• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বিকাল ০৪:০৭:৫০ (02-Dec-2022)
  • - ৩৩° সে:

১১:১৭ এএম, ২০ নভেম্বর ২০২২


ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ
আবহাওয়া

আস্থা হারাচ্ছে আবহাওয়া অধিদফতর ; প্রশংসিত বিডব্লিউওটি


রবিবার ২০শে নভেম্বর ২০২২ সকাল ১১:১৭



আস্থা হারাচ্ছে আবহাওয়া অধিদফতর ; প্রশংসিত বিডব্লিউওটি

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসের ওপর মানুষের আস্থা নেই বললেই চলে। এ নিয়ে অনেক সময় হাসাহাসিও হয়। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়েও দেশের মানুষ তাদের ওপর নির্ভর করতে পারেনি। অথচ স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশের মানুষের জন্য সঠিক পূর্বাভাসের কোনো বিকল্প নেই কেন, তা নিয়ে রয়েছে মানুষের প্রশ্ন।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলে আঘাত হানে ২৪ অক্টোবর। কিন্তু তারও দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল বিশ্লেষণ করে ৯ অক্টোবর সর্বপ্রথম ঝড়টির পূর্বাভাস দেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। যদিও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরও তখন বিষয়টিকে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। পরবর্তীতে মোস্তফা কামালের পূর্বাভাস সঠিক হওয়ার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং সম্পর্কে আগেভাগে পূর্বাভাস দিতে না পারায় চরম সমালোচনার মুখে পড়ে সরকারি এ সংস্থাটি।

এছাড়া ঝড়ের দিন সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছিল, সিত্রাং সেদিন মধ্যরাত অথবা পরদিন ২৫ অক্টোবর সকালে উপকূল অতিক্রম করবে। কিন্তু দেখা যায়, ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার পরই উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করে সিত্রাং। আবার উপকূলের কোন অঞ্চল দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে প্রবেশ করবে সেটি নিয়েও বিভ্রান্তি ছিল আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে। ওই দিন রাত ১০টার বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি রাত ৯টায় বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। জলোচ্ছ্বাস নিয়েও ভুল তথ্য আসে তাদের পূর্বাভাসে। এসব নিয়েও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে সংস্থাটি।

অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে গঠিত বিডব্লিউওটি’র দেয়া পূর্বাভাস হুবহু মিলে যাওয়ায় আবহাওয়া অধিদফতরকে তুলোধুনো করতে শুরু করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। অনেকেই আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকাণ্ড এবং তথ্য বিশ্লেষণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, কেউ কেউ তো বলেই বসেছেন, স্বেচ্ছাসেবীরাই যদি আবহাওয়া অধিদফতরের চেয়ে নির্ভুল তথ্য দিতে পারে, তবে জনগণের শত শত কোটি টাকা অধিদফতরের পেছনে কেন খরচ করা হবে?

কারা এই বিডব্লিউওটি, কীভাবে কাজ করে তারা
বিডব্লিউওটি-এর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম আবহাওয়াপ্রেমী স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে গঠিত একটি সংস্থা, যারা আবহাওয়া পরিস্থিতিকে সহজ ভাষায়, সাধারণ মানুষের কাছে বোধ্যগম্য করে উপস্থাপন করে, যেন দেশজুড়ে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়।

বিডব্লিউওটি’র প্রতিষ্ঠাতা নড়াইলের যুবক পারভেজ আহমেদ পলাশ। গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতক-স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। পেশায় তিনি একজন ইলেকট্রিশিয়ান।

কাজের ধরন সম্পর্কে পলাশ বলেন, পূর্বাভাস দেয়ার জন্য আমরা আবহাওয়ার যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইউরোপীয়ান, জার্মানি, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ান মডেল অনুসরণ করা ছাড়াও আমাদের আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস থেকেও তথ্য সংগ্রহ করি। এর সঙ্গে যুক্ত হয় নির্দিষ্ট এলাকার স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীর জানানো লাইভ তথ্য। পরবর্তীতে এসব তথ্য একস্থানে করে বিশ্লেষণ করা হয় এবং পূর্বাভাস জানানো হয়।

তিনি জানান, তথ্য বিশ্লেষণের কাজ করেন তাদের দলের ৯ জন সদস্য। এই ৯ সদস্যের ভেতরে দু’জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং অন্যরা আবহাওয়াপ্রেমী; তাদের কাছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। অন্যদিকে লাইভ তথ্য জানানোর জন্য দেশব্যাপী ২২০ স্বেচ্ছাসেবী আছেন।

পলাশের মতে, আমাদের কাজ আরও সহজ করে দেন কৃষক, সমুদ্রগামী জেলে, লবণচাষি, ইটভাটার মালিক, শুঁটকি ব্যবসায়ী, চালকলের মালিক ইত্যাদি শ্রেণি। তারা আমাদের ২৪ ঘণ্টার হট লাইন নম্বরে সরাসরি ফোন করেন এবং সেখানকার আবহাওয়া পরিস্থিতি জানিয়ে আমাদের কাছে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস জানতে চান যাতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে লাইভ পূর্বাভাসের কাজ অনেকটা তারাই করেন। আমরা তাদের দেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আবহাওয়ার ওপেন ওয়েবসাইটগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করি ও তার ফল আবার তাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানাই। এতে একটি নির্দিষ্ট এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসও প্রায় নিখুঁতভাবে দেয়া সম্ভব হয়।

‘আসলে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের ভেতরেই সবকিছু। এ ক্ষেত্রে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাই আমাদের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা উতরে সঠিকভাবে বিশ্লেষণের শক্তি যুগিয়েছে’, যোগ করেন তিনি।  

পলাশ বলেন, কৃষকের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা সবচেয়ে বেশি। আমরা মূলত এ শ্রেণির জন্যই আবহাওয়াবার্তা দিয়ে থাকি, যেন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি সর্বোচ্চ কমানো যায়। আর সে কারণে খুবই সহজ করে, বোধগম্য ভাষায় একজন অশিক্ষিত মানুষের কাছে আমরা পূর্বাভাস দিয়ে থাকি।

কীভাবে চলে বিডব্লিউওটি, আয়ের উৎসই বা কী, এমন প্রশ্নের উত্তরে পলাশ বলেন, স্বেচ্ছাসেবীরাই সব। কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা কোনো টাকা নেন না। তবে ওয়েবসাইট চালানো, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা স্বেচ্ছাসেবী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যে খরচ হয় সেটি গুগল থেকেই প্রায় উঠে আসে। তবে এটা ঠিক আর্থিক দিক দিয়ে আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আইনগত কারণে আমরা সেগুলো কাটিয়েও উঠতে পারছি না।

আইনগত সীমাবদ্ধতার কথা বলতে গিয়ে আবহাওয়া আইন-২০১৮ এর কথা জানান পলাশ। যে আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদফতর প্রতিষ্ঠা, কার্যাবলি, আবহাওয়া সেবা সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংক্রান্ত ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের আবহাওয়া সেবা সংক্রান্ত ঘটনাবলি ও এতদ্‌সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারিভাবে এখতিয়ারসম্পন্ন একমাত্র নির্ভরযোগ্য সংস্থা হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে। অধিদফতর ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা আবহাওয়া সেবা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ, পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করিবে না।’

‘আইনের এই ধারার কারণেই তাদের সংস্থার সরকারি অনুমোদন বা সেবা সম্প্রসারিত করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ আমরা মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাতে পারছি, তাদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি,’ বলেন এই তরুণ।

কেন এই ব্যর্থতা, কী বলছে আবহাওয়া অধিদফতর
সিত্রাং নিয়ে সঠিক সময়ে তথ্য উপস্থাপনে ব্যর্থতা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়ার বিষয়ে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে- ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বেশ অস্বাভাবিক আচরণ করেছে। তাই পূর্বাভাসের তথ্যে কিছুটা মিসিং হয়েছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, ঝড়টি বারবার গতিপথ বদলেছে। এছাড়া শেষ মুহূর্তে হঠাৎ বেশি বৃষ্টি ঝরিয়ে দ্রুত উপকূলের দিকে এগিয়েছে। ফলে এটি কোথায় কখন আঘাত করবে তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। এছাড়া ওই দিন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাহত হওয়ায় দুর্যোগ সংক্রান্ত তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করতেও দেরি হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করার সময়কেই আমরা হিসাবে ধরি। সেট ঘটে রাত ৯টায়। তাই ঝড়টি সন্ধ্যা ৬টায় উপকূলে আঘাত হেনেছে, সেই তথ্য সঠিক নয়। এছাড়া প্রথম দিকে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৭-১৮ কিলোমিটার। কিন্তু পরে সেটি ৩৫ কিলোমিটারে উঠে যায়। এতে মধ্যরাত বা ভোরে আঘাত হানার পূর্বাভাসের তথ্যটি এগিয়ে রাত ৯টায় আনা হয়।

তবে আবহাওয়া অধিদফতরের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা বা তথ্য বিশ্লেষণের সক্ষমতার তিনি বলেন, পূর্বাভাস দেয়ার ক্ষেত্রে আমরাও উন্নত বিশ্বে ব্যবহৃত আবহাওয়ার মডেল ব্যবহার করি। আর সেটি বিশ্লেষণে কোনো প্রযুক্তিগত দুর্বলতা বা জনবলের ঘাটতি আমাদের নেই।

বিশেষজ্ঞদের ভিন্নমত 
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মডেল ও তথ্য-উপাত্ত সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তাছাড়া তাদের সেই সক্ষমতা আছে কি না, সেটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের প্রযুক্তিগত কোনো দুর্বলতা নেই। কারণ তারা জাপানের আবহাওয়া দফতরের সঙ্গে কাজ করে। যদি জাপানের কৃত্রিম উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করতো তাহলে তারা এ ধরনের কথা (গরমিল তথ্য) বলতো না। এটি খুবই ভালো মডেল। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। এর আগেও তারা ভুল পূর্বাভাস দিয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল হাসানও মনে করেন সিত্রাংয়ের সঠিক পূর্বাভাস দিতে ব্যর্থতার মূল কারণ তাদের বিশ্লেষণ সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা।

তিনি বলেন, ডেটা তো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত দেশের আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়; গুগল, ইয়াহুতেও পাওয়া যায়। তাহলে সঠিক পূর্বাভাস দিতে ভুল হবে কেন? আসলে সঠিক পূর্বাভাস দেয়ার জন্য শুধু ডেটা হলেই হবে না। এর সঙ্গে প্রয়োজন আগের ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার ডেটার সঙ্গে বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতির ডেটার তুলনা এবং তার সঠিক বিশ্লেষণ।

‘আমাদের আবহাওয়া দফতরের হয়তো বিশ্লেষণের সেই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ বিষয়ে তারা এখনও বেশ দুর্বল এবং নিশ্চিতভাবেই তাদের আরও প্রশিক্ষণ দরকার’, বলেন ড. মনজুরুল হাসান।

অন্যদিকে ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, আবহাওয়া অধিদফতর পূর্বাভাস দেয়ার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক মডেল ব্যবহার করে। তারা পূর্বাভাস দেয় সমুদ্র ও নৌবন্দরগুলোর জন্য। অর্থাৎ তাদের পূর্বাভাস সাধারণ মানুষের জন্য নয়। এছাড়া তাদের দেয়া সংকেতও ভীষণ ত্রুটিপূর্ণ। যেটি আসলে সাধারণ মানুষের জন্য বিশেষ কোনো অর্থ বহন করে না।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস যদি মানুষের জন্য দেয়া না হয়, তাহলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যাবে না মন্তব্য করে আইনুন নিশাত একটি উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস খুবই সরলীকৃত। যেমন বলা হয়, বরিশাল বিভাগে বৃষ্টি হবে। কিন্তু বৃষ্টি হয় কোনো একটি বা দুটি জেলায় সে ক্ষেত্রে অন্য জেলার মানুষ আস্থা হারান। এভাবে দিনে দিনে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে মানুষ আস্থা হারিয়েছে। পাশাপাশি তারা যে ভাষায় পূর্বাভাস দেন সেটি একজন সাধারণ মানুষ, একজন কৃষকের জন্য খুবই দুর্বোধ্য।

তার পরামর্শ, আবহাওয়া দফতরকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বের করে আনা উচিত এবং একইসঙ্গে দফতরটি সাধারণ মানুষের কাজে লাগে সেভাবেই তৈরি করা উচিত।

‘দুর্যোগপ্রবণ এই দেশে আবহাওয়া অধিদফতরকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চাই আমরা’, যোগ করেন তিনি।

মন্তব্য করুনঃ


সর্বশেষ সংবাদ