ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদুল কুবা মহিলা মাদরাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহেতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই ১২-১৩ বছর বয়সী কিশোরী। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এর আগে ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।ফায়ার সার্ভিস ও ক্যাম্প প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় চলা উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।নিহত ৮ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো—রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। উম্মে নেজাতুল ও উম্মে সালমা সহোদর বোন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩ এর বাসিন্দা। অপর দুজন ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা।নিহত বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ক্যাম্প প্রশাসন।হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ফায়ার সার্ভিস এবং ক্যাম্প প্রশাসনের আওতাধীন সিসিসিএম স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় পরিচালিত উদ্ধার অভিযান বিকেল ৫টার দিকে শেষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে এপিবিএন সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পুরো উদ্ধার কার্যক্রম ও দুর্ঘটনা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন বলছে, ওই মাদরাসায় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ছিল। ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কায় অনেকে বেরিয়ে যায়। তবে একেবারেই পাহাড়-লাগোয়া একটি কক্ষে হঠাৎ মাটি এসে পড়ে। ফলে ওই কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে এবং মাটিচাপা পড়ে। যাদের অধিকাংশই মারা গেছে।ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা মৌলভি ইউনুস জানান, মাদরাসা ছুটি হওয়ার সময় বাকি ছিল আর কয়েক মিনিট, এর মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। মাটি ভরাট করে মাদরাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল।এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ভারী বর্ষণের কারণে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী শিশুসহ প্রাণ হারান ৮ জন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গত তিন দিনে কক্সবাজারে ভারী বর্ষণের ফলে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে দেশের কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তরে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সরকার। এ লক্ষ্যে ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা, স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষিযন্ত্রের সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।আজ বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কৃষক নিবন্ধন, কৃষক ডাটাবেজ, ডিজিটাল কৃষিসেবা, মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়ার তথ্য, বাজারদর, কৃষি পরামর্শ, ই-এক্সটেনশন সেবা এবং কৃষিসেবার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি এবং সরকারি সেবা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কৃষিতে রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ড্রোন, জিপিএস, স্যাটেলাইট তথ্য ও বিগ ডেটাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ, সুনির্দিষ্ট সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন পরিকল্পনা আরও কার্যকর ও বিজ্ঞানভিত্তিক হবে।সংসদ নেতা বলেন, তথ্যনির্ভর প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার চালুর মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষকের আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষম, নিরাপদ ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতকে পুনর্বিন্যাস ও বিকশিত করা হবে।প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ‘খামারি অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের কোন এলাকায় কোন সময়ে কোন ফসল ভালো হবে, কী পরিমাণ সার প্রয়োজন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, বায়োফার্টিলাইজার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে জলবায়ু-স্মার্ট ও অভিযোজনক্ষম খাতে রূপান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দেশের কৃষি আরও উৎপাদনশীল, লাভজনক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই খাতে পরিণত হবে, যা জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

আগামী কয়েক দিনে চট্টগ্রামসহ দেশের চার বিভাগের নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে। ফলে সেসব বিভাগ আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।বুধবার (৮ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে প্রায় তিন দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উজানে ভারতের ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে। আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এ বৃষ্টি চলতে পারে আগামী শনিবার পর্যন্ত। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের কয়েকটি নদীর পানি বেড়ে গেছে। বৃষ্টিতে কিছু নদীর পানি আরও বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এসব বিভাগে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় বান্দরবান, কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এবং ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীসমূহ কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। একইসঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের নদীসমূহের কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর এবং কুড়িগ্রামে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান বলেন, যে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তা তিন দিন থাকতে পারে। এর পর থেকে, অর্থাৎ শনিবার থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। এদিকে তিস্তা নদীর পানি আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। একই সঙ্গে সুরমা-কুশিয়ারা, গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, দুধকুমার, ধরলাসহ কয়েকটি নদীর পানিও দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

  • হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

    হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

  • ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

    ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

  • পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

    পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

  • নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় ভোটে লাগাতে চায়

    নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় ভোটে লাগাতে চায়

সব খবর

সব খবর

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫১ জন ডেঙ্গু রোগী। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ জন বরিশালের।বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ৫৭ জন, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাইরে) ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ৪০, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৬ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন ও সিলেট বিভাগে দুজন রয়েছেন।চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ছয় হাজার ৮৭৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫১৮ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ৫৫৭ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জুনে। এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯০৭ জন। চলতি মাসে আক্রান্ত ৪৯৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী আর মৃতদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ মহিলা। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।এর আগে ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং প্রাণ হারান ১ হাজার ৭০৫ জন।

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের

শরীফ ওসমান হাদি প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল জাবের। একইসঙ্গে হাদির ওয়ারিশদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ যাচাই করে প্রতিষ্ঠানটি দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান জাবের।তিনি লিখেছেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তিনি তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি।তিনি লেখেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ‘জনতার আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে গত ছয় মাস ধরে শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাত-পরবর্তী ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালানো হয়। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উৎপাদনশীল কার্যক্রমের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়, যার কিছু এখনো চলমান রয়েছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।জাবের আরও লেখেন, শহীদ ওসমান হাদিকে আল্লাহ যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে এবং তাঁর ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষাপটে সব ধরনের দলিল-দস্তাবেজ বিবেচনা করে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।আব্দুল্লাহ আল জাবের তার প্রতি সমর্থকদের ভালোবাসা ও আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।আর্থিক হিসাব-নিকাশের বিষয়ে তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ‘ঢাকা-৮’ ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার-সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ থাকায় ওই অংশের হিসাব আপাতত প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তার দায়িত্বকালীন সময়ের অন্যান্য সব হিসাব দ্রুততম সময়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।সবশেষে ইনসাফের লড়াই ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের যে স্বপ্ন শহীদ ওসমান হাদি রেখে গেছেন, সেই আদর্শ এগিয়ে নিতে সবার দোয়া কামনা করেন জাবের। ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ঘিরে তার যাত্রা এখানেই শেষ বলেও জানান তিনি।

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে ১৩৭টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে ১৩৭টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে গুজব, অপতথ্য এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালিত ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ, সংবাদমাধ্যমের আদলে পরিচালিত ১৬টি অপতথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট, ৩০০টির বেশি বিভ্রান্তিকর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি এক্স (এক্স) অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৯-এর সংসদ সদস্য ফাহিমা নাসরিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।মন্ত্রী জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ভিডিও ও রিল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকাশিত হয়েছে ৩০৬টি। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচটি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে।মন্ত্রী আরও জানান, সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০টি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন ৭৩৯ জন সাংবাদিক। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্টচেক বিষয়ক ১৪টি প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মন্ত্রী জানান, প্রতিটি প্রশিক্ষণে গুজব মোকাবিলা, ফ্যাক্টচেকিং এবং সাংবাদিকতায় এআই ব্যবহারের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য শিগগিরই একটি ‘ফ্যাক্টচেক ম্যানুয়াল’ প্রকাশ করা হবে। ভবিষ্যতেও এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।তবে প্রশ্নে এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির ঝুঁকি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের কোনও বিশেষ সেল বা দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও মন্ত্রী তার উত্তরে কোনও কিছু উল্লেখ করেননি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদ্রাসা মাটিচাপা পড়েছে। দুর্যোগকালীন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ওই মাদ্রাসায় অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।তিনি জানান, ভারী বৃষ্টির কারণে হঠাৎ পাশের পাহাড় ধসে মাদ্রাসাটি চাপা পড়ে। এতে এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত অবস্থায় ২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঠিক কতজন সেখানে চাপা পড়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হওয়ায় ওই মাদ্রাসায় অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন।কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টায় মোট ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।এর আগে মঙ্গলবার সকালে পাহাড়ধসে কক্সবাজার শহরে একজনের মৃত্যু হয়। সোমবার পাহাড়ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮ জন এবং কক্সবাজার শহর ও পেকুয়ায় একজন করে মোট ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বৃষ্টির পানিতে ডুবে এক রোহিঙ্গাসহ ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

দেশের সব সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তীরের কাছাকাছি সাবধানে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বুধবার (৮ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) এক বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুষ্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।বুলেটিনে আরও বলা হয়, এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। লঘুচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত (পুনঃ ৩ নম্বর) বহাল রাখতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য বেবিচকের ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু

বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য বেবিচকের ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত ও প্রস্থানকারী যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বিনামূল্যে শাটল সার্ভিস চালু করেছে।বুধবার (৮ জুলাই) বিমানবন্দরের ক্যানোপির সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ, পিএসসি, জিডি(পি)।বেবিচক জানায়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে সংস্থাটির অর্থায়নে পরিচালিত এই শাটল সার্ভিস বিমানবন্দর–বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, জসিমউদ্দিন মোড়–বিমানবন্দর রেলস্টেশন এবং কাওলা–বিমানবন্দর রুটে চলাচল করবে।এর মাধ্যমে যাত্রীরা বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলগুলোর মধ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়কভাবে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, নারী, শিশু, শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত যাত্রী এবং ভারী লাগেজ বহনকারীদের জন্য এই সেবা হবে অত্যন্ত কার্যকর।বেবিচকের মতে, এই উদ্যোগ ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভরতা কমাবে, বিমানবন্দর এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার সামগ্রিক মান উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বলেন, দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, চলাচলে স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন যুগোপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যের এই শাটল সার্ভিস।তিনি আরও বলেন, এই সেবা যাত্রীদের সময় সাশ্রয়, নিরাপদ চলাচল এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বেবিচক জানিয়েছে, ‘সম্মানিত যাত্রী সর্বাগ্রে’—এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ভবিষ্যতেও যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানে জনকল্যাণমূলক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন অংশীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এনসিপি নেতা

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এনসিপি নেতা

চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য ফাইয়াজ তাজরিয়ান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে নগরীর মুরাদপুর-লালখান বাজার ফ্লাইওভারের জিইসি অংশে তিনি দুর্ঘটনায় পড়েন।নিহত ফাইয়াজ তাজরিয়ান চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সদস্য ছিলেন।চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর হোসেন মামুন বলেন, রাতে ফ্লাইওভারের ওই অংশে একটি কাভার্ড ভ্যান বিকল হয়ে ছিল। ফাইয়াজ বাইক চালিয়ে লালখান বাজারের দিকে যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ড ভ্যানের পেছনে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়।চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল ছিল। পাশাপাশি ফ্লাইওভারের লাইটও বন্ধ ছিল। ফাইয়াজ মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকটি দেখতে না পেয়ে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে সংঘর্ষে যুবক নিহত

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে সংঘর্ষে যুবক নিহত

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা ও মিশরের বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে সংঘর্ষে মো. শরিফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১১টার দিকে আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ধনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।নিহত শরিফুল ইসলাম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার উত্তর চেরাঙ্গা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি কুমিল্লা নগরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মঠপুস্করনী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট নাজিরা বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শংকর কুমার দাস জানান, মঙ্গলবার রাতে একটি চায়ের দোকানে আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ দেখার সময় দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।তিনি বলেন, ম্যাচে আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করার পর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে পরিচিত স্থানীয় বাবু ও মাইন উদ্দিন মালু নামে দুজন শরিফুল ইসলামের মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা শরিফুলকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং কোনো হত্যা মামলাও দায়ের হয়নি।

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের

শরীফ ওসমান হাদি প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল জাবের। একইসঙ্গে হাদির ওয়ারিশদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজ যাচাই করে প্রতিষ্ঠানটি দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান জাবের।তিনি লিখেছেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শাহাদাতের আগে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে তিনি তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি।তিনি লেখেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ‘জনতার আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে গত ছয় মাস ধরে শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাত-পরবর্তী ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালানো হয়। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন উৎপাদনশীল কার্যক্রমের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়, যার কিছু এখনো চলমান রয়েছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।জাবের আরও লেখেন, শহীদ ওসমান হাদিকে আল্লাহ যে সম্মান দিয়েছেন, সেই সম্মানের স্বার্থে এবং তাঁর ওয়ারিশদের দাবির প্রেক্ষাপটে সব ধরনের দলিল-দস্তাবেজ বিবেচনা করে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার দাবিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।আব্দুল্লাহ আল জাবের তার প্রতি সমর্থকদের ভালোবাসা ও আস্থার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।আর্থিক হিসাব-নিকাশের বিষয়ে তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের পর ‘ঢাকা-৮’ ও ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার-সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ থাকায় ওই অংশের হিসাব আপাতত প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে তার দায়িত্বকালীন সময়ের অন্যান্য সব হিসাব দ্রুততম সময়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।সবশেষে ইনসাফের লড়াই ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের যে স্বপ্ন শহীদ ওসমান হাদি রেখে গেছেন, সেই আদর্শ এগিয়ে নিতে সবার দোয়া কামনা করেন জাবের। ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারকে ঘিরে তার যাত্রা এখানেই শেষ বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে ১৩৭টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে ১৩৭টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য বেবিচকের ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু

বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য বেবিচকের ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু

পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় ভোটে লাগাতে চায়

নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় ভোটে লাগাতে চায়

সংসদ পরিদর্শনে শিক্ষার্থীরা, বিরতিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

সংসদ পরিদর্শনে শিক্ষার্থীরা, বিরতিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও লাভজনক করতে একগুচ্ছ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সন্তুষ্ট ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: দ্য ডেল্টাগ্রামের জরিপ

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গুলশান লেকের পরিবেশ রক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর ও শেষ হয়ে গেছে: ট্রাম্প

তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষোভ নেতানিয়াহুর

তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষোভ নেতানিয়াহুর

ইরাকের নাজাফে খামেনির শোক র‍্যালি, লাখো মানুষের ভিড়

ইরাকের নাজাফে খামেনির শোক র‍্যালি, লাখো মানুষের ভিড়

মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে ৮৫ স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে ৮৫ স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন

সাভারে এনসিপির জনসভায় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার জড়িতদের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে তিনটার পর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপির জনসভায় হামলার বিষয়ে ইশরাক হোসেন লিখেছেন, ‘এই ধরনের ঘটনা আমাদের রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়। এই ধরনের সহিংসতা রাজনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আর রাজনীতি ধ্বংস হলে দেশ ও জাতি চরম সংকটের মুখে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না। যারা ফ্যাসিস্ট, যারা খুনি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিক্রি করেও ক্ষমতায় থেকেছে এবং যারা জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে বিদেশি প্রভুদের দয়ায় রাজনীতি করেছে। আমি মনে করি এই ঘটনায় কেবল তারাই লাভবান হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ওই অপশক্তির রয়ে যাওয়া উচ্ছিষ্ট অংশ এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় (নিউট্রালাইজ) করা বর্তমানে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে জরুরি। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

সাভারে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে বিস্ফোরণ

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

জামায়াতের ছায়া মন্ত্রিসভা প্রস্তুত, ঘোষণা যে কোনো সময়: বিরোধীদলীয় নেতা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে বললেন জামায়াত আমির

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে বললেন নাহিদ ইসলাম

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে বললেন নাহিদ ইসলাম

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

নিরাপদ দেশ গড়তে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি অপরিহার্য: ড. খন্দকার মারুফ

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী

বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী

রায়পুরায় টানা বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

রায়পুরায় টানা বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদুল কুবা মহিলা মাদরাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহেতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের সবাই ১২-১৩ বছর বয়সী কিশোরী। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এর আগে ঘটনার পরপর তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।ফায়ার সার্ভিস ও ক্যাম্প প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় চলা উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।নিহত ৮ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলো—রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। উম্মে নেজাতুল ও উম্মে সালমা সহোদর বোন, তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩ এর বাসিন্দা। অপর দুজন ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা।নিহত বাকি চারজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ক্যাম্প প্রশাসন।হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ফায়ার সার্ভিস এবং ক্যাম্প প্রশাসনের আওতাধীন সিসিসিএম স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় পরিচালিত উদ্ধার অভিযান বিকেল ৫টার দিকে শেষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে এপিবিএন সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পুরো উদ্ধার কার্যক্রম ও দুর্ঘটনা-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে।স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন বলছে, ওই মাদরাসায় অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী ছিল। ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড় ধসের আশঙ্কায় অনেকে বেরিয়ে যায়। তবে একেবারেই পাহাড়-লাগোয়া একটি কক্ষে হঠাৎ মাটি এসে পড়ে। ফলে ওই কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে এবং মাটিচাপা পড়ে। যাদের অধিকাংশই মারা গেছে।ক্যাম্প-৫ এর বাসিন্দা মৌলভি ইউনুস জানান, মাদরাসা ছুটি হওয়ার সময় বাকি ছিল আর কয়েক মিনিট, এর মধ্যেই দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। মাটি ভরাট করে মাদরাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল।এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ভারী বর্ষণের কারণে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী শিশুসহ প্রাণ হারান ৮ জন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গত তিন দিনে কক্সবাজারে ভারী বর্ষণের ফলে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে বগুড়ার সাতমাথা জলমগ্ন, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে বগুড়ার সাতমাথা জলমগ্ন, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

মতলব উত্তরে নকলের দায়ে ৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি

মতলব উত্তরে নকলের দায়ে ৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি

জামালগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

জামালগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

ভৈরবে অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

ভৈরবে অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

কাশিমপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার

কাশিমপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার

ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে নাগরপুরে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং

ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে নাগরপুরে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

প্রত্যাবর্তনের গল্পে আর্জেন্টিনার রুপকথার জয়

কোটি আর্জেন্টাইন ভক্ত তো বটেই, ফুটবল বিধাতাও হয়তো লিওনেল মেসির এমন বেদনাবিধুর বিদায় চাননি।তা না হলে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা যে আর্জেন্টিনা বিদায়ের প্রহর গুনছিল তারায় এমন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন রচনা করে কিভাবে।খাদের কিনারে থেকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সেটির রূপকথার গল্প থেকে কোন অংশে কম নয়।পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোলে সমতা ফেরার পর অতিরিক্ত সময়ে মিশরের হৃদয় ভেঙে জয়সূচক গোল।আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার শেষ ষোলোর শ্বাসরুদ্ধরকর ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা।ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিল আর্জেন্টিনা। প্রথম পাঁচ মিনিটে পজিশনের ভুলে দুইবার বল হারায় দলটি। এরপর ১৪ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় মিশর। ফ্রি কিক থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোলটি করেন ইয়াসির ইব্রাহিম।পাঁচ মিনিট পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। বক্সে ফাউলের শিকার হন নিকলাস তালিয়াফিকো। স্পট কিক নেন মেসি নিজেই। কিন্তু মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ শোবেইর দারুণভাবে সেই শট ঠেকিয়ে দেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল মেসির টানা দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস।এরপরও একাধিক সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান শোবেইর। ম্যাক আলিস্টারের কাছের শট থেকে দুর্দান্ত এক সেভ করেন তিনি। এরপর আলভারেজের শটও ঠেকিয়ে দেন। মেসির একটি ফ্রি কিক গিয়ে লাগে বারপোস্টে। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলে মিশরের এগিয়ে থাকা অবস্থায়।দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট দেখায় মিশর। ৫৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মুস্তাফা জিকো। তবে কিছুক্ষণ পরই ভিএআর যাচাইয়ের পর সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। বিল্ড আপের সময় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করার কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।তবে বাতিল হওয়া গোলের পরও থেমে থাকেননি জিকো। ৬৭ মিনিটে ট্রানজিশন থেকে আবারও গোল করেন তিনি। এতে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। মনে হচ্ছিল, বিদায়ের দুয়ারে চলে গেছে দলটি।তবে ম্যাচের শেষ দিকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এই শটেও হাত ছুঁয়েছিলেন শোবেইর, তবে বল ঠেকাতে পারেননি তিনি। এই গোলে ফের ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা।এরপর ৮৩ মিনিটের মাথায় আসে মেসির অবিশ্বাস্য এক গোল। বক্সের ভেতর জটলার মধ্যে থেকে নেওয়া তার শট প্রথমে শোবেইরের হাতে লাগে। এরপর বল গিয়ে জড়ায় জালে। সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা।এরপর যোগ করা সময়ে আসে জয়সূচক গোল। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং সেই ব্যবধান ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করে দলটি। এই জয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

কলম্বিয়াকে হারিয়ে ৭২ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

৯৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ছুঁলেন মেসি

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

১৪১ রান করেও বাংলাদেশকে ২৫ রানে হারাল জিম্বাবুয়ে

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপ: নরওয়ের কাছে জোড়া গোলে হেরে বিদায় নিলো ব্রাজিল

বিশ্বকাপ: নরওয়ের কাছে জোড়া গোলে হেরে বিদায় নিলো ব্রাজিল

বিশ্বকাপ: প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

বিশ্বকাপ: প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না: রোজিনা

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

ফের বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান আজ জীবনের তৃতীয় ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করছেন তিনি।তবে আলোঝলমলে তারকাদের ভিড় নয়, বরং পরিবারের মানুষ, কাছের বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসা নিয়েই শুরু হচ্ছে অভিনেতার জীবনের নতুন অধ্যায়।বলিউডের তারকাখচিত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়, বরং পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে নতুন জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা জুটি। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) মুম্বাইয়ে আমির খানের নিজ বাসভবনেই অনুষ্ঠিত হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন অতিথি। তাদের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনের অল্প কয়েকজন সহকর্মী থাকবেন।অতিথির তালিকা থেকে শুরু করে বিয়ের মধ্যাহ্নভোজের মেনু—সবকিছুই নিজেরা ঠিক করেছেন আমির ও গৌরী। এমনকি অতিথিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের প্রস্তুতিও তারা নিজেরা তদারকি করেছেন।একটি সূত্রের ভাষ্য, ‘এটি কোনো তারকাসুলভ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়। আমির ও গৌরী চেয়েছেন, দিনটি যেন শুধুই পরিবারের মানুষ ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের সঙ্গে কাটে।’বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের দাবি, মেনু তৈরিতে দুজনের ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমির ও গৌরী দুজনই তাদের প্রিয় খাবারগুলো রাখতে বলেছেন। অনুষ্ঠানটি যতটা সম্ভব আন্তরিক ও পারিবারিক আবহে আয়োজনের চেষ্টা করা হয়েছে।বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আমির খানের তিন সন্তান—জুনায়েদ খান, ইরা খান ও আজাদ রাও খান। এ ছাড়া আমন্ত্রণ পেয়েছেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মীদের কয়েকজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর ও রাজকুমার হিরানি। বলিউডের আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে নতুন সিরিজ ‘প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো’র প্রচারণায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথমবারের মতো বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন আমির খান। তিনি বলেন, ‘৫ জুলাই আমাদের বিয়ে। একেবারেই ছোট পরিসরে, নিজের বাড়িতেই আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি আমাদের জন্য খুবই বিশেষ। দুই পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকবেন। আমরা খুব সীমিত পরিসরে উদ্‌যাপন করতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা সুখে থাকতে পারি এবং জীবনের নতুন পথচলা সুন্দর হয়।’কয়েক মাস ধরেই আমির ও গৌরীর বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ ঘরোয়া আয়োজনে নতুন জীবনের পথে হাঁটছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে আমির খানের পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের। তবে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও কয়েক বছর আগে আবারও তাদের দেখা হয়। পুরোনো বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় রূপ নেয়।২০২৫ সালের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন আমির। তখনই তিনি জানান, জীবনের এই পর্যায়ে এসে গৌরীর মধ্যে তিনি এমন এক ধরনের শান্তি ও স্থিরতা খুঁজে পেয়েছেন, যা আগে কখনো অনুভব করেননি।একাধিক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে খুঁজছিলাম, যার সঙ্গে শান্তিতে থাকতে পারব। গৌরীর মধ্যে আমি সেই মানুষটিকেই খুঁজে পেয়েছি।’আরেক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি খুব সৌভাগ্যবান যে গৌরী আমার জীবনে এসেছে। মনে হয়, জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি যেন পূর্ণতা পেয়েছি।’বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা গৌরী স্প্র্যাট পেশায় একজন উদ্যোক্তা ও লাইফস্টাইল–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী। দীর্ঘদিন একটি পরিচিত স্যালন ও বিউটি চেইনের সঙ্গে কাজ করার পর বর্তমানে তিনি আমির খান প্রোডাকশনের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। আগের সংসারে তার সাত বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।গৌরী বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছিলেন, যিনি ভদ্র, যত্নশীল ও মানবিক। আমিরকে তিনি কখনো সুপারস্টার হিসেবে দেখেননি, বরং একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ ও সঙ্গী হিসেবে দেখেছেন।এটি হবে আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান—জুনায়েদ খান ও ইরা খান। ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়।পরে ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাদের ছেলে আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও আজও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা। সন্তানের সহ-অভিভাবক হিসেবে একসঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা শানু। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশন জানায়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনা শুরু হয়।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পান ১৭৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

টেইলর সুইফটের বিয়ে: কী পোশাক পরবেন অতিথিরা?

বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট ও মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সম্ভাব্য বিয়ে ঘিরে চলছে তুমুল আলোচনা। বিয়ের দিনক্ষণ কিংবা আয়োজন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অতিথিদের পোশাক।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেইলর সুইফট তার ব্যক্তিগত বিষয় সবসময় গোপন রাখতেই পছন্দ করেন। তাই সম্ভাব্য বিয়ের আয়োজন নিয়েও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।জল্পনা রয়েছে, নিউইয়র্কের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে শুক্রবার (৩ জুলাই) এই আয়োজন হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। প্রায় এক হাজার ১০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অতিথিদের পোশাকে থাকবে মার্জিত, পরিচ্ছন্ন ও রোমান্টিক ধাঁচ। অনেকেই বিখ্যাত নকশাকারদের তৈরি পোশাক বেছে নিতে পারেন। গ্রীষ্মকালীন আয়োজন হওয়ায় হালকা রঙ, ঢিলেঢালা পোশাক ও সূক্ষ্ম নকশার পোশাক বেশি দেখা যেতে পারে।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তবে কী বিয়ে করছেন টেইলর ও ট্র্যাভিস? টেইলরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও রয়েছেন অনেক তারকা। তাদের মধ্যে সেলেনা গোমেজ, সুকি ওয়াটারহাউস, সাবরিনা কার্পেন্টার, কারা ডেলিভিনসহ আরও অনেকে আছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকেই নিজেদের স্বতন্ত্র ফ্যাশনধারা বজায় রাখলেও কনের চেয়ে বেশি নজর কাড়ার চেষ্টা করবেন না।বিয়ের পোশাক নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের ধারণা, টেইলর সুইফট নিজের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি পোশাক পরতে পারেন। রাজকীয় নকশার করসেট ও ছড়ানো ঘেরের পোশাক তার পছন্দ হতে পারে। পরে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে তিনি আরও হালকা ও আরামদায়ক পোশাকেও দেখা যেতে পারেন।অন্যদিকে, ট্রাভিস কেলসি বরাবরই ব্যতিক্রমী পোশাকের জন্য পরিচিত। তাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর তাকে রঙিন ও আকর্ষণীয় পোশাকে দেখা যেতে পারে বলেও ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।তবে বিয়ের আয়োজন, অতিথি তালিকা কিংবা পোশাক—সবকিছুই এখনো জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।সূত্র: বিবিসি

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবসে আর্টিস্ট ক্লাবের মিউজিক্যাল মেহফিল

বিশ্ব সংগীত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আর্টিস্ট ক্লাবের আয়োজনে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি কালচারাল ফাউন্ডেশন (ডিইউসিএফ) রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আর্টিস্ট ক্লাব লাউঞ্জে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘সন্ধ্যা প্রদীপ’-এ সংগীত পরিবেশন করে। কূটনীতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সংগীতপ্রেমী দর্শক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সের-শারলে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব সংগীত দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সংগীত এমন একটি সর্বজনীন ভাষা, যা সংস্কৃতি, জাতি ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আর্টিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুজিত মুস্তাফা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আর্টিস্ট ক্লাব সবসময়ই সৃজনশীল উদ্যোগের পাশে রয়েছে। বিশ্ব সংগীত দিবসে ডিইউসিএফ-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে ডিইউসিএফ-এর শিল্পীরা দর্শকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পরিবেশন করেন একটি প্রাণবন্ত ও ইন্টার‌্যাকটিভ ‘মিউজিক্যাল মেহফিল’। দলীয় ও একক পরিবেশনার মাধ্যমে তারা বাংলা আধুনিক, লোকসংগীত, দেশাত্মবোধক এবং জনপ্রিয় বিভিন্ন গান পরিবেশন করেন। শিল্পীদের পরিবেশনা, দর্শকদের অংশগ্রহণ এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহ পুরো সন্ধ্যাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।অনুষ্ঠান শুরু হয় ব্যতিক্রম ধর্মী পুথি পাঠ এর মাধ্যমে। ডিইউসিএ’কে উপস্থাপন করা হয়। প্রথম গান শুরু হয় একটি কোরাস ‘মোরো ঝনঝার মত’ দিয়ে। পর্যায়ক্রমে জনপ্রিয় আধুনিক গান করেন নির্ঝর চৌধুরী, ইরবতি মন্ডল, আনিকা শারমিলা কৃপা ও ফরহাদ মিল্টন। নজরুল ইসলামের গান করেন নন্দিত শিল্পী নন্দিনী দও ধরা। পল্লী গীতি ও উকিল মুন্সীর গান করেন মাহফুজার রহমান মহব্বত। রবি ঠাকুরের গান করেন নাঈমা ইসলাম নাজ এবং অনুষ্ঠান শেষ হয় আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে সমেবেত সংগীত পরিবেশন মাধ্যমে। সভাপতি সুজিত মোস্তফা ডিইউসিএ’কে তাদের পরিবেশনার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী সন্ধ্যা শিল্পী ও দর্শকদের এক সুরের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং উপস্থিত সকলের কাছে এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

নিজের বিয়ে নিয়ে যা বলেছেন তটিনী

অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমান সময়ে অনেক তরুনেরই ক্রাশ। তার ব্যক্তিগত জীবন তথা প্রেম-বিয়ে নিয়ে ভক্তদের যেন চিন্তার শেষ নেই। সম্প্রতি প্রেম-সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান অকপটে জানালেন এ অভিনেত্রী।এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তটিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে তিনি কোনো প্রেমের সম্পর্কে নেই; আর সঠিক মানুষের সন্ধান পেলেই তবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। এর আগে অভিনেতা ইয়াশ রোহানের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন উঠেছিল। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বারবার বলেছেন, শুধুমাত্র বন্ধুত্বের সম্পর্কই তাদের। উঠে আসা নানা গুঞ্জনের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, হি ইজ আ ভেরি গুড ফ্রেন্ড অফ মাইন। এইটা আমি আসলে এতবার বলেছি! আর আমার মনে হয় যে, প্রেম যদি থাকত তাহলে জিনিসটা আমি আরও প্রাইভেটলি হ্যান্ডেল করতাম। আসলে এইটা নিয়ে আমি কথা বলার সুযোগই দিতাম না। সো, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, কোনো প্রেম নেই।ভবিষ্যতে বিয়ে করার পরিকল্পনা এবং কেমন জীবনসঙ্গী তার পছন্দ—এমন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, তিনি একজন সঠিক মানুষের অপেক্ষায় আছেন।এ প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা প্রকাশ করে তটিনী বলেন, বিয়ে করব যখন সঠিক মানুষ পাব। যে মানুষ আমাকে প্রপার সম্মান দিবে, আমাকে, আমার... আমার প্রফেশনকে, আমার ফ্যামিলিকে ভালোবাসবে—অবশ্যই। আমার কাছে একটা কথা সবসময় মনে হয়, জীবনে ভালোবাসার মানুষের থেকেও ভালো রাখার মানুষ খুব দরকার; যে আমাকে ভালো রাখতে পারবে। আল্লাহ যদি সঠিক সময়ে সঠিক মানুষ দেয়, তাহলে করব। একটি সম্পর্কে শুধু অন্ধ ভালোবাসা নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান এবং দিনশেষে ভালো রাখার মানসিকতা বেশি জরুরি বলে মনে করেন পর্দার এই সুন্দরী। নিজের সেই জীবনবোধের কথা উল্লেখ করে তটিনী আরও বলেন, ভালোবাসা একটা পয়েন্ট পর্যন্ত তো অবশ্যই দরকার। বাট আমার কাছে মনে হয় মেইন প্রায়োরিটি—আপনাকে ভালো রাখতে পারছে কি না। অনেকে অনেক... আপনি অনেক ভালোবাসলেন, বাট সে আপনাকে প্রপার সম্মান দিল না; দিনশেষে সেখানে তো শান্তি নেই।তানজিম সাইয়ারা তটিনী বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত নাটকগুলো দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। এদিকে সদ্য মুক্তি পাওয়া সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি পরিচালিত এবং খাইরুল বাশারের সঙ্গে জুটি বাঁধা তটিনীর ‘সুতরাং’ নাটকটিও বেশ সাড়া ফেলছে।

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সংগঠনের নীতিনির্ধারক, উপদেষ্টা ও সদস্যদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত হোটেল সুপারস্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইমাম হোসেন ইমন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসলাম।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অল ব্রডকাস্ট কমিউনিটি (এবিসি)-এর প্রেসিডেন্ট চৌধুরী দৌলত মোহাম্মদ জাফরি, এনবিএ-এর সেক্রেটারি রাইসুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক তমাল। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এছাড়াও সভায় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, টেলিভিশন মেকআপ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন, সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বক্তারা বলেন, দেশের টেলিভিশন মেকআপ শিল্পকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও পেশাদার পর্যায়ে উন্নীত করতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। পাশাপাশি পেশাজীবীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতেও সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। একই সঙ্গে তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

বাঁধা কাটলো ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

টেক্সটাইল খাতকে দেশের অন্যতম অর্থকরী শিল্পে পরিণত করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মূলধারায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আইটিইটির নবনির্বাচিত সভাপতি এনায়েত, মহাসচিব নিক্সন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

আনন্দঘন পরিবেশে নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক উৎসব উদযাপন

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির  ‘অ্যাফোগাটো’

গরমে প্রশান্তিময় ইতালির ‘অ্যাফোগাটো’

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

প্রেমিক হিসেবে সাংবাদিকরা সেরা যেসব কারণে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

মাইক্লোর গ্র্যান্ড র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত, বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের স্কিনকেয়ার পণ্য নিয়ে এলো দ্যা সেলেস্টে

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাদ্যের অঙ্গীকার নিয়ে খাস ফুড-এর ১১ বছরে পদার্পণ

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীতে সানা সাফিনাজ-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

জাপানি 'কাকেবু' কৌশলে সঞ্চয় করুন, নিরাপদ থাকুন

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

আকুর দায় পরিশোধের পর রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্ট মেয়াদের আমদানি বিল বাবদ প্রায় ১৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার (১.৪৮ বিলিয়ন ডলার) পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এক বার্তায় এ তথ্য জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৭ জুলাই শেষে দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার (৩,৬৫১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার)। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ৩১.৮৭ বিলিয়ন ডলার (৩,১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার)।এর আগের দিন ৬ জুলাই দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার (৩,৭৮৪ কোটি ৭৮ লাখ ডলার) এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩৩.২০ বিলিয়ন ডলার (৩,৩১৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার)।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকুর আমদানি বিল বাবদ ১.৪৮ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর একদিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ রিজার্ভ—উভয়ই প্রায় ১.৩৩ বিলিয়ন ডলার করে কমেছে।এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) হলো সদস্য দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে পরিচালিত একটি আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। বর্তমানে এর সদস্য দেশ হলো- বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানির হিসাব দুই মাস পরপর একবারে নিষ্পত্তি করা হয়। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে আকুর বিল পরিশোধের পর বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও পরবর্তী সময়ে রফতানি আয়, রেমিট্যান্স ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের মাধ্যমে রিজার্ভ আবার বাড়তে থাকে।

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার

দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ

কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।নিহতরা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।জানা গেছে, গত ২১ জুন রোববার সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি। দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ দূতাবাস।শ্রম কল্যাণ উইং জানায়, সোমবার (২৯ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রবাসীদের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে কানাইঘাটসহ সিলেটজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে বিমানবন্দর এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

খাদ্য বর্জ্য থেকে নিরাপদ ফসল উৎপাদন: মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কন্যার নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ৭ বছর কারাভোগের পর অপহরণ মামলায় খালাস পেলেন দুই বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

মালয়েশিয়ায় ‘তুরাপ’ ঘিরে নতুন ঝড়: বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম স্থগিতের দাবি সাত এমপির

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা

মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈলের পরম ত্যাগের স্মৃতি বিজড়িত উৎসব এটি। জিলহজ মাসে হজ উপলক্ষে সমগ্র পৃথিবী থেকে লাখ লাখ মুসলমান সমবেত হয় ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি বিজড়িত মক্কা-মদিনায়।ইসলামে ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণ। সামর্থ্যবান মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। কোরবানির মাংস আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টনের মধ্য দিয়ে ভাগাভাগি ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে সমাজে।এদিকে ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আলাদা আলাদা বাণীতে তারা ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারা।রাজধানীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে প্রস্তুতি নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।তবে উৎসবের আনন্দের মাঝেও কিছু মানুষের ঈদ কাটবে কষ্টে। রাজধানীর কালশীতে ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। আগুনে ঘরবাড়ি ও ঈদের প্রস্তুতি পুড়ে যাওয়ায় তাদের ঈদের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। একইভাবে হামে মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৫০০ মানুষ। এদের ঘরেও এবার ঈদ নেই।ঈদের দিন অনেকেই ঈদের নামাজ শেষে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের জন্য দোয়া করেন।ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ত্যাগের শিক্ষা, কোরবানির প্রস্তুতি ও পরিবার-স্বজনের মিলনে এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে।

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

‘হেড, হার্ট, হ্যান্ডস’—নারী উন্নয়নে ভিন্ন পথ দেখাচ্ছে হপ লুন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে সেলাই মেশিনে বসে থাকা হাসিমুখের নারীর ছবি। বর্তমানে এ দেশের প্রায় ৪০ লাখ গার্মেন্টস কর্মীর ৫৩ শতাংশই নারী। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এই উপস্থিতি বেশিরভাগ সময়ে কেবল কারখানার ভেতরেই সীমাবদ্ধ। ম্যানেজমেন্ট বা সুপারভাইজার-এর মতোন পদগুলোতে এখনো পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। এই দীর্ঘদিনের বাস্তবতা বদলাতে কাজ করছেন হংকংভিত্তিক শীর্ষ অ্যাপারেল প্রতিষ্ঠান হপ লুনের চিফ পিপল অফিসার ড. সাবরিনা টিন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি বলেন, “আমাদের মোট কর্মীদের ৮০ শতাংশই নারী। তবে আমাদের লক্ষ্য, কারখানার অন্তত ৭০ শতাংশ সুপারভাইজার পদে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।” এই লক্ষ্য পূরণে গত বছর তিনি চালু করেন #শিক্যান নামে একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর আওতায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং পারিবারিক সহায়তায় নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি কারখানাগুলোতে বিদ্যমান ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্লিনিকের সুবিধাদি এবং সেবার মান বাড়ানো হয়েছে, জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতেও। এখানেই শেষ নয়। ‘ওয়ার্কার স্কলারশিপ পাথওয়ে’নামে আরেকটি উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মীরা নিজেদের ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের পথ খুঁজে নিতে পারছেন। সাবরিনার মতে, শুধু ‘নারী ক্ষমতায়ন’নিয়ে স্লোগান তুললেই হবে না, দরকার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা। তাই হপ লুনের দক্ষতা উন্নয়ন মডেল কাজ করে ‘হেড, হার্ট অ্যান্ড হ্যান্ডস’—এই তিন স্তরে। তাঁর ভাষায়, “পোশাক খাতের কর্মীরা হাতে-কলমে কাজের দক্ষতায় এগিয়ে। এখন প্রয়োজন তাঁদের চিন্তা ও মানসিকতার বিকাশে বিনিয়োগ।” এই লক্ষ্যেই কর্মীদের ‘গ্রোথ মাইন্ডসেট’ গড়ে তোলা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যাতে তাঁরা কর্মক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেন। তবে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাবরিনা বলেন, অনেক নারী কর্মী এখনো নিজেদের মত প্রকাশে সংকোচ বোধ করেন। এ সমস্যা কাটাতে হপ লুনে ‘পিপল অ্যান্ড কালচার’(পিএনসি) অভিযোগব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এখানে এইচআর দল ‘গেটকিপারহিসেবে কাজ করে ফলে কর্মীরা নিঃসংকোচে এবং নির্ভয়ে তাদের অভিযোগগুলো জানাতে পারেন। কারখানায় অশোভন আচরণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সরাসরি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ বক্স ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ বাড়ায় নারী কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধও বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এসব উদ্যোগকে অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে দেখলেও সাবরিনা একে মনে করেন কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁর ভাষায়, “কর্মীরা সন্তুষ্ট থাকলে তারা আরও মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীদের কাজ ছাড়ার প্রবণতাও কমে যায়।” তিনি আরও মনে করেন, নারী সুপারভাইজারের সংখ্যা বাড়লে কর্মপরিবেশ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়, যা উৎপাদনশীলতা ও প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাফল্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তৈরি পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সাবরিনা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তাদের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু একজন নারী কর্মীকে এগিয়ে দেয় না, বরং একটি পরিবার, এমনকি একটি প্রজন্মের জীবন বদলে দিতে পারে। বৃহত্তর পরিসরে এসব উদ্যোগের সুফল কিংবা কার্যকারিতার উপর আলোকপাত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আপনি যে শুধু একজন নারীকে কর্মক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করছেন তা নয়, বরং তাদের একটি সমৃদ্ধ জীবন গড়তে অবদান রাখতে পারছেন,” সবশেষে, আজীবন শেখার উৎসাহ দিয়ে তিনি বলেন, “শেখার কোনো শেষ নেই, যেকোন জায়গাতেই আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। কেউ আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে। এই অদম্য এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা থাকলে যেকোনো নারী কারখানার ফ্লোর থেকে শুরু করে একদিন নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে পৌঁছাতে পারবে-যা প্রমাণ করবে নিজের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে আরও শাণিত করলে, পরিশ্রম একদিন ঠিকই আপনাকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে।

মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

আজ বিশ্ব মা দিবস মমতা ও ত্যাগের প্রতীক মা

‘মা’-ছোট্ট এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন মমতার গল্প। একজন মানুষের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে নিরাপদ স্থান তার মা। পৃথিবীর প্রতিটি সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মে মায়ের মর্যাদা সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। আর সেই মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই হলো বিশ্ব মা দিবস।আজ মা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই দিবস। এই দিনটি কেবল আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের নয়; বরং এটি আমাদের আত্মসমালোচনারও দিন—আমরা আমাদের মায়ের জন্য কতটুকু করতে পেরেছি, তাঁর ত্যাগের প্রতিদান আদৌ দিতে পেরেছি কি না, সেই প্রশ্ন ভাবার দিন।পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মল অনুভূতি মায়ের ভালোবাসা। মা তার সন্তান জন্মের আগ থেকেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন। সন্তানের সুখের জন্য তিনি নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন ও আরাম বিসর্জন দেন। একটি শিশুর মুখে প্রথম ভাষা, প্রথম হাঁটা, প্রথম শিক্ষা—সবকিছুর পেছনেই থাকে মায়ের অবিরাম শ্রম ও স্নেহ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তিও একজন মা। কারণ একজন শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক মা-ই একটি সুন্দর প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় নানাভাবে সংগ্রাম করেন মায়েরা । গ্রামীণ জনপদের কৃষকের স্ত্রী থেকে শুরু করে শহরের কর্মজীবী নারী—প্রতিটি মা পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নীরবে অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেন। অনেক মা নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়েন। আবার অসংখ্য মা সন্তানকে মানুষ করতে দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য কিংবা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। অথচ তাঁদের এই অবদান অনেক সময় যথাযথ স্বীকৃতি পায় না।আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যস্ত জীবনে পরিবারে দূরত্ব বাড়ছে। বৃদ্ধাশ্রমে মায়ের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য এক বেদনাদায়ক বাস্তবতা। মা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন ছবি বা স্ট্যাটাস দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন জীবিত অবস্থায় মায়ের পাশে থাকা, তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁর প্রতি দায়িত্ব পালন করা। কারণ একজন মা সন্তানের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যা চান, তা হলো ভালোবাসা ও সম্মান।ইসলামেও মায়ের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।” এই বাণী শুধু ধর্মীয় শিক্ষা নয়, মানবিক মূল্যবোধেরও এক অনন্য উদাহরণ। অন্যান্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতেও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মা কেবল ব্যক্তি নন, একটি অনুভূতি। মা একটি আশ্রয়, একটি অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের নাম, পৃথিবীর সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে। তাই শুধু নির্দিষ্ট একটি দিনে নয়, প্রতিদিনই হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসার দিন, সম্মানের দিন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিবস।

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

নদীর চরে নারীদের ম্যানগ্রোভ নার্সারি, বাড়ছে কর্মসংস্থান

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

মৌলভীবাজার কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

পৃথিবীর সঙ্গে ৪০ মিনিটের যোগাযোগহীনতা!

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের  চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রামীণ‌ফো‌নের চুক্তি স্বাক্ষর

দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সাথে পাঁচ বছরের জন্য একটি কৌশলগত পার্টনারশিপ করেছে। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি হচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ সুশৃঙ্খল বাহিনী যারা জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা ও আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।প্রযুক্তি ও সংযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করতে, পরিচালগত দক্ষতা বাড়াতে এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতিতে অবদান রাখতে দুই প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই পার্টনারশিপ।চুক্তির আওতায়, দেশজুড়ে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট যোগাযোগের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তি-নির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে গ্রামীণফোনের দেশব্যাপী বিস্তৃত সংযোগ, ডিজিটাল অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।গ্রামীণফোনের হেড অব গভর্মেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস নুরুল ফেরদৌস মুসান্না এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ডিরেক্টর (অপারেশনস) মুহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, বিভিএম সম্প্রতি ঢাকার খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সদর দপ্তরে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।এ সময় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান, চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) ড. আসিফ নাইমুর রশীদ, হেড অব ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিস বিজনেস হেলাল উদ্দিন আহমেদ, গভর্মেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক বিজনেসের কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার কাজী নুসরাত এবং গভর্মেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক বিজনেসের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার আরমান সিকদার উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; এডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল (এডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, এনডিসি, পিএসসি; ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) কর্নেল বায়জিদ মোহাম্মদ তারেক জুনায়েদ, পিএসসি, জি, পিএইচডি; ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (ট্রেনিং) মো. রফিকুল ইসলাম, বিভিএম, পিভিএমএস, বিভিএমএস; ডেপুটি ডিরেক্টর (কমিউনিকেশন) কাউসার জাহান এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ”জাতীয় অগ্রগতির জন্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে উভয় প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই পার্টনারশিপ। আমাদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা এবং সংযোগ সংশ্লিষ্ট সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় সহযোগী হতে পেরে আমরা গর্বিত। যৌথভাবে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে পরিচালনগত সক্ষমতা জোরদার করা, দক্ষতা বাড়ানো এবং আরো স্মার্ট ও প্রযুক্তি-নির্ভর সেবা চালু করা, যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য টেকসই সুবিধা নিশ্চিত করবে।”বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি বলেন, “যেহেতু বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি ক্রমাগত আধুনিকায়ন ও পরিচালনগত দক্ষতার দিকে মনযোগ দিয়েছে, তাই আমাদের ভবিষ্যতের পথচলার অন্যতম চালিকাশক্তি হচ্ছে প্রযুক্তি। আমাদের ডিজিটাল সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়াতে গ্রামীণফোনের সাথে এই পার্টনারশিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এখন আরো সংযুক্ত, কর্মতৎপর ও ভবিষ্যত-উপযোগী একটি বাহিনী গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।”

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

সিসকোর ‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা পেল ইএসএল, দক্ষ জনবল তৈরিতে জোর

বন্যা মোকাবিলায় ‘ডিজিটাল টুইন’ প্রযুক্তির ওপর জোর: আইইবি সেমিনারে বক্তারা

বন্যা মোকাবিলায় ‘ডিজিটাল টুইন’ প্রযুক্তির ওপর জোর: আইইবি সেমিনারে বক্তারা

টেকনোর দাম কমায় স্মার্টফোন বাজারে নতুন গতি

টেকনোর দাম কমায় স্মার্টফোন বাজারে নতুন গতি

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ওসমান হাদির মামলার বাদী নিয়ে যা বললেন বোন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। ৫ জুন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেই সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি।মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‌‘আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদি নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশেপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদি হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে। বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা, ওসমান গণিকে ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।এখন আমার প্রশ্ন, প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয়, যে ওমরের কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ব্যতীত এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না।উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারী মামলায় বাদির ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদিপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল প্রকার আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতো।ওমরের গায়ে পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে; সেইদিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে।মামলার বাদির ব্যাপারে কার কাছে বলেছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদি হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা হলে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করেছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদি হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে।আর একটা প্রসঙ্গ খুব পরিষ্কার করা দরকার। ওমর হাতে যেই ঘড়িটা পরে, ওটা আরও ৫ বছর আগে কেনা। যার দাম তখন ছিল বাংলাদেশি ১৭ হাজার টাকা, ২০১৬ সালে সে যেই ব্লেজার পরতো ১৬ সালে যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা। ১৬ সালে যে মোবাইলটা ব্যবহার করতো, তখন ওটার মূল্য ছিল ৭০ হাজার টাকা। শুধু এই তিনটা জিনিসের হিসাব দিতে বাধ্য হলাম। এই জন্য যে, না বুঝে কেউ নোংরামি করার চেষ্টা করবেন না।এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে; তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয়। এবং ওসমান হাদির সকল মেডিকেলের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিকেলের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে।ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমারা হারাইতে দিব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখবো না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিকেলের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে। এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সাথে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই।আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে; সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এই জন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন?’

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের’ জবাব দিলেন মাদানী

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

ফার্মগেটে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন

শিরোনাম
উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪ ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী রায়পুরায় টানা বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে বগুড়ার সাতমাথা জলমগ্ন, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী মতলব উত্তরে নকলের দায়ে ৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি জামালগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ ভৈরবে অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা কাশিমপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে নাগরপুরে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং উখিয়ায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৮, জীবিত উদ্ধার ১৪ ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়লেন জাবের ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জ শহরে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে নগরবাসী রায়পুরায় টানা বর্ষণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর দেড় ঘণ্টার বৃষ্টিতে বগুড়ার সাতমাথা জলমগ্ন, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী মতলব উত্তরে নকলের দায়ে ৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ৫ শিক্ষককে অব্যাহতি জামালগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ ভৈরবে অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা কাশিমপুরে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেফতার চট্টগ্রামসহ চার বিভাগে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা ডিসি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে নাগরপুরে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং