দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯ শিশু।আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৪৯ শিশু মারা গেছে।এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১২৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৯৬। এই সময়ে ৮৬ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৯৮ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৩১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার ১৮৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮০ শিশু।আজ সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৫১ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৮৪৭ শিশু মারা গেছে।এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৭। এ সময়ে ৯০৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৫২৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৯ হাজার ১৮৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় বা একদিনে দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রোগটি নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪২৩ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯ জনে এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ১০৪ জন।সোমবার (২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় বা একদিনে দেশে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রোগটি নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪২৩ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬ জনে এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজার ১০৪ জন।রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে একজন খুলনা বিভাগের এবং অন্যজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা।অন্যদিকে একই সময়ে নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৯ জন, খুলনা বিভাগের ৮১ জন, রাজশাহী বিভাগের ২৯ জন, রংপুর বিভাগের ১৬ জন, বরিশাল বিভাগের ৫৪ জন এবং সিলেট বিভাগের ৪ জন রোগী রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন আরও বলছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬ হাজার ৭৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৬৮৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২ হাজার ৭৮৯ জন, খুলনা বিভাগের ২ হাজার ৬৪ জন, রাজশাহী বিভাগের ৬১২ জন, রংপুর বিভাগের ৩৪৮ জন, বরিশাল বিভাগের ৩ হাজার ৪২৫ জন এবং সিলেট বিভাগের ১০৩ জন।এছাড়া চলতি বছরে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৩০ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভর্তি আছেন ১ হাজার ১১৮ জন রোগী।
৩ দিন আগে