২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা চলছে। আজ টুর্নামেন্ট শুরু হতে বাকি ২৭ দিন। আর এই সংখ্যাটা দিয়ে এক মজার তথ্য প্রকশা করেছে ফেডারেশন অব ফুটবল ফেডারেশন (ফিফা)। এ পর্যন্ত ফুটবল ইতিহাসে ২৭ জোড়া বাবা ও ছেলে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বাবা-ছেলে হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন মেক্সিকোর লুইস পেরেজ ও মারিও পেরেজ। লুইস খেলেছিলেন ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে, আর তার ছেলে মারিও মাঠে নেমেছিলেন ১৯৫০-এর আসরে।আরেকটি মজার ঘটনা হলো মার্তি ও হোসে পান্তোলরাকে নিয়ে। বাবা মার্তি ১৯৩৪ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন স্পেনের হয়ে, কিন্তু ছেলে হোসে ১৯৭০ সালে প্রতিনিধিত্ব করেন মেক্সিকোর হয়ে।ফ্রান্সের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার লিলিয়ান থুরাম এবং তার ছেলে মার্কাস থুরাম- উভয়েই বিশ্বকাপে সফল। বাবা লিলিয়ান ১৯৯৮ সালে জিতেছিলেন শিরোপা। আর ছেলে মার্কাস ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে খেলেছে ফাইনাল। যদিও আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যায় ফ্রান্স।
১৮ ঘন্টা আগে
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড এথনোস্পোর্টস ইউনিয়নের (ডব্লিউইসি) সভাপতি নেজমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১২ মে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী ও স্থানীয় খেলাধুলার উন্নয়ন এবং প্রসারে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশের গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার সমৃদ্ধ ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আধুনিক ক্রীড়ার পাশাপাশি প্রতিটি দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ও দেশীয় খেলাধুলা সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব খেলাকে আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।ওয়ার্ল্ড এথনোস্পোর্টস ইউনিয়নের সভাপতি নেজমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ান বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি এথনোস্পোর্টসের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার প্রসারে বাংলাদেশের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে তার সংস্থা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।সাক্ষাৎকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিলাল এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আশা প্রকাশ করেন, এ বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের ক্রীড়া সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের তৃণমূল পর্যায়ের খেলোয়াড়রা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
১ দিন আগে
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে টাইগারদের প্রথম জয় এটি। এতে ৩ ম্যাচে ১টি করে জয়-হার ও ড্রতে ৪৪.৪৪ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে উঠল বাংলাদেশ।পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট খেলতে নামার আগে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে অষ্টম স্থানে ছিল স্বাগতিকরা।এই চক্রে এটি দ্বিতীয় দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাংলাদেশের। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ খেলেছিল টাইগাররা। শ্রীলঙ্কা সফরে দুই ম্যাচের সিরিজের ১টিতে জয় ও ১টিতে ড্র করেছিল তারা।বাংলাদেশের কাছে প্রথম টেস্ট হেরে চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম থেকে সপ্তম স্থানে নেমে গেল পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ১ জয় ও ২ হারে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট আছে তাদের। নিজেদের প্রথম সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ১-১ সমতায় শেষ করেছিল পাকিস্তান।এই তালিকায় সবার উপরে আছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ৮ ম্যাচে ৭ জয় ও ১ হারে ৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট আছে অসিদের। ৭৭.৭৮ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। ৩ ম্যাচ খেলে ২টিতে জয় ও ১টিতে ড্র করেছে কিউইরা।এরপর তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে যথাক্রমে- দক্ষিণ আফ্রিকা (৪ ম্যাচে ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট), শ্রীলঙ্কা (২ ম্যাচে ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট) এবং ভারত (৯ ম্যাচে ৪৮.১৫ শতাংশ পয়েন্ট)।অষ্টম ও নবম স্থানে আছে ইংল্যান্ড (১০ ম্যাচে ৩১.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৮ ম্যাচে ৪.১৭ শতাংশ পয়েন্ট)।সূত্র: বাসস
২ দিন আগে
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ শেষ দিনে জয়ের জন্য শান মাসুদদের ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল টাইগাররা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। তবে আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়েছিল সফরকারীরা। পাকিস্তানি এই ব্যাটার আউট হন ৬৬ রান করে। এরপর স্বাগতিক বোলারদের তোপের সামনে আর কোনো ব্যাটারই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। জয়ের জন্য দিনের শেষ সেশনে লিটন দাসদের দরকার ছিল ৭ উইকেট। নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামদের তোপের মুখে এই ৭ উইকেট নিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান ১৬৩ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে লিড বাংলাদেশের। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ম্যাচে ২৬৭ রানের লিড নেয়। ফলে পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ২৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড়ায়। প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের বলে ইমাম-উল-হক মাত্র ২ রান করে ফিরে যান। লাঞ্চের সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৬ রান। লাঞ্চের পর বাংলাদেশের বোলাররা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। মেহেদী হাসান মিরাজ আজান আওয়াইসকে (১৫) ফিরিয়ে দেন। এরপর নাহিদ রানা অধিনায়ক শান মাসুদকে মাত্র ২ রানে সাজঘরে পাঠান। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু করেন আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আলী আঘা। সাধারণত নিচের দিকে ব্যাট করা সালমানকে এদিন পাঁচ নম্বরে পাঠানো হয়। দুজনেই স্পিনের বিপক্ষে দারুণ খেলে প্রতিরোধ গড়েন। আব্দুল্লাহ ফজল ফিফটি পূর্ণ করেন এবং সালমানও কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যান।দ্বিতীয় সেশন শেষে পাকিস্তানের ৩ উইকেটে ১১৬ রানের সংগ্রহ ছিল। তবে শেষ সেশনের শুরুতে ৬ বলের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। ৩২.৫ ওভারে আউট হন ফজল। তাইজুলের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে বিদায় নিতে হয় তাকে। এরপর ৩৩ তম ওভারের চতুর্থ বলে তাসকিনের বলে সাদমানকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সালমান। সালমান ফেরার পর সৌদ শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় ছিলেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে এ দুজনের চেষ্টা সফল হয়নি। ৩১ রানের জুটি গড়ার পর নাহিদ রানার বলে কট বিহাইন্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরতে হয় শাকিলকে। এরপর রিজওয়ানও ফিরেন রানার বলে বোল্ড হয়ে। এ দুজনের পর পাকিস্তানের বাকি ব্যাটারদের কেউই আর টাইগার বোলারদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। এতে ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে ১-০ লিড নিয়েছে টাইগাররা।
৩ দিন আগে