প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসন দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করেছিল, এখন তা পুনর্গঠনের পালা। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে বর্তমান সরকার। বিএনপির সব পরিকল্পনা জনবান্ধব।সোমবার দুপুরে ‘এসডিজি ভিলেজ’ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, সরকারের সহায়তার নেটওয়ার্ক ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে। কোনো এক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়, এর জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।‘এসডিজি ভিলেজ’ প্রকল্পের গ্রামগুলো হচ্ছে—রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা দাকোপ উপজেলার পানখালী ও দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর। বর্তমান সরকার দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এ প্রকল্প গ্রহণ করেছে।এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা থাকছে এই প্রকল্পে। এমন সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির মিতিঙ্গাছড়ির গ্রামবাসী।দেশের টেকসই উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর হয়ে পড়া রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি দেশের তিনটি গ্রামকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করেছেন।সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণবিষয়ক জাতীয় সম্মেলন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ যেভাবে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, এসডিজি বাস্তবায়নেও সরকার সেভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’-এর সঙ্গে বর্তমান সরকারের ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতির মিল রয়েছে।বিএনপির রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপির রাজনীতি সবসময়ই জনবান্ধব। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার সঙ্গে এমডিজি বা এসডিজির খুব বেশি অমিল নেই।বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনে বাংলাদেশকে একটি ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশসহ সর্বক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এখন পুনর্গঠনের পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রাপথে এসডিজির ভূমিকা অনস্বীকার্য।এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিতে সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো গ্রহণ করেছে, যা জাতিসংঘের এসডিজির সঙ্গে সমন্বিত। সরকারের ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ’-এর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ ও এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সুসংহত করতে ‘থ্রি-আর’ বা ‘রিকভারি, রিহ্যাবিলিটেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন’ কৌশল নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত রূপান্তর বাস্তবায়িত হবে।গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের জন্য কৃষক কার্ড এবং স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ডের মতো কর্মসূচি চলমান রয়েছে। পাশাপাশি স্পোর্টস কার্ড চালু এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মেয়াদের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে সম্ভাব্য প্রতিটি নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষা বলয় ও আর্থিক কাঠামোর আওতায় আনার সুচিন্তিত পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি গ্রামে ‘এসডিজি ভিলেজ’ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। গ্রাম তিনটি হলো—রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।এই গ্রামগুলোতে ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ঋণ, স্কুল ড্রেস, মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রাম পর্যটন, ব্লু-এমপ্লয়মেন্ট, ওয়ান ভিলেজ-ওয়ান প্রোডাক্ট, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও ইকোট্যুরিজমসহ বিভিন্ন কর্মসূচি একযোগে বাস্তবায়ন করা হবে। সাফল্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশজুড়ে এই মডেল সম্প্রসারণ করা হবে এবং এটি বিশ্বের সামনে একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘ডেভেলপমেন্ট মডেল’ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
৭ ঘন্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য ও ত্যাগীদেরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্বল বা অযোগ্য কাউকে মনোনয়ন দিলে অন্যরা সুযোগ নেবে। তাই দলের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে।৯ আগস্ট রোববার রাতে নগরীর রেডিসন ব্লুতে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের নিয়ে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় ছয় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। এতে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সভায় উপস্থিত একাধিক বিএনপি নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারেক রহমান দলের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড নিয়ে দিকনির্দেশনা ও উদ্দীপনামূলক বক্তব্য দেন।নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গুপ্ত বাহিনীর ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। ফ্যাসিবাদী শক্তিও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু রামিসার বিচার এক মাসের মধ্যে করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা ১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপরও গুপ্ত বাহিনী এই বিচার নিয়ে মিথ্যাচার করেছে।বিএনপি পরিবারকে একটি ঘরের বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো কারণে যাতে সেই ঘর ভেঙে না পড়ে, সে জন্য সবাইকে তা শক্ত হাতে ধরে রাখতে হবে।তিনি আরও বলেন, বিএনপি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে। এসব বিষয়ে জনগণকে জানাতে হবে।
১২ ঘন্টা আগে
আগামী ১০ বছরের জন্য দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের পরিকল্পনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে দেশের স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের ব্যবস্থাও করা হবে।রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের সমুদ্রসৈকতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, বিগত স্বৈরাচার আমলে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত গুটিকয়েক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, যা দেশের মানুষের স্বার্থে ছিল না। এখন সেই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে জনগণের স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা এরইমধ্যে সেই কাজে হাত দিয়েছি।তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের জ্বালানি পরিকল্পনা কী হবে এবং আগামী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কী হবে, সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপনের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।জ্বালানি খাত নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত কিছুদিন ধরে গুটিকয়েক মানুষ এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিএনপি সরকার সংসদে পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে। কারও কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। কিন্তু বিভ্রান্তিকর কথা বলে দেশে বিশৃঙ্খলা ও জনগণের শান্তি নষ্ট করা যাবে না।দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে জ্বালানি ও নিরাপত্তার সম্পর্ক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনতে হলে শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগকারীরা চান, তাদের কারখানায় উৎপাদিত পণ্য নির্বিঘ্নে বন্দরে যেতে পারবে এবং কাঁচামালও সঠিকভাবে আসতে পারবে। শিল্পকারখানা সঠিকভাবে চালাতে হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ প্রয়োজন।তারেক রহমান বলেন, আনোয়ারায় চীনকে আমরা একটি বিরাট জায়গা দিয়েছি। এই যে চীন থেকে আমি ঘুরে এলাম, তাদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। সেখানে তারা কয়েকশ মিল-কারখানা তৈরি করবে এবং এই মিল-কারখানাগুলোতে সমগ্র চট্টগ্রামের মানুষ ইনশাআল্লাহ সেখানে কাজ করার সুযোগ পাবে। তার ফলে আমাদের যেমন একদিকে বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে, একইসঙ্গে আমরা ইনশাআল্লাহ বহু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করব। যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার মাধ্যমে আমরা এই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করব।তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি আমরা কৃষক কার্ডেরও ব্যবস্থা করেছি। এই যে বাঁশখালির কিছু অংশে লবণ চাষি ভাইয়েরা আছেন। শুধু যারা ধান, পাট বা অন্যান্য শাকসবজি বা অন্যান্য ফসল চাষবাস করে, তারাই যে শুধু কৃষক কার্ড পাবে তা নয়। লবণ চাষি ভাই যারা আছেন, ইনশাআল্লাহ তারাও কৃষক কার্ড হাতে পাবেন।তিনি আরও বলেন, একটি কথা এসেছে যে লবণের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার। আলোচনা করে আমরা ইনশাআল্লাহ লবণের মূল্য নির্ধারণ করেছি। যে মূল্য পেলে লবণ চাষী ভাইদের স্বাবলম্বিতা আসবে, অর্থনৈতিকভাবে তারা সচ্ছল হবে। আস্তে আস্তে, ইনশাআল্লাহ আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমরা সেই দামটি সবাইকে জানিয়ে দেব। যার ফলে লবণ চাষি ভাইদের আর আগের মতো কষ্ট পোহাতে হবে না।সমাবেশে উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে সারাদেশে প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের মায়ের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। বাঁশখালী এলাকায় ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবারের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
১ দিন আগে