ঢাকা মঙ্গলবার ২৪ মাঘ ১৪৩১ দুপুর ০১:২৪:৩২ (24-Feb-2026)

ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?

মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে?


মিসিং ডে। এটি কেবল পুরোনো প্রেমের বিরহ যাপন নয়, এটি হারানো বন্ধুত্ব ও ফেলে আসা সোনালি দিন। প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো অমলিন মুহূর্তগুলো স্মরণের দিনও এটি।  ফেব্রুয়ারি মাস মানে কেবলই গোলাপ, চকলেট আর ভালোবাসার দিন নয়; এর ঠিক উল্টো পিঠে থাকে ‘অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইন উইক’। এ সপ্তাহের ষষ্ঠ দিন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মিসিং ডে। দিনটি কেবল পুরোনো প্রেমের বিরহ যাপনের জন্য নয়; বরং হারানো বন্ধুত্ব, ফেলে আসা সোনালি দিন এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো অমলিন মুহূর্তগুলো স্মরণের দিনও বটে।আমাদের জীবনের যান্ত্রিকতায় আমরা অনেক সময়ই ছোটবেলার বন্ধু, স্কুল-কলেজের সহপাঠী বা আত্মীয়দের থেকে অনেক দূরে সরে যাই। জীবনের প্রয়োজনে ব্যস্ততা বাড়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই ব্যস্ততার কারণে যখন প্রিয় মানুষগুলো থেকে আমরা দূরে সরে যাই, তখন আমাদের মধ্যে একধরনের শূন্যতা তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রিয়জনের অভাব অনুভব করে তাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করলে মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা কমে। বিশেষ করে যাঁরা কোনো টক্সিক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছেন বা কারও দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন, তাঁদের জন্য এই দিন হতে পারে নতুন করে পুরোনো সম্পর্কগুলো ফিরে পাওয়ার সুযোগ।হারানো বন্ধুদের খুঁজে বের করা, স্কুল বা কলেজের যে প্রিয় বন্ধুটির সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা হতো, তাকে অন্তত একবার এদিনে কল করা। পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে পুরোনো সেই আড্ডার কথা ভাগ করলে মনের জমানো অস্থিরতাগুলো নিমেষেই মুছে যায়। এটি মনে করিয়ে দেয় এখনো এমন মানুষ আছে, যারা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানে।শৈশব মানেই নির্ভেজাল আনন্দ। সেই দিনগুলোর কথা একা একা ভাবার চেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন। শৈশবের সেই হারানো হাসিগুলোই হতে পারে আপনার আজকের ক্লান্তি দূর করার টনিক। যদি সম্ভব হয়, বন্ধুদের নিয়ে আবার এক ছাদের নিচে আড্ডা দিন। এতে আবেগ ও অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত বিনিময় ঘটবে। এক কাপ চা বা কফিতে চুমুক দিতে দিতে পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে করলে দিনটি আপনার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শহুরে একঘেয়েমি দূর করতে বন্ধুদের সঙ্গে ছোটখাটো পিকনিক বা প্রকৃতির মাঝে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারেন। খোলা আকাশ আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে পুরোনো বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসে। এটি কেবল আনন্দই দেয় না, বরং হারানো সম্পর্কগুলোকে পুনরায় শক্তিশালী করে।আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হয়ে থাকলে সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে না থেকে বরং তাদের কথা ভাবুন, যারা অতীতে নিঃস্বার্থভাবে আপনার পাশে ছিল। মিসিং ডেতে সেসব মানুষদের গুরুত্ব দিন, যারা সত্যিই আপনার ভালো চায়। অতীতের ভুল মানুষকে ভুলে যাওয়ার সেরা উপায় হলো বর্তমানের সঠিক মানুষদের আঁকড়ে ধরা।দূরত্বের কারণে দেখা করা সম্ভব না হলে বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সহায়তা নিন। একটি সুন্দর দীর্ঘ মেসেজ বা পুরোনো কোনো ছবি পাঠিয়ে আপনার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে জানান, আপনি তাকে এখনো মনে করছেন। আপনার একটি ছোট মেসেজ হয়তো হারানো কোনো সম্পর্কের দরজা আবারও খুলে দিতে পারে।স্কুলের টিফিন ভাগ করে খাওয়া কিংবা ক্লাস পালানোর দিনগুলোর কথা মনে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্কুলের কোনো গ্রুপে বা নির্দিষ্ট বন্ধুকে ট্যাগ করে সেই সময়ের কোনো মজার ঘটনা শেয়ার করুন। দেখবেন, অনেক ভালো লাগবে।যারা জীবনের কঠিন সময়ে আপনার হাত ধরেছিল, আজ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। আমাদের জীবনে এমন অনেকেই থাকে, যাদের অবদান আমরা মুখ ফুটে বলতে পারি না। আজ তাদের একটি ধন্যবাদসূচক বার্তা পাঠিয়ে দিন। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আপনার ও আপনার বন্ধুদের সম্পর্ক আরও গভীর ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। সূত্র: মিডিয়াম, উইকিহাউ ও অন্যান্য

৪১ মিনিট আগে

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান

সংযম, প্রার্থনা ও শুদ্ধির মাস: পবিত্র মাহে রমজান


বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে বরকতময় মাস রমজান। এটি শুধু উপবাসের মাস নয়; আত্মিক পরিশুদ্ধি, ত্যাগের মহিমা ও সহমর্মিতার অনন্য শিক্ষায় ভরা এক মহিমান্বিত সময়। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার এই সাধনা মুমিনের জীবনে আনে প্রশান্তি, সংযম ও আত্মশুদ্ধির বার্তা।আত্মিক পরিশুদ্ধির আহ্বানরমজান মানেই এক পবিত্র আবহ। ভোরের সেহরি থেকে রাতের তারাবিহ—প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতের সৌরভে ভরপুর। এ মাসে মানুষ কুপ্রবৃত্তি দমন করে ধৈর্য, সংযম ও সহনশীলতার চর্চা করে। রোজা কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা থেকে বিরত থাকা নয়; এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার এক বিশেষ অনুশীলন। এই এক মাসের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক শিক্ষাই যেন বছরের বাকি সময়ের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে।ইফতারের আমেজ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনদিনভর সিয়াম সাধনার পর সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, ঘরে ঘরে শুরু হয় ইফতারের প্রস্তুতি। মুড়ি, ছোলা, বেগুনি, খেজুর ও শরবতের সুগন্ধে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। তবে ইফতারের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো ভ্রাতৃত্ব ও সাম্যের চর্চা। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে একসঙ্গে বসে ইফতার করার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষারমজান আমাদের শেখায় ক্ষুধার প্রকৃত অর্থ। যারা সারা বছর অভাব-অনটনের সঙ্গে সংগ্রাম করে, তাদের কষ্ট উপলব্ধির সুযোগ এনে দেয় এই মাস। তাই রমজানে দান-সদকা ও জাকাত প্রদানের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের মুখে হাসি ফোটানো—এসবের মধ্য দিয়েই রমজানের প্রকৃত তাৎপর্য প্রতিফলিত হয়।বদলে যাওয়া নাগরিক জীবনরমজানে দৈনন্দিন জীবনের ছন্দেও আসে পরিবর্তন। অফিস-আদালতের সময়সূচি সামঞ্জস্য করা হয়, বাজারে বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা। বিশেষ করে শেষ দশকে ঈদের আনন্দঘন আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। কেনাকাটার ব্যস্ততার মাঝেও মানুষের হৃদয়ে থাকে ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির আকাঙ্ক্ষা।রমজান ধৈর্যের মাস, আর ধৈর্যের প্রতিদান জান্নাত। শান্তি, রহমত ও ক্ষমার বার্তা নিয়ে প্রতি বছর আমাদের কাছে ফিরে আসে এই মহিমান্বিত মাস। রমজানের সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা যদি ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিফলিত হয়, তবে গড়ে উঠবে কলুষমুক্ত, সুন্দর এক সমাজ। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন—এই হোক মাহে রমজানের অঙ্গীকার।

১৯ ঘন্টা আগে

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি


রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুনসেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে এতে পানি ধীরে ধীরে পান করলে শরীর তার শোষণ ভালোভাবে করতে পারে। ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি পানি-সমৃদ্ধ। এগুলো সেহরি ও ইফতারে থাকলে শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড থাকে।ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত করুনচা, কফি ও কোলার মতো পানীয় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় (ডাইউরেটিক প্রভাব), ফলে শরীর দ্রুত পানি হ্রাস পায়। জুস বা চিনিযুক্ত মিষ্টি পানীয়ও বেশি শর্করা থাকার কারণে ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খানঅতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। তাই সেহরি ও ইফতারে বেশি লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। সেই সঙ্গে লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করে স্বাদ বাড়িয়ে নিতে পারেন।হালকা ও নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুনরোজা যখন ভাঙবে (ইফতার), তখন একবারে অনেক পানি না গিলেই বরং ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন। এইভাবে শরীরকে পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড রাখা সহজ হয়।বাইরের তাপ বা গরমে দীর্ঘ সময় থাকলে সতর্ক থাকুনযদি রোজা রাখার সময়ে সূর্যের তাপে বেশি সময় কাটে বা শারীরিক কাজ বেশি হয়, তাহলে ঘাম বের হয়ে শরীর থেকে আরও পানি ক্ষয় হতে পারে। চেষ্টা করুন সূর্যের তাপ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কাজ বা বিশ্রাম নিন।ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুনহালকা তরকারি স্যুপ বা দই পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। বিশেষ করে দইতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ত্বরণ ভালো রাখে।রোজা রাখার সময় শরীরের সিগন্যাল যেমন খুব বেশি পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং এসব লক্ষণ পানিশূন্যতার ইঙ্গিত দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে শরীরকে রিফ্রেশ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৪ দিন আগে

রমজানে ওজন বৃদ্ধি ও বদহজম এড়ানোর উপায়

রমজানে ওজন বৃদ্ধি ও বদহজম এড়ানোর উপায়


রমজান শুধু উপবাসের মাস নয়—এটি শরীর ও মনকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার এক অনন্য সুযোগ। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারের টেবিলে বসে অনেকেই অজান্তেই অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। ফল হিসেবে রমজান শেষে দেখা দেয় ওজন বৃদ্ধি, বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা কিংবা সারাক্ষণ ক্লান্তিভাব।সারাদিন উপবাসের ফলে শরীরের শক্তির মজুত কমে আসে। এ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য বদলে যায়, ফলে মস্তিষ্ক দ্রুত শক্তি পাওয়ার সংকেত পাঠায়। তখন তেলেভাজা, মিষ্টি বা ভারী খাবারের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।এছাড়া পাকস্থলী ভরে গেছে—এই তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছাতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। এর আগেই অনেক খাবার খাওয়া হয়ে যায়। পারিবারিক আড্ডা, ঐতিহ্যবাহী ইফতার আর আবেগ মিলে এই প্রবণতা আরও বাড়িয়ে তোলে।ধীরে ইফতারই সুস্থতার প্রথম ধাপবিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতার শুরু করার পদ্ধতিই পুরো রাতের হজম ও ক্যালরি গ্রহণ নির্ধারণ করে।দুই থেকে তিনটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে স্বাভাবিক হয়। এরপর ১০–১৫ মিনিট বিরতি দিয়ে হালকা কিছু খান—যেমন স্যুপ, ফল বা সালাদ।এই বিরতিতে পাকস্থলী প্রস্তুত হয়, হজমের চাপ কমে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।সুষম খাবার মানেই কম খাবার নয়, সঠিক খাবাররমজানে খাবার কমানোর চেয়ে ঠিকভাবে সাজানো প্লেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ।খাবারের অর্ধেক অংশ রাখুন শাকসবজি ও সালাদে। এক-চতুর্থাংশে রাখুন প্রোটিন—মাছ, ডিম, ডাল, ছোলা বা দই। বাকি অংশে থাকুক গোটা শস্য—রুটি, ওটস বা অল্প পরিমাণ ভাত।এই সমন্বয় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি জমতে দেয় না।মনোযোগী খাওয়া: নীরব অভ্যাস, বড় উপকারঅনেক সময় ক্ষুধার কারণে নয়, বরং অভ্যাসের কারণে আমরা বেশি খাই। টিভি দেখা, মোবাইল স্ক্রল করা বা গল্প করতে করতে খেলে মস্তিষ্ক বুঝতেই পারে না কতটা খাওয়া হয়েছে।খাওয়ার সময় মনোযোগ দিন খাবারের দিকে। ধীরে চিবিয়ে খান, স্বাদের অনুভূতি নিন। পেট অর্ধেক ভরলেই থামুন। এতে হজম সহজ হয় এবং শরীর প্রয়োজনের বেশি খাবার জমাতে পারে না।ভাজা ও মিষ্টি—পুরোপুরি নয়, সীমিত করুনরমজানের ইফতার ভাজা ও মিষ্টি ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই। তবে এগুলোকে ইফতারের মূল খাবার না বানিয়ে পরিপূরক হিসেবে রাখুন।ভাজা খাবার প্রতিদিন না খেয়ে সপ্তাহে এক–দুদিন সীমিত রাখুন। সিরাপজাত মিষ্টির বদলে ফল, দই বা অল্প মধু ভালো বিকল্প হতে পারে।সেহরি: সারাদিনের নিয়ন্ত্রকসেহরি বাদ দিলে ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রোটিন ও আঁশসমৃদ্ধ সেহরি সারাদিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।ওটস, ডিম, দই, ফল, বাদাম ও সবজি দিয়ে হালকা কিন্তু পুষ্টিকর সেহরি হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি, যাতে দিনভর পানিশূন্যতা না হয়।বিশেষজ্ঞের মতবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন,“রমজানে অসুস্থ হওয়ার প্রধান কারণ অতিরিক্ত তেল, চিনি ও একসঙ্গে অনেক খাবার গ্রহণ। অল্প পরিমাণে, ধীরে এবং সুষমভাবে খেলে রোজা শরীরের জন্য উপকারী হয়ে ওঠে।”সংযমেই সুস্থতারমজান সংযমের শিক্ষা দেয়—খাবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। প্লেট ছোট রাখুন, গতি কমান, প্রয়োজনের কথা ভাবুন। এতে ওজন বাড়বে না, বদহজম কমবে এবং রোজার আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য আরও গভীর হবে।সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন—রমজান হোক শরীর ও মনের জন্য প্রশান্তির মাস।

৫ দিন আগে

ভালোবাসার বসন্ত আজ

ভালোবাসার বসন্ত আজ

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০:২২:৫৫

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

শরীর ও মন ভালো রাখতে খাবার খান কাউকে সঙ্গে নিয়ে

৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৯:০০:৫০

শিরোনাম
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবক নিহত মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে? মেয়াদ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন নির্বাচন: মির্জা ফখরুল বাণিজ্য চুক্তি: আরও উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে বিনা অনুমতিতে কাজ করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা সিটি করপোরেশনে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ জনগণের সঙ্গে প্রতারণা: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশিদের জন্য ১৩ মাস পর খুলল শিলিগুড়ির হোটেল চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রচারের পর মেহেরপুরের অনলাইন জুয়ার প্রথম মাস্টারমাইন্ড মুকুল গ্রেপ্তার ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত: নিহত ৭ কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ বিমানের টিকিটের অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা মন্ত্রীর ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী একযোগে ৯ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল সৌদি আরবে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবক নিহত মিসিং ডে: কী হয় এই দিনে? মেয়াদ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন নির্বাচন: মির্জা ফখরুল বাণিজ্য চুক্তি: আরও উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে বিনা অনুমতিতে কাজ করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা সিটি করপোরেশনে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ জনগণের সঙ্গে প্রতারণা: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশিদের জন্য ১৩ মাস পর খুলল শিলিগুড়ির হোটেল চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক চ্যানেল এস-এ সংবাদ প্রচারের পর মেহেরপুরের অনলাইন জুয়ার প্রথম মাস্টারমাইন্ড মুকুল গ্রেপ্তার ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত: নিহত ৭ কুমিল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ বিমানের টিকিটের অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা মন্ত্রীর ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী একযোগে ৯ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
LIVE