কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন একদিনের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত স্টেশনগুলো বন্ধ থাকবে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কমিশন বৃদ্ধি না হওয়ায় ফিলিং স্টেশন পরিচালনায় মালিকরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দাবি আদায়ে ৩০ জুলাই প্রতীকীভাবে একদিনের জন্য স্টেশন বন্ধ রাখা হবে।’আরও পড়ুন: সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ফোন ব্যবহার কেন বিপজ্জনক?তিনি আরও বলেন, ‘দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হবে।’সংগঠনের নেতারা জানান, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে ৮ টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর গত ১১ বছরে মূল্যস্ফীতি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের দাম, ব্যাংক কমিশন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমির ইজারা ফি এবং বিভিন্ন সরকারি লাইসেন্স ফি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনে স্টেশন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।তাদের দাবি, প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়িয়ে ন্যূনতম ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ বর্তমান হারের তুলনায় কমিশন ৫ টাকা ৯৬ পয়সা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।তবে দাবি আদায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ভারতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু প্রতিরোধী টিকার বাজারজাতকরণের অনুমোদন দিয়েছে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। তাকেদা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডিয়ার তৈরি কিউডেঙ্গা নামের এই টিকাটি ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের জন্য অনুমোদন পেয়েছে।প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কিউডেঙ্গা একটি লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড টেট্রাভ্যালেন্ট টিকা, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই সুরক্ষা দিতে সক্ষম। টিকাটি দুই ডোজে দেওয়া হবে এবং দুটি ডোজের মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান থাকবে।প্রতিষ্ঠানটির দাবি, আগে ডেঙ্গু হয়েছিল কি না, তা বিবেচনা না করেই এই টিকা নেওয়া যাবে। এছাড়া টিকা দেওয়ার আগে কোনো ধরনের স্ক্রিনিংয়েরও প্রয়োজন হবে না।ভারতে গত দুই দশকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১১ গুণ বেড়েছে। বর্তমানে বিশ্বের মোট ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ভারতে ঘটে। যদিও বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় আরও অনেক বেশি।টিকাটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তাকেদার বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল উন্নয়ন কর্মসূচির তথ্যের ভিত্তিতে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের মোট ১৯টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ডেঙ্গু-প্রবণ ও ডেঙ্গু-অপ্রবণ বিভিন্ন অঞ্চলের ২৮ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন।প্রতিষ্ঠানটির প্রধান তৃতীয় ধাপের টিডেস পরীক্ষায় আটটি ডেঙ্গু-প্রবণ দেশের ২০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী ছিলেন। এতে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১২ মাস পর পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে টিকাটির কার্যকারিতা ছিল ৮০ দশমিক ২ শতাংশ। আর ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে ১৮ মাস পর কার্যকারিতা ছিল ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ।এ ছাড়া সাড়ে চার বছরের অনুসরণমূলক গবেষণায় ডেঙ্গুজনিত হাসপাতালে ভর্তি প্রতিরোধে কার্যকারিতা ৮৪ দশমিক ১ শতাংশ পাওয়া যায়। সাত বছরের পর্যবেক্ষণেও চার ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধেই টিকাটির দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা বজায় থাকার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।ভারতে ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের নিয়ে পরিচালিত পৃথক তৃতীয় ধাপের এক পরীক্ষাতেও টিকাটি শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে নিরাপদ, সহনীয় এবং কার্যকর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে।তাকেদার তথ্য অনুযায়ী, কিউডেঙ্গা ইতোমধ্যে এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের ৪৩টি দেশে অনুমোদন পেয়েছে। এ পর্যন্ত ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি ডোজ সরবরাহ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডেঙ্গুর উচ্চ সংক্রমণ রয়েছে এমন এলাকায় টিকাটি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে এবং এটি ডব্লিউএইচওর প্রাক-যোগ্যতাও (প্রি-কোয়ালিফিকেশন) অর্জন করেছে।বর্তমানে ব্রাজিলের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে কিউডেঙ্গা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতেও সরকারি কর্মসূচির আওতায় টিকাটি ব্যবহার করা হচ্ছে।তাকেদা জানিয়েছে, ভারতে টিকাটির সরবরাহ ও প্রয়োগ নিশ্চিত করতে তারা দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা, জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। সূত্র-দ্য হিন্দু
বিদেশে ডেনিশ কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা ডেনমার্ক দূতাবাসের অন্যতম প্রধান কাজ। কৌশলগত সংলাপ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সরাসরি বিভিন্ন কোম্পানি পরিদর্শন করা, তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎ করা এবং তাদের কাজকর্ম কাছ থেকে দেখা পাশাপাশি কাজের ধরণ, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করাও এই কার্যক্রমের অংশ।তারই ধারাবাহিকতায় আজ ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ঢাকায় অবস্থিত 'ডিএসবি'-এর কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার ধানুশকা গুণবর্ধনে এবং 'ডিএসবি' বাংলাদেশ টিম।পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত পুরো অফিস ঘুরে দেখেন, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং যেসব সহকর্মী বাংলাদেশে 'ডিএবি'-তে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা দিয়ে আসছেন, তাদের বিশেষ স্বীকৃতি জানান—যা বাংলাদেশ ও এখানকার মানুষের প্রতি এই কোম্পানির দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ প্রতিশ্রুতিরই এক উজ্জ্বল নিদর্শন।ডেনমার্কে মাত্র ১০ জন পরিবহনকারীকে (হাউলিয়ার) সাথে নিয়ে যাত্রা শুরু করা 'ডিএসভি' আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ লজিস্টিকস কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে, যা ডেনমার্কের এক অনন্য সাফল্যের গল্প। বর্তমানে বাংলাদেশে এর কার্যক্রম দেশকে বিশ্ববাজারের সাথে যুক্ত করতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ডেনিশ ব্যবসাগুলোর সাথে এই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে 'ট্রেড কাউন্সিল' ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ—উভয় দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করে যাচ্ছে।
চ্যানেল এস-এর জনপ্রিয় অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান 'কে শোনে কার কথা'-এ 'প্রেস কার্ডের অপব্যবহার: আস্থার সংকটে সাংবাদিকতা' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রচারের পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর ধারাবাহিকতায় ফায়ার সার্ভিসকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নামে গুজব ও অপপ্রচারের অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ধারা ২২(২), ২৫(১) ও ২৭-এর আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রাজধানীর মগবাজার মোড়সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে সকালের সংবাদ অনলাইন পোর্টালের কথিত সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিককে গ্রেফতার করে পুলিশ।গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, মামলার ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, চ্যানেল এস-এ প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর ফায়ার সার্ভিসকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের নামে গুজব ও অপপ্রচার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে হাফিজুর রহমান শফিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাফিজুর রহমান শফিক একটি সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত চক্রের অন্যতম সমন্বয়কারী। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্যসংখ্যা প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।সূত্র জানায়, এর আগে চ্যানেল এস-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর চ্যানেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুজিত চক্রবর্তী এবং প্রধান প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমান রুমানকে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় দায়ের করা আরেকটি মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই মামলায় হাফিজুর রহমান শফিকসহ আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।এছাড়া তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়েও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সূত্রের দাবি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত চক্রটি অনিবন্ধিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো, অপপ্রচার চালানো এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগে তদন্তাধীন রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া হাফিজুর রহমান শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবার পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. এমরান খান। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে তিনি নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে এমরান খান বলেন ‘বাংলাদেশের একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হই। আমি আমার ব্যক্তিগত কারণে উক্ত পদ হতে আজ পদত্যাগ করলাম।’পদত্যাগের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার ব্যক্তিগত ল চেম্বারের কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এখন আমি ব্যক্তিগত প্র্যাকটিসে সময় দিতে চাই। এ কারণে পদত্যাগ করেছি।’
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব খবরাখবর প্রচারিত হয়েছে তার প্রেক্ষিতে বিবৃতি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।২১ জুলাই (মঙ্গলবার) প্রদত্ত ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘অতি সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।’এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নিজের বিবৃতি, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতার ভিডিও বক্তব্য মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে। এবিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত পরিবেশনায় হাজির হচ্ছেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। একই অনুষ্ঠানে তাকে দেওয়া হবে বিশেষ সম্মাননা। তবে এবারের আয়োজনটি শুধু সম্মাননা ও সংগীত পরিবেশনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; রুনা লায়লার একক সংগীতানুষ্ঠানের টিকিট বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় দেওয়া হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘রুনা লায়লা’ শীর্ষক এই সম্মাননা ও একক সংগীত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই। রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে অনুষ্ঠানটি। এতে নিজের জনপ্রিয় কয়েকটি গান পরিবেশন করবেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই শিল্পী।বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি জানিয়েছে, অনুষ্ঠানের টিকিটের শুভেচ্ছা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে তিনটি শ্রেণিতে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির টিকিটের দাম ৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণির ৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণির টিকিটের দাম ২ হাজার টাকা। টিকিট বিক্রির অর্থ বন্যার্তদের সহায়তায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হবে।টিকিট সংগ্রহের জন্য আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে অর্থ, হিসাব ও পরিকল্পনা বিভাগের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায়।জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং ডা. জাহেদ উর রহমান (উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা)।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের পদযাত্রা কর্মসূচি অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। পদযাত্রা দুটি পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে এবং তারিখ জানানো হবে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে, আজ বিকেল ৩টায় বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ও সন্ধ্যা ৬টায় ফকিরহাট উপজেলায় এবং আগামীকাল বুধবার বিকেল ৩টায় বাগেরহাট সদরে ও সন্ধ্যা ৬টায় মোংলায় পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার খুলনার চালনা পৌরসভায় এবং সাতক্ষীরা সদরের দুটি পদযাত্রা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় যশোরের নোয়াপাড়া পৌরসভায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় বাঘারপাড়া উপজেলা সদরে পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের পদযাত্রা অবিরাম চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বিকেল ৩টায় এবং সদরে সন্ধ্যা ৬টায় দুটি পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোল ব্যবধানে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে যে মানুষটি পুরো দেশকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন, সেই লিওনেল মেসির চোখ জুড়ে শুধুই নিঃশব্দ হাহাকার। তবে নীরবতা ভেঙে মুখ খুলেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি শেয়ার করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর। আর তার ক্যাপশনে মেসি লেখেন, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং আমার জন্য এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে আমি সব ভালো মুহূর্তগুলোকেও সঙ্গে রাখব... মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সবটুকু উজার করে দিয়ে খেলা সেই ম্যাচগুলো চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে।’‘আর পুরো একটি দেশের ভালোবাসাও সঙ্গে থাকবে যা এই দলের পরিশ্রম ও চেষ্টার সাথে মিলে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরা দলগুলোর কাতারে নিয়ে এসেছে। আজ আমরা কী করেছি তা মূল্যায়ন করা কঠিন, কিন্তু এই দলটি পর পর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল।’৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা ফলাফলের চেয়ে দলগত যাত্রাপথকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। কীভাবে পুরো দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে, একের পর এক ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে—সেই স্মৃতিগুলোকেই হৃদয়ে ধারণ করতে চান তিনি।ভক্তদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তায় মেসি আরও লেখেন, ‘আমরা আরও একবার পুরো দেশকে এক করতে পেরেছি। সবাই মিলে একই অনুভূতির অংশ হতে পেরেছি এবং আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগ করে নিয়েছি।’
বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় টেকসই বিল্ডিং লেবেলিং সিস্টেম’ এবং এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘দেশবোর্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ জুলাই সোমবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই), জাতিসংঘ হ্যাবিট্যাট, ইউএনইপি এবং ইউএনওপিএস-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জার্মান সরকারের ‘বিএমজেড’ তহবিল এতে অর্থায়ন করছে।কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআই-এর মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার।পরবর্তীতে নীতি ও অর্থায়নসংক্রান্ত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল আউয়াল, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ডিপিডিসির ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।আইএফসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আবাসনের চাহিদা সাড়ে ১০ মিলিয়নে পৌঁছাবে। এই বিশাল চাহিদা পরিবেশসম্মত উপায়ে পূরণে ‘এইচবিআরআই-দেশ’ কাঠামোটি ভূমিকা রাখবে। অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা ফেরদৌসী বেগম বলেন, “এটি একটি জাতীয় মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম, যা সরকারের টেকসই নগর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়িত করবে।”কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংক, আইএবি, আইইবি, বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালার ভিত্তিতে এই ফ্রেমওয়ার্কের জাতীয় বাস্তবায়ন গাইডলাইন তৈরি করা হবে; যা দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
বিদেশে ডেনিশ কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা ডেনমার্ক দূতাবাসের অন্যতম প্রধান কাজ। কৌশলগত সংলাপ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সরাসরি বিভিন্ন কোম্পানি পরিদর্শন করা, তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎ করা এবং তাদের কাজকর্ম কাছ থেকে দেখা পাশাপাশি কাজের ধরণ, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করাও এই কার্যক্রমের অংশ।তারই ধারাবাহিকতায় আজ ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার ঢাকায় অবস্থিত 'ডিএসবি'-এর কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার ধানুশকা গুণবর্ধনে এবং 'ডিএসবি' বাংলাদেশ টিম।পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত পুরো অফিস ঘুরে দেখেন, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং যেসব সহকর্মী বাংলাদেশে 'ডিএবি'-তে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেবা দিয়ে আসছেন, তাদের বিশেষ স্বীকৃতি জানান—যা বাংলাদেশ ও এখানকার মানুষের প্রতি এই কোম্পানির দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ প্রতিশ্রুতিরই এক উজ্জ্বল নিদর্শন।ডেনমার্কে মাত্র ১০ জন পরিবহনকারীকে (হাউলিয়ার) সাথে নিয়ে যাত্রা শুরু করা 'ডিএসভি' আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ লজিস্টিকস কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে, যা ডেনমার্কের এক অনন্য সাফল্যের গল্প। বর্তমানে বাংলাদেশে এর কার্যক্রম দেশকে বিশ্ববাজারের সাথে যুক্ত করতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ডেনিশ ব্যবসাগুলোর সাথে এই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে 'ট্রেড কাউন্সিল' ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ—উভয় দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করে যাচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের পদযাত্রা কর্মসূচি অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। পদযাত্রা দুটি পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে এবং তারিখ জানানো হবে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে, আজ বিকেল ৩টায় বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ও সন্ধ্যা ৬টায় ফকিরহাট উপজেলায় এবং আগামীকাল বুধবার বিকেল ৩টায় বাগেরহাট সদরে ও সন্ধ্যা ৬টায় মোংলায় পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার খুলনার চালনা পৌরসভায় এবং সাতক্ষীরা সদরের দুটি পদযাত্রা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৩টায় যশোরের নোয়াপাড়া পৌরসভায় এবং সন্ধ্যা ৬টায় বাঘারপাড়া উপজেলা সদরে পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের পদযাত্রা অবিরাম চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় বিকেল ৩টায় এবং সদরে সন্ধ্যা ৬টায় দুটি পদযাত্রা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের সদস্যরা। আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় শহরের দুর্জয় মোড়ের সিলেট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানা এলাকার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত জহিরুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান (৪৫), একই এলাকার মৃত আবুল কাশেম মিয়াঁর ছেলে শাহ আলম মিয়া (৪১) ও ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানা এলাকার বিলভাদরা গ্রামের আবুল হাশেম মিয়ার ছেলে ওমর ফারক (৪০)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর চন্দন গোপাল সুর বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব থানাধীন দূর্জয়মোড়ের পূর্ব পাশে সিলেট বাসস্ট্যান্ড এলাকাস্থ মেসার্স মা ফল ভান্ডারের সামনে রাস্তার উপর সিলেট হতে ময়মনসিংহ গামী UNITED ময়মনসিংহ -সিলেট-ময়মনসিংহ নামীয় বাস(যার রেজি নম্বর ময়মনসিংহ-ব ১১-০১৫৩)এর ভিতর থেকে মিজান,শাহ আলম ও ওমর ফারুক নামে ৩জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় গ্রেফতারকৃতদের হেফাজতে রাখা ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার সহ জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে গ্রেফতার ৩ জনের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোল ব্যবধানে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে যে মানুষটি পুরো দেশকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন, সেই লিওনেল মেসির চোখ জুড়ে শুধুই নিঃশব্দ হাহাকার। তবে নীরবতা ভেঙে মুখ খুলেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি শেয়ার করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর। আর তার ক্যাপশনে মেসি লেখেন, ‘কষ্টটা অনেক বেশি এবং আমার জন্য এই ক্ষত শুকাতে সময় লাগবে। তবে আমি সব ভালো মুহূর্তগুলোকেও সঙ্গে রাখব... মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সবটুকু উজার করে দিয়ে খেলা সেই ম্যাচগুলো চিরকাল স্মৃতিতে থেকে যাবে।’‘আর পুরো একটি দেশের ভালোবাসাও সঙ্গে থাকবে যা এই দলের পরিশ্রম ও চেষ্টার সাথে মিলে আমাদের আবারও বিশ্বের সেরা দলগুলোর কাতারে নিয়ে এসেছে। আজ আমরা কী করেছি তা মূল্যায়ন করা কঠিন, কিন্তু এই দলটি পর পর দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল।’৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা ফলাফলের চেয়ে দলগত যাত্রাপথকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। কীভাবে পুরো দল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে, একের পর এক ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে—সেই স্মৃতিগুলোকেই হৃদয়ে ধারণ করতে চান তিনি।ভক্তদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বার্তায় মেসি আরও লেখেন, ‘আমরা আরও একবার পুরো দেশকে এক করতে পেরেছি। সবাই মিলে একই অনুভূতির অংশ হতে পেরেছি এবং আর্জেন্টাইন হওয়ার অসীম গর্ব ভাগ করে নিয়েছি।’
ছোটপর্দা ও বিজ্ঞাপন নির্মাণে সাফল্য অর্জন করে ফেলেছেন। এরপর এখন যাত্রা শুরু করলেন বড় পর্দার নির্মাণ। নির্মাতা আদনান আল রাজী কয়েক দিন আগে দিয়েছেন নিজের প্রথম সিনেমার ঘোষণা। তখন সিনেমার নাম কিংবা অভিনয়শিল্পীদের পরিচয় প্রকাশ না করলেও তিনি এখন জানিয়েছেন এটি হবে একটি প্রেমের গল্প। আর সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন সিয়াম আহমেদ।সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নির্মাতা ও সিয়ামের মধ্যে বেশ কিছুদিন আগেই মৌখিক কথাবার্তা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খুলতে রাজি নন আদনান আল রাজীব কিংবা সিয়াম। দুজনই এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছেন।যদিও নায়ক হিসেবে সিয়ামের নাম চূড়ান্ত হয়েছে, সিনেমাটির নায়িকা কে হবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য জানা যায়নি।এ বিষয়ে আদনান আল রাজীবের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।সিয়াম আহমেদকে সর্বশেষ গত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘রাক্ষস’-এ দেখা গেছে। নতুন এই সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর আবারও একটি রোমান্টিক চরিত্রে বড় পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।অন্যদিকে ‘কাছে আসার গল্প’, ‘বিকেল বেলার পাখি’ ও ‘মিডল ক্লাস সেন্টিমেন্ট’-এর মতো আলোচিত নাটক নির্মাণের পর পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা পরিচালনায় অভিষেক হতে যাচ্ছে আদনান আল রাজীবের।
বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা আবারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনায়। গ্রিসে অবকাশযাপনের সময় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা কয়েকটি ছবি ও ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।নিজের ইনস্টাগ্রামে ‘গ্রিস ডায়েরি’ ক্যাপশনে একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন মালাইকা। সেখানে সমুদ্রের নীল জলে স্বল্পবসনা অবস্থায় তাকে দেখা যায়। একটি ছবিতে হাতে ওয়াইনের বোতল নিয়ে সমুদ্রের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তবে নেটিজেনদের নজর কাড়ে তার পাশে একই ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা এক রহস্যময় পুরুষ। ওই ব্যক্তির মুখ স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে তার পরিচয় নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অনেকের ধারণা ওই ব্যক্তি হতে পারেন হীরা ব্যবসায়ী হর্ষ মোহতা। যদিও এ বিষয়ে মালাইকা অরোরা বা হর্ষ মোহতার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এখনো গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।এর আগে অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে মালাইকার সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন এই ছবিগুলো প্রকাশের পর আবারও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।বর্তমানে গ্রিসের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে সময় কাটাচ্ছেন মালাইকা। সেখানে গোলাপি মনোকিনি, বিকিনি এবং সমুদ্রসৈকতে তোলা বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করছেন তিনি। তবে রহস্যময় পুরুষ সঙ্গীকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য সামনে আসেনি।
বলিউড অভিনেতা আমির খানের তৃতীয় বিয়ে ঘিরে ভারতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর কট্টরপন্থী এক হিন্দু ধর্মগুরুর পক্ষ থেকে অভিনেতাকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণার দাবি সামনে এসেছে।ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অযোধ্যার কট্টরপন্থী ধর্মগুরু জগৎগুরু পরমহংস আচার্য এক বক্তব্যে দাবি করেন, যে ব্যক্তি আমির খানকে হত্যা করবে, তাকে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তির আইনি লড়াইয়ের ব্যয়ও বহনের কথাও বলেন তিনি।সম্প্রতি মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে আইনি প্রক্রিয়ায় গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন আমির খান। বিয়ের পর থেকেই সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের একটি অংশ এ নিয়ে সমালোচনা শুরু করে। এর আগে মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী নীতেশ রানে আমিরের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’ প্রসঙ্গ তুলে কটাক্ষ করেছিলেন।পরমহংস আচার্যের অভিযোগ, আমিরের তিন স্ত্রীই হিন্দু পরিবারের সদস্য ছিলেন এবং এটি নিছক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং ‘লাভ জিহাদ’-কে উৎসাহিত করার অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।অন্যদিকে, একই বক্তব্যে অযোধ্যার রামমন্দিরের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পরমহংস বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিশেষ তদন্ত দল (সিট) তদন্ত করছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে আমির খান বা তার টিমের পক্ষ থেকে এই বিতর্কিত বক্তব্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।তবে জানা গেছে গৌরি হিন্দু নন। তিনি খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। সূত্র: সামা টিভি
প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় জুঁটি বেঁধে অভিনয় করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ও ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ দেখা যাবে তাদের। তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম সিনেমাটি নির্মাণ করছেন। এই চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চরকির কোনো কনটেন্টে কামব্যাক করছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের জন্য এটিই চরকির সাথে প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ (এমওএল) প্রজেক্টের ব্যানারে নির্মিতব্য এই সিনেমাটি হতে যাচ্ছে সপ্তম চলচ্চিত্র, যা সহ-প্রযোজনা করছে খ্যাতনামা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ছবিয়াল’।নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং আধুনিক জীবনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবকে এই সিনেমার গল্পে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাছাকাছি সময়ের দুটি সময়ের মানুষের গল্প এটা। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটা প্রতিফলন পাওয়া যাবে ফিল্মে। আমি আশাবাদী যে দর্শকদের মধ্যে একটা উপলব্ধি আমি তৈরি করতে পারব।’সাধারণত পর্দায় আরিফিন শুভকে অ্যাকশন হিরো কিংবা ‘আলফা মেইল’ চরিত্রে দেখে দর্শক অভ্যস্ত। তবে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় আনিস নামের একটি চরিত্রে একদম ভিন্নরূপে হাজির হবেন তিনি। এখানে তাকে দেখা যাবে একজন ‘সিগমা মেইল’ হিসেবে।নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘উনিশ২০-এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’সিনেমার গল্পটি গড়ে উঠেছে বর্তমান যুগের এক মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে রয়েছেন সহজ-সরল ও সৎ যুবক আনিস (শুভ), আর অন্য প্রান্তে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা। এই অনামিকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যার চরিত্রটি সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে আবর্তিত।নতুন এই প্রজেক্ট নিয়ে উচ্ছ্বসিত কেয়া পায়েল বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে খুব ভালো লাগছে, প্রথমত আমার সহশিল্পী আরিফিন শুভ ভাই। দ্বিতীয়ত চরকির সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ, তৃতীয়ত এর নির্মাতা জাহিদ প্রীতম। আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন। ‘চরকির ব্যতিক্রমী প্রজেক্ট ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ মূলত সম্পর্কের নানা রূপ নিয়ে গল্প বলে। এই প্রজেক্ট নিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ প্রজেক্টটের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন লেয়ার তুলে আনা হয়েছে। এই গল্পেও তেমন একটা সম্পর্কের গল্প দর্শকরা দেখতে পারবেন।’গল্পের ভিন্নতার কারণেই এই প্রজেক্টের সাথে সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। সিনেমাটি নিয়ে নিজের ভালো লাগা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ভাবনার ভিন্নতার কারণে দুইজন মানুষের যে দ্বন্দ্ব, খুনসুটি, নিজেদের ভাবনাগুলোকে মেলানোর চেষ্টা– গল্পের এই বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে। সে জন্যই কাজটার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। আর গল্পের মতো করেই আমরা মূল দুই শিল্পীকে কিছুটা ভিন্নভাবে দেখতে পাব। সেটা দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করি।’উল্লেখ্য, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে আরিফিন শুভ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় কনটেন্ট ছিল ২০২৩ সালের ‘উনিশ২০’। অন্যদিকে, নির্মাতা জাহিদ প্রীতম ‘ঘুমপরী’র পর তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র নিয়ে চরকিতে ফিরছেন। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ প্রজেক্টের আওতায় এর আগে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অফ মনোগামী’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘৩৬-২৪-৩৬’ এবং ‘ডিমলাইট’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পেয়েছে।
রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তির আওতায় অভিনয় শিল্পী সংঘের সব সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁরা এক্সিকিউটিভ হেলথ চেক-আপ, কার্ডিয়াক হেলথ চেক-আপসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।চুক্তিতে ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এবং অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষে সভাপতি আজাদ আবুল কালাম যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন।এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু এবং আইনবিষয়ক সম্পাদক সূচনা সিকদারও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ব্রডওয়ে ও টেলিভিশন অঙ্গনের জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আর নেই। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানায়, গত ১০ জুলাই আত্মহত্যা করেন এই অভিনেতা। পরে তার সহ-অভিনেতা রব ম্যাকব্লুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।রব ম্যাকব্লুর লিখেছেন, এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তিনি জশের স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিও প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, জশ গ্রিসেত্তিকে ছাড়া অভিনয়জগত আর আগের মতো থাকবে না। তাকে সবাই গভীরভাবে মিস করবেন।মৃত্যুর আগে নিজের শেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জশ জানান, ব্যক্তিগত কারণে একটি নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আগেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।তার মৃত্যুর পর উৎসব কর্তৃপক্ষও শোক প্রকাশ করে জানায়, জশ গ্রিসেত্তি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক, স্নেহশীল ও নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষ। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের কাছে তিনি ছিলেন খুবই প্রিয়।ব্রডওয়েতে নাইজেল বটম চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান জশ গ্রিসেত্তি। এছাড়া ইট শুডা বিন ইউ, ব্রডওয়ে বাউন্ড, রেন্ট, পিটার অ্যান্ড দ্য স্টারক্যাচার ও এন্টার লাফিং-সহ একাধিক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।টেলিভিশনেও সফল ছিলেন জশ। তিনি দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেজেল, দ্য নাইটস অব প্রসপারিটি, নার্স জ্যাকি এবং দ্য গুড ফাইট-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র ও সংগীতনির্ভর নাটকের পরিচালনাও করেছেন।১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় জন্ম নেওয়া জশ গ্রিসেত্তি ছোটবেলা থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে হলিউড ও ব্রডওয়ের অভিনয় অঙ্গনে।
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) থেকে ২২ ক্যারেট বা ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের বাজারে তেজাবি (খাঁটি) সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা।আগের দামের তুলনায় ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি ১ হাজার ৫৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ৩৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ হাজার ৫০ টাকা বেড়েছে।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস ডটঅর্গের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আউন্সপ্রতি সোনার দাম ৩৭ ডলার বেড়েছে। তবে গত এক মাসের হিসাবে দাম এখনও ১৭২ ডলার কম রয়েছে।বাজেটে পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে সোনার গয়নার মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া হবে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি ভরি সোনার গয়নায় নির্দিষ্ট ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মোট মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট ছিল।অন্যদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ২ হাজার ৮৫৭ টাকা।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দুই দিনের বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ।দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪ ও ২৫ জুলাই ২০২৬ (শুক্র ও শনিবার) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ওয়ারদি আল-দাওয়াসির এলাকায় এ কনস্যুলার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।ক্যাম্পে নিজ উদ্যোগে ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র পূরণ করা আবেদনকারীদের কাছ থেকে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পাসপোর্ট বিতরণ, শ্রমকল্যাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ কার্ড তৈরি, বিশেষ এক্সিট প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন কনস্যুলার ও আইনি সেবা প্রদান করা হবে।এছাড়াও সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবাও দেওয়া হবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে।বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ প্রবাসীদের নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে, সেবা গ্রহণের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রচণ্ড গরমের কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পানি ও ছাতা সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।
‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।
স্মার্টফোন কেনার সময় বেশিরভাগ মানুষ ক্যামেরা, পারফরম্যান্স আর ব্যাটারির দিকেই বেশি নজর দেন। তবে শুধু ভালো ফিচার থাকলেই হয় না, প্রতিদিনের ব্যবহারে ফোনটি কতটা টেকসই, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হঠাৎ বৃষ্টি, অসাবধানতাবশত হাত থেকে ফোন পড়ে যাওয়া বা ধুলাবালির সংস্পর্শে আসা, এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি প্রায় সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকেই হতে হয়। এসব বাস্তব বিষয় মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো, যা প্রতিদিনের ব্যবহারে নিশ্চিত সুরক্ষা এবং নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।ফোনটির অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ ডাস্ট এবং ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স প্রযুক্তি। টেকনোর দাবি, ফোনটি সর্বোচ্চ ছয় মিটার গভীর পানিতে ডুবে গেলেও স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। তাই শুধু বৃষ্টি বা হঠাৎ পানির ছিটাই নয়, বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতেও ফোনটি নিরাপদ থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে এসজিএস ফাইভ-স্টার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স এবং ৩৬০ ডিগ্রি ড্রপ প্রোটেকশন, যা অসাবধানতাবশত হাত থেকে পড়ে গেলেও ফোনকে ভালোভাবে সুরক্ষা দেয়। ফলে যারা নিয়মিত বাইরে থাকেন বা ব্যস্ত জীবনযাপন করেন, তাদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন।টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো তে নিশ্চিত সুরক্ষার পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক ও আকর্ষণীয় ডিজাইন। বড় ডিসপ্লে থাকাতে ফোনটি হাতে ধরে ব্যবহার করতে বেশ আরামদায়ক। এতে রয়েছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ৬.৭৮ ইঞ্চির বড় স্ক্রিন, যা ব্যবহারকে আরও সহজ করে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা বা এক অ্যাপ থেকে আরেক অ্যাপে যাওয়ার সময় সবকিছুই দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ মনে হয়। যারা দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করেন, বিশেষ করে ভিডিও দেখেন বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটান, তারা এই ডিসপ্লের সুবিধা সহজেই অনুভব করতে পারবেন।টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রোর আরেকটি বড় সুবিধা হলো এর দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি। এতে রয়েছে ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা একবার চার্জে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তাই বারবার চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার চিন্তা করতে হয় না। কল করা, ভিডিও দেখা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, ছবি তোলা বা হালকা গেম খেলা, সবই দীর্ঘ সময় ধরে সহজে করা যায়। আর ব্যাটারি কমে গেলেও ৬০ ওয়াট সুপার চার্জিং সুবিধার কারণে খুব অল্প সময়েই ফোনটিকে আবার রিচার্জ করা যায়।টেকনো শুধু দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপই নয়, ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি কাজ করার ক্ষমতার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছে। কোম্পানিটির দাবি, ১,৯০০ বারের বেশি চার্জ দেওয়ার পরও ব্যাটারি তার মূল ক্ষমতার ৮০ শতাংশের বেশি ধরে রাখতে পারে। ফলে ফোনটি শুধু একদিনের ব্যবহারের জন্য নয়, দীর্ঘদিন নিয়মিত ব্যবহারেও ভালো পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম। টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রোতে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসর। এটি ৪জি প্রসেসর হলেও প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কাজ, একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য ভালো পারফরম্যান্স দেয়। ফোনটি ৬জিবি ও ৮জিবি র্যামের দুটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়। এক্সটেন্ডেড র্যাম সুবিধার মাধ্যমে ৬জিবি মডেলে মোট ১৮জিবি পর্যন্ত এবং ৮জিবি মডেলে ২৪জিবি পর্যন্ত র্যাম ব্যবহার করা যায়। এছাড়া দুটি মডেলেই রয়েছে ১২৮জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, যেখানে সহজেই অ্যাপ, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফাইল সংরক্ষণ করা যায়। টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রোতে ছবি তোলার জন্য রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ ক্যামেরা। এটি বিভিন্ন ধরনের আলোতে পরিষ্কার ও প্রাণবন্ত ছবি তুলতে সক্ষম। তাই পোর্ট্রেট, খাবারের ছবি, ভ্রমণের স্মৃতি, পারিবারিক মুহূর্ত কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য ছবি তোলায় ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ফাস্ট মুভিং কোনো বিষয়ের ছবি তুলতেও ফ্ল্যাশস্ন্যাপ ফিচারটি বেশ কার্যকর। এছাড়া সেলফি, ভিডিও কল এবং অনলাইন মিটিংয়ের জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি ক্যামেরা। যারা বেশি দামি ফোন না কিনেও প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য ভালো ও নির্ভরযোগ্য ক্যামেরা চান, তাদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো একটি ভালো পছন্দ হতে পারে।ডিটিএস সাউন্ড সমর্থিত ডুয়াল স্পিকারের কারণে ফোনটিতে গান শোনা, ভিডিও দেখা এবং গেম খেলার সময় পরিষ্কার শব্দ শোনা যায়। এছাড়া অল-সিনারিও নয়েজ ক্যান্সেলেশন সুবিধা থাকায় কল বা অনলাইন মিটিংয়ের সময় আশপাশের শব্দ কম শোনা যায়, ফলে কথা বলা আরও সহজ হয়।অ্যান্ড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে চলা টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রোতে রয়েছে টেকনোর বিভিন্ন এআই সুবিধা। ওয়ান-ট্যাপ সামারাইজেশন, এআই ফ্ল্যাশমেমো, এআই রাইটিং, এআই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই প্রবলেম সলভিং, এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এআই স্মার্ট শিডিউলিং, যা দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তোলে। এই এআই সুবিধাগুলো শুধু নতুন ফিচার যোগ করার জন্য নয়, বরং প্রতিদিনের কাজকে আরও সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পড়াশোনা, অফিসের কাজ, যোগাযোগ, ব্যক্তিগত কাজ গুছিয়ে রাখা এবং কাজের গতি বাড়াতে এসব ফিচার বেশ কাজে আসে।ফোনটিতে ফ্রিলিঙ্ক ২.০ সুবিধা রয়েছে, যা নেটওয়ার্ক দুর্বল হলেও কাছাকাছি থাকা সমর্থিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে সাহায্য করে। এছাড়া টাচ ট্রান্সফার সুবিধার কারণে অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের মধ্যে দ্রুত ও সহজে ফাইল শেয়ার করা যায়।বাংলাদেশে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো ৬জিবি মডেলের দাম ২৬,৯৯৯ টাকা এবং ৮জিবি মডেলের দাম ৩০,৯৯৯ টাকা, ভ্যাট প্রযোজ্য । সব মিলিয়ে, টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো শুধু বড় ব্যাটারি বা বেশি র্যামের একটি স্মার্টফোন নয়। এতে রয়েছে শক্তপোক্ত সুরক্ষা, দ্রুত চার্জিং, বড় ও মসৃণ ডিসপ্লে, ভালো ক্যামেরা, দরকারি এআই ফিচার এবং প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স। তাই যারা দীর্ঘদিন ভালোভাবে ব্যবহার করা যায় এমন একটি স্মার্টফোন খুঁজছেন এবং পারফরম্যান্সের পাশাপাশি টেকসই হওয়াকেও গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো হতে পারে একটি ভালো ও নির্ভরযোগ্য পছন্দ।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’