গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ দিনে সারাদেশে হাম ও হাম সন্দেহে ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি শিশুর।রোববার (৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হাম সন্দেহে সাত হাজার ৬১০ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পরীক্ষায় ৯২৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১১৩ জন শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের।সবচেয়ে বেশি হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩২৫৯ জন শিশু, এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৪৬৮ জন।এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে ৬৫৪ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে।মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, ৫৫ জন। এরপরই আছে ঢাকা বিভাগ, ১০ জন। এ সময় ময়মনসিংহ, রংপুর ও সিলেট বিভাগে মৃত্যুর কোনো ঘটনা নেই।
২৩ ঘন্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে আরো ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।রোববার (৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের হাম সংক্রমণ পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় এই বিজ্ঞপ্তিতে। অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে একজন রোগী ঢাকা বিভাগে এবং অন্য একজন ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগে ৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ ৫ এপ্রিল (সকাল ৮টা) পর্যন্ত সারাদেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৯ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭০ জন।এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩ হাজার ৩৮০ জন রোগী।
১ দিন আগে
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনকভাবে হামে ৯৪৭ জন আক্রান্ত ও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ জন। এ সময় কোনো মৃত্যু নেই। তবে সন্দেহজনক হাম রোগে ৯৪৭ জন আক্রান্ত ও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭৭১ জন। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৯২। এ সময় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯৪ জন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৫২৭ জন।
৩ দিন আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, হাম হঠাৎ বজ্রপাতের মতো এসেছে, আমাদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না বলে জানিয়েছেন।২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী রোববার থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সের শিশুদের এই টিকা দেওয়া হবে।সাক্ষাৎকারে ডা. বে-নজীর আহমেদ / টিকা যথাযথ না দেওয়ায় মহামারি রূপ নিয়েছে হামতিনি বলেন, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাভির (ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বৈশ্বিক জোট গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ) কাছ থেকে হামের টিকা ধার হিসেবে নিচ্ছে সরকার। পরে তাদের এই টিকা ফেরত দেওয়া হবে।এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। সরকারিভাবে এখনও মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে অর্ধশতাধিক শিশু মারা গেছে।
৪ দিন আগে