লেবাননের দক্ষিণ বৈরুতের জিন্নাহ এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন।দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রোববার (০৫ এপ্রিল) সরকারি সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, এই হামলায় আরও ৩৯ জন আহত হয়েছেন।ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।হামলার পর প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, দক্ষিণ বৈরুতে কালো ধোঁয়া উড়ছে।এর আগে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কাফরাহতি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় এক শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছে।
৫০ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে অশালীন শব্দে ভরা একটি পোস্ট প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমের পোস্টটিতে তিনি হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য ইরানকে হুমকি দিয়েছেন।সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার কথা উল্লেখ করে পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি (হরমুজ প্রণালী) খুলে না দিলে তারা ‘নরকে বাস করবে’। ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া ট্রাম্পের পোস্ট।গেল ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কার্যত বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালীটি সোমবারের (৬ এপ্রিল) মধ্যে পুনরায় খুলে দেয়ার জন্য তেহরানকে দেয়া স্ব-আরোপিত সময়সীমার আগেই এই পোস্ট দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বড় হামলার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প লেখেন, মঙ্গলবার ইরানে একই সাথে বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস এবং সেতু দিবস পালিত হবে। এর মতো আর কিছুই হবে না!!!হরমুজ প্রণালী না খুললে ‘নরকে বাস করতে হবে’ বলেও হুমকি দেন ট্রাম্প। সঙ্গে বেশ কিছু অশালীন শব্দও ব্যবহার করেন তিনি, যা সংবাদে প্রকাশযোগ্য নয়। সূত্র: বিবিসি
৩ ঘন্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের হামলায় দেশটির ‘অনেক’ সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।স্থানীয় সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইরানের বহু সামরিক নেতা, যারা দেশকে ভুল ও অবিবেচকভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, এই বিশাল হামলায় নিহত হয়েছেন—আরও অনেক কিছু ধ্বংস হয়েছে।’পোস্টটির সঙ্গে একটি ভিডিও সংযুক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এতে রাতের আকাশে বিস্ফোরণে একটি শহরের স্কাইলাইন আলোকিত হতে দেখা যায়। তবে এই সামরিক অভিযানটি ঠিক কখন ঘটেছে, তা তিনি উল্লেখ করেননি।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। এর জবাবে পালটা ল্টা আক্রমণ শুরু হলে সংঘাতটি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।তথ্যসূত্র: আল আরাবিয়া
১১ ঘন্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে নিজেদের অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী ‘জেএএসএসএম-ইআর’ ক্রুজ মিসাইলের প্রায় পুরো মজুদই ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি অন্য অঞ্চলের সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলার জন্য সংরক্ষিত ভাণ্ডার থেকেও এখন এই মিসাইল সরিয়ে আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ডের মজুদ থেকে এসব অস্ত্র সরিয়ে সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন যুদ্ধক্ষেত্র ও যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২৩০০টি জেএএসএসএম-ইআর মিসাইল মজুত ছিল। গত চার সপ্তাহের অভিযানে ইতিমধ্যে ১০০০-এর বেশি মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে মার্কিন বাহিনীগুলোর জন্য মাত্র ৪২৫টি মিসাইল অবশিষ্ট থাকবে, যা অত্যন্ত নগণ্য। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মজুদ দিয়ে মাত্র ১৭টি বি-১বি বোমারু বিমানের একটি মিশন পরিচালনা করা সম্ভব। অথচ বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতায় এই বিশাল ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে।যদিও হোয়াইট হাউস দাবি করছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ ধ্বংস করা হয়েছে, তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত শুক্রবার একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর একটি এ-১০ অ্যাটাক জেট এবং দুটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ইরানি গোলার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের হামলায় ১২টিরও বেশি অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস হয়েছে। ফলে আকাশপথে নিরঙ্কুশ আধিপত্যের দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ভাষণে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আমরা ওদের প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেব।’ ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গুঞ্জন উঠেছে, ইরানের প্রধান তেল টার্মিনাল ‘খারগ দ্বীপ’ দখলের পরিকল্পনা করছে মার্কিন মেরিন ও প্যারাট্রুপাররা। তবে অত্যাধুনিক মিসাইল ফুরিয়ে আসায় এখন পুরোনো বি-৫২ বোমারু বিমান দিয়ে সস্তা জেডিএএম বোমা ফেলার কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।এদিকে বসে নেই ইরানও। আঞ্চলিক দেশগুলোর তথ্যমতে, ইরান ইতিমধ্যে ১৬০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ৪০০০-এর বেশি শাহেদ ড্রোন ছুড়েছে। এসব হামলা ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও শেষ হয়ে আসছে। বিশ্বখ্যাত লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্স কর্পোরেশন উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করলেও যুদ্ধের তীব্রতার তুলনায় তা যৎসামান্য। ফলে দীর্ঘমেয়াদী এই যুদ্ধে আমেরিকার সামরিক সক্ষমতা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১২ ঘন্টা আগে