নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:০২:১৮
প্রকল্পের সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় দুইটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করে অব্যয়িত ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে কচুয়া উপজেলা প্রশাসন।
এ প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৭৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ১৪২ টাকা এর মধ্যে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে ৪২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৪৩ টাকা। এদিকে খাল পুনঃখনন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল দড়িটানা থেকে বলেশ্বর নদীর সংযোগ পর্যন্ত ১ কিলোমিটার অন্যদিকে মঘিয়া ইউনিয়নের কুন্ডুপাড়া থেকে খলিশাখালী পর্যন্ত ১ কিলোমিটার খাল। তার পরিপ্রেক্ষিতে খালের পুনঃখননের কাজ শেষ হয়েছে।
সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান। প্রশাসনের এ উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বর্ষায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসুবিধা নিশ্চিত করতে এই উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আলী হাসান বলেন, “কচুয়াতে আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে দুটি খাল পুনঃখননের বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। একটি গোপালপুর খাল আর একটি মঘিয়া খাল। আমরা নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে খাল পুনঃখনন সম্পন্ন করেছি। পুনঃখনন সম্পন্ন করে যে অব্যবহৃত অর্থ ছিল ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দিয়েছি।
খাল খননের ফলে ঐ এলাকার মানুষের বেশ উপকার হবে এবং যে জলাবদ্ধতা আছে সেই জলাবদ্ধতাগুলো নিরসন হবে। আমি সরকার কে ধন্যবাদ জানাই সরকার এই কাজের সাথে আমাদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাই এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য।
তিনি আরও বলে,সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার অপরিহার্য। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের অঙ্গীকার।