ক্ষমতায় এসে জনগণের সমস্যা সমাধানে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। তারা বলেছিল, তাদের একটি পরিকল্পনা আছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সরকারের পরিকল্পনা শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো এবং জনগণকে দুর্ভোগে ফেলা বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম দফায় দফায় বাড়ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেড়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবি স্বেচ্ছাসেবক পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সসদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজের সঞ্চালনায় এবং আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান, মো. আলতাফ হোসাইন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী রাজা, এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন,কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার,সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, যুগ্ম সদস্য সচিব রাশিদা আক্তার মিতু মিজানুর রহমান মিঠু ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খোরশেদ আলম পলাশ।মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে দেশে গতানুগতিক রাজনীতি চলছে। এত রাজনৈতিক দল, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী? নিশ্চয়ই রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করা এবং মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন আনা। কিন্তু এত আয়োজনের পরও আমরা কেন রাষ্ট্রকে ঠিক করতে পারছি না? রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক পরিচয় ও বোঝাপড়ার অভাবে সামান্য বিষয়েও অবিশ্বাস ও দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।তিনি বলেন, মানুষ তখনই সাড়া দেয়, যখন রাজনীতির সঙ্গে নিজের স্বার্থ ও অধিকারকে সম্পৃক্ত দেখতে পায়। তাই জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে স্বেচ্ছাসেবক পার্টিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলে আমরা কী করতে পারি, সেই স্বপ্ন ও সম্ভাবনার কথা মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।মঞ্জু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নানা আশ্বাস দিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিএনপিও এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারছে না। রাজনীতি হতে হবে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, বরং জনগণের বাস্তব সমস্যা সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ।দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন,ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ত্রাণ ও পূনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা,সহকারী দপ্তর সম্পাদক মোহসীনুল হক চৌধুরী,নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, উদ্দ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সহ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা,গাজীপুর মহানগর সদস্য সচিব মাসুদ জমাদ্দার, নাটোর জেলা আহ্বায়ক মোকাররেবুর রহমান নাসিম,স্বেচ্ছাসেবক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আরিফুর রহমান মিজান, ডাক্তার শাহ মাহমুদুল বারী রাকিব,কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য,মনির হোসেন ও জাবের হোসেন সুমন।
১০ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। সেখানে নতুন নতুন ঘটনা ও পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা এসব ঘটনাপ্রবাহের ওপর নজর রাখছি।’তিনি আরও বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, প্রগতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই;।সংবাদ সম্মেলনে ভারত-বাংলাদেশের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে এবং আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক কাঠামো’।প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা।এসময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা জানানো হবে’।সূত্র: দ্য প্রিন্ট
১১ ঘন্টা আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক প্রস্তুতিমূলক সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদারের সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ।এসময় আরো বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ নাজমুল হাসান,পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান চৌধুরী মানু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সহ আরো অনেকে।আলোচনা শেষে যুবসমাজকে শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে মার্শাল আর্টের বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
১২ ঘন্টা আগে
দেশে ‘অনার ৬০০এস’ বিক্রি শুরু করেছে স্মার্টফোন ও গ্যাজেট বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ড্যাজল। অনার বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে স্মার্টফোনটির একমাত্র বিক্রেতা হিসেবে কাজ করছে। ৩ নভেম্বর রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ড্যাজলের শোরুমে জাঁকজমকপূর্ণ এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফোনটির বিক্রি শুরু হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ল্যাং গুও, হেড অব বিজনেস আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ডিরেক্টর ও হেড অব প্রোডাক্ট অ্যান্ড মার্কেটিং সৈয়দ মো. বদরুল আরেফিন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন লাইফস্টাইল ও প্রযুক্তিবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতারা।ড্যাজলের আউটলেট থেকে অনার ৬০০এস কিনলে উপহার হিসেবে ক্রেতারা পাচ্ছেন অনার স্মার্ট ওয়াচ ৬আই ও একটি ট্রাভেল ব্যাগ। পাশাপাশি ড্যাজল কেয়ার প্লাসের আওতায় থাকছে বর্ধিত সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা। ফোনটি কিনলে মোটরসাইকেল জেতার লটারিতেও অংশ নেওয়া যাবে। এ ছাড়া ছয় মাসের সুদবিহীন কিস্তিতে ফোনটি কেনার সুযোগ রয়েছে। আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত এই অফারটি চলবে।অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ল্যাং গুও বলেন, “অনার ৬০০এস-এ দৈনন্দিন ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন বিবেচনায় বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। ড্যাজলের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা ফোনটি সরাসরি দেখে এর প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবেন। স্মার্টফোনের বাইরেও কানেক্টেড টেকনোলজি ইকোসিস্টেমের প্রসারে কাজ করছে অনার। এ ধরনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে আমাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।”ড্যাজলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল ইসলাম খান বলেন, “অনার ৬০০এস-এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা অনারের প্রযুক্তি সরাসরি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এই অংশীদারিত্বের ফলে ড্যাজলের বিভিন্ন আউটলেটে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ অফারের মধ্য দিয়ে এর বিক্রিও শুরু হয়েছে।”অনার ৬০০এস-এ রয়েছে ৮,১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা। ফোনটিতে আড়াই মিটার উচ্চতা থেকে পড়ে যাওয়ার ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা এবং আইপি৬৯ মানের পানি প্রতিরোধব্যবস্থা রয়েছে। আলাদা এআই বাটনের মাধ্যমে ফোনটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন ফিচার ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে এআই ইমেজ টু ভিডিও ২.০। এই ফিচারের সাহায্যে কথোপকথনের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়ে ছোট ভিডিও তৈরি ও সম্পাদনা করা যায়।ব্যবহারকারীদের জীবনযাপন, কাজ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ডিভাইসগুলোকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য ও কার্যকর করে তুলতে কাজ করছে অনার।
১২ ঘন্টা আগে