বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ৩-০ গোলে আইসল্যান্ডকে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তারা।আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে দারুণ এক ভলি শট নেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার বারকো। মাটি ঘেঁষে নেওয়া তার শটটি আইসল্যান্ডের গোলপোস্টের ভেতরের কোণ দিয়ে সরাসরি জালে জড়ায়। পুরো ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক। চমৎকার এই গোলটিতেই ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। গোলটি দেখে, উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনার সাইডবেঞ্চ। এই এক গোলের লিডে থেকেই বিরতিতে যায় স্কালোনির দল। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে মাঠে নামেন মহাতারকা লিও। মাঠে নামার ৫ মিনিট পরই সফল স্পট কিকে দলকে ২-০ গোলের লিড এনে দেন লিও। তবে, স্পট কিকের পূর্বে লাউতারোকে দারুণ এক পাস দিয়েছিলেন মেসি। সেই পাসে গোলও হতেই যেতো, তবে, আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক ফাউল করে গোলটি থামিয়ে দেন।
৪ ঘন্টা আগে
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে মোসাদ্দেক হোসেনের ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের সংগ্রহ গড়েছিল টাইগাররা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লাল-সবুজের দলের বোলারদের সামনে সুবিধা করে ওঠতে পারেননি অজি ব্যাটাররা। ৪৭ রান করে অ্যালেক্স ক্যারি কিছুটা আশা দেখালেও নাহিদ রানা-মোসাদ্দেকদের বোলিং নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত অল আউটের দিকেই ঝুঁকছিল অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিকরা যখন জয় থেকে মাত্র ১ উইকেট দূরে তখনই বাগড়া দেয় বৃষ্টি। এরপর খেলা এক ঘন্টারও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ডিএলএস মেথডে বাংলাদেশকে ৮৬ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়।এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ সর্বশেষ ওয়ানডে জিতেছে ২০০৫ সালে। ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একদিনের ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ।স ২০০৫ সালের সেই জয়টি এসেছিল কার্ডিফে।সেরপর এবারই প্রথম আবার এই সংস্করণে জয়ের মুখ দেখল টাইগাররা। তাই দেশের মাটিতেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়। ২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে অজিরা। তাসকিন আহমেদের ফুল লেন্থে করা বল বুঝে ওঠতে পারেনি অজি ওপেনার শর্ট। বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন। উইকেট হারানোর ধারা অব্যাহত থাকে দ্বিতীয় ওভারেও। এবার নায়ক মুস্তাফিজুর রহমান। অজিদের অভিজ্ঞ ব্যাটার মার্নাস লাবুশেনকে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। কাটার মাস্টারের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে আউট হন তিনি। দ্বিতীয় ওভারেই ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা। এরপর দলের হাল ধরেন কুপার কনোলি ও অধিনায়ক জশ ইংলিশ। দুজনে মিলে টাইগার বোলারদের বিপক্ষে দেখেশুনে খেলে দলকে এগিয়ে নেন সামনের দিকে। এ জুটিতে ৪৯ রান তুলে আশার আলো দেখছিল অজিরা। তবে জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে আবার ব্রেক থ্রু এনে দেন নাহিদ রানা। তরুণ এই পেসারের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন অজি অধিনায়ক ইংলিস। ফেরার আগে তিনি করেন ২৫ বলে ১৯ রান। এদিকে ইংলিস ফেরার পর অ্যালেক্স ক্যারিকে নিয়ে দলের হাল ধরেন কনোলি। এ জুটিতেও স্কোরবোর্ডে ওঠে ৪০ রান। তবে ৫০ বলে ৩৫ রান করে কনোলি মোসাদ্দেকের বলে বোল্ড হলে ভাঙে জুটি। এরপর ক্যারি জুটি গড়েন ক্যামেরনের গ্রিনের সঙ্গে। দুজনের ৩৭ রানের জুটিতে ম্যাচের ফেরার চেষ্টায় ছিল অজিরা। কিন্তু নাহিদ রানার বলে ক্যারি ফিরলে ফের উইকেট হারায় অজিরা। ১২৮ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে তখন ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় সফরকারীরা। এরপর আর কেউই দলের হাল ধরতে পারেননি। গ্রিন একপ্রান্তে টিকলেও অপরপ্রান্তে মোসাদ্দেক ম্যাট রেনশো এবং পরে রানা জাভিয়ের বার্টলেট ও লিয়াম স্কটকে সাজঘরের পথ দেখান। এদিকে অজিদের শেষ ভরসা হয়ে ক্রিজে টিকে ছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। ৬৬ বলে ৫২ রান করে ক্রিজে ছিলেন তিনি, এমন সময়ই বজ্রপাতের কারণে বন্ধ হয় খেলা। এরপর মিরপুরে বৃষ্টি নামলে এক ঘন্টা পর ডিএলএস মেথডে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে ৮৬ রানে।
১৯ ঘন্টা আগে
শুরুর ধাক্কা সামলে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দৃঢ় ব্যাটিং, আর শেষদিকে মোসাদ্দেক হোসেনের দুর্দান্ত অপরাজিত ইনিংসে বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান তুলেছে টাইগাররা। ফলে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ২৮৫ রান।শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ৫ রান করে ফিরে যান সাইফ হাসান। তবে এরপর দলের হাল ধরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।দুই ব্যাটার ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ে তুলে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি উপহার দেন। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৬২ রান। এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন তামিম। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করে নাথান এলিসের বলে আউট হন তিনি।তামিমের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন দাস। তবে অন্য প্রান্তে রান তোলার গতি ধরে রাখেন শান্ত। ক্যারিয়ারের ১২তম ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেওয়া এই বাঁহাতি ব্যাটার ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রান করে ফেরেন।১৪০ রানে চার উইকেট হারানোর পর কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই পরিস্থিতিতে তৌহিদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন। হৃদয় ৩১ রান করে ফিরলেও নিজের দায়িত্ব ঠিকই পালন করেন মোসাদ্দেক।মধ্য ও শেষের ওভারে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তোলেন এই অলরাউন্ডার। তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৪৫ রানের কার্যকর জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ করেন তিনি।চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে পাওয়া সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখেন মোসাদ্দেক। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ব্যাটেই শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ম্যাট রেনশ নেন ২টি উইকেট। জেভিয়ার বার্টলেট ও স্কট একটি করে উইকেট তুলে নেন।
২৩ ঘন্টা আগে
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখতে আসা দর্শকদের পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ফিফা। তবে সমর্থক গোষ্ঠী ও শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এতে স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিতে পারবেন ভক্তরা। শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ফিফা নতুন এই নীতিমালার ঘোষণা দিয়েছে। পোস্টে বলা হয়, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের যেকোনো ম্যাচে সব সমর্থক একটি করে নরম প্লাস্টিকের, ৫৯০ মিলি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন, ফ্যাক্টরি-সিলড ওয়ানটাইম পানির বোতল সঙ্গে নিয়ে ঢোকার অনুমতি পাবেন।’বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কারণে সমর্থকেরা শক্ত প্লাস্টিক বা ধাতব তৈরি পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল সঙ্গে নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন না।’ফিফার মূল স্টেডিয়াম বিধিমালায় প্রথমে বলা হয়েছিল, ‘কোনো দ্বিধা ছাড়াই দর্শকেরা স্টেডিয়ামের ভেতরে সর্বোচ্চ এক লিটার ধারণক্ষমতার খালি, স্বচ্ছ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।’ কিন্তু গত মঙ্গলবার নথির একটি হালনাগাদ সংস্করণে বলা হয়, ‘পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল স্টেডিয়ামের ভেতরে আনা যাবে না।’সেই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘খেলোয়াড়, রেফারি, দর্শক, স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় ফিফা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। খেলোয়াড় ও দর্শকদের যেকোনো ধরনের ঝুঁকি ও চোট থেকে রক্ষা করতেই বোতল নিষিদ্ধ করার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার অনেক শহরেই তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এমন প্রচণ্ড গরমের মধ্যে পানির বোতল নিষিদ্ধ করার এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি চারদিক থেকে চরমভাবে সমালোচিত হয়। ইংলিশ সমর্থক গোষ্ঠী ‘দ্য ফ্রি লায়ন্স’ এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, ‘স্বাভাবিকভাবেই সমর্থকদের প্রথম প্রতিক্রিয়া হচ্ছে—এটি আসলে টাকা হাতানোর আরেকটি নতুন ফন্দি।’স্টেডিয়ামে বোতল নিষিদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে বলেন, ‘পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উদ্বেগজনক। কারণ, আমরা যে প্রচণ্ড গরমের কথা বলছি, তা শুধু খেলোয়াড়দের জন্যই নয়, দর্শকেরাও কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রচণ্ড গরমের মুখোমুখি হবেন।’
৩ দিন আগে