প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬ -২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
দেশের কৃষি খাতকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস এবং ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে।বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান।এদিন নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর টেবিলে প্রধানমন্ত্রীর জবাব ছাড়াও পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, পরিকল্পনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর উত্থাপিত হয়।সংসদ অধিবেশনে অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে জানান, বর্তমান সরকার মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে অত্যন্ত কঠোর ও বদ্ধপরিকর। অপরাধীদের দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। এতে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নিয়ে নিজ নিজ বক্তব্য ও মতামত তুলে ধরেন।বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা খাতের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যার পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মামলা-মোকাদ্দমার বর্তমান অবস্থা এবং তা নিরসনে মন্ত্রণালয়ের নেয়া আইনি পদক্ষেপগুলো সংসদের সামনে উপস্থাপন করেন।
২ দিন আগে
বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এই বাজেট প্রণয়ন করেছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি যারা জনকল্যাণমুখী এই বাজেটকে ‘চানাচুর’ বা ‘গণবিরোধী’ বলে আখ্যায়িত করছেন, তাদের তীব্র সমালোচনা করে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।১৭ জুন বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্টভাবে এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল অংশজুড়ে ছিল বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দর্শন এবং বাজেটের জনকল্যাণমুখী দিকসমূহ। বাজেট নিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘এই বাজেট জনগণের বাজেট। যে বাজেটের মাধ্যমে, অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে আমরা জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই, সেই বাজেটকে যারা ‘চানাচুর’-এর সাথে তুলনা করে, যে বাজেটে আমরা সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ড এবং আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ রেখেছি, সেই বাজেটকে তারা ‘গণবিরোধী’ বলে প্রচার করছে। আপনারা নিশ্চয়ই বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন।’তিনি তার বক্তব্যে বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমরা যে বাজেট পেশ করেছি, সেখানে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি। আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার—গ্রাম ও উপজেলার মানুষ যেন ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা পায়। এর পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার জন্য বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। কয়েক মাস আগে নির্বাচনের প্রচার অভিযান শুরু করেছিলাম সিলেটের পবিত্র মাটি থেকে। হবিগঞ্জের জনসভায় আমি কথা দিয়েছিলাম, বিএনপি সরকার গঠন করলে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন করব। আজ মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি আমার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছি। আজ চা বাগানের নারী শ্রমিকদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়েছি এবং ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা চা বাগানের সকল নারী শ্রমিকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেব।’’নারীর ক্ষমতায়ন ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচিত করেছিল আমাদের ওপর আস্থা রেখে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে আমরা পর্যায়ক্রমে সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার যে অঙ্গীকার করেছি, সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যেই আমরা তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।’চা শ্রমিকদের সহায়তায় সরকারের অন্যান্য উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয়, চা বাগানের ৫০ জন নারী শ্রমিককে গৃহনির্মাণের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি। এছাড়া প্রায় ১৫০ জন শ্রমিকের মেধাবী সন্তানদের পড়াশোনার জন্য বিশেষ স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী মানুষদের চিকিৎসার জন্যও আমরা আর্থিক চেক তুলে দিয়েছি এবং প্রশাসনের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইমাম, মোয়াজ্জেম, খতিবসহ সকল ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য মাসিক সম্মানির ব্যবস্থাও আমরা নিশ্চিত করেছি।’ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই দেশের কৃষকদের পাশেও দাঁড়াতে চাই। আগামী জুলাই থেকে এক বছরের মধ্যে আমরা দেশের ৪০ লক্ষ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেব। মূলত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই, আর এই কাজগুলো আগামী পাঁচ বছর যেন অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশাই করি।’’দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘দেশের শিল্পোদ্যোক্তা ও মিল-কারখানাগুলোকে রক্ষার জন্য আমরা বিশেষ সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের সুরক্ষায় বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সমজাতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়েছি, যাতে স্থানীয় কারখানাগুলো সচল থাকে। আর এই কারখানাগুলো চললে আমাদের বেকার যুবক-যুবতীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। আমাদের দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার এই ব্যবস্থাগুলোও আমরা বাজেটের অন্তর্ভুক্ত করেছি।’বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, ‘আপনারা কি চান এই উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত থাকুক? আপনারা কি চান দেশের সকল মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাক?’ উপস্থিত হাজারো মানুষের সমস্বরে ইতিবাচক সাড়ায় প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান এবং উন্নয়নের এই ধারা বজায় রাখতে দলের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।
২ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ডের তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করেন।বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছায়। এ কর্মসূচির আওতায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আকাশপথে সিলেট পৌঁছানোর পর তিনি বাসে করে শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান বেলা ১টার পর। তিনি ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের মঞ্চে পৌঁছানোর পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।শ্রীমঙ্গলের অনুষ্ঠান শেষে দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫২টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।সেখান থেকে বিকেলে দুসাই রিসোর্টের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে এক সভায় যোগ দেবেন।সভা শেষে সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত বাসে চড়ে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওয়ানা হন তারেক রহমান। বিমানবন্দর সড়ক থেকে শহরের ভেতরে এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে স্বাগত জানান।এমন সময় বিমানবন্দর সড়কের পাশের চা বাগান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। চৌকিদেখি এলাকায় সবুজ চা বাগানের পাশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাওয়ার সময় গাড়িতে ফুলের মালা ও পাপড়ি ছিটিয়ে দেন লাক্কাতুড়া ও মালনীছড়া চা বাগানের শ্রমিকরা।চা শ্রমিকদের পরেই সেখানে দাঁড়িয়ে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। চৌকিদেখি পয়েন্টে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল-কৃষকদলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র সহ সভাপতি জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মজুমদার ও মাহবুবুল হক চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব।এছাড়াও সিলেট নগরোর আরও তিনটি পয়েন্টে সরকার প্রধানকে স্বাগত জানান বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা। বিএনপি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও সিলেটের সাধারণ মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সবার অভিবাদন গ্রহণ করেন।সিলেট থেকে সেখান থেকে সড়ক পথে যাত্রা করে বেলা একটায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
২ দিন আগে