হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৮ জন।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭০২ জন শিশুর। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন। হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা ৭৯৭ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এই সময়ের মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৩০ জন শিশু এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৮।এছাড়া এই সময়ের মধ্যে (২৪ ঘণ্টা) ১ হাজার ২১৮ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৯ জন।অধিদফতরের তথ্য আরও বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৪৮ জন, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭০৮। এই সময়ের মধ্যে (১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ জন শিশু। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৮ হাজার ৪১১ জন।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৯ শিশু।সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৯৩টি শিশু মারা গেছে।এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৪৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২২। এই সময়ে ৮৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১টি শিশু।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৫৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১ হাজার ২৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ৫৩২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ৩৭২ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে রোগটিতে মারা গেলেন মোট ৩৭ জন। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১০ হাজার ৮৫৭ জন।সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৬৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৩ জন। ঢাকা উত্তর সিটিতে ২২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৫২ জন, খুলনা বিভাগে ৪৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২১ জন, রাজশাহী বিভাগে চারজন এবং রংপুর বিভাগে ছয়জন রোগী রয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, চলতি বছরে মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন মোট ৯ হাজার ৭৮৬ জন।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চারজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১ জন।রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। চারজনই মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৯৩টি শিশুর। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন। হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৭৮৮ জনের।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১৩ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৩১ জন।গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫২১ জন।
৩ দিন আগে