দেশে চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ (২.১৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ ২৪ হাজার ২৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। সেই হিসাবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার।এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আগস্টে এসেছিল ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। এর আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।
২১ ঘন্টা আগে
সাইবার হামলার আশঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখার পর এবার বন্ধ পাওয়া গেছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক ও বেসরকারি বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইটও।রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে ব্যাংক দুটির ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলে রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত নোটিশ দেখা যায়। যদিও ব্যাংক দুটি ওয়েবসাইট বন্ধের কারণ হিসেবে সাইবার হামলার কথা উল্লেখ করেনি।জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ‘সিস্টেম মেইনটেন্যান্স’ শিরোনামে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, তাদের অ্যাপ্লিকেশনে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। শিগগিরই এটি চালু হবে। এ জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্যাংকটি।অন্যদিকে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ‘ইমপর্ট্যান্ট নোটিশ: সার্ভিস মেইনটেন্যান্স’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে ওয়েবসাইটের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সেবা পুনরায় চালু করতে কাজ চলছে। এ জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে অপেক্ষা ও সহযোগিতা কামনা করেছে ব্যাংকটি। প্রয়োজনে ১৬৭৯৬ নম্বরে ফোন করে অথবা নির্ধারিত ই-মেইলে যোগাযোগের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ওয়েবসাইট দুটি বন্ধ থাকায় গ্রাহকেরা অনলাইনে ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন তথ্য ও ওয়েবসাইটভিত্তিক সেবা নিতে পারছেন না। একাধিকবার চেষ্টা করেও ওয়েবসাইট দুটিতে প্রবেশ করা যায়নি।এর আগে সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির আশঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তিন দিন পর আজ সকাল আটটা থেকে সেটি আবার চালু করা হয়েছে। একই সময়ে অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক ও এসবিএসি ব্যাংকের ওয়েবসাইটও বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে সেগুলো বর্তমানে চালু রয়েছে।
১ দিন আগে
দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম চতুর্থ দফায় কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে তিন হাজার ৩২৪ টাকা। এতে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমায় এই দাম কমানো হয়। রােববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার ৯৪৪ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টােবর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ২৪ হাজার ১৮২টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
১ দিন আগে
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর অবশেষে সচল হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জরুরি নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছিল না। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি থেকে সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ওয়েবসাইটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছিলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে এবং ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছিল, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ চলছিল।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা তৈরি হয়েছিল। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করার সুযোগ পেতে পারেন। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
১ দিন আগে