ঢাকার ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে নাহিদা আক্তার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বুত্তরা। ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ধামরাই পৌরসভার লাকুড়িয়াপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।নিহত নাহিদা আক্তার ধামরাই পৌর এলাকার লাকুড়িয়াপাড়ায় তার নানির বাড়িতে বসবাস করত। সে ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তার মা লিজা আক্তার প্রবাসী। বাবা নুর হোসেন বরিশাল থাকেন। নাহিদার পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে নাহিদা আক্তার নিজ ঘরে পড়াশোনা করছিল। নানি দেলোয়ারা বেগম তখন দুধ আনার জন্য বাইরে যান। এ সময় তিনি নাহিদাকে ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ রাখতে বলে যান। এরপর বাইরে থেকে ফিরে এসে দেলোয়ারা বেগম ঘরের দরজা খোলা এবং রান্না ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় নাহিদাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে নাহিদাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের গলায় ও মুখের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কে বা কারা ওই তরুণীকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
১ দিন আগে
বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গ্রেপ্তাররা হলেন–মো. হারুন মিয়া (২৫), মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬), মো. হানিফ (২৬), মো. হিরা মিয়া (১৯), মো. আশিক মিয়া (২৪), মো. মোবারক (২১), মো. রাজা (১৮), তোফাজ্জল হোসেন (২০), মো. রিফাত (১৮), মো. মহসীন (১৮), আনন্দ চন্দ্র সরকার (১৮), মো. রিয়াজুল ইসলাম (৩২), মো. আতশ (৪২), জমির উদ্দিন (৪০), মো. আশরাফুল আলম (৪৩) ও মো. সুমন (৩৬)। এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটারা থানাধীন বালুরমাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
২ দিন আগে
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তিরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি গত সোমবার মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফেরেন। তার কাছে বিক্রির ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই টাকার লোভেই দুর্বৃত্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। পাশাপাশি, বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করা হয়েছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের দুল পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়ে গেছে তারা।নিয়ামতপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে বাড়ির কর্তা হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতি করার উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। ডাকাতি করার পর পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে ওই বাড়ির কর্তাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যা করেছে।
৪ দিন আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি আজ।রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পাঁচ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেবেন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তা। নিরাপত্তার স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন। তবে প্রথমেই চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এক কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এ মামলাটি আমলে নিয়ে জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং আটক পলককে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।প্রসঙ্গত ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২১ জানুয়ারি ২০২৬-এ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ বিচার শুরু হয়। বর্তমানে দুই আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন পলক। পলাতক থাকায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের হয়ে আইনি লড়াই করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
৬ দিন আগে