আবাসন খাত, আইন, নিরাপদ বিনিয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন অনুষ্ঠান ‘আইন ও আবাসন’ শুরু করছে একুশে টেলিভিশন। দেশের আবাসন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজ, নির্ভুল ও তথ্যসমৃদ্ধভাবে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আবাসন খাত নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্য থেকেই এই অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন টেরানোভা ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রিহ্যাবের পরিচালক এবং রিহ্যাব প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান তাসনোভা মাহবুব সালাম। তার পরিকল্পনা ও সার্বিক দিকনির্দেশনায় নির্মিত এই আয়োজনের মাধ্যমে আইন, আবাসন ও নিরাপদ বিনিয়োগের বিভিন্ন বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে সহজ, নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরা হবে।‘আইন ও আবাসন’ অনুষ্ঠানে দেশের আবাসন খাতের বর্তমান বাস্তবতা, বাজার পরিস্থিতি, বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা, ফ্ল্যাট ও প্লট কেনার আগে করণীয়, নিরাপদ বিনিয়োগের কৌশল, ক্রেতাদের আইনি অধিকার এবং আবাসন শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি উচ্চ সুদের ব্যাংক ঋণ, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি, কর কাঠামো, দীর্ঘমেয়াদি হাউজিং ফাইন্যান্স, পরিকল্পিত নগরায়ন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ এবং স্মার্ট হাউজিংয়ের মতো সমসাময়িক বিষয়ও গুরুত্ব পাবে।এছাড়া প্রতিটি পর্বে আবাসন খাতের উদ্যোক্তা, আইন বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে প্রথমবার বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহীদের জন্য থাকবে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও ব্যবহারিক পরামর্শ।একুশে টেলিভিশনের এই নতুন আয়োজন আবাসন খাত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান এবং আইনভিত্তিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য জ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১ সপ্তাহ আগে
রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র্যাক)-এর সদস্য এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র রিপোর্টার মো. রফিকুল ইসলামের বাবা হোসেন উদ্দিন (মালাচান) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। আজ ভোর ৪টার দিকে গজারিয়া হেলথ কমপ্লেক্সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার পূর্ব গোবরিয়া এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে বাদ জোহর (দুপুর ২:৩০ মিনিট) মরহুমের দাফন সম্পন্ন হবে।রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন র্যাক সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদ এবং সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হকসহ নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান র্যাক নেতৃবৃন্দ।
২ সপ্তাহ আগে
দেশের ডিজিটাল গণমাধ্যম খাতের অন্যতম সংগঠন ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম (ডিএমএফ) সফলভাবে তিন বছর পূর্ণ করে চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে ১৭ জুন (বুধবার) রাতে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএমএফ-এর সদস্যবৃন্দ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ, বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।সভাপতির বক্তব্যে ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের প্রেসিডেন্ট মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, “ডিজিটাল গণমাধ্যমের প্রসার, পেশাগত উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পুনর্জাগরণ, নতুন উদ্ভাবন এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম ব্যবস্থার উন্নয়নে ডিএমএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে বদ্ধপরিকর।”তিনি আরও বলেন, “দেশের গণমাধ্যম খাতে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে চায় ডিএমএফ। গণমাধ্যমের উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গুজব, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধেও সংগঠনটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।”তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামী এক বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৫০০ দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ডিএমএফ।সভায় আরও ঘোষণা করা হয় যে, “ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” আগামী ২৫ জুলাই, শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। খুব শিগগিরই এ পুরস্কারের আবেদন প্রক্রিয়া ও জুরি বোর্ডের বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।ডিএমএফ-এর উপদেষ্টা এবং স্টার নিউজের ওয়েব ও ডিজিটাল মিডিয়া লিড মইন উদ্দিন বকুল বলেন, “ডিজিটাল গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের পেশাগত উন্নয়নে ডিএমএফ গত তিন বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। শুধু ঢাকা নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা ও মফস্বল পর্যায়ের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নেও সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”ডিএমএফ-এর উপদেষ্টা এবং দৈনিক ইনকিলাবের অনলাইন ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে দক্ষ জনবল তৈরি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ডিএমএফ সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছে। গণমাধ্যমের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে।”তিনি আরও বলেন, “মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণ এবং আধুনিক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর গণমাধ্যমের উন্নয়নে কাজ করবে ডিএমএফ।”উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৭ জুন একঝাঁক উদ্যমী, মেধাবী ও স্বপ্নবান ডিজিটাল গণমাধ্যমকর্মীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম (ডিএমএফ)। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি সাংবাদিকদের কল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দেশের ডিজিটাল গণমাধ্যম খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনটি ইতোমধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রশংসা অর্জন করেছে।
১ মাস আগে
দেশের ইংরেজি অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্যা বিজনেস ডেইলি সফলভাবে দ্বিতীয় বছর সম্পন্ন করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর রামপুরা বনশ্রীতে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিক, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা, বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।২০২৪ সালের ১ জুন যাত্রা শুরু করা দ্যা বিজনেস ডেইলি অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবসা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কর্পোরেট এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছে। গত দুই বছরের পথচলায় নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে তার কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দ্যা বিজনেস ডেইলির প্রকাশক মোঃ দেলোয়ার হোসেন । তিনি বলেন, “দুই বছর শেষ করে তৃতীয় বছরে পদার্পণের এই যাত্রা ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এই সময়ে যারা আমাদের পাশে ছিলেন—পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও অংশীদার—সবার প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতেও তাদের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করি।”তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা একটি শক্তিশালী সমাজ ও অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে। ২০২৬ সালের মধ্যে নতুন নতুন কর্মসূচি, উদ্ভাবনী কনটেন্ট এবং ডিজিটাল উদ্যোগের মাধ্যমে গণমাধ্যমে নতুনত্ব আনার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখতে চাই।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা দ্যা বিজনেস ডেইলির ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন এবং দেশের ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম খাতে এর ইতিবাচক অবদান আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।দ্যা বিজনেস ডেইলি কর্তৃপক্ষ জানায়, পাঠকদের আস্থা ও নির্ভরযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তারা ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।“নির্ভুল খবর, নিরপেক্ষ দৃষ্টি”—এই স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনে আরও আধুনিক, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চায়।
১ মাস আগে