ফকির আতিয়ার রহমান রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধিপরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুপেয় পানির কষ্ট লাঘবে উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে।রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার দিগরাজ এলাকায় বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসীদের মাঝে ট্যাংক বিতরণ কালে তিনি এ সব কথা বলেন।পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চিলা, চাঁদপাই, সোনাইলতলা, মিঠাখালী ও সুন্দরবন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মাঝে ট্যাংক বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এদিন ৬টি ইউনিয়নের তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংক বিতরণ করা হয়।তিনি বলেন, তীব্র লবণাক্ততা অধ্যুষিত উপকূলীয় মোংলাসহ আশপাশ এলাকায় সুপের পানির মারাত্মক সংকট রয়েছে। এ সংকট নিরসনে এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে তা দিয়ে চাহিদা পূরণে উপকূলের জনগোষ্ঠীর মাঝে পানির ট্যাংক বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে পানির ট্যাংক পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সুপের পানির উৎস সৃষ্টিতে সরকারী পুকুরগুলো পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।উপকূলের কোন মানুষ যেন সুপেয় পানির জন্য কষ্ট না পায় সেজন্য যা যা প্রয়োজন তার সবকিছুই এ সরকারের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে।এ পানির ট্যাংক বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মোংলার উপ-সহকরাী প্রকৌশলী সোহান আহম্মেদ, উপজেলা বিএনপি সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নুর জনি, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান জনি।
৪ ঘন্টা আগে
সাভারে জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থার মার্কেটে প্রশাসক নিয়োগ বাতিল, দ্রুত নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা।রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সাভার জাতীয় অন্ধ সংস্থা মার্কেটের সামনে জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে পাঁচ শতাধিক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী অংশ নেন।জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থার মহাসচিব মো. আইয়ুব আলী হাওলাদার বলেন, অবৈধ প্রশাসক মানি না, মানবো না। দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ বাতিল করে নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচিত কমিটি ছাড়া মার্কেটের দোকানভাড়া উত্তোলনের কোনো বৈধতা নেই। অবৈধভাবে কেউ ভাড়া আদায় করলে পরবর্তী নির্বাচিত কমিটি তা মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচির পাশাপাশি মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
৭ ঘন্টা আগে
মতলব উত্তরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপর পুলিশের ‘হয়রানিমূলক’ মামলা প্রদান, আইনি কাগজপত্র নবায়নের সুযোগ না দেওয়া এবং বিভিন্ন ডিউটিতে গাড়ি ব্যবহারের পর প্রাপ্য ভাড়া না দেওয়ার অভিযোগে কর্মবিরতি পালন করছেন স্থানীয় সিএনজি চালক ও মালিক সমিতি।রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে চালক ও মালিকরা এই প্রতিবাদ জানান।অটোরিকশা চালক সিরাজ মিয়া বলেন, সরকারি বা প্রশাসনিক জরুরি ডিউটির কথা বলে পুলিশ প্রায়ই সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে যায়, কিন্তু ডিউটি শেষে চালকদের কোনো ভাড়া বা জ্বালানি খরচ প্রদান করা হয় না। চালক মানিক মিয়া বলেন, অনটেস্ট গাড়িগুলোর কাগজপত্র করার কোন সুযোগ দিচ্ছে না সরকার। চালকদের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও ট্রাফিক ও থানা পুলিশ অন্যায়ভাবে মামলা দিচ্ছে। কোনো কারণে গাড়ির কাগজপত্র জব্দ বা কনটেস্ট করা হলে সেগুলো সঠিক প্রক্রিয়ায় রিনিউ বা ছাড়িয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল ফরাজী জানান, আমরা নিয়ম মেনে সড়ক গাড়ি চালাতে চাই। কিন্তু বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও যেভাবে মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং ডিউটির নামে গাড়ি খাটিয়ে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না, তাতে আমাদের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। হয়রানি বন্ধ এবং দাবিসমূহ না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচি বজায় থাকবে।কর্মবিরতির ফলে সকাল থেকেই মতলব উত্তরের প্রধান প্রধান সড়ক ও অভ্যন্তরীণ রুটে সিএনজি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, পথচারী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গন্তব্যে পৌঁছাতে সাধারণ মানুষকে বিকল্প উপায়ে বাড়তি ভাড়া গুণে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব হয়রানীর অভিযোগকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমরা কেন তাদের হয়রানি করতে যাব আমরা শুধু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মান্য করে আইন বাস্তবায়ন করছি।
৭ ঘন্টা আগে
রাতে কনের বাড়িতে চলছিল গায়ে হলুদ। সেই আয়োজনে এসেছিল বর। বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে প্রাণ গেলো বরের। শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় বেড়ির মাথা-মোল্লারহাট সড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।আজ রোববার (২৩ আগস্ট) ছিল বৌ-ভাত। কিন্তু নতুন বিয়ের পুরো আনন্দ এখন বিষাদে রূপ নিয়েছে।নিহত বর (মাহিন) রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আর কনে (মিফতাহ) বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় দু’দিন আগেই চুপিসারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কনে বরের বাড়িতে না গেলেও হয়েছেন বিধবা। এতে এক পরিবারে ছেলে হারানোর শোক, অন্য পরিবারে সদ্য বিবাহিত কনের স্বামী হারানোর শোক চলছে।কনের বাড়িতে বিয়ের দাওয়াতি রান্নার হাড়ি-পাতিল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে ছিল। খালি পড়ে ছিল বরের বসার স্থান। দাওয়াতি মানুষকে বসানোর জন্য আনা প্লাস্টিকের চেয়ারগুলোও বিছানো হয়নি।কনের মামা জাহেদুন সোহেল জানান, তার ভাগনির গত রাতে গায়ে হলুদ ছিল। সেখানে বরও আসে। কিন্তু রাতে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা বর মারা যায়। সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় বেড়ির মাথা-মোল্লারহাট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।তিনি আরও জানান, বর ও কনের বয়স ১৪-১৫। এজন্য দুদিন আগেই তাদের বিয়ে হয়। রোববার বৌ-ভাত ছিল। শনিবার রাতে গায়ে হলুদে সবাই আনন্দে মেতে উঠে। কিন্তু হলুদ শেষে সকল আনন্দ বিষাদে রূপ নিয়েছে।লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের খবর শুনেছি। বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।
৭ ঘন্টা আগে