এক অভিযানে ভারতীয় বিড়ি ইয়াবার চালান মাদক সহ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চার পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (১০) মার্চ সকালে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিনের কাউকান্দি গ্রামে থানা পুলিশ ওই অভিযান চালায়।পুলিশী অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের শফিকের ছেলে জানু মিয়া, মধুয়ার চর গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে কামাল মিয়া, উপজেলা সদরের রতনশ্রী গ্রামের রুহুল মিয়ার ছের শাওন মিয়া, কুতুব উদ্দিনের ছেলে বাদশা মিয়া।মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের মামলা দায়ের পুর্বক সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত(তাহিরপুর যোন) সোপর্দ করা হয়েছে। মামলা সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের পেশাদার মাদক কারবারি জানু মিয়ার বসত বাড়িতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়। ওই অভিযানে জানুর বসত ঘরের একটি কক্ষে অবস্থান রত জানু, কামাল, শাওন, বাদশার হোফাজত থেকে আমদানি নিষিদ্ধ ১৪ হাজার শলাকা ভারতীয় সেখ নাসিরউদ্দিন বিড়ি, ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি চোরাই মোটরসাইকেল, মাদক বিক্রয়ের নগদ টাকা জব্দ করে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন সহ সংশ্লিষ্ট ধারায় চার মাদক কারবারির নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
৫ দিন আগে
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনীসহ ছয়জনকে আটক করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। এ সময় প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কুলাউড়া পৌরশহরের কয়েকটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ আসছিল। এসব পণ্য ব্যবহারে সাধারণ মানুষের ত্বক ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কুলাউড়া পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন। এ সময় কয়েকটি দোকান ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের নামে তৈরি নকল কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল ফেস ক্রিম, লোশন, ফেসওয়াশ, পাউডার, লিপস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।অভিযানের সময় নকল প্রসাধনী বিক্রি ও সংরক্ষণের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা পুলিশের এ ধরনের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, বাজারে দীর্ঘদিন ধরে নকল প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছিল। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছিলেন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছিলেন। নিয়মিত অভিযান চালালে এসব অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। বেশ কিছু দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্য মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যারা এ ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে ভেজাল ও নকল পণ্যের বিস্তার রোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় বাজারে নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে কুলাউড়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১ সপ্তাহ আগে
সুনামগঞ্জের ছাতক থানার পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার এক আসামি ও ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিসহ মোট দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শনিবার (৭ মার্চ) ছাতক থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ছাতক থানার এফআইআর নং-০৬, তারিখ ২ মার্চ ২০২৬ ইং, পেনাল কোডের ১৪৩/১৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/১১৪/৩৪ ধারার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়জুর রহমান ওরফে আব্দুল কাদির (৩৫)। তিনি ছাতক উপজেলার বৈশাকান্দি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।অপরদিকে সিআর-৫২৭/২৫ (ছাতক) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোছাঃ মিনা বেগম (৫৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি মৃত রজব আলীর মেয়ে ও শফিক মিয়ার স্ত্রী। তার বাড়ি ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মিত্রগাঁও গ্রামে।ছাতক থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান।
১ সপ্তাহ আগে
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিবুল্লাহ'।বৃহস্পতিবার (৫ই মার্চ) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত মোঃ ফারুক (৩৬) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার ব্রাহ্মন্দী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিববুল্লাহ'র নেতৃত্বে তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুল হক, এসআই সেলিম, এসআই আরিফ ও এসআই পারভেজের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিম মহজমপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে,এসময় উক্ত এলাকার মোতালেব মিয়ার বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে ফারুককে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১ সপ্তাহ আগে