গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে এ চিত্র দেখা গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এ সময়ে নতুন করে ৯৫০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ১৮৭ জনের দেহে নিশ্চিতভাবে হামের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে (৩ জন)। এছাড়া চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন।নতুন শনাক্ত ৯৫০ জন সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকায় ৪০৯ জন এবং চট্টগ্রামে ২২২ জন শনাক্ত হয়েছেন। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশালে ১১৯ জন, সিলেটে ৬২ জন, খুলনায় ৪৭ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৩২ জন এবং রংপুরে ১৮ জন সন্দেহজনক রোগী পাওয়া গেছে।একই ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৮৫৪ জন নতুন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৬৮ জন।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১২২,১৫০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মোট ১৫,১৯৪ জনের শরীরে নিশ্চিত হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে।জেলা ও বিভাগ বিবেচনায় সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ পর্যন্ত মোট ১০৪,৭১৭ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১০১,০৫৬ জন।উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত হাম উপসর্গে ৭১৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৮১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে প্রাণহানি ৮০৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও গত একদিনে নতুন করে আরও এক হাজার ১৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে তথ্যটি জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট ও রংপুর বিভাগে একজন করে মোট ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৮০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৭১০ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৮৪৮ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকেবৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট এক লাখ ২১ হাজার ২০০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৫ হাজার সাতজনের হাম শনাক্ত হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট এক লাখ তিন হাজার ৮৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে এক লাখ ১৮৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। মৃতদের সিংহভাগই শিশু।বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও উপসর্গের রোগী ১ হাজার ৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩৩ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট হাম আক্রান্ত ১৪ হাজার ৮৪১। আর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ৯০৪ জনের শরীরে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৩৫২ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৯৯ হাজারের বেশি।গত প্রায় চার মাস ধরে প্রতিদিনই ভুলে যাওয়া হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল দেখছে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে গত মে মাস পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশে ৪২ হাজার ১৭৪ জন হাম কিংবা হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে। এ সময়ে এত রোগী আর কোনো দেশে পাওয়া যায়নি।বিশ্বজুড়ে হাম ও রুবেলা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে ডব্লিউএইচওর সদর দফতর জেনেভায় নিয়মিত যে প্রাথমিক উপাত্ত জমা হয়, সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ থেকে সেই তথ্য সংগ্রহ করে এই চিত্র দেখা গেছে। ডব্লিউএইচও এই ছয় মাসে বিশ্বের ১৬৫ দেশে ১ লাখ ৮৬ হাজার হাম কিংবা এর উপসর্গের রোগী পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে। পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, সবচেয়ে বড় হাম সংকট এখন দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশে।প্রতিবেদনে দেখা যায়, ছয় মাসে হাম সংক্রমণের দিক থেকে বাংলাদেশের নাম শীর্ষে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এ সময়ে দেশটিতে হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ২৬ হাজার ৬০৭ জন। যুদ্ধপীড়িত ইয়েমেন ১৪ হাজার ৫২১ রোগী নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে এরপর রয়েছে মেক্সিকো (১২,৪৯৫), পাকিস্তান (১১,০৩৭), ক্যামেরুন (৯,৬৫৩), কাজাখস্তান (৭,৭৩০), গুয়েতেমালা (৬,৮৩২), অ্যাঙ্গোলা (৬,৮১৫) ও সুদান (৫,৭৬৬)।দেশে চলতি বছরের শুরুতে হঠাৎ শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। কিছুদিনের মধ্যে রোগীর দ্রুত বাড়তে শুরু করে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতর গত ১৫ মার্চ থেকে হাম সংক্রমণের তথ্য দিচ্ছে। দেশে হামের এই প্রাদুর্ভাবের জন্য টিকা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলাকে দায়ী করছে বর্তমান সরকার।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৮ জন।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭০২ জন শিশুর। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন। হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৭৯৭ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এই সময়ের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৩০ জন শিশু এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৮।এছাড়া এই সময়ের মধ্যে (২৪ ঘণ্টা) ১ হাজার ২১৮ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৯ জন।অধিদফতরের তথ্য আরও বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৪৮ জন, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭০৮। এই সময়ের মধ্যে (১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ জন শিশু। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৮ হাজার ৪১১ জন।
৪ দিন আগে