নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুর ০১:১৬:২৪
সৌদি আরবের রাজধানীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও দেশটির লোহিত সাগর উপকূলের জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে। তবে অন্য কোনো হামলা বা হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করেনি তারা। খবর বিবিসির।
এর আগে শনিবার সৌদি রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জ্বালানি ট্যাংক থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এ ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়।
রিয়াদে প্রথমবারের মতো বিমান হামলার সতর্কসংকেতও বেজে ওঠে। গত জুলাইয়ে ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবে হামলা বাড়ানোর পর এটিই ছিল রাজধানীতে এমন সতর্কতা জারির প্রথম ঘটনা।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল ও অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, যার মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দরও রয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত আরও সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশ, তায়েফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো ‘শত্রুতামূলক প্রচেষ্টা’ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে।
হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহইয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, রিয়াদের ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা’ এবং লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি হামলার জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। সানা বর্তমানে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।