এই গরমে প্রশান্তিময় হতে পারে ইতালির ভিন্ন স্বাদের অ্যাফোগাটো কফি। অ্যাফোগাটো হচ্ছে একটি ডেজার্ট। এটি ভ্যানিলা আইসক্রিম এবং এসপ্রেসো দিয়ে বানানো হয়। এর উদ্ভাবন হয়েছে ইতালিতে। "অ্যাফোগাটো" শব্দটির আক্ষরিক অর্থ "ডুবানো"। কফির ভিতর আইসক্রীমকে ডুবিয়ে দেওইয়ার কারণেই এ রকম নাম দেওয়া হয়েছে।এই উপকরণ তৈরিতে যা যা লাগবে-৬ গ্রাম কফি, ১-২ স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিম, ৯০ মিলি গরম পানি। আর লাগবে সামান্য কুকিজ সাজানোর জন্যপ্রস্তুত করবেন যেভাবে- একটি গ্লাসে ভ্যানিলা আইসক্রিম নিন। অন্য একটি কাপে গরম পানিতে কফি মিশিয়ে নিন। এবার আইসক্রিমের উপরে গরম কফি ঢেলে দিন। এর উপরে কফি পাউডার ও কুকিজ দিয়ে পরিবেশন করুন অ্যাফোগাটো কফি। এবার এই গরমে এই ভিন্ন স্বাদের কফি উপভোগ করুন।
২ সপ্তাহ আগে
যদি প্রশ্ন করা হয় তবে বেশিরভাগই উত্তর দেবেন, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ নয়। এর বড় কারণ হলো তারা পরিশ্রম অনুযায়ী উপার্জন করতে পারে না, এমনকি তারা কাজের প্রতি অনেক বেশি নিবেদিত থাকে। সবার ছুটি থাকলেও তাদের ছুটি মেলে কম। যে কারণে প্রিয়জন এবং পরিজনদের সময়ও দিতে পারে না। জেনেশুনে এমন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সাহস ক’জনেরই বা থাকে! তবে বাস্তবতাকে কাছ থেকে দেখলে দেখা যায়, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে জীবন শেয়ার করা বেশ কিছু ইতিবাচক অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ হতে পারে। সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১১টি দারুণ সুবিধা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলো-১. সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত সাহচর্যএকজন সাংবাদিক প্রতিদিন নানা ঘটনাকে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করেন। তাদের এই সৃজনশীলতা সম্পর্কের অন্দরেও ছড়িয়ে পড়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়ে একঘেয়েমি আসার সুযোগ নেই; যেকোনো বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে অবিরাম কথা বলা যায়, যা আপনাকে সবসময় সতেজ রাখবে।২.তারা শহরের সবচেয়ে ভালো জায়গাগুলো জানেঅনেকে মনে করেন, সাংবাদিকেরা নিস্তেজ, অসামাজিক এবং আত্মপ্রেমেই মগ্ন থাকে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। তারা শহরের সবচেয়ে আনন্দদায়ক পার্টিতে, সিনেমার প্রিমিয়ারে যেতে পারে; সেরা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে পারে। এমন মানুষের সঙ্গী হতে কে না চাইবে!৩.তথ্যের ভাণ্ডারে আপনি এগিয়েবিশ্বজুড়ে কী ঘটছে, কোন বিষয়ের পেছনের ঘটনা কী, সাংবাদিকরা তা অন্যদের চেয়ে দ্রুত জানেন। তাদের সঙ্গে সম্পর্কের সুবাদে আপনিও দেশ-বিদেশের সাম্প্রতিক সব বিষয়ে আপডেট থাকবেন, যা আপনার নিজের জ্ঞান ও স্মার্টনেস বাড়াতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।৪.অন্তহীন কথোপকথনসাংবাদিকরা বোকা এবং স্মার্টনেসের একটি নিখুঁত মিশ্রণ। বিশ্বের চারপাশে যা ঘটছে তার খোঁজ তারা স্বাভাবিকভাবেই রাখে। তাদের সঙ্গে কথোপকথন আকর্ষণীয়। কথা চালিয়ে গেলে তা আপনাকেও জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে, তাদের সঙ্গে কথা অবিরাম কথা বললেও আপনি বিরক্ত হবেন না। কারণ তারা যেকোনো বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।৫.মাল্টিটাস্কিংয়ে দক্ষসাংবাদিকদের কাজ করতে হয় প্রচণ্ড চাপের মধ্যে। অগণিত কাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা তাদের রক্তে মিশে থাকে। এই দক্ষতা তারা ব্যক্তিগত জীবনেও প্রয়োগ করেন। কর্মক্ষেত্রের ব্যস্ততার মাঝেও তারা আপনার প্রতি ভালোবাসা এবং যত্ন বজায় রাখতে বেশ পটু।৬.টাকা তাদের কাছে মূখ্য নয়তাদের কাজের প্রতি অনুরাগই তাদের চালিত করে, অর্থ নয়। যদি এটি অর্থ তৈরির বিষয়ে হতো, তবে তারা এই পেশায় থাকতো না। তারা তাদের পরিশ্রমের হিসাবে ততটা উপার্জন নাও করতে পারে, তবে তারা সময়কে বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারে।৭.বিশ্বস্তবিশ্বাস হলো অন্যতম বৈশিষ্ট্য যা সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ডের বাইরে রাখা থেকে শুরু করে তারা অনেক কিছুই নিরাপদ ও গোপন রাখতে জানে। নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি যদি একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করেন তবে আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ হবে না এবং আপনার গোপনীয়তা সব সময় নিরাপদ থাকবে।৮.আপনাকে স্পেস দেবেসাংবাদিকদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। তারা আপনাকে এক মিলিয়ন প্রশ্ন দিয়ে অতিষ্ঠ করবে না বা আপনি কীভাবে আপনার দিনের প্রতিটি মিনিট কাটিয়েছেন তা জানার দাবি করবে না। তারা আপনাকে স্পেস দেবে এবং বিনিময়ে একই আশা করবে।৯.কঠোর পরিশ্রমীসাংবাদিক হওয়া সহজ নয়। এটি কঠোর পরিশ্রম এবং নিঃশর্ত অধ্যবসায় দ্বারা ভারাক্রান্ত একটি জীবন। পিআর- এর সঙ্গে কাজ করা থেকে শুরু করে খবরের উৎসের পেছনে দৌড়ানো, কোনোটিই সহজ নয়। তারা ঠিক জানে যে কোনোকিছু সঠিকভাবে পেতে এবং কার্যকর করতে কী লাগে; এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও একই আচরণ আশা করে।১০.ভালো শ্রোতাসাংবাদিকদের সবসময় মজার মজার গল্প থাকে। তারাও কিন্তু দারুণ শ্রোতা, তারা সত্যিকার অর্থে আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। তারা আপনার করা সামান্য ইঙ্গিতও ধরে ফেলতে পারদর্শী।১১.সহায়কসাংবাদিকরা প্রয়োজনে অন্যকে সাহায্য করার জন্য নিজের সামর্থ্যের বাইরেও যায়। এক্ষেত্রে অপরিচিত কেউ হলেও কোনো ব্যাপার না। তারা তাদের প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি রাখে না। এটা বলাই যায় যে, সাংবাদিকদের হৃদয় বড় হয়।১২. রোমাঞ্চকর জীবন ও ইভেন্ট অ্যাক্সেসসাংবাদিকের সঙ্গী হওয়ার একটি বড় বাড়তি সুবিধা হলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাওয়া। শহরের সেরা ইভেন্ট, সিনেমার প্রিমিয়ার কিংবা খেলাধুলা বা কনসার্টের টিকিট জোগাড় করা তাদের জন্য সহজ একটি বিষয়। তাদের সঙ্গে আপনার জীবন হবে অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় ও অভিজ্ঞতায় পূর্ণ।
৩ সপ্তাহ আগে
বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বিউটি টিউটোরিয়ালের ছড়াছড়ির আগের সময়টাতে নির্ভরযোগ্য স্কিনকেয়ার পরামর্শ খুঁজে পাওয়া ছিল বেশ কঠিন। অন্যদিকে ইন্টারনেটে পাওয়া অধিকাংশ তথ্যই ছিল ইংরেজিতে, যা বেশিরভাগ সময় বাংলাদেশের আবহাওয়া, জীবনযাপন কিংবা ত্বকের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। অন্যদিকে, দেশীয় বাজারও ছিল নানান অনিশ্চয়তায় ভরা। নকল পণ্যের আধিক্য ছিল। এছাড়াও কোন পণ্যটি ত্বকের জন্য উপযুক্ত, সে বিষয়ে গ্রাহকদের জন্য বিশ্বাসযোগ্য কোনো দিকনির্দেশনাও ছিল না।আর এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই নিঃশব্দে তৈরি হয়েছিল একটি শূন্যস্থান। এই শূন্যস্থান দূর করতেই সাজগোজের সামনে ধরা দিয়েছিল একটি বিশেষ সম্ভাবনা। নিছক পণ্য বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা তৈরির মাধ্যমে গভীর সব সমস্যার সমাধানই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। “ইনোভেশন ফর আ সাস্টেইনেবল ফিউচার: সিলেক্টেড কেসেস (২০২৪)”-এ প্রকাশিত, এম. সাঈদ আলম, কোহিনুর বিশ্বাস এবং বুশরা হুমায়রা এশা রচিত একটি কেস স্টাডি অনুযায়ী, ২০১৩ সালে সিনথিয়া শারমিনইসলাম, নাজমুল শেখ এবং মিল্কি মাহমুদ সাজগোজ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। অধিকাংশ স্টার্টআপের মতো শুরু থেকেই আগ্রাসী বিক্রয় কৌশল না নিয়ে তারা বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই ভিন্ন পথ, আর তা ছিল ‘কন্টেন্ট’।প্রথমদিকে সাজগোজ বাংলায় সৌন্দর্য আর ত্বকের যত্ন নিয়ে তথ্যভিত্তিক লেখা তৈরি করত। পরে এতে যুক্ত হয় প্রবন্ধ, টিউটোরিয়াল আর প্রোডাক্ট ব্যাবহার করার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে লেখা, এবং পুরোটাই বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য বানানো। ধারণাটা সহজ, কিন্তু এর শক্তি ছিল অসাধারণ। কারণ কোনো পণ্য কিনার আগে মানুষের সেটা বোঝা দরকার, আর কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাস করার আগে দরকার তার রিসার্চ ও ডাটার ওপর ট্রাস্ট।সাজগোজের এই কৌশল ধীরে ধীরে বদলে দেয় বাংলাদেশের মানুষের বিউটি ও স্কিনকেয়ার বিষয়ে ভাবনা ও সম্পৃক্ততার ধরন। পণ্য বিক্রির ওপর জোর না দিয়ে তারা উত্তর দিতে শুরু করে মানুষের নিত্যদিনের প্রশ্নগুলোর। এই পণ্য কি নিরাপদ? এটি কি আমার ত্বকের জন্য উপযোগী? পণ্যটির সঠিক ব্যবহার কী? এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে সময়ের সাথে সাজগোজ শুধু একটি ওয়েবসাইট নয়, বরং সচেতন গ্রাহকের জন্য এক নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতায় পরিণত হয়েছে ।সাজগোজের যাত্রা থেকে পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলোর একটি হলো, প্রকৃত সমস্যা অনেকসময় আমাদের আপাতদৃষ্টির বাইরে থাকে। বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে পণ্যের অভাব কখনোই ছিল না। শুধু অভাব ছিল সঠিক তথ্য ও স্পষ্ট দিকনির্দেশনার। এবং এই জায়গাটায় সাজগোজ বুঝতে পেরেছিল, এক্ষেত্রে প্রকৃত ঘাটতি ছিল শেখার, সঠিক তথ্যের,, আর সেই তথ্য আর ট্রান্সপারেন্সি থেকেই জন্ম নেয় বিশ্বাস, যেটাই সবচেয়ে দামি।অবশ্য আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ভাষা নির্বাচন। ইন্টারনেটের বড় একটি অংশ জুড়ে যখন শুধু ইংরেজি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, সাজগোজ তখন বাংলা ভাষার উপর জোর দেয়। স্থানীয়করণের পাশাপাশি তাদের এই পদক্ষেপটি বিশাল পরিসরের গ্রাহকদেরকে একসাথে নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে স্কিনকেয়ার নিয়ে বিভিন্ন জরুরি তথ্য পৌঁছে যায় এমন লাখো মানুষের কাছে, যারা এতদিন বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্যচর্চার আওতার বাইরে ছিলেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশের আবহাওয়া, সংস্কৃতি ও মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতাকে তুলে ধরায় তাদের কন্টেন্ট হয়ে ওঠে আরও প্রাসঙ্গিক, আরো ব্যক্তিগত।পাঠকসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে ওঠে সাজগোজের একটি সক্রিয় কমিউনিটিও। এই প্রতিষ্ঠানটি একসময় এমন একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়, যেখানে মানুষ শুধু কন্টেন্ট পড়েই থেমে থাকেনি। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করেছে একে অন্যের সঙ্গে, প্রশ্ন করেছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে শিখেছে। এই কমিউনিটিই পরবর্তীতে তাদের প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে এবং সাধারণ পাঠকরা রূপ নেয় সক্রিয় অংশগ্রহণকারীতে।বর্তমানে সাজগোজকে নিঃসন্দেহে একটি পূর্ণাঙ্গ কনটেন্ট-নির্ভর ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বলা চলে। তবে একথাও সত্যি যে, বাণিজ্য নয়, বিশ্বাসযোগ্যতাই তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিজ্ঞাপন ও নানা মতামতের ভিড়ে সাজগোজ নিজেকে কেবল আরেকটি বিক্রয়মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং একজন নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।উদ্যোক্তারা তাদের এই যাত্রা থেকে খুব সহজ একটি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। আসলে অধিকাংশ ব্যবসাই শুরু হয় এই প্রশ্ন দিয়ে, ‘কীভাবে আরও বেশি বিক্রি করা যায়?’ কিন্তু সাজগোজ শুরু করেছিল অন্যরকম একটি প্রশ্নকে সাথে নিয়ে, ‘কীভাবে মানুষকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করা যায়?’ আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই যেন তাদের গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।কারণ মানুষ যখন আপনার জ্ঞানের ওপর আস্থা রাখে, তখন একসময় তারা আপনার ব্যবসার ওপরও বিশ্বাস করতে শুরু করে। আর সেই বিশ্বাস যথেষ্ট শক্তিশালী হলে লেনদেনের বিষয়টি খুব স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, এর জন্য বাড়তি কিছু করতে হয় না। সবশেষে বলা যায়, সাজগোজের গল্পটি আসলে শুধু বিউটি পণ্য নিয়ে নয়। এটি আরও বিস্তৃত একটি সত্যের প্রতিফলন। যেকোনো ইন্ডাস্ট্রিতেই শেষপর্যন্ত এগিয়ে থাকে তারা, যারা আগে মানুষকে শেখায়, সহজ ভাষায় কথা বলে, একটি সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তোলে এবং সবকিছুর আগে মানুষের আস্থা অর্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
৩ সপ্তাহ আগে
দেশের অন্যতম ফ্যাশন ব্র্যান্ড মাইক্লোর বহুল প্রতীক্ষিত গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সাভার নিউ মার্কেটের সেন্টার পয়েন্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।মাইক্লোর ১৮তম স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এক মাসব্যাপী দেশের বিভিন্ন আউটলেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ কেনাকাটার বিপরীতে গ্রাহকদের র্যাফেল ড্র কুপন প্রদান করা হয়। দেশব্যাপী পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া ও ইতিবাচক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।অনুষ্ঠানে অতিথি, গ্রাহক এবং অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র-এ প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি সুজুকি জিক্সার এসএফ মোটরসাইকেল জিতেছেন মানিকগঞ্জের কাজী আফজাল। দ্বিতীয় পুরস্কার ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন জিতেছেন মগবাজারের সাবাহ এবং তৃতীয় পুরস্কার মাইক্রোওয়েভ ওভেন পেয়েছেন ধানমন্ডির মাহেদী হাসান।এছাড়া ৩ হাজার টাকা মূল্যের ভাউচার জিতেছেন আরও সাতজন সৌভাগ্যবান অংশগ্রহণকারী। তারা হলেন— কানিজ ফাতেমা (পল্লবী), নিপা আক্তার (নরসিংদী), প্রণয় সাহা (মিরপুর), সৃষ্টি (ধানমন্ডি), আলপা ইয়াসমিন (রাজা বাজার), রানা (গাজীপুর) এবং সুমাইয়া (সাউথ গোরান)।অনুষ্ঠানে মাইক্লোর জেনারেল ম্যানেজার ও প্রোডাকশন অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের প্রধান দিন ইসলাম, অ্যাকাউন্টস, ফাইন্যান্স ও সেলস বিভাগের প্রধান কাউসার কামরুল হাসান, মার্কেটিং বিভাগের প্রধান ইয়াসির সাবাব ছাড়াও সাভার নিউ মার্কেট দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, মার্কেট কর্তৃপক্ষ, গ্রাহক এবং র্যাফেল ক্যাম্পেইনের কুপনধারীরা উপস্থিত ছিলেন।বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা তাদের অভিনন্দন জানান। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।মাইক্লো কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকদের ভালোবাসা, আস্থা ও সমর্থনের কারণেই এ ক্যাম্পেইন সফল হয়েছে। ১৮তম স্টোর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে তুলতেই বিশেষ এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও গ্রাহকদের জন্য নতুন ও আকর্ষণীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।উল্লেখ্য, মাইক্লোর ১৮তম স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে পরিচালিত এক মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইন দেশের সব মাইক্লো স্টোরে একযোগে পরিচালিত হয়। গ্র্যান্ড র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
৪ সপ্তাহ আগে