দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৯২০ জন। এছাড়া অক্টোবর মাসের প্রথম ১৩ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৭৬ জনের। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২১ জন।বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন, ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ও রাজশাহী বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭০ জন, খুলনা বিভাগে ২৫৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ জন, রংপুর বিভাগে ৭০ জন ও সিলেট বিভাগে ১৭ জন রয়েছেন।চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৩১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মোট ৯৯ হাজার ২০১ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৯০৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনসহ চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে সারা দেশে মোট ৩২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
১ দিন আগে
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩২৭ জন।বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত এক দিনে ঢাকা বিভাগে পাঁচজন এবং ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগে একজন করে মোট সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৭৭ জনের মৃত্যু হলো।এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৭৩ জন।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।এ নিয়ে দেশে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৫৭০ জনে।একই সময়ে গবেষণাগারে নিশ্চিত হওয়া হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২৮ জন। এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৮৪০।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৯০ জন।একই সময়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৯৮ জন।
১ দিন আগে
মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের থাবায় গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৫৪ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১৬ জন। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে হয়ে গেল ১ লাখ ০৩ হাজার ৩৯৬ জন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৯ জনের। সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ১০৭৪ জন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্দেহজনক হামে ঢাকায় ২৯৫ জন, সিলেটে ১৪২, চট্টগ্রামে ২৪৬, রাজশাহীতে ৩৭, ময়মনসিংহে ৭২, বরিশালে ১৩২, খুলনায় ১২৬ ও রংপুরে ২৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।নিশ্চিত হামে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৬৩, চট্টগ্রামে ৬৭ ও খুলনায় নয়জন। হামে উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে, ঢাকায় তিনজন, সিলেটে একজন ও চট্টগ্রামের দুইজন। গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের। হামের উপসর্গে ১০৬৬ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ২২ হাজার ৭১২ জন। হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে দুই লাখ ৭ হাজার, ৩৭১ জনের মধ্যে। হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭২ জন।
২ দিন আগে