সৌদি আরবে একাধিক হুতি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অনেকে হতাহত হয়েছেন।আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চারটির বেশি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার অর্জন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোতে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাবেন।সফরকে সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে প্রায় আটটি দলিল চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি চলছে। তবে আলোচনা শেষ হওয়ার ওপর নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত কতটি দলিল সই হবে।পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সফরকালে এসব সমঝোতা স্মারকের অনেকগুলোই সই হবে।’প্রত্যাশিত যৌথ বিবৃতিতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফলাফল এবং বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে জাপানের শিল্প-অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার সংযোগ ঘটিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে পারে।ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর জাপানের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বে নতুন গতি সঞ্চারের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলো উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও মানুষের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত খাতগুলোতে সহযোগিতার আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারে।অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, কৃষি ও মৎস্য খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ এবং গুণগত মান ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়োগদাতাদের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, কর্মীদের জন্য উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্প খাতের প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।’জাপানি বিনিয়োগ উদ্যোগে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, এতে দেশীয় সরবরাহকারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও সুফল পাবে।ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি জাপানের মাঝারি আকারের কোম্পানি ও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে অংশীদারত্ব উৎসাহিত করা উচিত। এ ধরনের সহযোগিতা আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎপাদন পদ্ধতি, মান নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে।’সাবেক উপাচার্য সফর শেষে একটি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের পরামর্শ দেন। এতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সময়সীমা এবং অগ্রগতি পর্যালোচনার ব্যবস্থা নির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক সই একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। এর দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা কতটা বাড়ে, তার ওপর।’ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। দুই নেতা নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন।তারেক রহমান জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া তিনি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে বিনিয়োগের সুযোগ ও বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করবেন।প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কর্মসূচিতে জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রতিনিধি এবং জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকও রয়েছে।জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।প্রস্তাবিত সফরসূচিতে চিবা অঞ্চলের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নাগোয়ার একটি টয়োটা কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্য সফর করবেন। প্রতিনিধিদল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে জাপান যাবে।সমঝোতা স্মারক সইয়ের বাইরেও এ সফরে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি সই হওয়া অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়া এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, আলোচনায় চুক্তি বাস্তবায়ন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। ঢাকার এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ব্যয় ৮৩ শতাংশ এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পের ব্যয় ১১৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়নের শর্তও আলোচনায় আসবে।ব্যয় বৃদ্ধি এবং জাপানি ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে আলোচনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছে।পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অবকাঠামো সহযোগিতার এসব বিষয় অবশ্যই আলোচনায় আসবে।’ তিনি জানান, আলোচনা শুধু মেট্রোরেল প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘আমরা সব দেশ থেকেই কম সুদে ঋণ পেতে চাই।’ তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক অর্থায়নব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দেশভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনার ফলাফলকে প্রভাবিত করবে।জাপান বাংলাদেশে মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী অবকাঠামো উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে সহায়তা করছে।২০১৪ সালে চালু হওয়া ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগ অবকাঠামো, শিল্প ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, মাতারবাড়ী ও আড়াইহাজারে অবকাঠামো বিনিয়োগের সঙ্গে শিল্প উৎপাদন, স্থানীয় সরবরাহকারী এবং কর্মসংস্থানের সংযোগ ঘটানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রস্তুত জমি, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, পরিবহন যোগাযোগ এবং অনুমোদন পাওয়ার পূর্বানুমেয় প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে কার্যকর ব্যবসায় রূপ দিতে সহায়তা করবে।’পররাষ্ট্র সচিব জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নও আলোচনায় স্থান পাবে।দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করবে।দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন সহযোগিতা কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়াই এ সফরের লক্ষ্য।
১ দিন আগে
সৌদি আরবে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি কারাগারে বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের পর এসব কথা বলেন শামা ওবায়েদ।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন অভিযোগে সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে আনুমানিক সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম এই তালিকায় ছিল কি না, আমরা তা যাচাই করে দেখছি।শামা ওবায়েদ আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কোনো তথ্য পাইনি। রায়ের অনুলিপি দেওয়ার জন্য আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি। অনুলিপি পেলে আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একা কাজ করে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়াগুলো পরিচালনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত থাকে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যখনই আমরা জানতে পারি কোনো বাংলাদেশি সৌদি আরবে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তখনই আমরা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সাজা কমানো বা ক্ষমা চাওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি।অন্য দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই সরকার নিজের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই অন্য কোনো দেশের বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করব না, তবে এমন ঘটনার খবর পেলেই সরকার নিজের নাগরিকদের রক্ষায় সাধ্যমতো চেষ্টা করে।শামা ওবায়েদ আরও বলেন, মূল সমস্যা হলো, যে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের দণ্ডাদেশের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি।সম্প্রতি সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক গোপন নথির তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে দেশটিতে আটক ছিলেন।নথিতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বা পরে কোনো সময়ই সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।গত ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বক্তব্যের বরাত দিয়ে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি জানা যায়।গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, মক্কার একটি মসজিদে ‘অশালীন কাজের’ অভিযোগে মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সৌদির রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।মরদেহ বহনকারী বিমানটি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১২মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।এর আগে, গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত হামলায় নিহত হন বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মেদ। তিনি বগুড়ার শাহজাহানপুরের রফিকুল ইসলামের ছেলে।২২ অক্টোবর রিয়াদ সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহটি নিয়ে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট রওনা হয়। পরে ফ্লাইটটি ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের একজন সৌদি প্রবাসী শাহেদ।এদিকে গত ৬ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নিহত এখন পর্যন্ত ১১ জন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরত এসেছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
১ দিন আগে