স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্যের বিষয়ে পাল্টা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের পর স্থানীয় নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে সচিবালয়ে স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছুই জানে না।এ প্রসঙ্গে ইসি সচিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘উনি যেটা বলেছেন সেটা শিরোধার্য। তবে এ বিষয়ে পাল্টা কোনো মন্তব্য করার ধৃষ্টতা আমি দেখাব না। নো কমেন্ট ফ্রম মাই সাইড।’ইসি সচিব আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে এটি নিশ্চিত। তবে নির্বাচন কবে এবং কী পদ্ধতিতে বা কোন পর্যায়ে হবে, তা নিয়ে কমিশনে গত দুই দিন ধরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আলোচনা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল একটি টেন্টেটিভ সময়সূচি করা হয়েছে। সেখানে পাঁচটি ধাপে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি ধাপ রিজার্ভ রাখা হয়েছে। তবে এটি একেবারেই প্রাথমিক সময়সূচি।ইসি সচিব বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক হবে। শিক্ষামন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ইনপুট নেওয়া হবে। এরপর এসব মতামতের ভিত্তিতে কমিশন নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।তিনি বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত হিসেবেই প্রাথমিকভাবে পাঁচ ধাপ ও দুটি রিজার্ভ ধাপের ধারণা দেওয়া হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্টরা নিজেদের প্রস্তুতির বিষয়গুলো গুছিয়ে কমিশনকে জানাতে পারেন।ছয় মাস ধরে নির্বাচন হলে প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়গুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর কমিশন এ বিষয়ে বাড়তি তথ্য জানাবে।ব্রিফিং-এর শেষ পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম যে মন্তব্য করেছেন, তার ব্যাপারে কমিশন বিব্রত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নো কমেন্টসটাই আমার দিক থেকে কমেন্ট।’
১ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এই নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এ সব কথা বলেছেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের মতো করে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে যে তথ্য রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকেই সেটি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।’তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। অন্য নির্বাচনগুলো আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সেই কাঠামোর মধ্যে পড়ে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকার ও কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টিকে সংঘাত বা গ্যাপ হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে।’তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সেটি পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।ডা. জাহেদ আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ভাবে সংসদ ও রাষ্ট্রপতি, এই ২টি নির্বাচন করতে পারে। অন্যান্য নির্বাচনে সরকারের সাথে কোলাবরেট করে থাকতে হয়। সরকার নির্বাচন কমিশনের সাথে আলোচনা করে নির্বাচন করবে। এটা কোনো সংঘাত নয়।’তিনি বলেন, ‘এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দল অংশ নিচ্ছে না; নির্বাচন করছে ব্যক্তিরা। কে কোন দল করছে, এটা কোনো ইস্যুই নয়।’
৩৮ মিনিট আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায়। ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীতে সিরডাপ ভবনে জলবায়ু বিষয়ক সেমিনারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ওপর তৈরি হয়েছে বাড়তি পরিবেশগত চাপ। তাই, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ।তিনি জানান, আসন্ন কপ সম্মেলনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়া জলবায়ু অর্থায়ন আরো অনুদান ভিত্তিক সহ চারটি দাবি ৮১তম সাধারণ অধিবেশন বাংলাদেশ তুলে ধরবে।সাংবাদিকদের প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু অর্থায়ন ঋণ হিসেবে নয়, কার্যকর সহায়তা হিসেবে চায় বাংলাদেশ। এছাড়া পাটজাত পণ্যকে পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল ন্যাচারাল ফাইবার হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরার কথা জানান তিনি।জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।
৪৩ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মদ-বিয়ারসহ সহকারি ম্যানেজার ও কম্পিউটার অপারেটরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। এ সময় প্রায় ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের দেশি-বিদেশি মদ ও ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১২ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের আজিজ স্কয়ারে অবস্থিত উত্তরা লিবার্টি ক্লাবের পঞ্চম তলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ক্লাবের সহকারী ম্যানেজার মো. রাসেল (২৮) ও কম্পিউটার অপারেটর মো. নয়ন মিয়া (৩৮)।র্যাবের তথ্যমতে, অভিযানে ক্লাবের পঞ্চম তলার একটি কক্ষ থেকে মোট ৭৭৯টি বিদেশি বিয়ার ক্যান এবং দেশি-বিদেশি মদের বোতল জব্দ করা হয়। এসব মাদকদ্রব্যের পরিমাণ ৪৭০ দশমিক ৮৬ লিটার এবং আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানের সময় ক্লাবের সভাপতি, কর্মচারীসহ আরও কিছু ব্যক্তি র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেপ্তার দুইজন ও জব্দ করা মালামাল উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তারা।
১ ঘন্টা আগে