ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক জায়গা, যেখানে কখনো কোনো অন্যায় মেনে নেওয়া হয় না। গায়ের জোরে এখানে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। ১৯৫২, ১৯৭০, ১৯৭১ কিংবা ১৯৯০ সবসময়ই ঢাবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে।রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কালো দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।ঢাবি উপাচার্য বলেন, আমরা ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর ২৩শে আগস্ট দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছি। ২০০৭ ও ২০০৮ সাল আমাদের কাছে অত্যন্ত বিভীষিকাময় ছিল। তৎকালীন মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের আমল হিসেবে পরিচিত সেই সময়ে, ২০০৭ সালের ২০শে আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল।তিনি বলেন, আমরা সেই সময়ের ভয়াবহ দিনগুলো এখনো ভুলিনি। আমি তখন শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে একজন মেজর লেভেলের অফিসার আমার অফিসে এসে আমাকে ভয়ভীতি দেখান এবং এক প্রকার জোর করেই ধরে নিয়ে যান। শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক।উপাচার্য আরও বলেন, তাদের আসল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া, যা ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা হিসেবে পরিচিত ছিল। তারা চেয়েছিল খালেদা জিয়া ও তার সন্তানদের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে।খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে উপাচার্য বলেন, আমরা ২০২৪ সালেও দেখেছি কীভাবে অগণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে যখন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি আপসহীনভাবে বলেছিলেন ‘এই দেশ ছাড়া আমার আর কোনো জায়গা নেই, মরতে হলে এই দেশেই মরব।’ তার এই দৃঢ়তার কারণেই তিনি ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ উপাধি পেয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গে বলেন, তাঁর ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে, এমনকি তার কোমড় পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। আরাফাত রহমান কোকোকে স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এত নির্যাতনের পরেও তারা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যের জয় সবসময়ই হয়। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সেই কালো এজেন্ডা সফল হয়নি।তিনি আরও বলেন, আজকের একটি পত্রিকার রিপোর্টে দেখলাম বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা যেখানে ৫৪%, সেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ৬৬%। এতেই বোঝা যায় দেশের মানুষ কাকে ভালোবাসে। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনরা সফল হয়নি এবং ভবিষ্যতেও কেউ সফল হবে না।এছাড়াও অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন সহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
১০ ঘন্টা আগে
দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডির ড্যাফোডিল প্লাজা মিলনায়তনে ‘এ ন্যাশনাল ডায়ালগ অন টিভিইটি ফর এ স্কিলড অ্যান্ড প্রোডাক্টিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু গতানুগতিক শিক্ষা গ্রহণের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। উন্নত বাংলাদেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সারা বিশ্বে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ ব্যক্তিদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রবাসী কর্মীরা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস। তাদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এজন্য কারিগরি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে দেশে আরও চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এজন্য আলাদা একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন। ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. মো. তরিকুল ইসলাম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন।
১১ ঘন্টা আগে
উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্ভাবন, গবেষণা ও উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ইনোভেশন হাব, ইনকিউবেশন সেন্টার এবং সমন্বিত স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্টে (ব্র্যাক সিডিএম) ‘উপাচার্যদের সংলাপ: উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপে মাহদী আমিন এ কথা বলেন।বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) এ সংলাপের আয়োজন করে।ড. মাহদী আমিন বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো কেবল প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে সরকারি অনুদান ও অর্থায়নের মাধ্যমে সফল স্টার্টআপে পরিণত হতে পারে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় শিল্পাঞ্চল, হাইটেক পার্ক বা অর্থনৈতিক অঞ্চল থাকলেও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সেগুলোর কার্যকর সংযোগ এখনো গড়ে ওঠেনি। এই বিচ্ছিন্নতা দূর করে শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে একটি সমন্বিত সহযোগিতার কাঠামো তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের লাইসেন্সিংসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ স্থাপনে সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।গবেষণার প্রসঙ্গে শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, আগামী অর্থবছরে গবেষণা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে সরকার আশাবাদী। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রবেশাধিকার, আধুনিক গবেষণাগার এবং গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি গবেষক ও শিক্ষাবিদদের ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি ও ফেলোশিপের মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ আমাদের লক্ষ্য ব্রেইন ড্রেইনকে ব্রেইন সার্কুলেশনে রূপান্তর করা।ড. মাহদী আরও বলেন, সামার স্কুল, সহজতর ক্রেডিট ট্রান্সফার ব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, নমনীয় ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করা হবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সফল হচ্ছে। দেশে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করবে।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. মাহদী বলেন, সংলাপে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ উচ্চশিক্ষার প্রতিবন্ধকতা ও মানোন্নয়নের করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার কীভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে, তাও তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।উপদেষ্টা বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে গ্র্যাজুয়েটরা শুধু দক্ষ পেশাজীবীই হবে না, বরং নীতি, আদর্শ ও সামাজিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে তারা যেন দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক, ইউজিসি চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।দুই দিনব্যাপী এ জাতীয় সংলাপে দেশের প্রায় ৬৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নীতিনির্ধারক, দেশি-বিদেশি শিক্ষাবিদ এবং উচ্চশিক্ষা বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন।
২ দিন আগে
আমাদের দায়বদ্ধতার অভাব ছিল বলেই যত্রতত্র কারখানা তৈরি ও পরিবেশ দূষিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।আজ বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মানুষ, হাতি ও যৌথ ভূদৃশ্য-বিষয়ক সংলাপ এবং টেকসই প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম’ বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।এ সময় তিনি পরিবেশ দূষণের বিভিন্ন উৎসের কথা উল্লেখ করে বলেন, এগুলো নিরসনে কাজ চলমান রয়েছে। দূষণ নিরসনে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ইটভাটা ও অন্যান্য কারখানায় সিটিপিসহ (কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার) অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে।ট্যানারি শিল্পসহ অন্যান্য শিল্পকারখানার সংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় একসঙ্গে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠছে না বলেও জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা যায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম তৈরিতে সচেষ্ট থাকার ওপরও জোর দেন তিনি।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক সামছুল আলম ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক নজরুল ইসলামসহ অনেকে।
৫ দিন আগে