দেশের অটোমোটিভ ও মোবিলিটি খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এসিআই মোটরস লিমিটেডে (ACI Motors Ltd.) ডেপুটি প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিয়েছেন আল জুবায়েদ তালুকদার। এর আগে তিনি প্রায় চার বছরেরও বেশি সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও বিপণন-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে কাজ করেছেন।নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক এই শিক্ষার্থী তার কর্মজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন এসিআই মোটরসের তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ নতুন সুযোগ তৈরি করে এবং প্রতিটি সুযোগই ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের নতুন দ্বার উন্মোচন করে। নতুন এই দায়িত্বে তিনি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি এবং নতুন সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে কর্মরত অবস্থায় জুবায়েদ ডেপুটি ব্র্যান্ড ম্যানেজার, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার এবং ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি–ব্র্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি ব্র্যান্ড কৌশল, ব্র্যান্ড উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ট্রেড মার্কেটিং এবং বিক্রয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।এর আগে তিনি এসকোয়ার গ্রুপে সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি শিক্ষাজীবনে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং ক্লাব এবং আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন এআইইএসইসির (AIESEC) বিভিন্ন কার্যক্রমেও সম্পৃক্ত ছিলেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ও মার্কেটিংয়ে তার অভিজ্ঞতা এসিআই মোটরসের পণ্য উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের প্রতিযোগিতাপূর্ণ অটোমোটিভ ও মোবিলিটি খাতে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেও তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ দিন আগে
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীন আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় নিয়োগ পরীক্ষা দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।একইসঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগ গত ২৫ মার্চ ইস্যুকৃত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও ২ (দুই) মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
২ মাস আগে
৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ৬৩১জন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা গত বছরের ২৭ নভেম্বর শুরু হয়ে ১৮ ডিসেম্বর শেষ হয়। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ১০ হাজার ৬৪৪ জন প্রার্থী আটটি বিভাগীয় কেন্দ্রে এই পরীক্ষায় অংশ নেন।এর আগে, গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল মাত্র ৯ দিনের মাথায় ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করে নজির সৃষ্টি করেছিল পিএসসি।বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার ৪৭তম আসরের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিধিমালা, ২০১৪ অনুসরণ করে প্রকাশিত এই ফলাফলে সামগ্রিকভাবে (প্রোভিশনালি) ৩ হাজার ৩৬১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।উল্লেখ্য, এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার পদে ৩ হাজার ৪৮৭ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনসহ মোট ৩ হাজার ৬৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
২ মাস আগে
স্কুলে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং সহজে শনাক্ত করতে না পারার ঝুঁকির কারণে প্রভাবিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে সহপাঠীদের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে হওয়া হয়রানি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিসেফের সহায়তায় ব্রিটিশ কাউন্সিল একটি নতুন বৈশ্বিক ‘সেফগার্ডিং টুলকিট’ চালু করেছে। এর লক্ষ্য হলো স্কুলগুলোতে ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করা, পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সুরক্ষার একটি অভিন্ন চর্চা গড়ে তোলা।এই সংকটের গভীরতা বর্তমানে বেশ স্পষ্ট। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১৫ কোটি শিক্ষার্থী স্কুল বা তার আশেপাশে সহপাঠীদের কাছে কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ইউনিসেফ ও আইটিইউ-এর তথ্যমতে, বিশ্বের প্রতি তিনজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে একজন শিশু। ফলে অনলাইনে শোষণ ও প্রতারণার ঝুঁকি আগের চেয়ে বেড়েছে। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি সাতজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে, যা প্রায়ই স্কুলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সঙ্গে আন্তঃসম্পর্কিত।তবে মূল সমস্যাটি কেবল সচেতনতার নয়, বরং নীতিমালার সঠিক প্রয়োগের। অনেক স্কুলেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য লিখিত নীতিমালা থাকে, কিন্তু দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই ভিন্নতা দেখা যায়।ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘সুরক্ষা কেবল কারও ব্যক্তিগত অনুমান বা বিশেষ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করতে পারে না। এটি মূলত প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভূমিকা, তথ্যের সঠিক নথিবদ্ধকরণ এবং স্বচ্ছ ধাপগুলো বজায় রাখা জরুরি। এতে সমস্যাগুলো শুরুতেই ধরা পড়বে এবং সেই অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এই টুলকিটটি মূলত স্কুলের সুরক্ষা নীতিকে প্রতিদিনের অভ্যাসে রূপান্তর করতে সাহায্য করবে।’ইউনিসেফ স্পেনের চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার আলমোদেনা ওলাগুইবেল বলেন, ‘সেফগার্ডিং টুলকিটটি ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ইউনিসেফের এক অভিন্ন উপলব্ধিকে প্রতিফলিত করে—কার্যকর সুরক্ষা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে নয়, বরং সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান সময়ে সুরক্ষা সংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো যত জটিল এবং কম দৃশ্যমান হয়ে উঠছে, ততই প্রস্তুতি, স্পষ্টতা এবং স্কুল সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সম্মিলিত দায়িত্ববোধ অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে উঠছে।’স্কুলের প্রাত্যহিক ব্যবহারের জন্য তৈরি টুলকিটটি ব্যক্তিগত বিচার-বুদ্ধির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করবে। এটি সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বগুলো আরও পরিষ্কার করবে, তথ্যের সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং যৌথভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পথনির্দেশনা তুলে ধরবে। এ ছাড়া শিশুদের সুরক্ষা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণের বিষয়গুলোকে এখানে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।নিরাপত্তার ঝুঁকিগুলো যেহেতু এখন বাস্তব জগতের পাশাপাশি অনলাইন জগতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, এই টুলকিটটি স্কুলগুলোকে আরও নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ঝুঁকি যেমন- অনলাইন গ্রুমিং, হয়রানি, জালিয়াতি এবং এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর মতো বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বড় আকার ধারণ করার আগেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি দিকনির্দেশনা দেবে।বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগী ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি স্কুলে এই টুলকিটটি চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী সরাসরি সুরক্ষার আওতায় আসবে। স্থানীয় আইন ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রাখতে স্কুলগুলোকে সহায়তা করবে।
২ মাস আগে