• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ২৩শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯ রাত ০১:৫৭:৪৬ (08-Dec-2022)
  • - ৩৩° সে:

০৩:৫৩ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০২২


ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ
সারাদেশ
শিক্ষাঙ্গন

কিছুদিনের মধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি


শনিবার ১৯শে নভেম্বর ২০২২ বিকাল ০৩:৫৩



কিছুদিনের মধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের নেতৃত্বের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের পথ প্রদর্শক। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের ঐতিহাসিক নিদর্শন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনও ইতিহাসের অংশ। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন সঙ্গে নিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলেছে স্বমহিমায়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো এক একটি গবেষণাগার। বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো জ্ঞান চর্চার মাধ্যমেই সাফল্য লাভ করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, গবেষণায় আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। এক সময় প্রাচ্যের অক্সফোর্ডকে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ নজরে দেখা হতো। অথচ সে ঐতিহ্য সংকুচিত হয়ে আসছে। ছাত্র-শিক্ষক এবং সুযোগ সুবিধা পর্যাপ্ত না হলেও অনেক গুণ বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় শিক্ষার মান কতটুকু বেড়েছে বা কমেছে সেটার মূল্যায়ন করতে হবে। গবেষণা বিষয়ে গণমাধ্যমে যেসব খবর প্রচারিত হয় তা দেখলে আমাকেও লজ্জা পেতে হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক। সম্মানিত শিক্ষকদের প্রতি আমার আহ্বান, গবেষণাগুলো তুলে ধরুন যাতে শিক্ষার্থীদের বিদেশ যেতে না হয়। বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রযুক্তি আর আধুনিকতায় অনেক এগিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মঠ আর যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ। আশা করি, কিছুদিনের মধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। কিন্তু এই ডিজিটাল যুগেও প্রায়-ই অভিযোগ শোনা যায় যে, ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট উত্তোলন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে ছাত্র-ছাত্রীরা অবহেলা আর হয়রানির মুখোমুখি হন। আমি শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার, কাউন্সিলিং এন্ড সাপোর্ট সেন্টার, ক্যারিয়ার প্লানিং ইউনিট ইত্যাদি চালুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই। পাশাপাশি সেসন জট কমানোর প্রচেষ্টা হিসেবে লস রিকভারি প্ল্যান, গবেষণা মেলার আয়োজন, স্টুডেন্ট সাপোর্ট ইউনিট ইত্যাদি চালু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভাইস চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে ও ছাত্র শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

 

মন্তব্য করুনঃ


সর্বশেষ সংবাদ