বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিরাপদ খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান খাস ফুড তার পথচলার ১১ বছর পূর্ণ করেছে। ২০১৫ সালে একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি—মানুষের কাছে নিরাপদ, খাঁটি ও নির্ভরযোগ্য খাদ্য পৌঁছে দেওয়া। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই লক্ষ্যই আজ হাজারো পরিবারের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে।এই দীর্ঘ সময়ে খাস ফুড সবসময় গুরুত্ব দিয়েছে পণ্যের মান, স্বচ্ছতা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস নিশ্চিত করার ওপর। প্রতিটি পণ্যের পেছনে এই প্রতিশ্রুতিই ব্র্যান্ডটিকে গ্রাহকদের কাছে আলাদা করে তুলেছে।বর্তমানে খাস ফুড দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৬টি রিটেইল আউটলেট এবং ২৫টিরও বেশি মডার্ন ট্রেড আউটলেট পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ৪ লাখেরও বেশি পরিবার এবং ৫০টিরও বেশি কর্পোরেট ক্লায়েন্টকে সেবা দিয়ে আসছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের উপস্থিতি তৈরি করেছে খাস ফুড। এই অগ্রযাত্রা শুধুমাত্র বিস্তারের গল্প নয়, বরং নিরাপদ খাদ্যকে আরও সহজলভ্য করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।এই বিশেষ উপলক্ষে খাস ফুড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুল মোস্তফা আরমান বলেন, “গত ১১ বছরের পুরোটা সময় আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—মানুষ যেন নিশ্চিন্তে আমাদের পণ্যের ওপর ভরসা করতে পারে। গ্রাহকদের আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের এই বিশ্বাসই আমাদের আরও দায়িত্বশীলভাবে সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।”ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খাস ফুড উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা এবং দায়িত্বশীলতার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশনে প্রবেশের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি নিরাপদ খাদ্যকে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।আগামীতেও খাস ফুডের লক্ষ্য একটাই, প্রতিটি পরিবারের টেবিলে নিরাপদ ও খাঁটি খাবার পৌঁছে দেওয়া, এবং একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা।
২ সপ্তাহ আগে
বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ব্র্যান্ড সানা সাফিনাজ-এর বাংলাদেশে দ্বিতীয় আউটলেটের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেন্টারপয়েন্ট শপিং মল-এ। জমকালো এই গ্র্যান্ড ওপেনিং আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ওহিদুল হক চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফারহানা আক্তার, ডিরেক্টর সোহেল চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের মাননীয় হাই কমিশনার ইমরান হায়দার।নতুন এই সানা সাফিনাজ আউটলেটে ক্রেতাদের জন্য থাকছে এক্সক্লুসিভ ঈদ কালেকশন, বাহারি রঙের পোশাক, মসলিন, প্রিমিয়াম শার্ট, এসেনশিয়াল কালেকশনসহ নানা আকর্ষণীয় ফ্যাশন সামগ্রী। আধুনিক ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক মানের ফ্যাশনের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে পুরো আউটলেটটি।গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে সকল ক্রেতাদের জন্য থাকছে ফ্ল্যাট ৩০ শতাংশ ডিসকাউন্ট, যা চলবে ১৫ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত মোট তিন দিন। ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য সানা সাফিনাজ-এর এই নতুন আয়োজন হয়ে উঠবে অনন্য এক শপিং অভিজ্ঞতা।
৩ সপ্তাহ আগে
একজন মানুষের সঞ্চয় ও আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে জাপানি 'কাকেবু' কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকেই মাসের সব খরচ শেষ করে যা অবশিষ্ট থাকে, তা জমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কাকেবু পদ্ধতিতে এই ভুল প্রক্রিয়া এড়ানো যায়। কিভাবে আসুন জেনে নেই।কাকেবু পদ্ধতি বলছে, নিশ্চিন্ত ভবিষ্যৎ এবং অবসর জীবনের জন্য আয়ের অন্তত ২৫ শতাংশ টাকা মাসের শুরুতেই সরিয়ে রাখা উচিত। সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় অনেকেই পরিবারের উৎসব-অনুষ্ঠান বা আনুষঙ্গিক খরচের চাপে মাস শেষে অর্থকষ্টে ভোগেন। এই সমস্যা সমাধানে বিশ্বজুড়ে এখন দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জাপানি এক পদ্ধতি, যার নাম ‘কাকেবু’।১২০ বছরের পুরনো সঞ্চয় মন্ত্র ‘কাকেবু’ (Kakeibo) শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘হিসাবের খাতা’। আজ থেকে প্রায় ১২০ বছর আগে জাপানের এক নারী সাংবাদিক এই বিশেষ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। এটি মূলত একটি সুশৃঙ্খল অর্থ ব্যবস্থাপনার কৌশল। এই পদ্ধতির মূল কথা হলো ব্যয় করার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা সঞ্চয় নয়, বরং সঞ্চয় করার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা-ই ব্যয় করা। ডিজিটাল যুগে অ্যাপ বা সফটওয়্যারের চেয়ে নিজের হাতে হিসাবের খাতায় খরচ লিখে রাখাকেই এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা মানুষকে তাঁর ব্যয় সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।কাকেবু পদ্ধতি অনুযায়ী, মাসের শুরুতেই আপনাকে একটি বাস্তবসম্মত বাজেট তৈরি করতে হবে। প্রথমেই আপনার কাঙ্ক্ষিত সঞ্চয়ের অংশটি আলাদা করে সরিয়ে ফেলুন। এরপর অবশিষ্ট টাকা দিয়ে সাজান আপনার মাসিক খরচের তালিকা। এই তালিকায় প্রথমেই থাকবে আবশ্যিক খরচ (যেমন—বাড়ি ভাড়া, ইউটিলিটি বিল, বাজার খরচ)। এরপর একটি অংশ রাখুন আপনার শখ বা বিনোদনের জন্য (যেমন—কেনাকাটা বা সিনেমা দেখা)। এভাবে ভাগ করে খরচ করলে অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়।সঞ্চয় ও নিয়মিত খরচের পাশাপাশি কাকেবু পদ্ধতিতে 'আপৎকালীন তহবিল' বা ইমার্জেন্সি ফান্ডের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের বাজেটে সামান্য কিছু টাকা আলাদা একটি তহবিলে জমা রাখতে হবে, যা কেবল আকস্মিক বিপদে বা জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত হবে। প্রতি রাতে বা সপ্তাহ শেষে নিজের খরচের খাতাটি পর্যালোচনার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় বাড়তি খরচ হচ্ছে। এই শৃঙ্খলা বজায় রাখলে মাসের শেষ দিনগুলোতেও আপনাকে আর টাকার জন্য দুশ্চিন্তা করতে হবে না, বরং আপনার পকেট থাকবে সবসময়ই গরম।
১ মাস আগে
প্রতি বছর এপ্রিলের ১৪ তারিখ এলেই পুরো বাংলাদেশ যেন জেগে ওঠে পহেলা বৈশাখের আনন্দে, বাংলা নতুন বছরের আমেজে। উৎসবে মুখর হয় পুরো দেশের মানুষ। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তার অলিগলি থেকে শুরু করে ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় গ্রামের ধুলোওঠা মাঠেও এ দিনটা যেন এক। সকলে মিলে রঙিন, ঐতিহ্যবাহী জামা-কাপড় পরে একে অপরকে আন্তরিক স্বরে জানায় ‘শুভ নববর্ষ’। আকাশে-বাতাসে মধুর হাসি, আর এদিক ওদিক তাকডুম তাকডুম ঢোলের বাড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজতে থাকে মন কেমন করা বাউল গান। পরিবারের সবাই একসঙ্গে আশা, আনন্দ আর সম্মিলিত সুখের বার্তা নিয়ে শুরু করে এক নতুন বছর। বাঙালিদের এসব আনন্দ উদযাপনের মূল আকর্ষণটাই থাকে খাওয়াদাওয়া। আর এ দেশের মানুষের কাছে তো খাবার মানে শুধু পেট ভরা নয়, বরং খাবারের পাতে জড়িয়ে থাকে একেকটি ঘরের মধ্যকার নিজস্ব সংস্কৃতি, বহু সুখের স্মৃতির সঞ্চয়। পহেলা বৈশাখ সকালবেলা ঘরে ঘরে পাতা হয় পান্তা ভাতের থালি। সারা রাত ধরে রাখা এই পানি দেওয়া ভাতটুকু আমাদের দেশের কৃষক ও কৃষির শেকড়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বৈশাখী আমেজে এই ভাত সাধারণত ইলিশ মাছ, শুকনা মরিচ ভাজা আর বাহারি ভর্তা দিয়ে খুব আয়োজন করে খাওয়া হয়। তবে এত টকঝাল খাবারের পাশপাশি একটু মিষ্টিমুখ না করলে কি হয়? ভুরিভোজের শেষপাতে রসগোল্লা থেকে সন্দেশ, আর প্রাণজুড়ানো একটু সরে ঢাকা মিষ্টি দই না থাকলে তো খাওয়াটা পরিপূর্ণই হয় না। দইয়ের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে বগুড়ার দই। এর ঘন ও সমৃদ্ধ টেক্সচারের জন্য এ অঞ্চলের দই সুপরিচিত। অনেকক্ষণ ধরে ননীযুক্ত দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করা, তাতে চিনি মিশিয়ে মাটির পাত্রে জমিয়ে তৈরি করা হয় এই দই, যা বাংলাদেশের রন্ধন ইতিহাসের এক অন্যতম দারুণ একটি শিল্প। বৈচিত্র্যময় মানের কারণে আঞ্চলিক ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি হিসেবে এটি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতিও পেয়েছে। বহুদিনের পুরনো এই ঐতিহ্যকে বর্তমানের আধুনিক পরিবারে দ্বারপ্রান্তে কাছে পৌঁছে দিতে গ্রামীণ ডানোন ফুডসের সুপরিচিত ব্র্যান্ড শক্তি+ নিয়ে এসেছে শক্তি+ মিষ্টি দই, যা সহজে ব্যবহারযোগ্য কাপ প্যাকেজিংয়ে পাওয়া যায়। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সামাজিক উদ্যোগ গ্রামীণ ডানোনের মাধ্যমে চালু হওয়া এই ব্র্যান্ডটির লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ বাংলাদেশের শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা ও পাশাপাশি সুস্বাদু খাবার সরবরাহ দেওয়া। শক্তি+ মিষ্টি দই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দইয়ের ক্রিমি স্বাদের মিষ্টি ভাব বজায় রাখার পাশাপাশি এতে প্রোবায়োটিক ও পুষ্টিকর ডেইরি উপাদান যোগ করা হয়েছে, যা একইসঙ্গে এটিকে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর করে তোলে। ঢাকার বাসিন্দারা চাইলেই খুব সহজে https://www.grameendanone.net/#yogurts ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই দইটি অর্ডার করতে পারেন। পহেলা বৈশাখ শুধু আনন্দ-উদযাপনের জন্য নয়, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে ভাবারও একটি ভালো সময়। দই, সবজি এবং মাছের মতো পুষ্টিকর খাবার শরীরকে শক্তিশালী ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। মিষ্টি দইয়ের মতো মিষ্টি খাবার পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, কেননা এতে থাকা প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক হজমের জন্যও বেশ উপকারী। তাই চাইলেই খাবারের পাতে ভারসাম্য বজায় রেখে, স্বাদ ও সুস্থতাকে একসাথে এনে নতুন বছরটি আনন্দময় ও সুস্থভাবে শুরু করা সম্ভব।
১ মাস আগে