বাংলাদেশে পথচলার ১২ বছর পূর্ণ করেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মোটরসাইকেল ও স্কুটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিরো মোটোকর্প। এ উপলক্ষে যশোরের পদ্মবিলা এলাকায় অবস্থিত এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের (এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ) প্ল্যান্টে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল হিরো মোটোকর্প ও নিলয় মোটরস বাংলাদেশে যৌথভাবে কার্যক্রম শুরু করে। দীর্ঘ এই সময়ে গ্রাহকের আস্থা ও ভালোবাসায় দেশের মোটরসাইকেল বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে হিরোর মোট গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি, মানসম্মত পণ্য, গ্রাহকসেবা ও নির্ভরযোগ্যতার মাধ্যমে এই আস্থা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।হিরোর বাংলাদেশে উৎপাদন সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ প্ল্যান্ট। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই কারখানায় বছরে দেড় লাখের বেশি ইউনিট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দেশের মোটরসাইকেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্ল্যান্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে হিরো। প্ল্যান্টটিতে সৌরশক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে টেকসই উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্ল্যান্টের কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৫ হাজারের বেশি মানুষ যুক্ত রয়েছেন।অনুষ্ঠানে নিটল নিলয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুসাব্বির আহমেদ বলেন, ১২ বছরের যাত্রায় প্ল্যান্টের সাফল্যের পেছনে পুরো দলের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে ছোট ছোট উন্নতিই বড় সাফল্য তৈরি করে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, বাজারে নেতৃত্বের অবস্থান ধরে রাখতে প্ল্যান্টটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এক্সট্রিম সিরিজ, নতুন স্প্লেন্ডার মডেল এবং জুম সিরিজসহ নতুন মডেলগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে হিরো মোটোকর্প ও এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থান, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।বক্তারা জানান, স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, নির্ভরযোগ্য পণ্য এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের দুই চাকার যানবাহনের বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চান তারা।আগামী দিনগুলোতে নতুন পণ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের চলাচলকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি দেশের মোটরসাইকেল শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছে হিরো।
১ দিন আগে
গ্লোবাল ইনোভেটিভ টেকনোলজি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীকে, টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফুটবল ও প্রযুক্তিকে একসঙ্গে নিয়ে তরুণদের আরও কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যেই টেকনোর সঙ্গে যুক্ত হলেন হামজা। এই পার্টনারশিপের সঙ্গে মিল রয়েছে টেকনোর ‘স্টপ অ্যাট নাথিং’ স্লোগান যা কোনো বাধায় থেমে না গিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতাকে ধারণ করে। পেশাদার ফুটবলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার সিদ্ধান্তের পর দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে হামজা এখন অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় নাম। মাঠে তার দৃঢ়তা, পারফরম্যান্স এবং লড়াকু মানসিকতা বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তৈরি করেছে ব্যাপক আগ্রহ। দেশের ফুটবল ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই পার্টনারশিপের ঘোষণা দিল টেকনো। ব্র্যান্ডটি ‘টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬’ -এর টাইটেল স্পন্সর। হামজাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ফুটবল ও তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে টেকনোর সম্পৃক্ততা আরও জোরদার হবে। টেকনো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইস্মার্ট ইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের সিইও রেজওয়ানুল হক বলেন, “হামজার মধ্যে আমরা যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দৃঢ়তা এবং প্রতিনিয়ত সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা দেখি, তা টেকনোর ‘স্টপ অ্যাট নাথিং’ স্লোগানের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। হামজা এখন টেকনো পরিবারের অংশ। সামনে ‘টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬’ -ও রয়েছে। এই দুইয়ের সমন্বয়ে প্রযুক্তি ও ফুটবলকে আরও কাছাকাছি এনে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নতুন ও আকর্ষণীয় কিছু অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চাই আমরা।” এই পার্টনারশিপের আওতায় টেকনোর বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও প্রোডাক্ট ক্যাম্পেইনে দেখা যাবে হামজাকে। আপকামিং ক্যামন সিরিজের পাশাপাশি ফুটবলভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্ট, বিভিন্ন ফ্যান অ্যাক্টিভেশন ও কনজ্যুমার ক্যাম্পেইনেও যুক্ত থাকবেন তিনি। একই সঙ্গে এ আই-নির্ভর স্মার্টফোন প্রযুক্তি ও উন্নত ইমেজিং নিয়ে কাজ করছে টেকনো। হামজার সঙ্গে এই পথচলায় স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফুটবলের বিভিন্ন মুহূর্ত ধারণ এবং ভক্তদের জন্য নতুন ধরনের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা তৈরির দিকেও গুরুত্ব দেবে ব্র্যান্ডটি। টেকনোর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে হামজা চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ আমার কাছে খুবই বিশেষ। এখানকার মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তা সত্যিই অসাধারণ। টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সব সময় সামনে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার যে বিশ্বাস, সেটির সঙ্গে আমি নিজেকে মেলাতে পারি। সামনে ভক্তদের জন্য একসঙ্গে দারুণ কিছু করার অপেক্ষায় আছি।” আগামী মাসগুলোতে হামজাকে নিয়ে বেশ কিছু ক্যাম্পেইন, ফুটবলভিত্তিক কনটেন্ট ও ফ্যান অ্যাক্টিভেশন নিয়ে আসবে টেকনো। মাঠের খেলা থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আরও কাছাকাছি পৌঁছাবে টেকনো ও হামজার এই নতুন পথচলা।
৪ দিন আগে
গ্রামীণফোন, গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেড (জিএইচএল)-এর সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে, গ্রামীণফোনের ডিস্ট্রিবিউশন হাউস ফিল্ড ফোর্স এবং গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) এজেন্টদের জন্য ‘সুখী’ ডিজিটাল হেলথকেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা চালু করেছে।দেশজুড়ে গ্রাহকদের সেবা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ফ্রন্টলাইন টিমের স্বাস্থ্য ও সুস্থতায় সহায়তা করা গ্রামীণফোনের চলমান উদ্যোগগুলোর অংশ এই কার্যক্রম। একইসঙ্গে, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করে তোলার ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের বৃহত্তর অঙ্গীকারেরও প্রতিফলন এই উদ্যোগ।এই উদ্যোগের আওতায় ডিস্ট্রিবিউশন হাউস ফিল্ড ফোর্স এবং জিপিসি এজেন্টরা ‘সুখী’ অ্যাপের মাধ্যমে সারা বছর ২৪ ঘণ্টা বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, তারা চিকিৎসা পরামর্শের পর ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন নিতে পারবেন। এছাড়াও হোম ল্যাব টেস্টে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ এবং অনলাইনে ওষুধ কেনাকাটায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।গ্রামীণফোনের হেড অব সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন মোহাম্মদ শরীফ মাহমুদ খান এবং গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের (জিএইচএল) চিফ বিজনেস অফিসার এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিবিটিও) মোহাম্মদ সোলায়মান রাসেল সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামান এবং চিফ প্রোডাক্ট অফিসার (সিপিও) সোলায়মান আলম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের (জিএইচএল) পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) ড. আহমদ আরমান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালে জিএইচএলের সিবিটিও তাদের অ্যাপ, ওয়েব এবং আইভিআর কল সেন্টার চ্যানেলের মাধ্যমে 'সুখী'র প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার তাৎক্ষণিক ব্যবহার ও সুবিধা প্রদর্শন করেন।গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) ফারহা নাজ জামান বলেন, “আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন হাউজ ফিল্ড ফোর্স এবং জিপিসি এজেন্টরা আমাদের ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তারা প্রতিদিন আমাদের গ্রাহকদের সাথে নিবিড়ভাবে সংযুক্ত থাকেন। তাই তাদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা আমাদের জন্য একটি প্রধান অগ্রাধিকার। গ্রামীণ হেলথটেকের সাথে এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে, আমরা তাদের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করে তুলছি। আমরা বিশ্বাস করি ২৪/৭ ডাক্তারের পরামর্শ এবং অন্যান্য ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা আমাদের ফ্রন্টলাইন টিমকে মূল্যবান সহায়তা প্রদান করবে।”গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী বলেন, “গ্রামীণফোনের ফিল্ড ফোর্স এবং জিপিসি এজেন্টদের কাছে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে গ্রামীণফোনের সঙ্গে পার্টনারশীপ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। 'সুখী' প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যেকোনো স্থান থেকে সহজেই স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা নিতে পারবেন। এই উদ্যোগটি কীভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক করা যায়, তার একটি উদাহরণ। আমরা আশা করি এটি সারা দেশে গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের সেবা দেওয়া মানুষদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।”
৬ দিন আগে
দেশের অন্যতম ইলেকট্রনিক্স রিটেইল চেইন Sony Rangs-এ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড টিসিএলের প্রিমিয়াম ‘হেলথ এডিশন’ এয়ার কন্ডিশনার। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন Sony Rangs-এর মাধ্যমে টিসিএলের অত্যাধুনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক এয়ার কন্ডিশনার সিরিজটি ক্রয় করতে পারবেন।শহরের বিষাক্ত বায়ুদূষণ এখন শহুরে জীবনের নিত্যসঙ্গী। এর ক্ষতিকর প্রভাব ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের ওপরও পড়ছে। তাই বাইরে থেকে ঘরে ফিরেও প্রশ্ন থাকে, ঘরের বাতাস কতটা স্বাস্থ্যকর? শুধু এসি দিয়ে তাপমাত্রা কমালেই যথেষ্ট নয়; বন্ধ ঘরে ধূলিকণা ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। তাই আধুনিক এসিতে শীতলতার পাশাপাশি বাতাসের গুণমান ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ।এই চাহিদাকে সামনে রেখে ডিএক্স গ্রুপ বাংলাদেশের বাজারে এনেছে টিসিএলের ‘প্রিমিয়াম হেলথ এডিশন এসি’। এই সিরিজের প্রধান আকর্ষণ হলো এর ছয় স্তরের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফিল্টার ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন ধাপে বাতাসকে পরিশোধিত করে ঘরের মধ্যে সতেজ ও স্বাস্থ্যকর বাতাস সরবরাহ করতে পারে। বায়ুদূষণের বিরূপ প্রভাব কেবল শ্বাসতন্ত্রে নয়, ত্বকেও পড়ে। এই বিষয়টি বিবেচনায় টিসিএলের হেলথ এডিশন এসিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভিটামিন-সি প্রযুক্তি, যা শীতলতার পাশাপাশি বাতাসে সতেজতার অনুভূতি এনে দেয়।অন্যদিকে, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় আর্দ্রতা একটি বড় অনুষঙ্গ। অনেক সময় এসি চলা সত্ত্বেও ঘরে ভেজা ভাব ও অস্বস্তি থেকে যায়। এই এসির বুদ্ধিমান আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে এসির ভেতরে ধুলা ও দুর্গন্ধ জমার প্রবণতা দূর করতে এতে যুক্ত হয়েছে স্বয়ংক্রিয় অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার ব্যবস্থা। কয়েলকে জমাট বাঁধানো, বরফমুক্ত করা এবং শুকিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি এসির অভ্যন্তরীণ অংশকে শুষ্ক ও পরিচ্ছন্ন রাখতে সহায়তা করে।এসব সুবিধার পাশাপাশি টিসিএল হেলথ এডিশন এসিতে রয়েছে ডিসি ফুল ইনভার্টার প্রযুক্তি, যা সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সক্ষম। সেই সঙ্গে ওয়াই-ফাই কানেক্টিভিটি, স্মার্টফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ সুবিধা, চারদিকে বাতাস প্রবাহের প্রযুক্তি এবং বিল্ট-ইন ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার—এসব ফিচার আধুনিক জীবনযাত্রার সঙ্গে আরও উপযোগী করে তুলেছে এসিটিকে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সনি র্যাংগস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন’ চিফ ফাইনান্স অফিসার মুস্তফা ওয়াকি চৌধুরী, সিনিয়র জি এম জানে আলম, জিএম হেড অব রিটেইল কে এম মুসাদ্দেক উল্লাহ সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।টিসিএল এর একমাত্র পরিবেশক ডিএক্স গ্রুপের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন’ চিফ ম্যানুফাকচারিং অ্যান্ড প্রোডাক্ট অফিসার আরিফুর রহমান, হেড অব সেলস মাহমুদুল আলম, এডভাইজর মার্কেটিং ও ডিজিটাল ক্লাস্টার মুনতাসির আহমেদ, হেড অব অল্টারনেটিভ চ্যানেল আলাল উদ্দিন রুমেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।১২ বছরের কম্প্রেসর ওয়ারেন্টি, ৫ বছরের পার্টস ওয়ারেন্টি এবং ২ বছরের ফ্রি হোম সার্ভিস সুবিধাসহ টিসিএল হেলথ এডিশন এসির ১ টন, ১.৫ টন ও ২ টন মডেল এখন Sony Rangs-সহ সারাদেশের টিসিএল-ডিএক্স অনুমোদিত ইলেকট্রনিক্স শপে পাওয়া যাবে। উদ্বোধন উপলক্ষে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত টিসিএল এর এসি কিনলেই থাকবে টিসিএল ৭৫ইঞ্চি টিভি, ওয়াশিং মেশিন সহ লক্ষাধিক টাকার পুরস্কার জেতার সুযোগ।
৬ দিন আগে