ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাতে নিউ ইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বাত্মক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আড্ডা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেসে এই সফরের বিভিন্ন প্রস্তুতি ও তাৎপর্য তুলে ধরেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন।তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এর আগে তাঁর পিতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন। এবার তাঁদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেবেন। আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, জাতিসংঘের ইতিহাসে 'বাবা, মা এবং সন্তান'—তিনজনেরই রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার ঘটনাকে বিরল এক নজির হিসেবে আখ্যা দেন তাঁরা।৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশি সভাপতি নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য দ্বিগুণ আনন্দের। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও একজন বাংলাদেশি—পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন। বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী বিশ্বমঞ্চে একজন বাংলাদেশির এই সভাপতিত্ব দেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে।গণঅভ্যুত্থান ও দেশ পুনর্গঠন সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। জাতিসংঘের রিপোর্টের বরাত দিয়ে নেতারা জানান, পতিত স্বৈরাচারী শাসনের গণহত্যাকাণ্ডে ১৪ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান এবং ৩০ হাজারের বেশি আহত হন। ফ্যাসিবাদ পতনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে যে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলছে, প্রবাসীরা তাতে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবাসীদের অবদানের কথা স্মরণ করে নেতৃবৃন্দ জানান, দেশে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ডের পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যেই প্রবাসীদের জন্য নানামুখী সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের বিনিয়োগ, মেধা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।আইন মেনে সুশৃঙ্খল কর্মসূচির আহ্বান সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রবাসীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। একইসাথে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক সফরকে স্মরণীয় ও সাফল্যমণ্ডিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা মেনে সংযম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক নাহিদুল খান সাহেল, কেন্দ্রীয় সদস্য আবদুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু, গিয়াস আহমেদ, মিজানুর রহমান মিল্টন ভূঁইয়া, নিউইয়র্ক দদক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজাসহ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র নেতা শরাফত হোসেন বাবু, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল প্রমুখ।

অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন তারা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়।শিক্ষার্থীরা জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। অবরোধ চলাকালে তারা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে’, ‘খুনির কোনো ছাড় নাই, ফাঁসি ছাড়া নিস্তার নাই’, ‘আজকে অপ্রতিম, কালকে কার পালা’ এবং ‘বুকের রক্ত ভেসে গেল, প্রশাসন চুপ কেন’—এসব স্লোগান দেন।পুলিশের পুরস্কার পাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষার্থীরা ‘কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে’ স্লোগান দেন। তারা বলেন, একদিকে কুমিল্লায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সাফল্যের জন্য পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে তাদের প্রশ্ন রয়েছে।এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা এবং পরে গন্ধমতী ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাসার পাশে বাগমারা-কোটবাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লার ঘটনা মর্মান্তিক। সারাদেশবাসী এতে মর্মাহত। তার (নিহত অপ্রতীম) বয়স সম্ভবত ১৩ বছর। সে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে অপরাধী, সেটাও স্বীকার করেছে। এটার আইনানুগ কার্যক্রম চলমান।তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তাদের বয়স নিহত কিশোরের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বেশি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আলামতও পাওয়া গেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে দাফন করা হয়েছে।পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি যে তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরেনসিক অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম করে তার দাফন হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো কুমিল্লার এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত শেষ হবে। বিচার বিভাগ মামলাটিকে রামিসা হত্যা মামলার মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে তাকালে অনেক ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। এ সমস্যা সমাধানে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্কুলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে, যাতে তারা সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটিত হলে সেটার বিচার হচ্ছে কি না, এটাও দেখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিটি জঘন্য অপরাধের দ্রুততম সময়ে উদঘাটন করতে পেরেছি। আর যেগুলো সময়সাপেক্ষ, সেগুলোর কার্যক্রম চলছে।

  • সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

    সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

  • বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

    বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

  • ‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

    ‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

  • পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

    পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত

  • হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

সব খবর

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ: সড়কমন্ত্রী

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের নির্মাণকাজ: সড়কমন্ত্রী

২০২৯ সাল নাগাদ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনের উন্নীতকরণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন,ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে প্রকল্পের কাজ আরও গতিশীল করা হবে।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটির উন্নয়ন প্রকল্প অনেক আগে নেওয়া হলেও কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, ‘বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৫৬ শতাংশ কাজ এগিয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে যেখানে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলোও সংশোধন করা হচ্ছে।’মহাসড়ক পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ দফা বাস্তবায়নের দাবি, রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

৮ দফা বাস্তবায়নের দাবি, রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ নানা সংকটে দিশেহারা। কৃষকের সার নেই, পেটে ভাত নেই। যুবকের কাজ নেই, বাড়িতে নিরাপত্তা নেই। অন্যদিকে ব্যাংকে টাকা নেই, অথচ একদল লোক এখনো ‘খাই খাই’ জিকিরে ব্যস্ত।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচির পথসভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য, বেকারত্ব ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কৃষি খাত সংকটে পড়েছে, যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশ এবং আর্থিক খাত নিয়েও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখা এবং চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধের দাবিও তুলে ধরেন তিনি।জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্যই রাজপথের এই কর্মসূচি। সরকার ৮ দফা দাবি মেনে নিলে আন্দোলন প্রত্যাহারের পথে যাওয়া হবে। আর দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৮ দফা এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।তিনি আরও বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, ন্যায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’— শীর্ষক লিডার্স ডায়ালগে তিনি এ আহ্বান জানান।এ সময় ড. তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।’বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন তিনি।অগ্রাধিকারগুলো হলো — সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতির পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্ত ও প্রশমনে সক্ষম আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিপ্রবণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরদার করা, দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পব্যয়ী ও ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় বাড়ানো এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে নমনীয় সহায়তা ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা।তিনি বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে এ উদ্যোগের আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল সেবা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।সংলাপে আরও অংশ নেন— ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু ও পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের শেরউইন ব্রাইস-পিস।

বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী

বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রথমদিন থেকেই বিরোধী দল প্রতিমুহূর্তে সরকার দলকে অসহযোগিতা করার কারণেই কেউ কেউ (আওয়ামী লীগ) ডিসেম্বরে আসতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ।তিনি বলেন, ‘আমরা যেদিন শপথ নিয়েছি, সেদিন বিরোধী দল উপস্থিত হয়নি। প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত বিরোধী দল প্রতিমুহূর্তে সরকারি দলকে সব রকমের অসহযোগিতা করে যাচ্ছে। এই অসহযোগিতার কারণে কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়। যদি বিরোধী দল এই সুযোগটা না দিত, লংমার্চ যদি না করত, তাহলে এই সুযোগটা পেতো না।’শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী এলাকায় জিল্লুর রহিম কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিশেষায়িত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু শিবির ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ও লাইন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ এ-৩ এই আয়োজন করেন।পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল সংসদে বসে ভালো কথা বলে। কিন্তু বাইরে গিয়ে ভালো কথা বলছে না। গত ১৭ বছর যারা অত্যাচার-নির্যাতন করছে তারা দুই এক জায়গায় ঝটিকা মিছিল করে, আবার পালিয়ে যায়। এই সুযোগটা তো তারা পাচ্ছে।’ বিরোধী দলের লংমার্চ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এখন যারা বিরোধী দল আছে, আজকে তারা রংপুর যাচ্ছে ঢাকা থেকে। তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছে। তারা গ্যাসের জন্য আন্দোলন করছে, তেলের জন্য আন্দোলন করছে। যে বাংলাদেশে গ্যাস নাই, তেল নাই, তারেক জিয়াকে এখনই গ্যাস দিতে হবে, এখনই সব বিদ্যুৎ দিতে হবে। আমরা তো একটা ধ্বংসস্তুপের ওপর দায়িত্বে এসেছি। আমরা এসেই কি ৬ মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ সব দিয়ে দিতে পারব?’মন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল যে লংমার্চ অথবা রোডমার্চ করছে, সেখানে কি তেল খরচ হচ্ছে না? রাস্তাঘাটে কি মানুষের ক্ষতি হচ্ছে না? মানুষের চলাফেরার মধ্যে জ্যাম সৃষ্টি হচ্ছে না? অসুস্থ রোগীদের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে না? তাহলে বিরোধী দল কি এটা কোনো ভালো কাজ করল? কিন্তু উনারা বারবার সংসদে বলছে তারা সরকারকে সহযোগিতা করবে, সরকারকে সহযোগিতার নমুনা যদি এই ধরণের হয়, এটা কি সহযোগিতা হইলো?’শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘বিএনপিকে একটা চাপে রেখে তারা (বিরোধী দল) ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসতে চায়। এভাবে কি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসা যায় নাকি? এবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে, বেহেশতের কথা বলে। ভোটের এক সপ্তাহ আগে হাতের ভেতর আইডি কার্ড নিয়ে টাকা দিয়ে কিছু ভোট নিয়েছে। আমাদের কিছু মানুষের দুর্বল জায়গায় আঘাত করে কিছু ভোট নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এজন্য ভবিষ্যতে আমাদের সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। কোনো ধরণের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের ক্ষতি করবে, বিএনপি এবং তারেক রহমানের সরকার এটা মেনে নেবে না। কারণ আমরা জনগণের জন্য দীর্ঘদিন থেকে লড়াই সংগ্রাম করতে করতে এখানে এসেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘৫ই আগস্টের জন্য ১৭ বছর আমাদের লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। হঠাৎ করে ৫ই আগস্ট আসেনি। এই ৫ই আগস্ট আসার ক্ষেত্রে আপনারা-আমরা, আমাদের ছাত্র-যুবক, তরুণ-তরুণী মাঠে থেকে আন্দোলন করেছে। আন্দোলন করে এই প্রেক্ষাপটটা তৈরি করেছে বিদায় ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা এই দেশের দায়িত্ব পেয়েছি, দায়িত্ব পরিচালনা করছি।’ ইত্তেফা

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক ড. নাহিদা নাহিদর ১৩ বছরের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।প্রসঙ্গত, শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ। যাকে বলা হতো বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭ টি সিনেমা উপহার দেওয়া প্রয়াত এই চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে পা দিতেন। সবার প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে, মৃত্যুর কারণ এখনো রহস্যের চাদরে মোড়ানো। পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়েছিলেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে। ছবিটিতে অভিনয়ের পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি হয়ে ওঠেন কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭ সিনেমায় অভিনয় করে পেয়েছেন আকাশ সমান জনপ্রিয়তা। যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। এরপর কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সবশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি বলা হয়। ক্যারিয়ারে সালমানের করা ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ক্ষণজন্মা তুমুল জনপ্রিয় এই নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।

কোনাবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিক-আপের ধাক্কা নিহত- ১

কোনাবাড়ীতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিক-আপের ধাক্কা নিহত- ১

গাজীপুরের কড্ডা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের সঙ্গে পিক-আপ ভ্যানের ধাক্কায় সৈকত হোসাইন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পিক-আপ ভ্যানের এক সহকারী আহত হয়েছেন।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কড্ডা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার বেরনাইয়া মোল্লাবাড়ী এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সৈকত হোসাইন (২৩)। পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইলগামী একটি পিকআপ ভ্যান মহাসড়কের কড্ডা এলাকায় সামনে থাকা একটি ট্রাককে পেছন থেকে সজোড়ে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপ ভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই এর চালক নিহত হন। দুর্ঘটনায় পিক-আপ ভ্যানের হেলপার আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিক-আপ ভ্যান ও ট্রাকটি জব্দ করেছে। কোনাবাড়ী থানার এ এস আই আব্বাস উদ্দিন জানান,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে: মঞ্জু

ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে: মঞ্জু

সরকার শুরু থেকেই একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের আস্থা হারিয়েছে এবং ভুলের পর ভুল করে জনগণের অনাস্থা আরও বাড়িয়ে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।১১ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমীর ডা, শফিকুর রহমান এমপি,এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, এডিপির চেয়ারম্যান ড.কর্ণেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামনুল হকসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, এই সরকার শুরুই করেছে ভুল দিয়ে। ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে।বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন,গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপির দুটি নতুন নাম দিতে চাই, ‘বিশ্বাস নাই পার্টি’ বা ‘বিশ্বাসহীন পার্টি আরেকটা বিশ্বাস নষ্ট পার্টি। আপনারা যদি গুম-খুন ও অন্যান্য অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করেন, তাহলে জনগণ আপনাদের নাম দেবে ‘বিচার না করা পার্টি’। বিদ্যুৎ দিতে না পারলে জনগণ বলবে,বিদ্যুৎ নাই পার্টি’।মঞ্জু বলেন, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আপনাদের নতুন একটি নাম দিতে বাধ্য হব, বাংলাদেশ নাই নাই পার্টি’।তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল পরিবর্তনের পর একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে,গুম খুনের শক্তিশালী আইন হবে কিন্তু সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গণভোটের গণরায়কে মেনে নিতে টালবাহানা, জুলাই সনদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে।গুম ও মানবাধিকার নিয়ে প্রতারণার আইন করেছে।এভাবে জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে পার পাওয়া যাবে না।সমাবেশে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল এবং শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, সহকারী প্রচার সম্পাদক রিপন মাহমুদ, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু এবং মশিউর রহমান মিলুসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লার ঘটনা মর্মান্তিক। সারাদেশবাসী এতে মর্মাহত। তার (নিহত অপ্রতীম) বয়স সম্ভবত ১৩ বছর। সে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে অপরাধী, সেটাও স্বীকার করেছে। এটার আইনানুগ কার্যক্রম চলমান।তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তাদের বয়স নিহত কিশোরের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বেশি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আলামতও পাওয়া গেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে দাফন করা হয়েছে।পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি যে তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরেনসিক অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম করে তার দাফন হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো কুমিল্লার এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত শেষ হবে। বিচার বিভাগ মামলাটিকে রামিসা হত্যা মামলার মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে তাকালে অনেক ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। এ সমস্যা সমাধানে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্কুলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে, যাতে তারা সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটিত হলে সেটার বিচার হচ্ছে কি না, এটাও দেখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিটি জঘন্য অপরাধের দ্রুততম সময়ে উদঘাটন করতে পেরেছি। আর যেগুলো সময়সাপেক্ষ, সেগুলোর কার্যক্রম চলছে।

বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী

বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

সার্ককে ফের সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

হাসিনাকে হাতকড়া পরিয়ে বরণ করা হবে : বিমানমন্ত্রী

হাসিনাকে হাতকড়া পরিয়ে বরণ করা হবে : বিমানমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ : আইনমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ : আইনমন্ত্রী

তেজগাঁও মসজিদে চলছিল গোপন বৈঠক, সন্দেহভাজন ২৩ জন গ্রেপ্তার

তেজগাঁও মসজিদে চলছিল গোপন বৈঠক, সন্দেহভাজন ২৩ জন গ্রেপ্তার

সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

হাসিনার আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

হাসিনার আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ইতালি

বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ইতালি

ফিলিপাইনের হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ৩, আহত ৮

ফিলিপাইনের হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ৩, আহত ৮

তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সফরকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাতে নিউ ইয়র্কের জন এফ. কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বাত্মক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আড্ডা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেসে এই সফরের বিভিন্ন প্রস্তুতি ও তাৎপর্য তুলে ধরেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন।তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এর আগে তাঁর পিতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন। এবার তাঁদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেবেন। আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, জাতিসংঘের ইতিহাসে 'বাবা, মা এবং সন্তান'—তিনজনেরই রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার ঘটনাকে বিরল এক নজির হিসেবে আখ্যা দেন তাঁরা।৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশি সভাপতি নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য দ্বিগুণ আনন্দের। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও একজন বাংলাদেশি—পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন। বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী বিশ্বমঞ্চে একজন বাংলাদেশির এই সভাপতিত্ব দেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে।গণঅভ্যুত্থান ও দেশ পুনর্গঠন সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। জাতিসংঘের রিপোর্টের বরাত দিয়ে নেতারা জানান, পতিত স্বৈরাচারী শাসনের গণহত্যাকাণ্ডে ১৪ শতাধিক মানুষ প্রাণ হারান এবং ৩০ হাজারের বেশি আহত হন। ফ্যাসিবাদ পতনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে যে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলছে, প্রবাসীরা তাতে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রবাসীদের অবদানের কথা স্মরণ করে নেতৃবৃন্দ জানান, দেশে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ডের পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যেই প্রবাসীদের জন্য নানামুখী সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের বিনিয়োগ, মেধা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।আইন মেনে সুশৃঙ্খল কর্মসূচির আহ্বান সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রবাসীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। একইসাথে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক সফরকে স্মরণীয় ও সাফল্যমণ্ডিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা মেনে সংযম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক নাহিদুল খান সাহেল, কেন্দ্রীয় সদস্য আবদুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু, গিয়াস আহমেদ, মিজানুর রহমান মিল্টন ভূঁইয়া, নিউইয়র্ক দদক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজাসহ যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র নেতা শরাফত হোসেন বাবু, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল প্রমুখ।

৮ দফা বাস্তবায়নের দাবি, রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

৮ দফা বাস্তবায়নের দাবি, রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে সরকারের লুকোচুরি আর বরদাস্ত করা হবে না: মামুনুল হক

তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে সরকারের লুকোচুরি আর বরদাস্ত করা হবে না: মামুনুল হক

৮ দফা যে কোনো সময় ১ দফায় রূপ নিতে পারে: শফিকুর রহমান

৮ দফা যে কোনো সময় ১ দফায় রূপ নিতে পারে: শফিকুর রহমান

তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন: নাহিদ ইসলাম

তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন: নাহিদ ইসলাম

ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে: মঞ্জু

ভুলের পর ভুল করে সরকার জনগণের অনাস্থা পূর্ণ করে তুলেছে: মঞ্জু

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : জামায়াত আমির

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : জামায়াত আমির

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

মোংলায় বিএনপি'র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা

মোংলায় বিএনপি'র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা

অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন তারা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়।শিক্ষার্থীরা জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। অবরোধ চলাকালে তারা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে’, ‘খুনির কোনো ছাড় নাই, ফাঁসি ছাড়া নিস্তার নাই’, ‘আজকে অপ্রতিম, কালকে কার পালা’ এবং ‘বুকের রক্ত ভেসে গেল, প্রশাসন চুপ কেন’—এসব স্লোগান দেন।পুলিশের পুরস্কার পাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষার্থীরা ‘কুমিল্লায় মানুষ মরে, পুলিশ গিয়ে মেডেল ধরে’ স্লোগান দেন। তারা বলেন, একদিকে কুমিল্লায় হত্যাকাণ্ড ঘটছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সাফল্যের জন্য পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে তাদের প্রশ্ন রয়েছে।এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা এবং পরে গন্ধমতী ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাসার পাশে বাগমারা-কোটবাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

তারাগঞ্জে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি চ্যানেল এস-এর নাজিম

তারাগঞ্জে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি চ্যানেল এস-এর নাজিম

গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

‘রাষ্ট্র পুনর্গঠন, গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের স্বার্থে সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য’

ড. খন্দকার মারুফ ‘রাষ্ট্র পুনর্গঠন, গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের স্বার্থে সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য’

জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে চরফ্যাশন উপজেলা সমিতি'র পক্ষ থেকে  সংবর্ধনা প্রদান

জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে চরফ্যাশন উপজেলা সমিতি'র পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

ভারত থেকে হেলমেট আনছে বিসিবি

ঘরোয়া ক্রিকেটকে আরও পেশাদার এবং দলভিত্তিক নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। ব্যাগি ক্যাপের পর এবার জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রতিটি দলকে বিশেষভাবে তৈরি কাস্টমাইজড হেলমেট প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহ থেকেই দলগুলোর হাতে এসব হেলমেট তুলে দেওয়া শুরু হবে। বিদেশে বিশেষভাবে তৈরি করা এই হেলমেটগুলো শুধু এবারের জন্য নয়, দলের জন্য স্থায়ীভাবেই রাখা হবে।ভারতের জনপ্রিয় Shrey (শ্রেয়) ব্র্যান্ডের হেলমেট প্রদান করা হবে। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে এই ব্র্যান্ডটির আধিপত্য সবচেয়ে বেশি। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, ঋষভ পন্ত, কেএল রাহুল থেকে শুরু করে তারকা ক্রিকেটারদের অনেকেই মাঠে বলের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেতে এই ব্র্যান্ডের হেলমেট ব্যবহার করে থাকেন।কোনো খেলোয়াড়ের হেলমেটের সাইজে সমস্যা হলে সেটিও পরিবর্তন করার সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো নতুন খেলোয়াড় দলে যোগ দিলে তার জন্যও নতুন কাস্টমাইজড হেলমেট প্রদান করবে বিসিবি। এনসিএলে দলভিত্তিক এসব সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও আলাদা ও পেশাদার পরিচয় তৈরি করার লক্ষ্য বিসিবির।

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

এশিয়া কাপের ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি বিসিসিআই’র

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুর, পিএসজি ও আর্সেনাল

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিশ্বজয়ের মাঠে হৃদয়ের ট্রিপল সেঞ্চুরি

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

আজ সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

‘এই নিয়ে সংসার’ নাটকে ফারহান-সাদিয়া জুটি

এ প্রজন্মের মডেল ও অভিনেত্রী অনিন্দিতা মিমি। সম্প্রতি ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের বিপরীতে ‘এই নিয়ে সংসার’ নামের একটি নতুন নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ফেরারি ফরহাদের রচনায় নাটকটি নির্মাণ করেছেন শাহ মোহাম্মদ রাকিব।ইতোমধ্যে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউসে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। নাটকটিতে প্রথমবারের মতো মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন অনিন্দিতা মিমি।নতুন নিয়ে অভিনেত্রী অনিন্দিতা মিমি বলেন, 'ফারহান ভাইয়ের সঙ্গে এবারই প্রথম কাজ করা। প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ ছিল। তিনি খুবই আন্তরিক ও সহযোগিতাপরায়ণ একজন শিল্পী। নাটকটির গল্পও বেশ চমৎকার, যেখানে সম্পর্ক ও পারিবারিক জীবনের নানা দিক সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। চরিত্রটিও আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে কাজটি করে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করছি, নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে এবং আমাদের কাজটি তাদের মনে জায়গা করে নেবে।'জানা গেছে, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ৩৬০ প্লাসের ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবে।

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

হামলাকারীরা নিজেদের অবস্থানকে অনিরাপদ করেছে: অভিনেত্রী বাঁধন

'জুলাই যোদ্ধাদের ভয় দেখিয়ে বা হামলা করে নিরাপদ হওয়া যাবে না; বরং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে হামলাকারীরাই নিজেদের আরও অনিরাপদ করে তুলছেন ' বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও জুলাই যোদ্ধা আজমেরী হক বাঁধন।সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ইতালি থেকে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ইতালিতে তাকে হেনস্থার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালি গিয়েছিলেন বাঁধন। সেখানে মেস্ত্রে শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মী পরিচয়ে কয়েকজন বাংলাদেশির দ্বারা হামলা ও হেনস্তার শিকার হন তিনি।ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাঁধনের দাবি, তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়।এ সময় বাঁধন বলেন, বিদেশের মাটিতে এমন ঘটনায় শুধু তিনি নন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি দলকানা না হয়ে পরিবারের কথা ভাবার আহ্বান জানান।বাঁধন আরও জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে এ ঘটনায় মামলা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইতালি সরকারের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।বাঁধনের ওপর হামলার বিষয়টি জাতীয় সংসদেও আলোচনায় আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ ঘটনাকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করেন।

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

দুষ্ট কোকিল খ্যাত মিমির বিয়ে ডিসেম্বরে, পাত্র কে?

কেশকিছুদিন ধরে বাংলাদেশের দুষ্টু কোকিল খ্যাত টালিউডের সুপারস্টার নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের খবর বেশ চাউর হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, আগামী ডিসেম্বরেই বিয়ের পরিকল্পনা করছেন অভিনেত্রী। শীতের আবহে পাহাড়ি শহর কালিম্পংয়ে বসতে পারে বিয়ের আসর।তবে বিয়ের খবরের চেয়েও বেশি কৌতূহল তৈরি হয়েছে মিমির কথিত জীবনসঙ্গীকে ঘিরে। ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তাঁর নাম সিদ্ধার্থ। তিনি চলচ্চিত্রজগতের কেউ নন, নৌবাহিনীতে কর্মরত।এরই মধ্যে সিদ্ধার্থের সঙ্গে মিমির একটি ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে বলে জানা গেছে। পূজার সময় বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডার মধ্যেই ছবিটি তোলা হয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। ছবিতে দুজনকে হাসিখুশি দেখা গেছে।সূত্রের বরাতে আরও দাবি করা হচ্ছে, পূজার আবহেই তাঁদের সম্পর্ক নতুন ধাপে এগিয়েছে। এমনকি বিয়ের কেনাকাটা ও নিমন্ত্রণপত্র বিলির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।যদিও মিমি চক্রবর্তী কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত বিয়ে বা সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। ফলে ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি এখনো গুঞ্জন হিসেবেই রয়েছে।জলপাইগুড়ির মেয়ে মিমি ২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে পরিচিতি পান। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেকের পর ‘বোঝে না সে বোঝে না’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৯ সালে যাদবপুরের সাংসদও নির্বাচিত হয়েছিলেন মিমি।বর্তমানে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। পূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। এখন দেখার, সত্যিই কি ডিসেম্বরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি, নাকি এই খবর শুধুই জল্পনা।

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের জন্মদিন আজ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা কিংবা পার্শ্বচরিত্র যে ভূমিকাতেই তিনি হাজির হয়েছেন নিজের অভিনয়গুণে সেটিকে করে তুলেছেন অনন্য। আজ ১০ সেপ্টেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, যিনি দর্শকের কাছে এটিএম শামসুজ্জামান নামেই পরিচিত। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময়ের কর্মজীবনে রেখে গেছেন এমন সব চরিত্র, যেগুলো বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে আজও আলাদা করে মনে রাখা হয়।অভিনেতা শুরু কিন্তু অভিনয় দিয়ে নয়। সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করে পরে কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম বহুমাত্রিক শিল্পী।চলচ্চিত্রে এটিএম শামসুজ্জামানের পথচলা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার সামনে নয়, পেছনে। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর চলচ্চিত্রের নানা কাজে যুক্ত হন। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখাতেও ছিল তার দক্ষতা। ‘জলছবি’ সিনেমার জন্য কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার মাধ্যমে দর্শকের কাছে নতুন করে পরিচিত হন। পরবর্তী সময়ে শতাধিক চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্যের সঙ্গে কাজ করেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি হয় অভিনয়ের মাধ্যমে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি চলচ্চিত্রে অভিনেতা হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। এটিএমকে প্রথম পর্দায় দেখা যায় ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘এতটুকু আশা’ সিনেমায়। শুরুতে কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করলেও পরে নিজেকে নানা ধরনের চরিত্রে মেলে ধরেন। এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে ১৯৭৬ সালে। আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। এই সিনেমার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। খলনায়ক চরিত্রে তাঁর অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন দর্শকের কাছে তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘স্বপ্নের নায়ক’-এর মতো সিনেমায় খলচরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। কিন্তু তাঁকে শুধু খলনায়কের গণ্ডিতে আটকে রাখা যায়নি।এটিএম শামসুজ্জামানের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল চরিত্র বদলে ফেলার ক্ষমতা। একদিকে যেমন ভয়ংকর বা কঠিন চরিত্রে দর্শকের মনে ছাপ ফেলেছেন, অন্যদিকে কৌতুক চরিত্রেও হয়েছেন সমান জনপ্রিয়। ‘রামের সুমতি’, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘ম্যাডাম ফুলি’ ও ‘চুড়িওয়ালা’তে তার হাস্যরসাত্মক অভিনয় দর্শককে আনন্দ দিয়েছে। বিশেষ করে কৌতুক অভিনয়ের জন্যও তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে স্বীকৃতি পেয়েছেন।এটিএম শামসুজ্জামানের ক্যারিয়ারে দারুণ সব সিনেমা আর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ ও ‘গেরিলা’র মতো সিনেমায় তিনি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’র মতো সাহিত্যনির্ভর সিনেমায় তার অভিনয় দেখিয়েছে, কমেডি বা খলচরিত্রের বাইরেও কতটা শক্তিশালী অভিনেতা ছিলেন তিনি। নিজেও এক সাক্ষাৎকারে সাহিত্যনির্ভর গল্পের সিনেমায় অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছিলেন।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন একাধিকবার। ‘দায়ী কে?’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ ও ‘চোরাবালি’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১৫ সালে পান একুশে পদক। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে আজীবন সম্মাননাও দেওয়া হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের গল্প ও চিত্রনাট্য লেখা এবং পরিচালনাতেও তাঁর অবদান ছিল। ২০০৯ সালে ‘এবাদত’ সিনেমা পরিচালনা করেন তিনি। এ টি এম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের বিরুদ্ধে মিলছে প্রমাণ: সিআইডি

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের আচরণ ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তকারীদের দাবি, ডনের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই করা হচ্ছে।সিআইডির পক্ষ থেকে আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও ডন কী কারণে এবং কার সহযোগিতা বা ইন্ধনে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে সিআইডি।সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মজিবুর রহমানের করা ওই আবেদনে মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের স্বার্থে ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশের পর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

সালমান শাহ চলে যাওয়ার ৩০ বছর: ভক্তের হৃদয়েএখনও অমলিন

ঢালিউডের রাজপুত্র বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তা আজও অমলিন। সকলের প্রিয় এই নায়কের চলে যাওয়ার ৩০ বছর পূর্ণ হলো আজ।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। সেই হিসেবে আজ তাঁকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁর অভিনয়, স্টাইল ও পর্দার উপস্থিতি এখনো দর্শকের মনে সমানভাবে জায়গা করে আছে।১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সালমান শাহ। তাঁর পারিবারিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী চৌধুরী ও মা নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে পা রাখার পর ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ নামেই পরিচিতি পান তিনি।চলচ্চিত্রে আসার আগে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দেয়াল’, ‘সব পাখি ঘরে ফেরে’, ‘সৈকতে সারস’, ‘নয়ন’সহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন তিনি।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। প্রথম সিনেমাতেই দর্শকের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শকের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়। এই জুটিকে দেখা গেছে ১৪টি সিনেমায়। পাশাপাশি মৌসুমী, শাবনূর, শাহনাজ, সোনিয়া ও অন্যান্য নায়িকার সঙ্গেও জুটি বেঁধে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।তবে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। ওই দিন রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসভবনের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়। ময়নাতদন্তে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যুর রহস্য নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি।সালমান শাহ চলে গেছেন তিন দশক আগে। কিন্তু তাঁর সিনেমা, অভিনয় আর অনন্য ফ্যাশন এখনো নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান আকর্ষণের। ‘স্বপ্নের নায়ক’ বাস্তবের পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও ভক্তদের হৃদয়ে তিনি আজও ‘অন্তরে অন্তরে’।৩০ বছর পরও তাই সালমান শাহ যেন বাংলা চলচ্চিত্রের সেই ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, যেখানে সময় থেমে আছে—কিন্তু ভালোবাসা ফুরায়নি।

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব যেমন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও তাপপ্রবাহসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পরিবেশ পুনরুদ্ধার, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে গত ৪৬ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি খাত-সমর্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ চারা বিতরণ কর্মসূচি বনায়ন।১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করা বনায়ন গত সাড়ে চার দশকে সারা দেশে ১৩ কোটিরও বেশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। এই দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে চলতি বছর দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে বনায়নের। দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের সহনশীলতা ও জলবায়ু মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।বর্তমানে সারা দেশে ১৯টি নার্সারির মাধ্যমে বনায়নের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব নার্সারিতে স্থানীয় পরিবেশ ও মাটির উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়। বনায়নের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ৭০:৩০ প্রজাতি বিন্যাস কৌশল, যেখানে দ্রুতবর্ধনশীল বনজ প্রজাতির পাশাপাশি দেশীয় ও ঔষধি গাছকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গত ৪৬ বছরে বনায়ন সারা দেশের কৃষক, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছে। একই সঙ্গে ১১৯টি ঔষধি উদ্ভিদবাগান প্রতিষ্ঠা করেছে কর্মসূচিটি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ঔষধি উদ্ভিদের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পরিচিতি বাড়ানোর সহায়তা করা হচ্ছে।পরিকল্পিতভাবে রাস্তার পাশে, বিভিন্ন সামাজিক ও জনসমাগমস্থলে এবং পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশের সবুজ আচ্ছাদন বাড়িয়ে চলেছে বনায়ন। পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দায়িত্বশীলতার চর্চা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও কাজ করছে কর্মসূচিটি।পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বনায়ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছে। এর মধ্যে পাঁচবার বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন অন্যতম উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি।বনায়নের মুখপাত্র আহমেদ রায়হান আহসানউল্লাহ বলেন, “বনায়নের ৪৬ বছরের পথচলা যেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, তেমনি এটি আমাদের জন্য একটি চলমান দায়িত্বও। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই তীব্র হওয়ায় বৃক্ষরোপণে মানুষকে উৎসাহিত করে এমন উদ্যোগের গুরুত্ব এখন সবচেয়ে বেশি। গত ৪৬ বছর ধরে বনায়ন সারা দেশে বিনামূল্যে চারা বিতরণ করে আসছে। চলতি বছর আমরা দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা করেছি, যা দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আরও সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আমরা জনগোষ্ঠী ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করে পরিবেশ পুনরুদ্ধারে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।”

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

ময়েশ্চারাইজার মানেই কি তেল চিটচিটে ভাব?

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

জেন্টলম্যান’স ওয়ার্ড্রোব বাংলাদেশি ব্যাংকারদের জন্য নিয়ে এসেছে ব্যাংকার্স উইক

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, ন্যায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’— শীর্ষক লিডার্স ডায়ালগে তিনি এ আহ্বান জানান।এ সময় ড. তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।’বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন তিনি।অগ্রাধিকারগুলো হলো — সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতির পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্ত ও প্রশমনে সক্ষম আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিপ্রবণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরদার করা, দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পব্যয়ী ও ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় বাড়ানো এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে নমনীয় সহায়তা ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা।তিনি বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে এ উদ্যোগের আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল সেবা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।সংলাপে আরও অংশ নেন— ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু ও পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের শেরউইন ব্রাইস-পিস।

নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর

নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর

দেশে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

দেশে সোনার দাম উর্ধ্বমূখী

১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে

১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে আরও ১৬৮ বাংলাদেশিকে

লিবিয়ায় আটকে পড়া এবং বন্দি বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আজ ১৬৮ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বেনগাজি শহরের একটি ডিটেনশন সেন্টারে থেকে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানানো হয়েছে, গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি থাকা এসব বাংলাদেশি বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে (ইউজেড-২২২) করে আজ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার অবৈধ চেষ্টা করতে গিয়ে অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন।এতে আরও বলা হয়, লিবিয়ায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে তাদের অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান।অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করারও আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।আইওএম দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত ব্যয়, খাদ্য সহায়তা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম সমন্বিতভাবে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

মালয়েশিয়ায় মাটিচাপা পড়ে টুঙ্গিপাড়ার প্রবাসী শরিফুল নিহত

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মতলব প্রবাসী নিহত

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ। মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেন নজরুল। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন তিনি। কিন্তু দারিদ্র্যের কাছে পরাস্ত হননি বরং জয় করেছেন। সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী কবিতা, গান, হামদ, নাথ, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীত। সাহিত্যের এমন কোনো স্থান নেই, যেখানে তিনি পদচারণা করেননি।কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতার সময়কাল ছিল মাত্র ২৩ বছর। অল্প এই সময়েই তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিস্ময়কর অনেক উপহার দিয়েছেন। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মনে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। দেখিয়েছে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ। তিনি সাহিত্য চর্চা করেছেন আবার মানবমুক্তির প্রত্যাশায় যুদ্ধেও গেছেন। কবি নজরুলের ভাষায়-‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য’।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবার বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের ব্যবস্থা করে রাজধানীর ধানমন্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ১২ ভাদ্র সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

চাঁদপুরের তরুনের প্রযুক্তি বিপ্লব, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে হোপেনিটি

চাঁদপুরের তরুনের প্রযুক্তি বিপ্লব, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে হোপেনিটি

বিশ্বজুড়ে যখন সামাজিক যোগাযোগ, মেসেজিং ও অনলাইন বাণিজ্যের বড় অংশই নিয়ন্ত্রণ করছে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, তখন বাংলাদেশ থেকে তৈরি একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে দেশের বাইরেও। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ঠেটালিয়া গ্রামের তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা রায়হান সরকারের একক উদ্যোগে ২০১৯ সালে শুরু হওয়া দেশীয় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম Hopenity এখন সাত লাখের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর মাইলফলক পেরিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। Android, iPhone ও Web তিন মাধ্যমেই চালু থাকা প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহারকারী এখন বাংলাদেশ ছাড়িয়ে সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশেও রয়েছে।মতলব উত্তর উপজেলার পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ঠেটালিয়া গ্রামের হালিম সরকারের ছেলে রায়হান সরকার ছোট পরিসরে একটি ধারণা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ ধাপে ধাপে prototype, product development এবং ব্যবহারকারীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ platform চালুর পর্যায়ে পৌঁছায়। বর্তমানে Hopenity শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিজস্ব encrypted messaging platform HopeChat, social commerce platform Hoppi Shopping এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ডিজিটাল সেবা। ফলে একই ecosystem-এর মধ্যে যোগাযোগ, কনটেন্ট তৈরি, ব্যবসা, কেনাকাটা ও সামাজিক কার্যক্রমকে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে।প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, Hopenity-তে ব্যবহারকারীরা লেখা, ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করতে পারছেন। প্ল্যাটফর্মটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার পোস্ট তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবহারকারীরা নিয়মিত একে অপরের সঙ্গে interact করছেন। এর পাশাপাশি HopeChat-এর মাধ্যমে encrypted messaging, audio/video calling ও booking management-এর সুবিধা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে Hoppi Shopping বর্তমানে বাংলাদেশে চালু রয়েছে, যেখানে বিক্রেতারা পণ্য তালিকাভুক্ত করছেন এবং ব্যবহারকারীরা পণ্য অর্ডার করছেন। অর্ডার process ও delivery কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।Hopenity-এর ব্যবহারকারী বৃদ্ধির পাশাপাশি এর প্রযুক্তিগত অবকাঠামোও সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বর্তমানে multi-CDN infrastructure ব্যবহার করে global traffic serve করা হচ্ছে। শুধু primary CDN গত ৩০ দিনে ৯০ মিলিয়নের বেশি global traffic serve করেছে বলে জানিয়েছে তারা। ব্যবহারকারী ও কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে server, database, media processing, security এবং network infrastructure ধাপে ধাপে scale করা হচ্ছে। রায়হান সরকার বলেন, বড় technology platform তৈরি করতে শুধু application তৈরি করলেই হয় না; ব্যবহারকারী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো প্রযুক্তিগত অবকাঠামোকেও সেই অনুপাতে সক্ষম করে তুলতে হয়।দেশীয় প্রযুক্তি উদ্যোগ হিসেবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও অগ্রগতির কথা জানিয়েছে Hopenity। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, pre-seed পর্যায়ের অর্থায়নের পর seed-level investment-ও secured হয়েছে। এই অর্থ প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, product development, team expansion ও platform growth-এর কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রায়হান সরকারের মতে, বাংলাদেশে তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ তৈরি করতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন।ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে Hopenity। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, account protection-এর জন্য two-factor authentication, device approvalসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। নিজস্ব messaging platform HopeChat-এ encrypted communication সুবিধাও রাখা হয়েছে। ব্যবহারকারী ও সেবার পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে security ও privacy infrastructure আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।তবে Hopenity-এর কার্যক্রম কেবল সামাজিক যোগাযোগ বা বিনোদনে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না উদ্যোক্তা রায়হান সরকার। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত খাবার অন্য মানুষের সঙ্গে ভাগ করে দেওয়া, অতিরিক্ত পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রয়োজনীয় ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং রক্তের প্রয়োজন হলে রক্তদাতার সঙ্গে যোগাযোগ তৈরির মতো সামাজিক কার্যক্রমেও প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও সামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।রায়হান সরকারের ভাবনায় Hopenity শুধু একটি business platform নয়, বরং বাংলাদেশের নিজস্ব digital capability তৈরির একটি উদ্যোগ। তাঁর মতে, দেশের মানুষ বর্তমানে social media, video platform, advertising, online services ও digital commerce-এর জন্য বড় আন্তর্জাতিক platform ব্যবহার করছে। দেশীয় technology platform শক্তিশালী হলে digital advertising, commerce ও online services-এর একটি অংশ দেশের অর্থনীতির ভেতরে রাখা সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবহারকারী ও ব্যবসা তৈরি করতে পারলে বিদেশি বাজার থেকেও দেশে revenue আনার সুযোগ তৈরি হবে।এই লক্ষ্য সামনে রেখে Hopenity আগামী দিনের জন্য user growth, creator economy, user experience, in-app advertising, brand ও seller ecosystem, sustainable revenue এবং international expansion-এর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি advertising ecosystem সম্প্রসারণ, creators ও brands যুক্ত করা, sellers বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে platform-এর ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে।২০১৯ সালে মতলবের দক্ষিণ ঠেটালিয়া গ্রামের এক তরুণের হাতে শুরু হওয়া Hopenity-এর পথচলা এখন সাত লাখের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী এবং একাধিক ডিজিটাল সেবা নিয়ে নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। মতলবের একটি গ্রামের ধারণা থেকে শুরু হয়ে Android, iPhone ও Web প্ল্যাটফর্মে বিস্তৃত হওয়া এই উদ্যোগ এখন বাংলাদেশের বাইরের ব্যবহারকারীদের কাছেও পৌঁছানোর দাবি করছে।রায়হান সরকারের দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্ন, বাংলাদেশ শুধু বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারী হয়ে থাকবে না; দেশের তরুণরাও বিশ্বের মানুষের জন্য প্রযুক্তি তৈরি করবে। সেই ভাবনা থেকেই Hopenity-এর সামনে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ, social commerce, creator economy, digital advertising ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো আরও বড় করার লক্ষ্য।Hopenity-এর ভাষায় ‘The People’s Platform’। মতলব থেকে শুরু হওয়া সেই যাত্রার পরবর্তী লক্ষ্য এখন ‘Built in Bangladesh, Built for the World’।

বাংলাদেশে আসুস এক্সপার্টবুক আল্ট্রা উন্মোচন

বাংলাদেশে আসুস এক্সপার্টবুক আল্ট্রা উন্মোচন

ইলেকট্রিক বাইক ও স্বর্ণের বার পেলেন উপায় ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা

ইলেকট্রিক বাইক ও স্বর্ণের বার পেলেন উপায় ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

আগস্টের তিন ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করল উপায়

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

বিদেশে আরামের বদলে ১০ বছরের কারাবাসকেই বেছে নেব: আসিফ

দোষী প্রমাণ হলে- বিদেশের আরামের বদলে দেশে ১০ বছরের জেল খাটাকেই বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিডিওবার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওবার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাকে বলে, ১০ বছর জেল খাটবে, নাকি আরামে দেশের বাইরে গিয়ে জীবন কাটাবে; আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাকেই বেছে নেব।তিনি বলেছেন, এখানে যে কথাগুলো বলা আছে যে- চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এক টাকাও যদি দেশের বাহিরে কোথাও পাওয়া যায় তাহলে আমি ওই দিনই রাজনীতি ছেড়ে দেবো। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাহিরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণাও সে দেশের বাহিরে কিনেছে। তার দাবি, আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে কেউ যদি আমাকে বলে যে- তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাহিরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা?সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্দ্বিধায় ১০ বছর জেল খাটাটাকেই চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটা স্ট্রং। কিন্তু ন্যারেটিভ উৎপাদনের জন্য তো কোনো প্রমাণ লাগে না। উনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং উনারা এটাই করছেন।তিনি আরও বলেন, সে জন্য আমার আহ্বান থাকবে যে- আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিকাল মাইন্ড সেটে দেখবেন। কারণ যাদের হাতে ক্ষমতা তাদেরকে কখনো প্রশ্ন ছাড়া বিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিকালি না দেখে আর উপায় নেই।

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

ইসিকে দলীয়করণের ফল কখনোই ভালো হবে না: সাদিক কায়েম

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

শিরোনাম
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম মোংলায় বিএনপি'র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ ‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের তারাগঞ্জে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি চ্যানেল এস-এর নাজিম গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের বাসার কাছেই চিরনিদ্রায় অপ্রতিম মোংলায় বিএনপি'র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের জানাজা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪ ‘মক্কা চুক্তি’র আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের তারাগঞ্জে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি চ্যানেল এস-এর নাজিম গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি