বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় টিভি নাটক ব্যাচেলর পয়েন্ট ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুম ফিল্মসের বিশেষ অন-স্ক্রিন সহযোগিতায় সম্পূর্ণ নতুন অপো এ৬এস প্রো আজ (২৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করেছে অটো জুম সেলফি ক্যামেরা। ব্যাচেলর পয়েন্টের রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ এই পর্বে প্রথমবারের মতো একটি সমন্বিত সামাজিক দায়বদ্ধতাকে (সিএসআর) গল্পের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা নাটকে পণ্য উপস্থাপনার ধারণা থেকে ভিন্ন। এই উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম এআই-চালিত ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল অটো জুম সেলফি ক্যামেরা। গ্রুপ ফটোগ্রাফির জন্য বিশেষভাবে তৈরি এআই ফেইস রিকগনিশন অটো জুম প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একাধিক মুখ শনাক্ত করে ফ্রেমে সামঞ্জস্য করে নেয়; ফলে, আলাদা করে কোনো সেটিং না বদলেও সবাইকে নিখুঁতভাবে ফ্রেমে আনা সম্ভব হবে। এই অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী করতে অপো এ৬এস প্রোতে সুবিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত টেকসই কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। পাশাপাশি রয়েছে ৮০ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্ত।ডিভাইসটি ছয় বছর পর্যন্ত স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। উন্নত সুপারকুল ভিসি কুলিং সিস্টেম গেমিং, স্ট্রিমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় তাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি, ডিভাইসটিতে ১২০ হার্জ অ্যামোলেড আল্ট্রা-ব্রাইট ডিসপ্লে, মিলিটারি-গ্রেড শক প্রোটেকশনসহ আইপি৬৯কে ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, উন্নত কানেক্টিভিটির জন্য এআই লিঙ্কবুস্ট ৩.০, ৩০০% ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার হাই ভলিউম মোড, এআই কল হ্যারেজমেন্ট প্রিভেনশন এবং সাবলীল ফ্লুয়েন্সি নিশ্চিতে অরোরা ইঞ্জিন ও টাইডাল ইঞ্জিন সমর্থিত কালারওএস ১৬ ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬এস প্রো আমাদের ‘স্টে রুটেড অ্যান্ড গো বিয়নড’ দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন। ব্যাচেলর পয়েন্টের সাথে আমাদের এই সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা উদ্ভাবন, সংস্কৃতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে একসূত্রে যুক্ত করেছি, যেন প্রযুক্তি বাস্তব জীবনের অর্থবহ মুহূর্তগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করতে সক্ষম হয়।”অপো এ৬এস প্রো ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ০৩ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে প্রি-অর্ডারের জন্য উন্মুক্ত থাকবে; ডিভাইসটি ০৪ মার্চ থেকে বাজারে পাওয়া যাবে। লুমিনা ফরেস্ট ও একলিপ্স ব্লু’র মতো আকর্ষণীয় দুইটি রঙের এই ডিভাইসটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৩৯,৯৯০ টাকা। এছাড়াও, ক্রেতারা টপপে থেকে ০% সুদে কিস্তিতে ফোনটি কিনতে পারবেন।
৩ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের গ্রাহকদের কাছে সর্বোচ্চ মানের পণ্যটি পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে হিরো তার ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও আরো সমৃদ্ধ করলো। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মোটরসাইকেল ও স্কুটার ম্যানুফ্যেকচারার হিরো মোটোকর্প এদেশে বাজারে নিয়ে এলো ১২৫ সিসি সেগমেন্টের নতুন মডেল এর বাইক ও স্কুটার -গ্ল্যামার এক্স ১২৫ মোটরসাইকেল এবং জুম ১২৫ স্কুটার। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সোমবার জমকালো আয়োজন মধ্যদিয়ে লঞ্চিং ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হয়।বিশেষ করে বাংলাদেশের বাজারের কথা বিবেচনা করেই অত্যাধুনিক ফিচারস সমৃদ্ধ গ্ল্যামার এক্স ১২৫ আর তৈরি করা হয়েছে, এই মোটরসাইকেলটি চালকদের রাইডিং স্টাইলে নতুনত্ব ও অতুলনীয় অভিজ্ঞতা এনে দেবে। বাইকটিতে ৬০ টির ও বেশি ফিচার রয়েছে –চালাতে বেশ আরামদায়ক, সেরা পারফরম্যান্স ও অত্যাধুনিক ফিচারের গ্ল্যামার এক্স ১২৫ বাইক এর উদ্বোধনী মূল্য রাখা হয়েছে ১৬৬,০০০/- টাকা এটি ঈদ অফার এ পাওয়া যাচ্ছে ১৬৩,০০০/- টাকায়, এবং জুম ১২৫ স্কুটার উদ্বোধনী মূল্য ২০৮,০০০/- টাকা। মডেল দুটি এখন হিরো বাংলাদেশের সকল অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে।গ্ল্যামার এক্স ১২৫ ফিচার সমূহ:ক্রুজ কন্ট্রোল, ৪.২ ইঞ্চি টিএফটি মিটার, রাইড বাই ওয়্যার সহ কিক স্টার্ট ক্ষমতা, ৩টি রাইডিং মোড (ইকো, রোড এবং পাওয়ার), অল এলইডি প্যাকেজ, টিবিটি নেভিগেশন সহ ব্লুটুথ সংযোগ সমৃদ্ধ।প্যানিক ব্রেক অ্যালার্ট, AERA টেকনোলজি, হ্যাজার্ড সুইচ, ডিস্ক ব্রেক সাথে আই বি এস, ইউ এস বি চার্জার, ও আই থ্রি এস টেকনোলজি এবং গিয়ার শিফট ইন্ডিকেটর সাথে গিয়ার শিফট অ্যাডভাইজরি, এছাড়াও সম্পূর্ণ নতুন সুইচ গিয়ার । নতুন গ্ল্যামার এক্স ১২৫ তিন ধরনের প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে।জুম ১২৫ ফিচার সমূহ:০-৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি ৭.৬ সেকেন্ডে, সামনে এবং পিছনে ১৪ ইঞ্চি অ্যালয় হুইল, টার্ন বাই টার্ন ন্যাভিগেশন সহ ডিজিটাল স্পিডোমিটার, সিকোয়েন্সিয়াল এলইডি উইঙ্কার, সাইড স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট অফ।কর্মক্ষমতা এবং দক্ষতা-রিয়েল টাইম মাইলেজ ইনডিকেটর, আই থ্রি এস টেকনোলজি, ইউ এস বি চার্জার পোর্ট এবং গ্লাভ বক্স, এলইডি বুট ল্যাম্প সহ সিটের নীচে স্টোরেজ।সিগনেচার স্টাইল- ইলুমিনেটেড স্টার্ট সুইচ, হ্যান্ডেল বার এন্ড ওয়েট, স্পোর্টি ডিজাইন স্প্লিট টাইপ বডি কালারড গ্র্যাব রেল ও হাগার ফেন্ডার । নতুন জুম ১২৫ তিন ধরনের প্রাণবন্ত রঙে পাওয়া যাচ্ছে।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এইচএমসিএল নিলয় বাংলাদেশ ও নিলয় মটরস লিমিটেডের সম্মানিত ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আব্দুল মুসাব্বির আহমেদ এবং সিএফও এবং কোম্পানী সেক্রেটারী বিজয় কুমার মন্ডল এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল সেলস হেড ইস্ট এন্ড ওয়েস্ট জোন আহমেদ সানজীদ আলমগীর ও মোঃ রাশেদুল ইসলাম সহ চ্যানেল পার্টনার ও অতিথিবৃন্দ ।
১ দিন আগে
সাজেক ভ্যালির অপার্থিব সৌন্দর্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘মাউন্টেন ফরেস্ট ডিজাইন’ নিয়ে আসছে অপো এ৬এস প্রো। দেশের স্মার্টফোন খাতে এই প্রথম কোনো ডিভাইস সরাসরি দেশের প্রাকৃতিক বিস্ময়কে সম্মান জানিয়ে ডিজাইনে ধারণ করছে। এতে সাজেকের পাহাড় ও অরণ্যের কাব্যিক সৌন্দর্যকে অনবদ্য কারুশিল্পের নিদর্শনে পরিণত করা হয়েছে। ‘পাহাড়ের রানি’ ও ‘রাঙামাটির ছাদ’ নামে বহুল সমাদৃত সাজেক প্রশান্ত এক মহিমা ধারণ করে, যেখানে দিগন্তকে আলিঙ্গন করে সবুজ পাহাড়শ্রেণি; রেশমি আবরণে নিজেকে জড়িয়ে নিয়ে ভেসে বেড়ায় মেঘ। এর সুউচ্চ পাহাড়গুলো যেন শক্তি, স্থিরতা ও স্থায়িত্বের চিরন্তন প্রতীক। এই প্রতীকী শক্তি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে অপো এ৬এস প্রো’র নকশাতে উঠে এসেছে পাহাড়ের অবিচল সৌন্দর্য; যা একইসাথে দৃঢ়তা, উচ্চাশা ও অটল স্থায়িত্বের প্রতীক। সময়ের প্রবাহে পাহাড় যেমন অবিচল থাকে, তেমনি এই ডিভাইসও টেকসই নির্মাণ ও চিরায়ত সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি ধারণ করে।এই ডিজাইনের মূলে রয়েছে ‘স্টে রুটেড অ্যান্ড গো বিয়ন্ড’-এর মতো গভীর দর্শন। পরিচয় ও আকাঙ্ক্ষার পরিশীলিত ব্যাখ্যা এটি। ‘স্টে রুটেড’ মানে নিজের শিকড়, সংস্কৃতি ও অন্তর্নিহিত মূল্যবোধের সাথে সংযুক্ত থাকা, নিজের পরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। আর ‘গো বিয়ন্ড’ মানে সীমারেখা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়া; লক্ষ্য ছোঁয়ার সাহস রাখা এবং সম্ভাবনার নতুন শিখরে পৌঁছানো। ডিভাইসটির ‘মাউন্টেন ফরেস্ট ডিজাইন’ প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে দেয়, যা একদিকে যেমন মাটির কাছাকাছি সংযত থাকে, অন্যদিকে তেমনি উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়। এর ব্যাক প্যানেলে প্রিমিয়াম লেভেলের কারুশিল্প ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে স্বচ্ছ গ্রেডিয়েন্ট রঙ ও ফরেস্ট-ইন্সপায়ার্ড টেক্সচারের সমন্বয়ে বহুমাত্রিক ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে। এই ডিজাইনের সৌন্দর্য তার সূক্ষ্ম জটিলতায় লুকিয়ে আছে, যেখানে নরম আলোতে এটিকে শান্ত ও মার্জিত দেখায়, আর উজ্জ্বল আলোয় থাকে দীপ্ত-ঝলমলে। আলো ও ছায়ার এই খেলা সাজেকের প্রাকৃতিক দৃশ্যের মতোই; ভোরে শান্ত, দুপুরে উজ্জ্বল ও সন্ধ্যায় রহস্যময়।ডিভাইসটির বাইরের টেক্সচার নিখুঁতভাবে নন-স্লিপ, গ্রিপ-ফ্রেন্ডলি ফ্রস্টেড ফিনিশে তৈরি করা হয়েছে, যা প্রাকৃতিক ভূমির স্পর্শকেই মনে করিয়ে দেয়। ম্যাট ও ডুয়েল-টেক্সচার ক্রিয়েচারের কারণে এর ত্বক-বান্ধব ব্যাক হাতের তালুর সাথে নিখুঁতভাবে মানিয়ে যায় এবং ফোন হাতে ধরার অভিজ্ঞতাকে আরও আরামদায়ক করে। একইসাথে, এর অ্যান্টি-স্লিপ ও ঘাম প্রতিরোধী ফিচার আউটডোর ভ্রমণ, দৈনন্দিন যাতায়াতে বা সামাজিক পরিবেশেও আত্মবিশ্বাসী ব্যবহার নিশ্চিত করে।এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬এস প্রো’র মাধ্যমে আমরা কেবল একটি ডিভাইস তৈরি করতে চাইনি; আমরা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানুষের দৃঢ়তার প্রতীক তুলে নিয়ে আসতে চেয়েছি। সাজেকের অপূর্ব সৌন্দর্য থেকে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশে প্রথম এই ‘মাউন্টেন ফরেস্ট ডিজাইন’ শক্তি, স্থায়িত্ব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। ‘স্টে রুটেড অ্যান্ড গো বিয়ন্ড’ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের নিজেদের ঐতিহ্যকে গর্বের সাথে ধারণ করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে আহ্বান জানাই।”
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের মিডরেঞ্জ স্মার্টফোন বাজারে ইনফিনিক্স নোট এজ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ব্যবহারকারীরা কেবল সাময়িক ট্রেন্ড নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী এবং নিয়মিত মাল্টিটাস্কিং করা ব্যবহারকারীদের কাছে এখন একটি স্মার্টফোন মানে শুধু নতুন ডিজাইন নয়; সেটি হতে হবে নির্ভরযোগ্য এবং কয়েক বছর ধরে ব্যবহার উপযোগী।৩০ হাজার টাকার বাজেট সেগমেন্টে ক্রেতাদের প্রত্যাশাও বদলেছে। অনেকেই এখন এমন ফোন চান, যা দেখতে প্রিমিয়াম হবে, কিন্তু দাম হবে তুলনামূলকভাবে নাগালের মধ্যে। ইনফিনিক্স নোট এজে রয়েছে ৩ডি কার্ভড ১.৫কে আই-কেয়ার ডিসপ্লে ও সমান সরু বেজেল, যা সাধারণত প্রিমিয়াম সেগমেন্টের ফোনে দেখা যায়। ৭.২ মিলিমিটার পাতলা বডি ও পার্লেসেন্ট ফিনিশ ডিজাইন এটিকে দিয়েছে আধুনিক ও পরিমিত সৌন্দর্য।তবে শুধু ডিজাইন নয়, টেকসই পারফরম্যান্সও এখন ব্যাবহারকারীদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘ সময় ভিডিও দেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, মোবাইল গেমিং কিংবা কাজের প্রয়োজনে অনলাইনে থাকা, সব মিলিয়ে এখন ব্যাটারির স্থায়িত্ব অনেক জরুরি হয়ে উঠেছে। পাতলা গড়নের হলেও ইনফিনিক্স নোট এজে রয়েছে ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি। পাশাপাশি এতে আছে ব্যাটারি সেলফ-হিলিং প্রযুক্তি, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। ফলে ব্যবহারকারীরা চার্জিং নিয়ে তুলনামূলক কম উদ্বেগে দিন পার করতে পারেন।মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭১০০ ৫জি চিপসেট এবং ৮ জিবি র্যামের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৮ জিবি এক্সটেন্ডেড র্যাম ফোনটিকে দিয়েছে স্থিতিশীল পারফরম্যান্স। স্বল্প সময়ের উচ্চ স্কোরের বদলে দীর্ঘ সময় মসৃণ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৩ বছর পর্যন্ত অপারেটিং সিস্টেম আপডেট এবং ৫ বছর নিরাপত্তা আপডেটের সুবিধা যুক্ত থাকায় এটি ৩–৪ বছর ব্যবহারের উপযোগী থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।নেটওয়ার্ক সংযোগের ক্ষেত্রে ইউপিএস ৩.০ প্রযুক্তি দুর্বল বা লো-ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল উন্নত করতে সহায়তা করে, যা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবহারকারীদের জন্য বাস্তবসম্মত সুবিধা দিতে পারে।নোট এজের দুটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে—৮ জিবি + ১২৮ জিবি এবং ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি। দাম যথাক্রমে ২৯,৯৯৯ টাকা এবং ৩১,৯৯৯ টাকা। রঙের ক্ষেত্রে রয়েছে সিল্ক গ্রিন, লুনার টাইটানিয়াম, স্টেলার ব্লু এবং শ্যাডো ব্ল্যাক।বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে ক্রেতাদের অগ্রাধিকার যখন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে, তখন ইনফিনিক্স নোট এজ স্টাইল, পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্বের সমন্বয়ে সেই পরিবর্তিত চাহিদার প্রতিফলন তুলে ধরছে।
১ সপ্তাহ আগে