ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সমন্বয়ের বার্তায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সমন্বয়ের বার্তায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০


মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার নিয়ে দুই দিনব্যাপী আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে (সম্প্রতি) অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সৌজন্যে এবং এসিআই মটরস লিমিটেডের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই ফোরামের আহ্বায়ক ছিল ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অংশীদারত্বে ফোরামটির কো-হোস্ট ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।আন্তর্জাতিক এই আয়োজনের ৬ষ্ঠ আসর এবার বসেছে বাংলাদেশে। এবারের ফোরামের প্রতিপাদ্য ছিল “আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইন মার্কেটিং: হিউম্যান + টেক”। এতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি শীর্ষ মার্কেটিং পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সরকারি প্রতিনিধি ও খাতসংশ্লিষ্টরা। মানুষের অন্তর্দৃষ্টি, নৈতিকতা ও ভোক্তার আস্থা অটুট রেখে কীভাবে মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, সেটিই ছিল দুই দিনের আলোচনার মূল বিষয়। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক হিসেবে পরিচিত প্রফেসর ফিলিপ কটলার।আয়োজনটিতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাজিদ মাহবুব, সেক্রেটারি জেনারেল, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি) ও মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি), এবং গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার অ্যান্ড এক্সিকিউটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব থেকে আসা মার্কেটার, শিক্ষাবিদ ও ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের ঢাকায় স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রাহককে সেবা দেওয়ার ধরন বদলে দিচ্ছে, তবে মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য ঠিক করে মানুষই। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম এমন একটি মঞ্চ, যেখানে আমরা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারি এবং এমন ভবিষ্যৎ গড়তে পারি, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।”এরপর উদ্বোধনী বক্তব্য দেন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক, পিএইচডি, ডিন, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক অতিথিদের স্বাগত জানান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ভবিষ্যতের জন্য মার্কেটারদের প্রস্তুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।২ দিনের এই আসরে ১০টি কিনোট সেশন, ২টি কেইস স্টাডি ও ২টি প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও, ফোরামের পক্ষ থেকে ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের ‘দ্য ঢাকা ডিক্লারেশন’ শীর্ষক একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা উপস্থাপন করা হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল “মার্কেটিং ফর গ্লোবাল গুড: ওয়াই ২০৩০ অ্যান্ড বিয়ন্ড”। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের উদ্যোগে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন এবং ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশনের যৌথ অংশগ্রহণে ঘোষণাটি গৃহীত হয়। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের ৫৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক কল্যাণে বিপণনচর্চার প্রসার, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং ২০৩০ সাল ও পরবর্তী সময়ের জন্য একটি অভিন্ন লক্ষ্য ও অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।প্রথম দিনের কিনোট পর্বের সূচনা করেন প্রফেসর ফিলিপ কটলার, আমেরিকান মার্কেটিং অথর, কনসালট্যান্ট, অ্যান্ড প্রফেসর, এমেরিটাস; ফর্মার এস. সি. জনসন অ্যান্ড সন ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং, কেলগ স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের বিচারবুদ্ধি কীভাবে পাশাপাশি কাজ করবে, সেই আলোচনার মধ্য দিয়েই তিনি ফোরামের সুর বেঁধে দেন। পরের সেশনে বক্তব্য রাখেন হারমাওয়ান কারতাজায়া, কো-ফাউন্ডার, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম (ডব্লিউএমএফ); ফাউন্ডার, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); ফাউন্ডার অ্যান্ড চেয়ার, এমকর্প (মার্কপ্লাস, ইনক.)। প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধের মেলবন্ধনে ২০৩০ সাল ও তার পরেও মার্কেটিং কীভাবে বৈশ্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে, তা তুলে ধরেন তিনি। এরপর তারা ইউন, হেড অব পার্টনার পারফরম্যান্স, চ্যানেল সেলস – এসইএ, গুগল; ফর্মার গ্রুপ ম্যানেজার, পারফরমিক্স; আলোচনা করেন মানুষের কৌতূহল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে কীভাবে আরও কার্যকর মার্কেটিং সম্ভব। দিনের শেষ কিনোটে এরিক কু, ফাউন্ডার, আইট্রেইন এশিয়া, মালয়েশিয়া, দেখান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে সাধারণ ভোক্তাদের ক্রিয়েটরে পরিণত করছে। এর ফলে গ্লোবাল সাউথে মার্কেটিং উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজ হচ্ছে এবং আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই কিনোট বক্তব্য রাখেন প্রফেসর সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার, পিএইচডি, প্রেসিডেন্ট, ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল; ভাইস-চ্যান্সেলর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মার্কেটিংয়ের অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে তুলে ধরে ব্র্যান্ড ও ভোক্তার ওপর এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এরপর ড. ড্যান ভিসিতচাইচান, ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড চিফ অব লার্নিং আর্কিটেক্ট অ্যান্ড মার্কেটিং ইনোভেশন, মার্কেটিং অ্যাসোসিয়েশন অব থাইল্যান্ড; সেকেন্ড ভাইস প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); মানুষের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমান যন্ত্রের অংশীদারত্বকে মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যৎ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। গ্লোকাল মার্কেটিংয়ের সাম্প্রতিক ধারা নিয়ে আলোচনা করেন হেলেন ম্যাকইনটি-কার্লাইল, প্রেসিডেন্ট, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন; ফর্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড একাডেমিক ডিরেক্টর, আইএমএম গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব মার্কেটিং। বদলে যাওয়া বিশ্বে গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো কীভাবে স্থানীয়ভাবে প্রাসঙ্গিক থাকে এবং এই কৌশল এখনও কতটা কার্যকর, সেটিই ছিল তাঁর আলোচনার মূল বিষয়। অন্যদিকে ড. এ. কে. এনামুল হক, ডিরেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস), বিশ্লেষণ করেন মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে, তার সুফল শেষ পর্যন্ত কারা পাচ্ছে। নাফিস ফয়সাল, কো-ফাউন্ডার, ভসু.এআই, একজন উদ্যোক্তার দৃষ্টিকোণ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ গতিপথ তুলে ধরেন। সবশেষে রালফ স্ট্রাউস, প্রেসিডেন্ট, ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন, মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে কিনোট পর্বের ইতি টানেন।ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেওয়া বক্তব্যে প্রফেসর ফিলিপ কটলার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবসার দক্ষতা বাড়াতে, গ্রাহকের চাহিদা বুঝতে, বাজারের নতুন সুযোগ চিহ্নিত করতে এবং বিক্রি ও মুনাফার পূর্বাভাস দিতে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রযুক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে ধাপে ধাপে ও দায়িত্বশীলভাবে এটি গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সক্ষমতাকে সহায়তা করবে, প্রতিস্থাপন নয়; তাই মার্কেটিংয়ে মানুষের সৃজনশীলতা, তদারকি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভূমিকা অপরিহার্য। এ ছাড়া গ্রাহক বৃদ্ধি, ব্র্যান্ড বিল্ডিং, বাজেট ও আর্থিক পারফরম্যান্সের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মার্কেটিং ও ফাইন্যান্স বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় করা বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা, খরচ ও মুনাফার ক্ষেত্রে কতটা সুফল দিচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়নের ওপরও জোর দেন।অন্যদিকে হারমাওয়ান কারতাজায়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, সফল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, আস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় জরুরি। বাজারে নিজেদের আলাদা করে তুলতে হলে ব্যবসাগুলোকে গ্রাহকের পরিবর্তিত চাহিদা, সামাজিক প্রত্যাশা ও সাংস্কৃতিক ধারা বুঝতে হবে। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা তৈরি করবে, তবে তা পরিচালিত হতে হবে মানুষের দায়িত্ববোধ দিয়ে। এ জন্য প্রচলিত প্রতিযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে নতুন পণ্য, অভিজ্ঞতা ও বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে জেনারেটিভ অ্যাডভান্টেজ অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে মার্কেটিংকে কেবল মুনাফার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিক ব্যবসা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজ ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।কিনোট সেশনের পাশাপাশি ২টি প্যানেল ডিসকাশনে উঠে আসে মাঠপর্যায়ের বাস্তব প্রশ্ন। প্রথম দিনের প্যানেলে আলোচনা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য প্রতিযোগিতার মাঠ সমান করতে পারে কি না। সাশ্রয়ী প্রযুক্তি কীভাবে ছোট ব্যবসাকে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে পারে এবং তা কার্যকরভাবে ব্যবহারে কী প্রয়োজন, সে বিষয়েও মত দেন আলোচকরা। দ্বিতীয় দিনের প্যানেলে আলোচনার বিষয় ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা, যাতে একাডেমিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব কাজে লাগে। এর বাইরে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং কোরিয়ার কে-কালচারে কৃত্রিম ও অ্যানালগ বুদ্ধিমত্তার মেলবন্ধন নিয়ে ২টি কেইস স্টাডি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পেশাল রিমার্কস আলোচনায় যোগ করে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি। সব সেশনেই ঘুরেফিরে উঠে আসে একটি বার্তা: মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও আস্থার ওপর ভর করেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে পারে। ফোরামের শেষ ভাগে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ), আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন (এএমসি), ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন (ইএমসি) এবং ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি) যৌথভাবে ঘোষণা করে ঢাকা ডিক্লারেশন: মার্কেটিং ফর গুড। এরপর সমাপনী সেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুই দিনের এই আয়োজন।ফোরামের বিভিন্ন সেশনে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যাক ইয়াও, পার্টনার অ্যান্ড প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, পিএইচডি, প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; প্রফেসর বুজং কিম, চিফ ইমাজিনেশন অফিসার, ড্রিম কোম্পানি; ফর্মার প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); সের্গেই স্পিভাকভস্কি, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, বিজনেস ডিপার্টমেন্ট, হায়ার কলেজেস অব টেকনোলজি, ইউএই; আশরাফ বিন তাজ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশনস কোম্পানি বাংলাদেশ পিএলসি.; বোর্ড ডিরেক্টর, এসিআই পিএলসি.; অ্যাডভাইজার, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন; বোর্ড মেম্বার, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ; রোহান সোমাওয়ানসা, ডিরেক্টর, ডিএসআই গ্রুপ; ফর্মার প্রেসিডেন্ট, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন; ড. নুসরাত হাফিজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর অ্যান্ড ডিরেক্টর, উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সেল, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল (বিবিএস), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; ড. শরিফুল ইসলাম দুলু, সেক্রেটারি জেনারেল, মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ; ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, মার্কটেল বাংলাদেশ লিমিটেড; প্রফেসর মোসাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী, পিএইচডি, ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, শাহজালাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (সাস্ট); খায়রুল বাশার, ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশনস, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; এনোক পেরেরা, প্রেসিডেন্ট, শ্রীলঙ্কা ইনস্টিটিউট অব মার্কেটিং-স্লিম; তৌফিক, গ্রুপ সিইও অ্যান্ড ডেপুটি চেয়ারম্যান, এমকর্প; ড. জাহিদ হালিম, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল (বিবিএস), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; সৈয়দ ইকবাল মাহমুদ হোসেন, সেলস ডিরেক্টর, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি.; এবং আফসানা আক্তার, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সৌজন্যে, এসিআই মটরস লিমিটেডের সঞ্চালনায় এবং প্রাণের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০। আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। ইন কোলাবোরেশন উইথ - এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন; আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন; ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি; ব্র্যাক বিজনেস স্কুল; মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি); মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (এমআইবি); ব্যাকপেজ পি আর; এবং ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি)।

১ দিন আগে

ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান


প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য)। এসব বর্জ্যের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণ সমাজকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা।শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় আয়োজিত এক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে বক্তারা এ আহ্বান জানান।ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট (VFE) ও ইউক্যানের (YOUCAN) যৌথ উদ্যোগে এবং ভাঙাড়িওয়ালার সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, পুরোনো মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, টেলিভিশন, নষ্ট ব্যাটারি ও চার্জারের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যে সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার সঙ্গে ফেলে দেওয়া কিংবা খোলা জায়গায় পোড়ানোর ফলে মাটি, পানি ও বায়ুদূষণ হয়। একই সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।ইউক্যানের প্রতিষ্ঠাতা যুধিষ্ঠির চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পরিবর্তন আনতে তরুণ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে। শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চর্চাও বাড়াতে হবে।”ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্টের পরিচালক শেখ শাহরুখ ফারহান বলেন, “ই-বর্জ্য দূষণ রোধে তরুণদের শুধু নিজেরা সচেতন হলেই হবে না, পরিবার ও কমিউনিটিতেও দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”ভাঙাড়িওয়ালার উদ্যোক্তা নাসিম নেক বলেন, “ই-বর্জ্যকে সাধারণ আবর্জনা হিসেবে বিবেচনা না করে সঠিকভাবে সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য ভাঙাড়ি সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা জরুরি।”বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও সে অনুযায়ী ই-বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও নিরাপদ পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এ কারণে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।তারা বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। নাগরিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজকে সম্মিলিতভাবে এ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় ব্যবহারের অনুপযোগী ইলেকট্রনিক পণ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত সংগ্রহকেন্দ্রে জমা দেওয়া, মেরামতের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য পণ্য পুনরায় ব্যবহার এবং নিরাপদ পুনর্ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়।আয়োজকরা জানান, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক পর্যায়ে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।ক্যাম্পেইনের মূল স্লোগান ছিল—‘Recycle, Rethink, Reform, Reuse’।

২ দিন আগে

টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হলো উপায়

টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হলো উপায়


ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে উপায়। এ উপলক্ষে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাফ-এর সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাতেল এবং ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের (উপায়) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামল বি. দাস।

২ দিন আগে

দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু  করল গ্রামীণফোন

দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন


দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন সম্প্রতি তাদের সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতার একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে; যা তাদের পরিচালিত অবকাঠামোজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) প্রদানকারী হিসেবে জেডটিই-কে সাথে নিয়ে গ্রামীণফোন বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে ৪৫০টি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।নতুন চালু হওয়া এই সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা প্রতি বছর প্রায় ১৮৮ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমাবে। ডেটা সেন্টারের পরিচালন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমিয়ে আনা এবং আরও টেকসই অবকাঠামোর সাহায্যে ডিজিটাল সংযোগ ও সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো গ্রামীণফোনের লক্ষ্য । এই পদক্ষেপ কোম্পানির ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০% কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান। এ সময় গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান এবং জেডটিই বাংলাদেশ’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলামান থাকায় আমরা এমনি একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০% কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা। এই লক্ষ্য অর্জনে আমাদের ক্রমাগত পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং কার্যক্রমজুড়ে টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। আমাদের সিলেট ডেটা সেন্টারের সোলার প্ল্যান্টটি এই অগ্রযাত্রায় এক প্রায়োগিক পদক্ষেপ, যা কোটি কোটি গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত ডিজিটাল অবকাঠামোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমরা কীভাবে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারি তা তুলে ধরছে। আমাদের গ্রাহক, সমাজ ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করে এমন টেকসই ও উদ্ভাবনী সল্যুশনে আমরা বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব।”জেডটিই বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং বলেন, “কোন ডেটা সেন্টারে বাংলাদেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনের পার্টনার হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই প্রকল্পটি দেখায় যে কীভাবে উন্নত প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি একত্রিত হয়ে আরও জ্বালানি-সাশ্রয় ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন সোলার সল্যুশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করছি যা গ্রামীণফোনের টেকসই লক্ষ্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ উদ্যোগ শিল্পখাতে একটি উদাহরণ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবে।”এই উদ্যোগটি গ্রামীণফোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে টেকসই বিষয়টিকে একীভূত করার এবং পরিচালন ও পরিবেশ উভয়ক্ষেত্রেই সুফল দেবে এমন সল্যুশনে বিনিয়োগের ধারাবাহিক প্রয়াসের প্রতিফলন। নবায়নযোগ্য শক্তির বহুল ব্যবহার, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং দায়িত্বশীল সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোম্পানিটি বাংলাদেশের জন্য এমন একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ তৈরিতে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে কার্বন নির্গমনের মাত্রা কম হবে।

৪ দিন আগে

ভুয়া পেজ ও এআই ভিডিও প্রচার ঠেকাতে জিডি করলো জেকে লাইফস্টাইল

ভুয়া পেজ ও এআই ভিডিও প্রচার ঠেকাতে জিডি করলো জেকে লাইফস্টাইল

২৯ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৫৫:২৫

প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেছে গ্রামীণফোন

প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরেছে গ্রামীণফোন

২৮ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০:৫০:০৪

চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে লাখ টাকা আয় মাইনুলের

চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে লাখ টাকা আয় মাইনুলের

২৫ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১:২৯:১৬

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

২৩ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:১৪:৪১

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

২২ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৫:৩৪

জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ১০৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

২২ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১:৫৩:২০

অপো নিয়ে এলো ‘মেক ইওর পূজা মোমেন্ট উইথ অপো’ কনটেস্ট

অপো নিয়ে এলো ‘মেক ইওর পূজা মোমেন্ট উইথ অপো’ কনটেস্ট

১৯ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৬:১৬:০১

টয়োপ ২০২৬ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম

টয়োপ ২০২৬ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম

১৯ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:৪৮:১৪

সেপ্টেম্বরের এজেন্ট ক্যাম্পেইনের বিজয়ীকে রাইডু ই-বাইক উপহার দিলো উপায়

সেপ্টেম্বরের এজেন্ট ক্যাম্পেইনের বিজয়ীকে রাইডু ই-বাইক উপহার দিলো উপায়

১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৬:৩৪:৩৪

বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি

বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি

১৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৫:১৬:৪৩

চার্জার-পাওয়ার ব্যাংক ছাড়াই ব্যাটারি পাওয়ার ৪০% অবশিষ্ট রেখে বান্দরবান ট্র্যাকিং সম্পন্ন করলো রিয়েলমি সি১০০

চার্জার-পাওয়ার ব্যাংক ছাড়াই ব্যাটারি পাওয়ার ৪০% অবশিষ্ট রেখে বান্দরবান ট্র্যাকিং সম্পন্ন করলো রিয়েলমি সি১০০

১৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকাল ০৩:৫৭:২৩

1–15 / মোট 203টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 14
শিরোনাম
মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা সোলার এক্সপো-২০২৬ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর ২৯ দিনে দুই দফায় এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর বোঝা চাপানো অযৌক্তিক: এবি পার্টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে" ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা সোলার এক্সপো-২০২৬ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর ২৯ দিনে দুই দফায় এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর বোঝা চাপানো অযৌক্তিক: এবি পার্টি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. মারুফ টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ "সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে" ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ২০৬০ ফাঁদে পা দেবেন না, কাজে ফিরে যান: শ্রমিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করল বিআরটিএ ধামরাইয়ের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে প্রশাসন ও জেলা পরিষদ হাসপাতাল নেই, চিকিৎসার পথে মৃত্যুর মিছিল নিঝুম দ্বীপে