ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমরা এ সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নত করেছি।’সোমবার (১৭ আগস্ট) কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘কিএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতোদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারলেন না? শেষ ২০ বছর আপনারা মুখ বন্ধ করে ছিলেন?’শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনেক গবেষক আছে, যারা অন্য দেশের বিনির্মাণে নিজের জ্ঞান ঢেলে দেয়। কিন্তু আমরা তাদের খুঁজে বের করতে পারি না। এটা আমাদের ব্যার্থতা। এদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি।’

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, বিএনপি সরকারের গত ছয় মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।সোমবার দুপুর ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, জনগণের বিশ্বাস, আস্থা ও জবাবদিহিতার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। গত ছয় মাসে সরকারের সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো, নির্বাচনী ইশতেহারকে ধারণ করে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে চলেছে।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, গত ছয় মাসে সরকারের প্রতি জনগণের অভূতপূর্ব জনসমর্থন রয়েছে। গত ছয় মাসে অজস্র গণসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে যেখানে গিয়েছেন সেখানে জনগণের ঢল নেমে এসেছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও কৃষি উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আব্দুল আওয়াল এবং অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা বা অটোরিকশা চার্জ দিলে জরিমানার বিধান করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ করলে এসব অটোরিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না এবং নিবন্ধনের পর নবায়নও করা হবে না। সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার আওতায় নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে শর্ত থাকবে, এসব যানবাহন চার্জ দিতে হবে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে।’তিনি বলেন, ‘সৌর বিদ্যুতের বাহিরে রিচার্জ করলে এই ব্যাটারিচালিত বা ই-রিকশাগুলোকে আমরা রেজিস্ট্রেশন দেব না এবং নবায়ন করব না।’সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করলে জরিমানার বিধানও রাখা হচ্ছে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘তারা সৌর বিদ্যুতের বাহিরে অন্য বিদ্যুৎ চার্জে রিচার্জ করতে গেলে তাদের যে জরিমানা হবে, সেটাও আইনে আমাদের থাকবে।’তিনি বলেন, ‘যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ঢাকাকে ৮টি জোনে বিভক্ত করতে চায় সরকার। এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।’এসময় পর্যায়ক্রমে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। বলেন, ‘চলতি অর্থবছরেই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় সরকার। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হলেই ভোটের সময় নির্ধারণ করা হবে।’উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য খরচ হবে ৬ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের বাজেটেই বরাদ্দ আছে বলেও অবহিত করেন প্রতিমন্ত্রী।

  • সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী

    সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী

  • সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

    সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

  • শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর

    শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর

  • ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

    ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

  • সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন

    সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন

  • আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

    আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

সব খবর

সব খবর

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত। সোমবার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য ক‌রেন তি‌নি।দী‌নেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।হাইক‌মিশনার ব‌লেন, আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু

বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু

সরকারের ৬ মাসের মেয়াদকালের পর্যালোচনামূলক সংবাদ সম্মেলনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি নেতারা অভিযোগ করেছেন; ‘৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত’, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’, ‘উই হ‍্যাভ এ প্ল‍্যান’ ইত‍্যাদি নানা স্বপ্নময় প্রতিশ্রুতির কথা বলে বিএনপি সরকার দলীয়করণ, দ্রব্যমূল‍্য বৃদ্ধি, বিদ‍্যুৎ আর গ‍্যাসের হাহাকার, ক‍্যাম্পাসে সন্ত্রাস, অর্থনীতিকে আরো গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পথে না হেঁটে জনগণের মতামতকে পায়ে দলনের নতুন ধরনের বাংলাদেশ গড়ার বার্তা দিচ্ছেন। প্রথম ৬ মাসে জনগণ যে নতুন সম্ভাবনা আশা করেছিল তা চরম হতাশায় পর্যবসিত হয়েছে বলে মনেকরে দলটি। ১৭ আগস্ট সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় রাজধানীর বিজয় নগরস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে “সরকারের ছয় মাস: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা! জনগণের সামনে পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান” বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে এবি পার্টি। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব‍্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। মজিবুর রহমান মঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে মূল্যায়নের জন‍্য ৬ মাস কম সময় না, ৬ মাস হলো সরকারের মেয়াদকালের ১০ ভাগের ১ ভাগ। তবে ৬ মাসেই সরকারের পূর্ণাঙ্গ সফলতা বা ব্যর্থতার হিসাব করা ঠিক হবেনা। সরকারের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের জন্য কয়েকটি সূচক থাকে যার মধ্যে অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল‍্য, শাসন ব্যবস্থা, উৎপাদন ব‍্যবস্থাপনা, ব‍্যবসা-বাণিজ্য, গণতান্ত্রিক চর্চার উন্নয়ন ইত্যাদি। এসব সূচকের বিবেচনায় ৬ মাসে তেমন আশানুরূপ উন্নতি নেই। বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের চাইতে এখন পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে সরকারের বিদ‍্যুৎ ও জ্বালানি ব‍্যবস্থাপনা এ মূহুর্তে খুবই হতাশাজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মানুষের জীবন যাত্রার ব‍্যয় বেড়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী জীবন মাণ উন্নত না হয়ে আরও অধঃপতিত হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় লোক নিয়োগ ও ক‍্যাম্পাস ভিত্তিক সহিংসতা সরকারের সুশাসন নিয়ে মারাত্মক সংশয় তৈরি করেছে। দ্রব‍্যমূল‍্য বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবন সংগ্রাম অবর্ণনীয় কষ্টে নিপতিত হয়েছে। বিদ‍্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে শত শত কল কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ১ হাজারেরও বেশি নতুন কল কারখানা চালুতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরকার যেখানে নতুন কর্মসংস্থানের আশা দেখিয়েছিল সেখানে উল্টো বেকারত্ব আরও বেড়েছে। অর্থনীতি সার্বিক বিবেচনায় স্থবির।জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে সকল দলকে নিয়ে এক টেবিলে বসার জন্য আমরা সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিলাম কিন্তু সরকার আমাদের কথা শোনেন নাই।জ্বালানি সংকট কিন্তু আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। কেননা বিদ্যুৎ ও গ্যাসে পূর্বের মাফিয়া চক্র এখনো বিদ্যামান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার আচরণ ও কর্মযজ্ঞে মিতব্যয়ীতা ও সময়ানুবর্তিতার চর্চা, জৌলুস পরিহার করে সাদামাটা জীবনাচরণের নতুন সংস্কৃতি চালু করার বার্তা দিচ্ছেন কিন্তু দলের নেতাকর্মীদের মধ‍্যে তার কোন ছায়া নেই। খালখনন, ফ‍্যমিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় পুরোহিতদের ভাতা চালুসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করে সামাজিক অর্থনীতিতে যে গতি আনতে চেয়েছেন তার কোন ছাপ সমাজে আমরা দেখছিনা উপরন্তু এসব নিয়ে নানা দুর্নীতির অভিযোগ আসছে। সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে তাতে বিরোধী দলের আন্দোলন করারই কোন দরকার হবেনা। জনদুর্ভোগের কারণে সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে বলে জনাব মঞ্জু অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন ৬ মাসের সার্বিক মূল্যায়নে বলা যায়, সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক। সবার আগে বাংলাদেশের পরিবর্তে তারা সবার আগে দলীয়তন্ত্রকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার কালচার আবার ফিরে আসছে যা কাম্য ছিলো না, তবে রাজনৈতিক সহনশীলতা এখন পর্যন্ত রয়েছে এটি ইতিবাচক দিক। পুরো সময় ধরে যাতে সরকারের এই রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় থাকে। ভারত সফরের বিষয়ে সরকারের অবস্থানকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখি।তিনি আরো বলেন,বিএনপির ভাষায় গণভোট চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ৩১ দফা তো চাপিয়ে দেয় নি, এটি বিএনপির নিজস্ব দফা, সেই দফাগুলোর ৮-১০ টি দফা অমান্য করা হয়েছে। দলীয় নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন,যোগ্য মানুষ নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ হলে সমস্যা নেই। তাদের ওয়াদা ছিলো ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণ করবেন না কিন্তু তারা সেটি রাখেন নাই। বিচারবিভাগ ও দুদক পুনর্গঠন নিয়ে ওয়াদাও বিএনপি রাখে নি। নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত তাঁরা দলীয় নিয়োগ দিয়েছেন। ছয় মাসের মধ্যে বিএনপি তাঁর ৩১ দফা ভুলে গিয়েছে। গুম ও মানবাধিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী আইনের চাইতেও দূর্বল আইন করেছে। যারা গুম করে তাদেরকেই তদন্তের দায়িত্বের ক্ষমতা দিয়েছে বিএনপি সরকার। কোন সংসদে নীতিমালা করা ছাড়া জ্বালানি খাতকে বেসরকারি করণ খাতে দেওয়া যাবে না। আমরা বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে নয় তবে তা হতে হবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। জঙ্গি ইস্যু সকল দলকে নিয়ে ডিল করার পরামর্শ দেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ, এনইসি সদস্য ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) গাজী নাসির,কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ,মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা,নাটোর জেলা আহ্বায়ক মোকাররেবুর রহমান নাসিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহসীনুল হক চৌধুরী, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ, কদমতলী থানার আহ্বায়ক কাজী মোঃ খোকন,ওয়ারী থানার সদস্য সচিব নূর নবী এবং বরিশালের নেতা জাকির হোসেন বারী।

বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং অবৈধভাবে পাথর-বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিজিবি শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের দরবার হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সীমান্তে বিজিবির বিভিন্ন কার্যক্রম ও সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হয়।প্রেস ব্রিফিং এ ৪৬ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় সরাইল রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ১২০৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ৪টি সেক্টরের অধীনে ১৩টি ইউনিটের মোট ২১১টি বিওপি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ অভিযানও জোরদার করা হয়েছে।তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দেশীয় ও বিদেশি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪৮টি পিস্তল, ৬টি এয়ারগান, ৫৫টি পাইপগান, ১টি ওয়ান শুটার গান, ৪০ রাউন্ড কার্তুজ, ১৮ দশমিক ৩৩ কেজি উচ্চ বিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর এবং ৩০ মিটার ডেটোনেটর তার।তিনি আরো বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালাচ্ছে বিজিবি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত এসব অভিযানে অবৈধভাবে উত্তোলন করা ২ হাজার ১২১ ঘনফুট বালু এবং ৭ হাজার ৪৬৫ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে।বিজিবি জানায়, বিশেষ করে সিলেটের সীমান্তবর্তী কলাসাদেক, গোয়াইনঘাট, ধলাই ব্রিজ এলাকা, পিয়াইন নদী, বাল্লাঘাট ও জাফলং ব্রিজ এলাকায় অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলনের প্রবণতা বেশি। এসব এলাকায় বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ ইউনিটগুলো নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করেছে।বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক ও অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার জনগণকে আইন মেনে চলা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুব এবং সহকারী পরিচালক ফিরোজ হোসেন।

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ

দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ

দেশের ৬৩ জেলার প্রায় সাড়ে ৪০০ জায়গায় ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট একযোগে চালানো হয় বোমা হামলা। লক্ষ্য ছিল আদালত, বিমানবন্দর, মার্কিন দূতাবাস থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়। সেই দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার সেই ভয়াল দিন আজ। সেদিন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) নামের একটি জঙ্গি সংগঠন পরিকল্পিতভাবে দেশের ৬৩ জেলায় একই সময়ে সিরিজ বোমা হামলা চালায়।মুন্সীগঞ্জ ছাড়া দেশব্যাপী এ হামলায় দু’জন নিহত ও অন্তত ১০৪ জন আহত হন।পুলিশ সদর দপ্তর ও র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পরপরই সারাদেশে ১৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়। এরমধ্যে ডিএমপিতে ১৮টি, সিএমপিতে ৮টি, আরএমপিতে ৪টি, কেএমপিতে ৩টি, বিএমপিতে ১২টি, এসএমপিতে ১০টি, ঢাকা রেঞ্জে ২৩টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি, রাজশাহী রেঞ্জে ৭টি, খুলনা রেঞ্জে ২৩টি, বরিশাল রেঞ্জে ৭টি, সিলেট রেঞ্জে ১৬টি, রংপুর রেঞ্জে ৮টি, ময়মনসিংহ রেঞ্জে ৬টি ও রেলওয়ে রেঞ্জে ৩টি মামলা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১৪২টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বাকি ১৭টি মামলায় ঘটনার সত্যতা থাকলেও আসামি শনাক্ত করতে না পারায় চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়। এসব মামলায় গ্রেফতার করা হয় ৯৬১ জনকে। ১ হাজার ৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।পুলিশ জানায়, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় সারাদেশে ১৫৯টি মামলার মধ্যে ৯৪টি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। এসব মামলায় ৩৩৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ৫৫টি মামলা বর্তমানে বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। যার আসামি সংখ্যা হচ্ছে ৩৮৬ জন। এই সিরিজ বোমা হামলার রায় দেওয়া মামলাগুলোর ৩৪৯ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ২৭ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়। এরমধ্যে ৮ জনের ফাঁসি ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। এসব মামলায় খালাস পেয়েছে ৩৫৮ জন, আর জামিনে রয়েছে ১৩৩ জন আসামি। এছাড়া ঢাকায় বিচারাধীন ৫টি মামলা সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে রয়েছে।ঝালকাঠি জেলার দুই বিচারককে হত্যার জন্য ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ ছয় জঙ্গি নেতা শায়খ আবদুর রহমান, তার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, সামরিক কমান্ডার আতাউর রহমান সানি, চিন্তাবিদ আব্দুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ এবং সালাউদ্দিনকে ফাঁসি দেওয়া হয়।২০০৫ সালের পরবর্তী সময়ে কয়েকটি ধারাবাহিক বোমা হামলায় বিচারক ও আইনজীবীসহ ৩০ জন নিহত হন। আহত হন ৪ শতাধিক। ওই বছরের ৩ অক্টোবরে চট্টগ্রাম, চাঁদপুর এবং লক্ষীপুরের আদালতে জঙ্গিরা বোমা হামলা চালায়। এতে তিনজন নিহত এবং বিচারকসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হন।এর কয়েকদিন পর সিলেটে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিপ্লব গোস্বামীর ওপর বোমা হামলার ঘটনায় তিনি এবং তার গাড়িচালক আহত হন। ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠিতে বিচারক বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায় আত্মঘাতী জঙ্গিরা। এতে নিহত হন ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের বিচারক জগন্নাথ পাড়ে এবং সোহেল আহম্মদ। এ হামলায় আহত হন অনেক মানুষ।সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে ওই বছরের ২৯ নভেম্বর গাজীপুর বার সমিতির লাইব্রেরি এবং চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে। গাজীপুর বার লাইব্রেরিতে আইনজীবীর পোশাকে প্রবেশ করে আত্মঘাতী এক জঙ্গি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এ হামলায় আইনজীবীসহ ১০ জন নিহত হন। আত্মঘাতী হামলাকারী জঙ্গিও নিহত হয়।একই দিন চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে জেএমবির আত্মঘাতী জঙ্গিরা বিস্ফোরণ ঘটায়। সেখানে রাজিব বড়ুয়া নামের এক পুলিশ কনস্টেবল এবং একজন সাধারণ মানুষ নিহত হন। পুলিশসহ প্রায় অর্ধশত আহত হন।একই বছরের ১ ডিসেম্বর গাজীপুর ডিসি অফিসের গেটে আবারও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখানে নিহত হন গাজীপুরের কৃষি কর্মকর্তা আবুল কাশেম। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন। ৮ ডিসেম্বর নেত্রকোনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনা শহরের বড় পুকুর পাড় উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর অফিসের সামনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় আত্মঘাতী জঙ্গিরা। সেখানে স্থানীয় উদীচীর দু’নেতাসহ ৮ জন নিহত হন। শতাধিক আহত হন।

মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

বাগেরহাটের মোংলায় শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম ধাপের কাজ আগামী অক্টোবরে শুরু হবে। এ ধাপে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হলে এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬০ হাজারে পৌঁছাবে।রোববার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মোংলা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে পৌর বিএনপির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।মন্ত্রী বলেন, মোংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পকারখানার পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে আকরাম পয়েন্টের কাছাকাছি এলাকা থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস মোংলায় আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলা অঞ্চলের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, আকরাম পয়েন্ট এলাকায় গ্যাস সরবরাহের অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে মোংলা অঞ্চলে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে অর্থনৈতিক অঞ্চলের পাশাপাশি বন্দরকেন্দ্রিক শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।এ ছাড়া মোংলা নদীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে বলে জানান মন্ত্রী। সেতু, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দর এবং জ্বালানি অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন হলে মোংলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সমন্বয়ক এম. এ. সালামসহ মোংলা, রামপাল, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মো. জুলফিকার আলী। বক্তারা মোংলার উন্নয়ন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে কেউ নজর দেয়নি। তাই আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে নতুনভাবে সাজাতে চাচ্ছি।আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহে যে চারটি হাসপাতাল দেখেছি, সবগুলোই ভালো। তবে সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ খুবই বেশি, কিন্তু ডাক্তার কম। গত ১৭ বছরে কেউ এদিকে নজর দেয়নি। তাই আমরা নতুনভাবে স্বাস্থ্যসেবাকে সাজাতে চাচ্ছি।’চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তারের মারাত্মক সংকট। গত ১৭ বছর কোনো অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার নতুনভাবে সৃষ্টি হয়নি। পুরোনো ডাক্তার দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। তবে নতুনভাবে অ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে গতিশীল করতে দেশে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) পরিদর্শন করে দ্রুত এটি চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।এর আগে মন্ত্রী মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত যেসব ব্যক্তি এখনো বেতন পাননি, তাঁদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতাল বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে হেলথ সেন্টার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া সারা দেশে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার শয্যার ১০ থেকে ১২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মধ্যে দুটি হাসপাতাল নারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে।

ওমরাহ ভিসায় নতুন শর্ত দিল সৌদি আরব

ওমরাহ ভিসায় নতুন শর্ত দিল সৌদি আরব

মাল্টিপল-এন্ট্রি বা একাধিকবার প্রবেশের ওমরাহ ভিসাধারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ও শর্ত জারি করেছে সৌদি আরব। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাল্টিপল ভিসার মেয়াদ এক বছর হলেও ওমরা যাত্রীদের প্রতিবার দেশটিতে প্রবেশের পূর্বে নিবন্ধিত সার্ভিস প্যাকেজ বুকিং ও ওমরাহ পারমিট বা অনুমতিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খবর গালফ নিউজের।সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসাধারীদের সৌদি আরবে ভ্রমণের পূর্বে ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো ওমরাহ সেবাদাতার কাছ থেকে আবশ্যিকভাবে সার্ভিস প্যাকেজ কিনতে হবে। এছাড়া সৌদি প্রবেশের আগেই নুসুক অ্যাপ থেকে ওমরাহ অনুমতিপত্র সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে চালু হওয়া এই একাধিকবার প্রবেশের ওমরাহ ভিসাটি ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন বা এক বছরের জন্য বৈধ থাকে। এর আওতায় ভিসা ধারণকারীরা এক বছরে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করার সুযোগ পান।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ পালনকারীদের ভ্রমণ সহজ করতে এই ভিসা সুবিধা দেওয়া হলেও অন্যান্য নিয়ম একই থাকছে। তাই প্রতিবার ওমরাহ করতে যাওয়ার আগে আলাদা করে সার্ভিস প্যাকেজ কেনা ও অ্যাপ থেকে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম মানতেই হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, নুসুক অ্যাপ থেকে নেওয়া ওমরাহের অনুমতির তারিখ ও কেনা সার্ভিস প্যাকেজের তারিখ যেন হুবহু এক হয়।প্রথমবার সফরের ক্ষেত্রে নুসুক থেকে সার্ভিস প্যাকেজ কেনার পরই ভিসার আবেদন করতে হয়। পরবর্তীতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধু ভিসা সচল থাকলেই চলবে না, প্রতিবার নতুন করে বুকিং ও পারমিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে ফ্লাইট বোডিংয়ের আগেই যাত্রীর ভ্রমণের যোগ্যতা ও ৯০ দিনের অনুমোদিত মেয়াদের হিসাব রাখা হবে।

নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনগণের দুর্ভোগ এবং নিজেদের ব্যর্থতাকে আড়াল করতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। সরকার জরুরি খাতে টাকা নিয়ে সমস্যা সমাধান করতে পারে। সমস্যা সমাধানে দশ বছরের অজুহাত দেখানো যাবে না।রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংকট সমাধানে দীর্ঘ সময়ের কথা বলে জনগণকে শান্ত করা যাবে না। জরুরি ভিত্তিতে যেকোনো সরকার জনগণের দুর্ভোগ দূর করতে অনেক পদক্ষেপ নিতে পারে। সরকার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে পারে, ভুতুড়ে বিল বন্ধ করতে পারে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সিন্ডিকেট করে লুটপাটের মার্কেট করে রেখেছে সরকার। এগুলো বন্ধ করে হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচানো যায়, সেদিকে সরকারের নজর নেই। তাদের নজর বিরোধী দলের আন্দোলনের দিকে। গণভোটের গণরায় কার্যকর না করে তো উপায় নেই। সেজন্য জনগণের এই দুর্ভোগ ও নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেউ ১০ বছর, আবার কেউ দুই বছরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের কথা বলছেন। তাঁদের বক্তব্যের মধ্যেই কোনো মিল নেই। ‘তাঁরা আগে নিজেদের মধ্যে সালিশটা মিটিয়ে নিক’—বলেন তিনি।গোলাম পরওয়ার বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সংকট সমাধানে একটি সমন্বিত প্রস্তাবনা দিয়েছে। সরকারের সক্ষমতা থাকলে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করে জাতির কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চাই না। কারণ জ্বালানি সংকটে সরকার ব্যর্থ হলে শুধু সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই মা, যিনি সকালে চুলা জ্বালাতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই শ্রমিক, যার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হন সেই উদ্যোক্তা, যিনি সময়মতো পণ্য তৈরি বা রফতানি করতে পারেন না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের অর্থনীতি।’সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে সংকট সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সংসদে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। এখন সেই অর্থ জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যর্থ সরকারগুলো জনগণের দুর্ভোগ আড়াল করতে এবং নিজেদের গণবিচ্ছিন্নতা থেকে বাঁচতে নন-ইস্যুকে সামনে এনে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে।

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত। সোমবার (১৬ আগস্ট) রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে এ মন্তব্য ক‌রেন তি‌নি।দী‌নেশ ত্রিবেদী ব‌লেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর খুব শিগগিরই হওয়া উচিত। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যায়।হাইক‌মিশনার ব‌লেন, আমি খুবই আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের হৃদয়ের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও ভারত শুধু সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, তারা একটি অভিন্ন স্বপ্নও ধারণ করে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে, বিতর্ক আছে, যুক্তি-তর্ক আছে-এটি স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনই জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা। তাদের লক্ষ্যও একই। আমি গণমাধ্যমে বহুবার বলেছি, যখন এমন দুই নেতা বৈঠক করেন ও আলোচনা করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা নেই যা আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়।তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী

সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী

সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন

শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

রাশিয়ায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা, নিহত ৬

রাশিয়ায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা, নিহত ৬

ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু

বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু

সরকারের ৬ মাসের মেয়াদকালের পর্যালোচনামূলক সংবাদ সম্মেলনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি নেতারা অভিযোগ করেছেন; ‘৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত’, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’, ‘উই হ‍্যাভ এ প্ল‍্যান’ ইত‍্যাদি নানা স্বপ্নময় প্রতিশ্রুতির কথা বলে বিএনপি সরকার দলীয়করণ, দ্রব্যমূল‍্য বৃদ্ধি, বিদ‍্যুৎ আর গ‍্যাসের হাহাকার, ক‍্যাম্পাসে সন্ত্রাস, অর্থনীতিকে আরো গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পথে না হেঁটে জনগণের মতামতকে পায়ে দলনের নতুন ধরনের বাংলাদেশ গড়ার বার্তা দিচ্ছেন। প্রথম ৬ মাসে জনগণ যে নতুন সম্ভাবনা আশা করেছিল তা চরম হতাশায় পর্যবসিত হয়েছে বলে মনেকরে দলটি। ১৭ আগস্ট সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় রাজধানীর বিজয় নগরস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে “সরকারের ছয় মাস: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা! জনগণের সামনে পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান” বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে এবি পার্টি। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব‍্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। মজিবুর রহমান মঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারকে মূল্যায়নের জন‍্য ৬ মাস কম সময় না, ৬ মাস হলো সরকারের মেয়াদকালের ১০ ভাগের ১ ভাগ। তবে ৬ মাসেই সরকারের পূর্ণাঙ্গ সফলতা বা ব্যর্থতার হিসাব করা ঠিক হবেনা। সরকারের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের জন্য কয়েকটি সূচক থাকে যার মধ্যে অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল‍্য, শাসন ব্যবস্থা, উৎপাদন ব‍্যবস্থাপনা, ব‍্যবসা-বাণিজ্য, গণতান্ত্রিক চর্চার উন্নয়ন ইত্যাদি। এসব সূচকের বিবেচনায় ৬ মাসে তেমন আশানুরূপ উন্নতি নেই। বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ের চাইতে এখন পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে সরকারের বিদ‍্যুৎ ও জ্বালানি ব‍্যবস্থাপনা এ মূহুর্তে খুবই হতাশাজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মানুষের জীবন যাত্রার ব‍্যয় বেড়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী জীবন মাণ উন্নত না হয়ে আরও অধঃপতিত হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় লোক নিয়োগ ও ক‍্যাম্পাস ভিত্তিক সহিংসতা সরকারের সুশাসন নিয়ে মারাত্মক সংশয় তৈরি করেছে। দ্রব‍্যমূল‍্য বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবন সংগ্রাম অবর্ণনীয় কষ্টে নিপতিত হয়েছে। বিদ‍্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে শত শত কল কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ১ হাজারেরও বেশি নতুন কল কারখানা চালুতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরকার যেখানে নতুন কর্মসংস্থানের আশা দেখিয়েছিল সেখানে উল্টো বেকারত্ব আরও বেড়েছে। অর্থনীতি সার্বিক বিবেচনায় স্থবির।জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে সকল দলকে নিয়ে এক টেবিলে বসার জন্য আমরা সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিলাম কিন্তু সরকার আমাদের কথা শোনেন নাই।জ্বালানি সংকট কিন্তু আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। কেননা বিদ্যুৎ ও গ্যাসে পূর্বের মাফিয়া চক্র এখনো বিদ্যামান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার আচরণ ও কর্মযজ্ঞে মিতব্যয়ীতা ও সময়ানুবর্তিতার চর্চা, জৌলুস পরিহার করে সাদামাটা জীবনাচরণের নতুন সংস্কৃতি চালু করার বার্তা দিচ্ছেন কিন্তু দলের নেতাকর্মীদের মধ‍্যে তার কোন ছায়া নেই। খালখনন, ফ‍্যমিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় পুরোহিতদের ভাতা চালুসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করে সামাজিক অর্থনীতিতে যে গতি আনতে চেয়েছেন তার কোন ছাপ সমাজে আমরা দেখছিনা উপরন্তু এসব নিয়ে নানা দুর্নীতির অভিযোগ আসছে। সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে তাতে বিরোধী দলের আন্দোলন করারই কোন দরকার হবেনা। জনদুর্ভোগের কারণে সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে বলে জনাব মঞ্জু অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন ৬ মাসের সার্বিক মূল্যায়নে বলা যায়, সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক। সবার আগে বাংলাদেশের পরিবর্তে তারা সবার আগে দলীয়তন্ত্রকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার কালচার আবার ফিরে আসছে যা কাম্য ছিলো না, তবে রাজনৈতিক সহনশীলতা এখন পর্যন্ত রয়েছে এটি ইতিবাচক দিক। পুরো সময় ধরে যাতে সরকারের এই রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় থাকে। ভারত সফরের বিষয়ে সরকারের অবস্থানকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখি।তিনি আরো বলেন,বিএনপির ভাষায় গণভোট চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ৩১ দফা তো চাপিয়ে দেয় নি, এটি বিএনপির নিজস্ব দফা, সেই দফাগুলোর ৮-১০ টি দফা অমান্য করা হয়েছে। দলীয় নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন,যোগ্য মানুষ নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ হলে সমস্যা নেই। তাদের ওয়াদা ছিলো ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণ করবেন না কিন্তু তারা সেটি রাখেন নাই। বিচারবিভাগ ও দুদক পুনর্গঠন নিয়ে ওয়াদাও বিএনপি রাখে নি। নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত তাঁরা দলীয় নিয়োগ দিয়েছেন। ছয় মাসের মধ্যে বিএনপি তাঁর ৩১ দফা ভুলে গিয়েছে। গুম ও মানবাধিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী আইনের চাইতেও দূর্বল আইন করেছে। যারা গুম করে তাদেরকেই তদন্তের দায়িত্বের ক্ষমতা দিয়েছে বিএনপি সরকার। কোন সংসদে নীতিমালা করা ছাড়া জ্বালানি খাতকে বেসরকারি করণ খাতে দেওয়া যাবে না। আমরা বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে নয় তবে তা হতে হবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়। জঙ্গি ইস্যু সকল দলকে নিয়ে ডিল করার পরামর্শ দেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ, এনইসি সদস্য ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) গাজী নাসির,কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ,মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা,নাটোর জেলা আহ্বায়ক মোকাররেবুর রহমান নাসিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহসীনুল হক চৌধুরী, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ, কদমতলী থানার আহ্বায়ক কাজী মোঃ খোকন,ওয়ারী থানার সদস্য সচিব নূর নবী এবং বরিশালের নেতা জাকির হোসেন বারী।

নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সরকার বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

'প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ' পদ্ধতি পুনরায় চালু করলে জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে: ড. মারুফ

'প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ' পদ্ধতি পুনরায় চালু করলে জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে: ড. মারুফ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে খালেদা জিয়া ছিলেন অকুতোভয় বীর: ড.খন্দকার মারুফ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে খালেদা জিয়া ছিলেন অকুতোভয় বীর: ড.খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

আপনার রেখে যাওয়া বাগানে অনেক ফুলই ফুটেছে: জামায়াত আমির

আপনার রেখে যাওয়া বাগানে অনেক ফুলই ফুটেছে: জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে জামায়াত আমিরের চিঠি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে জামায়াত আমিরের চিঠি

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

দুর্দিনে যারা রাজপথে টিকে থাকেন, তারাই দলের আসল প্রাণ: খোকন তালুকদার

দুর্দিনে যারা রাজপথে টিকে থাকেন, তারাই দলের আসল প্রাণ: খোকন তালুকদার

বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং অবৈধভাবে পাথর-বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিজিবি শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের দরবার হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন সীমান্তে বিজিবির বিভিন্ন কার্যক্রম ও সাফল্যের চিত্র তুলে ধরা হয়।প্রেস ব্রিফিং এ ৪৬ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় সরাইল রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ ১২০৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ৪টি সেক্টরের অধীনে ১৩টি ইউনিটের মোট ২১১টি বিওপি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ অভিযানও জোরদার করা হয়েছে।তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দেশীয় ও বিদেশি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪৮টি পিস্তল, ৬টি এয়ারগান, ৫৫টি পাইপগান, ১টি ওয়ান শুটার গান, ৪০ রাউন্ড কার্তুজ, ১৮ দশমিক ৩৩ কেজি উচ্চ বিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর এবং ৩০ মিটার ডেটোনেটর তার।তিনি আরো বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালাচ্ছে বিজিবি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত এসব অভিযানে অবৈধভাবে উত্তোলন করা ২ হাজার ১২১ ঘনফুট বালু এবং ৭ হাজার ৪৬৫ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে।বিজিবি জানায়, বিশেষ করে সিলেটের সীমান্তবর্তী কলাসাদেক, গোয়াইনঘাট, ধলাই ব্রিজ এলাকা, পিয়াইন নদী, বাল্লাঘাট ও জাফলং ব্রিজ এলাকায় অবৈধ পাথর-বালু উত্তোলনের প্রবণতা বেশি। এসব এলাকায় বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ ইউনিটগুলো নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করেছে।বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক ও অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার জনগণকে আইন মেনে চলা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুব এবং সহকারী পরিচালক ফিরোজ হোসেন।

ভাঙ্গায় কুমার নদীতে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

ভাঙ্গায় কুমার নদীতে নিখোঁজ কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

শাহাদাত বাঁচতে চান, চিকিৎসায় প্রয়োজন মানুষের সহায়তা

শাহাদাত বাঁচতে চান, চিকিৎসায় প্রয়োজন মানুষের সহায়তা

রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৮ মৃত্যু, আহত ৫৩৯

জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৮ মৃত্যু, আহত ৫৩৯

এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে এবার মিললো প্রায় ৭১ লাখ টাকা

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে এবার মিললো প্রায় ৭১ লাখ টাকা

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ দলের ইতিহাস সৃষ্টি

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ দলের ইতিহাস সৃষ্টি

ডারউইনে বাংলাদেশ চালকের আসনে ছিল একেবারে প্রথম দিন থেকেই। সময় যত গড়িয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানটা ক্রমেই শক্ত হয়েছে। দর্শক সমর্থকদের অপেক্ষাও ছিল বহুক্ষণ, বহু দিন ধরে। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, বাংলাদেশ ইতিহাসটা গড়েই ফেলল। অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ৯ উইকেটে। অজি মুল্লুকে প্রথমবার তাদেরই ধসিয়ে দিয়ে জেতার দারুণ স্বাদ এসে ধরা দিল ইন্দ্রিয়ে।আশা ছিল, তার পিঠে একটু ভয়ও ছিল বৈকি! বিশ্বাস না হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা ক্রিকইনফোর লাইভ কমেন্ট্রির ফাঁকে ফাঁকে সমর্থকদের মন্তব্যগুলো খুঁজে দেখুন? সেখানে বহু বাংলাদেশির কথা ছিল একটাই, ‘কত কিছুই তো হতে দেখলাম!’বাংলাদেশ ক্রিকেটের দর্শক–সমর্থক হলে বোধ হয় এই এক সমস্যা। শেষের আগে বিশ্বাসই হতে চায় না কোনো কিছু। ইতিহাস তাতে রসদ যুগিয়ে যায়, মুলতান টেস্টের ইনজামাম থেকে যে যাত্রার শুরু, ফতুল্লা টেস্টে রিকি পন্টিং, এরপর চট্টগ্রামে কাইল মেয়ার্সের অতিমানব হয়ে ওঠা… সবকিছুই হয়েছে যে চোখের সামনে, সে চোখ কোনো কিছু হতে দেখার আগে যদি বিশ্বাস না করে, তাকে কি দোষারোপ করা যায়?কিন্তু কিছু বিষয় আছে, যা চোখের সামনে হতে দেখলেও বুঝি খানিকটা অবিশ্বাস চলে আসে মগজে, চিমটি কেটে দেখতে হয় ‘স্বপ্নে হচ্ছে না তো সব?’ এই ভুলটা ভাঙতে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই জয় বোধ হয় তেমনই এক ঘটনা।কেন হবে না বলুন? জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে বাংলাদেশ ইনিংস ও ৮৫ রানে হারল মাসদুয়েক আগে, সেই দলে আজকের একাদশের ৭ জন ছিলেন। সেটাকে না হয় আপনি ঝড়ে-বকে বলে উড়িয়ে দিলেনই। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচের ওই ইনিংস ব্যবধানে হারটা? সেই দলটা তো আজকের এই একাদশই ছিল মোটাদাগে!সেই দলটা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেবে, তাও এমন ৪ দিন ধরে ছড়ি ঘুরিয়ে! কে ভেবেছিল! অস্ট্রেলিয়া ভাবেনি, তা নিশ্চিত। মারারা স্টেডিয়ামের ভিএআইপি লাউঞ্জের দিকে তাকালেই বুঝা যায় বিষয়টা। অস্ট্রেলিয়া সফর কাভার করতে যাওয়া এক সহকর্মীর ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গেল, ম্যাচটা ৩ দিনে শেষ হয়ে যাবে, তাই না ভেবে ভিআইপি লাউঞ্জের টিকিটই কাটেননি কেউ, আজকের দিনটায় ফাঁকা পড়ে আছে জায়গাটা!খেলাটা ৩ দিন পেরোনো নিয়েই যেখানে সন্দেহ ছিল অনেকের, সেখান থেকে বাংলাদেশের জয়… বিষয়টা অভাবনীয় ছিল। এতটাই অভাবনীয় যে বাংলাদেশের পক্ষে বাজির রেট ছিল ১-২০! বাংলাদেশ সে পাশার দানটা উলটে দিয়েছে পুরোপুরি।একটা টেস্ট জিততে একক নৈপুণ্য যথেষ্ট হয় না। বাংলাদেশের এই জয়ও একক নৈপুণ্যে আসেনি। শুরুটা করে দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অজিদেরকে প্রথম চমকটা দিয়েছিলেন। সে চমকের দমক সইতে না পেরে স্বাগতিকরা অলআউট হলো ১৯৮ রানে। এরপরও শঙ্কা ছিল ব্যাটিংয়ে। প্রস্তুতি ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার দুঃস্মৃতি যে দলের ঝুলিতে আছে, আরও একটা বার এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি না ঘটিয়ে দল, শঙ্কাটা ছিলই। তানজিদ হাসান তামিম আর নাজমুল হোসেন শান্ত সে শঙ্কাটা বিদায় করলেন। তামিম করলেন সেঞ্চুরি, শান্ত তিন অঙ্কের দেখা না পেলেও গেলেন খুব কাছে, ৮৪ রানের এই ইনিংস চালকের আসনে জাঁকিয়ে বসার উপায় বাতলে দিল দলকে।১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট অবশ্য মাঝে নাড়িয়ে দিয়েছিল দলকে। এরপরই দৃশ্যপটে মেহেদী হাসান মিরাজের আবির্ভাব। প্রস্তুতি ম্যাচে দলের ব্যর্থতার মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এবার তিনি সেঞ্চুরি না করলেও যা করলেন, তা দলকে এনে দিল বিশাল এক লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে ২২৮ এর চেয়ে বড় লিড বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসেই পেয়েছে মোটে দুই বার, তাও আয়ারল্যান্ড আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এবার সে তেঁতো স্বাদটা বাংলাদেশ দিল অস্ট্রেলিয়াকে; বিশালত্বটা বুঝুন তাহলে?কাজটা তখনও অর্ধেক হয়েছে। বাকি কাজটা সারতে হতো বোলারদের। হাসান মাহমুদ আবারও শুরুর ধাক্কাটা দিয়েছিলেন। তবে মূল স্পটলাইটটা কেড়ে নিলেন মিরাজ। একে একে ৫ উইকেট। ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ব্যবধানে হারটা এড়াল বটে, কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। অস্ট্রেলিয়া শেষমেশ অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭। মামুলি লক্ষ্যে বাংলাদেশ পা হড়কায়নি। ১ উইকেট হারালেও সাদমান ইসলাম আর মুমিনুলের ব্যাটে চড়ে তুলে নিয়েছে ৯ উইকেটের দারুণ এক জয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়। তাও ৪ দিন দাপট ধরে রেখে, অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় সেরা দল বানিয়ে! বাংলাদেশ দল ইতিহাসই গড়ে ফেলেছে বটে!

মিরাজের জাদুতে কোনঠাসা অস্ট্রেলিয়া

মিরাজের জাদুতে কোনঠাসা অস্ট্রেলিয়া

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে শৈশবের শহরে মেসি

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

আত্মঘাতী বোমা হামলায় মেসি-রোনাল্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ফাঁস করলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ

কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’

কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা করে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশা।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১২ জুলাই তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন একই আদালত। আসামি পক্ষের আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মামলাটি করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে ডিবি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। সম্প্রতি ডিবির জমা দেওয়া এই প্রতিবেদন আদালত আমলে নিয়ে সমন জারি করে তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন।গত বছরের ৫ নভেম্বর একই আদালতে অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশনের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম মামলা করেন।মামলায় অভিযোগ করা হয়, তানজিন তিশা বাংলাদেশের পরিচিত মডেল, অভিনেত্রী ও টিভি উপস্থাপিকা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত। এর সুবাদে আসামি অ্যাপোনিয়ার অনলাইন পেজে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন প্রকার শাড়ি পর্যবেক্ষণ করে একটি শাড়ি পছন্দ করে নেন। যার বাজার মূল্য ২৮ হাজার ৮০০ টাকা। শাড়িটি তানজিন তিশার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তানজিন তিশা নানা ধরনের ভয়েস ম্যাসেজ এবং ম্যাসেজ দিয়ে শাড়িটি পরিধান করে অ্যাপোনিয়া পেজ প্রমোশনের জন্য নানাভাবে আশ্বস্ত করেন।মামলায় আরও বলা হয়, তানজিন তিশাকে পেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে শাড়িটি পরিধান করে পেজ প্রমোশনের জন্য নানা উপায়ে অনুরোধ করেন। তিনি গত ১৮ জানুয়ারি শাড়িটি গ্রহণ করেন। তবে দীর্ঘ ১০ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও শাড়িটি পরিধান না করে, পেজ প্রমোশন না করে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গত ৬ মাসের অধিক সময় কোনো যোগাযোগ রক্ষা করেননি এবং ইচ্ছাকৃতভাবে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো ধরনের কথোপকথন থেকে বিরত রয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।বাদীর অভিযোগ, তানজিন তিশা প্রতারণা করে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। মামলাটি আমলে গ্রহণ করে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। পরে আদালত অভিযোগের বিষয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি অভিনেতা ডন হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার চ্যানেল এসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে সিআইডির একটি দল এসে তাকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে এবং তারাই বিষয়টি তদন্ত করছে।’সালমান শাহের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর এ ঘটনায় হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ সংক্রান্ত আদেশ দেন।পুরোনো নথি অনুযায়ী, সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক তদন্ত সংস্থা কাজ করেছে। একপর্যায়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনে সালমান শাহের মৃত্যুকে আত্মহত্যাজনিত বলে উল্লেখ করা হয়। তবে তার পরিবার ও ভক্তদের একটি অংশ ওই তদন্তের ফল মেনে নেয়নি।এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। ডন হককে গ্রেফতারের পর মামলার তদন্তে নতুন করে অগ্রগতি আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসা থেকে সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাত্র কয়েক বছরের চলচ্চিত্রজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা এই অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর থেকে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলে আসছে।

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া লুকে নুসরাত ফারিয়া

কাঁধখোলা কালো গাউনে নজরকাড়া এক ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপন করলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। এর সঙ্গে পুরুষদের নিয়ে ক্যাপশনে দিলেন খোঁচা। ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার দেওয়া এই পোস্টে দখো গেলো গ্ল্যামারাস লুকে হাজির হয়েছেন তিনি। তার পোস্ট করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়- স্নিগ্ধ ও খানিকটা বোল্ড লুকে। টিউব কাটের বডি ফিটেড কালো মেরমেড গাউনে ফুটে উঠেছে ফারিয়ার শার্প লুক। সাজসজ্জায় বেছে নিয়েছেন ডায়মন্ড ও পান্নার মিশেলে তৈরি নেকলেস, মানানসই দুল এবং ব্রেসলেট।ছবিগুলোতে ফারিয়ার অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাসের ছাপ। কখনো জানালার পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো বিলাসবহুল সোফায় হেলান দিয়ে ক্যামেরায় পোজ দিয়েছেন তিনি। তবে শুধু ছবিই নয়, ভক্তদের নজর কেড়েছে তার পোস্টের ক্যাপশনটি। ফারিয়া লিখেছেন, ‘বেশিরভাগ পুরুষের চেয়ে হীরাই মেয়েদের মন বেশি বোঝে।’ ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে অনুরাগী ও নেটিজেনদের ভিড় জমেছে। ফারিয়ার রূপের প্রশংসা করে এক অনুরাগী লিখেছেন, ‘একদম কুইন লুক!’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সত্যিই দারুণ লাগছে ফারিয়া আপু!’ অনেকেই আবার এই বোল্ড লুকের প্রশংসা করেছেন মুক্তকণ্ঠে।

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

মিঠুন চক্রবর্তী হাসপাতালে ভর্তি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী হাতে মারাত্মক আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চোটের গভীরতা বেশি থাকায় জরুরি ভিত্তিতে তার হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতের অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসকরা তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আপাতত তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা। তবে ঠিক কীভাবে অভিনেতা হাতে চোট পেয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শুটিং সেটে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।প্রিয় ‘মহাগুরু’র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তার অজস্র ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে তিনি বর্তমানে ভালো আছেন জেনে স্বস্তি মিলেছে সবার।

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন করেছে। গত ২৯ জুলাই মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত বোর্ডে নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র গবেষক আবদুর রহমান। এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন অনুযায়ী এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু।মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করতে নতুন করে এই বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে।

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়লো বলিউড কিং খানের নতুন লুক

'কিং' সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। সম্প্রতি বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমার সম্ভাব্য নতুন লুক সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি কাটানোর সময় এক ভক্তের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কিং খান। এরপর সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। ভাইরাল হওয়া সেই ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদশাহ কালো রঙের হুডি ও ‘VR-46’ লেখা একটি কালো ক্যাপ পরে ছিলেন। মুখ ঢেকে রাখার চেষ্টা করলেও ক্যাপের ফাঁক দিয়ে তার ব্লিচ করা চুল দেখা যায়। এ থেকেই নেটিজেনদের ধারণা— পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ সিনেমার নতুন লুক আড়াল করতেই এমন সতর্ক ছিলেন শাহরুখ খান।‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে সম্পূর্ণ ধূসর চুলের ভিন্নধর্মী লুকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেতার পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনে শুটিংয়ের ফাঁকে ঘুরতে বের হওয়ার সময় শাহরুখ খানের পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। সাধারণ পোশাকে থাকলেও ভক্তদের আগ্রহ এড়াতে পারেননি তিনি। কয়েকজন ভক্ত-অনুরাগীর সঙ্গে ছবিও তুলেছেন এ অভিনেতা।এ ছাড়া লন্ডনে শাহরুখ খানের বাড়িও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, তার বাড়ির সামনে ভিড় করছেন অসংখ্য ভক্ত। অনেকেই সেখানে ছবি ও সেলফি ভিডিও ধারণ করছেন। দৃশ্যটি মুম্বাইয়ে শাহরুখের বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভক্তদের ভিড়ের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণের টাকা বিতরণ শনিবার

শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণের টাকা বিতরণ শনিবার

জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার

জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণ নিয়ে সেন্দাইয়ে বিএসএসএজে’র সেমিনার

এসএসসিতে অকৃতকার্যদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসিতে অকৃতকার্যদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু, চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত

টোফেল শিক্ষার মান আরও শক্তিশালী করতে সিলেটে ইটিএস-এর উদ্যোগ

টোফেল শিক্ষার মান আরও শক্তিশালী করতে সিলেটে ইটিএস-এর উদ্যোগ

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

দাখিলে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

এসএসসির ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ পেলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার প্ল্যাটফর্ম সাজগোজ এবার নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ বিভাগ চালুর মাধ্যমে তাদের পণ্যের পরিসর আরও বাড়িয়েছে। নতুন কালেকশনটি মূলত সাজগোজকে গিফট ও ব্যক্তিগত স্টাইলের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ শপ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য থাকছে নানা ধরনের পণ্য। কালেকশনটি এখন শুধু অনলাইনে shop.shajgoj.com-এ পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর সাজগোজের মুক্তার গহনার পাইলটটি গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর, সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি এবার উৎকৃষ্ট মানের মুক্তা, ট্রেন্ডি ফ্যাশন জুয়েলারি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ নিয়ে তাদের পণ্যের সংগ্রহ আরও সম্প্রসারিত করেছে। নতুন এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সাজসজ্জার জন্য সব ধরনের গহনা একত্রে রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা ‘দ্য রয়্যাল পার্ল’ এবং ‘অপেরা’-র মতো মুক্তার সেটের পাশাপাশি বাটারফ্লাই ও হার্ট স্টাড, ঝুমকা, ঝাড়বাতি কানের দুল, আংটি এবং চুড়ি থেকে বেছে নিতে পারেন। এই কালেকশনে হেয়ার ক্লিপ, স্ক্রাঞ্চি এবং নেইল আর্ট স্টিকারের মতো দৈনন্দিন ব্যবহারের অ্যাক্সেসরিজও রয়েছে। ৭৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া দামে এই কালেকশনে প্রিমিয়াম মুক্তার নজরকাড়া গহনার পাশাপাশি সহজলভ্য বিকল্পও রয়েছে, যা এটিকে বিভিন্ন উপহারের উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য উপযুক্ত করে তোলে।

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

শুধু এসপিএফ ৫০ লিখলেই কি সানস্ক্রিন নিরাপদ?

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

এআই ওয়াশিং মেশিন: বৃষ্টিভেজা দিনে কাপড় ধোয়ার সহজ সমাধান

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

অবকাঠামো তৈরি করে গ্যাস সংকট কাটাতে বছর দুয়েক লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

অবকাঠামো তৈরি করে গ্যাস সংকট কাটাতে বছর দুয়েক লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে গ্যাস সংকট থেকে উত্তরণের জন্য অবকাঠামো তৈরি করে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে বছর দুয়েক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের একটি কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি সংকটের চ্যালেঞ্জ স্পষ্ট। অবকাঠামো তৈরি করে সংকট থেকে বের হতে যতটুকু সময় প্রয়োজন সেটা দিতে হবে। আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রচলিত ধ্যান ধারণার বাইরে গিয়ে কাজ করছে সরকার।এছাড়া, জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে মিলেছে ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে মিলেছে ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

দেশে সোনার দাম বাড়লো

দেশে সোনার দাম বাড়লো

দেশের বাজারে ডলারের দাম কমল

দেশের বাজারে ডলারের দাম কমল

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টায় ৯ জন বাংলাদেশি মারা গে‌ছেন। এ ছাড়া, মিসরের মারসা মাতরুহ হাসপাতালে ২৯ জন বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।স্থানীয় সময় রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ দূতাবাস কায়রো এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।দূতাবাস জানায়, মানবপাচার চক্রের সহায়তায় প্রতিবেশী দেশ লিবিয়ার তবরুক থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে দিকভ্রষ্ট হয়ে ২৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীসহ একটি রাবারের নৌকা মিশরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে এসে পৌঁছায়। স্থানীয় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধার করা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন থাকায় তাদের চিকিৎসার জন্য মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি দূতাবাস অবহিত হওয়ার পর প্রথম সচিব (শ্রম) স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানা যায়, তাদের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে মোট ২৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালের একজন কর্মীর সহায়তায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিক আব্দুল করিমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়। তিনি জানান যে, গত ৩ আগস্ট ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন সুদানিসহ মোট ৪২ জন লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে একটি রাবারের নৌকায় যাত্রা শুরু করেন। নৌকাটি একটি স্পিডবোট ইঞ্জিন দ্বারা পরিচালিত হলেও এতে কোনো উপযুক্ত নেভিগেশন ব্যবস্থা ছিল না। যাত্রার পূর্বে তাদের জানানো হয়েছিল, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছাতে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা সময় লাগবে। তবে নৌকাটিতে যথাযথ নেভিগেশন ব্যবস্থা না থাকা এবং একপর্যায়ে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে নৌকাটি দিকভ্রষ্ট হয়ে পড়ে এবং প্রায় ১০ দিন ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থায় থাকে। এভাবে ভাসতে ভাসতে গত ১৩ আগস্ট নৌকাটি মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে এসে পৌঁছায়। আব্দুল করিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় তীব্র গরম, প্রচণ্ড সূর্যের তাপ, খাদ্য ও পানির অভাবে ৯ জন বাংলাদেশি ও ১ জন সুদানীসহ মোট ১০ জন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘ সময় তারা সমুদ্রে অবস্থান করার কারণে মৃতদেহগুলোতে পচন ধরায় একপর্যায়ে জীবিত যাত্রীরা মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে বাধ্য হন বলে তিনি জানান।ঘটনাটি জানার পর থেকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিকদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে দূতাবাস সার্বক্ষণিকভাবে খোঁজখবর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলার ও অন্যান্য সহযোগিতা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিকরা সুস্থ হয়ে উঠলে মিশরের প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর তাদের দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, ফ্রান্সের কমিটিতে সভাপতি শাহ সুহেল ও সাধারণ সম্পাদক আশিক উল্লাস

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, ফ্রান্সের কমিটিতে সভাপতি শাহ সুহেল ও সাধারণ সম্পাদক আশিক উল্লাস

সান ফ্রান্সিসকোতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ

সান ফ্রান্সিসকোতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ  ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় ‘অপ সাসার’ অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশিসহ ১,০৪৩ অভিবাসী আটক

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

এক যুগেরও বেশি সময়ের পথচলা: বাংলাদেশের পর্যটন ও রিসোর্ট বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ছুটি গ্রুপ

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে গত এক যুগে যে কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ড ধারাবাহিকভাবে নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছুটি গ্রুপ। ২০১২ সালে গাজীপুরের সুকুন্দীতে একটি রিসোর্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের পর্যটন, রিসোর্ট পরিচালনা এবং হসপিটালিটি-ভিত্তিক বিনিয়োগ খাতে একটি শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে Chuti Resort Gazipur, Chuti Resort Purbachal, Chuti Resort Pubail, Chuti Forest Eagle Resort (শমশেরনগর)। Chuti Harmony, Chuti Beach Resort, Saltanat Tea Resort, Saltanat Highway Village এবং Anondobari by Chuti-সহ একাধিক প্রকল্প নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।তবে ছুটি গ্রুপের যাত্রা শুধুমাত্র রিসোর্ট পরিচালনায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে রিসোর্ট ইনভেস্টমেন্ট ধারণাকে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ গঠন ও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে একের পর এক উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে Chuti Harmony ঢাকার পূর্বাচলে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচতারকা রিসোর্ট, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ইউনিট মালিকানা, ভাড়া থেকে আয় এবং এক্সক্লুসিভ ভিআইপি মেম্বারশিপ সুবিধা পাবেন। Chuti Beach Resort কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক একটি প্রিমিয়াম বিনিয়োগ প্রকল্প, যা সমুদ্রভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, মৌলভীবাজারের চা-বাগানঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠছে Saltanat Tea Resort, যেখানে প্রকৃতি, বিলাসবহুল আতিথেয়তা এবং সুস্থ অবকাশযাপনকে এক সুতোয় গাঁথা হচ্ছে। দেশের মহাসড়কভিত্তিক ভ্রমণ সংস্কৃতিকে আরও আধুনিক ও সেবামুখী করতে বাস্তবায়নাধীন Saltanat Highway Village প্রকল্পে থাকছে নিরাপদ বিশ্রাম, মানসম্মত খাবার, বিনোদন এবং আধুনিক ট্রাভেল সার্ভিসের সমন্বিত ব্যবস্থা।এছাড়া প্রবীণ নাগরিকদের জন্য দেশের অন্যতম বিশেষায়িত সিনিয়র লিভিং কমিউনিটি Anondobari by Chuti নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিকচর্চা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সমন্বয়ে একটি নতুন জীবনধারার পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে।ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি করপোরেট অংশীদারিত্বেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ছুটি গ্রুপ। দেশের ২০০টিরও বেশি স্বনামধন্য ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অতিথিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও এক্সক্লুসিভ অফারের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।মানসম্মত পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেও কাজ করছে ছুটি গ্রুপ। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠানটি।করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, ম্যারাথন এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে ছুটি গ্রুপ। টেকসই উন্নয়ন, দায়িত্বশীল পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।একটি রিসোর্ট দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা আজ বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে একটি বিস্তৃত ইকোসিস্টেমে রূপ নিয়েছে। নতুন গন্তব্য নির্মাণ, আন্তর্জাতিক মানের অবকাশকেন্দ্র পরিচালনা এবং উদ্ভাবনী রিসোর্ট বিনিয়োগ মডেলের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ শুধু পর্যটনের অভিজ্ঞতাই বদলে দিচ্ছে না; একই সঙ্গে দেশের পর্যটন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং টেকসই বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

সহজ মোবাইলের স্মার্টফোন পাইলট প্রকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

সহজ মোবাইলের স্মার্টফোন পাইলট প্রকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহজ কিস্তি বা অর্থায়ন সুবিধায় স্মার্টফোন সহজলভ্য করার একটি পাইলট প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ নির্দিষ্ট নীতি ও শর্তের অধীনে এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেড’-কে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, এককালীন অর্থ পরিশোধ করে স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য না থাকায় গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের অনেক মানুষ এখনো ডিজিটাল সেবা থেকে পিছিয়ে রয়েছেন। এ বাধা কমানোই পাইলট প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য।প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষকে ডিজিটাল লেনদেন, মোবাইল আর্থিক সেবা, অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সরকারি ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও বাজারসংক্রান্ত তথ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।সহজ মোবাইল বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নায়েম ফয়েজ বলেন, বর্তমানে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; আর্থিক সেবা, শিক্ষা, তথ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কেউ যেন এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবু আল মোতালিব বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে হলে শহরের বাইরের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্যদেরও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নীতি ও শর্ত মেনে পাইলট কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর কার্যক্রম পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ পর্যবেক্ষণ করবে। পাশাপাশি প্রকল্পের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিয়মিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।উদ্যোক্তারা আশা করছেন, পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দায়িত্বশীল স্মার্টফোন অর্থায়ন এবং ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো

স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো

সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০এক্স

সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে বাজারে এলো রিয়েলমি সি১০০এক্স

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্নমানের কনটেন্টে লাগাম টানা হচ্ছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

শিরোনাম
সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি: শিক্ষামন্ত্রী বিজিবি সরাইল রিজিয়নের আওতায় বিভিন্ন সীমান্তে অভিযানে ৮৩০ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা বিধান করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকার ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ছে : রিজভী সরকার বন্দনার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসেছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বিএনপি সরকারের ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদি আমিন বিরোধী দলের আন্দোলন লাগবে না, সাধারণ নাগরিকেরাই ধৈর্য্য হারিয়ে রাস্তায় নামবে: মঞ্জু ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম