মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান পার্টির হারের খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের পরবর্তী ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেবে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগামী পদক্ষেপের অপেক্ষায় অস্থিরতা বেড়েছে বিশ্ববাজারে।আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) রয়টার্সে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেল প্রতি ৭৬ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ১০৪.৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬৩ সেন্ট বা ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৯৬.৭২ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের সেশনের দরপতনকে কাটিয়ে উঠেছে। এর আগে ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধ সমাপ্তির আলোচনাকে ঘিরে দরপতনের পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। ফিলিপ নোভার মার্কেট ইনসাইটস বিভাগের প্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেবা জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের পরস্পরবিরোধী সংকেত বাজারকে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ফেলেছে। একদিকে সামরিক আঘাত অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে যুদ্ধ না বাড়ানোর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে কঠিন করে তুলেছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়া বাজারে দাম বাড়াতে মূল সহায়তা করছে।গত মঙ্গলবার মার্কিন এক কর্মকর্তা জানান, ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ওপর হামলা চালাতে ব্যবহৃত হওয়া ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্য করে ‘রক্ষামূলক’ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্য অন্য এক কর্মকর্তা স্পষ্ট করেন, এটি সীমিত আকারের হামলা ছিল এবং বড় ধরনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের ইঙ্গিত নয়।অন্যদিকে যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনা অব্যাহত থাকলেও রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা জানান, চুক্তির বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এখনও বেশ দূরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, অবিলম্বে ইরানে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই।আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত প্রায় ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে।
১৪ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে, প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে, নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্দুল এল-সাঈদ। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করেন। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।এল-সাঈদের এই বিজয়, ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল শিবিরের জন্য একটি বড় অর্জন। বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর, গ্যারি পিটার্স, পুনরায় নির্বাচন না করায়, আসনটি রিপাবলিকানদের দখলে যাওয়ার যে শঙ্কা ছিল, তা এই জয়ের মাধ্যমে দূর হলো।ভোটে আব্দুল এল-সাঈদ পেয়েছেন ২,২৩৬,৮২৪ ভোট। অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স পেয়েছেন ১,৯৯২,১৩৩ ভোট। মোট ২,৪৪,৬৯১ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জিতেছেন এল-সাঈদ।৪২ বছর বয়সী, এল-সায়েদ, এর আগে, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণায়, শ্রমজীবী পরিবারের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং রাজনীতিতে কর্পোরেট সিন্ডিকেটের প্রভাব কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন ।এছাড়া সবার জন্য সরকারি অর্থায়নে স্বাস্থ্যসেবা বা 'মেডিকেয়ার ফর অল' ছিল তার প্রচারণার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। অন্যদিকে, তার অপনেন্ট, ৬৩ বছর বয়সী, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স ছিলেন একজন সাবেক কংগ্রেসম্যান এবং এফবিআই এজেন্ট।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্ত সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে নামা রজার্স, এল-সাঈদকে, কট্টরপন্থী হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণায় তাকে 'জিহাদি' ট্যাগ দেন। তিনি এল-সাঈদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সম্পৃক্ততার ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলেন, যা এল-সাঈদ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতা করায় এল-সাঈদের বিরুদ্ধে ইহুদি ভোটারদেরও টানার চেষ্টা করেছিলেন রজার্স। তবে, শেষ পর্যন্ত, অর্থনীতি নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিম্নমুখী জনপ্রিয়তার কারণে রজার্স নির্বাচনে জয় পেতে ব্যর্থ হন।
১৬ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, এবার প্রায় দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছেন বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থীরা।মার্কিন রাজনীতি ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে ভোটাররা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে কঠোর রায় দিয়েছেন।কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) মোট আসনসংখ্যা ৪৩৫টি। কোনো দল যদি এই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়, তাহলে ৪৩৫টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২১৮টি আসনে জয়ী হতে হবে সেই দলকে।দ্য নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদের ২২০টি আসনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থীরা। মার্কিন রাজনীতি ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীরা কমপক্ষে ২৫৫টি আসনে জয়ী হতে যাচ্ছেন।যেহেতু ডেমোক্র্যাটরা সিনেট এবং হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস— উভয়কক্ষে ইতোমধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সফল হয়েছেন, সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই পুরো কংগ্রেস এখন তাদের দখলে।প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের মাত্র তিনটি আসন বেশি জেতার প্রয়োজন ছিল। তবে পূর্ব উপকূল থেকে টেক্সাসের রিও গ্রান্ডে ভ্যালি পর্যন্ত রিপাবলিকানদের দখলে থাকা অনেকগুলো আসনই এই ‘নীল ঢেউ’ (ডেমোক্র্যাটিক জয়যাত্রা)-এর কবলে পড়েছে— গত নির্বাচনে এই বিশাল এলাকার অধিকাংশ নির্বাচনী আসনে জয় পেয়েছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি।পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান দলের চারজন প্রতিনিধি (হাউস রিপ্রেজেন্টেটিভ) দায়িত্বে থাকা অবস্থায় (ইনকাম্বেন্ট) পরাজিত হয়েছেন। ডেমোক্র্যাট বব হার্ভি হারিয়েছেন রিপাবলিকান ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিককে, যিনি উভয় দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘প্রবলেম সলভার্স ককাস’-এর একজন নেতা ছিলেন। সপ্তম কংগ্রেসনাল জেলায় ডেমোক্র্যাট বব ব্রুকস পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান রায়ান ম্যাকেঞ্জিকে; অষ্টম জেলায় পেইজ কগনেটি হারিয়েছেন রিপাবলিকান রব ব্রেসনাহানকে; আর দশম জেলায় ডেমোক্র্যাট জ্যানেল স্টেলসন পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান স্কট পেরি’কে, যিনি কট্টর ডানপন্থী ‘ফ্রিডম ককাস’-এর সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ভার্জিনিয়া বিচ শহরে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সাবেক প্রতিনিধি ইলেইন লুরিয়া রিপাবলিকান জেন কিগানসকে হারিয়ে নিজের পুরোনো আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন। এছাড়া রিচমন্ডের বাইরে ডেমোক্র্যাট শ্যানন টেলর দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান প্রতিনিধি রব উইটম্যানকে পরাজিত করে রীতিমতো চমক সৃষ্টি করেছেন।রিপাবলিকান রাজনীতির আরেক পরিচিত মুখ, নিউ জার্সির প্রতিনিধি টম কিন জুনিয়র, ডেমোক্র্যাট রেবেকা বেনেটের কাছে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে হেরে গেছেন। ইন্ডিয়ানার রিপাবলিকান প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া স্পার্টজ—যিনি কংগ্রেসের প্রথম ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত সদস্য এবং প্রায়শই ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন—তিনিও পরাজিত হয়েছেন।এছাড়া কলোরাডোতে ডেমোক্র্যাটিক স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ ম্যানি রুটিনেল রিপাবলিকান প্রতিনিধি গেব ইভান্সকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। ডেমোক্র্যাটদের জন্য রাতের অন্যতম বড় সাফল্য আসে যখন রিচার্ড ওজেদা জুনিয়র, রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধি রিচার্ড হাডসনকে (নর্থ ক্যারোলিনা) পরাজিত করেন। হাউস রিপাবলিকানদের নির্বাচনী প্রচার শাখার প্রধান হিসেবে, হাডসনের দায়িত্ব ছিল দলের বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের আসন রক্ষা করা এবং কংগ্রেসে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখা।ডেমোক্র্যাটদের এই জয়কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অজনপ্রিয় নীতিগুলোর বিরুদ্ধে একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অভিবাসন বিষয়ে কঠোর দমনমূলক পদক্ষেপ, আট মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ, এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ। ট্রাম্প প্রশাসনের এসব পদক্ষেপের কারনে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও অন্যান্য জিনিসের দাম বেড়ে গিয়েছিল।আগামী ৩রা জানুয়ারি ডেমোক্র্যাটরা যখন কক্ষটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে, তখন দ্বিতীয় মেয়াদে প্রথমবারের মতো এমন এক কংগ্রেসের মুখোমুখী হবেন ট্রাম্প, তৈরি হবে যেখানে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।সূত্র : এনবিসি
১৬ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যামি অ্যাকটন। রিপাবলিকান প্রার্থী, বিবেক রামাস্বামীকে পরাজিত করে জয় পেয়েছেন তিনি। ২০০৬ সালের পর, এই প্রথম, অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর পদে কোনো ডেমোক্র্যাট নির্বাচিত হলেন।পেশায় চিকিৎসক অ্যাকটন বিদায়ী রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের শাসনামলে অঙ্গরাজ্যের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে 'কোভিড-১৯' মহামারি মোকাবিলায় তার ভূমিকা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে বারবার আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে, প্রচার ব্যয়, ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা অঙ্গরাজ্যটির নির্বাচনী ইতিহাসে নজিরবিহীন। প্রচারের শেষ কয়েক সপ্তাহে, অ্যাকটনের বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা মাকে নিয়ে তৈরি একটি বিতর্কিত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিজ্ঞাপনটি রামাস্বামীর নির্বাচনী প্রচার শিবির থেকে প্রচার করা হয়। এর দায় স্বীকার করেও বিজ্ঞাপনটি প্রচার থেকে সরাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।বিজ্ঞাপনটিতে অ্যাকটনের মা, তার মেয়ের শৈশব নিয়ে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেন এবং তার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে বিজ্ঞাপনটিতে উল্লেখ করা হয়নি, অ্যাকটনের ১২ বছর বয়সে তার সৎবাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর তাকে মায়ের হেফাজত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর রামাস্বামীর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। তবে বিতর্কের মধ্যেও প্রচার চালিয়ে যান তিনি।শেষ পর্যন্ত, নির্বাচনে জয় পান অ্যামি অ্যাকটন। তার এই জয়ের মধ্য দিয়ে ওহাইওতে দীর্ঘদিন পর গভর্নর পদে ফিরছে ডেমোক্র্যাটরা। পাশাপাশি, অঙ্গরাজ্যটির ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে গভর্নরের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।
১৭ ঘন্টা আগে