ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন

সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের গত ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।শুক্রবার (১৮ জুলাই) বর্তমান সরকারের ৫ মাস পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।মাহদী আমিন বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন ও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ১৫০ দিনেই এই সরকার জনগণের কাছে নিরপেক্ষ এবং আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।’সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, ‘নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে সরকার। একইসঙ্গে যেভাবে জাতীয় সনদ স্বাক্ষর হয়েছে, তাও বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার। নির্বাচনি ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় উন্নয়নের গালগল্প অনেক হয়েছে, কিন্তু কোথায় সেই উন্নয়ন? অনেক স্থানে অবনতি হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবনতি ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যোবোধের অবক্ষয়। যতক্ষণ মানসিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের উন্নয়ন না হবে, ততক্ষণ কোনো ক্ষেত্রে উন্নয়ন সম্ভব নয়।’প্রেস সচিব বলেন, ‘কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে দেশের গুণগত পরিবর্তনে নিজেই কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী। যে দলেরই হোক, যে মতের হোক, মতাদর্শ যাই হোক, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। মতের পার্থক্য ব্যালটে হতে পারে, কিন্তু দেশ গড়তে হলে সবাইকে একসঙ্গে চলতে হবে।’প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি।শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়া দলটির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৫ ডিসেম্বর ফিরে আসেন দেশে। ভাইস চেয়ারম্যান থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান হন এবং দুটি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রথমবারের মতো ভোটে লড়ে দুটি আসনেই জয়ী হন তারেক রহমান। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, সেটিও প্রথমবার। গত ৫ মাস তার নেতৃত্বেই চলেছে বাংলাদেশ, চলবে আগামী ৫ বছর।

গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির

গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গণভোট না মানলে এই সরকার অবৈধ হয়ে যায়, এটা সরকারকে বুঝতে হবে। আর গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবো আমরা।’শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।শফিকুর রহমান বলেন, ‘ভাঙ্গার পরই ভাঙা রাস্তা। তাও দুই লেনের। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত এই সড়কের শেষ মাথায়। সেই সড়কেরও বেহাল দশা। ভোলা আজো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, রেললাইন কবে হবে, এ নিয়ে সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য নেই কেন? এই অঞ্চলের মানুষকে এভাবে বঞ্চিত করা যাবে না।’গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য আমরা আজ এই সমাবেশ করছি জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা দুটো দলই গণভোটে হ্যাঁ চেয়েছি। হ্যাঁ জয়ী হয়েছে। এখন তাহলে কেন এত গড়িমসি সরকারের। গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে পদে পদে মিথ্যা আর ধোঁকা দিচ্ছে সরকার। তারা কী ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে না। গণভোট নিয়ে টালবাহানা জনগণ সহ্য করবে না। ফ্যাসিবাদের জায়গা এদেশে আর হবে না। তারা এখন স্বৈরশাসনকে ফিরিয়ে আনতে নতুন কৌশল শুরু করতে চাচ্ছে। গণভোট না মানলে এই সরকারও অবৈধ, জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, আগেই বুঝুন। আমাদের রাজপথে রাখবেন না।’তিনি বলেন, ‘২৪-এর একটি স্লোগান আছে- “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে। এই প্রজন্মের রক্তে আবার আগুন লাগাবেন না। আগামী ২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হবে এবং সেজন্য ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’একই সমাবেশে সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে আমরা বাধ্য হবো বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ দিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম তার বক্তব্যে ভারতের আগ্রাসন এবং মুসলমানদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহর আদেশ ও নবীর শিক্ষা আমরা অনুসরণ করবো, শুভেন্দু ও তার গুন্ডারা যতই লাফালাফি করুক আমরা ধৈর্য ধরবো। হাসিনাসহ শুভেন্দু বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সোজা ফাঁসিতে ঝুলাবো। আওয়ামী লীগ স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছে। আওয়ামী লীগ আর কখনও বাংলাদেশে আসবে না।’

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইটভাটার কারণে সৃষ্ট বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন । এছাড়া রাজধানী ঢাকায় যানবাহনের হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।১৮ জুলাই শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিবেশ দূষণবিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বরোপ করেন।বৈঠকে বায়ু ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে, ইটভাটার কারণে সৃষ্ট বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইট উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ ছাড়া রাজধানীতে আরও অন্তত ৫০টি পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুরও নির্দেশ দেন তিনি।সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

  • বাংলাদেশে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চলার সুযোগ হতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

    বাংলাদেশে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চলার সুযোগ হতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

  • ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসির ফল

    ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসির ফল

  • যেভাবে ধরা পড়লো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি

    যেভাবে ধরা পড়লো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি

  • কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে পালিয়েছে আসামি, বরখাস্ত  ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী

    কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে পালিয়েছে আসামি, বরখাস্ত ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী

  • শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পরীক্ষা করা হচ্ছে: ভারত

    শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পরীক্ষা করা হচ্ছে: ভারত

সব খবর

সব খবর

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা। তিনি মুখে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।’শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশাল কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী গণভোট ও জুলাই সনদের পক্ষে প্রচার চালালেও নির্বাচনের পর ৭০% জনগণের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছেন না।’তিনি বলেন, ‘এখনো হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে।’বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে, তার মানে এই নয় যে যা খুশি তাই করবেন বা জনগণের সঙ্গে ছলনা করবেন।’বিএনপির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, কিন্তু দুঃখের বিষয় ৫ আগস্ট পর থেকে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে। আসল কথা হচ্ছে বিএনপি কখনো গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল না। তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য। তারা গণঅভ্যুত্থানে আমাদের সাথে লড়াই করেছিল ক্ষমতার জন্য, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য।’‘নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়েছে। এখন তারা পরিবর্তনের কথা বলে না। সংস্কারের কথা বলে না। এখন তারা ৩১ দফার কথা বলে না। বরং তারা এখন বলছে তারা না কি, কখনো সংস্কারের কথা বলেনি অথচ তাদের ৩১ দফার প্রথম দফা ছিল সংবিধান সংস্কর কমিটি গঠন করা হবে।’তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংস্কারের নামে কোনো প্রহসন মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং নতুন গণপরিষদ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’বরিশালের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পাঁচ মাসে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি। বরং ছাত্রদল, যুবদল ও কৃষকদলের চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সাধারণ মানুষের জন্য কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি বলেও দাবি করেন।’তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন, সীমান্ত ব্যবস্থার সংস্কার, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নির্মূল, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মতো আবারও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে তাদের যেকোনো বিপদ-আপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।’ শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘শুধু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও গবাদিপশুপালকদের জন্যও সরকার সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যাদের বীজতলা, চারা বা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতির জরিপ করে সহায়তা দেওয়া হবে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, সড়কসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার সবসময় দেশের মানুষের পাশে থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করবে।’সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।কর্সসূচি অনুযায়ী, দুপুরে কক্সবাজার সার্কিট হাউসে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম নেওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন সালাহউদ্দিন আহমদ এবং রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

আতিফ আসলামের কনসার্টের টিকিট নিয়ে প্রতারণা, ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন গ্রেফতার

আতিফ আসলামের কনসার্টের টিকিট নিয়ে প্রতারণা, ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন গ্রেফতার

অনলাইনে কনসার্টের টিকিট বিক্রির নামে প্রতারণামূলক প্রচারণা এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের অভিযোগে Event Sajai ও Main Stage Inc ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন মো. বখতিয়ার আবিদ খান (২১) গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।Event Sajai ও Main Stage Inc আগামী ২৪ জুলাই পূর্বাচলের ৩০০ ফিট ক্রিকেটার্স একাডেমিতে জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের কনসার্টের আয়োজন করে। কনসার্টের টিকিট বিক্রির জন্য আয়োজকরা GetMyTicket.live-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গত ৮ জুলাই থেকে Main Stage Inc-এর ফেসবুক পেজে প্রচারণা শুরু করে। এ সময় আয়োজকদের নজরে আসে, Bangladesh Concert & Event Connects (BCEC) নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে বিভিন্ন আইডি থেকে পূর্বে বাতিল হওয়া একটি কনসার্টের টিকিটের ছবি ব্যবহার করে আসন্ন কনসার্টের টিকিট বিক্রির বিজ্ঞাপন ও পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে।অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে গ্রুপটির অ্যাডমিন Ak Abid Khan-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পোস্ট অপসারণের পরিবর্তে এক লাখ টাকা দাবি করেন। অভিযোগে বলা হয়, টাকা না দিলে তিনি এ ধরনের পোস্ট অনুমোদন অব্যাহত রাখবেন এবং Event Sajai ও Main Stage Inc-এর ব্যবসায়িক ক্ষতি ও সুনামহানির চেষ্টা করবেন বলে হুমকি দেন। এ ঘটনায় কনসার্টের আয়োজক নিশা মাহবুবা সালাম বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা (ডিএমপির পল্টন থানার মামলা নং- ১৩, তারিখ- ১৫/০৭/২০২৬ খ্রি. ধারা- ২১(২)/২২(২)/২৭(২) সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬) দায়ের করেন।মামলার তদন্তভার গ্রহণ করার পর সিআইডি তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে ১৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার মালিবাগের চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. বখতিয়ার আবিদ খান (২১)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি iPhone 11 জব্দ করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ইসরায়েলে হামলা করতে হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

ইসরায়েলে হামলা করতে হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাত তীব্রতর হওয়ার মধ্যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহসহ তাদের সমস্ত আঞ্চলিক প্রক্সি ও মিত্র সংগঠনগুলোকে একটি সর্বাত্মক ও ব্যাপক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইরান। ১৭ জুলাই শুক্রবার টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।লেবাননের প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিদাআ আল ওয়াতান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে তেহরানে অনুষ্ঠিত সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজার পাশে আয়োজিত এক গোপন বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খামেনেই গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছিলেন। ওই বৈঠকে ইরানের নেতৃত্বাধীন ‘অক্ষশক্তি’ বা অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্সের শীর্ষ নেতারা তাদের মিত্রদের স্পষ্ট জানিয়েছেন যে বর্তমান অপেক্ষার পালা শেষ হয়ে আসছে এবং এখন সম্ভাব্য সব ধরনের সামরিক পরিস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়াই তাদের মূল অগ্রাধিকার।গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তিটি ভেঙে যাওয়ার পর সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়েছে। রাতভর চালানো মার্কিন বিমান হামলায় ইরানে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যার জবাবে ইরানের আইআরজিসি জর্ডান ও কাতারে মোতায়েন থাকা মার্কিন যুদ্ধবিমান ও রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অন্য দিকে কুয়েত জানিয়েছে যে ইরানি ড্রোন হামলায় তাদের একটি পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সেনা জখম হয়েছেন।চলমান এই নতুন উত্তেজনায় এখন পর্যন্ত তেল আবিব সরাসরি অংশ নেয়নি এবং তেহরানও সরাসরি ইসরায়েলি ভূখণ্ডে কোনো আঘাত করেনি। তবে ইরানি কর্মকর্তারা হিজবুল্লাহকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে সতর্ক করেছেন যে আগামী দিনের যুদ্ধটি আগের যেকোনো সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক ও বিস্তৃত হবে।আঞ্চলিক প্রক্সিগুলোর সাম্প্রতিক নানা বিপর্যয়ের পর তেহরান এখনো হিজবুল্লাহকেই তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সামরিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছে। হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরায়েলে হামলার মাধ্যমে এই আঞ্চলিক যুদ্ধে যোগ দিয়েছিল এবং বৈরুত ও জেরুজালেমের মধ্যে বিরোধ মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে একটি বাফার জোন তৈরি করেছে এবং ২০২৪ সালের আগের লড়াইয়ে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বকে অনেকটাই ধ্বংস করে দিয়েছিল। এ ছাড়া ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরাও এর আগে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল, যারা এই বৃহত্তর যুদ্ধের অংশ হতে পারে।সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

কুয়েতের হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন থেকে প্রবাসীদের উচ্ছেদের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত প্রবাসীদের জন্য আবাসনসংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা এবং চলাচলের সময় সিভিল আইডি বা বৈধ পরিচয়পত্র সবসময় সাথে রাখার জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে তাদের উচ্ছেদ করা হয়।পরে তাদের জন্য হাসাবিয়া এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করে কুয়েত সরকার। সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্য, পানীয় রাখা হয়েছে। এছাড়া সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (এয়ারকন্ডিশন) সুবিধা রাখা হয়েছে।আশ্রয়কেন্দ্রে সাময়িকভাবে স্থান পাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল।সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তারা ওইসব এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কুয়েতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনকালে দূতাবাসের কাউন্সিলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি আশ্রয়কেন্দ্রে যায় এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন।কুয়েতি কর্মকর্তাদের মতে, অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করে অপসারণের লক্ষ্যে এই অভিযান চলছে। আগামীতে দেশটির অন্যান্য এলাকাতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে।কুয়েত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ কাগজপত্রধারী প্রবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে অবৈধ প্রবাসীদের নির্বাসন কেন্দ্রের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উচ্ছেদে গৃহহীনরা বৈধ কাগজ দেখিয়ে সাময়িকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে পারলেও, সেখানে থাকাকালীন কাজ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বাইরে যেতে পারবেন না।চলমান অভিযানের কারণে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশিদের আবাসনের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে, বাইরে চলাচলের সময় প্রত্যেককে নিজ নিজ কুয়েতি নাগরিক পরিচয়পত্র (সিভিল আইডি) বা অন্য কোনো বৈধ নথিপত্র সবসময় সাথে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মার্কিন হামলায় ইরানের ২০টি গ্রাম খাবার পানি সংকটে

মার্কিন হামলায় ইরানের ২০টি গ্রাম খাবার পানি সংকটে

ইরানের উপকূলীয় জেলা জাস্কের অন্তর্গত বুঞ্জি গ্রামে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় একটি প্রধান লবণাক্ত পানি শোধন প্ল্যান্টের পাম্প সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসতি থাকা ২০টি গ্রামে সুপেয় বা খাবার পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থা নিয়ে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।হরমুজগান ওয়াটার অ্যান্ড ওয়েস্টওয়াটার কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও আবদুলহামিদ হামজেহপুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক আক্রমণকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘অপরাধের ধারাবাহিকতা এবং সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন।তিনি অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে জানান যে এই বর্বরোচিত হামলায় বুঞ্জি শোধন প্ল্যান্টের সমুদ্র থেকে পানি তোলার প্রধান পাম্পিং স্টেশন এবং একটি বড় বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই শোধনাগারটি উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছিল। আকস্মিকভাবে এটি অকেজো হয়ে পড়ায় প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে তীব্র পানির সংকট দেখা দিয়েছে এবং জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প উপায়ে সুপেয় পানি সরবরাহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ওয়াশিংটন এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইরানে হামলা তীব্র হচ্ছে, মোতায়েন ৫০ হাজার মার্কিন সেনা

ইরানে হামলা তীব্র হচ্ছে, মোতায়েন ৫০ হাজার মার্কিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। টানা সপ্তম রাতের মতো উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান পাল্টা ড্রোন হামলা চালিয়েছে।শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে ইরানের সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, অভিযানে নজরদারি কেন্দ্র, সামরিক লজিস্টিক অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রাগার এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।সেন্টকম আরও জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দেশটির বন্দরগুলোকে ঘিরে নৌ অবরোধও কার্যকর করা হচ্ছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।এদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে নতুন হামলার আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় চলাচল থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন চলছে এবং বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, সর্বশেষ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনেও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। এরপর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ।অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, পাল্টা অভিযানে কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে বলা হয়েছে, কুয়েতের ক্যাম্প উদাইরি ও আলী আল সালেম ঘাঁটির গোলাবারুদ ডিপো, সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।এ ছাড়া জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি (আল আজরাক) বিমানঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর জ্বালানি সংরক্ষণাগারে সফল ড্রোন হামলার দাবিও করেছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাবে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।সূত্র: আল-জাজিরা

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে: মঞ্জু

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে: মঞ্জু

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের দাবি হলো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।জুলাই শহীদদের স্মরণে আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে এবি পার্টি আয়োজিত প্রতীকী কফিনমিছিলের শুরুতে এ কথা বলেন মজিবুর রহমান। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জুলাইয়ের শহীদেরা একাত্তরের শহীদদের বাস্তব অনুসারী। তাঁরা অকাতরে জীবন ও রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছেন তাঁরা তাঁদের সার্থক উত্তরসূরি।মজিবুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের স্লোগান ছিল ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা/ দেশটা কারও বাপের না’। যারাই ক্ষমতার মোহে দেশকে নিজের বাপের সম্পত্তি এবং জনগণকে নিজেদের গোলাম ভাবতে শুরু করবে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাই বারবার ফিরে আসবে।জুলাই কী দিয়েছে—এমন প্রশ্ন বারবার আসবে উল্লেখ করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, দল হিসেবে বিএনপি–জামায়াত যা যা চেয়েছিল, সব পেয়েছে। খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন, লাখ লাখ নেতা-কর্মীর মুক্তি, জামায়াত-শিবিরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও রাজনীতির অধিকার ফিরে পাওয়া, নির্বাচনে বিএনপি–জামায়াতের ঐতিহাসিক ভালো ফল।বিএনপি–জামায়াতের কথা উল্লেখ করে মজিবুর রহমান আরও বলেন, একদল ক্ষমতায় এবং আরেক দল প্রধান বিরোধী দলে আছে। যারা জুলাইয়ে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের প্রধান অংশ একটি নতুন রাজনৈতিক দল (এনসিপি) করে সংসদে দ্বিতীয় বড় বিরোধী দল হয়েছে। এখন জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব এই তিন দলের ওপর অর্পিত হয়েছে।এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই শহীদদের রক্তের দাবি হলো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলা। জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং জনগণের অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন।মজিবুর রহমান বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সেই সময় বিএনপি নেতারা বলেছিলেন, সংস্কারের মূল দায়িত্ব সংসদের। এখন সেই দায়িত্ব বাস্তবায়নের সময় এসেছে। পাশাপাশি তিনি পরাজিত রাজনৈতিক শক্তিকে অতীতের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়ে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানান।এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো জুলাই শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। একাত্তরের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, প্রকৃত শহীদদের স্বীকৃতি নিশ্চিত না হলে ইতিহাস বিকৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।প্রতীকী কফিন মিছিলটি রাজধানীর বিজয়নগরের বিজয়-৭১ চত্বর থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল মোড়, নাইটিংগেল মোড়, পল্টন মোড় এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার বিজয়-৭১ চত্বরে এসে শেষ হয়।

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম

ঢাকায় কর্মরত কুমিল্লা জেলার সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ খান (দৈনিক ইনকিলাব) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সালাহ উদ্দিন জসিম (জাগো নিউজ) নির্বাচিত হয়েছেন।শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে উৎসবমুখর পরিবেশে সংগঠনের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকালে সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনে মোট ১৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৩২ জন সংবাদকর্মী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে রাতে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ খান ৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী আ. ন. ম কুদরাত-ই-খোদা পেয়েছেন ৪১ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সালাহ উদ্দিন জসিম। এই পদে অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সায়ীদ আবদুল মালিক ৩৬ ভোট এবং মো. শরীফুল ইসলাম ৩৪ ভোট পেয়েছেন। সহ-সভাপতির দুটি পদে যথাক্রমে সালাম ফারুক (আরটিভি) ৮০ ভোট এবং মোসাম্মাৎ নাসরীন সুলতানা (প্রিয়পাতা) ৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুল হক শ্যামল পেয়েছেন ৫২ ভোট। যুগ্ম-সম্পাদকের দুটি পদে মনির আহমাদ জারিফ (দৈনিক জনকন্ঠ) ৮১ ভোট এবং ফারজানা আফরিন (বাংলাদেশের আলো) ৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অর্থ সম্পাদক পদে ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নিজাম উদ্দিন দরবেশ (দৈনিক মানব কথা), তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল ইসলাম মাসুম পেয়েছেন ২৯ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. শাহ নেওয়াজ বাবলু (চ্যানেল ২৪) ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জহির আলম সিকদার পেয়েছেন ৪০ ভোট। দফতর সম্পাদক পদে ৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আশিকুর রহমান (স্টার নিউজ)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল ইসলাম খান মামুন পেয়েছেন ১৯ ভোট। প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক পদে শাহাদাত হোসেন রাকিব (ঢাকা পোস্ট) এবং ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আহমেদ আজম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে হাবিবুর রহমান বাবু (নাগারক টিভি) ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নুর মোহাম্মদ মিঠু পেয়েছেন ৫৩ ভোট। তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক পদে এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী (দৈনিক একুশে সংবাদ) ৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল হাকিম আবির পেয়েছেন ৫৫ ভোট। শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সম্পাদক পদে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল (দৈনিক যায়যায়দিন) ৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এ কে সালমান পেয়েছেন ৩৬ ভোট। আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ইয়াছিন রানা (এটিএন বাংলা) এবং ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মাহমুদুল হাসান বিপ্লব সিকদার (দৈনিক আমার দেশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাহী সদস্যের পাঁচটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন—দিদারুল আলম দিদার (বাসস), যিনি ১১৭ ভোট পেয়ে প্রথম হন; মোহাম্মদ আবদুল অদুদ (নিউ নেশন), ৭৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়; কমল চৌধুরী (বেস্ট নিউজ) ও মো. আবু তাহের (দৈনিক প্রভাত), উভয়ে ৭৩ ভোট পেয়ে যৌথভাবে তৃতীয় এবং শারমিন সুলতানা রিনা (শিল্পকণ্ঠ), যিনি ৫৭ ভোট পেয়ে পঞ্চম হন। অপর প্রার্থী তাহমিনা আক্তার পান ৫২ ভোট। সংগঠনটির এবারের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ৩ সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. শরীফুল ইসলাম। অন্য দুই কমিশনার হলেন তোফায়েল হোসেন ও এম. এস. দোহা। নির্বাচন কমিশনকে সহয়োগিতা করেন রাসেল সরকার। এর আগে সকালে অনুষ্ঠিত দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এম. মোশাররফ হোসাইন। সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাসসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক গাজিউল হাসান খান, বায়োফার্মা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্ল্যা, সংগঠণের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব ও স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের সহকারি অধ্যাপক ড. ইমরান আনসারী-সহ আরও অনেকে। দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, আরএফএল, বায়োফার্মা ও খন্দকার টি।

দায়বদ্ধতা থেকে কার্যকর প্রভাবের বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬

দায়বদ্ধতা থেকে কার্যকর প্রভাবের বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬

সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন

সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন

জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চলার সুযোগ হতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চলার সুযোগ হতে পারে: চীনা রাষ্ট্রদূত

যেভাবে ধরা পড়লো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি

যেভাবে ধরা পড়লো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনি

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আইসিটি উদ্যোক্তাদের  সরকার  ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আইসিটি উদ্যোক্তাদের সরকার ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলে হামলা করতে হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

ইসরায়েলে হামলা করতে হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

মার্কিন হামলায় ইরানের ২০টি গ্রাম খাবার পানি সংকটে

মার্কিন হামলায় ইরানের ২০টি গ্রাম খাবার পানি সংকটে

ইরানে হামলা তীব্র হচ্ছে, মোতায়েন ৫০ হাজার মার্কিন সেনা

ইরানে হামলা তীব্র হচ্ছে, মোতায়েন ৫০ হাজার মার্কিন সেনা

ইরান ইস্যুতে আরেকটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ ঝুঁকিতে ট্রাম্প

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ইরান ইস্যুতে আরেকটি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ ঝুঁকিতে ট্রাম্প

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পরীক্ষা করা হচ্ছে: ভারত

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ পরীক্ষা করা হচ্ছে: ভারত

গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির

গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গণভোট না মানলে এই সরকার অবৈধ হয়ে যায়, এটা সরকারকে বুঝতে হবে। আর গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশ করবো আমরা।’শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল।শফিকুর রহমান বলেন, ‘ভাঙ্গার পরই ভাঙা রাস্তা। তাও দুই লেনের। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত এই সড়কের শেষ মাথায়। সেই সড়কেরও বেহাল দশা। ভোলা আজো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, রেললাইন কবে হবে, এ নিয়ে সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের বক্তব্য নেই কেন? এই অঞ্চলের মানুষকে এভাবে বঞ্চিত করা যাবে না।’গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য আমরা আজ এই সমাবেশ করছি জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা দুটো দলই গণভোটে হ্যাঁ চেয়েছি। হ্যাঁ জয়ী হয়েছে। এখন তাহলে কেন এত গড়িমসি সরকারের। গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে পদে পদে মিথ্যা আর ধোঁকা দিচ্ছে সরকার। তারা কী ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে না। গণভোট নিয়ে টালবাহানা জনগণ সহ্য করবে না। ফ্যাসিবাদের জায়গা এদেশে আর হবে না। তারা এখন স্বৈরশাসনকে ফিরিয়ে আনতে নতুন কৌশল শুরু করতে চাচ্ছে। গণভোট না মানলে এই সরকারও অবৈধ, জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, আগেই বুঝুন। আমাদের রাজপথে রাখবেন না।’তিনি বলেন, ‘২৪-এর একটি স্লোগান আছে- “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে। এই প্রজন্মের রক্তে আবার আগুন লাগাবেন না। আগামী ২৫ জুলাই সিলেটের সমাবেশের আগেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। তা না হলে ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হবে এবং সেজন্য ১১ দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’একই সমাবেশে সরকার যদি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে গণআন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে আমরা বাধ্য হবো বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ দিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম তার বক্তব্যে ভারতের আগ্রাসন এবং মুসলমানদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘আল্লাহর আদেশ ও নবীর শিক্ষা আমরা অনুসরণ করবো, শুভেন্দু ও তার গুন্ডারা যতই লাফালাফি করুক আমরা ধৈর্য ধরবো। হাসিনাসহ শুভেন্দু বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সোজা ফাঁসিতে ঝুলাবো। আওয়ামী লীগ স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছে। আওয়ামী লীগ আর কখনও বাংলাদেশে আসবে না।’

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে: মঞ্জু

ক্ষমতার মোহে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে জুলাই বারবার ফিরে আসবে: মঞ্জু

আসছে কওমি ধারার ৭ ইসলামী দলের নতুন জোট

আসছে কওমি ধারার ৭ ইসলামী দলের নতুন জোট

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বিএনপি জুলাইয়ের বিপ্লবীদের সঙ্গে গাদ্দারি করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র   নতুন আহ্বায়ক কমিটি

আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি'র নতুন আহ্বায়ক কমিটি

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

ভালুকায় এক্সিলেন্ট সিরামিক্সের নির্মাণাধীন গর্তে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

ভালুকায় এক্সিলেন্ট সিরামিক্সের নির্মাণাধীন গর্তে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

মনপুরায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হামের প্রকোপ, সেবা দিতে হিমশিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

মনপুরায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হামের প্রকোপ, সেবা দিতে হিমশিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন নতুন রোগী আসায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।​মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পুরুষ ওয়ার্ড ও সাধারণ ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ও কোনো বেড খালি নেই। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে কার্যত চালু আছে ৩১ শয্যা হঠাৎ রোগীর চাপ বাড়ায় নিরুপায় হয়ে রোগীরা হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় চাদর বিছিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশই হলো শিশু। তীব্র জ্বর, চোখ লাল হওয়া এবং সারা শরীরে লালচে গুটি বা র‍্যাশ নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মায়েরা তাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসছেন।​হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার মূল ভূখণ্ড ছাড়াও চারপাশের বিভিন্ন দুর্গম চরাঞ্চল যেমন— চর কলাতলী, কাজির চর, ডাল চর থেকে ট্রলারে করে প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ জন নতুন হামের রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। হঠাৎ করে রোগীর এই মহামারি সদৃশ চাপের কারণে জনবল সংকটে থাকা হাসপাতালের স্টাফরা দিনরাত কাজ করেও সেবা দিতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।​হাসপাতালের মেঝেতে সন্তানকে নিয়ে শুয়ে থাকা কাজির চরের এক অভিভাবক জানান, " চর থেকে অনেক কষ্ট করে ট্রলারে করে বাচ্চারে লইয়া আইছি। হাসপাতালে আইসা দেহি কোনো সিট খালি নাই। রোগী এত বেশি যে কোন ভাবে সিটের ব্যবস্থা করতে পারিনাই । বাধ্য হইয়া মেঝেতেই থাহন লাগতাছে।"​মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ( আর এম ও) ডাক্তার আশিকুর রহমান অনিক জানান, আউটডোরে আমরা প্রতিদিন দুই থেকে আড়াইশত রোগী দেখি যার মধ্যে অধিকাংশ রোগী শিশু ঠান্ডা, জ্বর ও হাম উপসর্গ নিয়ে আসে " গড়ে প্রতিদিন ১০/১৫ জন হামের রুগি হাসপাতালে ভর্তী হয়ে সেবা নিচ্ছে এবং তারা সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। তবে মাঝে মধ্যে ২/১ জন রুগিকে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলাতে বা ঢাকায় পাঠাই।আমাদের যে সীমিত জনবল আছে, তা দিয়েই আমরা এই বিপুল পরিমাণ রোগীকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ওষুধের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা চরাঞ্চলগুলোতে বিশেষ নজর দিচ্ছি। ​দুর্গম এই উপকূলীয় অঞ্চলের শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে হাম যেহেতু একটি ছোয়াছেঁ রোগ অভিবাবকদের সচেতন ভিত্তিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন ও টিকাদান ক্যাম্পেইন জোরদার করা এবং হাসপাতালে অস্থায়ী শয্যা ও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

নাগরপুরে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে এমপি রবিউল আওয়াল লাভলুর মতবিনিময়

নাগরপুরে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে এমপি রবিউল আওয়াল লাভলুর মতবিনিময়

এইচএসসি পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল দুই পরীক্ষার্থীর

এইচএসসি পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল দুই পরীক্ষার্থীর

আগুনে সব হারিয়ে তাঁবুতে কাটছিল দিন, অসহায় সেই পরিবারের ঘর তুলে দিচ্ছেন শহীদুল ইসলাম

আগুনে সব হারিয়ে তাঁবুতে কাটছিল দিন, অসহায় সেই পরিবারের ঘর তুলে দিচ্ছেন শহীদুল ইসলাম

রামপালে প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ এর সরাসরি সম্প্রচার

রামপালে প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ এর সরাসরি সম্প্রচার

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : আলমগীর সরকার

মতলব উত্তরে বেগম খালেদা জিয়া গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ছেংগারচর কিংস ইলেভেন চ্যাম্পিয়ন মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই : আলমগীর সরকার

হঠাৎ টর্নেডোর আঘাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

হঠাৎ টর্নেডোর আঘাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

স্পিন ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ

স্পিন ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ

শেষ ওভারে একের পর এক ছক্কার বৃষ্টি আর পরে স্পিনারদের ঘূর্ণিতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়ে আনল টাইগাররা।বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে তারা তুলে নেন ১২০ রান। তানজিদ ৪৪ বলে ৫৮ রান করেন যাতে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কা। সাইফ হাসান ৪৫ বলে ৫৫ রানে থামেন, তার ইনিংস সাজানো ৮টি চার ও এক ছক্কায়।দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর হঠাৎ ছন্দ হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। মাত্র ১৪ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দল। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় মাত্র ৬, পারভেজ হোসেন ইমন ১ ও নুরুল হাসান সোহান ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন।তবে শেষ দিকে এসে ম্যাচের চেহারা পাল্টে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সের বলে টানা চার ছক্কা হাঁকিয়ে ২৮ রান তুলে নেন তিনি। মাত্র ১০ বলে ৪ ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করেন সাইফউদ্দিন। ইয়াসির আলী ১২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে।জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওভারে ১৫ রান তুললেও শেষ বলে প্রথম উইকেট হারায় তারা। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স দ্রুত ফিরে যাওয়ায় ২১ রানেই তিন উইকেট খুইয়ে বসে স্বাগতিকরা।অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১২ বলে ২৮ রান করে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনি ফিরে গেলে জিম্বাবুয়ের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। রিশাদ পরে মিল্টন শুম্বা ও রায়ান বার্লকেও আউট করেন। বার্ল ১৯ বলে ২৯ রান করেন।শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ১৪ বলে ২৫ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ ব্যাটসম্যান ব্লেসিং মুজারাবানিকে বোল্ড করে ম্যাচ শেষ করেন রিশাদ হোসেন। জিম্বাবুয়ে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয়।রিশাদ হোসেন ৩.৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। মেহেদী হাসান ৩ উইকেট নেন ২৪ রানে। এছাড়া নাহিদ রানা, সাইফ হাসান ও সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট শিকার করেন।এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় ফিরেছে। আগামী রোববার একই মাঠে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলাই প্রেরণা

মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলাই প্রেরণা

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

বিশ্বকাপ: গোল্ডেন বুটের তালিকায় শীর্ষে মেসি

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বাংলাদেশকে যে উপহার দিতে চান আর্জেন্টিনা কোচ

বাংলাদেশকে যে উপহার দিতে চান আর্জেন্টিনা কোচ

স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্সের বিদায়

স্পেনের কাছে হেরে ফ্রান্সের বিদায়

অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে, আমিরকে হত্যা করতে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণা

অন্য ধর্মের নারীকে বিয়ে, আমিরকে হত্যা করতে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার ঘোষণা

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় ঝুঁটি বাঁধছেন আরিফিন শুভ-কেয়া পায়েল

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় ঝুঁটি বাঁধছেন আরিফিন শুভ-কেয়া পায়েল

প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় জুঁটি বেঁধে অভিনয় করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ও ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ দেখা যাবে তাদের। তরুণ নির্মাতা জাহিদ প্রীতম সিনেমাটি নির্মাণ করছেন। এই চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চরকির কোনো কনটেন্টে কামব্যাক করছেন আরিফিন শুভ। অন্যদিকে, জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের জন্য এটিই চরকির সাথে প্রথম কাজ। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ (এমওএল) প্রজেক্টের ব্যানারে নির্মিতব্য এই সিনেমাটি হতে যাচ্ছে সপ্তম চলচ্চিত্র, যা সহ-প্রযোজনা করছে খ্যাতনামা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ছবিয়াল’।নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, সমকালীন জীবনের নানা জটিলতা, পারিবারিক সম্পর্কের চিরন্তন বন্ধন এবং আধুনিক জীবনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবকে এই সিনেমার গল্পে এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাছাকাছি সময়ের দুটি সময়ের মানুষের গল্প এটা। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটা প্রতিফলন পাওয়া যাবে ফিল্মে। আমি আশাবাদী যে দর্শকদের মধ্যে একটা উপলব্ধি আমি তৈরি করতে পারব।’সাধারণত পর্দায় আরিফিন শুভকে অ্যাকশন হিরো কিংবা ‘আলফা মেইল’ চরিত্রে দেখে দর্শক অভ্যস্ত। তবে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায় আনিস নামের একটি চরিত্রে একদম ভিন্নরূপে হাজির হবেন তিনি। এখানে তাকে দেখা যাবে একজন ‘সিগমা মেইল’ হিসেবে।নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে আরিফিন শুভ বলেন, ‘উনিশ২০-এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।’সিনেমার গল্পটি গড়ে উঠেছে বর্তমান যুগের এক মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। গল্পের এক প্রান্তে রয়েছেন সহজ-সরল ও সৎ যুবক আনিস (শুভ), আর অন্য প্রান্তে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা। এই অনামিকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যার চরিত্রটি সোশ্যাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে আবর্তিত।নতুন এই প্রজেক্ট নিয়ে উচ্ছ্বসিত কেয়া পায়েল বলেন, ‘বেশ কিছু কারণে খুব ভালো লাগছে, প্রথমত আমার সহশিল্পী আরিফিন শুভ ভাই। দ্বিতীয়ত চরকির সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ, তৃতীয়ত এর নির্মাতা জাহিদ প্রীতম। আমার চরিত্রটা প্রেমে পড়ার মতো। আর আমার অভিনয়ের অনেকগুলো লেয়ার আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয় যে, দর্শক আমাকে অনেকভাবেই দেখেছেন, আবারও একটু ভিন্নভাবে দেখবেন। ‘চরকির ব্যতিক্রমী প্রজেক্ট ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ মূলত সম্পর্কের নানা রূপ নিয়ে গল্প বলে। এই প্রজেক্ট নিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ প্রজেক্টটের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন লেয়ার তুলে আনা হয়েছে। এই গল্পেও তেমন একটা সম্পর্কের গল্প দর্শকরা দেখতে পারবেন।’গল্পের ভিন্নতার কারণেই এই প্রজেক্টের সাথে সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। সিনেমাটি নিয়ে নিজের ভালো লাগা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ভাবনার ভিন্নতার কারণে দুইজন মানুষের যে দ্বন্দ্ব, খুনসুটি, নিজেদের ভাবনাগুলোকে মেলানোর চেষ্টা– গল্পের এই বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে। সে জন্যই কাজটার সঙ্গে যুক্ত হওয়া। আর গল্পের মতো করেই আমরা মূল দুই শিল্পীকে কিছুটা ভিন্নভাবে দেখতে পাব। সেটা দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করি।’উল্লেখ্য, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে আরিফিন শুভ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় কনটেন্ট ছিল ২০২৩ সালের ‘উনিশ২০’। অন্যদিকে, নির্মাতা জাহিদ প্রীতম ‘ঘুমপরী’র পর তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র নিয়ে চরকিতে ফিরছেন। ‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ প্রজেক্টের আওতায় এর আগে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অফ মনোগামী’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘৩৬-২৪-৩৬’ এবং ‘ডিমলাইট’-এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পেয়েছে।

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তির আওতায় অভিনয় শিল্পী সংঘের সব সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁরা এক্সিকিউটিভ হেলথ চেক-আপ, কার্ডিয়াক হেলথ চেক-আপসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।চুক্তিতে ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এবং অভিনয় শিল্পী সংঘের পক্ষে সভাপতি আজাদ আবুল কালাম যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন।এ সময় অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু এবং আইনবিষয়ক সম্পাদক সূচনা সিকদারও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তির আত্নহত্যা

হলিউড অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তির আত্নহত্যা

ব্রডওয়ে ও টেলিভিশন অঙ্গনের জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আর নেই। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানায়, গত ১০ জুলাই আত্মহত্যা করেন এই অভিনেতা। পরে তার সহ-অভিনেতা রব ম্যাকব্লুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।রব ম্যাকব্লুর লিখেছেন, এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তিনি জশের স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিও প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, জশ গ্রিসেত্তিকে ছাড়া অভিনয়জগত আর আগের মতো থাকবে না। তাকে সবাই গভীরভাবে মিস করবেন।মৃত্যুর আগে নিজের শেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জশ জানান, ব্যক্তিগত কারণে একটি নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আগেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।তার মৃত্যুর পর উৎসব কর্তৃপক্ষও শোক প্রকাশ করে জানায়, জশ গ্রিসেত্তি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক, স্নেহশীল ও নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষ। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের কাছে তিনি ছিলেন খুবই প্রিয়।ব্রডওয়েতে নাইজেল বটম চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান জশ গ্রিসেত্তি। এছাড়া ইট শুডা বিন ইউ, ব্রডওয়ে বাউন্ড, রেন্ট, পিটার অ্যান্ড দ্য স্টারক্যাচার ও এন্টার লাফিং-সহ একাধিক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।টেলিভিশনেও সফল ছিলেন জশ। তিনি দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেজেল, দ্য নাইটস অব প্রসপারিটি, নার্স জ্যাকি এবং দ্য গুড ফাইট-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র ও সংগীতনির্ভর নাটকের পরিচালনাও করেছেন।১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় জন্ম নেওয়া জশ গ্রিসেত্তি ছোটবেলা থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে হলিউড ও ব্রডওয়ের অভিনয় অঙ্গনে।

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: পরীমনি

চার বছর আগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার বছর পর প্রথমবারের মতো বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তিনি দাবি করেছেন, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট তাকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার কারণে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন, হারিয়ে যাওয়া সম্মান ও মানসিক শান্তি আদৌ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব কি না।শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন এই অভিনেত্রী।স্ট্যাটাসে র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরীমনি বলেন, সম্প্রতি একটি অনলাইন টক শোতে দেওয়া তার বক্তব্যের মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পেরেছে, বনানীর বাসায় দীর্ঘ অভিযান শেষে তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের নির্দেশে তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।নিজের জীবনের সেই অধ্যায়কে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে পরীমনি লেখেন, ‘আমার জীবনের একটি অধ্যায় আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে, একজন নারী হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। সেই ঘটনার কারণে আমার ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং পেশাগত জীবন—সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’তিনি আরও দাবি করেন, ‘পরবর্তী সময়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে টানা ২৮ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত করেছে, তা আল্লাহ আর আমি ছাড়া পৃথিবীর আর কারও পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়।’পরীমনির ভাষ্য, গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি আজও সেই ঘটনার ভুক্তভোগী হয়ে আছেন। তার ভাষ্য, ‘যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’রাষ্ট্রের উদ্দেশে কয়েকটি প্রশ্নও তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানতে চান, হারিয়ে যাওয়া সময়, সম্মান এবং মানসিক শান্তি কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? তিনি লেখেন, ‘আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে?’তবে অতীতের ঘটনার প্রতিশোধ নয়, বরং সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই তার প্রত্যাশা বলে উল্লেখ করেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে ছোট করতে চাই না, কাউকে অপমানও করতে চাই না। আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন।’স্ট্যাটাসের শেষাংশে কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই।’২০২১ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে র‍্যাব-১-এর কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় বাসা থেকে বিদেশি মদ, চার গ্রাম আইস (ক্রিস্টাল মেথ) এবং একটি এলএসডি ব্লট উদ্ধারের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।এদিকে ২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পরীমনি। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এ সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।অন্যদিকে একই ঘটনার জেরে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ঢাকার আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, ঢাকা বোট ক্লাবে অ্যালকোহল বিনা মূল্যে দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে পরীমনি তাকে গালাগাল করেন এবং গ্লাস ছুড়ে মারেন। মামলাটিও বর্তমানে বিচারাধীন।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, দর্শকদের জন্য থাকছে তারকাখচিত আয়োজনও। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে সুপার বোলের আদলে আয়োজিত হবে বিশেষ হাফটাইম শো। সেখানে এক মঞ্চে পারফর্ম করবেন বিশ্বের জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই বর্ণাঢ্য পরিবেশনায় আরও অংশ নেবেন তাদের মধ্যে অন্যতম নাইজেরিয়ান সংগীতশিল্পী বার্না বয়, বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল, কোল্ডপ্লের অংশগ্রহণে পিএস২২ কোরাস এবং জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান ‘সিসেমি স্ট্রিট’-এর মাপেট চরিত্রগুলো। অনুষ্ঠানটি ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশে আয়োজিত হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে জাস্টিন বিবার বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি আসর, যা পৃথিবীর মানুষকে অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি একত্রিত করে।’স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ‘জাস্টিস’ ওয়ার্ল্ড ট্যুর বাতিলের চার বছর পর চলতি বছরের বসন্তে ক্যালিফোর্নিয়ার কোচেলা উৎসবে মঞ্চে ফিরেছিলেন বিবার। সেখানে তিনি ‘বেবি’, ‘নেভার সে নেভার’, ‘ওয়ান টাইম’ এবং ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিট’-সহ তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করেন। ফিফার এই ঐতিহাসিক হাফ-টাইম শোর কিউরেশন করেছেন কোল্ডপ্লের ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ডের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করা কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান শিল্পী বার্না বয়ও আবারও একসঙ্গে মঞ্চে উঠবেন। তাদের যৌথ গান ‘দাই দাই’ টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সংগীত চার্টে শীর্ষে রয়েছে এবং বিভিন্ন ম্যাচেও ব্যাপকভাবে বাজানো হচ্ছে।এদিকে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই আসরের আয়োজক তিন দেশের দলই এরই মধ্যে বিদায় নিয়েছে।বৃহস্পতিবার বোস্টনে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব আবার শুরু হচ্ছে। শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। শনিবার মিয়ামিতে খেলবে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড, আর একই দিনে কানসাস সিটিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল করে অবস্থান করছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের এরলিং হালান্ড। এছাড়া ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোলসংখ্যা ছয়।

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের প্রতি প্রতারণার অভিযোগ দেশের জনপ্রিয় ও বরেণ্য চিত্রনায়িকা রোজিনার। অভিমানের সুরে তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এ সব কথা জানান তিনি।অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাবো কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারবো না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাবো। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।ৎরোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত

ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসির ফল

২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসির ফল

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আল্টিমেটাম, না হলে ফের ‘লংমার্চ’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আল্টিমেটাম, না হলে ফের ‘লংমার্চ’

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব ৫ উদ্যোগ

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের শিক্ষার্থীবান্ধব ৫ উদ্যোগ

মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি থেকে সরে এলেন শিক্ষার্থীরা, নতুন ৬ দফা

মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি থেকে সরে এলেন শিক্ষার্থীরা, নতুন ৬ দফা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফের জড়ো হয়েছেন রাজধানীর শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ফের জড়ো হয়েছেন রাজধানীর শিক্ষার্থীরা

সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

বিশ্ববাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অব্যাহত পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারের ওপরে উঠেছে।শুক্রবার (১৭ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন আল জাজিরা।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারের ওপরে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দামও বেড়ে প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে আগের দিনের দামের পতন পুরোপুরি কাটিয়ে উঠেছে বাজার।চলতি সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে ব্রেন্ট টানা তৃতীয় সপ্তাহ এবং ডব্লিউটিআই টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে।এদিকে, তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারেও। শুক্রবার সকালে এশিয়ার কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন নিম্নমুখী ছিল। জাপানের প্রধান শেয়ারসূচক নিক্কেই ২২৫ ৩ শতাংশের বেশি কমে দিনের লেনদেন শুরু করেছে।এদিকে, ইরানের হরমোজগান প্রদেশের বান্দার-ই খামির সেতুতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৯ জন আহত হয়েছেন।ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ আরও জানিয়েছে, আহতদের জরুরি সেবা ও চিকিৎসাকর্মীরা চিকিৎসা দিচ্ছেন। হামলার পর এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে হামলায় বেসামরিক নাগরিক নিহতের বিষয়টি স্বীকার করেনি যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া হামলার বিস্তারিত কারণ বা নিহতদের পরিচয়ও এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের

ফ্রি ট্রেড জোনে আমদানি বাণিজ্যের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে অন্যান্য সরকারি সেবা

সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি নির্দেশনা

কুয়েতের হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন থেকে প্রবাসীদের উচ্ছেদের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত প্রবাসীদের জন্য আবাসনসংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা এবং চলাচলের সময় সিভিল আইডি বা বৈধ পরিচয়পত্র সবসময় সাথে রাখার জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে।ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে তাদের উচ্ছেদ করা হয়।পরে তাদের জন্য হাসাবিয়া এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করে কুয়েত সরকার। সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্য, পানীয় রাখা হয়েছে। এছাড়া সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (এয়ারকন্ডিশন) সুবিধা রাখা হয়েছে।আশ্রয়কেন্দ্রে সাময়িকভাবে স্থান পাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল।সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তারা ওইসব এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কুয়েতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনকালে দূতাবাসের কাউন্সিলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি আশ্রয়কেন্দ্রে যায় এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন।কুয়েতি কর্মকর্তাদের মতে, অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করে অপসারণের লক্ষ্যে এই অভিযান চলছে। আগামীতে দেশটির অন্যান্য এলাকাতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে।কুয়েত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ কাগজপত্রধারী প্রবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে অবৈধ প্রবাসীদের নির্বাসন কেন্দ্রের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উচ্ছেদে গৃহহীনরা বৈধ কাগজ দেখিয়ে সাময়িকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে পারলেও, সেখানে থাকাকালীন কাজ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বাইরে যেতে পারবেন না।চলমান অভিযানের কারণে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশিদের আবাসনের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে, বাইরে চলাচলের সময় প্রত্যেককে নিজ নিজ কুয়েতি নাগরিক পরিচয়পত্র (সিভিল আইডি) বা অন্য কোনো বৈধ নথিপত্র সবসময় সাথে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

বসুন্ধরা সিটিতে অপোর নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে অপোর নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো, ঢাকার পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের ১ নম্বর বেজমেন্টের ৪১ ও ৪২ নম্বর দোকানে তাদের নতুন ‘গামা কোম্পানি স্টোর ৩.০ প্রো’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করার মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশের প্রিমিয়াম স্মার্টফোন রিটেইল অভিজ্ঞতায় এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।বৈশ্বিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আকর্ষণীয় পরিবেশে ডিজাইন করা নতুন এই প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটিতে ক্রেতারা অপোর অত্যাধুনিক স্মার্টফোন, আইওটি ডিভাইস, ওয়্যারেবল, অডিও প্রোডাক্ট ও অ্যাক্সেসরিজগুলো সরাসরি দেখে কেনার সুযোগ পাবেন। চলমান ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার উপস্থিতিতে ফুটবল থিমভিত্তিক একটি প্রাণবন্ত ফ্যান এনগেজমেন্ট ইভেন্ট অত্যন্ত সফলভাবে উদযাপন করা হয়েছে।এই জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করতে, আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্রথম ১০০ জন ভাগ্যবান ক্রেতাকে জামাল ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা এক্সক্লুসিভ লিমিটেড এডিশন টি-শার্ট উপহার দেওয়া হয়। পাশাপাশি, অপো স্মার্টফোন কিনে মেগা লটারিতে অংশ নেওয়া ক্রেতারা অপো ওয়াচ, অপো প্যাড এসই, অপো এনকো বাডস ৩ প্রো ও জামাল ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা ফুটবল সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় উপহার জিতে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।দিনটির আরেকটি অন্যতম আকর্ষণ ছিল জামাল ভূঁইয়ার সাথে আয়োজিত একটি এক্সক্লুসিভ ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সেশন। এই সেশনে অপোর ‘মেক ইওর ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট উইথ অপো’ ও ‘শুট অ্যান্ড উইন’ নামক বিশেষ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের সাথে সরাসরি দেখা করার দুর্লভ সুযোগ পান। যেখানে ফ্যানরা প্রিয় তারকার কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেওয়া ও তার সাথে ছবি তোলার পাশাপাশি, ফুটবলের প্রতি তাদের ভালোবাসাকে একসাথে উদযাপন করেন।এই জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন; বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া; অপো হেডকোয়ার্টারের রিটেইল অপারেশন ম্যানেজার কাইল ও সায়েন্স; বাংলাদেশের ঢাকা ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব জিটিএম লিউ বো (জেড); অপো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড স্টোর বিজনেস ডেভেলপমেন্টের হেড অব ডিপার্টমেন্ট ওয়াং হাইনিং (ভিক); ব্র্যান্ড স্টোর অপারেশনসের হেড অব ডিপার্টমেন্ট লিয়া; অপো হেডকোয়ার্টারের মার্কেটিং ডিরেক্টর ক্যাথি ও অপো বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং মো. নাজিমুদ্দৌলা নিলয়। তাদের এই উপস্থিতি বাংলাদেশে অপোর প্রিমিয়াম রিটেইল কার্যক্রমকে আরও অর্থবহ করে তুলে বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুনিশ্চিত করেছে।

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সাথে অপোর অংশীদারিত্ব

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

আধুনিক নগর যাতায়াতের জন্য দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম মনপুরায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হামের প্রকোপ, সেবা দিতে হিমশিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম ভালুকায় এক্সিলেন্ট সিরামিক্সের নির্মাণাধীন গর্তে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার নাগরপুরে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে এমপি রবিউল আওয়াল লাভলুর মতবিনিময় ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত দায়বদ্ধতা থেকে কার্যকর প্রভাবের বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬ সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম মনপুরায় আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হামের প্রকোপ, সেবা দিতে হিমশিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: জামায়াত আমির জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম ভালুকায় এক্সিলেন্ট সিরামিক্সের নির্মাণাধীন গর্তে নেমে ২ শ্রমিকের মৃত্যু দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার নাগরপুরে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে এমপি রবিউল আওয়াল লাভলুর মতবিনিময় ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত দায়বদ্ধতা থেকে কার্যকর প্রভাবের বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৬ সরকারের ৫ মাসে সব মন্ত্রণালয়েই সফলতা এসেছে: মাহদী আমিন