তাপস দে আকাশ, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ৭ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৯:৩৪:১৮
চুয়েটে আন্দোলনের মুখে বেতন ভাতা পরিশোধ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ১ হাজার ৮৭ শিক্ষক, ৫৫০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা বন্ধ করে দিলেও শেষ পর্যন্ত পরিশোধে বাধ্য হয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। বুধবার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে বেতন পরিশোধ করা হয়।
চুয়েট কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রীয়তোষ চক্রবর্তী জানান
শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা বন্ধ করে দিলেও শেষ পর্যন্ত পরিশোধে বাধ্য হয়েছেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। বুধবার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে বেতন পরিশোধ করা হয়।
জানাযায়, গত মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপককে চিঠি দিয়ে বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। এই নির্দেশনা আসার পর বুধবার সকাল থেকে সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখা তালা ও লেনদেন বন্ধ করে দেয় শিক্ষক,কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা,পরে দুপুরের দিকে আন্দোলনের মুখে বেতন পরিশোধে বাধ্য হয়েছেন নতুন উপাচার্য।
নতুন উপাচার্য চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ধারা ১৩ (৭) অনুযায়ী উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া যেকোনো আর্থিক লেনদেন আইনত অবৈধ। ব্যাংক এই টাকা ছাড় করলে তাদেরও বেআইনি আর্থিক লেনদেনে সহায়তার জন্য যৌথভাবে দায়ী করা হবে।’ একই সঙ্গে অবাধ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর পর থেকেই নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের দাবির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যান।
টানা ১৬ দিনের এই শাটডাউনে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।