বেসরকারি টিভি চ্যানেল ইটিভির একটি জনপ্রিয় টকশো ‘ফ্যাক্টচেক’। এর উপস্থাপক হলেন হারুন উর রশীদ। সম্প্রতি এই টকশোর একটি অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার ও ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলার সাবেক সংবাদ উপস্থাপক ও সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। শোতে বাংলাদেশ-ভারতের রাজনীতি ও সামাজিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এক পর্যায়ে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চান।ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ বলেন, আব্দুন নূর তুষার খুব খুব অদ্ভুত সুন্দরভাবে কথাগুলো বলেছেন, যে আমি আমার একটা বিলিফ থেকে আমি এ লড়াইটা লড়ছি। কিন্তু তুষারের মতো সেন্সিবল মানুষরা একটা পয়েন্টে আমার মনে হয়েছিল বাংলাদেশে তারা কথা বলা চব্বিশের ৫ আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন।তিনি বলেন, সেন্সিবল মানুষ আবারও বলছি বাংলাদেশের সেন্সেবল মানুষজন যদি ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের কথায় আঘাত পেয়ে থাকেন; যদি তাদের মনে হয়ে থাকে যে ‘এই কথাটা বলল’ তাহলে আমি আন্তরিকভাবে তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।ময়ূখ তার বিতর্কিত সংবাদ উপস্থাপনের জন্য বরাবরই সমালোচিত হন। এমনকি বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে নেতিবাচকভাবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।কখনো লাফাচ্ছেন, কখনো দৌড়াচ্ছেন, আবার কখনো চিৎকার-চেঁচামেচি করছেন। বলছেন আজগুবি সব কথা, দিচ্ছেন নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য। ‘বাংলাদেশ থাকবে না। থাকবে না বাংলাদেশ। আজ আমি চিৎকার করব না। আমি রেগে কোনো কথা বলব না। আমি অভিমান করেছি। আমি শোকাহত এমন অসংখ্য উদ্ভট কথার মাধ্যমে অনবরত বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজবের জন্ম দেন ময়ূখ।
২ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ও দৈনিক অবজারভার পত্রিকার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করেছে পুলিশ।বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মহাখালীতে বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্রের দাবি, চলমান শ্রমিক আন্দোলনে ইন্ধনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর আগে গত ১৫ এপ্রিল ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব যাওয়ার পথে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। সেদিন সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার জেদ্দা যাওয়ার কথা ছিল।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন প্রবীণ এই সাংবাদিক। তবে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর জানাজায় অংশ নিতে প্রেসক্লাবে যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীসহ আওয়ামীপন্থী সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিক। তখন জামায়াত নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে তাদের বসার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে প্রকাশ্যে আর দেখা যায়নি।দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বাসসের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে ডিবিসি নিউজের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিতেও যুক্ত তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ফেনী-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সরকারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১ দিন আগে
ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও অনলাইন গণমাধ্যমের পেশাগত উন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় কাজ করা সংগঠন ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের (ডিএমএফ) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে এ কমিটি। নতুন কমিটিতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন দ্য বিজনেস ডেইলির মো. দেলোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন গ্লোবাল টেলিভিশনের মহিউদ্দিন মানিক।শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বনশ্রীতে অবস্থিত ডিএমএফের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রুপালী বাংলাদেশের তামজিদ মির্জা, ডিবিসি নিউজের আরেসুল ইসলাম রাসেল এবং জাগো নিউজের পরান মাঝি।সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের সৈয়দ জাফরান হোসেন নূর। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বাংলাভিশনের মোরশেদ আলম।সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দূরবীন নিউজের মো. শামছুল আলম। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সদ্য সংবাদের মিঠুন।অর্থ সম্পাদক হয়েছেন দীপ্ত টিভির মইন উদ্দিন রাতুল এবং সহ-অর্থ সম্পাদক হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের রুহুল আমিন। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন টাইমস টুডের মেহেদী হাসান রনি। উপদপ্তর সম্পাদক হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের মারুফ হোসেন।আইন সম্পাদক হয়েছেন গ্লোবাল টিভির আলাউদ্দিন আল আজাদ। প্রচার সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন চ্যানেল ওয়ানের আলাউদ্দিন মিয়া।নারীবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ভিওডি বাংলার নুরুন্নাহার চৌধুরী কলি। স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এখন টিভির তৌহিদুল ইসলাম তারেক। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হয়েছেন এশিয়া পোস্টের আজাদ হোসেন।আইসিটি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম তুষার। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন দ্য ডেইলি এলাইভের মোহাম্মদ আবদুল মজিদ সুজন। ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন চ্যানেল আইয়ের আবু রায়হান ইফাত।পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন স্বদেশ প্রতিদিনের রবিউল ইসলাম এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন এনপিবি নিউজের শিবলী আহমেদ।কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফখরুল ইসলাম, দৈনিক যুগান্তরের আবু সালেহ মুসা, টাইমস টুডের ওয়ালিউল হাসনাত, জাতীয় অর্থনীতির নুসরাত জাহান ঐশী, দৈনিক সময়ের কাগজের তাবারাক হোসাইন এবং এশিয়ান টেলিভিশনের আকাশ বিশ্বাস।ডিজিটাল সাংবাদিকতার পেশাগত মানোন্নয়ন, অনলাইন গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় নতুন কমিটি কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংগঠনের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কমিটি ঘোষণা করেন ডিএমএফের উপদেষ্টা ও দৈনিক ইনকিলাবের অনলাইন ইনচার্জ নুরুল ইসলাম। অপর ২ কমিশনার ছিলেন ডিএমএফের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, স্টার নিউজের হেড অব ডিজিটাল মইন বকুল এবং বাংলা ৫২ নিউজের প্রকাশক কাজী আওলাদ হোসেন।
৪ দিন আগে
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফর জামান আলিফকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১৯ অক্টোবর) দেওয়ানগঞ্জ প্রেসক্লাবে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক লুৎফর জামান আলিফ হত্যাকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করতে হবে বলে দাবি জানান তারা। বক্তারা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা ও হামলার ঘটনায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। যাতে ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিককে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
২ সপ্তাহ আগে