ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ফাঁসের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এ কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।এতে অধিদফতরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।কমিটির অপর দুজন হলেন- সদস্য অধিদফতরের উপবৃত্তি বিভাগের শিক্ষা অফিসার জিয়াউল কবির সুমন ও সদস্যসচিব প্রশাসন-২-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রোখসানা হায়দার। আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল গত ৮ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়। প্রস্তুতকৃত ফলাফল ওয়েবপোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদফতরের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এতে আরও বলা হয়েছে, ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের পূর্বে তা ওয়েবপোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু ৯ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়। অল্প সময়ে সচল থাকায় এ লিংকসমূহ থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল ডাউনলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রমাণিত সত্য, বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য। বাস্তুতন্ত্রের নিরাপদ লালন এবং বিকাশের সঙ্গে মানব সমাজের নিরাপদ বেড়ে ওঠা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং, আজকের এই পরিবেশ মেলা কিংবা বৃক্ষমেলার আয়োজন, এটি কিন্তু বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বলেই আমি মনে করি।৯ জুলাই বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সৃষ্টি থেকে উপকার ভোগ করতে হলে, মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই কিছু দায়িত্ব এবং কর্তব্য রয়েছে। যথানিয়মে সব সৃষ্টির যত্ন এবং পরিচর্যা করা মানব সমাজের দায়িত্ব।তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বেশি কিছু বলার নেই। বৃক্ষরোপণ কিংবা সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি অবগত। আপনার-আমার-আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্যই সবুজায়ন জরুরি। একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে, আসুন আমরা একটি করে গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণীয় করে রাখি। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই এগিয়ে যাক সবুজায়নের জন্য সামাজিক আন্দোলন।তারেক রহমান বলেন, সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারিভাবেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালু এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ডসহ বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও সবুজ বাংলাদেশ গঠন অসম্ভব নয়। বর্তমান সরকার পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে ইচ্ছেমতো গাছ রোপণ করলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। বরং কোন পরিবেশে, কোন প্রকারের মাটিতে, কি ধরনের আবহাওয়ায়, কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা দরকার, এগুলো-পরীক্ষা নিরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেমন ইউক্যালিপটাস কিংবা আকাশমণি প্রজাতির গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে, কিন্তু এ ধরনের গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা উপযোগী সেটি অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে। তিনি বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রজাতির গাছ যেমন ওষুধি, অর্কিড, বাঁশজাতীয়, বনজ, ফলদ, অর্থকরী এবং বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কিনা কিংবা বেড়ে উঠতে পারছে কিনা, সেটি নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। আর যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে যাওয়া, বিদ্যমান গাছগুলোকে কেটে না ফেলে, জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। আমি আশা করি, বনবিভাগ সেটি নিশ্চিত করবে। সরকার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ম্যানগ্রোভ ধ্বংস এবং বন্যপ্রাণী নিধনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত-এটি এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়। বরং এটিই এখন আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ কিংবা দাবদাহ, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, আমাদের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি সর্বোপরি জন জীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এই বাস্তবতায় বর্তমান সরকার পরিবেশকে কোনো আলাদা খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন, জলবায়ু-সহনশীল টেকসই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে যাবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন ও পুনঃখননের যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে, সেটি শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য বছর জুড়ে কৃষি সেচ সুবিধাই নিশ্চিত করবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার ক্ষেত্রেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশের উন্নয়ন শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কিংবা খাল খননের ওপরই নির্ভর করে না। রাজধানীসহ বিশেষ করে সারাদেশের সব নগর বন্দর এবং শহরতলির বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও আমূল পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। একইসঙ্গে জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং রিডিউস-রিইউজ-রিসাইকেল এই থ্রিআরএস নীতিকে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে আনতে হলে এটি শুধুমাত্র নগর প্রশাসন কিংবা পুলিশ দিয়ে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন ছোট বড় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ। প্রতিটি নাগরিকের প্রতি উদাত্ত আহ্বান, অনুগ্রহ করে যেখানে সেখানে বর্জ্য কিংবা উচ্ছিষ্ট ফেলবেন না। ঘরে কিংবা বাইরে সবসময় সব বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। নিজে সুস্থ থাকুন-নিজের পরিবারের জন্যও পরিবেশ সুন্দর রাখুন বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি

যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি

উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনকে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। এরআগে সকালে পদোন্নতির সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়া হলো। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২৪ ও ২৫তম ব্যাচের বাদ পড়া কর্মকর্তাদের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। ২৪তম ব্যাচের প্রায় ১৯০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরবর্তী ধাপে (অতিরিক্ত সচিব) পদোন্নতির বিষয়টিও পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। এরআগে ২৪ ব্যাচের ৮০ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। আর ১৩৮ জন বাকি ছিল। পদোন্নতির জন্য বিবেচনায় নেওয়া হয় ১৯০ জন (প্রশাসনসহ অন্যান্য ক্যাডার)। আর ২৫তম ব্যাচের মোট ১৭০ জনের মধ্যে ৮০ জনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। বাকিদের পরবর্তীতে পদোন্নতি দেওয়া হবে। ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই ৮০ জন উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন এবং তাদের অনেকে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন জেলা প্রশাসক বা ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে দুই ব্যাচে যেসব কর্মকর্তা মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় আছেন তাদের পদোন্নতি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না।

  • হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

  • আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

  • প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

    প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

  • ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০

    ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০

  • সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

    সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

  • বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের পতন

    বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের পতন

সব খবর

সব খবর

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন

সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তাকে ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।গত ২৮ জুন কুমিল্লার ডিসি মু. রেজা হাসানকে সিলেটের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।এরআগে ২১ জুন সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দানবাক্স বসানো এবং মাজারের তিনটি ডেক সীলগালা করে সিসি ক্যামেরা বসানো ইস্যুতে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়।

শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ

শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে আনতে চায় ঢাকা। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক চেষ্টার কোনো ঘাটতি নেই।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বহু অন্যায়-অত্যাচার ও অপরাধের অভিযোগে দণ্ডিত হয়ে বর্তমানে বিদেশে পলাতক। তাই তিনি কী বলছেন বা কী বক্তব্য দিচ্ছেন, সেটি এ ক্ষেত্রে মোটেও প্রাসঙ্গিক নয়।শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ডিসেম্বরে শেষ হতে যাওয়া গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়ে ঢাকা-দিল্লির আলোচনা ইতিবাচক পথে এগোচ্ছে।তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্র সচিব, নিউইয়র্ক ও জেনেভায় নতুন দূত, পাশাপাশি ব্রিটেন ও ভারতে নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে পেশাদারিত্ব প্রাধান্য পাচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদল করা হচ্ছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ নির্ধারণের নীতিমালায় পরিবর্তন এনে নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি ভোটকক্ষে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণে চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ রাখার সুযোগও রাখা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব (নির্বাচন সহায়তা-৩) মো. রশিদ মিয়ার সই করা এক সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।এতে বলা হয়েছে, সাধারণ নির্বাচনে গড়ে প্রতি ২,০০০ (দুই হাজার) ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এতে ভোটকক্ষে আগে যেখানে সাধারণভাবে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকত, নতুন নিয়মে সেটি বাড়িয়ে প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।আরও পড়ুন: মেট্রোরেল স্টেশন থেকে সরানো হলো অবৈধ দোকানপাটএকইভাবে উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও নিয়ম সংশোধন করা হয়েছে। আগে উপনির্বাচনে কোনো একটি পদে ভোটের জন্য ৫০০ জন পুরুষ এবং ৪০০ জন মহিলা ভোটারের বিপরীতে একটি কক্ষ ব্যবহৃত হতো। এখন সাধারণ নির্বাচন বা উপনির্বাচন উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ এবং ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ বরাদ্দ থাকবে।নতুন নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজনে একাধিক গোপন কক্ষ বা মার্কিং প্লেস তৈরি করা যাবে।এছাড়া পূর্বের নিয়ম বহাল রেখে জানানো হয়েছে, প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডের সীমানার ভেতরেই একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে একই ওয়ার্ডে একাধিক ভোটকেন্দ্রও স্থাপন করা যাবে।

সায়েদাবাদ টার্মিনালের শৃঙ্খলা ফেরাতে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

সায়েদাবাদ টার্মিনালের শৃঙ্খলা ফেরাতে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। এ সময়ের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে এ ঘোষণা দেন তিনি।ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে দখলমুক্ত করে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ টার্মিনালে রূপ দেওয়া হবে। আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধ করা হয়েছে। এ সময়ের পর নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি বলেন, টার্মিনালে যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করতে প্রবেশ ও প্রস্থানে দুটি করে মোট চারটি নিয়ন্ত্রণকক্ষের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাস কাউন্টারগুলো সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ভেতরে স্থাপন করতে হবে।তিনি আরও বলেন, টার্মিনাল কোনোভাবেই বাসের ডাম্পিং স্টোরে পরিণত হতে পারে না। শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানামার বাসই টার্মিনালে অবস্থান করবে। এ ছাড়া অন্য কোনো বাস রাখা যাবে না। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করা হবে।আবদুস সালাম বলেন, টার্মিনালের ভেতরের অবৈধ দোকানপাট ও হকার উচ্ছেদ করে পুরো এলাকাকে সুশৃঙ্খল করা হবে। টার্মিনাল পরিচ্ছন্ন না থাকলে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে একটি পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর যাত্রীসেবার কেন্দ্রে পরিণত করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের টার্মিনালকে অবৈধ দখলমুক্ত, যানজটমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেন।এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মানিকনগর প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।মানিকনগর বিশ্বরোড থেকে মানিকনগর পুকুরপাড় পর্যন্ত সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম।

বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটি ও ড্রোন কারখানা: প্রতিমন্ত্রী

বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটি ও ড্রোন কারখানা: প্রতিমন্ত্রী

বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বগুড়ায় বিমানঘাঁটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি ড্রোন কারখানাও বগুড়ায় স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হলেও রাজনৈতিক কারণে এতদিন সেগুলো এমপিওভুক্ত হয়নি। বর্তমানে সেগুলো এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, বগুড়ায় নতুন চারটি ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। নামকরণ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তিনটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, অতীতে বগুড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে বঞ্চিত ছিল। জেলার মানুষের কর্মসংস্থান ও সরকারি পদায়নের সুযোগও সীমিত ছিল। বর্তমান সরকার দেশের সব জেলার সমান উন্নয়নে কাজ করছে এবং সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বগুড়ার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।নিজ পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁর ছেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও পরে ব্যবসায় মনোযোগ দেওয়ার জন্য পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কারণে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি ছিলেন। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতে কেউ দায়িত্ব পেলে তা ইতিবাচকভাবে দেখা উচিত।সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় সব সম্পদের তথ্য নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে সংরক্ষিত রয়েছে। মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর নামে নয়, কোম্পানির নামে বা সন্তানদের নামে বৈধভাবে সম্পদ কেনা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানান তিনি।স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনও প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। তিনি বলেন, বড় বাজেট বাস্তবায়নের পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনও সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ দুটি চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলায় তিনি সবার দোয়া কামনা করেন।

পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা হলেন— র‍্যাব-১৪ এর (ময়মনসিংহ) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকম সংস্থার টেলিকম অফিসার (সহকারী পুলিশ সুপার) মো. মাহমুদুল হাসান এবং জামালপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিতু বিশ্বাস।বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শৃঙ্খলা) কাজী সাইফুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে পুলিশের অন্তত ৮২ জন ক্যাডার কর্মকর্তা পলাতক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বরখাস্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে ৫৭ জনের তালিকা। এর মধ্যে তিনজনকে বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। বাকিদেরও পর্যায়ক্রমে বরখাস্ত করা হবে।

ঘুষসহ ধরা পড়া বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ঘুষসহ ধরা পড়া বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ঘুষ গ্রহণের সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে গ্রেফতার বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালট্যান্ট এইচ এম রাশেদ সরকারকে দুদকের করা মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রাকিব হাসান বেবিচকের সিপিএল লাইসেন্স প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ধাপ ‘এয়ার ল’ পরীক্ষায় ২০১৮ সালে উত্তীর্ণ হন। সিপিএল লাইসেন্স পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ ‘কম্পোজিট’ পরীক্ষার ফি বাবদ ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর চার হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন করেন। রাশেদ সরকার বেবিচকের কুর্মিটোলা, ঢাকার জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর অ্যান্ড কনসালট্যান্ট হিসেবে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর ওই আবেদন বাতিল করেন। রাকিব হাসানকে কম্পোজিট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে তার কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। অনৈতিক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে দাবি করা এক লাখ টাকা ৬ ডিসেম্বর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের বিএফসিতে গিয়ে দিয়ে আসেন রাকিব। দুদকের ফাঁদ টিমের সদস্যরা রাশেদকে চ্যালেঞ্জ করলে রাকিব হাসানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। পরে তাকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করে দুদক।এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের উপপরিচালক জাহিদ কালাম ২০২২ সালের ৬ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামি নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন। আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি ও মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ আদালত সাজা ঘোষণা করেন।দুদকের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে। অর্থদণ্ডের টাকা অভিযোগকারীকে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।রায় ঘোষণার আগে জামিনে থাকা রাশেদ সরকার আদালতে হাজির হন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন

সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তাকে ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।গত ২৮ জুন কুমিল্লার ডিসি মু. রেজা হাসানকে সিলেটের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।এরআগে ২১ জুন সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দানবাক্স বসানো এবং মাজারের তিনটি ডেক সীলগালা করে সিসি ক্যামেরা বসানো ইস্যুতে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর

শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ

শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি

যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি

যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি

সায়েদাবাদ টার্মিনালের শৃঙ্খলা ফেরাতে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

সায়েদাবাদ টার্মিনালের শৃঙ্খলা ফেরাতে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম

পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

পলাতক তিন পুলিশ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

বৃক্ষমেলার আয়োজন একটি নিরাপদ বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

কুয়েত-বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ফের ইরানের হামলা

কুয়েত-বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ফের ইরানের হামলা

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের পতন

বিশ্ববাজারে সোনার দামে ফের পতন

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষোভ নেতানিয়াহুর

তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষোভ নেতানিয়াহুর

ইরাকের নাজাফে খামেনির শোক র‍্যালি, লাখো মানুষের ভিড়

ইরাকের নাজাফে খামেনির শোক র‍্যালি, লাখো মানুষের ভিড়

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

সাভারে এনসিপির জনসভায় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার জড়িতদের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে তিনটার পর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপির জনসভায় হামলার বিষয়ে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, ‘এই ধরনের ঘটনা আমাদের রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়। এই ধরনের সহিংসতা রাজনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আর রাজনীতি ধ্বংস হলে দেশ ও জাতি চরম সংকটের মুখে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। যারা ফ্যাসিস্ট, যারা খুনি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিক্রি করেও ক্ষমতায় থেকেছে এবং যারা জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে বিদেশি প্রভুদের দয়ায় রাজনীতি করেছে। আমি মনে করি এই ঘটনায় কেবল তারাই লাভবান হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ওই অপশক্তির রয়ে যাওয়া উচ্ছিষ্ট অংশ এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় (নিউট্রালাইজ) করা বর্তমানে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে জরুরি। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে বললেন নাহিদ ইসলাম

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে বললেন নাহিদ ইসলাম

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

এক পরিবারের নামে তিন সরকারি ঘর, মোংলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

এক পরিবারের নামে তিন সরকারি ঘর, মোংলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পেল বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট

দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পেল বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট

মহাস্থানে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, পরে ডিএনসির কাছে সোপর্দ

মহাস্থানে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, পরে ডিএনসির কাছে সোপর্দ

বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় ৫ কেজি গাঁজাসহ মরিয়ম (পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি) নামে এক নারীকে স্থানীয় জনতা আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তাদের কাছে সোপর্দ করেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকাবাসী সন্দেহভাজন ওই নারীকে আটক করে তার কাছে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করলে প্রায় ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। পরে বিষয়টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে জানানো হলে ডিএনসির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ আটক নারীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।ডিএনসি সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং আটক নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে তিনি কোনো মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা এবং এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ সম্পৃক্ত আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

কোটালীপাড়ায় ভিমরুলের কামড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু

কোটালীপাড়ায় ভিমরুলের কামড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু

সড়কে ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে অটোরিকশাচালক কিশোরকে হত্যা, আট দিন পর রহস্য উদ্ঘাটন

সড়কে ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে অটোরিকশাচালক কিশোরকে হত্যা, আট দিন পর রহস্য উদ্ঘাটন

চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটি ও ড্রোন কারখানা: প্রতিমন্ত্রী

বগুড়ায় হবে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, বিমানঘাঁটি ও ড্রোন কারখানা: প্রতিমন্ত্রী

কসবাসহ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ

কসবাসহ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৬ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ

চরফ্যাশনে নরমাল ডেলিভারি উৎসাহিত করতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ

চরফ্যাশনে নরমাল ডেলিভারি উৎসাহিত করতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে: মামদানি

বিশ্বকাপে মিশরের বিতর্কিত বিদায়ের রেশ এবার পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ষোলোর নাটকীয় হারের পর রেফারিং নিয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, তখন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন, ‘মিশরের সাথে ডাকাতি করা হয়েছে।’ তার এই মন্তব্য বিশ্বকাপের বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।৭ জুলাই মঙ্গলবার শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পর থেকেই মিশরে ম্যাচ পরিচালনা ও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ভিএআর ব্যবহারের সমালোচনা শুরু হয়। পরে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার কাছেও অভিযোগ জানায়।এর একদিন পর, বুধবার (৯ জুলাই) নিউইয়র্কে ‘নেক্সট স্টপ: বেটার বাসেস, ফাস্টার সার্ভিস’ কর্মসূচি ঘোষণা করতে গিয়ে বিশ্বকাপের সেই বিতর্ক টেনে আনেন মেয়র মামদানি। দ্রুতগতির বাসসেবা চালুর ফলে যাত্রীদের সময় সাশ্রয়ের সুফল তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছয় মাসে আপনার ২৪ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। পরিবারের সঙ্গে সকালের নাশতা করতে পারবেন, সন্তানের খেলায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। আর বন্ধুদের সঙ্গে একমত হতে পারবেন যে, গতকাল মিশরকে ছিনতাই করা হয়েছে। সবকিছুর ঊর্ধ্বে, এটি নিউইয়র্কবাসীর কাছে তাদের মূল্যবান সময় ফিরিয়ে দেবে।’

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপ: নরওয়ের কাছে জোড়া গোলে হেরে বিদায় নিলো ব্রাজিল

বিশ্বকাপ: নরওয়ের কাছে জোড়া গোলে হেরে বিদায় নিলো ব্রাজিল

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন তারা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনে নিজের প্রতি প্রতারণার অভিযোগ দেশের জনপ্রিয় ও বরেণ্য চিত্রনায়িকা রোজিনার। অভিমানের সুরে তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিবেশ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এ সব কথা জানান তিনি।অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাবো কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারবো না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাবো। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তার মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।ৎরোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান আজ জীবনের তৃতীয় ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করছেন তিনি।তবে আলোঝলমলে তারকাদের ভিড় নয়, বরং পরিবারের মানুষ, কাছের বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা নিয়েই শুরু হচ্ছে অভিনেতার জীবনের নতুন অধ্যায়।বলিউডের তারকাখচিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়, বরং পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা জুটি। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) মুম্বাইয়ে আমির খানের নিজ বাসভবনেই অনুষ্ঠিত হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন অতিথি। তাদের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের অল্প কয়েকজন সহকর্মী থাকবেন।অতিথির তালিকা থেকে শুরু করে বিয়ের মধ্যাহ্নভোজের মেনু—সবকিছুই নিজেরা ঠিক করেছেন আমির ও গৌরী। এমনকি অতিথিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের প্রস্তুতিও তারা নিজেরা তদারকি করেছেন।একটি সূত্রের ভাষ্য, ‘এটি কোনো তারকাসুলভ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়। আমির ও গৌরী চেয়েছেন, দিনটি যেন শুধুই পরিবারের মানুষ ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের সঙ্গে কাটে।’বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের দাবি, মেনু তৈরিতে দুজনের ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমির ও গৌরী দুজনই তাদের প্রিয় খাবারগুলো রাখতে বলেছেন। অনুষ্ঠানটি যতটা সম্ভব আন্তরিক ও পারিবারিক আবহে আয়োজনের চেষ্টা করা হয়েছে।বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আমির খানের তিন সন্তান—জুনায়েদ খান, ইরা খান ও আজাদ রাও খান। এ ছাড়া আমন্ত্রণ পেয়েছেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মীদের কয়েকজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর ও রাজকুমার হিরানি। বলিউডের আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে নতুন সিরিজ ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’র প্রচারণায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথমবারের মতো বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন আমির খান। তিনি বলেন, ‘৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। একেবারেই ছোট পরিসরে, নিজের বাড়িতেই আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। দুই পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকবেন। আমরা খুব সীমিত পরিসরে উদ্‌যাপন করতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা সুখে থাকতে পারি এবং জীবনের নতুন পথচলা সুন্দর হয়।’কয়েক মাস ধরেই আমির ও গৌরীর বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ ঘরোয়া আয়োজনে নতুন জীবনের পথে হাঁটছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে আমির খানের পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের। তবে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও কয়েক বছর আগে আবারও তাদের দেখা হয়। পুরোনো বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয়।২০২৫ সালের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। তখনই তিনি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে গৌরীর মধ্যে তিনি এমন এক ধরনের শান্তি ও স্থিরতা খুঁজে পেয়েছেন, যা আগে কখনো অনুভব করেননি।একাধিক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে খুঁজছিলাম, যার সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারব। গৌরীর মধ্যে আমি সেই মানুষটিকেই খুঁজে পেয়েছি।’আরেক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি খুব সৌভাগ্যবান যে গৌরী আমার জীবনে এসেছে। মনে হয়, জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি যেন পূর্ণতা পেয়েছি।’বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা গৌরী স্প্র্যাট পেশায় একজন উদ্যোক্তা ও লাইফস্টাইল–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী। দীর্ঘদিন একটি পরিচিত স্যালন ও বিউটি চেইনের সঙ্গে কাজ করার পর বর্তমানে তিনি আমির খান প্রোডাকশনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। আগের সংসারে তার সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।গৌরী বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছিলেন, যিনি ভদ্র, যত্নশীল ও মানবিক। আমিরকে তিনি কখনো সুপারস্টার হিসেবে দেখেননি, বরং একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ ও সঙ্গী হিসেবে দেখেছেন।এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাদের ছেলে আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও আজও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা। সন্তানের সহ-অভিভাবক হিসেবে একসঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশন জানায়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু হয়।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সম্ভাব্য বিয়ে ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা। বিয়ের দিনক্ষণ কিংবা আয়োজন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অতিথিদের পোশাক।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেইলর সুইফট তার ব্যক্তিগত বিষয় সবসময় গোপন রাখতেই পছন্দ করেন। তাই সম্ভাব্য বিয়ের আয়োজন নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।জল্পনা রয়েছে, নিউইয়র্কের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে শুক্রবার (৩ জুলাই) এই আয়োজন হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রায় এক হাজার ১০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিথিদের পোশাকে থাকবে মার্জিত, পরিচ্ছন্ন ও রোমান্টিক ধাঁচ। অনেকেই বিখ্যাত নকশাকারদের তৈরি পোশাক বেছে নিতে পারেন। গ্রীষ্মকালীন আয়োজন হওয়ায় হালকা রঙ, ঢিলেঢালা পোশাক ও সূক্ষ্ম নকশার পোশাক বেশি দেখা যেতে পারে।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তবে কী বিয়ে করছেন টেইলর ও ট্র্যাভিস? টেইলরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও রয়েছেন অনেক তারকা। তাদের মধ্যে সেলেনা গোমেজ, সুকি ওয়াটারহাউস, সাবরিনা কার্পেন্টার, কারা ডেলিভিনসহ আরও অনেকে আছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকেই নিজেদের স্বতন্ত্র ফ্যাশনধারা বজায় রাখলেও কনের চেয়ে বেশি নজর কাড়ার চেষ্টা করবেন না।বিয়ের পোশাক নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের ধারণা, টেইলর সুইফট নিজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি পোশাক পরতে পারেন। রাজকীয় নকশার করসেট ও ছড়ানো ঘেরের পোশাক তার পছন্দ হতে পারে। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে তিনি আরও হালকা ও আরামদায়ক পোশাকেও দেখা যেতে পারেন।অন্যদিকে, ট্রাভিস কেলসি বরাবরই ব্যতিক্রমী পোশাকের জন্য পরিচিত। তাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর তাকে রঙিন ও আকর্ষণীয় পোশাকে দেখা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।তবে বিয়ের আয়োজন, অতিথি তালিকা কিংবা পোশাক—সবকিছুই এখনো জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।সূত্র: বিবিসি

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আর্টিস্ট ক্লাবের আয়োজনে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি কালচারাল ফাউন্ডেশন (ডিইউসিএফ) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আর্টিস্ট ক্লাব লাউঞ্জে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘সন্ধ্যা প্রদীপ’-এ সংগীত পরিবেশন করে। কূটনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সংগীতপ্রেমী দর্শক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সের-শারলে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব সংগীত দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সংগীত এমন একটি সর্বজনীন ভাষা, যা সংস্কৃতি, জাতি ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আর্টিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুজিত মুস্তাফা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আর্টিস্ট ক্লাব সবসময়ই সৃজনশীল উদ্যোগের পাশে রয়েছে। বিশ্ব সংগীত দিবসে ডিইউসিএফ-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে ডিইউসিএফ-এর শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পরিবেশন করেন একটি প্রাণবন্ত ও ইন্টার‌্যাকটিভ ‘মিউজিক্যাল মেহফিল’। দলীয় ও একক পরিবেশনার মাধ্যমে তারা বাংলা আধুনিক, লোকসংগীত, দেশাত্মবোধক এবং জনপ্রিয় বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। শিল্পীদের পরিবেশনা, দর্শকদের অংশগ্রহণ এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহ পুরো সন্ধ্যাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।অনুষ্ঠান শুরু হয় ব্যতিক্রম ধর্মী পুথি পাঠ এর মাধ্যমে। ডিইউসিএ’কে উপস্থাপন করা হয়। প্রথম গান শুরু হয় একটি কোরাস ‘মোরো ঝনঝার মত’ দিয়ে। পর্যায়ক্রমে জনপ্রিয় আধুনিক গান করেন নির্ঝর চৌধুরী, ইরবতি মন্ডল, আনিকা শারমিলা কৃপা ও ফরহাদ মিল্টন। নজরুল ইসলামের গান করেন নন্দিত শিল্পী নন্দিনী দও ধরা। পল্লী গীতি ও উকিল মুন্সীর গান করেন মাহফুজার রহমান মহব্বত। রবি ঠাকুরের গান করেন নাঈমা ইসলাম নাজ এবং অনুষ্ঠান শেষ হয় আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে সমেবেত সংগীত পরিবেশন মাধ্যমে। সভাপতি সুজিত মোস্তফা ডিইউসিএ’কে তাদের পরিবেশনার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী সন্ধ্যা শিল্পী ও দর্শকদের এক সুরের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমান সময়ে অনেক তরুনেরই ক্রাশ। তার ব্যক্তিগত জীবন তথা প্রেম-বিয়ে নিয়ে ভক্তদের যেন চিন্তার শেষ নেই। সম্প্রতি প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান অকপটে জানালেন এ অভিনেত্রী।এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তটিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি কোনো প্রেমের সম্পর্কে নেই; আর সঠিক মানুষের সন্ধান পেলেই তবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। এর আগে অভিনেতা ইয়াশ রোহানের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বারবার বলেছেন, শুধুমাত্র বন্ধুত্বের সম্পর্কই তাদের। উঠে আসা নানা গুঞ্জনের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, হি ইজ আ ভেরি গুড ফ্রেন্ড অফ মাইন। এইটা আমি আসলে এতবার বলেছি! আর আমার মনে হয় যে, প্রেম যদি থাকত তাহলে জিনিসটা আমি আরও প্রাইভেটলি হ্যান্ডেল করতাম। আসলে এইটা নিয়ে আমি কথা বলার সুযোগই দিতাম না। সো, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, কোনো প্রেম নেই।ভবিষ্যতে বিয়ে করার পরিকল্পনা এবং কেমন জীবনসঙ্গী তার পছন্দ—এমন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, তিনি একজন সঠিক মানুষের অপেক্ষায় আছেন।এ প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা প্রকাশ করে তটিনী বলেন, বিয়ে করব যখন সঠিক মানুষ পাব। যে মানুষ আমাকে প্রপার সম্মান দিবে, আমাকে, আমার... আমার প্রফেশনকে, আমার ফ্যামিলিকে ভালোবাসবে—অবশ্যই। আমার কাছে একটা কথা সবসময় মনে হয়, জীবনে ভালোবাসার মানুষের থেকেও ভালো রাখার মানুষ খুব দরকার; যে আমাকে ভালো রাখতে পারবে। আল্লাহ যদি সঠিক সময়ে সঠিক মানুষ দেয়, তাহলে করব। একটি সম্পর্কে শুধু অন্ধ ভালোবাসা নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান এবং দিনশেষে ভালো রাখার মানসিকতা বেশি জরুরি বলে মনে করেন পর্দার এই সুন্দরী। নিজের সেই জীবনবোধের কথা উল্লেখ করে তটিনী আরও বলেন, ভালোবাসা একটা পয়েন্ট পর্যন্ত তো অবশ্যই দরকার। বাট আমার কাছে মনে হয় মেইন প্রায়োরিটি—আপনাকে ভালো রাখতে পারছে কি না। অনেকে অনেক... আপনি অনেক ভালোবাসলেন, বাট সে আপনাকে প্রপার সম্মান দিল না; দিনশেষে সেখানে তো শান্তি নেই।তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত নাটকগুলো দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। এদিকে সদ্য মুক্তি পাওয়া সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি পরিচালিত এবং খাইরুল বাশারের সঙ্গে জুটি বাঁধা তটিনীর ‘সুতরাং’ নাটকটিও বেশ সাড়া ফেলছে।

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা বন্ধ, বিদেশ সফর স্থগিত

সীমিত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারি ব্যয়ে আরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার।চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা আপাতত বন্ধ থাকবে। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন কেনা যাবে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থায়নে বিদেশ সফর, প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণও স্থগিত করা হয়েছে। তবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার অর্থায়নে প্রশিক্ষণ এবং স্কলারশিপ বা ফেলোশিপের আওতায় উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ বহাল থাকবে। এছাড়া পরিচালন বাজেট থেকে নতুন ভবন নির্মাণ, ভূমি অধিগ্রহণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুদমুক্ত বিশেষ ঋণ সুবিধাও আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পরিপত্রটি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি খাতের করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে।

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।নিহতরা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।জানা গেছে, গত ২১ জুন রোববার সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি। দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ দূতাবাস।শ্রম কল্যাণ উইং জানায়, সোমবার (২৯ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রবাসীদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে কানাইঘাটসহ সিলেটজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে বিমানবন্দর এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন

গ্রাহকদের সবসময় ইনস্টাগ্রামের মূল ফিচারসমূহ কমিউনিটির সাথে যুক্ত রাখার লক্ষ্যে এশিয়ায় প্রথম অপারেটরগুলোর অন্যতম হিসেবে ইনস্টাগ্রামে 'ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড' চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। মেটার সাথে পার্টনারশিপ এবং টেলিনর লিনক্সের সহায়তায় এই সুবিধাটি এনেছে অপারেটরটি। ‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’-এর মাধ্যমে রেগুলার ডেটা ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও সীমিত পরিসরে ইনস্টাগ্রাম ব্রাউজ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এর ফলে নোটিফিকেশন দেখা, ক্যাপশন পড়া, সাধারণ ছবি ও রিলস ব্রাউজ করার মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলো করতে পারবেন গ্রাহকরা, যা তাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে সংযুক্ত থাকতে সহায়তা করবে।'ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড' ব্যবহারের সময় গ্রাহকরা যখন আবার ইনস্টাগ্রামের নিয়মিত ও সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা ফিরে পেতে চাইবেন, তখন তারা অ্যাপ থেকেই সহজে একটি ডেটা প্যাকেজ কিনতে পারবেন। একটি নিয়মিত ডেটা প্যাক সক্রিয় হওয়ার সাথে সাথেই ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ফুল-ফিচার মোডে ফিরে যাবে, ফলে আগের মতো হাই-রেজোলিউশন ছবি, ভিডিও এবং সমস্ত স্ট্যান্ডার্ড কার্যকারিতা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা।গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম বলেন, "গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদা মেটাতে প্রতিনিয়ত আমাদের সেবাসমূহকে যুগোপযোগী করার ব্যাপারে বিশ্বাসী গ্রামীণফোন। বর্তমানে ডিজিটাল জীবনধারা দিন দিন আরও বেশি প্রসার লাভ করছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে সংযুক্ত থাকার গুরুত্বও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে 'ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড' আমাদের গ্রাহকদের ডেটা শেষ হয়ে গেলেও তথ্য জানতে এবং সবার সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করবে। এই উদ্ভাবনটি সবার জন্য একটি নির্বিঘ্ন এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।"

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের  চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের চুক্তি স্বাক্ষর

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

বন্যা মোকাবিলায় ‘ডিজিটাল টুইন’ প্রযুক্তির ওপর জোর: আইইবি সেমিনারে বক্তারা

বন্যা মোকাবিলায় ‘ডিজিটাল টুইন’ প্রযুক্তির ওপর জোর: আইইবি সেমিনারে বক্তারা

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন মহাস্থানে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, পরে ডিএনসির কাছে সোপর্দ এক পরিবারের নামে তিন সরকারি ঘর, মোংলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পেল বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট কোটালীপাড়ায় ভিমরুলের কামড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু সড়কে ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে অটোরিকশাচালক কিশোরকে হত্যা, আট দিন পর রহস্য উদ্ঘাটন শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০ স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি ‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্ত কমিটি গঠন সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন মহাস্থানে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, পরে ডিএনসির কাছে সোপর্দ এক পরিবারের নামে তিন সরকারি ঘর, মোংলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপি সরোয়ার আলমগীর দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পেল বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট কোটালীপাড়ায় ভিমরুলের কামড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু সড়কে ঝাঁকুনিকে কেন্দ্র করে অটোরিকশাচালক কিশোরকে হত্যা, আট দিন পর রহস্য উদ্ঘাটন শেখ হাসিনার বক্তব্য বর্তমানে প্রাসঙ্গিক নয়: শামা ওবায়েদ ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০ স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষ নির্ধারণে নতুন নীতিমালা জারি যুগ্মসচিব পদে ১৭২ জনের পদোন্নতি ‘ইনস্টাগ্রাম বেসিক মোড’ আনলো গ্রামীণফোন চৌদ্দগ্রামে ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক