নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ফিনটেক সামিটের ষষ্ঠ সংস্করণ। ১০ অক্টোবর শনিবার রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ফিনটেক ফোরামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে এই সম্মেলনে ব্যাংকিং ও ফিনটেক খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন। মাস্টারকার্ডের সৌজন্যে, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির সঞ্চালনায় এবং উপায়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতের রূপান্তর, প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবার সম্প্রসারণ এবং এর ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিকাশে বিদ্যমান সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় বিষয়গুলো নিয়েও অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করেন।জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা এবং নীতিবিষয়ক আলোচনার মাধ্যমে দেশের ফিনটেক খাতকে সামনে এগিয়ে নেওয়াই ছিল এই সামিটের মূল লক্ষ্য। এ বছরের আলোচনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি একটি নির্ভরযোগ্য আর্থিক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়াও অধিকতর মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসা, গ্রাহকের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাতের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পুরোপুরি প্রস্তুত করার মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় প্রধান্য পেয়েছে।আয়োজনটির স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ফিনটেক খাতের আগামী দিনের অগ্রগতি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারকে আমরা কতটা স্থায়ী আর্থিক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে পারি তার ওপর। উদ্ভাবনের মাধ্যমে আর্থিক সেবাকে মানুষের জন্য আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার পাশাপাশি এসব সেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়ানোর ওপরও তিনি জোর দেন। এজন্য প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারকদের একসঙ্গে কাজ করে ভবিষ্যতের আর্থিক সেবার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও মান গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।এ বছরের সামিটটি দুটি কিনোট সেশন, তিনটি প্যানেল ডিসকাশন, একটি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ, একটি ইনসাইট সেশন এবং একটি কেইস স্টাডির সমন্বয়ে সাজানো হয়েছিল। এসব আলোচনায় আঞ্চলিক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থিক খাতের প্রকৃত প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারগুলো বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। সামিটের কিনোট সেশনগুলোতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞরা আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে আসিয়ান ও দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তন, পারস্পরিক সংযোগ এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল ব্যাংককে শূন্য থেকে দশ লাখ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।এছাড়াও সামিটের এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ ও অন্যান্য সেশনে স্বয়ংক্রিয় কাজের ব্যবস্থা থেকে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশের ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই পরিবর্তনের গুরুত্ব, নগদবিহীন লেনদেন এবং বিভিন্ন আর্থিক সেবার মধ্যে সংযোগ ঘটিয়ে আরও দশ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর কৌশল নিয়েও কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে নিরাপদ আর্থিক অবকাঠামো তৈরি, নতুন সেবা পরীক্ষার সুযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে সঠিক তদারকি এবং তথ্য ও গ্রাহক সুরক্ষার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়।দেশের ব্যাংকিং, পেমেন্টস, বীমা এবং করপোরেট খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রধান নির্বাহী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সামিটের বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত থেকে তাদের সুচিন্তিত মতামত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। মাস্টারকার্ড, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি ও উপায়ের পাশাপাশি এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ব্রেইন স্টেশন ২৩, বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভ, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল এবং ব্যাকপেজ পিআর।
১ দিন আগে
গণপরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনে জিপিএস ট্র্যাকার বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। লক্ষ্য, প্রতিটি বাস ও ট্রাকের অবস্থান, গতি ও চলাচলের তথ্য এক জায়গায় আনা। এতে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, রুট মেনে চলা আর দুর্ঘটনার পর দায় নির্ধারণ সহজ হবে।উদ্যোগ বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) লাইসেন্সপ্রাপ্ত ভেহিকল ট্র্যাকিং সার্ভিস (ভিটিএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর। তারা গাড়িতে যন্ত্র বসাবে, আর সেই যন্ত্রের তথ্য এপিআইয়ের মাধ্যমে পৌঁছাবে বিআরটিএর সার্ভারে। এ জন্য এপিআই-সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে বিআরটিএ।তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে ডুপনো ট্র্যাকার। দেশের পরিচিত এই ভেহিকল ট্র্যাকিং সার্ভিসের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডুপনো ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে বিটিআরসির লাইসেন্স নিয়ে কাজ করছে। ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে বড় কোম্পানির গাড়ির বহর — সব ধরনের গ্রাহকই আছে তাদের।উদ্যোগের আসল চ্যালেঞ্জ ঢাকার বাইরে। জেলা শহর, মহাসড়কের পাশের টার্মিনাল আর বন্দরনগরীর ট্রাকস্ট্যান্ডে হাজারো গাড়িতে যন্ত্র বসানো এবং পরে নিয়মিত সেবা দেওয়া — কাজটা এখানেই কঠিন।ডুপনো ট্র্যাকার জানিয়েছে, দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে তাদের অফিস ও ইনস্টলেশন কেন্দ্র রয়েছে। ফলে রাজশাহী, খুলনা বা সিলেটের একজন বাসমালিককে যন্ত্র বসাতে বা সারাতে ঢাকায় আসতে হচ্ছে না। বড় বহরের ক্ষেত্রে ডিপো বা টার্মিনালে গিয়েই কাজ করছে তাদের দল।ডুপনো ট্র্যাকারের মুখপাত্র বলেন, “গণপরিবহনে জিপিএস আমাদের জন্য নতুন কাজ নয়। বিআরটিএর নির্দেশনার আগে থেকেই আমরা বাস, ট্রাক আর বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে ট্র্যাকিং সেবা দিচ্ছি। এখন সারা দেশে একসঙ্গে সেবা দিতে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।”তিনি আরও বলেন, “যন্ত্র বসানোই শেষ কথা নয়। গাড়ির তথ্য নিয়মিত বিআরটিএর সার্ভারে যাচ্ছে কি না, যন্ত্রে সমস্যা হলে কত দ্রুত সমাধান হচ্ছে — আসল পরীক্ষা সেখানেই। মালিক যেন নিজের জেলাতেই সেবা পান, আমরা সেভাবেই কাজ করছি।”নিয়ম মানার বাইরেও ট্র্যাকারে মালিকের সরাসরি লাভ আছে। গাড়ি কোথায়, কত গতিতে চলছে, কোথায় কতক্ষণ থেমেছিল — সব মোবাইলেই দেখা যায়। অতিরিক্ত গতি বা নির্ধারিত এলাকার বাইরে গেলে সতর্কবার্তা আসে, আর গাড়ি চুরি হলে দূর থেকে ইঞ্জিন বন্ধ করা যায়। একই প্ল্যাটফর্মে এআই ড্যাশক্যাম ও ফুয়েল মনিটরিং যোগ করার সুযোগও রাখছে ডুপনো ট্র্যাকার।যাত্রীদের জন্যও এর সুফল আছে। বাসের গতি ও রুট নজরদারিতে থাকলে বেপরোয়া চালানো কমে, আর দুর্ঘটনার পর কোন গাড়ি কত গতিতে ছিল তা-ও জানা যায়।খাতসংশ্লিষ্টরা মালিকদের আগে দুটি বিষয় যাচাই করতে বলছেন: প্রতিষ্ঠানটির বিটিআরসি লাইসেন্স আছে কি না, আর নিজের এলাকায় তাদের অফিস বা সার্ভিস পয়েন্ট আছে কি না। কারণ যন্ত্র বসানোর পরেও বছরের পর বছর সেবা লাগবে। বাস-ট্রাকের জন্য ডুপনো ট্র্যাকারের সেবার বিস্তারিত পাওয়া যাবে তাদের ওয়েবসাইটে।
২ দিন আগে
স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘অল-রাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন’ সি-সিরিজের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি১০০ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের সবধরণের প্রয়োজন পূরণে দীর্ঘমেয়াদী পাওয়ার, উন্নত ডিউরেবিলিটি, ওয়াটার রেজিজট্যান্স ও স্মুথ পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে ডিভাইসটি এই সেগমেন্টের সবচেয়ে সেরা ব্যাটারি ব্যাকআপ ও পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।রিয়েলমি সি১০০-এ সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের টাইটান ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সক্ষমতা, ১০ ওয়াট রিভার্স চার্জিং ও ৭ বছরের ব্যাটারি হেলথ প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আরও দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে এআই-পাওয়ার্ড অপটিমাইজেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও, সারাদিন ব্যবহার করার পরও ডিভাইসটি একইরকমভাবে চলতে সক্ষম। রিয়েলমির ল্যাব টেস্ট অনুযায়ী, একবার পূর্ণ চার্জে রিয়েলমি সি১০০ ১.৭ দিন সচল থাকার পাশাপাশি, ১১ ঘণ্টার বেশি অনলাইন গেমিং (ফ্রি ফায়ার, মোবাইল লিজেন্ডস ব্যাং ব্যাং), ২৪ ঘণ্টার বেশি অনলাইন স্ট্রিমিং, ২০ ঘণ্টার বেশি অনলাইন নেভিগেশন ও ৪০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করতে সক্ষম।উন্নত ডিউরেবিলিটি নিশ্চিত করতে রিয়েলমি সি১০০-এ মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিজট্যান্স ও আর্মরশেল প্রোটেকশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম। ডিভাইসটিকে আরও ডিউরেবল করতে এতে আইপি৬৯ প্রো টেকনোলজির পাশাপাশি, ২ মিটার ড্রপ রেজিজট্যান্স ও ৬ মিটার ওয়াটার রেজিজট্যান্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে প্রতিদিনের ব্যবহারের সময় টেবিলের ওপর থেকে পড়ে যাওয়া, পকেট থেকে ফোন বের করার সময় পড়ে যাওয়া বা ছবি তোলার সময় সুইমিংপুলে ফোন পড়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে ডিভাইসের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে শক্তিশালী ৮-কোর চিপসেট রয়েছে। ফটোগ্রাফি ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জন্য রিয়েলমি সি১০০-এ ৫০ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। রেয়ার ও ফ্রন্ট উভয় ক্যামেরাই ডুয়েল-ভিডিও শুটিং করতে সক্ষম।পাশাপাশি, প্রতিদিনের কাজে স্মুথ স্ক্রলিং ও অনবদ্য ভিউইং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রিয়েলমি সি১০০-এ ৯০.৪% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ও ১২০ হার্জ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সহ ৬.৮ ইঞ্চির এইচডি+ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে।০৮-১০ অক্টোবরের মধ্যে রিয়েলমি সি১০০ কেনার মাধ্যমে ক্রেতারা ৫০,০০,০০০ টাকা মূল্যের আকর্ষণীয় পুরষ্কার উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিবার স্মার্টফোন কেনার পর ব্যবহারকারীরা ১,০০,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা, বোগো অফার অথবা নিশ্চিত ৬ মাসের এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।গ্লোরি হোয়াইট, ভিক্টোরি পার্পল ও এনড্যুরেন্স ব্রাউন এই তিনটি অনন্য রঙে রিয়েলমি সি১০০ পাওয়া যাচ্ছে। ডিভাইসটি দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৭,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৮ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ২৯,৯৯৯ টাকা মাত্র।সুবিশাল ব্যাটারি, উন্নত ডিউরেবিলিটি, ওয়াটার রেজিজট্যান্স, স্মুথ পারফরম্যান্স ও অনন্য ফিচারের সমন্বয়ে রিয়েলমি সি১০০ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের জীবনে অল-রাউন্ড স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা চান এমন ব্যবহারকারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।
৪ দিন আগে
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজি স্মার্টফোনের সঙ্গে ১৩,৬০০ টাকা মূল্যের ১২ মাসের ফ্রি স্ক্রিন প্রোটেকশন সুবিধা দিচ্ছে। অফারটি দেশের সব অপো ব্র্যান্ড স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এই সুবিধার আওতায় রেনো১৫ এফ ফাইভজি ব্যবহারকারীরা ১২ মাসের জন্য স্ক্রিন প্রোটেকশন সুবিধা পাবেন। ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ ও কনটেন্ট তৈরির মতো দৈনন্দিন ব্যবহারে ফোনের স্ক্রিন সুরক্ষায় এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাজারে আসা অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজি-তে রয়েছে ‘ড্যান্সিং অরোরা’ ডিজাইন ও উন্নত ক্যামেরা ফিচার। স্মার্টফোনটিতে পোর্ট্রেট, ভিডিও এবং বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তোলার সুবিধা দেওয়া হয়েছে।রেনো১৫ এফ ফাইভজি-তে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড সেলফি ক্যামেরা। ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্সের মাধ্যমে সাধারণ সেলফির তুলনায় বড় পরিসরের দৃশ্য ফ্রেমে ধারণ করা যায়। ফলে গ্রুপ ছবি, ভ্রমণের বিভিন্ন দৃশ্য কিংবা ওয়াইড-ফ্রেম সেলফি তোলার ক্ষেত্রে ক্যামেরাটি ব্যবহার করা সম্ভব। পাশাপাশি, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা বিভিন্ন কম্পোজিশনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে পারবেন।ব্যবহারকারীদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজি-র সঙ্গে ১৩,৬০০ টাকা মূল্যের ১২ মাসের ফ্রি স্ক্রিন প্রোটেকশন সুবিধা দিচ্ছে। এর আওতায় ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে এক বছরের জন্য স্ক্রিন সুরক্ষা সুবিধা পাবেন।এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে ক্রেতাদের জন্য উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের চেয়েও বেশি কিছু নিশ্চিত করা আমাদের প্রতিশ্রুতি। আমরা বিশ্বাস করি, ডিভাইসের মালিকানার এই পুরো সময়ে আমাদের ক্রেতদের কেয়ার করাই এই সহযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। যারা নতুন কিছু তৈরি করতে চান ও নিজেদের প্রকাশ করতে চান, মূলত তাদের জন্যই অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজি নিয়ে আসা হয়েছে। এই অফারটির মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্রেতাদের জন্য আত্মবিশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতে চাই।”আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সকল অপো ব্র্যান্ড স্টোরে অপো রেনো১৫ এফ ফাইভজির ১৩,৬০০ টাকা মূল্যের ১২ মাসের এই ফ্রি স্ক্রিন প্রোটেকশন অফারটি উপভোগ করা যাবে। গ্রাহকসেবাকে সবসময় প্রাধান্য দিয়ে অপো ক্রেতাদের স্মার্টফোনের সুরক্ষা যেমন বাড়াচ্ছে, তেমনই নিজেদের আরও স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার সুযোগও করে দিচ্ছে।
৪ দিন আগে