ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, এখন কথা কম হবে এবং কাজ হবে বেশি। জনগণের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাবো।রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ডিএনসিসির ৪৮ ও ৪৯নং ওয়ার্ড সংযোগ সড়ক সংস্কার ও ড্রেন ব্যবস্থার সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, তারেক রহমান একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী। তার নেতৃত্বে জনগণের কল্যাণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।তিনি বলেন, এই এলাকার জনগণের দুর্ভোগের কথা শোনে সংসদ সদস্যসহ আমি নিজে এসে সরজমিনে পরিদর্শন করলাম। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।এসময় ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর, ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের দুই দিনের মাথায় বঙ্গভবন ছেড়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন।রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২২ মিনিটে বঙ্গভবন ত্যাগ করেন তিনি।জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী এই রাষ্ট্রপতি সপরিবারে রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরের ১২৩ নম্বর সড়কের ৪১ নম্বর ‘গ্রিন ভিলা’ ভবনের নিজের ফ্ল্যাটে উঠবেন। বঙ্গভবনে যাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন পরিবার নিয়ে গুলশানের এই ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটটিতে থাকতেন।গত কয়েক দিন ধরেই বঙ্গভবন থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতির প্রয়োজনীয় ও পারিবারিক সরঞ্জাম ধাপে ধাপে গুলশানের এই ‘গ্রিন ভিলা’য় আনা হয়। নিজ ফ্ল্যাটে ওঠার পর চিকিৎসার জন্য তিনি বিদেশ যেতে পারেন বলে জানা গেছে।২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর হওয়ায় ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২১ মাস আগেই রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়েন মো. সাহাবুদ্দিন।গত শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। সেখানে অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে দেখান।পদত্যাগপত্র হাতে পাওয়ার পর সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত হিসেবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের কথাও ঘোষণা করেন স্পিকার।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আজ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বর্তমান নানা চ্যালেঞ্জের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এসব সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ ও বৈধ স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২০২৬ সালের কোনো সুবিধাজনক সময়ে ঢাকায় 'দ্বিতীয় বাংলাদেশ-সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথ কনস্যুলার কমিটি'-র সভা আয়োজনে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা জানান। এই সভায় কনস্যুলার ও অভিবাসন-সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা এবং এ খাতগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।বৈঠকে দুই পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউএই-এর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা করে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, বন্দর, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তাঁরা প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করবে। পাশাপাশি, উভয় পক্ষ 'বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ বিজনেস কাউন্সিল' সক্রিয় করা এবং সুবিধাজনক সময়ে এর বৈঠক আহ্বানের বিষয়ে সম্মত হয়।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির অধিবেশনে 'ওয়াদি উরাইয়াহ ন্যাশনাল পার্ক'-কে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের মূল্যবান সমর্থনের জন্য ইউএই রাষ্ট্রদূত আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।উভয় পক্ষ দুই বন্ধুপ্রতিম দেশ ও তাদের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার বহুমাত্রিক অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করতে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদ বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে এ অভিযোগ করা হয়।রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগটি দাখিল করা হয় বলে জানা গেছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গুম থাকার পর ফিরে আসা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান।তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষের প্রাণহানির সময় রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। কিন্তু তিনি ওই সময় কোনো ধরনের ভূমিকা পালন করেননি। এমনকি ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিরুদ্ধেও তিনি কোনো প্রতিবাদ জানাননি। এসব ঘটনায় তার মৌন সমর্থন ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।সংগঠনটির নেতাদের দাবি, আন্তর্জাতিক আইনের ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতিমতে, কোনো গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হলে দায়িত্বশীল সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষও জবাবদিহির আওতায় আসতে পারেন। সে বিবেচনায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর প্রধান হয়েও অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি। তারা তৎকালীন সরকারকে সহযোগিতা ও সুরক্ষা দিয়েছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
১ দিন আগে