখ ঢেকে খেলতেন। পরে জাতীয় পর্যায়ে একের পর এক শিরোপা জিতলেও পরিবারের চাপে কিছুদিন ফুটবল ছাড়তে হয়েছিল।তালেবান ক্ষমতায় ফেরার সময় দেশ ছাড়ার আগে নিজের জেতা পদক ও ট্রফিগুলো বাড়ির বাগানে পুঁতে রেখে যান নুরি। এখনো সেগুলো সেখানেই আছে। নুরির ভাষায়, "একদিন দেশে ফিরে সেগুলো আবার তুলে আনব।"দলের আরেক সদস্য মুরসাল সাদাত বলেন, "আমি যদি ফুটবলার না হতাম, তাহলে হয়তো এখনো আফগানিস্তানেই থাকতাম। লাখো মেয়ের মতো পড়াশোনা বা নিজের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতাম না।"ইংল্যান্ডে বসবাসকারী ডিফেন্ডার নাজমা আরেফিও বলেন, আফগানিস্তানে মেয়েদের সবচেয়ে খারাপ সময়ে অনুশীলনের সময় দেওয়া হতো। ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরমেও তাদের অনুশীলন করতে হয়েছে। তবু তারা হাল ছাড়েননি।কুক আইল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানে হারলেও ফলাফল নিয়ে হতাশ নন আফগান নারী ফুটবলাররা।তাদের কাছে এই দুই ম্যাচ শুধু দুটি প্রীতি ম্যাচ নয়; বরং নির্বাসন, বিচ্ছিন্নতা ও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর আবারও নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার প্রতীক।ফিফার স্বীকৃতিকে তারা দেখছেন নতুন এক শুরুর সুযোগ হিসেবে। ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে আফগানিস্তানের জার্সি গায়ে মাঠে নামাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।সূত্র: বিবিসি

শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী

শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী

বগুড়ায় একদিনের সফরে আগামী শনিবার (৮ আগস্ট) আসছেন সাতটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিনজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ব্যবসায়ী নেতাদের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়াসহ দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তারা।সফরসূচি অনুযায়ী, বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি শনিবার বগুড়ায় অবস্থান করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফরকালে তিন মন্ত্রী বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। এছাড়া তারা বগুড়া শাহ ফতেহ আলী সেতুর উদ্বোধন, শাকপালা পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বগুড়া সড়ক জোনের উদ্বোধন, বিসিক শিল্প পার্কের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন এবং বিসিকের শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।তিন মন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং শিল্প-বাণিজ্য খাতের সম্ভাবনা নিয়ে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্প উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও সফরটি ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবেশবাদী নেতার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের স্তূপ, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

সরিষার মধ্যে ভূত পরিবেশবাদী নেতার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের স্তূপ, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

বগুড়া শহরের জয়পুরপাড়া এলাকায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে সংগ্রহ করা ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশসম্মত উপায়ে অপসারণ বা ধ্বংস না করে উন্মুক্ত স্থানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।বিষয়টিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে এই কারণে যে, বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান 'স্বপ্ন'–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান একই সঙ্গে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে পরিবেশ রক্ষার দাবিদার একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই পরিবেশ দূষণের অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় দুই দশক ধরে বগুড়া শহরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো থেকে অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহ করা হলেও তা নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে না। ফলে রক্তমাখা ব্যান্ডেজ, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, স্যালাইনের সেট, গ্লাভসসহ সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে পড়ে থাকছে।সরেজমিনে জয়পুরপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা বর্জ্য খোলা জায়গায় জমে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুমোদিত পদ্ধতিতে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত বা ধ্বংস না করে বছরের পর বছর তা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্জ্য শোধনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকলেও তা কার্যকর নয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, বর্জ্যের একটি অংশ প্রকাশ্যেই আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়। এতে সৃষ্ট কালো ধোঁয়া ও তীব্র দুর্গন্ধ আশপাশের পরিবেশ দূষিত করছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, চিকিৎসা বর্জ্যের এই স্তূপের অদূরেই রয়েছে অন্তত ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। কয়েকটি মহল্লার মানুষের চলাচলের প্রধান সড়কও বর্জ্যের পাশ দিয়ে গেছে। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দা সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে ওই পথ ব্যবহার করছেন। বর্ষাকালে বর্জ্যমিশ্রিত পানি আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দা মিতা রানী ও জয়ন্ত কুমার বলেন, বর্ষাকালে বর্জ্য পানিতে ভেসে বাড়ির সামনে চলে আসে। কখনও ব্যবহৃত ইনজেকশনের সুচে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। দুর্গন্ধ, নোংরা পানি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত বসবাস করতে হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করে। কিন্তু সেই অর্থের বিপরীতে নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হচ্ছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে 'স্বপ্ন' প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতো। তবে বিভিন্ন কারণে কিছু বর্জ্য জমে গেছে এবং দ্রুত তা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ও মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নিয়মিত তদারকি ও কঠোর নজরদারির অভাবেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহাথীর বিন মোহাম্মদ বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দেখা হবে।অন্যদিকে বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।স্থানীয়দের দাবি, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে চিকিৎসা বর্জ্যের স্তূপ দ্রুত অপসারণ, পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত এবং দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় এই অব্যবস্থাপনা ভবিষ্যতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকট ডেকে আনতে পারে।

বগুড়ায় নারী চালক ও কর্মী নিয়ে চালু হচ্ছে বিশেষ বাস

বগুড়ায় নারী চালক ও কর্মী নিয়ে চালু হচ্ছে বিশেষ বাস

বগুড়ায় নারী ও শিশুদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও সম্মানজনক যাতায়াত নিশ্চিত করতে চালু হতে যাচ্ছে বিআরটিসির বিশেষ দুটি বাস সার্ভিস। ইতোমধ্যেই বাস দুটি বগুড়া বিআরটিসি ডিপোতে পৌঁছেছে। এ বাসের বিশেষত্ব হলো—চালক, সুপারভাইজারসহ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত সব কর্মীই হবেন নারী। গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিআরটিসি সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ এ বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপরই বগুড়া শহরে নিয়মিতভাবে বাস দুটি চলাচল শুরু করবে। তবে বাসগুলোর নির্দিষ্ট রুট এবং ভাড়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।বিআরটিসির বগুড়া ডিপো ম্যানেজার শাহিনুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে বাস পরিচালনার রুট ও ভাড়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হবে। নির্দেশনা হাতে পেলেই বিশেষ বাস দুটি যাত্রীসেবা দিতে সড়কে নামানো হবে।

আমাদের উত্তরাঞ্চলে একজন আবু সাঈদ আছে: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এমপি লিংকন

আমাদের উত্তরাঞ্চলে একজন আবু সাঈদ আছে: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এমপি লিংকন

প্রতি বছর ৫ আগস্ট বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এই দিনে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে সরকারের পতন ঘটে। বিপ্লবীদের ভাষায় দিনটি '৩৬ জুলাই' নামেও পরিচিত। সারা দেশের ন্যায় গোবিন্দগঞ্জে গণঅভ্যুত্থান দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকারি জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বুধবার ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে থানা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ৩২গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন এমপি বলেছেন, জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সব বাধা ঐক্যবদ্ধভাবে অতিক্রম করতে হবে। আমাদের উত্তরবঙ্গের রংপুরে কিছু থাক আর না থাক, আমাদের একজন আবু সাঈদ আছেন।উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফারুক আহাম্মেদের সভাপতিত্বে এবং পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক কবির আহাম্মেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন দীপু, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব রেজওয়ানুল হাবীব রফিক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন পাতা, রাখালবুরুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল হক চৌধুরী ডিউক, কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ, রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম বিপ্লব, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাইদুর রহমান রানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান সেন্টু এবং উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাজাদুর রহমান সাজুসহ উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।স্মরণসভায় শহীদ জুয়েল রানার পরিবারের সদস্যদের এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের ‘জুলাই স্মৃতি সম্মাননা’ স্মারক প্রদান করা হয়। এর আগে দিবসটি উপলক্ষে একটি গণমিছিল উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন, ৭৫ জনকে আসামী করে মামলা

টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন, ৭৫ জনকে আসামী করে মামলা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নির্মিত ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ৭৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।বুধবার (৫ আগষ্ট) রাতে ইমন ইসলাম বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন মামলার নং ০৫/০৮/২৬/(৫)টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আইয়ুব আলী সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ও আহতদের স্মরণে শনিবার স্মারক তোরণটি নির্মাণ করে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। ওই দিনই গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তোরণটিতে আগুন দিলে নিচের অংশ আংশিক পুড়ে যায়।এ ঘটনায় ইমন ইসলাম বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সোহানসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৪০ জনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন।ওসি আরো জানান, আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুত আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার (০১ আগষ্ট) গভীর রাতে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় স্মারক তোরণটি নির্মাণ করে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ও আহতদের স্মরণে তোরণটি নির্মাণ করা হয়। পরে গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তোরণটিতে আগুন দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এতে তোরণের নিচের অংশ আংশিক পুড়ে যায়।

‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’

‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও সংবেদনশীলতার বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে। তিনি বলেন, ভারতের মাটিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতারা যদি ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ভারত সরকার তা বন্ধ না করে, তাহলে তা বাংলাদেশের জনগণের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ এসব কথা বলেন।সম্প্রতি ভারতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেদের দোষ অস্বীকার করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য এবং বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে- এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কূটনৈতিক ভাষায় তার অবস্থান পরিষ্কার করেছে।শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আপনারা আমাদের বিবৃতি দেখেছেন। বিবৃতিতে ডিপ্লোম্যাটিক ভাষায় যতটুকু একটি দেশকে বোঝানো যায়, সেটা আমরা বলেছি। এর আগেও আমরা বারবার বলেছি, ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে- বাংলাদেশের সঙ্গে তারা কী ধরনের সম্পর্ক চায়।’পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যখন ভারতের মাটিতে বসে এই ধরনের কথা বলে এবং ভারত সরকার সেটা এলাউ (অনুমোদন) করে, তখন অবশ্যই বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা উদ্বেগের জায়গা তৈরি হয় যে আমাদের ভবিষ্যতের সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে।’আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘জঙ্গিবাদ’ ইস্যু রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ এনে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকার দেশে কোনো ঘটনা ঘটলেই ‘এক্সট্রিমিজম’ ও ‘টেররিজম’-এর একটি বয়ান দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে।শামা ওবায়েদ বলেন, তাদের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য কর্মকাণ্ড আড়াল করতে জঙ্গিবাদের তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আওয়ামী লীগের পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল। এখন তারা বিদেশের মাটিতে বসেও সেই একই ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তবে এটা ভারত এলাউ করবে কি করবে না, সেটা ভারত সরকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা নাকচ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলেও এ ধরনের বয়ান দেশি-বিদেশি কেউ বিশ্বাস করেনি, এখনও বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন জনগণের সমর্থিত, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি সরকার আছে, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি বিরোধী দল আছে। এখানে কোনোভাবেই জঙ্গিবাদের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটা আন্তর্জাতিক মহলে মনোযোগ আকর্ষণের একটি পুরোনো রাজনৈতিক প্রচেষ্টা।’আওয়ামী লীগের মানবাধিকারবিষয়ক বক্তব্যেরও সমালোচনা করে অতীতে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং জুলাই-আগস্টের সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে শামা ওবায়েদ বলেন, যারা এসব ঘটনার সময় নীরব ছিল, তাদের মুখে এখন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে কথা শোনা ‘হাস্যকর’।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ। গত ১৭-১৮ বছরে যে ফ্যাসিবাদ চলেছে, সেটি আবার ফিরে আসুক- এটা বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ এবং দুই দেশের সরকারই সম্পর্ক উন্নত হোক- এটাই চায়। ‘কিন্তু ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী, সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের লোকজন এবং আওয়ামী লীগের প্রধান যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে থাকে ও সেটা যদি ভারত সরকার এখনই বন্ধ না করে, তাহলে অবশ্যই সেটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটা উদ্বেগের জায়গা তৈরি করে।’শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দুই দেশের মধ্যে পানি, জ্বালানি, সীমান্তসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ইস্যু রয়েছে, যেগুলোর সমাধান সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। ‘আমরা আলোচনা করতে চাই। কিন্তু ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়া সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে।ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান এবং ব্রিকস একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশ এ ধরনের বহুপাক্ষিক উদ্যোগে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে যোগ দেবেন কি না, সেটি তার নিজস্ব সময়সূচি ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক অব্যাহত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার-টু-সরকার সম্পর্ক সবসময়ই বহুমাত্রিক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ তো একটি জায়গায় আটকে থাকতে পারে না। ভারতের সঙ্গে আমাদের জ্বালানি সহযোগিতা আছে, পানি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু আছে, সীমান্ত ইস্যু আছে। এসব বিষয় আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিতে হবে। এই সংলাপ চলবে।’তবে একই সঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি এমন একটি বিষয়, যা ‘জুলাই যোদ্ধা’, তাদের পরিবার এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করেছে। যেটা বাংলাদেশের ১৭ কোটি সাধারণ গণতান্ত্রিক মানুষ, যারা যুদ্ধ করেছে, প্রাণ দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে- তাদের আহত করে। সেই জায়গাটায় ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে এবং এ বিষয়ে তাদের খুবই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ভারতের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সফর ও যোগাযোগ ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশের বিষয়ে তাদের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে, সেটি তাদেরই সিদ্ধান্ত।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকুক, কারণ সেটি জনগণের স্বার্থে। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা-সম্মান এবং উভয় দেশের স্বার্থকে অক্ষুণ্ন রেখে। ভারত যদি সেটা উপলব্ধি করতে পারে, তাহলে সেটাই সবার জন্য মঙ্গলজনক হবে।’

বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন

বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ

দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, রাতেই বাড়বে গ্যাস

আংশিক চালু হয়েছে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল, রাতেই বাড়বে গ্যাস

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

হাছান-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ জনের বিচারে সাক্ষ্য শুরু আজ

হাছান-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ জনের বিচারে সাক্ষ্য শুরু আজ

১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী

১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী

নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি আরব

বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি আরব

জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, দল বা ব্যক্তির নয়: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জনগণের, দল বা ব্যক্তির নয়: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রচুর অস্ত্র আছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রচুর অস্ত্র আছে: ট্রাম্প

লেবাননে ব্যাপক সংঘর্ষে ইসরায়েলের দুই সেনা নিহত

লেবাননে ব্যাপক সংঘর্ষে ইসরায়েলের দুই সেনা নিহত

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরান

লাফিয়ে বেড়ে বিশ্ববাজারে সাত সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

লাফিয়ে বেড়ে বিশ্ববাজারে সাত সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

ইরান যুদ্ধে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, ৮০ শতাংশ থাড ক্ষেপণাস্ত্র শেষ

ইরান যুদ্ধে অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, ৮০ শতাংশ থাড ক্ষেপণাস্ত্র শেষ

গ্যাসের দাম বাড়ালে সরকার টিকে থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ালে সরকার টিকে থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ানো হলে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, কৃত্রিম গ্যাস সংকট তৈরি করে সরকার দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং জনগণের সঙ্গে করা একের পর এক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয় অভিমুখে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, আজকে আমরা হুঁশিয়ারি দিতে এসেছি। গ্যাসের দাম যদি এক টাকাও বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এই সরকার চালাতে পারবেন না। আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিদ্যুতের দাম বাড়াবেন না, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়িয়েছেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ছে। এসব পাঁয়তারা চলবে না, বাংলাদেশে মুনাফাবাজি করতে দেওয়া হবে না।তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেনি। গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন কিংবা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি।এনসিপির এই নেতা বলেন, সরকার সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশ করে কৃত্রিম গ্যাস সংকট সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত না করে দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষ বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে আনতে হিমশিম খাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আগের তুলনায় বেশি চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিরোধী মতের শিক্ষার্থী ও নির্বাচিত ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিদের ওপর হামলা এবং ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সচিবালয়ের পাশাপাশি সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকেও কর্মসূচি নিয়ে যাওয়া হবে।সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, গণভোটের ফল কার্যকর, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে।

কাউকে অসম্মান নয়, জনদাবি সরকারের হাতে তুলে দিতে চাই: জামায়াত আমির

কাউকে অসম্মান নয়, জনদাবি সরকারের হাতে তুলে দিতে চাই: জামায়াত আমির

শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত কাজ: রিজভী

শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারতের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত কাজ: রিজভী

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে  লংমার্চের ঘোষণা দিলো ১১ দল

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে লংমার্চের ঘোষণা দিলো ১১ দল

১১ দলীয় ঐক্যের সচিবালয় ঘেরাও, পুলিশের বাধা

১১ দলীয় ঐক্যের সচিবালয় ঘেরাও, পুলিশের বাধা

শিক্ষাঙ্গনে হামলার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

শিক্ষাঙ্গনে হামলার ঘটনায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আপোষহীন বিএনপি এখন আপোসকামী হয়ে জনরায় উপেক্ষা করছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু

আপোষহীন বিএনপি এখন আপোসকামী হয়ে জনরায় উপেক্ষা করছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে আটক ৩ যুবক, গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ

ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে আটক ৩ যুবক, গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ‘জুলাই বিপ্লব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া টিম যৌথ চ্যাম্পিয়ন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ‘জুলাই বিপ্লব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া টিম যৌথ চ্যাম্পিয়ন

শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী

শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী

বগুড়ায় একদিনের সফরে আগামী শনিবার (৮ আগস্ট) আসছেন সাতটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিনজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ব্যবসায়ী নেতাদের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়াসহ দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তারা।সফরসূচি অনুযায়ী, বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি শনিবার বগুড়ায় অবস্থান করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফরকালে তিন মন্ত্রী বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। এছাড়া তারা বগুড়া শাহ ফতেহ আলী সেতুর উদ্বোধন, শাকপালা পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বগুড়া সড়ক জোনের উদ্বোধন, বিসিক শিল্প পার্কের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন এবং বিসিকের শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।তিন মন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং শিল্প-বাণিজ্য খাতের সম্ভাবনা নিয়ে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্প উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও সফরটি ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবেশবাদী নেতার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের স্তূপ, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

সরিষার মধ্যে ভূত পরিবেশবাদী নেতার প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্যের স্তূপ, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

বগুড়ায় নারী চালক ও কর্মী নিয়ে চালু হচ্ছে বিশেষ বাস

বগুড়ায় নারী চালক ও কর্মী নিয়ে চালু হচ্ছে বিশেষ বাস

আমাদের উত্তরাঞ্চলে একজন আবু সাঈদ আছে: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এমপি লিংকন

আমাদের উত্তরাঞ্চলে একজন আবু সাঈদ আছে: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এমপি লিংকন

টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন, ৭৫ জনকে আসামী করে মামলা

টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মারক তোরণে আগুন, ৭৫ জনকে আসামী করে মামলা

মোংলায় বাংলাদেশ ট্রাস্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মোংলায় বাংলাদেশ ট্রাস্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে ১০জন আহত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে ১০জন আহত

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান সরকারের স্বীকৃতি ছাড়াই খেলতে পারবে আফগান নারী দল

তালেবান শাসনে নারীদের ফুটবল নিষিদ্ধ হওয়ার পর দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। চার বছরের বেশি সময় পর ফিফার স্বীকৃতি নিয়ে আবারও একসঙ্গে মাঠে ফিরেছেন তারা। নিউজিল্যান্ডে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেললেও তাদের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল আফগান নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে আবারও জার্সি গায়ে তোলা।ড্রেসিংরুমে ম্যাচ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। কেউ স্ট্রেচিং করছেন, কেউ বুটের ফিতা বাঁধছেন, আবার কেউ সতীর্থকে জড়িয়ে ধরে সাহস জোগাচ্ছেন। "শক্ত থাকো। আমরা শুধু নিজেদের জন্য নয়, আফগান নারীদের প্রতিনিধিত্ব করছি।" সতীর্থদের উদ্দেশে এমন কথাই বলেন মিডফিল্ডার ফাতিমা হায়দারি।আফগানিস্তানের পতাকা টাঙানো ড্রেসিংরুমে জাতীয় সংগীত বাজতেই অনেক খেলোয়াড় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। এরপর কোচের শেষ অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শুনে মাঠে নামেন তারা, যে মাঠে একসময় তাদের খেলার অধিকারই ছিল না।২৩ সদস্যের এই দলটি গঠিত হয়েছে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া আফগান নারী ফুটবলারদের নিয়ে। তারা নিউজিল্যান্ডে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেন এবং কুক আইল্যান্ডসের বিপক্ষে দুটি অনানুষ্ঠানিক প্রীতি ম্যাচ খেলেন।এটাই প্রথমবার, যখন চলতি বছরের এপ্রিলে ফিফা তাদের ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অনুমতি দেওয়ার পর পুরো দল একত্রিত হয়েছে।২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর আফগানিস্তানে নারীদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, অধিকাংশ পেশা এবং সংগঠিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে ২০০৭ সালে গঠিত আফগানিস্তান নারী ফুটবল দল কার্যত ভেঙে যায়। অনেক খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেন।দীর্ঘদিনের প্রচারণার পর 'আফগান উইমেন ইউনাইটেড' নামে শরণার্থী দল গঠনের অনুমোদন দেয় ফিফা। এখন এই দলটি ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকের বাছাইপর্বেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।দলের সদস্য মনোজ নুরি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। কাবুলে বড় হওয়ার সময় ছেলেদের সঙ্গে ফুটবল খেলতেন তিনি। পরিবারের বিরোধিতার কারণে পরিচয় গোপন রাখতে মুখ ঢেকে খেলতেন। পরে জাতীয় পর্যায়ে একের পর এক শিরোপা জিতলেও পরিবারের চাপে কিছুদিন ফুটবল ছাড়তে হয়েছিল।তালেবান ক্ষমতায় ফেরার সময় দেশ ছাড়ার আগে নিজের জেতা পদক ও ট্রফিগুলো বাড়ির বাগানে পুঁতে রেখে যান নুরি। এখনো সেগুলো সেখানেই আছে। নুরির ভাষায়, "একদিন দেশে ফিরে সেগুলো আবার তুলে আনব।"দলের আরেক সদস্য মুরসাল সাদাত বলেন, "আমি যদি ফুটবলার না হতাম, তাহলে হয়তো এখনো আফগানিস্তানেই থাকতাম। লাখো মেয়ের মতো পড়াশোনা বা নিজের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতাম না।"ইংল্যান্ডে বসবাসকারী ডিফেন্ডার নাজমা আরেফিও বলেন, আফগানিস্তানে মেয়েদের সবচেয়ে খারাপ সময়ে অনুশীলনের সময় দেওয়া হতো। ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরমেও তাদের অনুশীলন করতে হয়েছে। তবু তারা হাল ছাড়েননি।কুক আইল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানে হারলেও ফলাফল নিয়ে হতাশ নন আফগান নারী ফুটবলাররা।তাদের কাছে এই দুই ম্যাচ শুধু দুটি প্রীতি ম্যাচ নয়; বরং নির্বাসন, বিচ্ছিন্নতা ও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর আবারও নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার প্রতীক।ফিফার স্বীকৃতিকে তারা দেখছেন নতুন এক শুরুর সুযোগ হিসেবে। ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ও অলিম্পিকে আফগানিস্তানের জার্সি গায়ে মাঠে নামাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।সূত্র: বিবিসি

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

সমালোচনার মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো

দ. আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ

দ. আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ

এমবাপ্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী

এমবাপ্পের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী

ব্রাজিলকে নিয়ে আনচেলত্তির নতুন পরিকল্পনা

ব্রাজিলকে নিয়ে আনচেলত্তির নতুন পরিকল্পনা

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ!

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ তালিকা প্রকাশ!

ব্রাজিল খেলবে কলকাতায়, সমর্থকদের দাবি বাংলাদেশে সফরের

ব্রাজিল খেলবে কলকাতায়, সমর্থকদের দাবি বাংলাদেশে সফরের

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

'কিং' সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার সম্ভাব্য নতুন লুক সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি কাটানোর সময় এক ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কিং খান। এরপর সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদশাহ কালো রঙের হুডি ও ‘VR-46’ লেখা একটি কালো ক্যাপ পরে ছিলেন। মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করলেও ক্যাপের ফাঁক দিয়ে তার ব্লিচ করা চুল দেখা যায়। এ থেকেই নেটিজেনদের ধারণা— পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমার নতুন লুক আড়াল করতেই এমন সতর্ক ছিলেন শাহরুখ খান।‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে সম্পূর্ণ ধূসর চুলের ভিন্নধর্মী লুকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ঘুরতে বের হওয়ার সময় শাহরুখ খানের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। সাধারণ পোশাকে থাকলেও ভক্তদের আগ্রহ এড়াতে পারেননি তিনি। কয়েকজন ভক্ত-অনুরাগীর সঙ্গে ছবিও তুলেছেন এ অভিনেতা।এ ছাড়া লন্ডনে শাহরুখ খানের বাড়িও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তার বাড়ির সামনে ভিড় করছেন অসংখ্য ভক্ত। অনেকেই সেখানে ছবি ও সেলফি ভিডিও ধারণ করছেন। দৃশ্যটি মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভক্তদের ভিড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

১৫ মাস পর দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, চাইলেন দোয়া

দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকার পর দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টা ১০ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।‎‎ঢাকার বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমি দেশে এসেছি। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমি সব সময় সবার জন্য দোয়া করি।‎‎এর আগে সোমবার সকালে তার দেশে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন এরশাদ। তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে ইলিয়াস কাঞ্চন আবারও লন্ডনে ফেরত যাবেন। আগামী ১৫ আগস্ট অভিনেতার শারীরিক পরিক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।‎‎গত বছরের প্রথম দিকে অভিনেতার শরীরে টিউমার ধরা পড়লেও পারিবারিক সিদ্ধান্তে গত ২৬ এপ্রিল ইলিয়াস কাঞ্চনকে লন্ডনে নেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে হারলি স্ট্রিট ক্লিনিকে চিকিৎসা শুরু হয়। তিন মাসের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে প্রফেসর ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে তার ব্রেনে অস্ত্রোপচার করা হয়।

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

টালিগঞ্জের মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক ঘটলো। 'গুলশানের চামেলী' সিনেমার মাধ্যমে তিনি যাত্রা শুরু করছেন ঢালিউডে।১ আগস্ট শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।মধুমিতা বলেন, 'আমি এখানকার সবার এতটা ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত। এত এত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে, এত গুণী মানুষদের নিয়ে আমার অভিষেক হচ্ছে ঢাকাই সিনেমায়। এর চেয়ে ভালো অভিষেক আর হতে পারে না।'তিনি আরও বলেন, 'আমরা যে এনার্জি ও স্পিড নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, আশা করি সিনেমাটি খুব ভালো হবে। আমাকে এই সিনেমায় কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে চাই।' মহরতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে এমডি ইকবাল পরিচালিত 'গুলশানের চামেলী'।সিনেমাটির মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে মধুমিতা সরকারকে, যা নিয়ে দুই বাংলার দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। জানা গেছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন এ অভিনেত্রী। এর আগে স্বামী দেবমাল্য চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল সকাল ১০টার দিকে ঢাকায় পৌঁছান মধুমিতা সরকার।‘গুলশানের চামেলী’ নির্মিত হচ্ছে এক যৌনকর্মীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটিতে বাংলাদেশ ও ভারতের দুই দেশের জনপ্রিয় একঝাঁক শিল্পী অভিনয় করবেন। ইতোমধ্যে সিনেমাটির শিল্পী তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ওমর সানী, আমিন খান, আশীষ খন্দকার ও কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে আজমেরী হক বাঁধনকে।

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

‘জুমানজি’ নতুন সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করলো সনি

বহু প্রতীক্ষিত ‘জুমানজি: ওপেন ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার প্রথম ট্রেইলার প্রকাশ করেছে সনি। জনপ্রিয় এই সিরিজের তৃতীয় ও শেষ পর্বে আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন ডোয়েন জনসন, কেভিন হার্ট, জ্যাক ব্ল্যাক ও কারেন গিলান।২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া জুমানজি: ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল এবং ২০১৯ সালের জুমানজি: দ্য নেক্সট লেভেলের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নির্মিত হচ্ছে নতুন এই সিনেমা। আগের দুই পর্ব বিশ্বজুড়ে ১৭০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলার আয় করে।নতুন সিনেমাতেও আগের মতোই থাকছে রোমাঞ্চ, হাস্যরস, অ্যাকশন এবং চরিত্র বদলের মজার সব ঘটনা। ভিডিও গেমের ভেতরের চরিত্রগুলোতে আবারও অভিনয় করেছেন ডোয়েন জনসন, কেভিন হার্ট, জ্যাক ব্ল্যাক ও কারেন গিলান।প্রধান চার তারকার পাশাপাশি এবারও অভিনয় করেছেন ড্যানি ডিভিটো, নিক জোনাস, অকওয়াফিনা, মারিন হিঙ্কল, বেবে নিউওয়ার্থ, লামর্ন মরিস ও রিস ডার্বি। নতুন মুখ হিসেবে যোগ দিয়েছেন ড্যান হিলডেব্র্যান্ড ও জ্যাক জুকস।সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জেক কাসদান। চিত্রনাট্য লিখেছেন জেক কাসদান, জেফ পিঙ্কনার ও স্কট রোজেনবার্গ। প্রযোজনায় রয়েছেন ম্যাট টলম্যাচ, ডোয়েন জনসন, ড্যানি গার্সিয়া, হিরাম গার্সিয়া এবং জেক কাসদান।প্রথমে আগামী ১১ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও পরে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বড়দিন উপলক্ষে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।উল্লেখ্য, নতুন এই সিনেমাটি ১৯৯৫ সালের জনপ্রিয় জুমানজি চলচ্চিত্রের আধুনিক সংস্করণের ধারাবাহিকতা। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন প্রয়াত রবিন উইলিয়ামস ও কিরস্টেন ডানস্ট। নতুন সিরিজে বোর্ড গেমের পরিবর্তে ভিডিও গেমকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বড়দিনে মুক্তি পাওয়ায় এটি ডিউন: পার্ট থ্রি এবং অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে-এর মতো বড় বাজেটের সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে।

স্থগিত হলো অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট

স্থগিত হলো অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট

সব ধরনের প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের ঢাকা কনসার্ট। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড উইথ অনুপম রায়’ আয়োজন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।আয়োজক প্রতিষ্ঠান ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন জানিয়েছে, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘অনিবার্য কারণ’ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করার নির্দেশনা দেয়।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আয়োজকরা বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি ও অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কনসার্টটি আপাতত স্থগিত করতে হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে শুধু দর্শকই নন, শিল্পী, স্পন্সর, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই হতাশ হয়েছেন।টিকিট ক্রয়কারী দর্শকদের আশ্বস্ত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, কনসার্টের জন্য কেনা সব টিকিটের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। অফিসিয়াল টিকিটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং আগামী রোববারের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হবে।সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনিবার্য কারণ উল্লেখ করলেও কনসার্ট স্থগিতের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

অপু-বুবলী না, যে তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন শাকিব

অপু-বুবলী না, যে তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন শাকিব

শাকিব খানের ব্যক্তিজীবন অনেকটা খোলা বইয়ের মতো। অনেক পাতা-ই পড়া নেটিজেনদের। একটি পৃষ্ঠা যেন উল্টানো বাকি ছিল। যেটি কিং খান নিজেই উল্টালেন। চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে জানালেন অপু-বুবলী না, ইংলিশ মিডিয়ামের এক তরুণীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন অভিনেতা।বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন শাকিব খান। উপস্থাপনার কাজটি সামলাচ্ছিলেন পূর্ণিমা। দীর্ঘদিনের সহকর্মীর কাছেই মনের গোপন জানিয়েছেন মেগাস্টার।জানান একসময় গুলশানের ইংরেজি মাধ্যমের এক তরুণীর প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। দুজনের সম্পর্কটি খুব বেশি দূর এগোয়নি। তবে সেই অসমাপ্ত ভালোবাসার স্মৃতি এখনও তাকে নাড়া দেয়।শাকিব বলেন, ‘আমার বাসার কাছাকাছি ছিল ওর বাড়ি। দেখতেও ভীষণ সুন্দর ছিল। আমি কিন্তু তার সঙ্গেই সেটেলড হতে চেয়েছিলাম। আমি মনে মনে সিরিয়াসলি তাকেই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। আমাকে মেয়েটি খুব ভালোবাসত। আমি সত্যিই তার সঙ্গেই সংসার করতে চেয়েছিলাম। মাঝে মাঝে একা বসে ভাবি— আমি চাইলাম কাকে, ভালোবাসলাম কাকে, আর কোথায় গেলাম!’সেই তরুণীকে এখনও মিস করেন বলে পূর্ণিমাকে জানান শাকিব। বলেন, ‘আমি এখনও তাকে মিস করি। মাঝেমাঝেই যখন একা থাকি তখন ভাবি যে, কেন এরকম হলো! সম্পর্কে যখন ভালোবাসাবাসি বেশি হয়ে যায় তখন মনে হয় এরকম হয়ে যায়।’ উপস্থাপকের আসনে পূর্ণিমা বরাবরই দক্ষ। শাকিবের বেলায়ও একই রকম ছিলেন। নায়কের পেট থেকে কথা বের করতে মোক্ষম প্রশ্ন ছোড়েন। প্রশ্ন করেন, সেই তরুণী যদি আবার জীবনে ফিরে আসেন, তাহলে তাকে গ্রহণ করবেন কি না। উত্তরে শাকিব বলেন, ‘সে অনেক ভালো কিছু ডিজার্ভ করে। আমি চাই, সে অনেক ভালো থাকুক।’

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন

জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের ওপর সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ

জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকের ওপর সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ

সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ‘ইগনাইট থেরাপি সেন্টার’ উদ্বোধন

সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ‘ইগনাইট থেরাপি সেন্টার’ উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের ২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্ব ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের ২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্ব ঘোষণা

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু নভেম্বরে, পরীক্ষা ডিসেম্বরে

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু নভেম্বরে, পরীক্ষা ডিসেম্বরে

প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ ১ অক্টোবর নির্ধারণ

প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ ১ অক্টোবর নির্ধারণ

অক্টোবরে নয়, আগস্টেই যোগদানের সময় চান সহকারী শিক্ষকরা

অক্টোবরে নয়, আগস্টেই যোগদানের সময় চান সহকারী শিক্ষকরা

প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান ২৯ অক্টোবর

প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান ২৯ অক্টোবর

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম স্কিন ক্যান্সারের হটস্পট, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ২,০০০ মানুষ স্কিন ক্যান্সার এবং মেলানোমায় মারা যায় এবং প্রতি ৩ জন অস্ট্রেলিয়ানের মধ্যে প্রায় ২ জনের জীবনে অন্তত একবার স্কিন ক্যান্সারের জন্য অস্ত্রোপচার করাতে হবে বলে ধারণা করা হয়। এমন একটি দেশে যেখানে সানস্ক্রিন একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস, সেখানে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া একটি বিতর্ক বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে।ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘চয়েস’ এর অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, ২০টি জনপ্রিয় সানস্ক্রিনের মধ্যে ১৬টিই তাদের লেবেলে উল্লিখিত এসপিএফ (SPF) সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘটনাটি ছিল এসপিএফ ৫০+ (SPF 50+) হিসেবে বাজারজাত করা একটি পণ্যকে ঘিরে, যা পরীক্ষায় প্রায় এসপিএফ ৪ (SPF 4) এর মতো কাজ করেছে বলে জানা যায়। ব্র্যান্ডটি এই ফলাফল নিয়ে আপত্তি জানালেও পণ্যটি বাজার থেকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং এরপর থেকে অস্ট্রেলিয়ার থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (TGA) একই ধরনের সানস্ক্রিনের বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফলে কেন এত বড় অমিল দেখা যাচ্ছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। আমাদের দেশে অনেকেই মনে করে যে আমদানি করা পণ্য ত্বকের যত্নের জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্যের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। কিন্তু এই সংবাদটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে, শুধুমাত্র একটি পরিচিত ব্র্যান্ডের নামই এখন আর যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের হোক বা কোনো স্থানীয় কোম্পানির, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি তার লেবেলে লেখা সুরক্ষা সত্যিই প্রদান করে কি না । এই বিষয়টি ক্রমশ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, কারণ ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং অতিবেগুনি (UV) রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতা আরও বেশি মানুষকে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলেন, কারণ এটি ত্বককে তৈলাক্ত বা চিটচিটে করে ফেলে, অথবা ব্যবহারের পর ত্বকে হোয়াইট কাস্ট রেখে যায়। এছাড়া, অন্য দেশের জলবায়ুর জন্য তৈরি কোনো ফর্মুলা বাংলাদেশের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সবসময় স্বস্তিদায়ক নাও হতে পারে। সানস্ক্রিনের আসল কার্যকারিতা তখনই, যখন সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। শুধু ভালো পরীক্ষার ফল থাকলেই হবে না। তাহলে গ্রাহকরা কীভাবে জানবেন যে একটি সানস্ক্রিন সত্যিই কাজ করে কিনা? প্রথম ধাপ হলো লেবেলের অর্থ বোঝা। এসপিএফ (SPF), বা সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর, ইউভিবি (UVB) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষার মাত্রা পরিমাপ করে, যা মূলত সানবার্নের কারণ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে, একটি এসপিএফ ৫০ (SPF 50) সানস্ক্রিন এই রশ্মিগুলোর প্রায় ৯৮ শতাংশ আটকে দেয়। কিন্তু এসপিএফ হলো সম্পূর্ণ চিত্রের একটি অংশ মাত্র। পিএ (PA) রেটিং ইউভিএ (UVA) রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা নির্দেশ করে, যা ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং ট্যানিং, পিগমেন্টেশন ও অকাল বার্ধক্যের সাথে সম্পর্কিত। এই দুটি রেটিং একত্রে দেখায় যে একটি সানস্ক্রিন সূর্যের তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় ধরনের ক্ষতি থেকে কতটা ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়। দ্বিতীয় ধাপটি হলো, এই সংখ্যাগুলো কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা। সব এসপিএফ (SPF) পরীক্ষা একই রকম নয়। ইন-ভিভো (In-vivo) পরীক্ষায় পণ্যটি মানব স্বেচ্ছাসেবকদের উপর প্রয়োগ করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিত ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে ত্বক কখন লাল হতে শুরু করে তা পরিমাপ করা হয়; এটি এমন একটি পদ্ধতি যা বেশিরভাগ বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো চূড়ান্ত বলে মনে করে এবং অস্ট্রেলিয়ার গবেষণার ফলাফল বের করার ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ইন-ভিট্রো (In-vitro) পরীক্ষায় একটি স্পেকট্রোফটোমিটার ব্যবহার করে পণ্যের একটি পাতলা স্তরের মধ্য দিয়ে কী পরিমাণ ইউভি রশ্মি প্রবেশ করে তা পরিমাপ করা হয়েছিল। এটি দ্রুততর, সাশ্রয়ী এবং শিল্পজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি মানব গবেষণার পরিবর্তে একটি পরীক্ষাগারভিত্তিক বিকল্প পদ্ধতি। কিন্তু মূল বিষয় হলো কোনো পদ্ধতিই চূড়ান্ত নয়, এবং এমনকি একই পণ্যের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পরীক্ষাগারের ফলাফল ভিন্ন হতে পারে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে। ভোক্তাদের উচিত যে ব্র্যান্ডগুলো তাদের পরীক্ষাগার, পদ্ধতি এবং ফলাফল উল্লেখ করতে ইচ্ছুক সেই পণ্যগুলো কেনা, শুধুমাত্র নামী ব্র্যান্ডের বোতলের উপর একটি ছাপানো লেবেল দেখে না কেনা। বিশ্বব্যাপী সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা নিয়ে বাড়তি নজরদারির পর, কিছু স্থানীয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও এখন বাহ্যিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পণ্যের কার্যকারিতা প্রমাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্কিন ক্যাফে এমনই একটি উদাহরণ। এই বাংলাদেশী ব্র্যান্ডটি তাদের ‘স্কিন ক্যাফে সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০ পিএ+++ উইথ ভিটামিন সি’ পণ্যটি তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষার জন্য ঢাকা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও/আইইসি ১৭০২৫:২০১৭ (ISO/IEC 17025:2017) স্ট্যান্ডার্ডে স্বীকৃত ল্যাবরেটরি ওয়াফেন রিসার্চ ল্যাবরেটরি লিমিটেডে জমা দিয়েছে। এএনএ-২৪০৭২৪০০২/১ (ANA-240724002/1) রিপোর্ট রেফারেন্স অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এই পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ল্যাবভিত্তিক ইউভি স্পেকট্রোফোটোমেট্রি পদ্ধতি ব্যবহার করে সানস্ক্রিনের সুরক্ষা ক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। কোম্পানির শেয়ার করা ল্যাবরেটরি রিপোর্ট অনুযায়ী, সানস্ক্রিনটির এসপিএফ মান ৫২.৫১ পাওয়া গেছে , যা এর প্যাকেজিংয়ে উল্লিখিত এসপিএফ ৫০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানিটির মতে, পরীক্ষায় এসপিএফ ৫০-এর সামান্য বেশি ফল পাওয়া মানে এই নয় যে পণ্যটি দাবির চেয়ে বেশি কার্যকর। বরং এটি প্রমাণ করে যে প্যাকেজিংয়ে উল্লেখ করা এসপিএফ ৫০-এর দাবিটি সঠিক। কারণ এসপিএফ পরীক্ষায় এ ধরনের সামান্য পার্থক্য স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্তটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরে। একটি সানস্ক্রিনের কার্যকারিতা শুধু পরীক্ষাগারের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর মানুষ তখনই প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবে, যখন সেটি তাদের দেশের আবহাওয়ায় আরামদায়ক লাগবে। শীতল ও শুষ্ক বাজারের জন্য তৈরি কোনো পণ্যকে মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে, বাংলাদেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে ফর্মুলেশন ও পরীক্ষা করাস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এমন একটি উদ্যোগ, যা পরীক্ষাগারের ফলাফল এবং বাস্তব জীবনের ব্যবহার, এই দুইয়ের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে। তবে কোন পরীক্ষার ফলকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া উচিত স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা একটি পণ্যের প্রতি আস্থা তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলেও, সেটিই শেষ কথা নয়। একজন ভোক্তা হিসেবে কোন পদ্ধতিতে, কখন এবং কোন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করা হয়েছে, তা জানার ও প্রশ্ন করার অধিকার সবারই রয়েছে। কারণ, অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কটি দেখিয়ে দিয়েছে যে, আকর্ষণীয় মোড়ক এবং উচ্চ এসপিএফ-এর দাবি এখন আর এককভাবে যথেষ্ট নয়। সানস্ক্রিনটি আমদানি করা হোক বা স্থানীয়, ভোক্তাদের পরীক্ষার প্রমাণ ও স্বচ্ছতা জানার অধিকার রয়েছে, আর ব্র্যান্ডগুলোরও তা নিশ্চিত করা উচিত।

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

দেশজুড়ে কেনাকাটায় চমকপ্রদ অফার: দারাজ নিয়ে এলো ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল

দেশজুড়ে কেনাকাটায় চমকপ্রদ অফার: দারাজ নিয়ে এলো ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল

দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ শুরু করতে যাচ্ছে বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত ক্যাম্পেইন ‘৮.৮ গ্রেট ৮ সেল’। “মোর ব্র্যান্ডস, মোর ডিলস, মোর টু লাভ” প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই ক্যাম্পেইনে দেশজুড়ে গ্রাহকদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় ছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং দারুণ সব শপিং অভিজ্ঞতা। আগামী ৭ আগস্ট রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে ১২ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্পেইন। গ্রাহকদের জন্য কেনাকাটার সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করতে ক্যাম্পেইনে থাকছে একাধিক ধামাকা অফার। এর মধ্যে রয়েছে প্রিপেমেন্ট ভাউচারে সর্বোচ্চ ১২% পর্যন্ত ছাড়, মেগা ডিলে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড় এবং ফ্ল্যাশ সেল ও হট ডিলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড়। এছাড়া সাইট-জুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট এবং নির্ধারিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারির সুবিধা থাকবে, যা ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং লাইফস্টাইল সহ সকল ক্যাটাগরির কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী। বিশেষ সময়ের জন্য ব্র্যান্ডগুলোর বাড়তি ছাড় দিতে থাকছে ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’ যা শুরু হবে ৭ আগস্ট রাত ৮টা থেকে ৮ আগস্ট রাত ২টা পর্যন্ত। পরবর্তীতে ৮, ৯ এবং ১১ আগস্ট প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত চলবে এই সেশন। এছাড়া নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ওপর বিশেষ অফার নিয়ে ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ইউনিলিভার ব্র্যান্ড ডে, ১০ আগস্ট রিয়েলমি ব্র্যান্ড ডে এবং ১১ আগস্ট ভিশন ব্র্যান্ড ডে। পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিভিত্তিক নানা অফারও উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কেনাকাটা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে দারাজ তার 'এভরিডে লো প্রাইস' (EDLP) অফারের আওতায় ‘দারাজ চয়েস’ চ্যানেলটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। দারাজ চয়েস থেকে কেনাকাটায় গ্রাহকরা পাচ্ছেন ‘৩টি কিনলে ফ্রি ডেলিভারি’ এবং ‘৫টি কিনলে ১টি ফ্রি গিফট সহ ফ্রি ডেলিভারি’র মতো দারুণ সব সুবিধা। এই ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল ক্যাম্পেইনে পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে স্বনামধন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ড। এক্সক্লুসিভ প্ল্যাটিনাম পার্টনার হিসেবে রয়েছে ডেটল ও ইউনিলিভার, গোল্ড পার্টনার হিসেবে প্যারাস্যুট ন্যাচারাল ও হিমালয়া এবং সিলভার পার্টনার হিসেবে রয়েছে গোদরেজ। অনলাইন কেনাকাটাকে আরও সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী করতে দারাজের সাথে যুক্ত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় বেশ কিছু পেমেন্ট পার্টনার। বিকাশ ব্যবহারকারীরা দারাজ চয়েস-এর সর্বনিম্ন ১৯৯ টাকার অর্ডারে ফ্ল্যাট ৫০ টাকা ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি পুরো মাস জুড়ে প্রতি বুধবারে সর্বনিম্ন ৫৯৯ টাকার অর্ডারে মিলবে ১২% ডিসকাউন্ট। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর কার্ডহোল্ডাররা ক্যাম্পেইন চলাকালীন সংগৃহীত ভাউচারের মাধ্যমে ১০% থেকে ১২% পর্যন্ত আকর্ষণীয় ছাড় সুবিধা পাবেন। একাধিক কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয় আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া, এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-এর ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাররা নির্ধারিত ইএমআই কেনাকাটায় সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। দারাজ বাংলাদেশ দেশজুড়ে সকল ক্রেতাদের দারাজ অ্যাপ এবং নির্দিষ্ট ক্যাম্পেইন পেজ ভিজিট করে দৈনিক ডিল, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আকর্ষণীয় সব উপহার উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। ক্যাম্পেইনের যেকোনো আপডেট ও হাইলাইটস জানতে গ্রাহকরা দারাজ বাংলাদেশের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে চোখ রাখতে পারেন।

৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বড়িতে বাড়লো সোনার দাম

৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বড়িতে বাড়লো সোনার দাম

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়ল

বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়ল

অর্থবছরের প্রথম মাসে কমলো পোশাক রপ্তানি

অর্থবছরের প্রথম মাসে কমলো পোশাক রপ্তানি

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষের জেরে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আহত ১

মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান অঙ্গরাজ্যের পোর্ট ডিকসন জেলার তামান লিঙ্গি এলাকায় সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে পুলিশ।নেগেরি সেম্বিলান পুলিশের প্রধান দাতুক আলজাফনি আহমাদ জানান, সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল প্রায় ৪টা ১৫ মিনিটে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে একটি বাড়িতে কয়েকজন বাংলাদেশির মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে লিঙ্গি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পরে লিঙ্গির সুয়া মাঙ্গিস এস্টেট এলাকা থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, নিহত তিন বাংলাদেশির শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া আহত আরেক বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে রেমবাউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত, আহত ও আটক ব্যক্তি সবাই একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং একই বাসায় একসঙ্গে বসবাস করতেন।পুলিশের ধারণা, ঘটনাটি একাধিক স্থানে ঘটেছে। পুরো ঘটনার ধারাবাহিকতা ও প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।দাতুক আলজাফনি আহমাদ বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তাঁকে রিমান্ডের আবেদন জানাতে মঙ্গলবার পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে।তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় (হত্যা) মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য বা সংঘর্ষের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

ভিএঅস ও কিশওয়ারের হাত ধরে দিন বদলের নতুন যাত্রা

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

আগস্টের শেষ সপ্তাহেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসবে নতুন কর্মী

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে  ১০০ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে ১০০ বাংলাদেশি আটক

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স

শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স

তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি তাদের পরবর্তী সি-সিরিজের স্মার্টফোন সি১০০এক্স উন্মোচন করতে যাচ্ছে। স্মার্টফোনের দীর্ঘস্থায়ী অভিজ্ঞতা নিশ্চিতের ধারাবাহিকতায় এবারও অসাধারণ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও পারফরম্যান্স দিবে এমন ডিভাইস নিয়ে আসছে ব্র্যান্ডটি।সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল এমন ব্যবহারকারীদের জন্যে তৈরি এ ডিভাইসে সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা ও ৭ বছরের ব্যটারি হেলথ নিশ্চিত করা হয়েছে; যা এই প্রাইস সেগমেন্টের মধ্যে ব্যাটারি এনড্যুরেন্সের মানদণ্ডকে আরও ওপরে নিয়ে গেছে। রিয়েলমির ল্যাব টেস্ট অনুযায়ী একবার পূর্ণ চার্জে স্মার্টফোনটি ৬০ ঘন্টা পর্যন্ত কল, ২১ ঘন্টা পর্যন্ত ইউটিউব স্ট্রিমিং, ২৭ ঘন্টা পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার, ১৩ ঘন্টা পর্যন্ত ফ্রি ফায়ার গেমপ্লে ও ৮০৯ ঘন্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম দিতে সক্ষম। এই সুবিধা রিয়েলমি সি১০০এক্স-কে পড়াশোনা, কাজ, বিনোদন, ভ্রমণ ও গেমিংয়ের জন্য অনন্য করে তুলেছে।অনবদ্য এই ব্যাটারি পারফরম্যান্স ছাড়াও, আসন্ন সি-সিরিজ ডিভাইসে ১২০ হার্জ আলট্রা-স্মুথ এইচডি ডিসপ্লে, ফ্লিকার-ফ্রি ডিসি ডিমিং ও ৬.৮ ইঞ্চি লার্জ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিনোদনের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, এতে ৩০০% আলট্রাবুম সাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই প্রাইস রেঞ্জের ডিভাইসে স্মুথ ভিউইং ও গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও জোরদার করতে এবং নতুন স্মার্টফোন সি১০০এক্স আরও সহজলভ্য করতে শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় অফারের ঘোষণা দিয়েছে রিয়েলমি। ০৭ আগস্ট থেকে শুরু এই অফারে, দেশজুড়ে স্বীকৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দারাজে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে রিয়েলমি সি১০০এক্স কেনায় ফ্ল্যাট ২,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার পেতে শিক্ষার্থীদের একটি ভ্যালিড স্টুডেন্ট আইডি ও সেলফি, একটি সচল বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর ও তথ্য দিয়ে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রত্যেক উপযুক্ত শিক্ষার্থী একটি করে ডিসকাউন্ট কুপন পাবেন। কুপনটি ১০ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কিউডি-ওএলইডি মনিটর আনলো গিগাবাইট

২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের কিউডি-ওএলইডি মনিটর আনলো গিগাবাইট

গ্রামীণফোন ও ডেকো ফুডসের পার্টনারশিপ

গ্রামীণফোন ও ডেকো ফুডসের পার্টনারশিপ

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

শিরোনাম
‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’ প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে আটক ৩ যুবক, গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন দেশজুড়ে কেনাকাটায় চমকপ্রদ অফার: দারাজ নিয়ে এলো ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু ‘বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির বিষয়ে ভারতকে আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে’ প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্য সব শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে শনিবার বগুড়ায় আসছেন সাত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তিন মন্ত্রী বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৯ জন ভোটারের তালিকা প্রকাশ ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে আটক ৩ যুবক, গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরে নতুন তিন সেল গঠন দেশজুড়ে কেনাকাটায় চমকপ্রদ অফার: দারাজ নিয়ে এলো ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি ১০০এক্স প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু