অতীতে আলোচনার মাঝপথেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোয় পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে পৌঁছালেও মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে না বলে ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুনে মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক সেই সময়ই ইরানে সামরিক হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।১২ দিনের সেই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল বাঙ্কার-বাস্টার বোমায় সজ্জিত বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। তারপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরান পুনরায় তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওমানের রাজধানী মাস্কটে আরাঘচির সঙ্গে উইটকফ ও কুশনারের বৈঠক হয়। ওই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝপথেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে দেয়। আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্ট নন বলে ট্রাম্প জানিয়ে দেওয়ার পরপরই ওই হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী।বর্তমানে সেই একই মার্কিন প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা নিয়ে এখনও গভীর সংশয়ে রয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতির ওপরও জোর দিচ্ছেন তারা।দেশটির কিছু কট্টরপন্থী নেতা বলছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনার জন্য উন্মুক্ত নয়। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের কারণেই ইরানে হামলা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করেন।স্থবির হয়ে পড়া আলোচনা পুনরায় ইসলামাবাদে শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে হলেও এর গন্তব্য কোন দিকে তা এখনও স্পষ্ট নয়।সূত্র: বিবিসি।
১১ ঘন্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দেইর আল-বালাহ শহরে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে। আজ শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ।গাজায় সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০০৬ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই নির্বাচনে জিতেই উপত্যকায় ক্ষমতাসীন হয়েছিল সশস্ত্র ইসলামি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস। তবে ক্ষমতায় যাওয়ার পর প্রথমেই প্রতিপক্ষ ফাতাহ-কে গাজা থেকে উচ্ছেদ করে হামাস। ফাতাহ পশ্চিম তীরে ক্ষমতাসীন এবং ফিলিস্তিনের বৈধ সরকার হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) জোটের অন্যতম শরিক দল।২০০৭ সালে ফাতাহকে বিতাড়িত করার পর অলিখিতভাবে গাজায় সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছিল হামাস। ২০০৬ সালের পর থেকে পরবর্তী ২০ বছর আক্ষরিক অর্থেই কোনো নির্বাচন হয়নি উপত্যকায়।২০২৩ সালের ইসরায়েলে হামাসের অতর্কিত হামলা এবং তার জবাবে ২ বছর ধরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ সামরিক অভিযান চলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নিয়ে ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে হামাস এবং ইসরায়েল।যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার পাশাপাশি গাজার ক্ষমতাও ছাড়তে হয় হামাসকে; কারণ ট্রাম্পের প্রস্তাবের একটি পয়েন্টে উল্লেখ করা ছিল যে হামাসকে অবশ্যই ক্ষমতা ছাড়তে হবে এবং নির্বাচিত সরকার আসার আগ পর্যন্ত গাজার শাসনক্ষমতা থাকবে একটি অরাজনৈতিক টেকনোক্র্যাট সরকার। কয়েক মাস আগে সেই টেকনোক্র্যাট সরকার গঠিতও হয়েছে। সেই সরকারের অধীনেই হচ্ছে এই নির্বাচন।পশ্চিম তীরে ক্ষমতাসীন পিএ জোট এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে গাজার রাজনীতিতে ফের নিজের জায়গা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছে।ইউরোপ এবং মধ্যপ্রচ্যের অনেক দেশের সরকার গাজার এই স্থানীয় নির্বাচনের পূর্ণ প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তাদের মতে, ফিলিস্তিনে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকলে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালের ও গাজা উপত্যকার সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের গঠন প্রক্রিয়া এবং ফিলিস্তিনের জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম আরও গতিশীল হবে।পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, দেইর আল বালাহের নির্বাচন যদি সফল হয়— তাহলে তা পুরো গাজায় নির্বাচনের পরিস্থিতি সৃষ্ট করবে এবং দুই দশক পর গাজায় একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার সম্ভাবনাকে জোরাল করবে।গাজায় ক্ষমতাসীন টেকনোক্র্যাট সরকারের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো গাজা উপত্যকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করতে চেয়েছিলেন তারা; কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজার শহরগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এবং এখনও জঞ্জাল পরিষ্কার না হওয়ায় আপাতত দেইর আল-বালাহ শহরেই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। ইসরায়েলি অভিযানে অন্যান্য শহরের তুলনায় এই শহরটিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কম।নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেইর আল-বালাহের পৌর নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৭০ হাজার ৪৪৯ জন। শহরজুড়ে মোট ১২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে; এসব ভোট কেন্দ্রের বেশিরভাগই জাতিসংঘের সহায়তায় তাবু স্থাপন করে তৈরি করা হয়েছে।গাজার সাবেক ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী হামাস অবশ্য এই নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে, তবে হামাসের সঙ্গে কোনো না কোনো ভাবে সম্পর্কিত কয়েক জন ব্যক্তি এই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।দেইর আল-বালাহের সাধারণ ভোটাররা এই নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছেন। আদহাম আল-বারদিনি নামের এক তরুণী ভোটার রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমি জন্মের পর থেকে নির্বাচনের কথা শুধু শুনে এসেছি। আজ নিজের চোখে দেখলাম নির্বাচন ব্যাপারটা আসলে কী।”“আমরা এতে অংশ নিতে আগ্রহী। কারণ যে বাস্তবতা আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে— আমরা তার পরিবর্তন চাই।”সূত্র : রয়টার্স
১৮ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আরও একটি জাহাজ জব্দ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটি। ইরানের একটি বন্দরে যাওয়ার পথে জাহাজটিকে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় তারা। ২৫ এপ্রিল শনিবার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’ (ডিডিজি ১১৫) জাহাজটিকে আটকে দিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানি পতাকাবাহী জাহাজটি আটক করা হয়েছে। জাহাজটি ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাত্রা করার চেষ্টা করছিল বলে জানানো হয়েছে।এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা জাহাজে তুসকার সম্পদের বিবরণ দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কবজায় থাকা জাহাজে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধভাবে জাহাজ জব্দ’ করার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল ইরানের সব বন্দরে অবরোধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র তুসকা নামের ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজটিকে দখল করে।এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইরান জানিয়েছে, জাহাজটিতে গুরুত্বপূর্ণ ডায়ালাইসিস সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল। এই জব্দ করাকে তারা ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই জবরদস্তিমূলক ও বেআইনি পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে, নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করছে এবং দুর্বল রোগীদের মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।এদিকে অবরোধের মধ্যে চলাচল করা ইরানি জাহাজ নিয়ে মার্কিন দাবি প্রত্যাখান করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, মার্কিন অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সামরিক বাহিনী যে ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজটি আটক করেছে, সেটি ‘চীনের পক্ষ থেকে দেওয়া উপহার’ বহন করছিল। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় তারা জাহাজটিতে গুলি চালিয়ে সেটি দখল করে।মঙ্গলবার সিএনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, জাহাজটিতে কিছু জিনিস ছিল, যা খুব একটা ভালো নয়।
২০ ঘন্টা আগে
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে তিনি ইসলামাবাদে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির।এই সফরকে ঘিরে আঞ্চলিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সফর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার পথ খুলতে সহায়তা করতে পারে।পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সফরকালে আব্বাস আরাগচি দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ইস্যু এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে।ইসলামাবাদ বর্তমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নিতে মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে। এই প্রেক্ষাপটে আরাগচির সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার শনিবার পাকিস্তান সফর করবেন। তারা সেখানে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি নিশ্চিত করছি, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার সকালে আবার পাকিস্তানে যাবেন, যেখানে মধ্যস্থতার মাধ্যমে ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে।”তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সরাসরি সফরে না থাকলেও পুরো আলোচনার প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকবেন।সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা পুনরায় শুরু করতে সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফা সরাসরি আলোচনা কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছিল।১১–১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ওই প্রথম দফা আলোচনার পর নতুন করে সংলাপ শুরু করার চেষ্টা চলছে। তার আগেও দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, যা পরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাড়ানো হয়।বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতামূলক ভূমিকা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এই ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
২২ ঘন্টা আগে