আমাদের সম্পর্কে
চ্যানেল এস (সানশাইন টেলিভিশন
লি.)
গভীর গর্ব, আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং অটুট দায়িত্ববোধের সঙ্গে আপনাকে স্বাগত জানাই
চ্যানেল এস (সানশাইন টেলিভিশন লি.)-এর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই যাত্রায়।
চ্যানেল এস বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সম্প্রচার অঙ্গনে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর
এবং সম্ভাবনাময় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল। আমাদের পথচলার মূল দর্শন—সত্যনিষ্ঠ
সাংবাদিকতা, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন, সৃজনশীল কনটেন্ট, সুস্থ বিনোদন এবং প্রযুক্তিগত
উৎকর্ষের সমন্বয়ে দর্শকের আস্থা অর্জন।
আমরা মনে করি, গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশনের একটি মাধ্যম নয়; এটি সমাজের দর্পণ,
জনমানুষের কণ্ঠ এবং সময়ের দলিল। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই চ্যানেল এস মানুষের কথা বলতে,
সত্যকে অনুসন্ধান করতে এবং দেশ ও বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহকে দর্শকের সামনে
দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের যাত্রা
চ্যানেল এস-এর পথচলা শুরু
হয় ১১ জানুয়ারি ২০১৫ সালে একটি IPTV প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। শুরু থেকেই আমাদের
লক্ষ্য ছিল এমন একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যা বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ, দায়িত্বশীল
সাংবাদিকতা এবং অর্থবহ অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে দর্শকের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য অবস্থান
তৈরি করবে।
দীর্ঘ প্রচেষ্টা, পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে আমাদের সেই যাত্রা
নতুন মাত্রা লাভ করে ২৬ জানুয়ারি ২০২২ সালে। এদিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
চ্যানেল এস-কে স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার লাইসেন্স প্রদান করে। এর মাধ্যমে
IPTV প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে আমাদের বিকাশের
আনুষ্ঠানিক পথ উন্মুক্ত হয়।
এই ঐতিহাসিক দিনটি স্মরণে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি চ্যানেল এস’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হিসেবে উদ্যাপিত
হয়ে আসছে।
এরপর ১২ জুন ২০২৪ সালে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে চ্যানেল এস-এর
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চ্যানেল এস-এর আনুষ্ঠানিক
শুভ উদ্বোধন করেন। তাঁর সম্মানিত সদয় উপস্থিতি আমাদের পথচলায় একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে
চিহ্নিত হয়ে আছে।
নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা
একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রার
পেছনে প্রয়োজন সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, সঠিক নেতৃত্ব এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা। সেই
দর্শনকে সামনে রেখে চ্যানেল এস পরিচালিত হচ্ছে অভিজ্ঞতা, পেশাদারিত্ব ও ভবিষ্যৎমুখী
চিন্তার সমন্বয়ে।
চ্যানেল এস-এর চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত)
লে. জেনারেল (অব.) আবুল হোসেন প্রতিষ্ঠানের নীতিগত ও কৌশলগত দিকনির্দেশনায়
নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
চ্যানেল এস-এর প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
(MD & CEO) সুজিত চক্রবর্তী
প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রমে
নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা ও নিরলস প্রচেষ্টায় একটি স্বপ্ন ক্রমে একটি
আধুনিক ও সম্ভাবনাময় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।
সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয়াবলির ক্ষেত্রে রেজোয়ানুল হক (রাজা), পরিচালক
(সংবাদ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স), সংবাদ
বিভাগের পেশাগত সক্ষমতা, সম্পাদকীয় মান এবং সাংবাদিকতার উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করছেন।
আমাদের সাংবাদিকতা
চ্যানেল এস-এর সংবাদনীতির
কেন্দ্রে রয়েছে সত্য, নির্ভুলতা, ভারসাম্য ও দায়িত্বশীলতা।
আমাদের সংবাদ বিভাগ তথ্য সংগ্রহ, যাচাই, সম্পাদনা ও পরিবেশনের প্রতিটি পর্যায়ে
পেশাগত নীতি ও সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ মান অনুসরণ করার চেষ্টা করে। আমরা বিশ্বাস করি,
একটি সংবাদমাধ্যমের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তার দর্শকের আস্থা; আর সেই আস্থা অর্জন করা
যায় কেবল সততা, নির্ভুলতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে।
দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিজ্ঞান
ও প্রযুক্তি, পরিবেশসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাসঙ্গিকতা ও গভীরতার সঙ্গে
তুলে ধরাই আমাদের সাংবাদিকতার অন্যতম লক্ষ্য।
একই সঙ্গে আমরা সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, নৈতিক সাংবাদিকতা এবং তথ্যের ভারসাম্যপূর্ণ
উপস্থাপনাকে আমাদের পেশাগত দায়িত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করি।
আমাদের অনুষ্ঠান ও কনটেন্ট
দর্শকের প্রয়োজন, আগ্রহ
ও সময়ের পরিবর্তনকে বিবেচনায় রেখে চ্যানেল এস-এর অনুষ্ঠানমালা পরিকল্পিত ও নির্মিত
হয়।
সংবাদ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পাশাপাশি আমাদের কনটেন্টে রয়েছে আন্তর্জাতিক
বিষয়াবলি, ব্যবসা ও অর্থনীতি, খেলাধুলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিনোদন, প্রামাণ্যচিত্র,
টক শো, অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান, বিশেষ আয়োজন এবং বিভিন্ন ফিচারধর্মী অনুষ্ঠান।
আমাদের উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন দেওয়া নয়; বরং এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা দর্শককে
জানাবে, ভাবাবে, আনন্দ দেবে এবং সমাজ ও দেশ সম্পর্কে আরও সচেতন করে তুলবে।
বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সমকালীন বাস্তবতার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের
চিন্তা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকেও আমরা আমাদের কনটেন্টে গুরুত্ব দিতে চাই।
প্রযুক্তির শক্তিতে সম্প্রচার
আধুনিক সম্প্রচার ব্যবস্থায়
প্রযুক্তি কেবল অবকাঠামো নয়—এটি গুণগত পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
চ্যানেল এস আধুনিক Ultra High Definition (UHD) সম্প্রচার প্রযুক্তি, উন্নত
প্রোডাকশন সুবিধা, সমন্বিত নিউজরুম, ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো এবং Artificial
Intelligence (AI)-ভিত্তিক প্রযুক্তিগত সমাধান ব্যবহার করে তার সম্প্রচার সক্ষমতা
ক্রমাগত উন্নত করছে।
সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে কনটেন্ট উৎপাদন, সম্পাদনা, গ্রাফিক্স, অটোমেশন এবং
ডিজিটাল বিতরণ—প্রতিটি পর্যায়ে প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা দ্রুততা,
দক্ষতা ও মান নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।
আমাদের লক্ষ্য হলো—প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সৃজনশীলতার সমন্বয়ে একটি
আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও দর্শকবান্ধব সম্প্রচার অভিজ্ঞতা তৈরি করা।
আমাদের মানব সম্পদ
চ্যানেল এস-এর সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ শক্তি তার মানব সম্পদ।
সাংবাদিক, সম্পাদক, প্রযোজক,
উপস্থাপক, ক্যামেরাপারসন, প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ, গ্রাফিক্স ও ক্রিয়েটিভ পেশাজীবী,
প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিপণন ও ব্যবসা উন্নয়নকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিদিনের
সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
প্রতিটি বিভাগ নিজ নিজ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায়
অবদান রাখছে।
বিশেষ করে আমাদের মার্কেটিং ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট টিম বিজ্ঞাপনদাতা, করপোরেট
প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে
তোলার মাধ্যমে চ্যানেল এস-এর ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ ও ব্র্যান্ড উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করছে।
আমরা বিশ্বাস করি, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি তার সক্ষমতা বাড়ায়, কিন্তু
তার মানব সম্পদই তাকে স্বাতন্ত্র্য ও সাফল্য এনে দেয়।
বৈশ্বিক পরিসরে চ্যানেল এস
চ্যানেল এস-এর দৃষ্টিভঙ্গি
বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের
দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা বৈশ্বিক অঙ্গনে আমাদের সাংবাদিকতা ও সংবাদ কাভারেজের
পরিধি সম্প্রসারণ করছি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন (UN General Assembly), জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন
(UN Climate Conference) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আয়োজনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সংবাদ
সংগ্রহ ও সরাসরি উপস্থিতির মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো বাংলাদেশের দর্শকের
কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
আমাদের লক্ষ্য—বিশ্বকে বাংলাদেশের দর্শকের কাছে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা এবং একই
সঙ্গে বাংলাদেশের গল্প, সাফল্য ও সম্ভাবনাকে বিশ্ববাংলার সামনে তুলে ধরা।
ডিজিটাল ও OTT-এর ভবিষ্যৎ
দর্শকের কনটেন্ট গ্রহণের
ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, মোবাইল ডিভাইস
এবং OTT এখন আধুনিক গণমাধ্যমের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চ্যানেল
এস তার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, OTT সক্ষমতা এবং মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম কনটেন্ট ডেলিভারি
আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের লক্ষ্য হলো—বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাভাষী
দর্শকের কাছে চ্যানেল এস-এর সংবাদ, অনুষ্ঠান ও বিশেষ কনটেন্টকে সহজলভ্য করে তোলা।
ঢাকা থেকে বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে—চ্যানেল এস-এর এই ডিজিটাল যাত্রা
ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
আমাদের মূল্যবোধ
চ্যানেল এস-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের
ভিত্তিতে রয়েছে কিছু মৌলিক মূল্যবোধ—
সততা — সত্য ও নৈতিকতার প্রতি
অটল থাকা।
বিশ্বাসযোগ্যতা — তথ্যের যথার্থতা ও যাচাই নিশ্চিত করা।
নিরপেক্ষতা — ভারসাম্যপূর্ণ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা করা।
স্বাধীনতা — পেশাগত ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতাকে সম্মান করা।
পেশাদারিত্ব — কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা।
উদ্ভাবন — পরিবর্তনের সঙ্গে এগিয়ে গিয়ে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা।
দায়বদ্ধতা — দর্শক, সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।
আমাদের প্রতিশ্রুতি
আমাদের দর্শক ও ব্যবহারকারীদের প্রতি চ্যানেল
এস-এর অঙ্গীকার সুস্পষ্ট—
- সঠিক, যাচাইকৃত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য
পরিবেশন।
- বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার
চর্চা।
- সম্পাদকীয় স্বাধীনতা ও নৈতিক মান বজায়
রাখা।
- দর্শকের তথ্য ও গোপনীয়তার সুরক্ষায়
যথাযথ ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- আধুনিক ও সহজবোধ্য ব্যবহারকারী অভিজ্ঞতা
তৈরি করা।
- প্রযুক্তি ও কনটেন্টের মান ক্রমাগত
উন্নত করা।
- দর্শকের আস্থা ও প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দেওয়া।
আগামী দিনের স্বপ্ন
চ্যানেল এস-এর কাছে অগ্রযাত্রা
কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর নাম নয়; এটি একটি নিরন্তর উৎকর্ষের যাত্রা।
আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে উন্নত প্রযুক্তি, শক্তিশালী সাংবাদিকতা,
মানসম্মত কনটেন্ট, ডিজিটাল সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্র্যান্ডের
অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা।
আমরা এমন একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সত্য হবে সাংবাদিকতার
ভিত্তি, মানুষের আস্থা হবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন, প্রযুক্তি হবে অগ্রগতির হাতিয়ার
এবং দায়িত্ববোধ হবে প্রতিটি কাজের মূল চালিকাশক্তি।
আমাদের স্বপ্ন—চ্যানেল এস’কে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ গণমাধ্যম
ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রচার অঙ্গনেও একটি বিশ্বাসযোগ্য,
পেশাদার, প্রযুক্তিনির্ভর ও দায়িত্বশীল বাংলা মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরা।
আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো এখনও লেখা
হয়নি।
সেই আগামীকে সামনে রেখে—
সত্যের সন্ধানে আমরা অটল।
আগামীর প্রত্যয়ে আমরা
অবিচল।
চ্যানেল এস—আপনার কথা, আমাদের দায়বদ্ধতা।**
আমাদের সঙ্গে থাকুন
চ্যানেল এস-এর এই পথচলায়
আমাদের সম্মানিত দর্শক, বিজ্ঞাপনদাতা, ব্যবসায়িক অংশীদার, শেয়ারহোল্ডার, পরিচালনা পর্ষদের
সদস্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শুভানুধ্যায়ী এবং ‘চ্যানেল
এস পরিবার’-এর প্রতিটি সদস্যের সহযোগিতা ও আস্থার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
আপনাদের আস্থা আমাদের
শক্তি।
আপনাদের সহযোগিতা আমাদের প্রেরণা।
আপনাদের জন্যই আমাদের পথচলা।
চ্যানেল এস — সত্যের সন্ধানে,
আগামীর প্রত্যয়ে।