সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ দুর্নীতি ও অনিয়মের নতুন অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।পাশাপাশি ৩৬ জন জেলা প্রশাসক বা ডিসি পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে এমন খবর সামনে আসার পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।এনসিপির এ মুখপাত্র ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’
১ দিন আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ‘হাইপ আর ‘ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আপা (শেখ হাসিনা) না কি ডিসেম্বরে লীগের (আওয়ামী লীগ) পলাতকদের দেশে ফিরতে বলবে না। মূলত, তাদেরকে বললেও কেউ আসতো না।’তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্ট কীভাবে পরিবারের সবার পালানো নিশ্চিত করে বাকিদের ফেলে দিয়ে তিনি হেলিকপ্টারে চড়েছিলেন এটা কোনোমতে জান বাঁচিয়ে পালানো নিষিদ্ধ লীগের নেতাদের ভালো মতোই মনে আছে।’এনসিপির এ নেতার মতে, ‘ডিসেম্বরের (শেখ হাসিনার দেশে ফেরা) হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ!’ উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করা শেখ হাসিনা সম্প্রতি আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি কোনো নির্দেশনা কাউকে দিচ্ছি না। তবে দেশে-বিদেশে আমাদের সমর্থক-নেতাকর্মী যারা যেখানেই আছেন তারা তাদের ইচ্ছা পোষণ করছে। তারাও প্রস্তুতি নিচ্ছে তারাও আমার সঙ্গে যেতে চায়। আমি নির্দেশনা দিয়ে কাউকে তো বিপদে ফেলতে পারি না, কিন্তু যারা মনে করবেন যেতে চায়, তারা যাবে।
১ সপ্তাহ আগে
গ্যাস সংকট ও নাগরিক সেবার ঘাটতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। শুক্রবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘No gas no bill, No service no tax’ (গ্যাস না থাকলে বিল নয়, সেবা না মিললে কর নয়)। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রুমিন ফারহানা। জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, গ্যাস আর বিদ্যুতের ব্যাপারে মানুষ বলে— দুষ্টু লোকেরা বলে, অবশ্য ভালো লোক না— ‘টুকু আসে টুকু যায়’। এই আসে এই যায়, কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।
১ সপ্তাহ আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নিম্নমানের ও ভুয়া ভিডিও কনটেন্ট, যা ‘এআই স্লপ’ নামে পরিচিত, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইনে। এ ধরনের কনটেন্টের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্ন্যাপচ্যাট, ইউটিউব, লিংকডইন এবং সাবস্ট্যাক ইতোমধ্যে এআই-নির্ভর ভুয়া লেখা, ছবি ও ভিডিও শনাক্ত ও দমনে কঠোর নীতিমালা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।স্ন্যাপচ্যাটের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্ন্যাপ জানিয়েছে, তারা তাদের স্পটলাইট ফিডে সম্পূর্ণরূপে এআই-উৎপাদিত ভিডিও রেকমেন্ড করা বন্ধ করবে। তারা মানুষের তৈরি করা আসল কনটেন্ট প্রাধান্য দেবে। একইভাবে, তারা পেশাজীবীদের প্ল্যাটফর্ম লিংকডইন এআই দিয়ে তৈরি মন্তব্য শনাক্ত করে প্রতিদিন লাখ লাখ ভুয়া কমেন্ট ব্লক করে দিচ্ছে।এমনকি কোনো পোস্ট এআই লেখা মনে হলে ইউজারদের রিপোর্ট করার সুযোগও যুক্ত করেছে তারা। ইউটিউব তাদের মনিটাইজেশন নীতিমালায় পরিবর্তন এনে জেনেরিক ও বারবার তৈরি করা নিম্নমানের এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে আয় করার সুযোগ বন্ধ করেছে। অন্যদিকে, সাবস্ট্যাক নিয়ে এসেছে এআই লেখা শনাক্তকারী বিশেষ সুবিধা।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এআই প্রযুক্তির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করছে না। কনটেন্ট সম্পাদনা বা মানোন্নয়নের মতো কাজে এআই ব্যবহারে কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। বরং মানবসৃষ্ট কনটেন্টের স্বকীয়তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং নিম্নমানের এআই-তৈরি লেখা ও ভিডিওর অতিরিক্ত বিস্তার ঠেকাতে কনটেন্ট ফার্মিং নিয়ন্ত্রণেই জোর দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।সূত্র: বিবিসি
১ মাস আগে