গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার শনাক্তকরণ, তথ্য সংগ্রহে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বুধবার (৪ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া বলেন, "একটি ভুল তথ্যের কারণে প্রকৃত উপকারভোগী তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন, আবার অযোগ্য কেউ সুবিধা নিতে পারেন। তাই তাড়াহুড়া বা অনুমাননির্ভর না হয়ে সরেজমিনে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।"উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সৌরভ রেজা শিহাব তাঁর বক্তব্যে সততা ও নিরপেক্ষতার ওপর জোর দিয়ে জানান, কোনো প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করতে হবে এবং স্বজনপ্রীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না।অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার ফারহানা নাসরিন, সহকারী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ডিজিটাল উপায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৩৮ জন তথ্য সংগ্রহকারীর মাঝে ট্যাব বিতরণ করা হয়।
১৯ ঘন্টা আগে
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৯ নম্বর জেটিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরে দুটি আধুনিক জেটি নির্মাণের পাশাপাশি কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বছরে চার লাখ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট বন্দর হিসেবে মোংলাকে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণ, বন্দরের আধুনিকায়ন এবং কনটেইনার পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০ ও ১১ নম্বর জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কনটেইনার লোডিং-আনলোডিং ইয়ার্ড, বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক ইয়ার্ড এবং প্রয়োজনীয় ৪৯টি যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ হিসেবে ৩৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪০ মিটার প্রস্থের জেটি নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে একসঙ্গে দুটি ২০ হাজার ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার জাহাজ অথবা একটি ৫০ হাজার ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার জাহাজ ভেড়ানো যাবে। প্রকল্পের মোট আয়তন ২ লাখ ২৭ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার, খালি কনটেইনার ইয়ার্ড ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার, বিপজ্জনক কনটেইনার ইয়ার্ড ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার, অভ্যন্তরীণ সড়ক ৫০ হাজার ৪০০ বর্গমিটার, প্রশাসনিক ভবন ২ হাজার ৫১৭ বর্গমিটার এবং কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) ৩ হাজার ৯০৯ বর্গমিটার।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় ৩০ টিইইউতে উন্নীত হবে। বার্ষিক চার লাখ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জিত হবে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের ব্যয় কমার পাশাপাশি নিরাপদে কনটেইনার সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি হবে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগ কার্যক্রম সহজীকরণেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।ইতোমধ্যে মোংলা বন্দরে বহুমাত্রিক পরিবহন সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে তৈরি পোশাকশিল্প, নিটওয়্যার, খাদ্যপণ্য, পাটকল ও শিপিং খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী পৃথক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রকল্পটির পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর চীনের রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তিতে প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০২১ সালের ২৬ আগস্ট চীনা অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে। একই বছরের ২৫ মার্চ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিইসিসির মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে ২০২৬ সালের ২৫ জুন চীন সফরকালে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি (সিআইডিসিএ) এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার ও চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকার সমপরিমাণ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরে জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ সম্প্রসারণেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে। আধুনিক বন্দর অবকাঠামোর সঙ্গে প্রস্তাবিত চীনা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সমন্বয়ে মোংলাকে সামুদ্রিক বাণিজ্য, শিল্প বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক লজিস্টিকস কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন ফারুক, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, নৌপরিবহন সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।চীনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিসিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন, বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কাউন্সেলর সং ইয়াং এবং সিসিইসিসির চেয়ারম্যান লি চংইয়াং। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলের কাছে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। পরে প্রকল্পের বাস্তবায়নসহ দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
২৩ ঘন্টা আগে
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ ডিজিটাল লেনদেনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে ব্যবহৃত ছয়টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার পণ্ডিতপুকুর বাজারে মেসার্স দুই ভাই এন্টারপ্রাইজের গোডাউনের বারান্দায় অভিযান চালিয়ে সোহেল রানা (২৮) ও এমরান হোসেনকে (২৯) গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৪টা ৫০ মিনিটে সহযোগী রেজাউল করিম তানসেনকে (৩২) তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পণ্ডিতপুকুর এলাকার সোহেল রানা, বৃকঞ্চি এলাকার এমরান হোসেন এবং মাধবকুড়ি এলাকার রেজাউল করিম তানসেন।ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাঁচটি স্মার্টফোন ও একটি বাটন ফোন জব্দ করা হয়েছে। এসব ফোন পর্যালোচনা করে বিকাশ, নগদ ও বিন্যান্সসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ওয়ালেট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।এ ছাড়া 1Xbet, Mobcash, Reddy, Bybit ও Money-go নামের বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহারের তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফেরদৌস আলীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।ডিবি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নন্দীগ্রাম থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
১ দিন আগে
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে।আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সময়সূচি বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।আজই প্রকাশিত আরেক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বোর্ডের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার আবেদনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) শিগগির প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে হবে।পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ফি বাবদ বোর্ডে জমা দেওয়ার অর্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অনুকূলে পাঠানো সোনালী সেবার রশিদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৮ নভেম্বর।পরীক্ষার ফি ব্যাংকে জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অ্যাকটিভ হবে। চূড়ান্ত তালিকা যাচাই করে পরীক্ষার্থীর সই নিতে হবে এবং প্রতি পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান সই করবেন।পরীক্ষার্থীর সইসহ একটি প্রিন্ট কপি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংরক্ষণ করবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একই নামের একাধিক শিক্ষার্থী থাকলে প্রকৃত পরীক্ষার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করতে হবে, যেন প্রকৃত পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্য কোনো পরীক্ষার্থীর নাম নির্বাচিত না হয়। এমন ভুলের জন্য যাবতীয় দায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বহন করতে হবে।সোনালী ব্যাংকের সোনালী সেবার কপি ও পরীক্ষার্থীদের সইসহ চূড়ান্ত প্রিন্ট আউট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ২০২৬ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি এবং অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বোর্ডের ২০২৫ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।পরীক্ষার ফিতত্ত্বীয় প্রতি পত্র বা বিষয়ের (নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী) জন্য ১২৫ টাকা ফি দিতে হবে।ব্যবহারিক প্রতি পত্র বা বিষয়ের জন্য ২৫ টাকা ফি দিতে হবে।এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ফি জনপ্রতি ৪৫০ টাকা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে পরিশোধ করতে হবে।তত্ত্বীয় বিষয়ের আদায় করা কেন্দ্র ফি থেকে প্রত্যেক কলেজ ১০ শতাংশ নিজস্ব ব্যয়ের জন্য রেখে বাকি ৯০ শতাংশ টাকা পরীক্ষাকেন্দ্রের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দিতে হবে।বোর্ড অফিস থেকে অব্যবহৃত উত্তরপত্র এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ কেন্দ্র ফি থেকে বহন করতে হবে। অর্থাৎ পরীক্ষা কেন্দ্রের যাবতীয় ব্যয় কেন্দ্র ফি থেকে ব্যয় করতে হবে।
১ দিন আগে