ফিটনেস ও লাইসেন্স বিহীন বাস এবং অদক্ষ চালক দিয়ে বাবুরহাট-মতলব-পেন্নাই সড়কে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাসগুলোর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে মতলবের সচেতন সমাজ। বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) বিকাল তিনটায় মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের পানির ট্যাংকি এলাকায় আটোগাড়ী মালিক ও ড্রাইভার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অটো গাড়ি মালিক ও ড্রাইভার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাওলানা আনসার উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর প্রধান।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাবুরহাট-মতলব-পেন্নাই সড়কে দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব ও প্রাণহানি রোধ করতে হলে অদক্ষ চালক ও হেলপার দিয়ে ফিটনেস বিহীন বাস চলাচল বন্ধ করতে হবে। এই সড়কে চলাচলকারী জৈনপুর পরিবহন, জৈনপুর এক্সপ্রেস ও মতলব এক্সপ্রেস নামীয় বাসগুলোর চালকদের বাধ্যতামূলক ডোপ টেস্ট করানো উচিত। সড়কের বাঁকগুলোর মধ্যে চালকদের বেপোয়ারা ভাবে গাড়ি চালানোর কারণেই প্রতিনিয়ত হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই, নতুবা অদক্ষ চালক ও হেলপার দিয়ে ফিটনেসবিহীন বাস সড়কে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। মানববন্ধনে কণ্যান সমিতির সহ সভাপতি শাহ জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বাবু, কোষাধাক্ষ্য আক্তার হোসেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা থেকে চলাচলকারী অটো গাড়ির মালিক ও চালকসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য যে, গত বুধবার (৫ আগষ্ট) মতলব - বাবুরহাট সড়কের রালদিয়া এলাকায় জৈনপুর পরিবহন বাসের ধাক্কায় সিএনজি দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া। এতে ১জন নিহত ও ৩ জন গুরুতর আহত হয়।
৩ ঘন্টা আগে
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অদূরেই মেঘনা নদীর তীরে প্রকাশ্যেই চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার ও সংরক্ষণ। নৌ পুলিশ ফাঁড়ির জেটিঘাটসংলগ্ন এলাকায় সারি সারি মাছ ধরার নৌকায় রাখা হয়েছে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ নৌকা প্রস্তুত করছেন নদীতে নামানোর জন্য, আবার অনেক জেলে একই জাল দিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির জেটিঘাট এলাকায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।সরেজমিনে দেখা যায়, ফাঁড়ির খুব কাছেই নোঙর করে রাখা অসংখ্য নৌকায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। কয়েকজন জেলে জাল মেরামতে ব্যস্ত, অন্যরা নদীতে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই সময়ে নদীর বিভিন্ন স্থানে কারেন্ট জাল পেতে মাছ ধরতেও দেখা যায় অনেক জেলেকে। সংবাদকর্মীরা ছবি তুলতে শুরু করলে কয়েকজন জেলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।জাহাঙ্গীর আলম নামে এক জেলে বলেন, আগের নৌ পুলিশের ইনচার্জ থাকাকালীন সময়ে এখানে নৌকা রাখতে পারিনি। উনি বদলি হওয়ার পর নতুন ইনচার্জের সঙ্গে কথা বলে আমরা এখানে নৌকা রাখি। আপনারা এখন ছবি তুলছেন, পরে আবার এখানে নৌকা রাখতে দেবে না। আপনারা এখান থেকে চলে যান।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে দাবি করেন, আমরা মোহনপুর নৌ পুলিশের সঙ্গে কথা বলেই এখানে নৌকাগুলো রাখি। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের ক্ষতি করবেন না। কোনো কথা থাকলে নৌ পুলিশের সঙ্গে বলেন।মতলবের মাটি ও মানুষ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামীম খান বলেন, মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধে নৌ পুলিশ, মৎস্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বিত ও নিয়মিত অভিযান না হলে নদীর মৎস্যসম্পদ এবং জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, যেখানে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার ও সংরক্ষণ আইনত দণ্ডনীয়, সেখানে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একেবারে নাকের ডগায় দিনের পর দিন কীভাবে এসব কার্যক্রম প্রকাশ্যে চলতে পারে? দায়িত্বশীল দুই সংস্থার পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে এ বিষয়ে সমন্বয়ের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন তারা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের এখানে নৌকাগুলো রাখা হয়, এটা সত্য। তারা যখন নদীতে জাল নিয়ে মাছ ধরে তখন আমরা বাধা দিতে পারি। কিন্তু এখানে নৌকা রাখার বিষয়টি দেখবে মৎস্য বিভাগ। এগুলো আমাদের দেখার দায়িত্ব নয়।অন্যদিকে মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মির্জা ওমর ফারুক ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, নিষিদ্ধ জিনিস প্রতিহত করা সবার দায়িত্ব। আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি, মাঝেমধ্যে এসে অভিযান পরিচালনা করি। নৌ পুলিশ কোনোভাবেই এ দায় এড়াতে পারে না। আমরা যখন অভিযান পরিচালনা করি, তখন পুলিশেরও প্রয়োজন হয়। তাই সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
৫ ঘন্টা আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল্লাহ আল হারুন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, জামালপুর কমিউটার ট্রেনটি গফরগাঁও স্টেশনে প্রবেশের আগ মুহূর্তে হঠাৎ বিকট শব্দের পর ইঞ্জিনের পেছনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।ঘটনাস্থলে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
৫ ঘন্টা আগে
বগুড়ার এরুলিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে কাজের অপেক্ষায় থাকা শ্রমিকদের ওপর উঠে গেলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এরপর বাসটি কাজের সন্ধানে রাস্তার পাশে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত হন অন্তত ১০ জন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনা ও হতাহতের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৫ ঘন্টা আগে