বাংলাদেশে বর্ষাকাল মানেই গ্রীষ্মের তীব্র গরম থেকে স্বস্তি। তবে গরমের থেকে স্বস্তি পেলেও, বৃষ্টির দিনে কাপড় ধোয়া অনেক পরিবারের জন্য বড় এক সমস্যায় পরিণত হয়।বৃষ্টির দিনগুলোতে বারান্দা সবসময় ভেজা থাকে। অন্যদিকে, বসার ঘর পরিণত হয় কাপড় শুকানোর জায়গায়। টানা কয়েক দিন রোদ না উঠলে বিপদ আরও বাড়ে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ধোয়া কাপড় সহজে শুকাতে চায় না। এক-দুই দিনেও কাপড় পুরোপুরি শুকাতে না পারলে তাতে স্যাঁতসেঁতে গন্ধও ধরে যায়।এমন অবস্থায় যারা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অফিসে থাকেন, তাদের জন্য এই ঝামেলা আরও বেশি। দিনভর কাজের পর কাপড় ধুয়ে ফেললেও সেগুলো ঠিকমতো শুকানোর চিন্তা থেকেই যায়। আবার, কাপড়ে একবার স্যাঁতসেঁতে গন্ধ ধরে গেলে তা নতুন করে ধোয়া ছাড়া উপায় থাকে না। যেসব পরিবারে স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়ে আছে তাদের চিন্তা আরও বেশি। বর্ষার দিনগুলোতে প্রতিদিন স্কুল ইউনিফর্ম ধুয়ে, তা শুকিয়ে, সময়মতো প্রস্তুত রাখা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে পড়ে।এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স মানুষের জীবনে অনেকটা স্বস্তি এনে দিচ্ছে। বিশেষ করে, এআইচালিত ওয়াশিং মেশিন কাপড় ধোয়ার পুরো প্রক্রিয়াটিকেই আরও সহজ করে তুলছে। উদাহরণ হিসেবে স্যামসাংয়ের এআই-সমৃদ্ধ ওয়াশিং মেশিনের কথা ধরা যায়। এই ওয়াশিং মেশিন কাপড়ের ধরণ অনুযায়ী সাবানের ফেনার, কাপড় ধোয়ার সময় এবং স্পিনের গতি নিজেই ঠিক করে নিতে পারে। এআই প্রযুক্তি ভালোভাবে কাপড় পরিষ্কার করার বিষয়টি নিশ্চিত করে। আর দ্রুতগতির স্পিন সাইকেল কাপড় শুকানোর জন্য প্রয়োজোনীয় সময় অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তাছাড়া, এসব ওয়াশিং মেশিন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও করতে পারে। ফলে বর্ষার সময় বেশি কাপড় ধুলেও বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাওয়ার চিন্তা অনেকটাই কমে যায়।বর্ষার আবহাওয়া যখন দিন দিন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, তখন এ ধরনের প্রযুক্তি কাপড় পরিষ্কার করার পাশাপাশি সময় সাশ্রয় করে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং বছরের সবচেয়ে আর্দ্র সময়েও পরিবারের দৈনন্দিন কাজ সহজভাবে চালিয়ে যেতে সাহায্য করে।
১৪ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের স্কিনকেয়ার খাতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো। আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনসকে (The Purest Solutions) আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে টি. এন. ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (T. N. Trade International)।এ উপলক্ষে ২০ জুলাই সোমবার রাজধানীর রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকা-এর গ্র্যান্ড বলরুমে একটি জমকালো ব্র্যান্ড লঞ্চিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ও প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা হাজাল এভলিয়াওগ্লু, রপ্তানি বিশেষজ্ঞ মুরাত ওরকুন হিরচিনসহ ব্র্যান্ডটির আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, ফ্যাশন ব্লগার ও ব্র্যান্ড প্রোমোটার বুশরা কবির এবং উপস্থাপক ও অভিনেত্রী মৌসুমী মৌ।অনুষ্ঠানে টি. এন. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের ভোক্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র মাধ্যমে আমরা এমন একটি ব্র্যান্ড উপস্থাপন করছি, যা গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যাত্রা বাংলাদেশের প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’হাজাল এভলিয়াওগ্লু বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বাজার। টি. এন. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ভোক্তাদের কাছে দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আন্তর্জাতিক মানের প্রিমিয়াম স্কিনকেয়ার অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে পেরে আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সফল যাত্রার সূচনা।’মুরাত ওরকুন বলেন, ‘বাংলাদেশে দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র যাত্রা আমাদের বৈশ্বিক সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা টি. এন. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক মানের গুণগত নিশ্চয়তা ও সর্বোত্তম গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’বাংলাদেশে দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র এই যাত্রার অফিশিয়াল স্ট্র্যাটেজিক ব্র্যান্ড অ্যান্ড লঞ্চ পার্টনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে পপ অব কালার লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যান্ড লঞ্চ স্ট্র্যাটেজি, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন, জনসংযোগ, মিডিয়া সমন্বয়, সেলিব্রিটি ও অতিথি ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স বাস্তবায়নে কৌশলগত ভূমিকা পালন করছে।পপ অব কালার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিংকার জান্নাত মীম বলেন, ‘একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বাংলাদেশে যাত্রা শুধু একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নয়; এটি একটি নতুন সম্ভাবনার সূচনা। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স তৈরি করা, যা অতিথিদের কাছে দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র প্রিমিয়াম মান, ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিশনকে স্মরণীয় করে তুলবে।’অফিসিয়াল ব্র্যান্ড উন্মোচনের পাশাপাশি অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিলো প্রোডাক্ট শোকেস, মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাম্প প্রেজেন্টেশন, ফটোসেশন, নেটওয়ার্কিং এবং গালা ডিনার। দেশি-বিদেশি অতিথি, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, বিউটি ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজনটি আন্তর্জাতিক মানের একটি ব্র্যান্ড অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।
১ দিন আগে
এই গরমে প্রশান্তিময় হতে পারে ইতালির ভিন্ন স্বাদের অ্যাফোগাটো কফি। অ্যাফোগাটো হচ্ছে একটি ডেজার্ট। এটি ভ্যানিলা আইসক্রিম এবং এসপ্রেসো দিয়ে বানানো হয়। এর উদ্ভাবন হয়েছে ইতালিতে। "অ্যাফোগাটো" শব্দটির আক্ষরিক অর্থ "ডুবানো"। কফির ভিতর আইসক্রীমকে ডুবিয়ে দেওইয়ার কারণেই এ রকম নাম দেওয়া হয়েছে।এই উপকরণ তৈরিতে যা যা লাগবে-৬ গ্রাম কফি, ১-২ স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিম, ৯০ মিলি গরম পানি। আর লাগবে সামান্য কুকিজ সাজানোর জন্যপ্রস্তুত করবেন যেভাবে- একটি গ্লাসে ভ্যানিলা আইসক্রিম নিন। অন্য একটি কাপে গরম পানিতে কফি মিশিয়ে নিন। এবার আইসক্রিমের উপরে গরম কফি ঢেলে দিন। এর উপরে কফি পাউডার ও কুকিজ দিয়ে পরিবেশন করুন অ্যাফোগাটো কফি। এবার এই গরমে এই ভিন্ন স্বাদের কফি উপভোগ করুন।
২ সপ্তাহ আগে
যদি প্রশ্ন করা হয় তবে বেশিরভাগই উত্তর দেবেন, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ নয়। এর বড় কারণ হলো তারা পরিশ্রম অনুযায়ী উপার্জন করতে পারে না, এমনকি তারা কাজের প্রতি অনেক বেশি নিবেদিত থাকে। সবার ছুটি থাকলেও তাদের ছুটি মেলে কম। যে কারণে প্রিয়জন এবং পরিজনদের সময়ও দিতে পারে না। জেনেশুনে এমন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সাহস ক’জনেরই বা থাকে! তবে বাস্তবতাকে কাছ থেকে দেখলে দেখা যায়, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে জীবন শেয়ার করা বেশ কিছু ইতিবাচক অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ হতে পারে। সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১১টি দারুণ সুবিধা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলো-১. সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত সাহচর্যএকজন সাংবাদিক প্রতিদিন নানা ঘটনাকে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করেন। তাদের এই সৃজনশীলতা সম্পর্কের অন্দরেও ছড়িয়ে পড়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়ে একঘেয়েমি আসার সুযোগ নেই; যেকোনো বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে অবিরাম কথা বলা যায়, যা আপনাকে সবসময় সতেজ রাখবে।২.তারা শহরের সবচেয়ে ভালো জায়গাগুলো জানেঅনেকে মনে করেন, সাংবাদিকেরা নিস্তেজ, অসামাজিক এবং আত্মপ্রেমেই মগ্ন থাকে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। তারা শহরের সবচেয়ে আনন্দদায়ক পার্টিতে, সিনেমার প্রিমিয়ারে যেতে পারে; সেরা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে পারে। এমন মানুষের সঙ্গী হতে কে না চাইবে!৩.তথ্যের ভাণ্ডারে আপনি এগিয়েবিশ্বজুড়ে কী ঘটছে, কোন বিষয়ের পেছনের ঘটনা কী, সাংবাদিকরা তা অন্যদের চেয়ে দ্রুত জানেন। তাদের সঙ্গে সম্পর্কের সুবাদে আপনিও দেশ-বিদেশের সাম্প্রতিক সব বিষয়ে আপডেট থাকবেন, যা আপনার নিজের জ্ঞান ও স্মার্টনেস বাড়াতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।৪.অন্তহীন কথোপকথনসাংবাদিকরা বোকা এবং স্মার্টনেসের একটি নিখুঁত মিশ্রণ। বিশ্বের চারপাশে যা ঘটছে তার খোঁজ তারা স্বাভাবিকভাবেই রাখে। তাদের সঙ্গে কথোপকথন আকর্ষণীয়। কথা চালিয়ে গেলে তা আপনাকেও জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে, তাদের সঙ্গে কথা অবিরাম কথা বললেও আপনি বিরক্ত হবেন না। কারণ তারা যেকোনো বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।৫.মাল্টিটাস্কিংয়ে দক্ষসাংবাদিকদের কাজ করতে হয় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে। অগণিত কাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা তাদের রক্তে মিশে থাকে। এই দক্ষতা তারা ব্যক্তিগত জীবনেও প্রয়োগ করেন। কর্মক্ষেত্রের ব্যস্ততার মাঝেও তারা আপনার প্রতি ভালোবাসা এবং যত্ন বজায় রাখতে বেশ পটু।৬.টাকা তাদের কাছে মূখ্য নয়তাদের কাজের প্রতি অনুরাগই তাদের চালিত করে, অর্থ নয়। যদি এটি অর্থ তৈরির বিষয়ে হতো, তবে তারা এই পেশায় থাকতো না। তারা তাদের পরিশ্রমের হিসাবে ততটা উপার্জন নাও করতে পারে, তবে তারা সময়কে বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারে।৭.বিশ্বস্তবিশ্বাস হলো অন্যতম বৈশিষ্ট্য যা সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ডের বাইরে রাখা থেকে শুরু করে তারা অনেক কিছুই নিরাপদ ও গোপন রাখতে জানে। নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি যদি একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করেন তবে আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ হবে না এবং আপনার গোপনীয়তা সব সময় নিরাপদ থাকবে।৮.আপনাকে স্পেস দেবেসাংবাদিকদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। তারা আপনাকে এক মিলিয়ন প্রশ্ন দিয়ে অতিষ্ঠ করবে না বা আপনি কীভাবে আপনার দিনের প্রতিটি মিনিট কাটিয়েছেন তা জানার দাবি করবে না। তারা আপনাকে স্পেস দেবে এবং বিনিময়ে একই আশা করবে।৯.কঠোর পরিশ্রমীসাংবাদিক হওয়া সহজ নয়। এটি কঠোর পরিশ্রম এবং নিঃশর্ত অধ্যবসায় দ্বারা ভারাক্রান্ত একটি জীবন। পিআর- এর সঙ্গে কাজ করা থেকে শুরু করে খবরের উৎসের পেছনে দৌড়ানো, কোনোটিই সহজ নয়। তারা ঠিক জানে যে কোনোকিছু সঠিকভাবে পেতে এবং কার্যকর করতে কী লাগে; এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও একই আচরণ আশা করে।১০.ভালো শ্রোতাসাংবাদিকদের সবসময় মজার মজার গল্প থাকে। তারাও কিন্তু দারুণ শ্রোতা, তারা সত্যিকার অর্থে আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। তারা আপনার করা সামান্য ইঙ্গিতও ধরে ফেলতে পারদর্শী।১১.সহায়কসাংবাদিকরা প্রয়োজনে অন্যকে সাহায্য করার জন্য নিজের সামর্থ্যের বাইরেও যায়। এক্ষেত্রে অপরিচিত কেউ হলেও কোনো ব্যাপার না। তারা তাদের প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি রাখে না। এটা বলাই যায় যে, সাংবাদিকদের হৃদয় বড় হয়।১২. রোমাঞ্চকর জীবন ও ইভেন্ট অ্যাক্সেসসাংবাদিকের সঙ্গী হওয়ার একটি বড় বাড়তি সুবিধা হলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাওয়া। শহরের সেরা ইভেন্ট, সিনেমার প্রিমিয়ার কিংবা খেলাধুলা বা কনসার্টের টিকিট জোগাড় করা তাদের জন্য সহজ একটি বিষয়। তাদের সঙ্গে আপনার জীবন হবে অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় ও অভিজ্ঞতায় পূর্ণ।
৪ সপ্তাহ আগে