ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে সাফল্যের দিক থেকে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশ রীতিমতো প্রতিযোগিতা করছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। দেশের কয়েক লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। এবার ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে দেওয়া হবে কার্ড। এমনকি, কয়েক হাজার তরুণকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার মহাপরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৯তম দিন বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকালে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বিভিন্ন সংস্থা/দফতর তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম নিয়েছে। ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর পাঁচ বছরে এক হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে এবং একই সময়ে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সাড়ে সাত হাজার ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং এর কার্যক্রম চলমান।”তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০২৬ সালে দুই হাজার ৪০০ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং (এমএল) এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করতে ৮৩টি সেবা অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম শুরু করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।”তিনি বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে ২০টি ব্যাচে এক হাজার আন্ডার গ্র্যাজুয়েট/গ্র্যাজুয়েটদের আইটিইই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিসিসির মাধ্যমে পাঁচ হাজার ২০ জন চাকরি প্রার্থী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের এআই, মোবাইল অ্যাপ্স ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইটিক্স, সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণসহ এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।”সরকার প্রধান বলেন, “নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়াইফাই (উইমেন ইন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ) বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আইটিইই প্রশিক্ষণের আওতায় এপ্রিল-২০২৬ সেশনে ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। ৪০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ২০ জন নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়াইফাই প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।”
১০ ঘন্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিশুদের হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছি। কিন্ত দুঃখজনকভাবে সেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিশুদের হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি।বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফ আমাদের অনেক হেল্প করেছে। তারা হামের যে ভ্যাক্সিনেশন, সেটি খুব দ্রুততার সঙ্গে পাঠিয়েছে, যার ফলে আমরা ওষুধগুলো পেয়েছি। প্রায় দুই কোটি শিশুকে এই হামের ভ্যাকসিনেশন আমরা দেব।তিনি বলেন, টেস্ট করার জন্য যে কিট রয়েছে, এটির স্বল্পতা রয়েছে, এটা সঠিক। এটির ব্যাপারেও সরকার কাজ করছে। এর মধ্যে অনেক কিট এসে পৌঁছেছে। খুব সম্ভবত একটি কিট দিয়ে তিন শিশুকে টেস্ট করা সম্ভব হয়। কিছু কিট এই মুহূর্তে সম্ভবত ঢাকার কাস্টমসে আছে, এয়ারপোর্টে আছে। সেগুলো আমরা দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা ইনশ আল্লাহ করছি।
১১ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খাবারের ব্যয় আগের তুলনায় বড় ধরনের কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তার মতে, এখন একজনের জন্য দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাস্তা মিলিয়ে মোট বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা, যা আগে এর চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ছিল।বুধবার (২২ এপ্রিল) দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় খুবই সাধারণ খাবার পরিবেশন করা হয়। মেন্যুতে ছিল ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, ডিম, ডাল এবং দই।
১৩ ঘন্টা আগে
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গণমাধ্যমের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ের নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।নোয়াব সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনপত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকে বিভিন্ন পত্রিকার মালিক ও প্রকাশকরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা সংবাদপত্র শিল্পের বিভিন্ন সংকট তুলে ধরেন এবং সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। বর্তমানে সরকারের উদার গণতন্ত্রের পথে হাঁটা অব্যাহত থাকলে নোয়াবের সমর্থন থাকবে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।বৈঠক শেষে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, সংবাদপত্র শিল্প বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপসহ নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে কথা শুনেছেন এবং বেশ কিছু দাবি-দাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।জ্যেষ্ঠ এই সাংবাদিক জানান, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ বিনা কারণে কারাবন্দি রয়েছেন কি না বা হয়রানির শিকার হয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, বৈঠকে নিয়মিত সংলাপের বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়। শেখ হাসিনার শাসনামলে একবার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একবার সম্পাদক ও মালিকদের সঙ্গে বৈঠক হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি তিন মাসে একবার সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।বৈঠক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে