গোপালগঞ্জে বিস্ফোরক লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে অতিরিক্ত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অপরাধে এক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের চর সোনাকুর এলাকার শ্মশান ব্রিজ-সংলগ্ন মোসার্স নিপুন প্রযুক্তির গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।জরিমানা করা ব্যবসায়ীর নাম শেখ যোবায়ের শেখ। তিনি মোসার্স নিপুন প্রযুক্তির গ্যাস সিলিন্ডার ডিলার এবং মো. আবু দাউদের ছেলে।মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, শেখ যোবায়ের শেখের গোডাউনের বিপরীতে থাকা বিস্ফোরক লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। এছাড়া অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে বেশি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মোবাইল কোর্টের বিচারক মোহাম্মদ আজম এ অভিযান পরিচালনা করেন।মোবাইল কোর্টের বিচারক মোহাম্মদ আজম বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গ্যাস সিলিন্ডার সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে আইন মেনে চলা এবং বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১১ ঘন্টা আগে
গাজীপুরের ডেগির চালা এলাকায় মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট কাজ করছে। ডেগির চালা এলাকায় ফকির মার্কেটের মেট্রিক্স গার্মেন্টসের আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় এ আগুনের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার এক মিনিটের মধ্যে, শনিবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। ঘটনাস্থলটি সংশ্লিষ্ট ফায়ার স্টেশন থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।আগুন নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট, কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের একটি, গাজীপুর ফায়ার স্টেশনের তিনটি এবং রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থল রয়েছে।আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ও গার্মেন্টস কর্মীদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন।
১২ ঘন্টা আগে
বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের নামে দায়সারা কাজ করে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পথ তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরিমাণ পিচ ও উপকরণ ব্যবহার না করেই কোনো রকমে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। ফলে সংস্কার শেষ হওয়ার আগেই কোথাও কোথাও পিচ উঠে যাচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশেই নিম্নমানের কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি না—তা খতিয়ে দেখা জরুরি। কারণ কাজের মান তদারকির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হলেও মাঠপর্যায়ে কার্যকর নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ও বেহাল হার্ড শোল্ডার সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। কিন্তু চলমান সংস্কারকাজে গুরুত্বপূর্ণ এসব অংশ যথাযথভাবে সংস্কার না করেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, নতুন করে পিচ দেওয়ার পরও কয়েকটি স্থানে তা উঠে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়কের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ হয়ে পড়েছে। এতে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে ভ্যান, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ করছেন চালকেরা।প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি অর্থ খরচ করে সংস্কার করা সড়ক যদি অল্প সময়ের মধ্যেই আবার নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সেই সংস্কারকাজের দায় নেবে কে?স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে একদিকে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার পরিবর্তে বাড়ছে। তাঁদের দাবি, শুধু কাগজে-কলমে কাজ শেষ দেখানো নয়, বাস্তবে কাজের মান নিশ্চিত করতে হবে।তাঁরা মহাসড়কের সংস্কারকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন, ব্যবহৃত পিচ ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা, কাজের পরিমাণ ও ব্যয়ের হিসাব যাচাই এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের প্রশ্ন, ঠিকাদারের কাজের মান যদি নিম্নমানের হয়, তাহলে তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কীভাবে তা অনুমোদন করছেন? আর যদি কর্মকর্তাদের তদারকিতেই কাজ চলে, তাহলে সংস্কারের পরপরই পিচ উঠে যাওয়ার দায় কার?তবে সংস্কারকাজে অনিয়ম, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার কিংবা ঠিকাদার ও সরকারি কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
১৬ ঘন্টা আগে
কক্সবাজারের রামু উপজেলা বাইপাস স্টেশনে পৃথক পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ৬০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন ব্যক্তিকে আটক করেছে এসআরবি-১৫।শুক্রবার ( ২ অক্টোবর) সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় এসআরবি-১৫, কক্সবাজারের একটি চৌকস যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু থানাধীন ফতেখারকুল চৌমুহনী সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) পিস ইয়াবা, ১টি সিএনজি অটোরিক্সা এবং ২টি মোবাইল ফোনসহ মাদক কারবারি মো: শফি আলম (৪২)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত মো: শফি আলম বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মৃত শহর আলী ও মৃত গুলবাহার দম্পতির সন্তান।একই ধারাবাহিকতায় গত ০২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ আনুমানিক দুপুর ১৪:৪৫ ঘটিকায় রামু থানাধীন ০৩নং ওয়ার্ডস্থ ফতেখারকুল চৌমুহনী সংলগ্ন এলাকায় অপর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২৯,৭৭৫ (উনত্রিশ হাজার সাতশত পঁচাত্তর) পিস ইয়াবা, ১টি সিএনজি অটোরিক্সা এবং ১টি মোবাইল ফোনসহ মাদক কারবারি মো. ইউনুছ (২০)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত মো. ইউনুছ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মো: শফি আলম ও আরেফা বেগম দম্পতির সন্তান। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৫ এর এ ধরনের অভিযান এবং জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১৬ ঘন্টা আগে