আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী রয়া চৌধুরী অর্জন করেছেন ফ্যাশন ম্যাগাজিন মিরর প্রদত্ত বাংলাদেশ উইমেনস ইনস্পিরেশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর আলোকিতে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে মিররের সম্পাদক শাহজাহান ভূঁইয়া রাজু তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।বাংলাদেশের নাম আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরা এবং আবৃত্তি শিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তোলার পাশাপাশি বহু তরুণীকে এই শিল্পচর্চায় অনুপ্রাণিত করার জন্যই তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। রয়া চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় অনেক তরুণী আবৃত্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে এখন নিয়মিত মঞ্চে পারফর্ম করছেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মঞ্চে আবৃত্তি পরিবেশন করে তারা পেশাগতভাবেও সফলতা অর্জন করছেন। ফলে আবৃত্তি শিল্প নারীদের আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার এক নতুন ক্ষেত্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে—যার পেছনে রয়া চৌধুরীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।গত কয়েক বছরে তার কবিতা আবৃত্তি দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার আবৃত্তির ভিডিও লাখো মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং বাংলা ভাষার কবিতাকে নতুনভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে। বাংলা ও দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ কাব্য-ঐতিহ্যকে ধারণ করে তিনি তার কণ্ঠের মাধ্যমে কবিতাকে পৌঁছে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে।তার আবৃত্তি অ্যালবাম ‘বেদনাদূতি’, ‘ইচ্ছামতী’ এবং ‘অভিসার’ শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া গ্র্যামি জয়ী শিল্পী পণ্ডিত বিশ্ব মোহন ভট্ট–এর সঙ্গে তার যুগল পরিবেশনায় ‘গীতাঞ্জলি’ আবৃত্তি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।রয়া চৌধুরী আমেরিকার নিউ জার্সির ফ্র্যাঙ্কলিন টাউনশিপ থেকে সার্টিফিকেট অব রেকগনিশন , ভারতের ২১তম টেলি সিনে অ্যাওয়ার্ডসহ পেয়েছেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ফেম অ্যাওয়ার্ড, বাইফা বেস্ট রেসিটেশন আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ চারদিকে সেলফ-রিলায়ান্ট অ্যাওয়ার্ড এবং বাংলাদেশ অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড।একাডেমিক জীবনেও তিনি সফল। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে জেন্ডার স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শিল্পীজীবনে তিনি কাজ করেছেন সামিউল ইসলাম পোলাক, রাজা দাস, স্বপ্নীল সজীব, ফ্র্যাঙ্ক আর্টাভিয়া, মাহিদুল ইসলাম এবং আইভি বন্দ্যোপাধ্যায়–এর মতো নন্দিত শিল্পীদের সঙ্গে।বর্তমানে তিনি রয়া ফাউন্ডেশন–এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
১ দিন আগে
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হয়ে চলবে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ এপ্রিল এবং তা শেষ হবে ৭ মে।রোববার (১৫ মার্চ) কমিশন সচিবালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার হলে কোনো ধরনের মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, ক্যালকুলেটর, বই বা নোট, ব্যাগ, চাবি, মানিব্যাগ, গহনা, ব্রেসলেট কিংবা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব জিনিস সঙ্গে থাকলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।পিএসসি জানায়, পরীক্ষার দিন কেন্দ্রের প্রবেশপথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে মেটাল ডিটেকটরের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে মোবাইল ফোন, ঘড়ি কিংবা অন্য কোনো নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস আছে কি না তা পরীক্ষা করা হবে।পরীক্ষার্থীদের আগেভাগে সতর্ক করতে পরীক্ষার দিন নিষিদ্ধসামগ্রী সঙ্গে না আনার বিষয়ে তাদের মোবাইল ফোনে খুদে বার্তাও পাঠানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় যে প্রার্থীদের শ্রুতি লেখক প্রয়োজন, তাদের আগামী ১০ মার্চের মধ্যে আবেদন করতে হবে।আজ বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এসব তথ্য জানান।পিএসসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখে নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ জুলাই। ১০ আগস্ট থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।গত ৩০ জানুয়ারি ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি ফল ঘোষণা করা হয়। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ১২ হাজার ৩৮৫ জন।বিভিন্ন ক্যাডারের ১ হাজার ৭৫৫টি পদে ও নন ক্যাডারের ৩৯৫টি পদসহ মোট ২ হাজার ১৫০ পদে পদে নিয়োগে ৫০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি গত ২৬ নভেম্বর প্রকাশ করে পিএসসি।এ বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যে ৬৫০ জন ও প্রশাসনে ২০০ জন নিয়োগ দেবে সরকার। তৃতীয় অবস্থানে শিক্ষা ক্যাডারে ১৮৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।এক বছর সময়ের মধ্যে এ বিসিএসের কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে কমিশন।
২ সপ্তাহ আগে
৪৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২১-এর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৪ হাজার ১৩৬ জনকে নন-ক্যাডার পদের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরিনের সই করা বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০২৩’-এর বিধি ৬ অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা ও পছন্দক্রম বিবেচনা করে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ৯ম থেকে ১১তম গ্রেডের বিভিন্ন শূন্য পদে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ৯ম গ্রেডের পদে। এর মধ্যে খাদ্য অধিদফতরে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে তিনজন, নিবন্ধন অধিদফতরে সাব-রেজিস্ট্রার পদে আটজন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে সহকারী পরিচালক পদে ২৯ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া পাসপোর্ট অধিদফতরে ১৪ জন এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে ১৯ জন ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে মনোনয়ন পেয়েছেন।১০ম গ্রেডের বড় একটি অংশ নিয়োগ পাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে। এখানে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে কয়েকশ প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরে খাদ্য পরিদর্শক পদে ১৬৩ জন এবং মৎস্য অধিদপ্তরে মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে ১৮ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইন্সট্রাক্টর (কৃষি ও শারীরিক শিক্ষা) সহ বেশ কিছু পদে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে আবেদন করেন প্রায় তিন লাখ ৫০ হাজার প্রার্থী। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ৭০৮ জন। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন প্রায় ৪ হাজার জন।
৩ সপ্তাহ আগে