গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদগ্রামে ট্রাক-নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজু শেখ (১৭) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নসিমন চালকসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বেদগ্রাম-রঘুনাথপুর সড়কের বেদগ্রাম রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নসিমনে থাকা রাজু শেখসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু শেখ মারা যান। নিহত রাজু শেখ পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার হোগলাবুনিয়া গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে।গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রঘুনাথপুর থেকে একটি নসিমন বেদগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। পথে বেদগ্রাম রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে নসিমনটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।
৭ ঘন্টা আগে
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুটির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায় ট্রাকটি। এসময় ট্রাকের উপর থেকে ছিটকে পড়ে নুর জামাল নামে (২৫) এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার সময় মহানগরীর কোনাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ রোড পুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত ব্যক্তি হলেন,সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার দাতপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহানগরীর কাশিমপুর থেকে মাল-বোঝাই একটি ট্রাক কোনাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎতের দিকে আসছিল। এমন সময় পুকুরপাড় এলাকায় আসলে মালবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা খুটির সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়।এসময় ৫ জন যবুক ছিটকে নিচে পড়ে যায়। ওদের মধ্যে নুর জামাল গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাস্তায় মারা যায়।গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) হামিদ মিয়া জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৭ ঘন্টা আগে
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার বিখ্যাত কুই জাতের প্রায় ৭৮০ কেজি আনারস পাঠিয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১টায় আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১০০টি বাক্সে মোট ৬০০ পিস আনারস বাংলাদেশে প্রবেশ করে।উপহার গ্রহণের সময় আখাউড়া চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগের সচিব অর্পূব রায় বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহার পক্ষ থেকে এই সৌজন্য উপহার পাঠানো হয়েছে ।
৭ ঘন্টা আগে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না। আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে কোনো দাগী বা দুর্ধর্ষ অপরাধী যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে যেতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।বুধবার (২৯ জুলাই) মেঘনা উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ড. খন্দকার মারুফ বলেন, জনগণের কাছে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ দমনে সরকারের নীতিগত অবস্থান জিরো টলারেন্স উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি অপরিহার্য।তিনি আরও বলেন, অপরাধীর কোনো আদর্শ নেই, কোনো দল নেই। তাদের একমাত্র পরিচয় তারা অপরাধী। যে দলেরই হোক না কেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. রমিজউদ্দিন লন্ডনী, সদস্য সচিব এম. এম. মিজানুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন সরকার, দিলারা শিরীনসহ প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।সভা শেষে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রাম পরিদর্শন করেন। সম্প্রতি সেখানে সংঘটিত নৃশংস হামলায় নিহত গৃহবধূ কোহিনূর বেগম (৪৫)-এর পরিবারের সদস্য ও ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি কোহিনূর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।পরে তিনি মোজাফফর আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। কলেজ ক্যাম্পাসে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ড. খন্দকার মারুফ বলেন, “গাছ আমাদের পরম বন্ধু। এটি অক্সিজেন দিয়ে মানবজীবন রক্ষা করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। ফলদ ও বনজ গাছ মহান আল্লাহর অমূল্য নিয়ামত। পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।”তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি নিজ নিজ বাড়ির আঙিনাসহ বিভিন্ন স্থানে বনজ ও ফলদ গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানান।বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম. এম. মিজানুর রহমান। এ সময় স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
৮ ঘন্টা আগে