নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ মার্চ ২০২৬ সকাল ১০:৫৪:১৪
যোগাযোগে ভাষা না হোক বাধা
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই গ্রামের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রাশেদুল ইসলাম। স্থানীয় বাজারে তাঁর ছোট একটি ইলেকট্রনিকসের দোকান। অনেক দিন ধরেই তিনি ভাবছিলেন, সরাসরি চীন থেকে পণ্য আমদানি করবেন। এতে খরচ কমবে। ক্রেতারাও কম দামে পণ্য পাবেন। কিন্তু তাঁর সামনে বড় বাধা ছিল ভাষা।
চীনের সরবরাহকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে ইংরেজি তো বটেই, অনেক ক্ষেত্রে চীনা ভাষারও প্রয়োজন হয়। রাশেদুলের সেই দক্ষতা নেই। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বার্তা পাঠালেও জবাব বুঝতে পারেন না, নিজের প্রয়োজনও স্পষ্ট করে বলতে পারেন না। ফলে সম্ভাবনাময় ব্যবসার স্বপ্ন থমকে ছিল।
এ অবস্থায় তার সহায় হয় ইমো–এর ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেশন ফিচার। স্মার্টফোনে ইমো ব্যবহার করে তিনি সরাসরি সরবরাহকারীর সঙ্গে চ্যাট ও কল করতে পারেন। সরবরাহকারী চীনা ভাষায় লিখলেও ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেশন ফিচার তা সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় দেখায়। আবার রাশেদুল বাংলায় লিখলে সেটি অনুবাদ হয়ে পৌঁছে যায় অপর প্রান্তে।
শুধু লিখিত বার্তাই নয়, ভয়েস মেসেজেও এই ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেশন ফিচার কার্যকর। ফলে দর–কষাকষি, পণ্যের গুণগত মান, নমুনা পাঠানো কিংবা পেমেন্ট শর্ত—সবকিছু নিয়েই স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারছেন তিনি। ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা কমেছে, বেড়েছে আত্মবিশ্বাস।
রাশেদুল বলেন, আগে বিদেশি সরবরাহকারীর সঙ্গে কথা বলতে দোভাষীর সাহায্য নিতে হতো। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ত। এখন ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেশন ফিচারের কারণে সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে। ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তও দ্রুত নেওয়া যাচ্ছে।
ভাষার ভিন্নতা অনেক সময় সম্পর্ক ও সম্ভাবনার মাঝে দেয়াল তোলে। তখন যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ইমো–এর ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সলেশন ফিচার সেই বাধা সহজ করে দেয়। ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে সহজে কথা বলা যায়। ভাবনা ও অনুভূতিও ভাগ করে নেওয়া যায়। ইমো থাকলে ভাষা আর যোগাযোগের পথে বাধা হয়ে থাকে না। এই সহজ প্রযুক্তিই গ্রামের একজন উদ্যোক্তার স্বপ্নকে বাস্তবের আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে।