নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৬ মার্চ ২০২৬ দুপুর ০১:০১:৫৬
ভয়াবহ হামলার শিকার তেহরানের আবাসিক এলাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়
তীব্রতা বেড়েছে তেহরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার । স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে চালানো সর্বশেষ দফায় জনবহুল আবাসিক এলাকা ও দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইরানের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির লাইভ চলাকালেই পুনরায় বিস্ফোরণের ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়ে। খবর আল জাজিরার।
আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, গত শনিবার (২৮
ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার
২৩০ জনে। নতুন এই হামলায় তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত পারান্ড শহরের দুটি স্কুলেও
ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে আবাসিক এলাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন অঞ্চলে ঠিক কতজন
হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে দাবি
করেছেন, ইরানকে এমন এক পর্যায়ে ধ্বংস করা হচ্ছে যা আগে কেউ দেখেনি। তাঁর দাবি, বর্তমানে
ইরানের কোনো কার্যকর বিমান বাহিনী বা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অবশিষ্ট নেই।
অন্যদিকে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের
সচিব আলী লারিজানি অত্যন্ত কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানি বাহিনী যে
কোনো মার্কিন স্থল অভিযানের অপেক্ষায় রয়েছে ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে প্রতিহত করতে
তারা প্রস্তুত।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন আর কেবল ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে
সীমাবদ্ধ নেই। কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার
শিকার হচ্ছে। এর পাল্টা হিসেবে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) গভীর রাতে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক
কেন্দ্র তেল আবিবেও বড় ধরনের যৌথ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান ও তার মিত্ররা।
সামগ্রিকভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে।