• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ১৫ই মাঘ ১৪২৯ সকাল ১০:২২:৩৭ (28-Jan-2023)
  • - ৩৩° সে:

ইসরায়েলে এক দশকে সবচেয়ে বড় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ


রবিবার ২২শে জানুয়ারী ২০২৩ দুপুর ০২:০৪



ইসরায়েলে এক দশকে সবচেয়ে বড় সরকার বিরোধী বিক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: 

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে বিক্ষোভ করেছেন দেশটির জনগণ। শনিবারের এই বিক্ষোভে এক লাখের বেশি মানুষ জমায়েত হয়েছিল বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার। 

গত ৬ জানুয়ারি ইসরায়েলের ক্ষমতায় বসে নেতানিয়াহুর জোট সরকার। 

এরপরেই দেশটির বিচার বিভাগকে সংস্কারের একটি পদক্ষেপ নেয় কট্টরপন্থী এই সরকার। এমনটা হলে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের ক্ষমতা কমে যাবে। এমনকি পার্লামেন্ট চাইলেই সুপ্রিম কোর্টের রায়ে পরিবর্তনও আনতে পারবে। নেতানিয়াহু বিরোধীদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপের ফলে দেশটির গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে। 

নতুন সরকারের প্রস্তাবনার জেরে বিক্ষোভে নামে দেশটির জনগণ। সেটিকে অনুসরণ করেই শনিবারের বিক্ষোভ হয়। তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেম, হাফিয়া ও বিরসাহেবা শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা। 

ইসরায়েলের বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান আভি ছিমি বলেন, ‘তারা আমাদের দেশটিতে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ ছাড়া তারা গণতন্ত্র ও বিচার বিভাগকে ধ্বংস করতে মুখিয়ে রয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র থাকতে পারে না। ’ 

এদিকে, ইসরায়েলি জনগণের এই বিক্ষোভকে প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামানি নেতানিয়াহু। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের পতাকা ও ব্যানার নিয়ে শনিবারের বিক্ষোভ যোগ দেয় বিক্ষোভকারীরা। ওইসব ব্যানারে ‘আমাদের সন্তানেরা একনায়কতন্ত্রে বাঁচবে না’ এমন লেখা ছিল। এমনকি নতুন সরকারের পদক্ষেপটি ভবিষ্যতে আমাদের গণতন্ত্রকে হনন করবে বলেও লেখা ছিল। 

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নতুন সরকারের পদক্ষেপটি বিচারকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিবে, বিচারিক স্বাধীনতাকে পঙ্গু করে দিবে, দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে, সংখ্যালঘুদের অধিকার নষ্ট করবে ও ইসরায়েলের আদালত বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। 

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের সকল প্রজন্ম বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এটি কোনো রসিকতা নয়। তারা আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে। ’ 

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেন, ‘এই বিক্ষোভ আমাদের দেশকে রক্ষা করার একটি প্রতিবাদ। মানুষ আজ এখানে এসেছে তাদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে। ’ 

আল-জাজিরা বলছে, শুক্রবার ইসরায়েলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্মীয় পার্টি শাসের নেতা আরিয়া দেরিকে কর ফাঁকি অভিযোগে অভিযুক্ত করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এমনকি তাকে বরখাস্ত করার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেয়। এরপরেই দেশটির জনগণ সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নামে।

মন্তব্য করুনঃ


সর্বশেষ সংবাদ