ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ


২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা অনলাইনে প্রবেশ করে কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, তা জানতে পারছেন।এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৬ শিক্ষার্থী। বিপরীতে সারা দেশে কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ।একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোম পেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। এরপর ক্যাপচা পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে নির্বাচিত কলেজের তথ্য দেখা যাবে।প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নিশ্চয়ন ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।এরপর শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছে।

২ দিন আগে

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধ ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে। সেই সাথে তার তৎকালীন ঐতিহাসিক একটি ডায়েরির ছবিও বইয়ে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।এনসিটিবি জানিয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকে নতুন অধ্যায় হিসেবে এটি স্থান পাচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম স্মৃতিকথা হিসেবে বহুল আলোচিত এই দলিলটিকে পাঠ্যভুক্ত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)।বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘আগামী বছরের শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ে জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে এনসিসিসি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। যার যতটুকু অবদান, তা নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাঠ্যবইয়ে নিবন্ধটি অন্তর্ভুক্তির ফলে শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম থেকে ভেসে আসা ঐতিহাসিক ‘উই রিভোল্ট’ ও কালুরঘাটের স্বাধীনতার ঘোষণার চাক্ষুষ স্মৃতি নির্মোহভাবে শিখতে পারবে, যা মুক্তিযুদ্ধের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস তুলে ধরতে একটি বড় মাইলফলক।এ বিষয়ে বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের লেখা এই নিবন্ধে ঐতিহাসিক মূল্য আছে। এর মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতার সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। পাঠ্যবইয়ে এটি অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক।’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, ‘এই নিবন্ধ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা জানার সুযোগ পাবে। অতীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে যেভাবে একপাক্ষিক ইতিহাস চর্চা করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নির্মোহ ও নিরপেক্ষ ইতিহাস তুলে ধরার দৃষ্টিভঙ্গি সেই মানসিকতার অবসান ঘটাবে।’শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সচিবের সভাপতিত্বে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ পাঠ্যপুস্তকের ২২ নম্বর গদ্যের লেখক পরিচিত অংশে জিয়াউর রহমানকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও ‘বীর উত্তম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধকে সর্বাত্মক ‘জনযুদ্ধ’ হিসেবে চিহ্নিত করে ২৫শে মার্চের গণহত্যার পর শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হলে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল মুক্তিকামী মানুষের জন্য ‘তুর্যধ্বনির মতো’।এনসিটিবি জানায়, প্রবন্ধটির মূল বর্ণনা শুরুর আগে কিছু ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যায় ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ ও ১৯৮০ সালে অধুনালুপ্ত ‘দৈনিক দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ দুটিকে মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য দলিল হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অনিবার্য নাম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, গদ্যের প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও সম্মুখসমরের আত্মত্যাগের এক অনন্য আলেখ্য চিত্রিত হয়েছে।প্রস্তাবিত প্রবন্ধের মূলকথায় যা আছে-মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র দায়িত্ব গ্রহণের অনুভূতির কথা বর্ণনা করতে গিয়ে নিবন্ধে জিয়াউর রহমান লিখেছেন— ‘সবাই আমরা যুদ্ধ করেছি। সৈনিক, জনগণ সবাই। জাতির চরম সংকটের মুহূর্তে কাউকে না কাউকে সামনে এগিয়ে আসতে হয়। নিতে হয় দায়িত্ব। আমি কেবল সেই দায়িত্ব পালন করেছি। নেতারা যখন উধাও হয়ে গেল— সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ থাকল না, তখন জাতির পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত আমাকে ঘোষণা করতে হলো... ২৬শে মার্চ রাতের প্রথম প্রহরে সেই চূড়ান্ত সময়টি এলো। যার জন্য গোটা মাস আমরা রুদ্ধশ্বাস হয়ে প্রতীক্ষা করছিলাম।’চট্টগ্রামে পাক বাহিনীর ষড়যন্ত্র অনুধাবন ও ১লা মার্চ থেকে শুরু হওয়া সন্দেহজনক গতিবিধির বিবরণ দিয়ে মেজর জিয়া উল্লেখ করেন— ‘১লা মার্চ থেকে ২০তম বেলুচ রেজিমেন্টের রহস্যজনক গতিবিধি থেকে আমরা সুস্পষ্ট আঁচ করতে পারছিলাম কী ঘটতে যাচ্ছে... ১৩ই মার্চ নেতাদের সঙ্গে ইয়াহিয়ার গোলটেবিল বৈঠক শুরু হলো। এর মধ্যেই পাকিস্তানি জেনারেলরা একের পর এক বিমানে আসতে লাগলেন... এ ছিল সর্বাত্মক হামলার এক ভীতিকর পূর্বাভাস... দ্রুত ঘনিয়ে এলো পঁচিশ-ছাব্বিশের সে রাতটি। রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে জেনারেল আনসারীর কাছে রিপোর্ট করার জন্য ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার আমার কাছে নির্দেশ পাঠালেন। নৌ-বাহিনীর একটি ট্রাক পাঠানো হলো আমাকে এসকর্ট করে নিয়ে যাওয়ার জন্য...’নিবন্ধে জিয়াউর রহমান আরও লেখেন, ‘আগ্রাবাদের এক ব্যারিকেডের সামনে ট্রাক থেমে গেল... ঠিক সে সময়ে মেজর খালিকুজ্জামান সেখানে আমার সঙ্গে দেখা করলেন। অনুচ্চস্বরে বললেন, ওরা ক্যান্টনমেন্টে হামলা শুরু করেছে। শহরেও অভিযান চালিয়েছে। হতাহত হয়েছে বহু নিরীহ মানুষ। যে সময়ের জন্য এতদিন অপেক্ষা করছিলাম, সে সময় এসে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলাম, ‘উই রিভোল্ট’। নির্দেশ দিলাম, ষোলশহরে ছুটে যাও। পাকিস্তানি অফিসারদের আটক করো। যুদ্ধের জন্য তৈরি করে রাখো ব্যাটালিয়নের সবাইকে।’জিয়াউর রহমান লিখেছেন- ‘ষোলশহরে এসে মুহূর্তে একটি রাইফেল কেড়ে নিলাম তাদের একজনের কাছ থেকে... ব্যাটালিয়নের সব অফিসার আর জোয়ানদের এক জায়গায় একত্র করে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলাম। বললাম, আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধে নেমেছি। তারা এই ঘোষণাটির জন্যই উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছিল। সঙ্গে সঙ্গে সবাই উল্লাসধ্বনি করে সাড়া দিল। পর মুহূর্তেই সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। রাত তখন ২টা ১৫ মিনিট। ২৬শে মার্চ ১৯৭১। জাতির জন্যে অবিস্মরণীয় সেই মুহূর্তটি।’পটিয়ার পাহাড়ে প্রথম মুক্তাঞ্চল গঠন ও সামরিক কৌশলের বর্ণনা দিয়ে মেজর জিয়া লেখেন— ‘রাত ৪টায় রেললাইন ধরে পটিয়ার পাহাড়ের দিকে যাত্রা করলাম। পথে ইপিআর-এর একশজন আমাদের সাথে যোগ দিল... ২৬শে মার্চের মধ্যেই তিনশ সদস্যের বাহিনীকে চট্টগ্রাম পাঠানো হলো হানাদারের মোকাবিলার জন্য। প্রচণ্ড যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। সেই প্রথম সম্মুখসমর, পাকিস্তানি শিবিরে তখন আতঙ্ক। তাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলো।’কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার স্মৃতিচারণ করে নিবন্ধে জিয়াউর রহমান লিখেছেন— ‘দিনটি ছিল ২৭শে মার্চ... সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রেডিও স্টেশনে এলাম। হাতের কাছে একটি এক্সারসাইজ খাতা পাওয়া গেল। তার একটি পৃষ্ঠায় দ্রুতহাতে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম ঘোষণার কথা লিখলাম— স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বভার নিয়েছি, সে কথাও লেখা হলো সেই প্রথম ঘোষণায়... বেতার তরঙ্গের সে ঘোষণা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি রেডিওতে ধরা পড়ল। আর বিশ্ববাসী সেই প্রথম শুনলো: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের ঘোষণা নিয়ে যুদ্ধে নেমেছে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে...২৭শে মার্চ, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ইথারে ঘোষণাটি উচ্চারিত হওয়ার পর মুহূর্তেই বিশ্বমানচিত্রে অঙ্কিত হয়ে গেল ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ কথাটি। ‘সে ছিল সত্যি এক অলৌকিক ব্যাপার!’শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, ‘এনসিসিসি সভায় নিবন্ধটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও নির্মোহ ইতিহাস জানতে পারবে।’সূত্র: বাসস

৩ দিন আগে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত সংস্কার চান শিক্ষামন্ত্রী


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, পরীক্ষা পদ্ধতি ও কলেজ তদারকিতে দ্রুত পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম আধুনিকীকরণ ও অধিভুক্ত কলেজগুলোর তদারকি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন এহছানুল হক মিলন। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহকে নির্দেশনা দেন তিনি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উপাচার্যের হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ ও কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল দায়িত্ব পেয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও কাজের ফলাফল সরকার দেখতে চায়।এহছানুল হক মিলন বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এত বড় শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বাজারের চাহিদাভিত্তিক কোর্স চালু, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম আধুনিকীকরণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা জরুরি।শিক্ষামন্ত্রী জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় ২ হাজার ৩০৭টি কলেজ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। কোন কলেজে কোন শিক্ষক কীভাবে পাঠদান করছেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কেমন—এসব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।এহছানুল হক মিলন বলেন, শুধু পরীক্ষার হল নয়, শ্রেণিকক্ষেও ক্যামেরা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোন শিক্ষক কী পড়াচ্ছেন, ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কেমন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক যোগাযোগ কেমন—এসব বিষয় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে এসব তথ্য পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এমন কিছু বিষয় দেখেছেন, যা তাকে হতাশ করেছে। পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোরতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে।এসএসসি পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার পুনর্নিরীক্ষণে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে। খাতা মূল্যায়নে ভুল হলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষককে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে প্রশ্ন প্রণয়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।প্রশ্ন প্রণয়নের প্রচলিত পদ্ধতির সমালোচনা করে এহছানুল হক মিলন বলেন, ১০০ জন শিক্ষককে দিয়ে প্রশ্ন তৈরি করালে ৯০ জনের প্রশ্নের মধ্যে মিল পাওয়া যায়। অনেক সময় গাইড ও নোটবইয়ের সঙ্গেও প্রশ্নের মিল দেখা যায়। এ ধরনের পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রশ্ন প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। শিক্ষার্থীরা মেধাবী, শিক্ষকেরাও মেধাবী। মূল সমস্যা ব্যবস্থাপনা, সমন্বয় ও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাব। তাই শিক্ষকদের উৎসাহ ও পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে হবে।অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৪ দিন আগে

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল


ইবতেদায়ি পঞ্চম ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফরম পূরণের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, অনলাইনে বোর্ড ফি জমা দেওয়া যাবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ফরম পূরণ করা যাবে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বোর্ড অনুমোদিত সব মাদরাসার প্রধানকে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশেষ বিবেচনায় ইবতেদায়ি পঞ্চম ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফরম পূরণের সময় আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না বলেও জানিয়েছে বোর্ড।এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর এ দুই শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়। পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরম পূরণের সুযোগ ছিল। আর অনলাইনে বোর্ড ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ১১ সেপ্টেম্বর।পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য বোর্ড ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা। এই অর্থ অনলাইন সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই শিক্ষার্থীর তথ্য আপলোডের জন্য নতুন এন্ট্রি অপশন পাওয়া যাবে। এছাড়া কেন্দ্র ফি হিসেবে আরও ২০০ টাকা দিতে হবে।মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করে বর্ধিত সময়ের মধ্যেই অনলাইনে ফরম পূরণের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ১৯ সেপ্টেম্বরের পর ফরম পূরণের সময় আর বাড়ানো হবে না।

৬ দিন আগে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে মাউশির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৬:২০

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : ববি হাজ্জাজ

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:০৭:২৮

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪৫৮৫ শিক্ষার্থী

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:৩০:১০

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার এসএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ

৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৪২:১১

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ইবতেদায়িসহ সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:৪১:৫০

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ভিপি সাদিক কায়েমের

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪০:০৭

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা আছে: শিক্ষামন্ত্রী

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:২৬:৪৭

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির আইন বিভাগের নাজমুজ্জামান ভুইয়া

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১:১৫:৩৬

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমানে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১০:৫৮:১৬

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৬:১৫:৪৩

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

অনশনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী

৩১ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৯:১৮:১১

1–15 / মোট 213টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 15
শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত ৪ গোপালগঞ্জে ৭-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু ৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা ১৯ নভেম্বর মডেল খাল কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত ৪ গোপালগঞ্জে ৭-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু ৪৬ বছর ধরে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথচলা ১৯ নভেম্বর মডেল খাল কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য: ড. তিতুমীর বিরোধী দল সরকারকে অসহযোগিতার কারণেই কেউ কেউ ডিসেম্বরে আসতে চায়: পানিসম্পদমন্ত্রী তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ নবম পে-স্কেলের গেজেট জারি, জুলাই থেকে কার্যকর